Nayna Naima

Nayna Naima Entrepreneur | Freedom & Identity Coach Hey there! Welcome to my place, where I help entrepreneurs build successful online businesses.

I'm passionate about helping people achieve their goals and create the lifestyle they desire. I offer valuable insight and practical strategies on sales, marketing, social media, entrepreneurship, and more from my entrepreneur journey. I'll help you navigate the ever-changing landscape of online business and develop the skills and mindset you need to achieve your goals. So if you're ready to take

your business to new heights, Follow my page today and start exploring the magical world of business ! ✨

রাত ১ টা, মাত্র shoot শেষ করলাম। কেউ যদি জিজ্ঞেস করে- ক্লান্তি লাগেনা? Ans- No, I am working on my dream.💪✨
17/09/2025

রাত ১ টা, মাত্র shoot শেষ করলাম।
কেউ যদি জিজ্ঞেস করে- ক্লান্তি লাগেনা?
Ans- No, I am working on my dream.💪✨

🛑 "কনটেন্ট বানানোর ইচ্ছা আছে, কিন্তু নিয়মিত হতে পারছেন না—আপনারও কি এমন হচ্ছে?"তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য। 👇🏻আসলে কন্টেন...
17/09/2025

🛑 "কনটেন্ট বানানোর ইচ্ছা আছে, কিন্তু নিয়মিত হতে পারছেন না—আপনারও কি এমন হচ্ছে?"

তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য। 👇🏻

আসলে কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের ক্ষেত্রে একজন ক্রিয়েটর সফল হতে পারবে কি পারবেনা এটা সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটার উপর নির্ভর করে সেটা হলো Consistency অর্থাৎ নিয়মিত কনটেন্ট দিয়ে যাওয়া।

বেশিরভাগ ক্রিয়েটরই খুব স্বপ্ন নিয়ে ক্রিয়েশনের জার্নিটা শুরু করেন, এবং ১ম কিছুদিন বেশ আগ্রহ উদ্দীপনা নিয়েই কনটেন্ট ক্রিয়েট করা শুরু করেন। কিন্তু অল্পদিনের মধ্যেই দেখা যায় কোনো না কোনোভাবে আগ্রহ কমতে থাকে এবং একটা পর্যায়ে অনিয়মিত হয়ে পড়েন এবং হারিয়ে যান। আপনি যদি বিগিনার লেভেলের একজন ক্রিয়েটর হয়ে থাকেন আপনিও একই প্রবলেম ফেইস করতে পারেন।

্তাই আমি আজ শেয়ার করবো কন্টেন্ট ক্রিয়েশনে আপনি নিজেকে কীভাবে কনসিস্টেন্ট রাখবেন, এবং আল্টিমেইটলি একজন সফল ক্রিয়েটর হয়ে উঠবেন।

তো আসুন জানা যাক কীভাবে নিজেকে Consistent রেখে একজন সফল ক্রিয়েটর হয়ে উঠবেন। তার জন্য নিচের স্টেপগুলো ফলো করুনঃ

✅ নাম্বার ০১ঃ ক্লিয়ার লং টার্ম গোল এবং মাইক্রো গোল সেট করুন

প্রথমে একটা লংটার্ম গোল ঠিক করুন—যেমন ১ বছরের মধ্যে ১ লাখ ফলোয়ার অর্জন করবেন। তারপর সেই বড় লক্ষ্যটিকে ছোট ছোট মাইক্রো গোল এ ভাগ করুন, যেমন ১ মাসে কত ফলোয়ার চান, ১ সপ্তাহে কত চান ইত্যাদি। এতে আপনার কাজ করার স্পষ্ট দিকনির্দেশনা থাকবে।
বড় কোনো লক্ষ্য সবসময় আমাদের মোটিভেটেড রাখে, তবে শুধু বড় লক্ষ্য থাকলে প্রতিদিন কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। যেমন, আপনি যদি ঠিক করেন এক বছরে ১ লাখ ফলোয়ার পাবেন — এটা আপনার লং টার্ম গোল। এরপর এটাকে ভাগ করে নিন ছোট ছোট মাইক্রো গোলে, যেমন মাসে ৫ হাজার ফলোয়ার, সপ্তাহে ১ হাজার ফলোয়ার এভাবে ।
তারপর সেটার জন্য কি কি একশন নিতে হবে সেটা ঠিক করুন। এতে আপনি প্রতিদিনই ছোট লক্ষ্যের দিকে কাজ করবেন এবং সেই প্রক্রিয়ায় বড় লক্ষ্যও অর্জিত হবে। ছোট ছোট সাকসেস আপনাকে নিয়মিতভাবে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। আপনি কনসিস্টেন্ট থাকবেন এবং একসময় বড় লক্ষ্যও অর্জিত হয়ে যাবে।

