Art’s of Sumaiya

Art’s of Sumaiya I am a Bangladeshi Influencer,Fashion Blogger & Certified Makeup Artist
DM for collaboration,PR & Promotion

আমার সাম্প্রতিক পোস্টে কিছু মানুষ কমেন্ট করছেন বা রিয়্যাক্ট দিচ্ছেন, অথচ অনেকেই পুরো পোস্টটা না পড়েই শুধুমাত্র “haha” বা...
02/05/2026

আমার সাম্প্রতিক পোস্টে কিছু মানুষ কমেন্ট করছেন বা রিয়্যাক্ট দিচ্ছেন, অথচ অনেকেই পুরো পোস্টটা না পড়েই শুধুমাত্র “haha” বা উল্টাপাল্টা রিয়্যাক্ট দিয়ে যাচ্ছেন। এটা খুবই দুঃখজনক।
আরেকটা বিষয় পরিষ্কার করে বলতে চাই আমার অভিযোগ কোনো একজন ডাক্তারকে নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ ছিল না। আমার মূল concern ছিল এবং এখনো আছে hospital management, hospital cleannesses,doctor-patient communication, চিকিৎসার ধরন এবং আমার সন্তানের current condition সম্পর্কে যথাযথ তথ্য না দেওয়া।
একজন মা হিসেবে আমি বারবার আমার সন্তানের অবস্থা জানতে চেয়েছি এটা কোনো অতিরিক্ত চাওয়া না, এটা basic right। কিন্তু সেই communication gap এবং কিছু আচরণগত অভিজ্ঞতা আমাকে কষ্ট দিয়েছে সেটাই আমি শেয়ার করেছি।
ডাক্তারদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে এবং থাকবে। কিন্তু শ্রদ্ধা মানে প্রশ্ন করা যাবে না, বা patient party হিসেবে clarity চাওয়া যাবে না এটা ঠিক না।
যারা পুরো বিষয় না জেনে শুধু একপাক্ষিকভাবে judgement দিচ্ছেন, তাদেরকে এইটুকুই বলব চামচামি না করে আগে পুরোটা পড়ুন, তারপর মতামত দিন।
কারণ health situation কোনো “like-haha” এর বিষয় না।
fans ゚ ゚

30/04/2026

আমি আমার সন্তানের চিকিৎসা-সংক্রান্ত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছি , যা আমার জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল।
গত মার্চ মাসে আমার ছোট সন্তান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে—উচ্চ জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে নিতে হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে আমরা হাসপাতালে ভর্তি করাই এবং সেখানেই চিকিৎসা শুরু হয়।
চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে কিছু বিষয় আমাকে উদ্বিগ্ন করে তোলে। বিশেষ করে, সন্তানের অবস্থা, চিকিৎসা পদ্ধতি, টেস্ট ও রিপোর্ট সম্পর্কে আমি সবসময় পরিষ্কারভাবে অবহিত ছিলাম না। একজন অভিভাবক হিসেবে আমি বারবার বিস্তারিত জানতে চাইলেও সব সময় সেই স্বচ্ছতা পাইনি বলে আমার মনে হয়েছে।
চিকিৎসার সময় একাধিক পরীক্ষা করা হয় এবং বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে সেগুলোর উদ্দেশ্য ও ফলাফল সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা সব সময় পাওয়া যায়নি। একইসাথে, আমার সন্তানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় আমি মানসিকভাবে খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ি।
পরবর্তীতে আমি আমার সন্তানকে অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করি। সেখানে ভিন্ন চিকিৎসার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তার অবস্থার উন্নতি হয়, যা আমার জন্য স্বস্তির বিষয় ছিল।
এই পুরো অভিজ্ঞতা আমার জন্য মানসিক ও আর্থিকভাবে অত্যন্ত কঠিন ছিল। একজন মা হিসেবে আমার একমাত্র লক্ষ্য ছিল আমার সন্তানের সুস্থতা নিশ্চিত করা।
বর্তমানে আমি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেছি এবং বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আমি আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখে একটি ন্যায্য ও স্বচ্ছ সমাধান প্রত্যাশা করছি।
আমি আবারও বলছি—এটি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, যা আমার কাছে থাকা চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি ও তথ্যের ভিত্তিতে শেয়ার করা হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়েও কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে, এবং আমরা একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান প্রত্যাশা করছি।
এই সময়ে সবার কাছে অনুরোধ, আমাদের ব্যক্তিগত পরিসর ও গোপনীয়তাকে সম্মান করবেন। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, ভবিষ্যতে কোনো অভিভাবককে এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।

