Haa Haa - Hee Hee - Ho Ho

Haa Haa - Hee Hee - Ho Ho Not All Readers Are Leaders, but All Leaders Are Readers.
- Harry S. Truman

আমাদের এই পত্রিকাটি শুরু করার মূল উদ্দেশ্য হল শিক্ষার্থীদের মাঝে সাহিত্য চর্চার অভ্যাস গড়ে তোলা। আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে সামনে এগিয়ে নিতে আপনার সহযোগিতা কাম্য। ফেসবুক পেজ লাইক না করে থাকলে, এখনি করে ফেলুন।
�লেখা পাঠানোর বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আমদের পেজের প্রতিটি পোস্টের নিচের অংশ দেখুন। ধন্যবাদ।

 #গল্প_একতরফা_হিসাব_১ম_পর্ব #লেখক_অতিশয়_স্পর্শকাতর −−−−−−−−−−−−−−কয়েক দিন ধরে রাস্তায় হাটতে হাটতে থেমে যেতে হয়। বুকের ভে...
01/08/2021

#গল্প_একতরফা_হিসাব_১ম_পর্ব
#লেখক_অতিশয়_স্পর্শকাতর
−−−−−−−−−−−−−−
কয়েক দিন ধরে রাস্তায় হাটতে হাটতে থেমে যেতে হয়। বুকের ভেতর হঠাৎ ধড়ফড় শুরু হয় আর এক গভীর ব্যাথা শুরু হয়।
ব্যাথাটা বেশি সময় থাকে না। হঠাৎ বুকের ভেতর ধড়াস করে ওঠে আবার চলে যায়। ডাক্তার দেখিয়েছি অনেকবার কিন্তু কোনো রোগ ধরা পড়ে না।
এসব বলেই চায়ের কাপটা নামিয়ে জাহিদ বললো, "আমি যাই রে!"

আমি বল্লাম, "হঠাৎ চলে যাবি কেন? অনেকদিন পড় দেখা হলো আরো কিছু সময় আড্ডা দে, তারপর না হয় যা।"

- না দোস্ত, বাসায় কিছু কাজ আছে মা গত এক সপ্তাহ ধরে বলছিল সিড়িঘরের লাইট টা বদলাতে, ফিউজ হয়ে গেসে। রাতে বাবার অন্ধকারে সিড়ি দিয়ে উঠতে কষ্ট হয়ে যায়।

এই বলে, জাহিদ চায়ের দোকান থেকে বাসার দিকে বড় বড় পা ফেলে রওনা হলো।

আমার কাছে বিষয়টা অদ্ভুত লাগলো। যদিও ওর সাথে অনেক পরে দেখা, তারপরও মনে হলো কিছু একটা অবশ্যই হয়েছে ওর সাথে। এই ছেলেতো আগে এমন ছিলো না। আগে অনেক স্বতঃস্ফূর্ত ছিল, আড্ডায় বসলে সহজে উঠতো না। এখন এমন কি হলো যে সে এতো বাসায় যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উটলো।

ভাবলাম রাতে বাসায় যেয়ে ওর সাথে কল দিয়ে কথা বলতে হবে।

এখন রাত ১১ টার মতো বাজে। জাহিদকে একবার, দুইবার করে পর পর তিন বার কল দিলাম। কল ধরার কোনো লক্ষ্মণ নেই। কিছুক্ষণ পড় সে নিজেই কল ব্যাক করলো।

কল রিসিভ করতেই,

-সজীব, দোস্ত! আমার ফোন সাইলেন্ট ছিল তাই রিসিভ করতে পারি নি। ফোন দিয়েছিলি কেনো?

- আচ্ছা, তোর কি হইছে বলতো!

- কিছু হয় নি, I am just shattered!