✅ নাম্বার ০২ঃ আপনার গোল এচিভের স্ট্রং হোয়াই খুঁজে বের করুন

যেকোনো কাজ করতে হলে তার পিছনে একটি শক্ত কারণ থাকা দরকার। আমরা আমাদের জীবনে কোন কাজ করিনা কারন ছাড়া। যেমন ধরুন- আপনি ৫০ তলা একটি বিল্ডিংয়ের ছাদে দাঁড়িয়ে আছেন, আর সামনেই আরেকটি ৫০ তলা বিল্ডিং। এর মাঝখানে সরু একটি বাঁশ দিয়ে সংযোগ করা হলো। আপনাকে বলা হলো, এই বাঁশের উপর দিয়ে পার হতে পারলে ১,০০০ টাকা দেয়া হবে। নিশ্চয়ই কেউ রাজি হবেন না। এই ঝুকিটা নিতে।
কিন্তু যদি একই পরিস্থিতিতে আপনার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ, মা-বাবা বা সন্তান, ওই বিল্ডিংয়ে আটকা পড়েন এবং সেখানে আগুন লেগে যায়-তাহলে আপনি ভয়ে থাকলেও ট্রাই করবেন মরিয়া হয়ে ।
এখন লক্ষ্য দু’টিই একই, কিন্তু কারণ আলাদা। এর মানে হলো- লক্ষ্য পূরণের পেছনে যদি শক্ত হোয়াই মানে কারন থাকে, তাহলে আপনি যেভাবেই হোক কনসিস্টেন্ট থাকবেন। তাই আপনার কনটেন্ট ক্রিয়েশনের জন্যও একটি স্ট্রং হোয়াই বের করুন। কেন আপনি এটা করতে চান ?

✅ নাম্বার ০৩ঃ রুটিনে টাইম ব্লক করুন

Consistency মানে হলো নির্দিষ্ট সময় ধরে নিয়মিত কাজ করা। আর কন্সিটেন্টলি করতে হলে আপনাকে আগেই জানতে হবে এই কাজ টা আপনি কখন করবেন।
এজন্য প্রতিদিন আপনার রুটিনে নির্দিষ্ট সময় শুধু কনটেন্ট ক্রিয়েশনের জন্য ব্লক করুন। যখন কনটেন্ট তৈরির সময় আপনার ক্যালেন্ডারে বুকড থাকবে, তখন সেটা অন্য কোনো কাজে রিপ্লেস হবেনা। এটা আপনাকে ফোকাসড রাখবে এবং নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করার অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

✅ নাম্বার ০৪ঃ ইফেক্টিভ একশন প্ল্যান তৈরি করুন

কনটেন্ট ক্রিয়েশন যদি এলোমেলোভাবে করেন, তাহলে খুব দ্রুতই ক্লান্ত হয়ে যাবেন। বরং একটি স্টেপ-বাই-স্টেপ একশন প্ল্যান বানান ।
🚀যেমন- আইডিয়া জেনারেট করা → রিসার্চ করা → স্ক্রিপ্ট লেখা → শুট করা → এডিট করা → পাবলিশ করা।
এভাবে যদি আপনি স্টেপ বাই স্টেপ কাজগুলো আগেই ভাগ করে নিন তাহলে আপনার কাজের ফ্লো স্পষ্ট থাকবে, তখন কাজ করতে ইজি লাগবে, ফোকাসড থাকবেন এবং কনসিস্টেন্ট থাকতে সহজ হবে।

✅ নাম্বার ০৫ঃ Batching পদ্ধতিতে কনটেন্ট ক্রিয়েট করে Content Bank তৈরি করুন

একসাথে কয়েকটি কনটেন্ট তৈরি করে রাখুন এবং কনটেন্ট ব্যাংক বানান। ধরুন একদিন বসে আপনি একসপ্তাহের কনটেন্ট তৈরি করে রাখতে পারেন , তাহলে পরের কয়েকদিন আপনাকে নতুন কনটেন্ট বানানোর জন্য চাপ নিতে হবেনা।
আপনি শুধু ডিস্ট্রিবিউট করবেন এবং কনটেন্টে এঙ্গেইজমেন্ট বাড়ানোতে কাজ করবেন। এই Content Bank আপনাকে অনিয়মিত হতে দেবে না এবং সবসময় কনসিস্টেন্সি বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