ধন্যবাদ। ゚ ゚

27/04/2026

নিজের এক্সপেরিয়েন্স থেকে একটা কথা বলি বাংলদেশ এত করাপ্টেড যে আপনি যদি হসপিটালে নিজের আসল ঠিকানা দেন তারমানে ভবিষৎ নিজের বিপদ নিজে ডেকে আনবেন। তাই আমার মতো হসপিটালে ভুলভাল ঠিকানা দিবেন যেন কোন সমস্যা হলে এটলিস্ট নিজে এবং নিজের পরিবারকে সেফ রাখতে পারেন।

26/04/2026

Mcw hospital (Medical college for women and hospital) এই হসপিটালে আমার মেয়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয় আমার মেয়ে সুশান্ত কুমার ঘোষ এবং মাহবুবুল আলম স্যারের আন্ডার ছিলো ১৪ দিন যেহুতু ওর সিচুয়েশন অনেক ক্রিটিকাল ছিলো তাই উনারা ২ জন দেখত উনাদের চেষ্টা আল্লাহ রহমতে আমার মেয়ে আজকে আমার বুকে হাসছে,খেলছে। আপনরা আপনাদের প্রেফারেন্স অনুযায়ী দেখাতে পারেন ২ জনেই খুব ভালো জাস্ট সুশান্ত স্যার অনলি উইকে ৩ দিন বসে আর মাহবুবুল আলম স্যার প্রতিদিন বসে ফ্রাইডে ছাড়া সকাল ১০ টা থেকে দুপর ১ টা পর্যন্ত ।
fans

26/04/2026


আপনারা কি বলেন আমি কি লাইভ আসব পাদের মনির এর সব ভুলভাল ট্রিটমেন্ট প্রুফ লাইভ দেখাবো আপনার বললে লাইভ হব ওর কুকীর্ত পোস্ট লিখে শেষ করা যাবে না

fans

26/04/2026

আমার বাচ্চার সিভিয়ার নিমোনিয়া হওয়ার পরও আমার মেয়ে কে এইভাবে খালি গায়ে ফেলে রাখত বারবার রিকোয়েস্ট করার পরও তারা পাত্তা দেয় নাই কারণ বকলম ফেক ডিগ্রী ডক্টর মনির ওর বাপের কাছ থেকে এই জ্বর কমানোর টেকনিক শিখসে monir doctor Monir

26/04/2026

যারা বলসেন প্রুফ দেখতে চান এই দেখেন আমার মেয়ের নিমুনিয়া, ১০৫ ডিগ্রি জ্বর, প্রচুর কাশি তারপরও আমার মেয়েকে এইভাবে খালি গায়ে রেখে দিত বারবার রিকোয়েস্ট করেও আমার মেয়েকে একটা গাউন পরাইতে পারিনাই বলে এইভাবে খালি গায়ে ফুল স্পিডে ফ্যানের নিচে রাখলে নাকি জ্বর কমে যাবে বাট এই কসাই বেডা আমার মেয়ের জ্বর কন্ট্রোল ই করতে পারে নাই এইরকম আরও এভিডেন্স আছে জাস্ট support me to put him down
Shobai beshi beshi kore post ta share koren
dr Monir
Monir

      পোস্টটা বড় জন্য আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কিন্তু if u are a dad or mom this post is for you আজকে একটা sensitive বিষ...
25/04/2026


