24/01/2026
হরিণ বাঁচাও, দ্বীপ বাঁচাও
ছোট গল্প______________________
মেঘনা কেন ছুটলো নিঝুম বনে
-তানভীর ইরাক
পর্ব-০১
এক পিপাসার্ত হরিণের বাচ্চা (রিমুন) নিঝুম বনে পিপাসায় দিকবিদিক ছুটোছুটি করছিল। কোথাও পানি পানি পাচ্ছিল না। পিপাসায় বাচ্চাটি (রিমুন) প্রচন্ড চিৎকার করছিল। কিন্তু নিঝুম বনে কে শুনে তার এ আত্মচিৎকার। আর শুনলেও বা কি, এতো বনের হরিণ। তার মা-বাবা আছে মা-বাবা দেখবে। মা-বাবা কোন দিকে গেছে তাই হয়ত এমন চিৎকার করছে। মা-বাবাকে পেলে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু তারা জানেনা এই হরিণ বাচ্চাটির (রিমুন) মা-বাবা যে বিশেষ চাহিদার। তাই, শোনেও কেউ এগিয়ে আসেনি! কিন্তু হরিণ বাচ্চাটিতো (রিমুন) পানির পিপাসায় চিৎকার করে যাচ্ছে, গগণ বিদারী চিৎকার। চিৎকার করতে করতে এক পর্যায় হরিণ বাচ্চাটি (রিমুন) ক্লান্ত প্রায়। বাচ্চাটি এখন আর উচ্চস্বরে চিৎকার করতে পারছেনা। কিন্তু তৃষ্ণার্ত বাচ্চাটি (রিমুন) ঠিকই চিৎকার করে যাচ্ছে। যা ইহজগতের কেহ তার এ চিৎকার শুনতে পায়না। কিন্তু এই জগৎ সৃষ্টির স্রষ্টা তিনিতো ঠিকই শুনতে পায়। তার সেই নিরব আত্ম চিৎকারে স্রষ্টা সইতে না পেরে মেঘনাকে (ইর্কুন) নির্দেশ দিল, অতিদ্রুত হরিণ বাচ্চার (রিমুন) তৃষ্ণা মিটিয়ে তাকে প্রাণে বাঁচাতে। মেঘনা (ইর্কুন) স্রষ্টার নির্দেশ পেয়ে হরিণ বাচ্চার (রিমুন) তৃষ্ণা মেটাতে বুক ফুলিয়ে উঠলো। কিন্তু নিঝুম বনের মাঝে এতদূর হরিণ বাচ্চার (রিমুন) অবস্থানে পানি পৌঁচ্ছিলনা। কিন্তু মেঘনাকে (ইর্কুন) যে কোন ভাবে হউক এই হরিণ বাচ্চার প্রাণ বাঁচাতে হবে। তাই, মেঘনা (ইর্কুন) তার সীমানা প্রাচীর (ইর্কুন) ভেঙ্গে ছুটলো নিঝুম বনে তৃষ্ণার্ত হরিণ বাচ্চার (রিমুন) দিকে.......
০৯ জুলাই, ২০২১ খ্রি.