The Helpdesk Updates

The Helpdesk Updates ✅ Whatsapp >> https://tinyurl.com/helpdeskbd
✅TECH UPDATE
✅AUTHENTIC TECH PRODUCTS
✅AI AND MANY MORE.

ZAAMI TV by Helpdeskআমাদের তৈরি IP TV ও IPTV PLAYER.এটা অন্যান্য IP TV থেকে কেন আলাদা!এখানে পাবেন,✅ একদম ফ্রি। কোনো হিডে...
15/07/2026

ZAAMI TV by Helpdesk

আমাদের তৈরি IP TV ও IPTV PLAYER.
এটা অন্যান্য IP TV থেকে কেন আলাদা!
এখানে পাবেন,
✅ একদম ফ্রি। কোনো হিডেন চার্জ ও সাবস্ক্রিপশন এর ঝামেলা নাই।
✅ সম্পূর্ণ ট্র্যাকার, রি-ডিরেক্ট লিঙ্ক মুক্ত।
✅ সম্পূর্ণ অ্যাড ফ্রী এক্সপেরিয়েন্স।
✅ মোবাইল, পিসি ও এন্ড্রয়েড টিভির জন্য আলাদা UI
✅ FIFA LIVE প্লে লিস্ট এ পাবেন ৬৪± ফিফা লাইভ সার্ভার খেলা দেখার জন্য। প্রতিদিন খেলার ঠিক আগেই সার্ভার আপডেট হবে অটোমেটিক্যালি।
✅ সব থেকে কম IPTV LATENCY চ্যানেল গুলো পাবেন শুরুতেই।
✅ সব থেকে বেশি বাফার ফ্রী চ্যানেল ও BDIX IPTV COLLECTION
✅ এছাড়াও পাবেন আলাদা অনেক গুলো প্লেলিস্ট যেখানে বাংলাদেশে ও ছাড়াও অনেক দেশের লাইভ আইপি টিভি পাবেন।

ZAAMI TV by Helpdesk এর লিঙ্ক কমেন্টে পাবেন।

Get WISPRFLOW Ai Enterprise for free! It’s the best voice-to-text typing assistant available on any device and supports ...
15/07/2026

Get WISPRFLOW Ai Enterprise for free! It’s the best voice-to-text typing assistant available on any device and supports any language. Check the first comment for more information.

আমরা এক অকল্পনীয় ভবিষ্যতের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছি। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস শেষ হওয়ার আগেই প্রযুক্তি বিশ্ব বুঝিয়ে দিয়েছে—থে...
27/01/2026

আমরা এক অকল্পনীয় ভবিষ্যতের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছি। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস শেষ হওয়ার আগেই প্রযুক্তি বিশ্ব বুঝিয়ে দিয়েছে—থেমে থাকার সময় আর নেই। মানুষ এখন আর কেবল স্বপ্ন দেখছে না, সেই স্বপ্নকে 'Code'-এ রূপান্তর করে সৃষ্টি করছে নতুন এক বাস্তবতা। অ্যাপল, গুগল আর এনভিডিয়ার মতো টেক- জায়ান্টরা যেন এক অলিখিত যুদ্ধে নেমেছে, যার লক্ষ্য একটাই—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বা 'AI'-এর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। অ্যাপল তাদের আইফোনের 'Siri'-কে ঢেলে সাজাচ্ছে গুগলের শক্তিশালী 'Gemini' ইঞ্জিন দিয়ে। গুগল তাদের 'AI Plus' প্ল্যান আমেরিকার ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে। এনভিডিয়া নিয়ে এসেছে পরবর্তী প্রজন্মের 'AI Chips', আর 'OpenAI' বিজ্ঞানীদের গবেষণার জন্য তৈরি করেছে 'Prism' নামের বিশেষ 'Workspace'। মনে হচ্ছে, আমরা এমন এক যুগে প্রবেশ করছি যেখানে প্রযুক্তির ক্ষমতা মানুষের কল্পনাকেও হার মানাবে।