পোস্টটা বড় জন্য আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কিন্তু if u are a dad or mom this post is for you
আজকে একটা sensitive বিষয় নিয়ে আমি লিখবো। গত ১৮ মার্চ আমার মেয়ে খুব অসুস্থ হয়ে যায়। ঈদের আগের সময় হওয়ায় কোথাও ডাক্তার পাচ্ছিলাম না। Universal Hospital এ ডাক্তার পাই, যেহেতু আমার বাচ্চার 104 ডিগ্রি জ্বর ছিল সাথে 10/12 বার বাথরুম করছিল। তাই Dr. Monir এর কাছে যাই।

তিনি আমার বাচ্চার কোনো history আমার কাছ থেকে শোনার প্রয়োজন মনে করেননি, ইনফ্যাক্ট আমার সাথে ৫ মিনিটও কথা বলেননি। প্রাথমিকভাবে তিনি আমার মেয়েকে কিছু টেস্ট দেন ও medicine লিখে দেন এবং বলেন আমার মেয়ের অবস্থা ভালো না, আমি যেন hospital এ admit করি। কিন্তু সেদিন আমি টেস্ট করে বাসায় চলে আসি।

পরের দিন রিপোর্ট দেখাতে গেলে তিনি বলেন আমার মেয়ের blood infection 4.45%, pneumonia ও diarrhea ধরা পড়েছে, immediately admit করতে হবে। আমি বিশ্বাস করে admit করি, যেহেতু তার অনেক প্রশংসা শুনেছিলাম।এরপর চিকিৎসা শুরু হয়। তিনি ২০ মার্চ দেশের বাহিরে চলে যান এবং আমার মেয়েকে Dr. Shirin এর under এ shift করে যায়। ওইদিন রাতে আমার মেয়ের oxygen level কমে যাচ্ছিল এবং green potty হচ্ছিল, ডক্টরকে ইনফর্ম করলে PICU তে shift করতে বলা হয়, আমি করি।এরপর PICU তে treatment শুরু হয় Dr. Shirin এর আন্ডার এবং infection কমে 1.05% এ নেমে আসে বাট গ্রীন পটি বন্ধ হয়নি। ২০ মার্চ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত আমার মেয়ের খাওয়া টোটালি অফ করে দেয় ব্রেস্ট ফিড, খাবার,পানি সব অফ করে দেয়।

আমি PICU এর নার্সদের আচরণ নিয়ে একটু বলি তাদের behaviour খুবই খারাপ ছিল। বাচ্চা কান্না করলে বিরক্ত হতো। আমার ১ বছরের বাচ্চাকে ৩ জন নার্স চেপে ধরে cannula করতো, অনেকটা অমানবিক আচরণের মতো। PICU এর ভিতরে যে জুতা পরে থাকতো, তারা সেই জুতা পরে বাইরে ঘুরে আবার ভিতরে আসতো। ভিতরে এত গরম ছিল যে ১০ মিনিট বসলে ঘেমে যাবেন।নার্সরা জোরে জোরে কথা বলতো, মনে হতো যেন কোনো picnic চলছে। বাইরে থেকে খাবার (চা, সিঙ্গারা, সমুচা) এনে খেত। PICU তে ঢোকার আগে কোনো নার্স ঠিকভাবে sanitize করতো না। হাম, পক্স, ডায়রিয়া রোগীদের PICU তে এনে অন্য বাচ্চাদের বেডে রেখে cannula করত। আমি complain করার পর কিছুটা পরিবর্তন হয়।