- Are you serious! তোর কিছু হয় নাই, আর তুই বলতাছিস, "Shattered"

[অনেক বাকবিতন্ডার পরে জাহিদ এবার তার খোলসটা খুলতে শুরু করলো।]

সজীব দোস্ত জানিস এই দুনিয়ায় অনেস্টি, লয়ালটির কোনো দাম নাই।

আমি জাহিদকে থামিয়ে, " এই দাড়া কোনো মেয়ে কেইস নাকি!"

জাহিদ কিছুটা বিরক্ত হয়ে, " তুই জানতে চেয়েছিস তাই বলছি, এইসব টিটকারি করবিনা আমার সাথে।"

আমি বল্লাম, " আচ্ছা, সরি, দোস্ত ঘটনা সামনের দিকে আগা।"

মেয়েটা আমার থেকে ২ বছরের জুনিয়র, নাম অনিন্দিতা। ওর চেহারায় এক ধরনের স্নিগ্ধতা ছিল। ভার্সিটির ফিল্ম ক্লাবে কাজ করার সময় ওর সাথে পরিচয়। ওর স্কুল, কলেজ ছিল ঢাকার বাহিরে। ভার্সিটির জন্য ঢাকায় ফুফুর বাসায় থাকতো।

একবার একটা ওয়ার্কশপের ভলান্টারি দায়িত্ব পড়লো আমাদের দুই জনের ওপর। অনিন্দিতা আর আমি এক টিম। তখনই ওর সাথে একটা ভালো খাতির হয়ে যায়। মেয়েটা অনেক বেশি ঠান্ডা মাথার মানুষ ছিল। কথা অনেক হিসাব করে বলতো। ওকে একবার জিজ্ঞেস করেছিলাম যে তুমি কিছু করার আগে এত ভাবো কেনো। ও বলেছিলো যে ওর আব্বু বলেছে ঢাকায় যাচ্ছিস অনেক হিসাব-নিকাশ করে চলবি। এভাবে ভালোই চলছিল দিনকাল, ওর কোনো কাজ থাকলে ক্যাম্পাসে এসে আগে আমাকে খোঁজ করতো। আমাদের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু, সমস্যা হলো আমি ওর প্রতি কিছুটা দূর্বল হয়ে পড়েছিলাম মানসিক ভাবে। বলতে পারিস ওর মায়ায় পড়ে গিয়েছিলাম। যদিও তার সাথে আমার শুধু বন্ধুত্ব ছিলো। কিন্তু মনে মনে আমি ওকে ভালোবাসতে শুরু করেছিলাম। যখন ও অন্যকোনো ছেলের সাথে কথা বলতো, আমি কোনো ভাবেই মানতে পারতাম না। ওর সাথে এত ভালো বন্ধুত্ব ছিলো যে, আমি যে তাকে ভালোবাসি সেটা বলে উঠতে পারছিলাম না। ওর সাথে যখন থাকতাম নিজেকে তখন পরিপূর্ণ মনে হতো, মনে দুনিয়ায় আমার চেয়ে সুখী আর কেউ নাই।

এই সুখের মাঝেই হঠাৎ ওর বাড়ি থেকে খবর আসলো ওর বাবা অনেক অসুস্থ। ও সেমিস্টারের মাঝেই বাড়ি চলে গেলে। ১ মাস, ২ মাস করে ৩ মাস হয়ে গেলো ওর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফোন করেছি, যাকে যেখানে পেয়েছি ওর খোঁজ করতে লাগিয়ে দিয়েছি কিন্তু ওর কোনো খোঁজ মেলেনি। এই দিকে আমার পাগলপ্রায় অবস্থা। এভাবে কেটে গেলো ৮ টি মাস। একদিন ক্যাফেটেরিয়ায় বসে আছি হঠাৎ এক ফ্রেন্ড বলে উঠলো আরে অনিন্দিতা ক্যাম্পাসে। আমি কিছুটা অস্থির হয়ে কোথায়!