✅ নাম্বার ০৬ঃ কমন, সহজ এবং ইফেক্টিভ ফরম্যাট ইউজ করুন

প্রতিবার নতুনভাবে কনটেন্ট বানাতে গেলে সময় বেশি লাগে এবং ক্লান্তিও আসে। কিন্তু আপনি যদি নির্দিষ্ট কিছু টেমপ্লেট বা ফর্ম্যাট ইউজ করেন, তাহলে কনটেন্ট তৈরি অনেক সহজ হয়ে যাবে।
যেমন, HVC ফর্ম্যাট (Hook–Value–CTA)। এতে আপনি ভ্যালু অ্যাড করে কনটেন্ট বানাতে পারবেন, এবং এটা আপনার স্পিড ও কনসিস্টেন্সি দুইটাই বাড়াবে।
কনটেন্ট লেখা বা ভিডিওর ক্ষেত্রে HVC ফর্ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
😃 আমি এখানে ছোট করে ব্যাখ্যা করছি
👉 H = Hook (মনোযোগ আকর্ষণ করার লাইন)
👉 V = Value (যেটা থেকে পাঠক শিখবে/উপকৃত হবে)
👉 C = CTA (একটি সহজ কল টু অ্যাকশন)
এই টেমপ্লেট ব্যবহার করলে আপনার লেখা সহজ হবে, দ্রুত হবে এবং ধারাবাহিকভাবে কনটেন্ট তৈরি করতে পারবেন।

✅ নাম্বার ০৭ঃ কনটেন্ট ক্যালেন্ডার তৈরি করুনঃ

দৈনন্দিন জীবনে আমরা যেমন ক্যালেন্ডার ফলো করি সময়মতো কাজ করার জন্য তেমনি কনটেন্টের ক্ষেত্রেও এটা জরুরী। তাই কোন দিন কোন কনটেন্ট যাবে সেটার একটি ক্যালেন্ডার বানান।
ক্যালেন্ডার থাকলে কনফিউশন কমবে, প্রতিদিন কী তৈরি করতে হবে সেটা আগে থেকেই ক্লিয়ার থাকবে। এর ফলে আপনার কাজ এলোমেলো হবে না এবং নিয়মিত কনটেন্ট দেয়া অনেক সহজ হয়ে যাবে।

✅ নাম্বার ০৮ঃ অটোমেশন টুলস ইউজ করুন

আপনার ব্যাস্ত জীবনে আপনি সময় মত সবসময় হয়তো পোস্ট করতে পারবেন না। এজন্য অটোমেশন টুলস ব্যবহার করুন, যেমন ফেসবুকের Meta Business Suite।
এটাতে কনটেন্ট আগে থেকে স্কেজিউল করা যায়। কয়েকদিনের কনটেন্ট আগে থেকেই স্কেজিউল করে রাখলে ব্যস্ততা বা ভ্রমণকালেও আপনার পেজে কনটেন্ট নিয়মিত যাবে। এটা আপনাকে কনসিস্টেন্সি ধরে রাখতে অনেক হেল্প করবে।

✅ নাম্বার ০৯ঃ একাউন্টেবিলিটি সিস্টেম ক্রিয়েট করুন

অডিয়েন্সকে আগেই জানিয়ে দিন- কোন দিন কোন কনটেন্ট আসবে। এটা আপনাকে এক ধরনের চাপ দেবে কনটেন্ট নিয়মিত তৈরি করার জন্য। এছাড়া আপনি চাইলে আমাদের Content to Cash গ্রুপে সাপ্তাহিক লক্ষ্য শেয়ার করতে পারেন। এতে করে অন্যদের কাছে প্রতিশ্রুতি দেয়ার কারণে আপনি আরও বেশি কনসিস্টেন্ট থাকবেন।

✅ নাম্বার ১০ঃ কিছু কাজ ডেলিগেট করুন (সম্ভব হলে)

সব কাজ একা করা সম্ভব নয়। তাই যদি এফোর্ট করতে পারেন, তাহলে আইডিয়া জেনারেশন, স্ক্রিপ্ট লেখা, এডিটিং বা থাম্বনেইল ডিজাইনের মতো কাজ অন্যকে ডেলিগেট করুন। এতে আপনার নিয়মিত কনটেন্ট পাবলিশ করা সহজ হবে। চাইলে এসব কাজে আপনি Bizers Academy এর সাপোর্টও নিতে পারেন।

💪 এই স্টেপগুলো যদি আপনি ফলো করেন, তাহলে কনটেন্ট ক্রিয়েশনে নিয়মিত থাকা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ।

😃 এখন বলুন তো, এই ১০টির মধ্যে কোন স্টেপটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান?
কমেন্টে লিখে জানান আমাকে 🤝

© Nayna Naima



সবাই শুধু দেখবে আপনার রাতারাতি সফলতা 😥
17/09/2025

সবাই শুধু দেখবে আপনার রাতারাতি সফলতা 😥

এভাবে কনটেন্ট আইডিয়া বের করুন রিচ বাড়বেই  🎯দেখুন, একটা কন্টেন্ট কতদূর রিচ এবং এনগেইজমেন্ট পাবে সেটা অনেকাংশেই নির্ভর করে...
15/09/2025

