19/04/2026
তার নাম আয়েশা। বয়স ২৪। গাজীপুরের একটা গ্রামের মেয়ে। দেখতে খুব সুন্দরী, নরম স্বভাবের। বিয়ে হয়েছে দেড় বছর আগে। স্বামী রাসেল সৌদি আরবে প্রবাসী। আয়েশা শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। শাশুড়ি, দেবর আর ছোট ননদের সাথে।
রাসেল প্রথম প্রথম ভালো ছিল। মাসে মাসে টাকা পাঠাত, ভিডিও কলে কথা বলত। কিন্তু গত এক বছর ধরে সব বদলে গেছে। রাসেলের ফোন কমে গেছে। টাকাও অনিয়মিত আসে। আয়েশা একা একা থাকেন। শাশুড়ি প্রায়ই বলেন, “তোর স্বামী তো বিদেশে, তুই ঘরে বসে থাকিস কেন? একটু বাইরে যা, মন ভালো কর।”
একদিন শাশুড়ির ছোট ভাই (দেবরের মামা) বাসায় আসেন। নাম জহির। বয়স ৩৫। তিনি আয়েশাকে দেখে বলেন, “বউমা, তোমার মুখটা খুব শুকনো লাগছে। চলো, আমি তোমাকে একটু ঘুরিয়ে আনি।”
আয়েশা প্রথমে রাজি হননি। কিন্তু শাশুড়ি জোর করেন। “যা, একটু ঘুরে আয়। মন ভালো হয়ে যাবে।”
জহির আয়েশাকে নিয়ে তার মোটরসাইকেলে করে একটা নির্জন জায়গায় নিয়ে যান। সেখানে একটা পরিত্যক্ত ঘর ছিল। জহির হঠাৎ আয়েশার হাত ধরে টেনে ভিতরে নিয়ে যান। আয়েশা ভয় পেয়ে চিৎকার করতে গেলে জহির তার মুখে জোর করে কাপড় গুঁজে দেন।
তারপর যা হয়… আয়েশা শুধু কাঁদতে পারেন। চিৎকার করতে পারেন না। জহির তার ইচ্ছে মতো আয়েশার সাথে অনৈতিক কাজ করেন। আয়েশা শুধু চোখ দিয়ে পানি ফেলতে থাকেন।
ঘটনার পর জহির আয়েশাকে হুমকি দেন, “কাউকে বললে তোর স্বামীকে বলে দিব যে তুই নিজে আমার সাথে গিয়েছিলি।”
আয়েশা বাসায় ফিরে এসে চুপ করে থাকেন। কিন্তু তার শরীর ও মন দুটোই ভেঙে পড়ে। তিনি রাতে ঘুমাতে পারেন না। প্রতিবার চোখ বন্ধ করলেই সেই কাপড় গোঁজা মুখের অনুভূতি ফিরে আসে।
কয়েকদিন পর আয়েশা আর সহ্য করতে পারেন না। তিনি তার এক বিশ্বস্ত বান্ধবীকে সব খুলে বলেন। বান্ধবী তাকে থানায় যেতে বলেন।
কিন্তু আয়েশা ভয় পান। বলেন, “যদি আমার স্বামী জানতে পারে? যদি শাশুড়ি আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়?”
(পার্ট ১ শেষ)
এই পর্যন্ত পড়ে যদি তোমার বুকটা ভারী হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে আয়েশার শেষ সিদ্ধান্ত, তার স্বামীর প্রতিক্রিয়া এবং এই ঘটনা থেকে আমরা কী গভীর শিক্ষা নিতে পারি — সেটা জানতে পার্ট ২ অবশ্যই পড়ো।
কমেন্ট বক্সে লিংক দিয়ে দিয়েছি। ওয়েবসাইটে গিয়ে পার্ট ২ পড়ো। শেষটা এত গভীর আর হার্ট-টাচিং যে তোমার চোখে পানি চলে আসবে এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য অনেক কিছু শিখতে পারবে।