Somoy Ekhon

Somoy Ekhon Talk about viral issues, news, sports etc

আন্দোলনকারী নয়, নিজ দলের কর্মীকে টুটি চেপে ধরেছিলেন ছাত্রদল নেতা!।চলমান ছাত্র আন্দোলনের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই সামাজিক...
15/07/2026

আন্দোলনকারী নয়, নিজ দলের কর্মীকে টুটি চেপে ধরেছিলেন ছাত্রদল নেতা!।

চলমান ছাত্র আন্দোলনের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও নিয়ে নতুন করে শোরগোল পড়ে গেছে। শুরুতে ভিডিওটি দেখে সাধারণ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বা চড়াও হওয়ার ঘটনা মনে করা হলেও, অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেছে, কোনো সাধারণ আন্দোলনকারী নয়, বরং অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে নিজ দলেরই এক কর্মীর টুটি চেপে ধরেছিলেন এক প্রভাবশালী ছাত্রদল নেতা।
নেটিজেনদের তীব্র সমালোচনা ও রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দেওয়া এই ঘটনার বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:
অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে মারমুখী রূপ
ভিডিওটিতে দেখা যায়, আন্দোলন চলাকালীন একটি মিছিল বা জমায়েতের পেছনে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ওই ছাত্রদল নেতা হঠাৎই ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁরই এক সহকর্মীর গলা চেপে ধরেন। পাশে থাকা অন্য কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও নেতার মারমুখী আচরণ ক্যামেরাবন্দী হয়ে যায়।
* ভুল তথ্যের ছড়াছড়ি: ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর প্রথমে গুঞ্জন ওঠে যে, আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের দমাতেই হয়তো এই বলপ্রয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও দলের ভেতরের সূত্র নিশ্চিত করে যে, এটি সম্পূর্ণই তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারের ফল।
* নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া: ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটলেও নেটিজেনরা এই আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন। অনেকেই মন্তব্য করছেন যে, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে যেখানে সবাই শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াচ্ছে, সেখানে প্রকাশ্য দিবালোকে নিজ দলের কর্মীর ওপর এমন সহিংস আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তদন্ত
> দলীয় সূত্র জানায়: "উক্ত নেতার এই অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে এসেছে এবং ইতিমধ্যেই এর পেছনে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা নাকি রাজনৈতিক উস্কানি রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রমাণ মিললে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
>
চলমান ছাত্র আন্দোলনের এই সংবেদনশীল সময়ে এমন একটি ভিডিও প্রকাশ পাওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে। একদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যখন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে অনড়, ঠিক তখনই বিরোধী ছাত্রসংগঠনের এই অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মুখরোচক আলোচনার জন্ম দিচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের ‘ব্রয়লার মুরগী’ মন্তব্যের জন্য সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ।শিক্ষার্থীদের মেধা ও মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয...
15/07/2026

শিক্ষার্থীদের ‘ব্রয়লার মুরগী’ মন্তব্যের জন্য সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ।

শিক্ষার্থীদের মেধা ও মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার জেরে অবশেষে জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রথাগত পড়াশোনার বাইরে নতুন কারিকুলামের প্রসঙ্গ টানতে গিয়ে তাদের 'ব্রয়লার মুরগী'-র সাথে তুলনা করেছিলেন তিনি, যা দেশজুড়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার জন্ম দেয়। তীব্র প্রতিবাদের মুখে সংসদে বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের তোপের মুখে পড়ে নিজের অনাকাঙ্ক্ষিত বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তাঁর বক্তব্যের উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের ছোট করা বা অবমাননা করা ছিল না, বরং নতুন শিক্ষাক্রমের বাস্তবমুখী প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত এমন একটি উপমা ব্যবহার হয়ে গেছে। এই মন্তব্যটি শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মনে আঘাত করায় তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা অবলম্বন করার প্রতিশ্রুতি দেন। একই সাথে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, সরকার দেশের তরুণ প্রজন্মকে যোগ্য ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতেই কাজ করে যাচ্ছে এবং তাদের মেধার মূল্যায়নকে সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রীর এই দুঃখ প্রকাশের পর সংসদের পরিবেশ শান্ত হয়, তবে শিক্ষাবিদদের মতে, দায়িত্বশীল পদে থেকে শিক্ষার্থীদের আত্মসম্মানে আঘাত লাগে এমন বক্তব্য দেওয়া থেকে সবারই বিরত থাকা উচিত।