কিন্তু এই তীব্র গতির সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে বুকের ভেতর কোথাও একটা চাপা আতঙ্ক বা 'Anxiety' কাজ করছে। আমাদের এই অগ্রযাত্রার সাক্ষী হয়ে 'Doomsday Clock'-এর কাঁটা মধ্যরাতের আরও কাছে সরে এসেছে। এই সংকেত কি আমাদের থামতে বলছে? সম্ভবত না, তবে সাবধানে পা ফেলতে বলছে। কারণ, যেই 'Grok AI' চ্যাটবটকে আমরা বুদ্ধিমত্তার প্রতীক ভাবছিলাম, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আর ক্যালিফোর্নিয়ার তদন্তে বেরিয়ে আসছে তার অন্ধকার দিক—সে তৈরি করছে আপত্তিকর ছবি। বেলফাস্টে 'Deepfake'-এর ভয়ে সরকারি কাজে সোশ্যাল মিডিয়া 'X'-এর ব্যবহার বন্ধ করতে হয়েছে। এমনকি সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, 'ChatGPT'-র মতো চ্যাটবট এখন নিজেই ইলন মাস্কের 'Grokipedia' থেকে তথ্য ধার করছে। মেশিন কি তবে মানুষের অগোচরে নিজেদের মধ্যে এক গোপন জগত তৈরি করে ফেলছে?

তবুও আশার আলো নেভেনি, বরং আরও উজ্জ্বল হয়েছে। ইংল্যান্ডের 'NHS' এই সপ্তাহেই ফুসফুসের ক্যান্সার বা 'Lung Cancer' শনাক্ত করতে রোবোটিক টুলস এবং এআই-এর ট্রায়াল শুরু করেছে—যা হয়তো বাঁচিয়ে দেবে হাজারো প্রাণ। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপারকম্পিউটার 'Dawn'-কে আরও শক্তিশালী করতে ঢালা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। ভিয়েতনামের 'VinFast' যখন স্বয়ংক্রিয় বা 'Autonomous Driving' প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে, তখন মনে হয় আমরা সত্যিই এক সাই-ফাই সিনেমার চরিত্র হয়ে উঠছি। এমআইটি-র গবেষকরা অবশ্য সতর্ক করেছেন যে, ডাক্তারদের এআই মডেলগুলো রোগীদের গোপনীয় তথ্য মুখস্থ করে ফেলতে পারে। অর্থাৎ, একদিকে জীবন বাঁচানোর অদম্য 'Ambition', আর অন্যদিকে গোপনীয়তা হারানোর ভয়—এই দুইয়ের মাঝখানের সরু সুতো ধরেই এখন আমাদের হাঁটতে হচ্ছে। গন্তব্য অজানা, কিন্তু যাত্রার গতি থামানোর কোনো উপায় আর আমাদের হাতে নেই।

মেটা বা ফেসবুক যে হুট করে ২ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা ঢেলে ‘মানুস’ (Manus) নামের একটা স্টার্টআপ কিনে নিল, ...
18/01/2026

মেটা বা ফেসবুক যে হুট করে ২ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা ঢেলে ‘মানুস’ (Manus) নামের একটা স্টার্টআপ কিনে নিল, এটাকে যারা জাস্ট একটা বিজনেস ডিল ভাবছেন, তারা আসলে বোকার স্বর্গে বাস করছেন। জাকারবার্গ সাহেব আসলে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বের করার প্রজেক্ট হাতে নিয়েছেন। এতদিন আমরা চ্যাটজিপিটি বা এআই-কে দেখেছি স্রেফ পরামর্শদাতা হিসেবে, কিন্তু এই নতুন ‘এজেন্টিক এআই’ টেকনোলজি দিয়ে তারা এখন আমাদের হাত-পা বেঁধে ফেলার ব্যবস্থা করছে।

বিষয়টা হলো, এই এআই শুধু আপনার সাথে চ্যাটিং করবে না, এ সরাসরি আপনার পিসি বা মোবাইলের মাউস আর কার্সরের দখল নেবে। চিন্তা করে দেখেন, যে এআই আপনার হয়ে শপিং করবে বা ব্যাংকের ফর্ম ফিলাপ করবে, তার কাছে আপনার ক্রেডিট কার্ড থেকে শুরু করে পার্সোনাল ডাটার অ্যাক্সেস থাকাটা কি শাঁখের করাত না? আমরা কি নিজের অজান্তেই মার্ক জাকারবার্গের হাতে আমাদের ডিজিটাল জীবনের মাস্টার-কি তুলে দিচ্ছি না? যেই ফেসবুকের বিরুদ্ধে ডাটা চুরির অভিযোগের শেষ নেই, তাদের হাতে এমন ‘অটো-পাইলট’ টেকনোলজি তুলে দেওয়া আর বিড়ালের কাছে শুঁটকি মাছ পাহারায় দেওয়া একই কথা।

সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো, এই টেকনোলজি যদি সফল হয়, তবে অনলাইনে মানুষের ‘অস্তিত্ব’ বলে আর কিছু থাকবে না। ইন্টারনেটের ট্রাফিক হবে বনাম বট। আর কর্মসংস্থান? ওটা তো অমাবস্যার চাঁদ হয়ে যাবে। কারণ যে কাজটা করতে আপনার দশ মিনিট লাগত, সেটা এআই চোখের পলকে করে দিলে কোম্পানিগুলো আর আপনাকে বেতন দিয়ে পুষবে কেন? মেটার এই ২৪ হাজার কোটি টাকার বাজি আসলে আমাদের প্রাইভেসি আর ক্যারিয়ারের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার একটা মাস্টারপ্ল্যান ছাড়া আর কিছু না। দিনশেষে আমরা হলাম ওদের প্রোডাক্ট, আর ওরা এই নতুন খেলনা দিয়ে আমাদের ডাটা চুষে খাওয়ার আরেকটা ফাঁদ পাতল মাত্র।

Bijoy keyboard কিভাবে আমাদের পেছনে ঠেলে দিচ্ছে।পার্ট - ২ভাইরে ভাই, এসএসসির বা এইচএসসির রেজাল্টের দিন যে শিক্ষা বোর্ডের ও...
17/01/2026

Bijoy keyboard কিভাবে আমাদের পেছনে ঠেলে দিচ্ছে।
পার্ট - ২

ভাইরে ভাই, এসএসসির বা এইচএসসির রেজাল্টের দিন যে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটগুলো ‘ক্র্যাশ’ করে বা সার্ভার হ্যাং হয়ে বসে থাকে, এর পেছনের আসল কালপ্রিট কে জানেন? আমরা ভাবি শুধু ট্রাফিক বেশি তাই সার্ভার ডাউন, কিন্তু আসল ঘটনা অন্য জায়গায়। এই যে মান্ধাতার আমলের আনসি (ANSI) বা বিজয় ফন্টের ডাটাবেস, এটাই হলো সার্ভারের গলার কাঁটা। বিষয়টা খুইলা বলি।

যখন লাখ লাখ স্টুডেন্ট একসাথে রেজাল্ট সার্চ দেয়, তখন সার্ভারের ডাটাবেসে একটা বিশাল ঝড় বয়ে যায়। এখন সমস্যা হলো, ডাটাবেসে তো আপনার নাম বাংলায় লেখা নাই, লেখা আছে কিছু উদ্ভট ইংরেজি ক্যারেক্টারে। ধরেন আপনার নাম ‘আকাশ’, কিন্তু ডাটাবেসে সেটা সেভ করা আছে ‘AvKvk’ বা এই টাইপের কিছু হিজিবিজি কোড হিসেবে। যখন সার্ভারকে বলা হয় ‘আকাশ’ খুঁজে বের করো, তখন সে আর বাংলা খুঁজে পায় না, তাকে ব্যাকএন্ডে হাজার হাজার লাইনের কোড কনভার্ট করে ওই হিজিবিজি কোড ম্যাচ করতে হয়। এই যে এক্সট্রা প্রসেসিং পাওয়ার নষ্ট হচ্ছে, এতেই সার্ভারের প্রসেসর হিট হয়ে যায় আর ওয়েবসাইট ‘502 Bad Gateway’ এরর মারে। যদি ডাটা ইউনিকোডে থাকতো, তাইলে সার্চ হতো মিলি-সেকেন্ডে, সার্ভারও হ্যাং করতো না।

সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপারটা ঘটে আমাদের সার্টিফিকেট আর ন্যাশনাল আইডির ডাটাবেসে। দেখবেন অনেকের সার্টিফিকেটে নামের বানান ভুল, বা অনলাইনে এক রকম আর হার্ডকপিতে আরেক রকম। এর কারণ হলো ওই ‘ফন্ট মিসম্যাচ’। আনসি ফন্টে লেখা ডাটা এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে নিলে বা এক সার্ভার থেকে আরেক সার্ভারে মাইগ্রেট করলে ডাটা ‘করাপ্ট’ হয়ে যায়। দেখা গেল বাবার নাম ‘রহিম’ হয়ে গেল ‘র #&ম’। এই ভুল ঠিক করতে মানুষকে যে কি পরিমাণ জুতার তলা ক্ষয় করতে হয়, তা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবে না। আমরা আসলে একটা ‘ডিজিটাল জঞ্জাল’ বা ডাটার আবর্জনা তৈরি করে রাখছি, যা ফিউচারে আমাদের আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ফেলে দিবে।