- ওই যে ডান দিকে তাকা নীল রঙের শাড়ী পড়ে।

আমি দেখে আকষ্মিক আনন্দে পাথর হওয়ার মত অবস্থা, ও আর আগের মত নেই। সাথে একজন অচেনা ব্যক্তি। মিলি, অনিন্দিতার কাছে থেকে কি জানি শুনলো, তারপর বললো, " আরে! আনিন্দিতা বিয়ে করে ফেলেছে!!"
আমার মনে হলো কেউ বুকের ওপর একটা পাথর রেখে দিয়েছে...
(বাকীটা শেষ পর্বে - ২য় পর্বে)
−−−−−−−−−−−−−−
➤ব্লগের লিংকঃ https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/08/blog-post_70.html
➤লেখা যেভাবে পাঠাবেনঃ https://www.facebook.com/106046371740697/photos/a.107452991600035/114137104264957/

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/08/blog-post_1.html
01/08/2021

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/08/blog-post_1.html

কে বলে অঙ্কে আমি কাঁচা, অঙ্কে আমি হিরো। বরাবরই পেয়ে থাকি বড় বড় জিরো। বীজগনিতে অতি পাকা, শুধু সূত্রে ভুল। পাটিগণিত ক....

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/08/blog-post.html
01/08/2021

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/08/blog-post.html

আমি ছোট বেলা থেকেই অনেক বন্ধুপ্রিয় মানুষ ছিলাম। ছোট থেকেই আমার বন্ধুবান্ধবদের অনেক বেশিই ভালবাসতাম। যদিও তখন জা....

 #তফা- খাদিজা আক্তার তানহা−−−−−−−−−−−−−−আমার নাম সৃষ্টি । আমার বেস্ট ফ্রেন্ড তফা। ভারি অবাক করা মেয়ে। আমি তফাকে যতো দেখ...
11/07/2021

