Let's Know

Let's Know News and Infotainment

"সাবেক প্রেস সেক্রেটারি শফিক একটা অসভ্য লোক। তার ইতিহাস ভূগোল সম্বন্ধে ধ্যান-ধারণা অত্যন্ত প্রাগৈতিহাসিক"- এই বক্তব্যটি ...
03/06/2026

"সাবেক প্রেস সেক্রেটারি শফিক একটা অসভ্য লোক। তার ইতিহাস ভূগোল সম্বন্ধে ধ্যান-ধারণা অত্যন্ত প্রাগৈতিহাসিক"- এই বক্তব্যটি দিয়েছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ডা. আব্দুন নুর তুষার। তুষার সাবেক অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলমকে নিয়ে এই মন্তব্যটি করেছেন।


তার এই মন্তব্য নিয়ে অনেক আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডঃ সাহাবুদ্দিন লালটু তার নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

আব্দুন নূর তুষারকে ইঙ্গিত করে সাহাবুদ্দিন লালটু বলেছেন- "আরেকজনকে অসভ‍্য বলাটাই একটা অসভ‍্যতা।"



তুষারকে ইঙ্গিত করে কামাল মোস্তফা নামে একজন মন্তব্য করেছেন - আয়নায় মানুষ নিজেকেই দেখতে পায়।

মিজানুর রহমান মন্তব্য করেছেন- গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হয় না, হয় গণমাধ্যম দালাল।

এমডি রুবেল বলেছেন- আব্দুর নূর তুষার গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব তারা আজীবন অন্যদের পা চাটলো জনগণের জন্য তারা কোনদিন কিছু করে নাই তারা হচ্ছে দেশের জন্য রাবিশ!

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের এমপি আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে ...
03/06/2026

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের এমপি আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।

বুধবার (৩ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।


পোস্টে রাশেদ খাঁনের দাবি, গণঅভ্যুত্থানের পরে সমন্নয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে হান্নান মাসউদ! গণঅভ্যুত্থানের পরে হান্নান মাসউদের মিটিং শুরু হয় আওয়ামীলীগের নেতাদের দিয়ে। আওয়ামীলীগের নেতাদের সঙ্গে তার অসংখ্য মিটিং হয়েছে। পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটা টেবিল যেন একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্য বরাদ্দ থাকতো। একবার আওয়ামীলীগের এক এমপিকে ৪ কোটিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার আলাপ ওঠে।


আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষ করে হান্নান মাসউদ জিসানকে বলে, ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা পয়সার দরকার আছে! এ কথা শুনে একপ্রকার স্তব্ধ হয়ে যায় জিসান!

হান্নান মাসউদের অনেক ঘটনার রাজসাক্ষী হাতিয়ার এই সন্তান আবদুল গাফফার জিসান উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আবদুল গাফফার জিসান আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাদের সঙ্গে এই ছেলেটি ছিলো। ৩ জন সমন্বয়কদের ভিডিও বা ছবি তুলতে ক্যামেরার পিছনের মানুষটিই ছিলেন এই আবদুল গাফফার জিসান। জিসান সম্পর্কে রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারকে জিজ্ঞেস করলেও উত্তর পাবেন।


জিসানের ছোট ভাই হান্নান মাসুদের বন্ধু জানিয়ে রাশেদ বলেন, সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এবং শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। আর জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। হান্নান মাসুদের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের পরেও বেশকিছুদিন জিসান ছিলো। মূলত গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান 'হান্নান মাসউদকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেই সঙ্গেই থাকতো। কিন্তু হান্নান মাসউদের টাকার প্রতি মোহ ও আকস্মিক পরিবর্তন জিসান মেনে নিতে পারেনি। যেকারণে সে আর হান্নান মাসুদের সঙ্গে থাকেনি।


বিএনপির নেতা বলেন, নোয়াখালীর হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এমপি মোহাম্মদ আলী যেন ছিলো হান্নান মাসুদের এমপি হওয়ার পথের কাঁটা! হান্নান মাসউদ এটা বুঝতে পেরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই তাকে গ্রেপ্তার করাতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জায়গায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বক্তব্যও দিয়েছে হান্নান মাসউদ। ঘরোয়া আলাপে সে বলেছে, নোয়াখালীর যতো আওয়ামী লীগ আছে, কারও সঙ্গে আমার কোন দ্বন্দ্ব নাই। আমার একমাত্র দ্বন্দ্ব মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে। এমনকি বিভিন্ন আলাপে সে লোকজনকে বোঝাতে চেয়েছে, নোয়াখালীর এমপি হতে কোয়ালিটি ও কোয়ানটিটিতে তাকে মোহাম্মদ আলীর মত অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে।