এরপর ২৬ তারিখে Dr. Monir আবার ফিরে আসেন। এরপর অল্প সময়ের মধ্যে PICU এর সব বাচ্চার অবস্থার অবনতি শুরু হয়। আমার মেয়ের infection 1.05% থেকে সরাসরি 28.88% হয়ে যায়। তখন আমাকে বলা হয় যেন আমি খারাপ খবরের জন্য প্রস্তুত থাকি। তারা যে এর মাঝে আমার মেয়ের এত এত টেস্ট করছিল, আমাকে একবারও জানানো প্রয়োজন মনে করেনি যে কী টেস্ট করছে, কী রিপোর্ট এসেছে। ২৮ তারিখে যখন আমার মেয়ের মুখ দেখে আমি প্রায় পাগল হয়ে গিয়েছিলাম,তারা আমার মেয়েকে টানা ২ দিন শুধু ডায়াপার পরিয়ে খালি গায়ে ফুল স্পিড ফ্যানের নিচে রেখে দেয়।আমি বারবার অনুরোধ করার পরও আমার মেয়েকে গাউন পরাতে পারিনি। নার্সরা আমাকে বলতো, “মুনির স্যার মানা করেছে, এভাবেই রাখলে জ্বর কমবে।” আমি আমার মেয়েকে কোলে নিতে চাইতাম, কিন্তু আমাকে বলা হতো “আপনি এভাবে কোলে নিলে ওর জ্বর কমবে না”—এটা কেমন যুক্তি ছিল আমি আজও বুঝি না।
২৮ তারিখে যখন আমি Universal Hospital এর ম্যানেজার আতিকুল্লাহর কাছে complain করি, তখন ডা. মুনির এমনভাবে যুক্তি দাঁড় করান যে, আমার বাচ্চা নাকি আমি ফিডার খাওয়াই বলে অসুস্থ। আমার বাচ্চার বয়স এখনো ৫ বছরও হয়নি, আর আমি তাকে নিয়ে দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াই—তাই সে অসুস্থ হইসে।

ওইদিন আমার সাথে আমার মেয়ের রিপোর্ট শেয়ার করা হয়, মানে আমাকে দেখানো হয়। তখন আমি সব রিপোর্টের ছবি তুলে রাখি। খেয়াল করে দেখি, তারা আমার মেয়ের দুইবার echo করেছে—একবার রিপোর্টে normal এসেছে, আরেকবার রিপোর্টে minimal pericardial effusion এসেছে।
আমি যখন জিজ্ঞেস করি, আমার মেয়ের হার্টের চারপাশে পানি জমেছে কেন? এর জন্য কী medicine দিচ্ছে? তখন উত্তর দেয়—“এটা কিছু না, normal ব্যাপার, এমনি ঠিক হয়ে যাবে।”

হিমোগ্লোবিন 9.06% দেখে আমি বলি, হিমোগ্লোবিন তো কমে গেছে, এর জন্য কোনো medicine দিচ্ছেন? যেহেতু বাচ্চাটা ঠিকভাবে কিছু খেতেও পারছে না। তখন উত্তর আসে—“মেয়ে বাচ্চাদের হিমোগ্লোবিন একটু কম থাকেই, এটা normal।”
Sodium, potassium, electrolytes কমে গেছে—এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে বলে—“এই রেঞ্জে সব normal।”
আমি বারবার বলি, বাচ্চার urine test করেন। কিন্তু তারা করায়নি।
Literally ২–৩ দিন পর পর আমার মেয়ের blood test করানো হচ্ছিল, কিন্তু আমাকে properly কিছুই জানানো হয়নি। এর মধ্যে তারা আমার মেয়ের infection কমিয়ে ৭% এ নিয়ে আসে মানে ২৮ মার্চ কমপ্লেন করার পর এন্টিবায়োটিক চেঞ্জ করার ৭২ ঘণ্টার পর নিউ প্রক্যাল্টনিন রিপোর্ট ৭% আসছিলো কিন্তু জ্বর বা পায়খানা কোনো কিছুই নিয়ন্ত্রণে আসছিল না।

