Ashraful Aishy

Ashraful Aishy আসসালামু আলাইকুম ❤️

22/09/2026

ইন শা আল্লাহ আপনার ডাক ও একদিন আসবে ❤️

21/09/2026

আমার জীবনে এমন কিছু স্মৃতি তৈরি হয়েছে, যেগুলো হয়তো সারাজীবন মনে রাখলেও বিশ্বাস হবে না—আমি সত্যিই এতটুকু বয়সে এগুলো অনুভব করতে পেরেছি! 🥹🤍

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া।
এই ভিডিওটা সেই মুহূর্তের, যখন আমি হজরে আসওয়াদে চুমু দিতে পেরেছিলাম। সত্যি বলতে, সেই অনুভূতিটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো শব্দ আমার জানা নেই।

আপনারা যারা উমরাহ বা হজ করেছেন, তারা জানেন—হজরে আসওয়াদের কাছে কতটা ভিড় আর কী পরিমাণ চাপ থাকে। প্রথম দিন আমি হজরে আসওয়াদ স্পর্শ করতে পেরেছিলাম, কিন্তু এত বেশি চাপ ছিল যে চুমু দেওয়ার সুযোগ পাইনি।

পরের দিন আমি আল্লাহর কাছে কতবার যে চেয়েছি, কত কান্না করেছি—শুধু একটা ইচ্ছা ছিল, “হে আল্লাহ, আমাকে একবার হজরে আসওয়াদে চুমু দেওয়ার তাওফিক দিন।”

আর আল্লাহ… আমার সেই ছোট্ট ইচ্ছাটাও পূরণ করে দিলেন। 😭🤲🏻

এত মানুষের ভিড়ের মধ্যে এমন চাপ পড়েছিল যে মনে হচ্ছিল, আমি হয়তো আর বের হতে পারব না। আমার ফোন যে পার্সের মধ্যে ছিল, সেই পার্স পর্যন্ত ছিঁড়ে গিয়েছিল। হিজাব খুলে গিয়েছিল, দম বন্ধ হয়ে আসছিল। মনে হচ্ছিল, এই বুঝি আর পারলাম না…

কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহ আমাকে দিয়ে দিলেন সেই মুহূর্তটা।
আমি হজরে আসওয়াদে চুমু দিতে পেরেছিলাম। 🤍🕋

চুমু দেওয়ার পরও অনেকক্ষণ আমি নিচে বসে ছিলাম। আমার হাত-পা কাঁপছিল। শরীরের সেই কাঁপুনি থামছিল না। মনে হচ্ছিল, আমি কীভাবে এই মুহূর্তটা পেলাম!

আর তখন শুধু একটা কথাই মনে হচ্ছিল—

“আমি এত পাপী, এত দুর্বল একজন বান্দী… তবুও আমার রব আমাকে কতটা ভালোবাসেন!” 😭🤍

আমি চেয়েছি, আর তিনি দিয়েছেন।
আমি কেঁদেছি, আর তিনি আমার কান্না শুনেছেন।
আমি অসম্ভব ভেবেছি, আর তিনি সেটাকেই আমার জন্য সম্ভব করে দিয়েছেন।

আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন।
হে আল্লাহ, আমার জীবনের এই স্মৃতিটাকে কবুল করে নিন এবং বারবার আপনার ঘরে ফিরে আসার তাওফিক দিন। 🤲🏻🕋❤️

20/09/2026

আপনারা যারা বিষয়টা সঠিকভাবে জানেন, অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। ❤️

আমি ২০ দিন ধরে সৌদি আরবে আছি। আলহামদুলিল্লাহ, ৮ তারিখের মধ্যেই আমার ওমরা সম্পন্ন হয়ে গেছে। এরপরও আমি আরও কিছুদিন থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি—কারণ ওমরার পাশাপাশি সৌদি আরবের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার ইচ্ছা ছিল। আমার নিজেরও ইচ্ছা ছিল মদিনায় দীর্ঘ সময় থাকব, আর এটা আমার স্বামীরও ইচ্ছা ছিল।

অনেক মানুষকে দেখেছি ৩–৪ দিনের মধ্যেই ওমরা করে দেশে ফিরে যেতে। আবার অনেকে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী অনেকদিন থেকেছেন। প্রত্যেকের পরিস্থিতি, সামর্থ্য ও ইচ্ছা আলাদা—এটাই স্বাভাবিক।

আলহামদুলিল্লাহ, ওমরা করার পর আমি অনেক জায়গা ঘুরেছি, অনেক কিছু দেখেছি এবং অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছি। ইনশাআল্লাহ, কোথায় কোথায় গিয়েছি, সেগুলোও আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব।