শহীদ ওসমান হাদী হ ত্যা কা ণ্ড নিয়ে বোমা ফাটিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ঠিক তখন শহীদ ও...
03/06/2026

শহীদ ওসমান হাদী হ ত্যা কা ণ্ড নিয়ে বোমা ফাটিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ঠিক তখন শহীদ ওসমান হাদির ভাই শরীফ ওমর হাদি ফেসবুক প্রথম স্ট্যাটাসে বললেন- “শহীদ ওসমান হাদির খু/নে র সাথে ইন্টেরিম সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা এবং BNP সরকারের কয়েকজন MP_মন্ত্রী সরাসরি জড়িত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, হাদি হ/ত্যা র সাথে জড়িত সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করুন।

এর কিছুক্ষণ পরই আবার আরেকটি স্ট্যাটাসে শরীফ ওমর হাদি বললেন- “শহীদ ওসমান হাদি হ/ত্যা/র পেক্ষাপট তৈরিতে আমিরে জামাতের একজন পিএস জড়িত। হাদিকে ঢাকা-০৮ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রেসার দিছে আমাদের।”

ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদি বাংলাদেশ সময় ৩ জুন মাঝ রাতে রাত ১টার পর এই দুটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এই দুই স্ট্যটাস নিয়ে প্রচুর আলোচনা ও সমালোচনা হচ্ছে।

এরকম একটি প্রেক্ষাপটে গণ অধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান দাবি জানিয়েছেন- শহীদ ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদীকে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার জরুরী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে ফারুক হাসান বলেন- "হাদীর ভাই কাকে রক্ষা করতে একেক সময় একেক জনের উপর দায় চাপাচ্ছেন! শরীফ ওমর হাদীকে আইনের আওতায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি!!"

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ডোবার পাশে দাঁড়িয়ে মশক নিধনের পরিকল্পনা করা সম্ভব...
02/06/2026

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ডোবার পাশে দাঁড়িয়ে মশক নিধনের পরিকল্পনা করা সম্ভব নয়। মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগ।


চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের সম্ভাব্য ফ্লোরিডা সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আসিফ মাহমুদ বলেন, “মশক নিধনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ডোবার পাশে দাঁড়িয়ে অভিনব ধারণা পাওয়া যেতে পারে—এ ধরনের মন্তব্য দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। আমার কাছে এটি হাস্যকর মনে হয়েছে।”

মঙ্গলবার (২ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন।


তিনি আরো বলেন, মশক নিধন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য দীর্ঘদিনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ বিষয়ে কাজ করতে গিয়ে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত পদ্ধতি নিয়ে অধ্যয়ন করেছেন।

আসিফ মাহমুদের ভাষ্য, ফ্লোরিডাভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিতে এমন রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা মশার ডিম ও লার্ভাকে লক্ষ্য করে কাজ করে, কিন্তু অন্যান্য প্রাণী ও পরিবেশের ওপর তুলনামূলক কম প্রভাব ফেলে।


তিনি বলেন, “দেশে প্রচলিত ফগিং পদ্ধতির কার্যকারিতা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তাই পরিবেশবান্ধব ও কার্যকর বিকল্প প্রযুক্তি নিয়ে ভাবার সুযোগ আছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মশার জীবনচক্রের নির্দিষ্ট পর্যায়কে লক্ষ্য করে প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।”

আসিফ মাহমুদ বলেন, “মশক নিধন একটি বৈজ্ঞানিক বিষয়। নতুন প্রযুক্তি বা কার্যকর সমাধান গবেষণাগার ও বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আসে। ডোবার পাশে দাঁড়িয়ে এ ধরনের সমাধান পাওয়া যায় না।”


এনসিপির মুখপাত্র আরও বলেন, “সুযোগ পেলে পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয়—এমন পদ্ধতিতে মশা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে তারা বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করছেন।”

অনেকই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং টকশোতে প্রশ্ন তুলছেন- ইসলামী ব্যাংককে জামায়াত মুক্ত করতে হবে। আবার অনেকেই বলছেন- ইসলাম...
02/06/2026