তীব্র গণ-আন্দোলনের মুখে শিক্ষামন্ত্রী: পদত্যাগ নাকি সমঝোতা, কী হবে তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ?'ফার্মের মুরগি' মন্তব্যকে কেন্দ্...
15/07/2026

তীব্র গণ-আন্দোলনের মুখে শিক্ষামন্ত্রী: পদত্যাগ নাকি সমঝোতা, কী হবে তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ?

'ফার্মের মুরগি' মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ১ দফা পদত্যাগের দাবি এবং দেশব্যাপী 'লংমার্চ' কর্মসূচিতে রাজপথ যখন পুরোপুরি উত্তাল, তখন শিক্ষামন্ত্রীর সামনে এখন রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষার চূড়ান্ত সময়। সংসদে দুঃখ প্রকাশ করেও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রশমন করতে না পারায় মন্ত্রীর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে, তা নিয়ে দেশজুড়ে চলছে তীব্র জল্পনা-কল্পনা। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে শিক্ষামন্ত্রীর সামনে এখন মূলত তিনটি পথ খোলা রয়েছে:
প্রথমত, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের তীব্রতা এবং রাজপথের অচল অবস্থা বিবেচনা করে ক্ষুণ্ন ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে তিনি স্বপ্রণোদিত হয়ে পদত্যাগ করতে পারেন, অথবা সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে তাঁকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে। দ্বিতীয়ত, পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি আন্দোলনরত ছাত্রনেতা ও সমন্বয়কদের সাথে কোনো নিরপেক্ষ মাধ্যমে জরুরি গোলটেবিল বৈঠকে বসার আহ্বান জানাতে পারেন এবং শিক্ষার্থীদের মর্যাদা রক্ষার্থে শিক্ষাক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করতে পারেন। অথবা, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় তিনি নিজে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ হস্তক্ষেপ ও দিকনির্দেশনার ওপর বিষয়টি ছেড়ে দিতে পারেন, যেখানে সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের একটি বড় ঘোষণাই কেবল এই অচলাবস্থা নিরসন করতে পারে। দেশজুড়ে চলমান এই থমথমে পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রীর যেকোনো একটি ভুল সিদ্ধান্ত আন্দোলনকে আরও বেগবান করে তুলতে পারে, তাই এখন সবার চোখ মন্ত্রীর পরবর্তী আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপের দিকে।

ফার্মের মুরগি বিতর্কে বাংলাদেশে জন্ম নিলো নতুন ছাত্র আন্দোলন: উত্তাল রাজপথ।শিক্ষামন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে বাংলাদ...
15/07/2026

ফার্মের মুরগি বিতর্কে বাংলাদেশে জন্ম নিলো নতুন ছাত্র আন্দোলন: উত্তাল রাজপথ।

শিক্ষামন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে বাংলাদেশজুড়ে এক অভূতপূর্ব ও স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলনের জন্ম হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মেধা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিকে ‘ব্রয়লার মুরগি’ বা ‘ফার্মের মুরগির’ সাথে তুলনা করার পর, তা কেবল সাধারণ ক্ষোভে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং এটি এখন একটি দেশব্যাপী অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের তীব্র হুঁশিয়ারির পর, এই বিতর্ক এখন রাজপথের নতুন লড়াইয়ের জ্বালানি হিসেবে কাজ করছে।
দিনভর সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভের পর শিক্ষার্থীরা সাময়িকভাবে রাস্তা ছাড়লেও, রাতের মধ্যে তাঁদের উত্থাপিত শর্তসমূহ মেনে না নেওয়া হলে আগামীকাল 'লংমার্চ' কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতে, এই মন্তব্যটি তাঁদের আত্মসম্মানে আঘাত হেনেছে এবং দুই বছর আগের ১৪ জুলাইয়ের ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলনের স্মৃতিকে আবার নতুন করে জাগিয়ে তুলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস—সবখানেই এখন এই 'ফার্মের মুরগি' বিতর্কের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন, যা দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও রাজনীতিতে এক নতুন ও শক্তিশালী ছাত্র জাগরণের জন্ম দিল।