#তফা
- খাদিজা আক্তার তানহা
−−−−−−−−−−−−−−
আমার নাম সৃষ্টি । আমার বেস্ট ফ্রেন্ড তফা। ভারি অবাক করা মেয়ে। আমি তফাকে যতো দেখেছি শুধু অবাকই হয়েছি। ওর মতো মেয়ে এখন খুব কমই দেখা যায়। জানিনা ওর মতো এমন একজন মানুষের সাথে কিভাবে বন্ধুত্ব হলো। ২০১৫ সালের কথা হঠাৎ বছরের মাঝে অক্সফোর্ড স্কুলে ক্লাস থ্রি তে একটি মেয়ে ভর্তি হয়। দেখতে অনেকটা অগোছালো তবে চেহারা দায়িত্ববোধের ছাপ রয়েছে।
সাধাসিধে স্বভাবের একটি মেয়ে।প্রথমদিন ক্লাসে ঢুকেই মুচকি হাসি দিয়ে, কথা নেই বার্তা নেই, আমার পাশে এসে বসে পড়লো। আমি চুপচাপ বসে আছি। ওর হাবভাব দেখে বুঝতে পেরেছি কিছু একটা বলতে চাচ্ছে। তাই আমিই জিজ্ঞেস করলাম, "তোমার নাম কি?" এই হল আমার ভুল। এরপর থেকে সে শুধু কথা বলেই যাচ্ছে! মজার বিষয় হলো তফা কথা যতই বেশি বলুক না কেন। ওর মনটা অনেক ভালো। স্বচ্ছ কাচের মত। লুকোচুরি বলতে কিছু নেই আর একটু বেশিই আবেগপ্রবণ।
কিছুদিনের মধ্যেই তফা আর আমার খুব ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গেলো। ওর কিছু কিছু কথা খুবই হাস্যকর। কথা বলার সময় মুখের অনেক অঙ্গভঙ্গি করে কথা বলে।
একদিন ইংরেজি ক্লাসে স্যার কিছুটা রাগ্ন্বিত হয়ে ক্লাসে ঢুকলেন। ইংরেজি ক্লাস নেন আবিদ স্যার, তিনি হলেন প্রচন্ড রগচটা স্বভাবের। তার মেজাজের পূর্বাভাস পাওয়া কঠিন। ক্লাসে এসেই বোর্ডে ইংরেজি ওয়ার্ড লিখতে শুরু করলেন। একটা করে ওয়ার্ড লিখছেন আর সবার দিকে তাকাচ্ছেন মনে হচ্ছে সবাইকে কাচা চিবিয়ে ফেলবেন।
লেখা শেষ করে এবার সবাইকে বললেন বোর্ডে লেখা শব্দগুলোর বাংলা অর্থ কে পারবে হাত তোলো। পুরা ক্লাসের মধ্যে একজনেরও হাত উঠছে না। হঠাৎ তফা হাত উঠিয়ে বললো, " স্যার, আমি পারবো।"
বলেই তফা বাংলা অর্থ বলতে শুরু করলো। স্যারতো এই বিষয়ে অনেক খুশী হলেন আর ওই দিন থেকেই স্যারের কাছে ভালো ছাত্রী উপাধি পেয়ে গেলো।
এরপর থেকে সব ক্লাসেই সঠিক উত্তর দিয়ে সেরা হয়ে উঠতে লাগলো।
তবে ওই যে বলেছিলাম আবেগপ্রবণ। এটাই তফার জন্য কাল হয়ে দাড়াল। ও আমাদের স্কুলের একটি ছেলের প্রতি দূর্বল হয়ে পড়লো। এক অজানা মায়া অনুভব করতে লাগলো। ওর সাথে কথা না বলে এক মুহূর্তও দিবসের মতো লাগতো। কিন্তু বিষয় হচ্ছে ছেলেটি মোটেই সুবিধার না, বাজে স্বভাবের।
ছেলেটির তফা নিজের পড়াশোনায় মনোযোগ কমিয়ে দিলো। ফলাফল ফাইভের পরীক্ষায় ফলাফল আশাব্যঞ্জক হলো না।
দেখতে দেখতে স্কুল ছেড়ে যাওয়ার সময় হলো। ক্লাস নাইনে সবাই আলাদা আলাদা স্কুলে ভর্তি হয়ে গেলো।
আমি তফার সাথে যোগাযোগ রাখার অনেক চেস্টা করেছিলাম, কিন্তু পড়ে আর ওর সাথে তেমন কথা হতো না।......
ক্লাস টেনে আমি এক বায়োলজি কোচিং -এ ভর্তি হই। অবাক করা বিষয় হচ্ছে আমি তফাকে সেখানে খুঁজে পাই। আমি ওকে দেখেই খুশিতে এলাহি কান্ড। কিন্তু ও আমাকে দেখেও কেমন যেন না দেখার ভান করলো। কোচিং ছুটি হওয়ার পর আমি ওকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "আমাকে চিনতে পেরেছিস?"
"সৃষ্টি!", বলেই মুচকি হাসি দিল। তারপর ওর সাথে অনেক কথা হলো। ওর সাথে কথা বলে আমার মনে হলো ও যেন আগের মত নেই। এখন কথা বার্তায় অনেক পরিণত আর গোছানো স্বভাবের হয়ে গেছে। আর অনেক সুন্দরীও হয়ে গেছে! ওর আশেপাশে অনেক ছেলে ঘোরাঘুরিও করে তবে ও এসব আর পাত্তা দেয় না। ও নিজের পড়াশোনা আর জীবন সম্পর্কে অনেক সচেতন হয়ে গেছে। তবে তফা বলেছে একজন আছে যাকে ঘিরে সে নিজের জীবনকে গড়ার স্বপ্ন দেখে তবে তাকে বলতে পারে না। যদি স্বপ্নটা দুঃস্বপ্ন হয়ে যায়। তাই সে নিজেকে গড়তেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
−−−−−−−−−−−−−−
➤ব্লগের লিংকঃ https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/07/blog-post_11.html
➤লেখা যেভাবে পাঠাবেনঃ https://www.facebook.com/106046371740697/photos/a.107452991600035/114137104264957/

