Prothoma Prokashan

Prothoma Prokashan সারা বছর সেরা বই

২০০৯ সালে যাত্রা শুরু করে প্রথমা প্রকাশন বাংলাদেশের একটি শীর্ষ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। সাত শতাধিক সুনির্বাচিত, সুসম্পাদিত আর ভালো ছাপা ও বাঁধাইয়ের বই প্রকাশ করে পাঠকের আস্থা অর্জন করেছে। বাঙলা ভাষার শ্রেষ্ঠ লেখকদের ইতিহাস, গবেষণা, মুক্তিযুদ্ধ, অর্থনীতি ও সৃজনশীল বইয়ের নির্ভরযোগ্য নাম প্রথমা।

নগদ ও প্রথমা যৌথ উদ্যোগে আজ শুরু হয়েছে বইমেলা। স্থান: ৩৬, কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ, বনানী, ঢাকা। মেলাটি চলবে: ১০-১১ আগস্...
10/08/2026

নগদ ও প্রথমা যৌথ উদ্যোগে আজ শুরু হয়েছে বইমেলা।
স্থান: ৩৬, কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ, বনানী, ঢাকা।
মেলাটি চলবে: ১০-১১ আগস্ট ২০২৬, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।



প্রথমা প্রকাশনের প্রকাশিতব্য নতুন বইঅশুভ অরণ্য [অয়ন-জিমি সিরিজ]  ইসমাইল আরমান১২৮ পৃষ্ঠা প্রথম প্রকাশ: শ্রাবণ ১৪৩৩, জুলাই...
30/07/2026

প্রথমা প্রকাশনের প্রকাশিতব্য নতুন বই
অশুভ অরণ্য [অয়ন-জিমি সিরিজ]
ইসমাইল আরমান
১২৮ পৃষ্ঠা
প্রথম প্রকাশ: শ্রাবণ ১৪৩৩, জুলাই ২০২৬
প্রচ্ছদ: আরাফাত করিম
মূল্য: ৩৫০ টাকা

১ম ফ্লাপ
চার দিনের হাইকিং ট্রিপ। কথা ছিল সারা দিন পাহাড়, নদী আর অরণ্যে ঘুরে বেড়াবে অয়ন-জিমি, সন্ধ্যায় ক্যাম্পফায়ারের পাশে বসে আড্ডা দেবে, রাতে আরামে ঘুমাবে তাঁবু খাটিয়ে। কিন্তু তা আর হলো কই? ট্রিপের শুরু থেকেই দেখা দিল বাধাবিপত্তি। ঘটতে থাকল একের পর এক দুর্ঘটনা। প্রাণ নিয়ে টানাটানি। সঙ্গীসাথিরাও রহস্যময় আচরণ করছে। কে যেন চাইছে না, ওদের ট্রিপটা সফল হোক। কিন্তু কেন? প্রশ্নটার জবাব খুঁজতে গিয়ে ধীরে ধীরে জটিল এক রহস্যের জালে জড়িয়ে গেল অয়ন-জিমি।

লেখক পরিচিতি
ইসমাইল আরমান
জন্ম ১৯৭৬ সালে, ফেনীতে। পড়াশোনা কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজে। লেখালেখি তাঁর ধ্যানজ্ঞান ও নেশা। ছেলেবেলা থেকেই জড়িত লেখালেখির সঙ্গে। প্রথম বইটি যখন সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশ পায়, তখন তিনি দশম শ্রেণির ছাত্র। এর পর থেকে লিখে চলেছেন নিয়মিত। ছোটদের জন্য লিখেছেন অয়ন-জিমি সিরিজের গল্প-উপন্যাস, করেছেন অনেক অনুবাদ। ছায়ালেখক হিসেবে লিখেছেন দেশের একটি জনপ্রিয় সিরিজের বেশ কিছু বই।
প্রথম আলো, কিশোর আলো, রহস্য পত্রিকা, কিশোর পত্রিকা, কালের কণ্ঠ সহ দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রচুর লেখা ছাপা হয়েছে তাঁর। পেশায় সরকারি চাকরিজীবী।

প্রথমা প্রকাশনের বইয়ের তালিকা
26/07/2026

প্রথমা প্রকাশনের বইয়ের তালিকা

 Crafting the crescendo: The legacy of Ferdausi RahmanThrough 'Loke Bole Prem Ami Boli Jwala,' the singer reflects on he...
26/07/2026



Crafting the crescendo: The legacy of Ferdausi Rahman

Through 'Loke Bole Prem Ami Boli Jwala,' the singer reflects on her long musical career and preserves memories of her childhood, her yearning to see the Kanchenjunga, her growing up, happy days with parents and brothers, Old Dhaka, its disappearing traditions, food culture and way of life.