এভাবে কনটেন্ট আইডিয়া বের করুন রিচ বাড়বেই 🎯

দেখুন, একটা কন্টেন্ট কতদূর রিচ এবং এনগেইজমেন্ট পাবে সেটা অনেকাংশেই নির্ভর করে কন্টেন্ট আইডিয়ার উপর। কন্টেন্ট আইডিয়া যদি ভালো না হয়, আপনি যত নিয়মিতই কন্টেন্ট ক্রিয়েট করুন না কেন, কন্টেন্টে রিচ এবং এনগেইজমেন্ট পাবেন না। কিন্তু একটুখানি স্ট্র্যাটেজি ফলো করে যদি কন্টেন্ট ক্রিয়েট করেন তাহলে অনেক বেশি রিচ এবং এনগেইজমেন্ট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আসুন আজ আমরা রিচ বাড়ানোর জন্য কন্টেন্ট আইডিয়া বের করার স্টেপ-বাই-স্টেপ প্রসেস দেখবো।

😃 তো চলুন শুরু করা যাক-

🧩 Step – 01: Define Your Corner

প্রথমেই আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে আপনি কোন কর্নার বা সেগমেন্টে কন্টেন্ট ক্রিয়েট করবেন। যদি এলোমেলোভাবে আজ এক বিষয়ে, কাল আরেক বিষয়ে কন্টেন্ট করেন তাহলে অ্যালগরিদম কনফিউজড হয়ে যাবে এবং রিচ কমে যাবে। তাই শুরুতেই পরিষ্কারভাবে নিজের কর্নার সিলেক্ট করে নিন। যেমন-Cooking, Digital Marketing, Lifestyle, অথবা Education।

🧩 Step – 02: Define Your Consumer/ Audience

আপনার কন্টেন্ট সবার জন্য নয়। আপনি যদি সেটা ভাবেন তাহলে সেতা ভুল। ইন্টারনেটে যারা আছে তারা সবাই আপনার অডিয়েন্স নয়। তাই আগে আপনাকে ডিফাইন করতে হবে আপনার আসল অডিয়েন্স কারা। তাদের বয়স, আগ্রহ, চাহিদা এবং সমস্যা কী- এসব বুঝে নিতে হবে। কারণ আপনার কন্টেন্ট তখনই রিচ পাবে যখন সেটা আপনার অডিয়েন্সের আসল চাহিদা পূরণ করবে। তাদেরকে ভ্যালু দিতে পারবে। কোন না কোন ভাবে আপনার কনটেন্টের মাধ্যমে ভ্যালু দিতে হবে।

🧩 Step – 03: Define Your Commitment

আপনার কন্টেন্টের মাধ্যমে আপনি আপনার অডিয়েন্সকে কী দিতে চান সেটা পরিষ্কার করতে হবে। আপনার কন্টেন্ট দেখে বা পড়ে তাদের জীবনে কী পরিবর্তন আসবে? আপনি কি তাদের এন্টারটেইন করতে চান, নাকি তাদের সমস্যা সলভ করতে চান? এই কমিটমেন্ট না থাকলে কন্টেন্ট উদ্দেশ্যহীন হয়ে যায়, আর উদ্দেশ্যহীন কন্টেন্টে মানুষ সময় দেয় না। প্রতিটা মানুষ কোন কিছু করার আগে সেটা কেন করবে এটা নিশ্চিত হয়ে নেয়। তাই আপনার কনটেন্ট কেন দেখবে এই উত্তর আপনার কাছে ক্লিয়ার থাকতে হবে।

🧩 Step – 04: Define Your Pillars (Audience Pain, Needs & Emotion অনুযায়ী)

কন্টেন্ট আইডিয়া বের করার জন্য আপনার অডিয়েন্সের পেইন, নীড এবং ইমোশন বুঝতে হবে। সেই অনুযায়ী কন্টেন্ট পিলার তৈরি করুন। যেমন- আপনার কর্নার যদি Cooking হয়, তাহলে কন্টেন্ট পিলার হতে পারে: “১০ মিনিট স্ন্যাকস রেসিপি,” “ট্র্যাডিশনাল রেসিপি,” “লো-কস্ট কুইক রেসিপি” ইত্যাদি।
এই পিলারগুলোকে কেন্দ্র করেই পরবর্তী কন্টেন্ট আইডিয়া বের হবে। এভাবে সব সেগমেন্টেই পিলার নির্ধারন করা যায় এবং এতে কনটেন্ট আইডিয়া পাওয়া অনেক সহজ হয়।

🧩 Step – 05: Extract Unique & Demanding Ideas from Your Pillars

প্রতিটি পিলারের অধীনে বেশ কয়েকটি আইডিয়া লিখে ফেলুন। চেষ্টা করুন যেন আইডিয়াগুলো খুব বেশি কমন না হয়- কিছুটা হলেও ইউনিক হোক। যেমন - “১০ মিনিট স্ন্যাকস রেসিপি” পিলারের অধীনে হতে পারে-

◾ “আলু দিয়ে মাত্র ১০ মিনিটে বানান নাশতা- ডিম ছাড়াই।”

◾ “২টা ডিম আর ১টা টমেটো- চটজলদি ব্রেকফাস্ট।”