অনেকে আবার পন্ডিতি করে বলে, "আরে সমস্যা নাই, ওসিআর (OCR) দিয়ে সব ঠিক করে ফেলব।" ওসিআর মানে হলো ছবি থেকে লেখা বের করা। কিন্তু ভাই, আনসি বা বিজয়ের লেখা ওসিআর দিয়ে উদ্ধার করা আর ভাঙা আয়নায় মুখ দেখা একই কথা। বিজয়ের যুক্তবর্ণগুলো (যেমন: ক্ষ, ষ্ণ) এমনভাবে টাইপ করা হয় যে ওসিআর সফটওয়্যার ওগুলোকে আলাদা অক্ষর হিসেবে চিনতে পারে না। সে ‘ক্ষ’-কে ভেঙে ‘ক’ আর ‘ষ’ আলাদা করে ফেলে, বা অনেক সময় ভুলভাল শব্দ আউটপুট দেয়। ফলে আপনি যদি ভাবেন পুরনো সরকারি নথি স্ক্যান করে ওসিআর দিয়ে ডিজিটালাইজ করবেন, তাইলে বোকার স্বর্গে আছেন। ওটার অ্যাকুরেসি লেভেল এত জঘন্য হবে যে, ওই ডাটা দিয়ে কোনো কাজই হবে না। ম্যানুয়ালি টাইপ করা ছাড়া ওটা উদ্ধারের আর কোনো উপায় নাই।

সার্চ রেজাল্টেও একই কাহিনী। আপনি সরকারি কোনো ওয়েবসাইটের সার্চ বারে গিয়ে বাংলায় কিছু খুঁজলে রেজাল্ট আসে না কেন জানেন? কারণ সার্চ ইঞ্জিন আপনার বাংলা ইনপুট বুঝে, কিন্তু ডাটাবেসে থাকা ওই আনসি ফন্টের ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ বুঝে না। ফলে চোখের সামনে ডকুমেন্ট থাকলেও সার্চ রেজাল্ট দেখায় ‘No Data Found’। মানে প্রযুক্তির ভুলের কারণে তথ্য থেকেও আমরা তথ্য পাচ্ছি না।

সোজা কথায় , এই আনসি ফন্টের চক্করে পড়ে আমরা কোটি কোটি টাকার সার্ভার বানাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু পারফরম্যান্স পাচ্ছি নোকিয়া ১১০০-এর মতো। ডাটাবেস স্লো, সার্চ কাজ করে না, রেজাল্ট শিট ভুল আসে—সবকিছুর মূলে এই গোঁয়ার্তুমি। এখন সময় আসছে এই জোড়াতালি সিস্টেম বাদ দিয়ে ইউনিকোডে শিফট করার, নাইলে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ শুধু স্লোগানেই থাকবে, সার্ভারে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।

মানুষের যেমন কিছু বাজে অভ্যাস থাকে যা সে সহজে ছাড়তে পারে না, টেক দুনিয়ায় আমাদের বাঙালিদের অবস্থাও সেম। আমাদের ন্যাশনাল ব...
17/01/2026

মানুষের যেমন কিছু বাজে অভ্যাস থাকে যা সে সহজে ছাড়তে পারে না, টেক দুনিয়ায় আমাদের বাঙালিদের অবস্থাও সেম। আমাদের ন্যাশনাল ব্যাধি হইলো ‘SutonnyMJ’ ও Bijoy কিবোর্ডে। এইটা এমন এক বদ অভ্যাস, যা একবার ধরলে আর ছাড়তে চায় না। উল্টো অনেকে বিভিন্ন খোঁড়া যুক্তি দিয়া এই এনালগ সিস্টেমরে Glorify করার ট্রাই করে। আসেন আজকে একটু বুঝি, কিভাবে এই ‘জোড়াতালি’ দেওয়া সিস্টেম আমাদের ঘাড়ে চাপল! আর কেনই বা ' বিজয় ' কীবোর্ড আসলে একটা মেন্টাল স্লেভারি।

সহজ কথায় যদি বলি, বিজয় বা ANSI সিস্টেমটা হইলো পিসির সাথে এক ধরণের ২ নাম্বারি। কম্পিউটার ভাই বাইনারি বোঝে, সে চেনে ASCII কোড। ১৯৮৮ সালে যখন বিজয় আসলো, তখন ইউনিকোড ছিল না। তখন জব্বার সাহেবরা কী করলেন? ইংরেজি ফন্টের স্লটগুলায় জোর কইরা বাংলা অক্ষর বসায় দিলেন। মানে আপনি কিবোর্ডে চাপলেন ‘J’, কম্পিউটার জানল আপনি ‘J’ চাপছেন, কিন্তু স্ক্রিনে ফন্টের কারসাজিতে দেখাইল ‘ক’। এটারে টেকনিক্যাল ভাষায় Coding বলে না, এটারে বলে ‘Font Masking’ বা সোজা বাংলায় ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’। ফন্ট মিসিং হলে আপনার লেখা আর বাংলা থাকে না, হয়ে যায় হিব্রু বা গার্বেজ।