Syeda Nazneen Ferdousi

The living legend Ferdausi Rahman launched her highly anticipated autobiography Loke Bole Prem Ami Boli Jwala on 7 July at the Bengal Shilpalaya Gallery in Dhanmondi, Dhaka. The event was organised by the publisher Prothoma Prokashan. The gloomy, rain-washed evening outside stood in beautiful contra...

ফেরদৌসী রহমানের নতুন বইলোকে বলে প্রেম আমি বলি জ্বালা২৫৬ পৃষ্ঠা, মূল্য: ৬০০ টাকাফেরদৌসী রহমানের কাছে সংগীত মানে জীবন। ...
12/07/2026

ফেরদৌসী রহমানের নতুন বই
লোকে বলে প্রেম
আমি বলি জ্বালা
২৫৬ পৃষ্ঠা, মূল্য: ৬০০ টাকা
ফেরদৌসী রহমানের কাছে সংগীত মানে জীবন। শিল্পী বাবার সুবাদে শিশুকাল থেকে সংগীতের মধ্যেই তাঁর বেড়ে ওঠা। গান গেয়ে, গান শুনে এবং সংগীতকে ভালোবেসে পেরিয়ে গেছে জীবনের ৮০টি বসন্ত। আজও প্রথম দিনের মতো একই রকম ভালোবাসেন তিনি সংগীতকে। ছোটবেলায় তাঁর স্কুলে যাওয়ার পথে পড়ত একটা বিরাট পানিয়াল ফলের গাছ। ফল খাওয়ার সময় ছড়া কাটত মেয়েটি: ‘আম পাকে জাম পাকে, হাতেতে পানিয়াল পাকে।’ হাত দিয়ে টিপে টিপেই পানিয়াল ফল পাকাত সে। তাতেই টক ফল হয়ে যেত মিষ্টি। জীবনের এই প্রান্তে এসে মেয়েটি উপলব্ধি করে, জীবনটাও সে রকম—‘পানিয়াল ফল’-এর মতো।
বাবাকেই তিনি গুরু মানেন। তিনিই তাঁর ওস্তাদ, পথপ্রদর্শক। আব্বাসউদ্দীন চেয়েছিলেন মেয়ে তাঁর আর সবার চেয়ে আলাদা হবে। তার নিজস্ব পরিচয় দাঁড়াবে, সে স্বাবলম্বী হবে। বাংলা সংগীতকে সে তুলে ধরবে বিশ্ব দরবারে। ফেরদৌসীর কাছে সংগীতই প্রেম; তাঁর জীবনে অমূল্য সম্পদ। আবার এই গান তাঁর জ্বালাও। সংগীতকে ভালোবেসে তিনি কষ্ট পেয়েছেন। সেই কষ্টও তাঁকে অপার আনন্দ দিয়েছে। তাঁর সেই আনন্দময় জীবনের অভিজ্ঞতা বিধৃত হয়েছে এই স্মৃতি-কাহিনিতে।