ইসলাম আনন্দ করতে, পরিবার নিয়ে সময় কাটাতে বা আল্লাহর সৃষ্টি দেখতে নিষেধ করেনি। বরং পৃথিবীতে ভ্রমণ করে আল্লাহর নিদর্শন ও সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা করার কথাও কুরআনে এসেছে। তাই কেউ ওমরা করতে এসে কয়েকদিন থেকে ইবাদতের পাশাপাশি ঘুরে দেখলে সেটাকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করার আগে বিষয়টা জানা উচিত।

সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেয়েছি কিছু মানুষের মন্তব্যে। কারণ আপনারা সম্পূর্ণ বিষয় না জেনেই একজন মানুষকে নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বলে ফেলছেন। এটা সত্যিই কষ্টদায়ক।

ওমরা একদিনেও সম্পন্ন করা সম্ভব। কেউ চাইলে ওমরা করে অল্প সময়ের মধ্যেই দেশে ফিরে যেতে পারেন, আবার কেউ চাইলে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী আরও কিছুদিন থাকতে পারেন। আর মদিনায় এসে মসজিদে নববীতে সালাত আদায় করা, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি সালাম পেশ করা—এগুলো অত্যন্ত সম্মানের ও ভালোবাসার বিষয়। তবে প্রত্যেকের সফরের সময়সূচি ও আমল একরকম হবে—এমন কোনো কথা নেই।

আর একটা কথা—মক্কা-মদিনায় আসা আমার জন্য আল্লাহর অনেক বড় রহমত ও নেয়ামত। আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহর ইচ্ছা ও তাওফিক ছাড়া কোনো মানুষই এই পবিত্র সফর করতে পারে না। তাই এই সফর নিয়ে আমাকে বা অন্য কাউকে বিচার করার আগে দয়া করে একটু জানুন, বুঝুন, তারপর কথা বলুন।

আপনারা আমাকে নিয়ে কী ভাবলেন, সেটা আপনাদের ব্যাপার। কিন্তু না জেনে, না বুঝে কারও ইবাদত, নিয়ত বা আল্লাহর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়।

আমি কারও সঙ্গে তর্ক করতে চাই না। শুধু অনুরোধ করব—কোনো মানুষের ব্যাপারে মন্তব্য করার আগে পুরো বিষয়টা জানার চেষ্টা করুন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক জ্ঞান দিন, ভুলত্রুটি ক্ষমা করুন এবং হেদায়েত দান করুন। আমিন। 🤍

18/09/2026
আলহামদুলিল্লাহ। 🤍এই মুহূর্তে আমি Al-Masjid an-Nabawi-তে আছি, নবীজি ﷺ-এর রওজা মোবারকের খুব কাছাকাছি।ছবিতে খেয়াল করলে হয়...
17/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ। 🤍
এই মুহূর্তে আমি Al-Masjid an-Nabawi-তে আছি, নবীজি ﷺ-এর রওজা মোবারকের খুব কাছাকাছি।

ছবিতে খেয়াল করলে হয়তো আপনারা দেখতে পাবেন—মসজিদের ভেতর একটি মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মুহূর্তটা দেখে বারবার একটা কথাই মনে হচ্ছিল—এই মানুষটির জন্য কত সুন্দর একটি শেষ ঠিকানা নির্ধারিত হয়েছে!

এখানে থাকার প্রতিটি দিন, প্রায় প্রতিটি নামাজের পরই আমরা জানাজার নামাজ পড়তে দেখছি। কত সৌভাগ্যের বিষয়—কারও শেষ বিদায় হচ্ছে এই পবিত্র মসজিদে, আর এরপর তাকে দাফন করা হচ্ছে জান্নাতুল বাকি‘তে।

আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন, কার জন্য কোন পরিণতি উত্তম। তবে এমন একটি পবিত্র স্থানে জীবনের শেষ সময় এসে পৌঁছানো এবং এত মানুষের দোয়া ও জানাজার শরিক হওয়া—দেখলে সত্যিই মনটা কেমন যেন হয়ে যায়।

আল্লাহ আমাদের সবার ঈমানের সঙ্গে সুন্দর মৃত্যু দান করুন, শেষ নিঃশ্বাস যেন তাঁর সন্তুষ্টির অবস্থায় হয় এবং আমাদের কবরকে নূরে ভরে দিন।
আমিন। 🤲🏻🤍

16/09/2026

বলেন তো 😂🙂

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ashraful Aishy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ashraful Aishy:

Shortcuts

Share

Category