সরকারকে তাসরিফ খানের প্রশ্ন: ‘শিক্ষার্থীদের চাপ দিয়ে পরীক্ষা নিলেন, ছাত্রছাত্রীদের চাপ নিতে পারবেন তো?’শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফ...
15/07/2026

সরকারকে তাসরিফ খানের প্রশ্ন: ‘শিক্ষার্থীদের চাপ দিয়ে পরীক্ষা নিলেন, ছাত্রছাত্রীদের চাপ নিতে পারবেন তো

?’
শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্য এবং এর প্রেক্ষিতে দেশজুড়ে চলমান ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে এবার শিক্ষার্থীদের পক্ষে সংহতি জানিয়ে সরকারকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও সমাজকর্মী তাসরিফ খান। শিক্ষাব্যবস্থার নানা ত্রুটি ও সাম্প্রতিক বিতর্কের মাঝে শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি নিয়ে নিজের ভেরিফাইড পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। তাসরিফের এই প্রশ্ন মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি করে।
নিজের পোস্টে তাসরিফ খান সরকারের নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তুলে বলেন, নিয়মের দোহাই দিয়ে এবং নতুন নতুন পদ্ধতি চাপিয়ে দিয়ে শিক্ষার্থীদের যেভাবে প্রতিনিয়ত পরীক্ষার হলে মানসিক চাপের মুখোমুখি করা হয়, এবার সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা রাজপথে যে ক্ষোভ ও চাপের সৃষ্টি করেছে, সরকার তা সামাল দিতে পারবে তো? তিনি আরও উল্লেখ করেন, তরুণ প্রজন্মের মর্যাদা নিয়ে কটূক্তি করার ফল কখনো ভালো হয় না এবং শিক্ষার্থীদের আবেগকে অবমূল্যায়ন না করে তাদের দাবি দ্রুত মেনে নেওয়া উচিত। তাসরিফ খানের এই বক্তব্য চলমান ‘লংমার্চ’ ও ছাত্র জাগরণের পালে নতুন হাওয়া দিয়েছে, যেখানে সাধারণ নেটিজেনরা মন্তব্য করছেন যে—শিক্ষার্থীদের দেওয়া এই যৌক্তিক ‘চাপ’ এখন সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে বড় ধরনের পরীক্ষা নেওয়ার সময় তৈরি করেছে।

১৪ জুলাইয়ের সেই 'রাজাকার' মন্তব্যের দিনেই ‘ফার্মের মুরগিতে’ উত্তাল দেশইতিহাস যেন এক অদ্ভুত বৃত্তে এসে মিলল; ২০২৪ সালের ১...
15/07/2026

১৪ জুলাইয়ের সেই 'রাজাকার' মন্তব্যের দিনেই ‘ফার্মের মুরগিতে’ উত্তাল দেশ

ইতিহাস যেন এক অদ্ভুত বৃত্তে এসে মিলল; ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সেই বহুল আলোচিত ‘রাজাকার’ মন্তব্যে কেঁপে উঠেছিল গোটা দেশ, আর ২০২৬ সালের ঠিক একই দিনে (১৪ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রীর ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্যে নতুন করে উত্তাল হয়ে উঠল বাংলাদেশ। কাকতালীয়ভাবে তারিখটি একই হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলে এটি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। নেটিজেনরা দুই বছরের ব্যবধানে ঘটা এই দুটি বক্তব্যকে অহংকার ও ছাত্রসমাজকে অবমূল্যায়ন করার মানসিকতার এক প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখছেন।
দুই বছর আগে ১৪ জুলাই রাতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে এসেছিলেন, যা পরবর্তীতে এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের রূপ নেয়। আর এবার, সেই একই দিনে শিক্ষার্থীদের মেধা ও মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর করা ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্যটি ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢেলেছে, যার জবাবে ছাত্রনেতারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে এই তথাকথিত ‘ফার্মের মুরগিরা’ রাজপথে নেমেছিল বলেই আজ অনেকে মন্ত্রী হতে পেরেছেন। যদিও সংসদে শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন, তবুও ১৪ জুলাইয়ের এই ঐতিহাসিক ক্ষোভের দিনে তরুণ প্রজন্মের মর্যাদা ও আত্মসম্মান নিয়ে এমন মন্তব্যকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না ছাত্রসমাজ।