লেখক পরিচিতি
ফেরদৌসী রহমান
জন্ম ২৮ জুন ১৯৪১, কোচবিহারে। সমাজবিজ্ঞান নিয়ে পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাবা আব্বাসউদ্দীন আহ্মদের উৎসাহে শিশুকালেই সংগীতে হাতেখড়ি। ইউনেসকোর বৃত্তি নিয়ে লন্ডনের ট্রিনিটি কলেজ অব মিউজিকে স্টাফ নোটেশন কোর্স করেছেন। এইচএমভি থেকে প্রথম গানের ডিস্ক বেরোয় ১৯৫৭ সালে। গেয়েছেন খেয়াল, ঠুমরি, দাদরা, গজল, নজরুলসংগীত, আধুনিক, পল্লিগীতি, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়াসহ নানা ধরনের গান। রবিন ঘোষের সঙ্গে যুগ্মভাবে রাজধানীর বুকে চলচ্চিত্রে ছাড়াও এককভাবে সংগীত পরিচালনা করেছেন একাধিক ছবিতে। শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ছাড়াও পেয়েছেন একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কার। পাকিস্তান আমলে প্রেসিডেন্ট’স প্রাইড অব পারফরম্যান্স পদক এবং ২০০৮ সালে মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননাসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। গান করেছেন উদুর্, হিন্দি, ফারসি, জাপানি, চীনা, ইংরেজি, রুশ, আরবি, যুগোস্লাভ ও আফগান ভাষায়। বিটিভিতে বহু বছর ধরে তাঁর পরিচালিত ‘এসো গান শিখি’ ছিল ছোটদের প্রিয়
একটি অনুষ্ঠান।

07/07/2026

ধানমন্ডির বেঙ্গল বই-এ চলছে শিল্পী ফেরদৌসী রহমানের আত্মজীবনী “লোকে বলে প্রেম আমি বলি জ্বালা” বইয়ের প্রকাশনা উৎসব।

বেঙ্গল বইতে চলছে শিল্পী ফেরদৌসী রহমানের বই “লোকে বলে প্রেম আমি বলি জ্বালা” বইয়ের প্রকাশনা উৎসব।
07/07/2026

বেঙ্গল বইতে চলছে শিল্পী ফেরদৌসী রহমানের বই “লোকে বলে প্রেম আমি বলি জ্বালা” বইয়ের প্রকাশনা উৎসব।

‘লোকে বলে প্রেম, আমি বলি জ্বালা’—একজীবনের দীর্ঘ সুর-মেরিনা ইয়াসমিন, ঢাকাবাংলাদেশের বইয়ের জগতে সোমবার একটা চমৎকার ঘটনা ঘট...
30/06/2026

‘লোকে বলে প্রেম, আমি বলি জ্বালা’—একজীবনের দীর্ঘ সুর
-মেরিনা ইয়াসমিন, ঢাকা

বাংলাদেশের বইয়ের জগতে সোমবার একটা চমৎকার ঘটনা ঘটেছে। প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে দেশের প্রথিতযশা সংগীতশিল্পী ফেরদৌসী রহমানের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘লোকে বলে প্রেম, আমি বলি জ্বালা’।

গতকাল ২৮ জুন ছিল ফেরদৌসী রহমানের ৮৫তম জন্মদিন। আর ঠিক এদিনই তাঁর হাতে বইটি তুলে দিতে প্রথমা প্রকাশনের পক্ষ থেকে আমরা গিয়ে হাজির হই শিল্পীর বাসভবনে। আমার সঙ্গী প্রথম আলোর হেড অব কালচারাল প্রোগ্রাম কবির বকুল ও প্রথম আলো ট্রাস্টের সমন্বয়ক মাহবুবা সুলতানা।

আগে থেকে জানিয়ে রাখায় আমাদের অপেক্ষা করতে হয়নি। ঘরে গিয়ে বসার সঙ্গে সঙ্গেই শিল্পী এলেন। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর হাতে বইটি তুলে দিলাম। তিনি বইটি দেখলেন। পাতা ওলটালেন। জানতে চাইলাম, ‘কেমন লাগছে?’ উল্টো তিনি আমাদের কাছে জানতে চাইলেন, ‘তোমাদের কেমন লাগছে?’

ফেরদৌসী রহমানের জন্মদিন বাড়িতে সেভাবে উদ্‌যাপন করা হতো না। তাঁর বড় ভাই (সাবেক প্রধান বিচারপতি) মোস্তফা কামালের (১৯৩৩-২০১৫) জন্মদিনে হইচই হতো, গান-কবিতা হতো, খাওয়াদাওয়া হতো। বাবা তাঁর মেয়ের জন্মদিন প্রথম উদ্‌যাপন করেন সেদিন, যেদিন তিনি ম্যাট্রিকে স্ট্যান্ড করলেন। সারা দেশে মেয়েদের মধ্যে প্রথম। সম্মিলিত মেধাতালিকায় সপ্তম।