অনেকই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং টকশোতে প্রশ্ন তুলছেন- ইসলামী ব্যাংককে জামায়াত মুক্ত করতে হবে। আবার অনেকেই বলছেন- ইসলামী ব্যাংক নাকি জামায়াতের ব্যাংক। বিষয়টি নিয়ে গণ অধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছেন- ইসলামী ব্যাংক কখনো জামায়াতে ইসলামীর ছিলো না এবং ব্যাংক কখনোই কোনো দলের হয় না।


ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি একটি লিস্ট দিয়েছেন, ঠিক কারা কারা এই ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন মালিকানায় ছিলেন।

❝ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ❞ প্রতিষ্ঠালগ্নে শেয়ারহোল্ডার হিসাবে যারা ছিলেন....
১. ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি)
২. কুয়েত ফাইন্যান্স হাউস
৩. দুবাই ইসলামিক ব্যাংক
৪. আল-রাজহী কোম্পানি ফর এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট (সৌদি আরব)
৫. জর্ডান ইসলামিক ব্যাংক
৬. ফেডারেল আরব ব্যাংক (বাহরাইন) সহ মোট ১১টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
একইসাথে বাংলাদেশি বেসরকারি উদ্যোক্তা হিসাবে মীর কাসেম আলী-সহ দেশের শীর্ষস্থানীয় ২২ জন ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও পেশাজীবী ছিলেন।

ফারুক হাসান প্রশ্ন রাখেন- এরপরও কি বলা যায় যে ইসলামী ব্যাংক জামায়াতে ইসলামীর দলীয় ব্যাংক?


তিনি বলেন- ব্যাংক কখনোই কোন দলের হয় না। যেমনটা আমরা বলতে পারি না যে মির্জা আব্বাস ভাইয়ের ❝ঢাকা ব্যাংক❞ বিএনপির ব্যাংক কিংবা আওয়ামী মাফিয়া সালমান এফ রহমানের ❝আইএফআইসি ব্যাংক❞ আ’লীগের ব্যাংক। যেকোনো ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সময় এক কিংবা একাধিক ব্যাক্তি মূল উদ্যোক্তা হিসাবে মূখ্য ভূমিকা পালন করে। সেক্ষেত্রে ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পিছনে মীর কাসেম আলীর (যুদ্ধাপরাধের মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত শহীদ) অবদান অনেক অনেক বেশি।।


ফারুক হাসান আরো বলেন- এখন আসি আসল কথায়, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ নাম্বার ওয়ান আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এমনকি বিশ্বের টপ লিস্টেড ব্যাংকগুলোরও একটি হলো বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংক।

তিনি বলেন- এই ব্যাংক ভালো চলুক ভালোভাবে কাজ করুক এটা যেমম পাশের দেশের দাদারা চান না ঠিক একইভাবে দাদাদের এদেশীয় লেস্পেন্সারগুলোও চান না। ১৯৮৩ সাল থেকেই ব্যাংকটির দিকে তাদের কুনজর ছিলে এখনো আছে, অনেকবার ছোবল দিয়েছে কিন্তু ধ্বংস করতে পারেনি। জানিনা সামনে কি হবে...

শহীদ ওসমান হাদী হ ত্যা কা ণ্ড নিয়ে বোমা ফাটিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ঠিক তখন শহীদ ও...
02/06/2026

শহীদ ওসমান হাদী হ ত্যা কা ণ্ড নিয়ে বোমা ফাটিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ঠিক তখন শহীদ ওসমান হাদির ভাই শরীফ ওমর হাদি ফেসবুক স্ট্যাটাসে বললেন- “শহীদ ওসমান হাদির খু/নে র সাথে ইন্টেরিম সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা এবং BNP সরকারের কয়েকজন MP_মন্ত্রী সরাসরি জড়িত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, হাদি হ/ত্যা র সাথে জড়িত সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করুন।

তিনি আরো বলেন- হাদি হ ত্যা র বিচার না করলে আপনাকেও এরা হ/ত্যা করবে। যেভাবে আপনার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হ/ত্যা করছে। হাদি হ/ত্যার বিচার আপনি না করলে আপনাকে হ/ত্যা করলেও কেও বিচার করবেনা। হাদি হ/ত্যা/র বিচার বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের জন্য রেড লাইন। হাদি হ/ত্যার বিচার করুন।

এর কিছুক্ষণ পরই আবার আরেকটি স্ট্যাটাসে শরীফ ওমর হাদি বললেন- “শহীদ ওসমান হাদি হ/ত্যা/র পেক্ষাপট তৈরিতে আমিরে জামাতের একজন পিএস জড়িত। হাদিকে ঢাকা-০৮ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রেসার দিছে আমাদের।”

ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদি বাংলাদেশ সময় ৩ জুন মাঝ রাতে রাত ১টার পর এই দুটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এই দুই স্ট্যটাস নিয়ে প্রচুর আলোচনা ও সমালোচনা হচ্ছে।

বাংলাদেশে শহীদ ওসমান হাদী হ ত্যা কা ণ্ড নিয়ে যখন মুখ খুলেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, তখন...
02/06/2026

বাংলাদেশে শহীদ ওসমান হাদী হ ত্যা কা ণ্ড নিয়ে যখন মুখ খুলেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, তখন শহীদ ওসমান হাদির ভাই Sharif Omar Hadi ফেসবুক স্ট্যাটাসে বললেন- “শহীদ ওসমান হাদির খু/নে র সাথে ইন্টেরিম সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা এবং BNP সরকারের কয়েকজন MP_মন্ত্রী সরাসরি জড়িত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, হাদি হ/ত্যা র সাথে জড়িত সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করুন।


এর কিছুক্ষণ পরই আবার আরেকটি স্ট্যাটাসে শরীফ ওমর হাদি বললেন- “শহীদ ওসমান হাদি হ/ত্যা/র পেক্ষাপট তৈরিতে আমিরে জামাতের একজন PS জড়িত। হাদিকে ঢাকা-০৮ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রেসার দিছে আমাদের।“


এই স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেছেন- “বার্মিংহামের হাইকমিশনার যেহেতু কইছে, তাইলে মনে হয় ঠিকই কইছে! শহীদ ওসমান হাদির বিচার না পাওয়ার জন্য আমি ব্যক্তি জায়গা থেকে সবসময় এই ফালতুটারেই দায় দিবো।


তিনি বলেন- যে শহীদের রক্তের মূল্য সুবিধার বিনিময়ে চুকিয়ে যায় সেই শহীদের বিচার হওয়ার রেকর্ড এই বাংলাদেশে নেই।“

“আমি অব্যর্থভাবে জাতিসংঘের সনদ সমুন্নত রাখবো এবং প্রেসিডেন্টের আচরণবিধি অনুসারে প্রেসিডেন্সির কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে পরি...
02/06/2026

“আমি অব্যর্থভাবে জাতিসংঘের সনদ সমুন্নত রাখবো এবং প্রেসিডেন্টের আচরণবিধি অনুসারে প্রেসিডেন্সির কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে পরিচালনা করবো।“

এ কথা বলেছেন- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সদ্য নির্বাচিত জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান।


তিনি আরো বলেন, আমি সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হবো। আমি আমার কাজের সময় সব সদস্য রাষ্ট্রকে সম্পৃক্ত করবো। আমি আমার ব্যক্তিগত মতামতকে পিজিএ হিসেবে আমার কাজে হস্তক্ষেপ করতে দেবো না। আমি পার্থক্য উপেক্ষা না করে সাধারণ ভিত্তি সন্ধান করবো।

মঙ্গলবার (২ জুন) নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দফতরে ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনের পর এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেছেন।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি বলেন, আমি সব সদস্য রাষ্ট্রকে প্রেসিডেন্ট অফিসের কাজ পরিচালনায় সহায়তা করার জন্য পিজিএ ট্রাস্ট ফান্ডে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছি। একটি শক্তিশালী ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের জন্য পর্যাপ্ত দীর্ঘমেয়াদি তহবিল নিশ্চিত করতে আমি তাদের সঙ্গে কাজ করবো।


তিনি আরো বলেন, ইউএনজিএ সভাপতি হিসেবে, আমি বিশ্বাস, পুনর্গঠন, ঐকমত্য লালন এবং সৎ বিশ্বাসের আলোচনার জন্য জায়গা উন্মুক্ত করতে নিজেকে উৎসর্গ করবো, যা সবার মালিকানাধীন সব ধরনের ফলাফলের দিকে পরিচালিত করবে। ভৌগোলিক, লিঙ্গ ও ভাষাগত ভারসাম্য প্রতিফলিত করে আমি আমার অফিস সংগঠিত করবো।



খলিলুর রহমান বলেন, আজ জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো আমাকে পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত করেছে। আমি নম্রতা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন একটি ফলপ্রসূ অধিবেশন হবে। কারণ অ্যাসেম্বলিকে জাতিসংঘের সংস্কার, বিশ্ব উন্নয়ন এজেন্ডার পরবর্তী প্রজন্মের প্রস্তুতি এবং পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনের সঙ্গে জাতিসংঘের নেতৃত্বের রূপান্তরের বিষয়ে আলোচনা করার জন্য আহ্বান জানানো হবে।