◾ “১ কাপ সুজি + ১ কাপ দুধ- ১০ মিনিটে তৈরি করুন নতুন মজাদার নাশতার আইটেম।”

এভাবে প্রতিটি পিলারের অধীনে ইউনিক আইডিয়া খুঁজে বের করুন। আগে আইডিয়া গুলো লিস্ট ডাউন করুন।

🧩 Step – 06: Score the Ideas with ORSA

এখন বের করা আইডিয়াগুলোকে ORSA Method দিয়ে স্কোর করুন। এটা কি সেটা একটু সংক্ষেপে চলুন বুঝে নেই।

O = Originality → আইডিয়া কতটা ইউনিক? (১-৫)

R = Retention Potential → মানুষ ভিডিও বা কনটেন্টে কতক্ষণ থাকবে? (১-৫)

S = Shareability → শেয়ার হওয়ার সম্ভাবনা কেমন? (১-৫)

A = Actionability/Searchability → ভ্যালু দেবে নাকি সহজে সার্চে আসবে? (১-৫)

মোট স্কোর হবে O+R+S+A (সর্বোচ্চ ২০)। যেসব আইডিয়ার স্কোর ১৩ বা তার বেশি, সেগুলোকে প্রায়রিটি দিন লিস্ট ডাউন করা আইডিয়া থেকে।

🧩 Step – 07: Run Experiment with Selected Ideas

এখন বেস্ট স্কোর পাওয়া কিছু আইডিয়া নিয়ে কন্টেন্ট বানান এবং টেস্ট করুন। Content is all about experiment. তাই টেস্ট করে দেখুন আপনার অডিয়েন্স কোন ধরণের আইডিয়াতে বেশি এনগেইজ হচ্ছে। এভাবেই এই পরীক্ষার মাধ্যমে বুঝতে পারবেন কোন ধরণের কন্টেন্টে আপনার রিচ বাড়ছে। সেগুলো বিভিন্ন ভাবে কন্টিনিউ করুন।

🧩 Step – 08: Check the Metrics & Finalize the Ideas

সবশেষে আপনার কন্টেন্টের ইনসাইট চেক করুন। কোন আইডিয়াগুলো সবচেয়ে ভালো কাজ করছে, কোনগুলো তেমন রেসপন্স পাচ্ছে না- সেটা ডেটার মাধ্যমে বিশ্লেষণ করুন। ভালো পারফর্ম করা আইডিয়াগুলোকে রিপিট করুন এবং সেগুলোর মতো নতুন আইডিয়া তৈরি করুন। এভাবেই আস্তে আস্তে আপনার কন্টেন্টের রিচ এবং এনগেইজমেন্ট টেকসইভাবে বাড়তে থাকবে।

😃এখন আপনার কাছে আমার প্রশ্ন:
এই স্টেপগুলোর মধ্যে কোনটা আপনি প্রথমে নিজের কন্টেন্টে অ্যাপ্লাই করতে চান?

কমেন্টে লিখে জানান- আমি পরবর্তীতে সে বিষয়ে আপনাকে গাইড করতে পারবো ইনশাআল্লাহ। ❤

© Nayna Naima



😒ফেইসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন কিন্তু পোস্টে রিচ পাচ্ছেননা-  এটা প্রায় সব বিগিনার লেভেলের ক্রিয়েটরের কমন সমস্যা। আসলে প্রাথমিকভ...
14/09/2025

😒ফেইসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন কিন্তু পোস্টে রিচ পাচ্ছেননা-

এটা প্রায় সব বিগিনার লেভেলের ক্রিয়েটরের কমন সমস্যা।

আসলে প্রাথমিকভাবে যখন আপনি কনটেন্ট ক্রিয়েট করছেন তখন কিন্তু কনটেন্ট থেকে আপনার কোনো ইনকাম হচ্ছেনা, বাট আপনার অনেক পরিশ্রম এবং ইফোর্ট দিয়ে এর পেছনে ইনভেস্ট করতে হচ্ছে, কিন্তু তারপরেও যখন সেটা মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছেনা তখন সেটা সত্যিই আমাদেরকে ডিমোটিভেট করে।

শুরুর দিকে যারা এই কমন সমস্যা থেকে বের হয়ে আসতে পারেনা তারা আল্টিমেইটলি ঝরে পড়ে। আর যারা এই সমস্যার সমাধাণ করতে পারে তারাই আসলে আল্টিমেইটলি একজন সফল ক্রিয়েটর হয়ে উঠতে পারে।

আসলে যেকোনো সমস্যা সমাধাণ যদি আপনি করতে চান তাহলে আপনাকে প্রথমে অবশ্যই ঐ সমস্যার পেছনের কারণ জানতে হবে, তারপর আপনি সে সমস্যার সমাধাণ করতে পারবেন।