কেক কাটা, বেলুন-ফেস্টুন ওড়ানো—সেসবের কিছুই হয়নি সে সময়। সবাই মিলে আনন্দ করেছিলেন। হয়েছিল গানবাজনা, গল্পসল্প। ফেরদৌসী রহমানের অনেক বন্ধু গান করেছিলেন। অনুষ্ঠান চলেছিল অনেক রাত পর্যন্ত।

বাবা বেঁচে থাকতে সেই একবারই ঘটা করে ফেরদৌসী রহমানের জন্মদিন উদ্‌যাপন করা হয়েছিল। পরে তাঁকে বাবা বলেছিলেন, ‘এবার তোমার জন্মদিন উদ্‌যাপন হলো, এরপর তুমি এমন কাজ কোরো, যেন দেশের মানুষ তোমার জন্মদিন পালন করে।’

বিয়ের পর প্রতিবছর জন্মদিনে ফেরদৌসী রহমানকে উপহার দিতেন তাঁর স্বামী। এখনো তাঁর জন্মদিন ঘরোয়া আয়োজনের মধ্য দিয়েই উদ্‌যাপিত হয়।

বাবা বাংলা গানের কিংবদন্তি আব্বাসউদ্দীন আহমদ (১৯০১-১৯৫৯)। বাবাকেই তিনি তাঁর জীবনের গুরু মানেন। তিনিই তাঁর ওস্তাদ, স্বপ্নদ্রষ্টা ও পথপ্রদর্শক। আব্বাসউদ্দীন চেয়েছিলেন, মেয়ে আর সবার চেয়ে আলাদা হবে। তাঁর নিজস্ব পরিচয় হবে। সে স্বাবলম্বী হবে। বাংলা সংগীতকে তুলে ধরবে বিশ্বদরবারে।

বাবা ছিলেন ফেরদৌসী রহমানের সবচেয়ে ভালো বন্ধু। সব কথা অকপটে বাবার সঙ্গে ভাগ করে নিতেন তিনি। আত্মজীবনীতে বারবার উঠে এসেছে তাঁর বাবার কথা। বাবা নেই, কিন্তু তিনি ফেরদৌসী রহমানের জীবনকে এমনভাবে গড়ে দিয়েছেন যে এখনো তাঁর কাছ থেকেই অনুপ্রেরণা পান। তাঁর কাছ থেকেই সাহস আর শক্তি সঞ্চয় করেন।

মা লুৎফুন্নেসা (১৯১৮-২০০৩) ছিলেন নানা গুণে গুণান্বিত। সমাজের নানা বিষয়, মেয়েদের এগিয়ে নেওয়া নিয়ে তিনি কবি সুফিয়া কামালের সঙ্গে কাজ করেছেন। মায়ের প্রভাবই ফেরদৌসী রহমানের মনকে নাড়া দিয়েছিল মেয়েদের স্বাধীনতা বা পরাধীনতা, স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা কিংবা লেখাপড়া শিখে তা কাজে লাগানোর ব্যাপারে।

ফেরদৌসী রহমান বাংলাদেশের সংস্কৃতিজগতের একজন পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তিনি গান গেয়েছেন। চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনা করেছেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনের শুরু থেকে ‘এসো গান শিখি’ নামের অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিনি দেশের কয়েক প্রজন্মের মানুষকে সংগীতে হাতেখড়ি দিয়েছেন। বহু শিল্পীর প্রথম গুরু তিনি। দেশের বেশ কয়েক প্রজন্মের কাছে তাঁর পরিচিতি ‘এসো গান শিখি’র ‘খালামণি’।

আমরা উঠতে যাব, এমন সময় এসে হাজির চ্যানেল আইয়ের ক্যামেরা। সঙ্গে চ্যানেলটির সহমহাব্যবস্থাপক অনন্যা রুমা এবং অভিনেতা তানভির হোসেন প্রবাল। সবার অনুরোধে সহকর্মী মাহবুবা শিল্পীকে গেয়ে শোনালেন ‘যার ছায়া পড়েছে, মনেরও আয়নাতে’। সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের লেখা গানটি ফেরদৌসী রহমানেরই গাওয়া।

