Pitu's Blog

Pitu's Blog I AM MONEY MAGNET..........
MONEY MONEY MONEY COME TO ME....
THANKS GOD.....
THANKS UNIVERS....
THANKS ANGEL...

এই শোনো তোমরা যারা অন্যের ড্রিমি বিয়ের প্রোগ্রাম ,রোমান্টিক ছবি,কাপল ভ্লগ,সারপ্রাইজ উইশ দেখে আফসোস করো তারা বিশ্বাস করো ...
05/01/2026

এই শোনো তোমরা যারা অন্যের ড্রিমি বিয়ের প্রোগ্রাম ,রোমান্টিক ছবি,কাপল ভ্লগ,সারপ্রাইজ উইশ দেখে আফসোস করো তারা বিশ্বাস করো যতটা মানুষ দেখায় তার ছিটেফোঁটাও যে জীবনে থাকে না সেটা দেবোলিনার জীবন দেখে আবারও প্রমাণিত।

আমার মনে হয় জীবন টা না পুরোপুরি ৫০/৫০ মানে বাস্তব আর অভিনয়।

ভাই যোগ্যতা,সৌন্দর্য গানের গলা পরিচিতি সব আছে তবুও দিনশেষে পরিণতি দেখতে পারছো তো?

তাই বলবো প্লিজ জীবন নিয়ে আর অভিযোগ রাখবা না।শুধু পজেটিভ থাকার চেষ্টা করবা।কোনো ভু*ল সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ১০১বার ভাববা।

মেয়েটার জন্য প্রার্থনা করি সুস্থ হয়ে গানের মানুষ হয়ে বাঁচুক❤️☘️

©️স্মৃতিকথা দত্ত

🌷🌷 #আত্মঘাতীর_মৃত্যুর_পর_কী_গতি_হয়❓ 👉তাদের শ্রাদ্ধ বা পিণ্ডদান কত দিনে করতে হয়?🌷🌷 #গরুড় ও শ্রীহরির সংবাদএকদা পক্ষীরাজ গর...
24/12/2025

🌷🌷 #আত্মঘাতীর_মৃত্যুর_পর_কী_গতি_হয়❓ 👉তাদের শ্রাদ্ধ বা পিণ্ডদান কত দিনে করতে হয়?🌷🌷

#গরুড় ও শ্রীহরির সংবাদ

একদা পক্ষীরাজ গরুড় বৈকুন্ঠে ভগবান শ্রীহরিকে মানুষের মৃত্যু-পরবর্তী গতি নিয়ে নানা প্রশ্ন করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি কম্পিত কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করলেন:

“ #হে জনার্দন! জগতে কেউ বার্ধক্যে মারা যায়, কেউ বা রোগে। তাদের আত্মার সদ্গতি হয়। কিন্তু যারা ক্রোধে, লোভে বা ভয়ে গলায় দড়ি, বিষপান, অগ্নিদগ্ধ হয়ে বা অস্ত্রের আঘাতে স্বেচ্ছায় নিজেদের প্রাণ নাশ করে, সেই সব ‘আত্মঘাতী’র মৃত্যুর পর কী গতি হয়? তাদের শ্রাদ্ধ বা পিণ্ডদান কত দিনে করতে হয়?”

#ভগবান বিষ্ণু তখন গম্ভীর হয়ে উত্তর দিলেন। তিনি বললেন,
আত্মহত্যার মৃত্যু হলো ‘দুর্মরণ’ বা অপমৃত্যু। এদের বিচার বা গতি সাধারণ মানুষের মতো হয় না।

#আত্মহত্যার পর কী ঘটে? (পরিণতি ও প্রেতযোনি)

ভগবান বিষ্ণু গরুড়কে বললেন,
প্রতিটি জীবের আয়ু বিধাতা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। ধরুন, কারো আয়ু ছিল ৭০ বছর। কিন্তু সে হতাশাগ্রস্ত হয়ে ৩০ বছর বয়সে আত্মহত্যা করল। বাকি ৪০ বছর তার আত্মা মুক্তি পায় না, স্বর্গেও যায় না, নরকেও যায় না। সে ‘প্রেত’ বা ‘পিশাচ’ হয়ে মর্ত্যলোক ও পরলোকের মাঝখানের শূন্যস্থানে (অন্তরীক্ষে) আটকে থাকে।

গরুড় পুরাণে এর বর্ণনা নিম্নরূপ:

#বায়বীয় দেহ:

স্থূল শরীর নষ্ট হয়ে গেলেও তার সূক্ষ্ম শরীর (মন, বুদ্ধি, অহংকার) ও বাসনা থেকে যায়।

#তীব্র যাতনা:

সে প্রচণ্ড ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় ছটফট করে। কিন্তু স্থূল শরীর না থাকায় সে জল বা অন্ন গ্রহণ করতে পারে না। সে তার আত্মীয়-স্বজনকে দেখতে পায়, কথা বলতে চায়, কিন্তু কেউ তার কথা শোনে না।

#অন্ধকার ও ভয়:

সে এমন এক স্তরে থাকে যেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না। মৃত্যুর সময় সে যে কষ্ট পেয়েছিল (যেমন—শ্বাসরোধের কষ্ট বা বিষের জ্বালা), প্রেত অবস্থায় সে প্রতিনিয়ত সেই একই কষ্ট অনুভব করতে থাকে।

#শ্লোক (গরুড় পুরাণ সার):

“বিষোদ্বন্ধনশস্ত্ৰাদ্যৈৰ্যে কুৰ্বন্তি মৃতিং নরাঃ।
তেষাং প্রেতগতির্ভূয়াত্তৰ্পণং ন চ কারয়েৎ।।”

যারা বিষ, রজ্জু (দড়ি) বা অস্ত্রের দ্বারা আত্মহত্যা করে, তারা ‘প্রেতগতি’ প্রাপ্ত হয়। তাদের উদ্দেশ্যে সাধারণ তর্পণ বা শ্রাদ্ধ করলে কোনো ফল হয় না (কারণ তারা তা গ্রহণ করতে পারে না)।

#শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদানের নিয়ম (কত দিনে?)