😃তো আসুন আজকে আমরা এই রিচ না পাওয়া সমস্যার পেছনের কারণগুলো জানবোঃ

✅ নাম্বার ০১ঃ
কন্টেণ্টের অরিজিনালিটি এবং ইউনিকনেস এর অভাবঃ

ফেইসবুক চায় তার প্ল্যাটফর্মে ক্রিয়েটররা যেনো নতুন নতুন স্বতন্ত্র কনটেন্ট তৈরি করে, কারণ সে চায় তার প্ল্যাটফর্মে যেনো কন্টেণ্ট দেখে মানুষ বোর ফিল না করে বিরক্ত না হয়। এখন আপনি যদি অন্যের কনটেন্ট কপি করেন হুবুহু একইভাবে প্রেজেন্ট করেন তাহলে স্বাভাবিকভাবে সেটা অডিয়েন্সদের বোর ফিল করাবে, কারণ তারা একই কনটেন্ট অলরেডি দেখেছে। এজন্য ফেইসবুক যে কনটেন্টগুলোর অরজিনালিটি কম সেগুলোর রিচ দিতে চায়না। তাই এমন কনটেন্ট তৈরি করুন যেগুলো অরিজিনাল, যে কনটেন্ট থেকে মানুষ নতুন কিছু পাবে, বোর ফিল করবেনা।

✅ নাম্বার ০২ঃ ভিডিওর ক্ষেত্রে ভিউ-টাইম বা রিটেনশন রেট কম অর্থাৎ (অডিয়েন্স ভিডিও খুব অল্প অংশ দেখেই চলে যায়

ফেইসবুকের অ্যালগরিদম ভিডিওর ওয়াচ টাইমকে অনেক গুরুত্ব দেয়। এখন যদি আপনার ভিডিও মানুষ কয়েক সেকেন্ড দেখেই স্ক্রল করে চলে যায় তাহলে অ্যালগরিদম ধরে নেবে আপনার ভিডিওতে ভ্যালু নাই, ফলে সেটার রিচ ডাউন হয়ে যাবে। এজন্য শুরু থেকেই ভিডিও এমনভাবে সাজান যাতে প্রথম কয়েক সেকেন্ডেই অডিয়েন্সকে হুক করতে পারেন মানে তাদের আটেনশন গ্রাব করতে পারেন। তাহলে তারা তারা ভিডিওর পরবর্তী অংশ দেখতে আগ্রহী হবে এমনিতেই।

✅ নাম্বার ০৩ঃ আর্লি-সিগন্যাল উইক - মানে পোস্ট এর শুরুতেই ভালো এনগেইজমেন্ট না পাওয়া

আপনার পোস্ট যখন প্রথমবার অডিয়েন্সদের কাছে পৌঁছায় তখন যদি তারা রিঅ্যাক্ট, কমেন্ট বা শেয়ার না করে তাহলে অ্যালগরিদম ধরে নেয় পোস্টটি তেমন ভ্যালু দিচ্ছে না। মানুষ পছন্দ করছে না। ফলে সেটার রিচ অটোমেটিক কমে যায়। তাই কনটেন্ট এমনভাবে তৈরি করুন যাতে প্রথম ঘণ্টার মধ্যেই কিছুটা হলেও এনগেইজমেন্ট আসে। আর এজন্য আপলোড দেয়ার পরবর্তী ৩০-৬০ মিনিট অনেক গুরুত্বপুর্ন। এজন্য হুক লাইন ব্যবহার করুন, প্রশ্ন করুন, বা অডিয়েন্সকে ইনভলভ করার মতো বিষয় যোগ করুন।

✅ নাম্বার ০৪ঃ একাউন্ট-লেভেল ট্রাস্ট ইস্যু (স্প্যাম/ভায়োলেশন/মনিটাইজেশন পেনাল্টি)

আপনার পেইজ বা একাউন্টে যদি কোনো ধরনের ভায়োলেশন থাকে, ফেক ফলোয়ার ব্যবহার করেন, বট দিয়ে কমেন্ট বা শেয়ার করান তাহলে ফেইসবুক আপনার একাউন্টকে অবিশ্বস্ত হিসেবে দেখে। একবার এমন হলে রিচ স্বাভাবিকভাবেই অনেক কমে যাবে। তাই সবসময় ক্লিন একাউন্ট মেইনটেইন করুন, রিয়েল এবং টার্গেটেড অডিয়েন্স গড়ুন। এই ধরনের ফেইক অডিয়েন্স কে পেইজে কানেক্ট করা থেকে বিরত থাকুন।

✅ নাম্বার ০৫ঃ ফরম্যাট ও টেকনিক্যাল ইস্যু (ভুল আস্পেক্ট রেশিও, অডিও/লাইটিং, সাবটাইটেল না থাকা)