 #মধ্যবিত্ত_পরিবারের_মেয়ে- মরিয়ম আক্তার−−−−−−−−−−−−−−আমার নাম আয়মানা।আমি কলেজে পড়ি।আমি একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে।আ...
10/07/2021

#মধ্যবিত্ত_পরিবারের_মেয়ে
- মরিয়ম আক্তার
−−−−−−−−−−−−−−
আমার নাম আয়মানা।আমি কলেজে পড়ি।আমি একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে।আমার বাবা একজন প্রাইভেট স্কুল টিচার।বাবার বেতনও প্রাইভেট স্কুল টিচারের মত কম,যা দিয়ে আমাদের সংসার চলে। আমি টিউশন করে নিজের খরচ নিজেই চালাই। এইতো কিছুদিন আগেই আমার ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হলো।আজ রেজাল্ট দিয়েছে।রেজাল্ট তেমন ভালো হয়নি।যার কারণে মন খুব খারাপ ছিলো আমার।মা ফোন দিচ্ছিলো বারবার দেরী হওয়ার কারণে।ফোনে কথা বলা শেষ হতেই আমার কানে এলো আমার বন্ধু আশা আমাকে টিটকারী করে বলছে ' কিরে কি ২ টাকার ফোন চালাস '। বলেই সে তার বন্ধুদের সাথে হাসাহাসি করা শুরু করলো। আমি ওর কথা শুনে খুব রেগে গেলাম। কলেজ থেকে বড় রাস্তায় হাটা শুরু করলাম।সময় ছিল সন্ধ্যা ৬টা।হেঁটে-হেঁটে বাড়ি ফিরলাম।
বাড়ি ফিরেই নিজের ঘরে ঢুকে গেলাম।একটু পরে মা খেতে ডাকার জন্য রুমে এলো।তখনই আমি চেচিয়ে বলে উঠলাম " বাবা কেনো আমার সব চাহিদা পূরণ করতে পারে না,সবার বাবা পূরণ করতে পারে আমার বাবা কেনো পারেনা?" বলেই দরজা বন্ধ করলাম।বাবা বোধহয় পাশের রুম থেকে সব শুনতে পেয়েছে। তারপর আমি ঘুমিয়ে পড়লাম।সকালে ফজরের নামাজ পড়ার জন্য বাবা মা ঘুম থেকে উঠে। ওইদিন মা উঠলেও বাবা উঠলো না।মা বাবা কে ডাক দেয়"তুমি উঠছো না কেনো? নামাজ পড়বে না?" বলেই মা বাবাকে ধরলো।দেখলো বাবার শরীরটা ঠান্ডা হয়ে আছে। মা বুঝত পারলো কি হয়েছে। মা বাবার মাথাটা নিজের কোলে নিয়ে চুপ করে বসে ছিল।
খুব সকালে আমার ঘুম ভাঙ্গলো। সাধারণত আমার এত সকালে ঘুম ভাঙ্গেনা। ঘুম থেকে উঠেই বাবা মার ঘরে গেলাম।
গিয়ে দেখলাম মায়ের কোলে বাবা শুয়ে আছে।আমি খুব অবাক হলাম।মাকে জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে? মা আমাকে ধমক দিয়ে বললো চুপ থাক।দেখছিস না তোর বাবা ঘুমাচ্ছে।আমি বাবাকে ধরলাম।বুঝলাম বাবা আর নেই।আমি স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম বাবার কাছে।
দুপুরে বাবার মাটি হয়ে গেলো।
আমি বাবার কবরের পাশে বসে বললাম " বাবা তুমি ফিরে আসো।আমার কিচ্ছু চাইনা । শুধু তুমি ফিরে আসো।" . . . . . . . . . . . . .
বাবা মারা যাওয়ার ১ বছর হয়ে গেছে।যেই মেয়েটার কাছে এখন কলেজের বই থাকার কথা, সেই মেয়ের ওপর এখন দুইজন মানুষের ক্ষুধা মেটানোর দায়িত্ব।
−−−−−−−−−−−−−−
➤ব্লগের লিংকঃ https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/07/blog-post.html
➤লেখা যেভাবে পাঠাবেনঃ https://www.facebook.com/106046371740697/photos/a.107452991600035/114137104264957/