এটি সাধারণ মৃত্যুর শ্রাদ্ধ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। গরুড় পুরাণ ও স্মৃতিশাস্ত্রের নিয়মগুলো নিম্নরূপ:

#সাধারণ শ্রাদ্ধ নিষিদ্ধ:

আত্মহত্যাকারীর জন্য স্বাভাবিক অশৌচ পালন বা সাধারণ শ্রাদ্ধ (যা সাধারণত ১০ বা ১১ দিনে হয়) নিষিদ্ধ। কারণ, সে ‘পাপী’ এবং ‘অশুচি’ অবস্থায় থাকে। সাধারণ পিণ্ড বা জল সে গ্রহণ করতে পারে না।

#অশৌচ কাল:

কোনো কোনো শাস্ত্রমতে, আত্মহত্যাকারীর জন্য কোনো অশৌচ নেই (সদ্যঃশৌচ)। আবার কোনো মতে ৩ দিনের অশৌচ পালনের কথা বলা হয়েছে।

#তবে মুক্তির উপায় কী?

পরিবারের লোকেরা যদি সেই অভিশপ্ত আত্মার মুক্তি চায়, তবে সাধারণ শ্রাদ্ধের বদলে বিশেষ প্রায়শ্চিত্ত পূজা করতে হয়।

#নারায়ণ বলি (Narayan Bali):

আত্মহত্যাকারীর মুক্তির একমাত্র উপায় হলো ‘নারায়ণ বলি’ নামক যজ্ঞ। এটি সাধারণ শ্রাদ্ধ নয়, এটি এক প্রকার বিষ্ণু পূজা।

#সময় (কত দিনে?):

১. শাস্ত্রীয় বিধান মতে, আত্মহত্যার এক বছর পূর্ণ হওয়ার পর এই কাজ করার নিয়ম।

২. তবে আধুনিক কালে বা বিশেষ প্রয়োজনে—মৃত্যুর ১১শ বা ১২শ দিনেও কোনো পবিত্র তীর্থে (যেমন—গয়া, কাশী বা ত্রিবেণী সঙ্গমে) গিয়ে ‘নারায়ণ বলি’ সম্পন্ন করা যায়। যতদিন না এই পূজা হচ্ছে, ততদিন সাধারণ শ্রাদ্ধ সেই আত্মার কাছে পৌঁছায় না।

প্রাচীনকালে এক দেশে এক ব্রাহ্মণ যুবক ছিল। সংসারের ওপর অভিমান করে সে একদিন নির্জন বনে গিয়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করল। তার পিতামাতা অত্যন্ত শোকাহত হলেন এবং পুরোহিত ডেকে যথারীতি ১১ দিনে ধুমধাম করে শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদান করলেন।
কিন্তু কিছুদিন পর থেকে সেই বাড়িতে অমঙ্গল শুরু হলো। পরিবারের লোকেরা অসুস্থ হতে লাগল, রাতে অদ্ভুত কান্নার শব্দ শোনা যেতে লাগল। মৃত যুবকের মা একদিন স্বপ্নে দেখলেন, তাঁর ছেলে কঙ্কালসার চেহারায় দাঁড়িয়ে বলছে—

"মা! আমি ভীষণ তৃষ্ণার্ত। তোমরা যে পিণ্ড আর জল দিয়েছ, তা আমি পাইনি। তা মাটিতে পড়ার আগেই অন্য শক্তিশালী রাক্ষসরা কেড়ে নিয়েছে। কারণ আমি আত্মঘাতী, সাধারণ পিণ্ডে আমার অধিকার নেই। আমি বাতাসের মধ্যে ঝুলে আছি, আমার গলা জ্বলছে। আমাকে বাঁচাও!"

ব্রাহ্মণ দম্পতি তখন এক ত্রিকালদর্শী ঋষির শরণাপন্ন হলেন। ঋষি ধ্যানে সব দেখে বললেন:

"তোমরা ভুল করেছ। আত্মহত্যাকারীর প্রেতদেহ সাধারণ শ্রাদ্ধে মুক্ত হয় না। সে মহাপাপ করেছে। তাকে মুক্ত করতে হলে গয়াধামে গিয়ে বিষ্ণুর চরণে ‘নারায়ণ বলি’ প্রদান করো এবং তার পাপের জন্য প্রায়শ্চিত্ত করো।"

ঋষির নির্দেশমতো ব্রাহ্মণ গয়ায় গিয়ে বিষ্ণুশিলায় পিণ্ডদান ও নারায়ণ বলি যজ্ঞ করলেন। যজ্ঞের শেষে ব্রাহ্মণ স্বপ্নে দেখলেন, তাঁর পুত্র এক দিব্য জ্যোতির্ময় দেহ ধারণ করে বলছে— "বাবা, জনার্দন শ্রীহরির কৃপায় আজ আমি প্রেতযোনি থেকে মুক্তি পেলাম এবং পিতৃলোকে যাচ্ছি।"

#সিদ্ধান্ত

১. পরিণতি: আত্মহত্যা করলে মুক্তি মেলে না, বরং আত্মা প্রেত হয়ে দীর্ঘকাল (নির্ধারিত আয়ু শেষ না হওয়া পর্যন্ত) ভীষণ কষ্ট পায়।

২. শ্রাদ্ধ: সাধারণ ১০/১৩ দিনের শ্রাদ্ধ এদের কাজে আসে না। এদের জন্য নির্দিষ্ট শ্রাদ্ধ হলো ‘নারায়ণ বলি’।

৩. করণীয়: গয়া শ্রাদ্ধ এবং ভগবানের নাম কীর্তনই এই মহাপাপ থেকে জীবকে উদ্ধার করতে পারে।

#শিক্ষা:

জীবন সুখ-দুঃখের সমষ্টি। দুঃখ ভোগ করাই কর্মক্ষয়। আত্মহত্যা করে সেই কর্ম থেকে পালানো যায় না, বরং তা আরও ভয়ানক হয়ে ফিরে আসে। তাই ভগবানের দেওয়া জীবন রক্ষা করা এবং সাহসের সাথে বেঁচে থাকা, শ্রীহরিনাম করা,সেবা করা পরম ধর্ম।💐💐🌷

#শ্রীবিষ্ণু #গরুড়

✨💖 ধূপ জ্বালানোর ৫টি সহজ কৌশল যা আপনার বাড়িতে আনবে ইতিবাচক শক্তি! মিস করবেন না। 💖✨বন্ধুরা, আপনারা কি আমার মতো একই জিনিস...
14/12/2025