এই সময় আমি ডা. মুনির সম্পর্কে একটা ধারণা পাই—তিনি একজন doctor হিসেবে patient এর history জানার চেষ্টা করেন না, এমনকি guardian/parents দের সাথেও ভালোভাবে কথা বলেন না। আপনি যদি তার সাথে কথা বলতে যান, সে যেন এড়িয়ে চলে যায়।
আমার doctor visit এর bill ছিল ৩০,০০০+ টাকা, কিন্তু তার সাথে যদি ৩০টা কথাও বলতো, মনটা কিছুটা শান্ত হতো। কিন্তু তিনি patient এর কোনো update guardian দের জানানোর প্রয়োজন মনে করেন না, বরং অনেক সময় rough behave করেন।
উনার লজিক বাচ্চার বাবা মা এর সাথে গল্প করা নাকি খোশ আলাপ তাই সে এইটা না করে ট্রিটমেন্ট এর দিকে ফোকাস করা প্রেফার করেন আপনার তার ফেসবুক পেজে গেলেই দেখতে পারবেন সে কেন করো সাথে কথা বলে না সেইটা নিয়ে পোস্ট করা আছে।
আমার মেয়েকে কী medicine দেওয়া হচ্ছে সেটাও স্পষ্ট করে বলা হতো না, হসপিটাল ফাইল পর্যন্ত ধরতে দিত না।
আমার মেয়ের potty কেন হচ্ছে সেটাও তারা ঠিকভাবে বের করতে পারেনি। পরে তারা potty test এর জন্য পাঠায় ICDDRB তে।
আমাকে বলা হয়েছিল ৫ এপ্রিল রিপোর্ট দিবে, কিন্তু রিপোর্ট ২ এপ্রিলই পায় এবং এই বিষয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। পরে যখন আমি হাসপাতাল থেকে আমার মেয়েকে নিয়ে আসি, তখন রিপোর্টটা হাতে পাই।
এরপর ৩ এপ্রিল আমার মেয়েকে PICU থেকে cabin এ shift করা হয় অন রিকোয়েস্ট আমি রিকোয়েস্ট করে কেবিনে আনি।৩ এপ্রিল রাতেই আবার আমার মেয়ের অবস্থা খারাপ হয়—green potty আবার শুরু হয় এবং একবার vomiting হয়। এর মধ্যে PICU থেকে আনার আগে তারা NG tube দিয়ে feeding শুরু করেছিল। কিন্তু ৩ এপ্রিল রাত ৮টার পর আবার খাবার বন্ধ করে দেয়।
৪ এপ্রিল সকালে ডাক্তার round এ আসেন। আমি যখন জিজ্ঞেস করি—হিমোগ্লোবিন কমেছে, sodium/potassium/electrolyte কমেছে, এর জন্য কোনো medicine দিচ্ছেন না কেন? বাচ্চাটা তো আরও weak হয়ে যাচ্ছে—তখন কোনো উত্তর না দিয়ে শুধু চুপচাপ রুম থেকে চলে যান।
আমার patient, আমি নিয়ে আসবো—কিন্তু একজন doctor হিসেবে তার দায়িত্ব ছিল আমার মেয়ের পুরো case summary A–Z লিখে দেওয়া। কিন্তু তিনি সেটা করেননি। শুধু ২৮ মার্চ থেকে কী কী medicine দেওয়া হয়েছে সেগুলোই লিখে দিয়েছেন।এছাড়া তিনি লিখেছেন যে আমার মেয়ে pneumonia, septicaemia, diarrhea নিয়ে ভর্তি হয়েছিল—এগুলোর সাথে মিথ্যা তথ্য যোগ করেছেন যে ভর্তি হওয়ার সময়ই নাকি আমার মেয়ের pericardial effusion ও measles ছিল, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার মেয়ের measles হয়েছিল PICU তে থাকার সময়।
আমি যখন nurse কে জিজ্ঞেস করি case summary কোথায়, তখন সে আমাকে বলে—“আপনারা তো sir এর ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাচ্ছেন, তাই sir এটা দেবেন না।”