এখন একটা ইন্টারেস্টিং কথা শুনেন, যেটা টেক পাড়ায় বহুল প্রচলিত। মার্কেটে একটা স্ট্রং রিউমার আছে যে, মোস্তফা জব্বার সাহেব আসলে বিজয়ের মেইন কোড লেখেন নাই। শোনা যায়, আশির দশকের শেষের দিকে এক মেধাবী প্রোগ্রামার (কারও মতে ইন্ডিয়ান, কারও মতে ডাচ কোলাবোরেটর) ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারের জন্য এই লেআউট আর ড্রাইভারের বেসিক স্ট্রাকচার রেডি কইরা দিছিলেন। জব্বার সাহেব ছিলেন মূলত তুখোড় মার্কেটার। তিনি ওই টেকনিক্যাল ব্রেইনটাকে কাজে লাগাইয়া নিজের নামে ব্র্যান্ডিং করছেন। অনেকটা স্টিভ জবস আর স্টিভ ওজনিয়াকের মতো কেস—ক্রেডিট নিছেন একজন, আর ব্যাকএন্ডে কামলা খাটছেন আরেকজন। আসল কোডার তার প্রাপ্য সম্মান বা রয়্যালটি পাইছেন কিনা, তা নিয়ে আজও বিরাট সন্দেহ আছে।

বিজয়ের এই দাদাগিরি বা মনোপলি বিজনেস বুঝতে হইলে আপনাকে ২০১০ সালের দিকে তাকাইতে হবে। যখন অভ্র (Avro) আসলো এবং মানুষ ফ্রিতে ইউনিকোডে বাংলা লেখা শুরু করল, তখন জব্বার সাহেবের ফন্টের ব্যবসায় লাল বাতি জ্বলার দশা। তিনি অভ্রকে ‘পাইরেটেড’ আর ‘চোর’ বইলা গালি দেওয়া শুরু করলেন। ঘটনা ওখানেই থামে নাই। ২০১০ সালে অভ্রর ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়। হ্যাকার গ্রুপ ‘Omicrona’ সাইট ডাউন কইরা সেখানে লিখে দেয়— “অভ্র ব্যবহার বন্ধ করো, বিজয় ব্যবহার করো।” চিন্তা করেন, একটা সফটওয়্যার কোম্পানি নিজের বিজনেস বাঁচাতে মাফিয়া স্টাইলে হ্যাকিং করাচ্ছে!

টেকনিক্যাল দিক দিয়া বিজয় বা ANSI হইলো ডাটাবেসের জন্য অভিশাপ। আপনি ANSI ফন্টে লেখা কোনো সরকারি ডকুমেন্ট গুগলে সার্চ কইরা পাবেন না। কারণ গুগলের ক্রলার বা বট ওই ফন্ট রিড করতে পারে না। ওটার কাছে আপনার লেখা হইলো কিছু র‍্যান্ডম ক্যারেক্টার। আবার এক্সেলে বা ডাটাবেসে বিজয়ে লেখা নাম আপনি ‘অ-আ-ক-খ’ সিরিয়ালে Sort করতে পারবেন না। কম্পিউটার ওটারে ইংরেজি ‘A-B-C-D’ লজিক দিয়া উল্টাপাল্টা কইরা ফেলবে। এই সিম্পল কারণে সরকারি অফিসের হাজার হাজার নথিপত্র আজও ডিজিটালাইজ করা যাচ্ছে না।

অনেকে আবার স্পিডের দোহাই দেয়। আরে ভাই, ঘোড়ার গাড়িরও তো এককালে গতি ছিল, তাই বইলা কি টেসলার যুগে আপনি ঘোড়ার গাড়ি লইয়া হাইওয়েতে উঠবেন? টাইপিং স্পিড হইলো Muscle Memory-র বিষয়, লেআউটের না। এখন ২০২৬ সাল। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হইলে আগে এই ‘সুতন্নি এমজে’র ভূত ঘাড় থিকা নামাইতে হবে। যে সিস্টেম আমারে আমার নিজের ভাষায় স্বাধীনভাবে লিখতে দেয় না, উল্টো টাকার বিনিময়ে ফন্ট আর লাইসেন্স কিনতে বাধ্য করে—সেটা গর্বের কিছু না। ওটা স্রেফ একটা বিজনেস ট্র্যাপ। দাসত্ব ছাড়েন, ইউনিকোডে আসেন বিশেষ করে এই বিজয় স্টাইলে লেখা বাদ দেন।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Helpdesk Updates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share