✨💖 ধূপ জ্বালানোর ৫টি সহজ কৌশল যা আপনার বাড়িতে আনবে ইতিবাচক শক্তি! মিস করবেন না। 💖✨

বন্ধুরা, আপনারা কি আমার মতো একই জিনিস অনুভব করেন? যখনই বাড়িতে ধূপ বা আগরবাতির সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে, মনটা কেমন যেন শান্ত আর স্নিগ্ধ হয়ে যায়। শুধু একটা প্রথা নয়, আমার কাছে এটা যেন একটা ছোট্ট ম্যাজিক যা মুহূর্তেই আমাদের চারপাশের পরিবেশ বদলে দেয়। আজ আমি আপনাদের সাথে এমন কিছু কৌশল শেয়ার করতে চাই, যা আমি নিজে ব্যবহার করি এবং যার ফলে আমার বাড়িতে এক অসাধারণ ইতিবাচক শক্তি অনুভব হয়। আপনারা যারা নিজেদের মনে ও পরিবেশে শান্তি চান, তাদের জন্য এই টিপসগুলো ভীষণ কাজে আসবে!

১. সঠিক ধূপ নির্বাচন: 🌸
আপনারা হয়তো ভাবছেন, ধূপ তো ধূপই! কিন্তু বিশ্বাস করুন, গন্ধের একটা নিজস্ব ভাষা আছে। আমার অভিজ্ঞতা বলে, চন্দন, গোলাপ, জুঁই বা ল্যাভেন্ডারের মতো প্রাকৃতিক সুগন্ধ মনকে শান্ত করে এবং এক অসাধারণ **আধ্যাত্মিক পরিবেশ** তৈরি করে। আমি সবসময় চেষ্টা করি এমন ধূপ বেছে নিতে যা মনকে গভীর শান্তি দেয়, কোনো কৃত্রিম বা তীব্র গন্ধ যেন না হয়।

২. সঠিক স্থানে ধূপ স্থাপন: 🏡
আমরা সাধারণত ঠাকুরঘরে বা পূজা করার সময় ধূপ জ্বালাই। কিন্তু শুধু সেটাই নয়, আপনি আপনার বসার ঘরে, বই পড়ার কোণে বা এমনকি বারান্দায়ও ধূপ জ্বালাতে পারেন। আমি প্রায়শই চেষ্টা করি যেখানে আমরা পরিবারের সদস্যরা বেশি সময় কাটাই, সেখানে ধূপ রাখতে, যাতে **সারাদিন একটা স্নিগ্ধ সুগন্ধ** আমাদের মনকে সতেজ রাখে। তবে খেয়াল রাখবেন, যেন কোনো বদ্ধ জায়গায় না হয়, বাতাস চলাচল করতে পারে এমন জায়গায় রাখবেন।

৩. ধ্যানের সাথে ধূপ জ্বালানো: 🙏
ধূপ জ্বালানোটা আমার কাছে একটা ধ্যান। আমি যখন ধূপ জ্বালাই, তখন কোনো তাড়াহুড়ো করি না। একটা গভীর শ্বাস নিয়ে ধূপের শিখার দিকে তাকিয়ে নিজের মনকে শান্ত করার চেষ্টা করি। মনে মনে একটা ইতিবাচক চিন্তা করি বা ঈশ্বরের নাম নিই। বিশ্বাস করুন, এই ছোট অভ্যাসটা **আপনার মনের মধ্যে এক অদ্ভুত শান্তি এনে দেবে**। এটা শুধু ধূপ জ্বালানো নয়, এটা নিজের সাথে কিছু মুহূর্ত কাটানো।

৪. নিয়মিত ধূপের ব্যবহার: ☀️
অনেকে হয়তো শুধু বিশেষ দিনে বা পুজো করার সময় ধূপ জ্বালান। কিন্তু আমি মনে করি, এটা একটা দৈনন্দিন অভ্যাস হতে পারে। সকালে ঘুম থেকে উঠে বা সন্ধেবেলায় যখন সারাদিনের কাজ শেষ হয়, তখন ধূপ জ্বালানো আমার জন্য একটা রিল্যাক্সিং মুহূর্ত। এই নিয়মিত অভ্যাসটা **আপনার বাড়িকে নেতিবাচক শক্তি থেকে দূরে রাখে** এবং সারাদিন একটা ইতিবাচক আভা ধরে রাখে।

৫. গুণগত মানের গুরুত্ব: ✨
বাজারে অনেক রকম ধূপ পাওয়া যায়। কিন্তু সব ধূপের মান একরকম নয়। আমি সবসময় চেষ্টা করি ভালো মানের এবং প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি ধূপ ব্যবহার করতে। কারণ খারাপ মানের ধূপে অনেক সময় রাসায়নিক মেশানো থাকে যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই একটু খরচ হলেও **ভালো মানের ধূপ ব্যবহার করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ**।

ধূপ জ্বালানো নিয়ে আপনাদের কোনো বিশেষ স্মৃতি বা অভিজ্ঞতা আছে কি? কমেন্ট করে জানান, আমি সবার গল্প শুনতে চাই! আপনাদের মতামত আমার কাছে খুবই মূল্যবান।

অনেক ভালোবাসা ও ইতিবাচকতা সবার জন্য ❤️ পাশে থাকবেন 💪

#ধূপ #আগরবাতি #ইতিবাচকশক্তি #মনশান্তি #আধ্যাত্মিকতা #ফেসবুকপোস্ট #লাইফস্টাইল #বাঙ্গালী #ঘরসজ্জা #সুগন্ধ #অনুপ্রেরণা #পজিটিভভাইবস #ধূপকাঠি #ঘরেইতিবাচকতা #ধ্যান