সড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা: রাতের মধ্যে শর্ত না মানলে কাল 'লংমার্চ'-এর হুঁশিয়ারিশিক্ষামন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে...
15/07/2026

সড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা: রাতের মধ্যে শর্ত না মানলে কাল 'লংমার্চ'-এর হুঁশিয়ারি

শিক্ষামন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে এবং শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়নের মর্যাদা রক্ষার দাবিতে দিনভর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে রাখার পর অবশেষে সড়ক ছেড়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তবে জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সাময়িকভাবে রাস্তা সরালেও তাঁরা আলটিমেটাম দিয়েছেন যে, রাতের মধ্যে তাঁদের উত্থাপিত দাবি ও শর্তসমূহ মেনে নেওয়া না হলে আগামীকাল সকাল থেকেই দেশব্যাপী তীব্র আন্দোলনের অংশ হিসেবে 'লংমার্চ' কর্মসূচি শুরু করা হবে। শিক্ষার্থীদের এই কঠোর অবস্থানের কারণে প্রশাসন ও নীতিনির্ধারক মহলে নতুন করে উদ্বেগ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংসদে দেওয়া শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশকে তাঁরা যথেষ্ট মনে করছেন না, বরং শিক্ষার্থীদের মর্যাদাহানি বন্ধ এবং শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কারের সুনির্দিষ্ট ঘোষণা চান তাঁরা। দিনভর সড়ক অবরোধের কারণে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছিল, তবে সন্ধ্যায় সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে আজকের মতো কর্মসূচি সমাপ্তি ঘোষণা করা হয় এবং রাতের সময়টুকুকে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার শেষ সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং সরকারের উচ্চপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত করতে ও বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ পরিচালনা করবেন মুসলিম রেফারি, তারপরও সংশয়২০২৬ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্...
15/07/2026

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ পরিচালনা করবেন মুসলিম রেফারি, তারপরও সংশয়

২০২৬ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার হাইভোল্টেজ ম্যাচটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে একজন হাইপ্রোফাইল মুসলিম রেফারিকে। ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা (FIFA) এই বিগ-ম্যাচে নিরপেক্ষতা ও কঠোর শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই অভিজ্ঞ রেফারিকে বেছে নিলেও ম্যাচটির সংবেদনশীলতার কারণে বিতর্ক ও সংশয় থামছে না। মাঠের ভেতরে ও বাইরে দুই দলের ঐতিহাসিক বৈরিতা এবং মাঠের সিদ্ধান্তের প্রভাব নিয়ে ফুটবলার ও সমর্থকদের মাঝে আগে থেকেই এক ধরনের চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রেফারিং নিয়ে দুই শিবিরের সংশয়ের মূল কারণ হলো অতীত ইতিহাস এবং দুই দেশের রাজনৈতিক ও ফুটবলীয় দ্বৈরথ। বিশেষ করে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের সেই বিখ্যাত 'হ্যান্ড অফ গড' এবং 'গোল অফ দ্য সেঞ্চুরি' ম্যাচের রেফারিও ছিলেন তিউনিসিয়ার একজন মুসলিম রেফারি (আলী বিন নাসের), যা নিয়ে ফকল্যান্ড যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ইংল্যান্ড শিবিরে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। এবারও মাঠের রেফারি হিসেবে একজন মুসলিম রেফারিকে দায়িত্ব দেওয়ায় ইংলিশ ও আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমগুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু করেছে, যেখানে কোনো একটি ভুল সিদ্ধান্ত ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে বলে সংশয় প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে ফিফা আশ্বস্ত করেছে যে, এই রেফারি তাঁর ক্যারিয়ারে বহু গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পরিচালনা করেছেন এবং আধুনিক প্রযুক্তির (VAR) সহায়তায় এবার মাঠে সম্পূর্ণ নির্ভুল ও নিরপেক্ষ রেফারিং দেখা যাবে।

