24/06/2026
সাইন বোর্ডে "২৮ মাইল" কিন্তু কাজ হচ্ছে "২৯ মাইলে": এই রহস্যের জট খুলবে কে?
আমাদের এলাকার একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে সাধারণ জনগণের মনে তীব্র ক্ষোভ ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এলাকার একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে বিষয়টি সবার সামনে আনা প্রয়োজন মনে করছি।
সম্প্রতি একটি রাস্তা পাকাকরণের কাজ চলছে, যেখানে সরকারি সাইন বোর্ডে পরিষ্কার লেখা আছে
"২৮ মাইল টু উত্তর রঘুনাথপুর সড়ক, দৈর্ঘ্য: ২.৫ কি.মি."
এখন সাধারণ মানুষের মনে খুব যৌক্তিক কিছু প্রশ্ন উঠেছে:
১️| নামের অমিল: সরকারি বোর্ডে যেখানে স্পষ্ট অক্ষরে "২৮ মাইল" এর নাম লেখা, সেখানে কাজটির বাস্তব রূপায়ন কেন দিনাজপুর জেলা পার হয়ে ঠাকুরগাঁও জেলার "নতুন পাড়া ২৯ মাইল" এলাকায় গিয়ে করা হচ্ছে?
এক জায়গার নামের বরাদ্দের কাজ কেন ২ কিলোমিটার দূরে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হলো?
২️| দূরত্বের বিশাল ব্যবধান: বোর্ডে বরাদ্দের দূরত্ব লেখা রয়েছে ২.৫ কিলোমিটার। কিন্তু বাস্তবে যেখানে কাজ করা হয়েছে, সেই দূরত্ব মেপে দেখা যাচ্ছে ১ কিলোমিটারের চেয়েও কম।
তাহলে বাকি ১.৫ কিলোমিটারের বরাদ্দ ও বাজেট কোথায় গেল? নাকি অন্য কোথাও কাজ দেখিয়ে এই নামমাত্র কাজটুকু করা হয়েছে?
যদিও কিছু মানুষ বলার চেষ্টা করছেন এটি হয়তো টেকনিক্যাল চেইনেজ বা একই সড়কের বর্ধিত অংশ, কিন্তু সরকারি নথিপত্রের শতভাগ সত্য প্রমাণ বা ম্যাপ ছাড়া এই দাবি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সাইন বোর্ডের লেখা আর বাস্তবের কাজের মধ্যে দিন-রাতের যে অমিল, তা কোনো সাধারণ নিয়ম দিয়ে মেলানো সম্ভব নয়।
আমরা এলাকার উন্নয়ন চাই, কিন্তু উন্নয়নের নামে কোনো "শুভঙ্করের ফাঁকি" বা "বরাদ্দ স্থানান্তর" মেনে নেওয়া যায় না।
আমাদের সুনির্দিষ্ট পরামর্শ ও দাবি: আমরা কোনো কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি বা বিশৃঙ্খলা চাই না। সংশ্লিষ্ট এলজিইডি (LGED) প্রকৌশল বিভাগের কাছে আমাদের জোরালো দাবি
আপনারা অবিলম্বে এই সড়কের অফিশিয়াল 'রোড আইডি' (Road ID) এবং মূল অনুমোদিত সরকারি ম্যাপটি প্রকাশ করুন।
কাগজে-কলমে এই ২.৫ কিলোমিটার রাস্তার মূল জিরো পয়েন্ট (০+০০০) এবং শেষ সীমানা কোথায়, তা জনগণের সামনে পরিষ্কার করা হোক।
সত্য প্রকাশ পেলে কারো মনে আর কোনো ক্ষোভ থাকবে না।