30/11/2025

সম্পূর্ণ হনুমান চালিসা বাংলায়
দোহা
শ্রী রামের চরণ পদ্ম করিয়া স্মরণ।
চতুর্বর্গ ফল যাহে লভি অনুক্ষণ।।
বুদ্ধিহীন জনে ওহে পবন কুমার।
ঘুচাও মনের যত ক্লেশ ও বিকার।।
চৌপাঈ
1। জয় হনুমান জ্ঞান গুণের সাগর।
জয় হে কপীশ প্রভু কৃপার সাগর।।
2। শ্রী রামের দুত অতলিত বলধাম।
অঞ্জনার পুত্র পবনসুত নাম।।
3। মহাবীর বজরঙ্গি তুমি হনুমান।
কুমতি নাশিয়া করো সুমতি প্রদান।।
4। কাঞ্চন বরন তব তুমি হে সুবেশ।
কর্নেতে কুন্ডল শোভে কুঞ্চিত কেশ।।
5। হাতে বজ্র তব আর ধ্বজা বিরাজে।
সুন্দর গদাটি কাঁধে তোমার যে সাজে।।
6। অপরূপ বাহু পবন নন্দন।
মহাতেজ ও প্রতাপ জগত বন্দন।।
7। বিদ্যাবান গুণবান তুমি হে চতুর।
রামচন্দ্রের কার্যে তুমি হে আতুর।।
8। সর্বদা রামের আজ্ঞা করিতে পালন।
হৃদয়ে রাখ সদা রাম, সীতা ও লক্ষণ।।
9। সুক্ষরুপ ধরি তুমি লঙ্কা প্রবেশিলে।
ধরিয়া বিকট রুপ লঙ্কা দগ্ধ করিলে।।
10। ভীমরুপ ধরি তুমি অসুর সংহার।
শ্রীরামচন্দ্রের তুমি সর্ব কাজ করো।।
11। সঞ্জীবন আনী তুমি বাঁচালে লক্ষণ।
রঘুবীর হোন তাতে আনন্দিত মন।।
12। রঘুনাথ দিল তোমায় আলিঙ্গন দান।
কহিলেন তুমি ভাই ভরত সমান।।
13। সহস্ত্র বদন তব গাবে যশ-খ্যাতি।
এ বলি আলিঙ্গন করেন শ্রীপতি।।
14। সনকাদী ব্রহ্মাদী যাতক দেবগন।
নারদ-সারদ আদি দেব ঋষিগণ।।
15। যম ও কুবের আদি দিকপাল গণে।
কবি ও কোবিদ যত আছে ত্রিভুবনে।।
16। সুগ্রীবের উপকার তুমি যে করিলে।
রাম সহ মিলাইয়া রাজপদ দিলে।।
17। তোমার মন্ত্রণা সব বিভীষণ মানিল।
লঙ্কেশ্বর ভয়ে সবে কম্পমান ছিল।।
18। সহস্র যোজন ঊর্ধ্বে সূর্যদেবে দেখে।
সুমধুর ফল বলি ধাইলে গ্রাসিতে।।
19। জয়রাম বলি তুমি অসীম সাগর।
পার হয়ে প্রবেশিলে লংকার ভিতর।।
20। দুর্গম যত কাজ আছে ত্রিভুবনে।
সুগম করিলে তুমি সব রামগানে।।
21। চিরদ্বারী আছো তুমি শ্রী রামের দ্বারে।
তব আজ্ঞা বিনা কেহ প্রবেশিকা পারে।।
22। শরন লইনু প্রভু আমি যে তোমারি।
তুমিই রক্ষক মোর আর কারে ডরি।।
23। নিজ তেজ নিজে তুমি করো সম্বরন।
তোমার হুংকারে দেখো কাঁপে ত্রিভুবন।।
24। ভূত প্রেত পিশাচ কাছে আসিতে না পারে।
মহাবীর তব নামে যেইজন স্মরে।।
25। রোগ নাশ করো আর সর্ব পীড়া হর।
মহাবীর নাম যেবা স্মরে নিরন্তর।।
26। সংকটেতে হনুমান উদ্ধার করিবে।
তাহার চরণে যেবা মন-প্রাণ দিবে।।
27। সর্বোপরি রামচন্দ্র তপস্বী ও রাজা।
শ্রী রামের অরিগণে তুমি দিলে সাজা।।
28। তোমার চরণে যেবা মন-প্রাণ দিবে।
এই জীবনে সেইজন সদা সুখ পাবে।।
29। প্রবল প্রতাপ তব হে বায়ু নন্দন।
চারযুগ উজ্জ্বল রহিবে ত্রিভুবন।।
30। সাধু সন্ন্যাসীরে রক্ষা করো মতিমান।
শ্রী রামের প্রিয় তুমি অতি গুণবান।।
31। অষ্টসিদ্ধি নবনিদ্ধি যাহা কিছু রয়।
সকলেই সিদ্ধ হয় তোমার কৃপায়।।
32। রাম-রামায়ন আছে তব নিকটেই।
শ্রী রামের দাস হয়ে রয়েছো সদাই।।
33। তোমার ভজন কইলে রামকে পাইবে।
জনমে জনমে তার দুঃখ ঘুঁচে যাবে।।
34। অন্তকালে পাবে সেই রামের চরণ।
এই সার কথা সব শুনে ভক্তগণ।।
35। সব ছাড়ি বল সবে জয় হনুমান।
হনুমন্ত তো সর্বসুখ করিবে প্রদান।।
36। সর্ব দুঃখ যাবে সংকট কাটিবে।
যেইজন হনুমন্ত স্মরণ করিবে।।
37। জয় জয় জয় হনুমান গোসাই।
তব কৃপা ভিন্ন আর কোন গতি নাই।।
38। যেইজন শতবার ইহা পাঠ করে।
সকল অশান্তি তার চলে যায় দূরে।।
39। হনুমান চালিশা যে করেন পঠন।
সর্ব কার্যে সিদ্ধি লাভ করে সেই জন।।
40। তুলসীদাস সর্বদাই শ্রীহরির দাস।
মনের মন্দিরে প্রভু কর সদা বাস।।
দোহা
পবন নন্দন সংকট হরন মঙ্গল মূর্তি রূপ। শ্রী রাম ৷ লক্ষণ জানকী রঞ্চ তুমি হৃদয়ের ভূপ।।
পবন নন্দন প্রবল বিক্রম রাম আনুগত অতি।চালিসা হেথায় সামাপন হয় পদে থাকে যেন মতি।।🙏
জয় শ্রী রাম জয় হনুমান🙏❤️
#হনুমান #রাম