খলিলুর রহমান আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, জ্বালানির নিরাপত্তাহীনতা এবং উন্নয়নের বিভাজন বৃদ্ধিসহ আমাদের সামনে ইতোমধ্যে জরুরি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর পাশাপাশি এগুলো উন্মোচিত হবে।’



এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য পরবর্তী অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে, আমি আমার ভিশন স্টেটমেন্টে উল্লিখিত ছয়টি অগ্রাধিকার নিয়ে কাজ করবো। এগুলো হচ্ছে—শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার, টেকসই উন্নয়ন এবং এসডিজি ত্বরান্বিত করা, জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব, মানবাধিকার, মানবিক কর্মকাণ্ড, শরণার্থী ও অভিবাসী, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য বহুপাক্ষিকতা, ইউএন ৮০ সংস্কার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক শাসন।

বাংলাদেশে ওসমান হাদী হ/ত্যা/কা/ণ্ডে নতুন মোড় নিয়েছে। এই হ/ত্যা/কা/ণ্ডে ভারত সরাসরি জড়িত- এমন তথ্য এবার উঠে এলো পশ্চিবঙ্গ...
02/06/2026

বাংলাদেশে ওসমান হাদী হ/ত্যা/কা/ণ্ডে নতুন মোড় নিয়েছে। এই হ/ত্যা/কা/ণ্ডে ভারত সরাসরি জড়িত- এমন তথ্য এবার উঠে এলো পশ্চিবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বক্তব্যে। বাংলাদেশের নাগরিকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার আইসিটি ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এই পোস্টে বলেছেন- ওসমান হাদী হ ত্যা কা ণ্ডে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র' যুক্ত থাকার সুস্পষ্ট আভাস এসেছে। সেই সাথে নির্দেশের পরও সময়মতো সীমান্ত সিল করতে না পারার কারণ বিজিবি প্রধানকে ব্যাখ্যা দিতে হবে- এমন দাবি জানান তিনি।


ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব লিখেছেন- “শহীদ ওসমান বিন হাদি হ ত্যা কা ণ্ডে জড়িত থাকার জন্য মমতা প্রকাশ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে অভিযুক্ত করেছেন। মমতা প্রশ্ন করেছেন, 'কাকে দিয়ে খু ন করিয়েছেন?' এবং উনি সেটা জানেন, তা প্রকাশ করলে 'বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে উঠবে'। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তার দেশের স্বার্থে হাদির খু নি দে র গ্রেফতারের বিষয়টি গোপন রাখতে মমতাকে ফোন করে চাপ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
তিনি বলেন- এর মাধ্যমে ওসমান হাদি হ ত্যা য় ভারতের সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ্যে আসলো। অর্থাৎ এই কাজে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র' যুক্ত থাকার সুস্পষ্ট আভাস এসেছে।



তবে প্রশ্ন থেকে যায়, বাংলাদেশে র এর এসেট হিসেবে ঠিক কারা কাজ করেছে? এখানকার কোনও ব্যক্তি এসেট, নাকি সংস্থা?

ফয়েজ আহমেদ লিখেছেন- হাদির হত্যাকারীরা দুপুর আড়াইটা থেকে রাত পৌনে এগারোটায় দেশের অভ্যন্তরে দীর্ঘতম পথ পাড়ি দিয়ে নেত্রকোনা সীমান্তে পৌঁছে এবং সেখানে চোরাচালানের একটা পপুলার রুট ব্যবহার করে, যেটা সম্পর্কে বিজিবি আগে থেকেই জানে। এবং সেখানে দুটি পাইপ সুড়ঙ্গ আছে যা দিয়ে মানবপাচারও হয়ে থাকে।


তিনি বলেন- যেখানে বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যেই সীমান্ত সিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল, সেখানে বর্ডার গার্ড চৌকির কয়েক কিলো দূরের এই রুট ও পয়েন্ট সিল করতে ব্যর্থ হবে এটা অবিশ্বাস্য। সাড়ে চার ঘণ্টা পরেও এই পয়েন্টটি বিজিবির নিয়ন্ত্রণে আসলো না, এটি কোনোভাবেই স্বাভাবিক ব্যর্থতা নয়। বিজিবি প্রধানকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে।


সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আরো বলেন- “তদুপরি, একটি ফ্যাক্টচেকিং সংস্থা সন্ধ্যার আগেই খু নি দে র শনাক্ত করে একাধিক পাবলিক পোস্ট দিয়েছিল। অথচ রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একই কাজ করতে (অফিশিয়ালি খু নি দে র শনাক্ত করতে) সময় নিয়েছে রাত সাড়ে দশটা থেকে পৌনে এগারোটা পর্যন্ত। সূত্রমতে, রাত ১০:৪৮ এর দিকে খু নি রা সীমান্ত পার হয়েছে এমন বার্তা এসেছে। অর্থাৎ খু নি দে র সীমান্ত অতিক্রমের কাছাকাছি সময়ে NTMC এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অফিশিয়ালি খু নি দে র শনাক্ত করতে পেরেছে। প্রশ্ন একটাই, এটা কি নিছক কাকতালীয়, নাকি এখানে কারও কারও সুপরিকল্পিত নিষ্ক্রিয়তা ছিল?”


ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব বলেন- “খু নি রা মোটরসাইকেলে আগারগাঁও, সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আমিনবাজার, তারপর মানিকগঞ্জের কালামপুর হয়ে একটি প্রাইভেটকারে সরাসরি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট। হালুয়াঘাটের মুন ফিলিং স্টেশনের আগে ফিলিপ ও সঞ্জয় নামের দুই ব্যক্তি তাদের গ্রহণ করে। ফিলিপ তাদের সীমান্ত পার করে ভারতে পুত্তি নামের এক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করে। এই দীর্ঘ পথে তাদের ধরতে না পারা নিঃসন্দেহে একটি বড় ব্যর্থতা।”


তিনি বলেন- :আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চিহ্নিত করার আগেই পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী খুনিরা সীমান্ত অতিক্রম করতে সক্ষম হওয়াটা আমাদের ভয়ানক দুর্বলতা এবং ইন্সটিটিউশনাল ক্যাপাসিটি না থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ। দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার খাতিরে এমন ব্যর্থতা উত্তরণের স্থায়ী সমাধান লাগবে।“

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপিকে নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জেলা পরিষদের প্রশাসক সাবেক এমপি হারুনুর র...
02/06/2026

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপিকে নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জেলা পরিষদের প্রশাসক সাবেক এমপি হারুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেছেন, জেলা বিএনপির বর্তমান কমিটির নেতারা সবাই “গুপ্ত জামায়াতের সদস্য” এবং নির্বাচনের সময় তারা দলের পক্ষে ভোট না দিয়ে জামায়াতকে সহযোগিতা করেছেন।

শনিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রদল আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন হারুনুর রশিদ।


তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “বর্তমান জেলা বিএনপির দায়িত্বে থাকা সবাই গুপ্ত জামায়াতের সদস্য। নির্বাচনের সময় তারা দলের জন্য কাজ করেনি। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, কেউ বিএনপির ভোট করেনি। তাই দলের চেয়ারম্যানের কাছে অনুরোধ, বিষয়টি তদন্ত করা উচিত।”


নির্বাচনের সময় দলের কিছু নেতা প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে রাস্তা অবরোধ ও মশাল মিছিল করেছে এবং প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে রেল অবরোধ পর্যন্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে এসব বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।



হারুনুর রশিদ ছাত্রদলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সংগঠনটিকে আদর্শ ও নৈতিকতার ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হবে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
তার বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমি যা বলেছি, সেটাই আমার মন্তব্য। এর বেশি কিছু বলার নেই।”


হারুনুর রশিদের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম (রফিক চাইনিজ)।

তিনি বলেন, “জেলা বিএনপির কমিটি তারেক রহমানের দেওয়া। ২০২১ সালে গঠিত কমিটি প্রকাশ্যে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। তাই তাদের ‘গুপ্ত’ বলা ভিত্তিহীন।”


তার দাবি- হারুনুর রশিদ অতীতে সরকারের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে দলকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন এবং নির্বাচনেও পরাজিত হয়েছেন। তার ভাষায়, “পরাজয়ের পর এখন ব্যক্তিগত বক্তব্য দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে।”


এদিকে জেলা বিএনপির সদস্য ও সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ওবায়েদ পাঠানও হারুনুর রশিদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, জেলা বিএনপি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী একটি শক্তিশালী সংগঠন। বরং হারুনুর রশিদ নিজেই বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে দলকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন।


এই বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্যকে কেন্দ্র করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আরও প্রকাশ্য রূপ নিচ্ছে।

Address

Dhaka

Telephone

+8801713730113

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Let's Know posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Let's Know:

Share