জুয়ার টাকার নেশা মেটাতে ১৪ জনকে বিয়ে করলেন এই নারী!অনলাইন এবং ক্যাসিনো জুয়ার ভয়ঙ্কর নেশার টাকা জোগাতে এক অভিনব ও প্র...
15/07/2026

জুয়ার টাকার নেশা মেটাতে ১৪ জনকে বিয়ে করলেন এই নারী!

অনলাইন এবং ক্যাসিনো জুয়ার ভয়ঙ্কর নেশার টাকা জোগাতে এক অভিনব ও প্রতারণামূলক পথ বেছে নিয়েছিলেন এক নারী, যা প্রকাশ আসতেই তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। নিজের বিলাসবহুল জীবনযাত্রা এবং জুয়ার বিপুল দেনা শোধ করতে ওই নারী একে একে ১৪ জন পুরুষকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেন এবং কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। বিয়ের কিছুদিন পর নানামুখী অজুহাতে স্বামীদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের যৌতুক ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দেওয়াই ছিল এই প্রতারক নারীর মূল কৌশল।
ভুক্তভোগী স্বামীদের কয়েকজন যখন নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে জানতে পারেন যে তারা সবাই একই নারীর প্রতারণার শিকার হয়েছেন, তখনই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং তারা যৌথভাবে পুলিশের দ্বারস্থ হন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে ওই প্রতারক নারীকে গ্রেপ্তার করে এবং জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে তাঁর এই অবিশ্বাস্য বহুবিবাহ ও অর্থ আত্মসাতের রোমহর্ষক কাহিনী। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মাঝে তীব্র বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে, আর পুলিশ জানিয়েছে ওই নারীর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির একাধিক মামলা দায়ের করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রীকে হাসনাত আবদুল্লাহর হুঁশিয়ারি: ‘ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় এসেছে বলেই আপনি মন্ত্রী হয়েছেন’নতুন শিক্ষাক্রম ও শ...
15/07/2026

শিক্ষামন্ত্রীকে হাসনাত আবদুল্লাহর হুঁশিয়ারি: ‘ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় এসেছে বলেই আপনি মন্ত্রী হয়েছেন’

নতুন শিক্ষাক্রম ও শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে এবার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশের পরও ক্ষোভ কমেনি ছাত্র সমাজের, যার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে একটি কড়া বার্তা দিয়েছেন এই ছাত্রনেতা। হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, যে শিক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ বলে উপহাস করা হচ্ছে, তাদের আন্দোলনের ওপর ভর করেই বর্তমান সরকার ও মন্ত্রীরা আজ এই চেয়ারে বসতে পেরেছেন।
শিক্ষামন্ত্রীকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ এবং রাজপথের লড়াইয়ের ফলেই আজকের এই নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতাকে অবমাননা করার কোনো অধিকার কারও নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্রসমাজকে খাটো করে দেখার চড়া মূল্য বিগত স্বৈরাচারকে দিতে হয়েছে, যা বর্তমান নীতিনির্ধারকদের ভুলে যাওয়া উচিত হবে না। হাসনাত আবদুল্লাহর এই ক্ষুরধার মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় এবং সাধারণ শিক্ষার্থী ও নেটিজেনরা তাঁর এই বক্তব্যকে ব্যাপকভাবে সমর্থন জানাচ্ছেন। ছাত্রনেতাদের মতে, দুঃখ প্রকাশই যথেষ্ট নয়, বরং শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের মর্যাদাহানি ঘটে এমন যেকোনো মানসিকতা থেকে সরকারকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে হবে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Somoy Ekhon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share