29/11/2025
🌷🌷মঠ মন্দির,দেবতা বা গুরুবৈষ্ণবের অর্থ সম্পদ ভোগ করলে কি হতে পারে। 🌷🌷  মঠ মন্দির, দেবতা বা গুরু-বৈষ্ণবের অর্থ সম্পদ ভোগ ...
29/11/2025

🌷🌷মঠ মন্দির,দেবতা বা গুরুবৈষ্ণবের অর্থ সম্পদ ভোগ করলে কি হতে পারে। 🌷🌷

মঠ মন্দির, দেবতা বা গুরু-বৈষ্ণবের অর্থ সম্পদ ভোগ করা বা অপহরণ করাকে "মহাপাপ" বলে গণ্য করা হয়। শাস্ত্রে একে 'দেবস্ব' (দেবতার ধন) বা 'ব্রহ্মস্ব' (ব্রাহ্মণ বা গুরুর ধন) হরণ বলা হয়েছে।
এর পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ—এর ফলে শুধু সেই ব্যক্তির অধঃপতন হয় না, বরং তার পূর্বপুরুষ এবং ভবিষ্যৎ বংশধররাও বিনাশ প্রাপ্ত হয়।

শাস্ত্রীয় শ্লোক ও সিদ্ধান্ত

স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শ্রীমদ্ভাগবতে তাঁর নিজ বংশধরদের (যদু বংশ) সতর্ক করতে গিয়ে এই বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর বাণী প্রদান করেছেন।

শ্লোক ১: (শ্রীমদ্ভাগবত ১০.৬৪.৩১)

নাহং হলাহলং মন্যে বিষং যস্য প্রতিক্রিয়া।
ব্রহ্মস্বং হি বিষং প্রোক্তং নাস্য প্রতিবিধির্ভুবি।।

বঙ্গানুবাদ: আমি হলাহল বা কালকূট বিষকে প্রকৃত বিষ বলে মনে করি না, কারণ ওষধি বা মন্ত্রের দ্বারা তার চিকিৎসা সম্ভব। কিন্তু ব্রাহ্মণ, গুরু বা দেবতার সম্পত্তি হরণ রূপ যে বিষ, পৃথিবীতে তার কোনো প্রতিষেধক নেই।

শ্লোক ২: (শ্রীমদ্ভাগবত ১০.৬৪.৩২)

হিনস্তি বিষমত্তারং বহ্নিঃ শময়তি চ।
কুলং সমূলং দহতি ব্রহ্মস্বারণিপাবকঃ।।

বঙ্গানুবাদ: সাধারণ বিষ কেবল তাকেই মেরে ফেলে যে তা পান করে। আগুন জল দিয়ে নেভানো যায়। কিন্তু দেবস্ব বা ব্রহ্মস্ব হরণ করলে যে অগ্নির সৃষ্টি হয়, তা অপরাধীর সমগ্র বংশকে সমূলে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়।

শ্লোক ৩: (স্মৃতিশাস্ত্র)

স্বদত্তাং পরদত্তাং বা যো হরেত বসুন্ধরাম্।
ষষ্টিবর্ষ সহস্রাণি বিষ্ঠায়াং জায়তে কৃমিঃ।।

বঙ্গানুবাদ: যে ব্যক্তি নিজের দেওয়া বা অন্যের দেওয়া দেবতার ভূমি বা সম্পদ হরণ করে, সে ষাট হাজার বছর পর্যন্ত বিষ্ঠার (মল) পোকা হয়ে নরক যন্ত্রণা ভোগ করে।

রাজা নৃগের গিরগিটি হওয়া

সত্য যুগে ইক্ষ্বাকু বংশে নৃগ নামে এক অত্যন্ত প্রতাপশালী, ধার্মিক ও দানবীর রাজা ছিলেন। তিনি এতোই দয়ালু ছিলেন যে, প্রতিদিন হাজার হাজার সুসজ্জিত গাভী ব্রাহ্মণদের দান করতেন। কিন্তু তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া একটি অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে তাঁকে এক অদ্ভুত ও কষ্টদায়ক শাস্তি পেতে হয়েছিল।

ঘটনার সূত্রপাত

একদিন রাজা নৃগ যথারীতি দানকার্য করছিলেন। তাঁর বিশাল গোশালা থেকে হাজার হাজার গাভী ব্রাহ্মণদের দান করা হচ্ছিল। দুর্ভাগ্যবশত, এক ব্রাহ্মণের দান করা একটি গাভী পথ ভুলে পুনরায় রাজার গোশালায় ফিরে আসে এবং অন্য গরুদের সাথে মিশে যায়। রাজা তা জানতেন না। তিনি না জেনেই সেই গাভীটি অন্য এক ব্রাহ্মণকে দান করে দেন।

দুই ব্রাহ্মণের বিরোধ

যিনি গাভীটি প্রথমে পেয়েছিলেন, তিনি পথিমধ্যে দেখলেন তাঁর গাভীটি অন্য এক ব্রাহ্মণ নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি রেগে গিয়ে বললেন, "এই গাভী আমার! রাজা আমাকে এটি দান করেছেন।"

দ্বিতীয় ব্রাহ্মণ বললেন, "না, রাজা এটি এখন আমাকে দান করেছেন, তাই এটি আমার।"

উভয়েই তর্কে লিপ্ত হলেন এবং বিচারের জন্য রাজার কাছে ফিরে এলেন। তাঁরা রাজাকে বললেন, "হে রাজন, আপনি একজনের ধন কেড়ে নিয়ে অন্যকে দিচ্ছেন, এটি কেমন ধর্ম?"