ফেইসবুক বর্তমানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে রিল কনটেন্টে।এখন আপনি যদি রিল বানাতে গিয়ে সেটার আস্পেক্ট রেশিও ভুল করেন মানে যদি আপনি রিলের ক্ষেত্রে ভুল রেশিও- (যেমন স্কয়ার বা ল্যান্ডস্কেপ) ব্যবহার করেন তাহলে সেটার রিচ কমে যাবে। আপনার ব্যাবহার করা উচিত Vertical ratio । এছাড়া ভিডিওর লাইটিং, অডিও কোয়ালিটি খারাপ হলে বা সাবটাইটেল না থাকলে মানুষ ভিডিও শেষ পর্যন্ত দেখতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। তাই টেকনিক্যাল দিকগুলো সবসময় খেয়াল রাখুন।

✅ নাম্বার ০৬ঃ পোস্টে বা ভিডিওর ক্যাপশনে লিংক এড করা

যখনই আপনি কোনো লিংক দেন (যেমন ইউটিউব লিংক, ওয়েবসাইট লিংক), ফেইসবুক ধরে নেয় আপনি মানুষকে তার প্ল্যাটফর্ম থেকে অন্য প্ল্যাটফর্মে নিয়ে যেতে চাইছেন। এজন্য স্বাভাবিকভাবেই সে পোস্টের রিচ কমিয়ে দেয়। তাই লিংক যদি শেয়ার করতেই হয়, সেটা কমেন্টে দিন, ক্যাপশনে নয়।

✅ নাম্বার ০৭ঃ Audience–Content Fit না থাকা (অডিয়েন্সের আগ্রহের সাথে কনটেন্ট না মেলা)

আপনার অডিয়েন্স যদি মূলত কোনো নির্দিষ্ট ধরনের কনটেন্টে আগ্রহী হয় কিন্তু আপনি বারবার ভিন্নধরনের কনটেন্ট দেন, তাহলে তারা এনগেইজড হবে না। ফলে প্রাথমিক রেসপন্স খারাপ হবে এবং রিচও কমে যাবে। তাই আপনার অডিয়েন্স কী ধরণের কনটেন্ট পছন্দ করে সেটা বুঝে সেই অনুযায়ী কনটেন্ট দিন। সেজন্য আপনাকে Consumer নিয়ে আগে বিস্তর এনালাইসিস করতে হবে। যেটা আমি আমার NN 5C Framework এ ব্যাখ্যা করেছি।

✅ নাম্বার ০৮ঃ কনটেন্ট ডিস্ট্রিবিউশনে কনসিস্টেনসি না থাকা

আপনি যদি একদিন কনটেন্ট দেন, তারপর এক সপ্তাহ গ্যাপ দিয়ে দেন, আবার একদিন কনটেন্ট দিয়ে কয়েক মাস গ্যাপ দেন—তাহলে অ্যালগরিদম ধরে নেবে আপনি সিরিয়াস ক্রিয়েটর না। এতে করে আপনার রিচও ধীরে ধীরে ডাউন হয়ে যাবে। তাই নিয়মিত কনটেন্ট দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কনসিস্টেন্সি হচ্ছে গ্রোথের মূল চাবিকাঠি। কিন্তু এই জায়গাটাতেই ক্রিয়েটরা অনেক বেশি সাফার করে। এই সাফারিং থেকে বাঁচতে আপনি আমাদের Her freedom movement এ যোগ দিতে পারেন।

🧩তো এই ছিল ফেইসবুকে পোস্টে রিচ কমে যাওয়ার মূল কারণগুলো।
আপনি যদি প্রতিটা জায়গায় সচেতন থাকেন, সচেতন ভাবে স্টেপ গুলো নিন, তাহলে খুব দ্রুতই আপনার কনটেন্টের রিচ বাড়তে শুরু করবে।

😃 আচ্ছা এখন বলুন তো, এই কারণগুলোর মধ্যে কোনটার সাথে আপনি সবচেয়ে বেশি স্ট্রাগল করছেন ?

- কমেন্টে লিখে জানান, আপনার সমস্যার সঠিক সমাধানে আমি গাইড করার চেষ্টা করবো। ইনশাআল্লাহ 🎯

13/09/2025

Her Freedom: Content to Cash 30 Day Challenge - Day 22 - Content Planning

� New to streaming or looking to level up? Check out StreamYard and get $10 discount! �

13/09/2025

আপনার ভাবনাই আপনার বাস্তবতা।
আপনি যদি বলেন "পারবো"- পারবেন।
যদি বলেন "পারবো না"- পারবেন না।
এখন বলুন- আপনি কি পারবেন?

