30/04/2026
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে শত ঝড়-ঝঞ্ঝা উপেক্ষা করে কর্মীদের পাশে ছায়ার মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন ছাত্রনেতা মশিউর রহমান চৌধুরী। জেল-জুলুম, হুলিয়া ও দমন-পীড়নকে পায়ের তলায় পিষ্ট করে অন্ধকার সময়েও তিনি জোনাকির আলোর মতো দ্যুতি ছড়িয়েছেন ছাত্ররাজনীতিতে।
অগ্রজদের মুখে শোনা যায়—দ্রোহের আগুনে দগ্ধ সেই সময়ের ছাত্রনেতা কেমন ছিলেন। দেয়াল লিখনিতে ফুটে উঠেছিল তাঁর সাহসিকতা—
“আহত বাঘ আর পাগলা হাতির পায়ে শেকল পরানো যায়, কিন্তু মশিউর রহমান চৌধুরীর পায়ে নয়।”
ছাত্রলীগের গৌরবময় অর্জন হিসেবে তিনি সময়ের প্রয়োজনে হয়ে ওঠেন একজন বলিষ্ঠ যুবনেতা। ইস্পাত-কঠিন দৃঢ়তায় যুবলীগকে তিনি গড়ে তোলেন সংগঠিত ও শক্তিশালী একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে—যা ছিলো নেতৃত্ব ও আদর্শের প্রতীক।
পরবর্তীতে মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও তিনি সাফল্যের স্বাক্ষর রাখেন। একই সঙ্গে ক্রীড়াঙ্গনেও তিনি হয়ে ওঠেন পরিচিত মুখ; দায়িত্ব পালন করেছেন চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এবং যুক্ত রয়েছেন বহু সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে।
মহানগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে, প্রতিটি থানা-ওয়ার্ড-মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও সাফল্যের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন।
০৫ আগস্ট পরবর্তী পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, যখন অনেক নেতা আত্মগোপনে চলে যান, তখনও মশিউর রহমান চৌধুরী কর্মীদের পাশে থেকেছেন। বিপদের সময়ে খোঁজ-খবর নিয়েছেন, সাহস জুগিয়েছেন, দায়িত্ব পালন করেছেন নিরলসভাবে।
তবুও তাঁকে ঘিরে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের শেষ নেই। কিন্তু ইতিহাস বলে—
ষড়যন্ত্র কখনো একজন সংগ্রামী নেতার জনপ্রিয়তাকে থামাতে পারে না, বরং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।