রাজার অনুশোচনা ও প্রস্তাব

রাজা নৃগ নিজের ভুল বুঝতে পেরে অত্যন্ত লজ্জিত হলেন। তিনি মহাবিপদ আঁচ করতে পারলেন যে তিনি অজান্তে 'ব্রহ্মস্ব' (ব্রাহ্মণের ধন) হরণের দায়ে ফেঁসে গেছেন।

তিনি উভয় ব্রাহ্মণকে শান্ত করার জন্য জোড়হাতে বললেন, "হে দ্বিজবরগণ, আমার অজান্তে এই অপরাধ হয়েছে। আপনারা দয়া করে শান্ত হোন। এই একটি গাভীর বদলে আমি আপনাদের এক লক্ষ উৎকৃষ্ট গাভী দেব। তবুও আপনারা এই গাভীটি নিয়ে বিবাদ করবেন না এবং আমাকে এই পাপ থেকে উদ্ধার করুন।"

কিন্তু ব্রাহ্মণরা কোনো প্রলোভনেই রাজি হলেন না। তাঁরা বললেন, "মহারাজ, আমরা ভিক্ষুক নই যে একটার বদলে লক্ষ গাভী নেব। আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার চাই।" এই বলে তাঁরা ক্রুদ্ধ হয়ে গাভীটি সেখানে রেখেই চলে গেলেন। রাজা সারাজীবন দান করেও শেষমেশ পাপের ভাগী হলেন।

যমরাজের বিচার

মৃত্যুর পর রাজা নৃগ যমালয়ে নীত হলেন। যমরাজ তাঁকে বললেন, "হে রাজন, তুমি অজস্র পুণ্য করেছ, যার ফলে তুমি দীর্ঘকাল স্বর্গে থাকার অধিকারী। কিন্তু তোমার একটি পাপও আছে—অজান্তে ব্রাহ্মণের ধন হরণ। তুমি কোনটি আগে ভোগ করতে চাও? পুণ্যের ফল স্বর্গসুখ, নাকি পাপের ফল?"

রাজা ভাবলেন, পাপের বোঝা মাথায় নিয়ে স্বর্গে গিয়ে শান্তি পাওয়া যাবে না। তাই তিনি বললেন, "আমি আগে পাপের ফল ভোগ করে মুক্ত হতে চাই।"

যমরাজ বললেন, "যেহেতু তুমি না জেনেও ব্রাহ্মণের সম্পত্তি অধিকার করেছ, তাই তোমাকে অবিলম্বে মর্ত্যলোকে গিয়ে একটি গিরগিটি হয়ে কুয়োর মধ্যে বাস করতে হবে। তবে যেহেতু তুমি ভক্ত ছিলে, তোমার পূর্বস্মৃতি বজায় থাকবে।"

গিরগিটি রূপে কষ্ট ও উদ্ধার

তৎক্ষণাৎ রাজা নৃগ বিশাল এক গিরগিটি হয়ে দ্বারকার একটি গভীর শুকনো কুয়োর (অন্ধকূপ) মধ্যে পতিত হলেন। হাজার হাজার বছর তিনি সেখানে সেই কুৎসিত শরীর নিয়ে অনুতাপে দগ্ধ হতে থাকলেন। তিনি সর্বদা ভগবানের কাছে মুক্তির প্রার্থনা করতেন।

দ্বাপর যুগে একদিন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পুত্ররা (সাম্ব, প্রদ্যুম্ন প্রমুখ) বনে বিহার করতে গিয়ে তৃষ্ণার্ত হয়ে সেই কুয়োর কাছে জল খুঁজতে গেলেন। তাঁরা কুয়োর ভেতরে পাহাড়সম বিশাল এক অদ্ভুত গিরগিটি দেখে অবাক হলেন। তাঁরা কৌতুকবশত দড়ি দিয়ে সেটিকে টেনে তোলার চেষ্টা করলেন, কিন্তু সেটি নড়ল না।
অবশেষে তাঁরা শ্রীকৃষ্ণকে খবর দিলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এসে কুয়োর দিকে তাকালেন। তিনি জানতেন এই গিরগিটি কে। ভগবান তাঁর বাম হাত বাড়িয়ে অবলীলায় গিরগিটিটিকে স্পর্শ করে উপরে তুলে আনলেন।

ভগবানের দিব্য স্পর্শে রাজা নৃগের পাপ মোচন হলো। সঙ্গে সঙ্গে তিনি গিরগিটির দেহ ত্যাগ করে এক দিব্য অলংকারশোভিত দেবতুল্য রূপ ধারণ করলেন।

শ্রীকৃষ্ণের উপদেশ

রাজা নৃগ কৃতাঞ্জলি হয়ে শ্রীকৃষ্ণের স্তব করলেন এবং বললেন, "হে প্রভু, আমি দানবীর রাজা নৃগ। অজান্তে সামান্য ব্রহ্মস্ব হরণের ফলেই আমার এই দুর্গতি হয়েছে। আজ আপনার স্পর্শে আমি মুক্ত হলাম।"

এরপর তিনি রথে চড়ে স্বধামে গমন করলেন।

রাজা চলে যাওয়ার পর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর আত্মীয়-স্বজন এবং জগৎবাসীকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য বললেন:

"হে বন্ধুগণ, দেখলে তো! একজন রাজা, যিনি লক্ষ লক্ষ গাভী দান করেছিলেন, তিনিও কেবল একটি গাভী নিয়ে গোলযোগের কারণে নরকতুল্য গিরগিটি জীবন পেলেন। মনে রেখো, মঠ, মন্দির, গুরু বা বৈষ্ণবের অর্থ বা সম্পত্তি হরণ করা হলাহল বিষ পান করার চেয়েও ভয়ঙ্কর। কেউ যদি ভুল করেও দেব-সম্পত্তি ভোগ করে, তার বংশে জল দেওয়ার মতোও কেউ অবশিষ্ট থাকে না। অতএব, তোমরা সর্বদা এই অপরাধ থেকে দূরে থেকো।"

মঠ বা মন্দিরের টাকা আত্মসাৎ করা, গুরুর সম্পত্তি ভোগ করা বা দান করা বস্তু ফিরিয়ে নেওয়া বা হরণ করা আধ্যাত্মিক ও জাগতিক—উভয় দিক থেকেই ধ্বংস ডেকে আনে। যদি অজান্তে কৃত অপরাধের শাস্তি এত ভয়াবহ হয়, তবে জেনে-শুনে যারা মঠ-মন্দিরের সম্পদ লুট করে, তাদের গতি যে আরও কত ভয়ঙ্কর হবে, তা সহজেই অনুমেয়। 🌷🌷

সনাতন ধর্মে ভূমিকম্পের সময় উলুধ্বনি (মহিলাদের জিহ্বার কম্পনের ধ্বনি) ও শঙ্খধ্বনি দেওয়ার পিছনে গভীর আধ্যাত্মিক ও তান্ত্...
22/11/2025