আমি আর কথা বাড়াইনি, কারণ তখন আমার একটাই চিন্তা ছিল—আমার মেয়েকে সুস্থ করে নিয়ে আসা। ১৫ দিন তাদের hospital এ থেকে লাখ লাখ টাকা বিল দিয়ে আমি কোনো উন্নতি না দেখে বরং আমার মেয়ের অবস্থার আরও অবনতি হতে দেখেছি।
শুধু medicine bill-ই ছিল ৫০,০০০+ টাকা—এটাই ছিল তাদের দেওয়া ওষুধের নমুনা।
আমার তখন শুধু একটা ভয় কাজ করছিল—এরা আমার মেয়েকে শেষ করে দেবে। তখন আমি সিদ্ধান্ত নেই, এখানে আর রাখলে আমি আমার বাচ্চাকে জীবিত বাসায় নিতে পারবো না।
তাই আমি discharge নিয়ে মেয়েকে নিয়ে বের হয়ে আসি।
এরপর যে hospital এ নিয়ে যাই, সেখানে ১৪ দিন treatment নেওয়ার পর আমার মেয়ে পুরোপুরি normal হয়ে যায়। But she is still mentally traumatised Dr Monir এর ওভারসমার্টনেস এর জন্য আমার মেয়ে ১ মাস হসপিটালে ভর্তি ছিলো।
ওই hospital এ যখন জানতে পারে যে আমার মেয়েকে ১২ দিন ঠিকভাবে কিছু খেতে দেওয়া হয়নি, তারা সত্যিই অবাক হয়ে যায়। তারা আমাকে বলে—২ ঘণ্টা পর পর NG tube দিয়ে feeding দিতে এবং সাথে breast feeding চালিয়ে যেতে হবে।
আমি doctor কে বলি যে আমার মেয়ে এখনও পায়খানা করছে। তখন তিনি আমাকে বলেন—“ওর পায়খানা আমি বন্ধ করে দিবো, আপনি শুধু ওকে ঠিকমতো feed করেন। বাচ্চাটা তো একেবারে কংকাল হয়ে গেছে, এখন ওর energy দরকার।”
সত্যি বলতে, সেই doctor মাত্র ১ দিনেই আমার মেয়ের পায়খানা বন্ধ করে দেয় এবং তাকে অনেকটাই normal করে ফেলে।
আজকে আমার মেয়ে স্টিল রিকভার করতেসে মেন্টালি ফিজিক্যাল মাত্র ৬ দিন আগে বাসায় আনলাম ।
সবশেষে আমি একটা কথাই বলবো—যদি আপনার কাছে অনেক black money থাকে তাহলে Universal Hospital এ বাচ্চাকে নিতে পারেন, না হলে না যাওয়াই ভালো। ওখানে লাখ লাখ টাকা বিল নেবে, কিন্তু বাচ্চা সুস্থ হবে না।
৫০ হাজার টাকার বিল হলেই ৫০টা ফোন দিবে বিল ক্লিয়ার করার জন্য, কিন্তু treatment কী হচ্ছে সেটা দেখার কোনো দরকার মনে করে না।
আপনারা যদি proof চান, আমার প্রতিটা কথার প্রমাণ দিতে পারবো। Each & every thing এর proof আমার কাছে আছে—এগুলো AI দিয়ে বানানো সম্ভব না, কারণ সব proof আমি নিজে হাতে সংগ্রহ করেছি।
Medicine এর proof চাইলে সেটাও দেখাতে পারবো—কি medicine দিয়ে ৫০ হাজার টাকার বিল করেছে দেখলেই বুঝবেন।
একজন সাধারণ মানুষ হয়ে শুধু PICU এর সামনে দাঁড়ালেই বুঝতে পারবেন কয়জন Dr. Monir কে ভালো বলছে। Google এ তার review দেখলেও একটা clear idea পাবেন।
হয়তো Dr. Monir এর অনেক বড় ক্ষমতা আছে, তাই তার কিছু যায় আসে না—কে বাঁচলো, কে মরলো।

কিন্তু সন্তান আপনার, সিদ্ধান্তও আপনার—আপনি ঠিক করবেন এই ধরনের ডাক্তারের কাছে treatment করাবেন কিনা।

আমার জন্য Monir& universal Hospital।

Address

Dhaka

Telephone

+8801997501331

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Art’s of Sumaiya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Art’s of Sumaiya:

Shortcuts

Share