🟢লেখা পাঠাবেন যেভাবে - 😃🔵লেখা পাঠাতে হলে প্রথমত আপনাকে অবশ্যই শিক্ষার্থী হতে হবে।🔵দ্বিতীয়ত, এই লিংকেঃ https://forms.gle/...
10/07/2021

🟢লেখা পাঠাবেন যেভাবে - 😃
🔵লেখা পাঠাতে হলে প্রথমত আপনাকে অবশ্যই শিক্ষার্থী হতে হবে।
🔵দ্বিতীয়ত, এই লিংকেঃ https://forms.gle/f7Ca5nGRWNZmVt2DA গিয়ে লেখক নিবন্ধন ফর্মটি পূরণ করতে হবে।
🔵তৃতীয়ত, আপনার যে লেখাটি পাঠাতে চান(গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ - নির্দিষ্ট বিষয় ভিত্তিক) , তা লেখকের নাম সহ, কম্পিউটার অথবা মোবাইলে টাইপ করে কপি করে,
আমাদের এই গুগল ফর্মেঃ https://forms.gle/TUMtQLaTQ6ryQMke7
পেস্ট করে সাবমিট করতে হবে।
গুগল ফর্মে আপলোড করতে সমস্যার সম্মুখীন হলে সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজে ম্যাসেজ করে পাঠাতে পারেন, লেখা নির্বাচন বিষয়ে পরবর্তীতে আপনার সাথে যোগাযোগ করা হবে।
কোনো বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে ফেসবুক পেজে নির্দ্বিধায় ম্যাসেজ করুন। ধন্যবাদ।
🔴বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
- আপনার পাঠানো লেখাটি অবশ্যই মৌলিক হতে হবে অর্থাৎ অন্য কোথাও থেকে কপি হওয়া যাবে না,
- পূর্বে কোন পত্রিকা কিংবা বইয়ে প্রকাশ হওয়া লেখা পাঠানো যাবে না,
- PDF বা DOC ফাইল গ্রহণযোগ্য নয়।

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/07/blog-post_62.html
09/07/2021

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/07/blog-post_62.html

সকল বন্ধুই সেরা বন্ধু, শ্রেষ্ঠ বন্ধু বই, বইয়ের মতাে এমন বন্ধু তােমরা পাবে কই? খুশি হলে বই পড়ি দুঃখী হলেও বই! বই নিয....

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/07/blog-post_9.html
09/07/2021

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/07/blog-post_9.html

গনিত খুবই কঠিন বিষয়, করতে লাগে না ভালাে! পড়ালেখায় গণীতটাকে কোন মানুষটি ঢােকালাে? সবার আগে জ্যামিতির জনক নাম তার...

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/07/blog-post_28.html
07/07/2021

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/07/blog-post_28.html

আমার নাম আরমান হাসান তুহিন। এখন নবম শ্রেণীতে পড়ি। কিন্তু গল্পটা তিন বছর আগের মানে ষষ্ঠ শ্রেণির। সমাপনীতে আলহামদ...

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/07/blog-post_7.html
07/07/2021

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/07/blog-post_7.html

আজ আমার জন্মদিন। আজকে আমার বয়স ৮ বছর পূর্ণ হয়ে ৯ হবে। বাবাকে অফিস থেকে তাড়াতাড়ি আসতে বলেছি। এখন সন্ধ্যা ৭ টার মত বা....

Address

Bashundhara Residential Area
Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Haa Haa - Hee Hee - Ho Ho posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Haa Haa - Hee Hee - Ho Ho:

Share

Category