সনাতন ধর্মে ভূমিকম্পের সময় উলুধ্বনি (মহিলাদের জিহ্বার কম্পনের ধ্বনি) ও শঙ্খধ্বনি দেওয়ার পিছনে গভীর আধ্যাত্মিক ও তান্ত্রিক কারণ রয়েছে। ভূমিকম্পকে প্রলয়কারী বায়ু (বেগ ও বসুমাতার (পৃথিবীর) কম্পন হিসেবে দেখা হয়, যা অশুভ শক্তি ও নেগেটিভ তরঙ্গ সৃষ্টি করে। উলুধ্বনি একটি অতি উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ, যা তান্ত্রিক মতে দুর্গা বা শক্তির আহ্বান করে এবং অশুভ শক্তিকে ধ্বংস করে। একইভাবে শঙ্খধ্বনি ওঙ্কারের (ॐ) স্বরূপ, যা সমগ্র বিশ্বের প্রাণশক্তির প্রতীক এবং অত্যন্ত শুদ্ধিকর শব্দ। এই ধ্বনি পৃথিবীর গর্ভে সৃষ্ট নেগেটিভ কম্পনকে নিষ্ক্রিয় করে, ভয় দূর করে এবং দেবশক্তির জাগরণ ঘটায়। তাই পুরাণ ও তন্ত্রশাস্ত্রে বলা হয়েছে— ভূকম্পনে শঙ্খ বাজাও, উলু দাও, কারণ এই প্রলয়কালেও দেবী ও বিষ্ণু রক্ষা করবেন। এটি কেবল রীতি নয়, শব্দতত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রাচীন বিজ্ঞানসম্মত আধ্যাত্মিক প্রতিকার।

রাধা রানীর ২৮ টি বিশেষ নাম .........🌼প্রেমানন্দ মহারাজ বলেছিলেন "মন্ত্রের মহামন্ত্র "এই নাম, শ্রী কৃষ্ণের ভক্তিতে রাধা র...
22/11/2025

রাধা রানীর ২৮ টি বিশেষ নাম .........🌼

প্রেমানন্দ মহারাজ বলেছিলেন "মন্ত্রের মহামন্ত্র "এই নাম, শ্রী কৃষ্ণের ভক্তিতে রাধা রানীকে ভগবান শ্রী কৃষ্ণের শক্তি বলে মনে করা হয়।
যে ২৮ টি নাম দ্বারা রাধারাণীর প্রশংসা করা হয় তা নিম্নরূপ :
রাধা রানীর ২৮টি নামের তালিকা:

1. রাধা
2. রাসেশ্বরী
3. রম্যা
4. কৃষ্ণমন্ত্রাধিদেবতা
5. সর্বদ্যা
6. সর্ববন্দ্যা
7. বৃন্দাবনবিহারিণী
8. বৃন্দারাধা
9. রমা
10. অশেষগোপীমন্ডলপূজিতা
11. সত্যা
12. সত্যপরা
13. সত্যভামা
14. শ্রীকৃষ্ণবল্লভা
15. বৃষভানুসুতা
16. গোপী
17. মূলপ্রকৃতি
18. ঈশ্বরী
19. গান্ধর্বা
20. রাধিকা
21. রম্যা
22. রুক্মিণী
23. পরমেশ্বরী
24. পরাত্পরতরা
25. পূর্ণা
26. পূর্ণচন্দ্রবিমাননা
27. ভুক্তি-মুক্তিপ্রদা
28. ভবব্যাধি-বিনাশিনী

নৃসিংহদেবের বিপদ-হরণ শক্তি!!যে ভক্ত সত্যিকার ভক্তি ও আশ্রয় নেয়, নৃসিংহদেব নিজেই তার পথের সমস্ত অন্ধকার দূর করেন।।১.ভক্তে...
21/11/2025

নৃসিংহদেবের বিপদ-হরণ শক্তি!!
যে ভক্ত সত্যিকার ভক্তি ও আশ্রয় নেয়, নৃসিংহদেব নিজেই তার পথের সমস্ত অন্ধকার দূর করেন।।
১.ভক্তের ভয় দূর করেন
শ্রীমদ্ভাগবত ৭.৯.২২-
“হে নৃসিংহদেব!! আপনার করাল রূপ ভক্তদের জন্য চিরশান্তি।। যারা আপনাকে স্মরণ করে, তাদের ভয়, দুঃখ, বিপদ মুহূর্তে নাশ পায়।।”
ভয়—অর্থাৎ মানসিক চাপ, অশান্তি, অজানা বিপদ—সব তিনি প্রশমিত করেন।।
২.অদৃশ্য শত্রু ও বাধা থেকে রক্ষা করেন:
ভাগবত ৭.৮ অধ্যায়-এ উল্লেখ আছে,নৃসিংহদেব ভক্তের পথে থাকা দৈহিক, দৈবিক ও ভৌতিক তিন ধরনের কষ্ট নাশ করেন।।
এই তিনটা হলো—
👉দৈবিক:অদৃশ্য শক্তি, অশুভ প্রভাব, অশান্তি
👉দৈহিক:শরীরজনিত কষ্ট, ভয়,বিপদ
👉ভৌতিক:মানুষজনের শত্রুতা, কাজের সমস্যা, দুর্ঘটনা ইত্যাদি
৩.ভক্তের জন্য “প্রহ্লাদ-রক্ষা” আশীর্বাদ:
প্রহ্লাদ মহারাজকে যেমন আগুন,সাপ,হাতি,বিষ—কিছুই স্পর্শ করতে পারেনি,তেমনি ভক্তদেরও নৃসিংহদেব অদৃশ্য বর্ম প্রদান করেন।।
এটা বলা হয় "নরসিংহ কবচ-রক্ষা"।।
৪.জীবনের আটকে থাকা পথ খুলে দেন:
নরসিংহ পুরাণে বলা হয়েছে—যে ব্যক্তি নৃসিংহদেবকে স্মরণ করে বা তাঁর নাম জপ করে, তার জীবনের আটকে থাকা দরজা খুলে যায়।।
চাকরি, ব্যবসা, পরিবার—যেখানে আটকে আছেন, নৃসিংহদেব সেখানে রাস্তাকে পরিষ্কার করে দেন।।
৫.পাপ ও নেতিবাচক শক্তি ধ্বংস করেন।।
নাম জপ:
“উগ্রং বীরং মহাবীরং নৃসিংহং পরমং দ্যম।।”
এই মন্ত্রটি পাপ,ভয়,অশুভের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী রক্ষাকবচ।।
- অপূর্বা ঊর্মিলা দেবী দাসী