তারপর অনেকটা সময় পেরিয়ে গেল। সবাই মিলে নানা স্মৃতিচারণা, কেক কাটা আর ছবি তোলা হলো। ফেরদৌসী রহমানের জন্য একটা উপহার নিয়ে গিয়েছিলাম আমরা। তিনি খুব পছন্দ করলেন। জানালেন, তিনি মনে মনে এমনই একটা ছাইরঙা জামদানি শাড়ি খুঁজছিলেন।

সুন্দর একটা ফুশিয়া পাড়ের অফ-হোয়াইট রঙের শাড়ি পরে ছিলেন ফেরদৌসী রহমান। জন্মদিনের উপহার কি না—জিজ্ঞেস করি। বললেন, এটা জন্মদিনের উপহারই বটে, তবে কয়েক বছর আগের। জানালেন, শাড়িটা উপহার দিয়েছিলেন তাঁর স্বামী রেজাউর রহমান (১৯৩৮-২০২৪), তাঁর ভাষায় ‘আমার বুড়া’। তিন বছর আগে হঠাৎ এক দিনের নোটিশে তাঁকে ছেড়ে গেছেন তাঁর ‘বুড়া’। বললেন, এই বয়সে এসে নিজেকে একদম একা দেখতে পাচ্ছেন তিনি। দুই ছেলে পরিবার নিয়ে বিদেশে। মা–বাবা, ভাই-ভাবি, স্বামী—সবাই একে একে চলে গেছেন জীবনের অন্য পারে। তিনি একা একটা অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন সহকারী নাজমাকে নিয়ে।

৮০ বছর পার করার পর প্রতিটি দিন ফেরদৌসী রহমানের কাছে ‘বোনাস’ মনে হয়। বললেন, একটা ঝলমলে রঙিন জীবন কাটিয়েছেন তিনি। আর তাই এখনকার এই একাকী জীবন নিয়ে তাঁর কোনো অভিযোগ নেই। এই একাকী জীবন নিয়ে তাঁর ভাবনা হলো, সৃষ্টিকর্তা তাঁর পরীক্ষা নিচ্ছেন। আমার সহকর্মী তাঁকে বললেন, জীবনের অন্য সব পরীক্ষার মতো এই পরীক্ষাতেও তিনি ‘ফ্লাইং কালার্স’ নিয়ে পাস করে যাবেন।

আত্মজীবনী ‘লোকে বলে প্রেম, আমি বলি জ্বালা’ গ্রন্থে ফেরদৌসী রহমান বলেছেন, তাঁর কাছে সংগীত মানে জীবন। তিনি মনে করেন, মানুষের জীবনজুড়ে বিরাজ করে সুর ও সংগীত। গান গেয়ে, গান শুনে, সংগীতকে ভালোবেসে জীবনের এতটা পথ পেরিয়ে গেছে তাঁর। তাই আজও তিনি প্রথম দিনের মতোই ভালোবাসেন সংগীতকে।

ফেরদৌসী রহমান বলেছেন, তাঁর কাছে ‘প্রেম’ মানে শুধু নারী-পুরুষের সম্পর্ক নয়। তাঁর কাছে ‘প্রেম’ হলো তাঁর সংগীত, তাঁর গান। সংগীতই তাঁর পুরো জীবন, তাঁর পুরো সত্তা আর আত্মাকে আলিঙ্গন করে রেখেছে। ‘স্যাটিসফেকশন’ বা ‘পরিতৃপ্তি’—একজন শিল্পীর জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এই তৃপ্তি কিংবা অতৃপ্তিই তাঁর সংগীতজীবন পরিচালনা করে। তিনি বলেছেন, একজন শিল্পীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তাঁর সাধনা চালিয়ে যাওয়া। তাই সংগীতকে তিনি বলছেন তাঁর ‘জ্বালাও’। তাঁর এই জীবন আর সংগীত—সবকিছুই তিনি তুলে ধরেছেন তাঁর আত্মজীবনীতে।

বইটি নিয়ে প্রথমা প্রকাশন আগামী ৭ জুলাই একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে রাজধানীর ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে।

বইটি পাওয়া যাচ্ছে প্রথমার সকল বিক্রয়কেন্দ্রে

22/06/2026

Address

19, Karwanbazar
Dhaka
1215

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prothoma Prokashan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Prothoma Prokashan:

Shortcuts

Share

Category