 #চুল, দাড়ি ও নখ কাটা  সম্পর্কে কিছু কথা🪒 ক্ষৌরকর্মের বার ও ফল ১️⃣ রবিবার (ভানুবার)শ্লোক:🔸 শৌর্যং হরতি ভানুবাসরে।অর্থ: ...
20/11/2025

#চুল, দাড়ি ও নখ কাটা সম্পর্কে কিছু কথা
🪒 ক্ষৌরকর্মের বার ও ফল

১️⃣ রবিবার (ভানুবার)

শ্লোক:
🔸 শৌর্যং হরতি ভানুবাসরে।
অর্থ: রবিবার চুল বা দাড়ি কাটলে সাহস, উজ্জ্বলতা, স্বাস্থ্য ও প্রাণশক্তি হ্রাস পায়।
ফল: রোগ, দারিদ্র্য, ক্লেশ ও মানহানি।
উপদেশ: ❌ একেবারে বর্জনীয় দিন।

২️⃣ সোমবার

শ্লোক:
🔸 আয়ু বৃদ্ধিকরঃ সোমবাসরে।
অর্থ: সোমবার ক্ষৌরকর্ম করলে আয়ু বৃদ্ধি, মানসিক শান্তি ও সুখ প্রাপ্ত হয়।
ফল: দীর্ঘায়ু, শান্তি ও ঐশ্বর্য।
উপদেশ: ✅ শুভ দিন।

৩️⃣ মঙ্গলবার (ভৌমবার)

শ্লোক:
🔸 শত্রু বৃদ্ধিকরঃ ভৌমবাসরে।

অর্থ: মঙ্গলবার ক্ষৌরকর্ম করলে শত্রু বৃদ্ধি, আঘাত, বা রক্তপাতের আশঙ্কা থাকে।
ফল: বিবাদ, অশান্তি, রক্তপাতে সম্ভাবনা।
উপদেশ: ❌ বর্জনীয়।

৪️⃣ বুধবার

শ্লোক:
🔸 লক্ষ্ম্যর্ধিকরঃ বুধবাসরে।

অর্থ: বুধবার ক্ষৌরকর্ম করলে লক্ষ্মীপ্রাপ্তি, সৌন্দর্য ও সাফল্য বৃদ্ধি পায়।
ফল: ধন, সৌভাগ্য ও বুদ্ধিবৃদ্ধি।
উপদেশ: ✅ অত্যন্ত শুভ দিন।

৫️⃣ বৃহস্পতিবার (গুরুবার)

শ্লোক:
🔸 গুরু হ্রাসকরঃ গুরুবাসরে।

অর্থ: বৃহস্পতিবার চুল বা দাড়ি কাটলে গুরু, জ্ঞান ও ধর্মীয় শক্তির ক্ষতি হয়।
ফল: বিদ্যাহানি, গুরুর অপ্রসন্নতা, ধর্মবিপর্যয়।
উপদেশ: ❌ বর্জনীয়, বিশেষত আধ্যাত্মিক ব্যক্তিদের জন্য।

৬️⃣ শুক্রবার (শুক্রবার)

শ্লোক:
🔸 সৌখ্য দায়কঃ শুক্রবাসরে।

অর্থ: শুক্রবার ক্ষৌরকর্ম করলে আনন্দ, সৌন্দর্য ও দাম্পত্য সুখ বৃদ্ধি হয়।
ফল: সৌভাগ্য, ঐশ্বর্য ও শান্তি।
উপদেশ: ✅ শুভ দিন।

৭️⃣ শনিবার (শনি বার)

শ্লোক:
🔸 ব্যাধি দায়কঃ শনিবাসরে।

অর্থ: শনিবার ক্ষৌরকর্ম করলে রোগ, দুঃখ ও দেহিক কষ্ট হয়।
ফল: রোগ, ব্যথা ও বিষণ্নতা।
উপদেশ: ❌ বর্জনীয়।

✋ নখ কাটার নিয়ম একই:

✅ শুভ দিন — সোম, বুধ, শুক্র

❌ অশুভ দিন — রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি

🌑 বিশেষ নিষেধ তিথি:

অমাবস্যা, পূর্ণিমা, একাদশী, সংক্রান্তি, চতুর্দশী – এই দিনে ক্ষৌরকর্ম করলে অশুভ ফল হয়।
গুরু পূজার দিন, দীক্ষা বা উৎসব দিবসে চুল-দাড়ি কাটা উচিত নয়।
গ্রহণের

মাইগ্রেনের ব্যাথা কি যারা বোঝেন না এই ছবি তাদের জন্য।ব্যাথা চোখ থেকে ছড়িয়ে ঘাড় পর্যন্ত নামে। যারা ভাবেন ব্যাথা নিয়ে নাটক...
19/11/2025

মাইগ্রেনের ব্যাথা কি যারা বোঝেন না এই ছবি তাদের জন্য।
ব্যাথা চোখ থেকে ছড়িয়ে ঘাড় পর্যন্ত নামে। যারা ভাবেন ব্যাথা নিয়ে নাটক করে তারা ভালো করে দেখুন। টেনশন, গরম, পিরিয়ড, বাজে গন্ধ, খারাপ খবর বা কেউ খারাপ আচরণ করলে ব্যাথা শুরু হয়ে যায়।

মাঝে মাঝে এই ব্যাথা এক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকে।☺️

Me 5 days record 🙏

একদম💜কিছু মানুষ আছে এখন নিজের ধর্মের না হলে হলে বলে এটা পাপ নাকি সমবেদনা বা প্রার্থনা। বলি মানুষ হবেন কবে আপনারা🙂
19/11/2025

একদম💜
কিছু মানুষ আছে এখন নিজের ধর্মের না হলে হলে বলে এটা পাপ নাকি সমবেদনা বা প্রার্থনা।
বলি মানুষ হবেন কবে আপনারা🙂

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pitu's Blog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share