Contentpreneur হওয়ার মাধ্যমে ফাইন্যান্সিয়াল ফ্রীডম অর্জন করতে আমাদের সবচেয়ে বড় বাঁধা ছিলো—সঠিক গাইডলাইন এবং কনসিসটেন্সি।...
11/09/2025

Contentpreneur হওয়ার মাধ্যমে ফাইন্যান্সিয়াল ফ্রীডম অর্জন করতে আমাদের সবচেয়ে বড় বাঁধা ছিলো—সঠিক গাইডলাইন এবং কনসিসটেন্সি। 🎯

এই Her Freedom Movement–এর ৩০ দিনে আমার লক্ষ্য ছিলো আপনাদের জন্য সেই দুইটা জিনিস নিশ্চিত করা—
👉 সঠিক গাইডলাইন
👉 ধারাবাহিক একশন

কারণ, ক্লারিটি ছাড়া কোনো কাজে সফল হওয়া যায় না। আর গাইডলাইন + একশন- এই দুইয়ের মাধ্যমেই আসল ক্লারিটি আসে।

গত কয়েকটা সেশন আর প্র্যাকটিসের মাধ্যমে আমরা সেই ক্লারিটি পেয়েছি, এবং আপনারা যেই প্লাটফর্ম গুলোতে কনটেন্ট দিয়ে যাত্রা শুরু করবেন সেগুলো ও রেডি করে দিতে চেয়েছি ।

💡 এজন্যই Bizers Academy গত ৩০ দিনে ২০০+ Freedom Warriors–এর পেইজ এবং চ্যানেল অপ্টিমাইজেশনের লক্ষ্যে ফ্রি কনসালটেন্সি সাপোর্ট দিয়েছে।

আমাদের কষ্ট হলেও আমরা চেষ্টা করেছি- আপনারা যেনো এই ৩০ দিনে আপনার ফাউন্ডেশন তৈরি করতে পারেন।

আলহামদুলিল্লাহ, এখন আপনাদের অনেকেই গাইডলাইন অনুযায়ী একশন নিচ্ছেন, সাহস পাচ্ছেন সামনে এগিয়ে যাওয়ার। একসাথে আমাদের অনেক দূর যেতে হবে—এবং ইনশাআল্লাহ আমরা পারবো।

✨ আজকে চ্যালেঞ্জের ২২ তম দিন।

এই ২২ তম দিনে যারা এখনো আছেন, তারা আসলেই Freedom Champ!
কারণ একটু ডেডিকেশন দিয়ে এখানে আসা যায় না। এর মানে হলো—আপনারা কমিটমেন্ট রাখতে জানেন, এবং আপনারা সেটা প্রমাণ করেছেন। Again, Congratulations! 🎉

আজকের দিনটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আজকের সেশন—Content Planning নিয়ে। 🧩

গত ৪ দিনের Practice & Analytical সেশন শেষে যেই ডেটা আপনারা হাতে পেয়েছেন, সেগুলো দিয়েই এখন সময় এসেছে নিজের প্রপার কনটেন্ট প্ল্যান বানানোর। আজকের ক্লাসে আমি সেই প্রক্রিয়াটাই দেখাবো ইনশাআল্লাহ।

👉 তো Warriors , আজকের ক্লাসে থাকছেন তো?

10/09/2025

Good News Warriors!!
আগামীকাল থেকে কিন্তু শুরু হতে যাচ্ছে C2C 30 day Challenge এর নেক্সট সেশন এবং একই সাথে Bizers Learning Club.
সবাই আছি তো?
একটু আওয়াজ হোক 💪🙌

"আপনি যেই কাজটাকে আপনার ফাইন্যান্সিয়াল ফ্রীডমের হাতিয়ার বানাতে চান, একবার ভেবে দেখুন - সেই কাজের জন্য কতটা সময়, ফোকাস আর...
10/09/2025

"আপনি যেই কাজটাকে আপনার ফাইন্যান্সিয়াল ফ্রীডমের হাতিয়ার বানাতে চান, একবার ভেবে দেখুন - সেই কাজের জন্য কতটা সময়, ফোকাস আর ডেডিকেশন দিচ্ছেন? 💪

মনে রাখবেন, স্বাধীনতা শুধু স্বপ্ন নয়, এর জন্য প্রতিদিনের কনসিসটেন্ট চেষ্টা দরকার। এর বাইরে আসলে কোন সূত্র নাই, ম্যাজিক নাই।

আজকে থেকেই নিজেকে প্রশ্ন করুন - " আমি কি আমার ফাইন্যান্সিয়াল ফ্রীডমের পথে কাজ করছি?"

“একজন নারী যখন নিজের ডানা মেলে উড়তে শুরু করে, তখন কেবল সে-ই বদলায় না- তার সাথে বদলে যায় একটা পুরো প্রজন্ম।” 💜তাই Her Fre...
08/09/2025

“একজন নারী যখন নিজের ডানা মেলে উড়তে শুরু করে, তখন কেবল সে-ই বদলায় না- তার সাথে বদলে যায় একটা পুরো প্রজন্ম।” 💜

তাই Her Freedom Movement বিশ্বাস করে, প্রতিটি নারীর ভেতরে লুকিয়ে আছে অপরিসীম শক্তি। তার শুধু সেই ডানা মেলবার সাহসটাই দরকার। ✨

এই প্ল্যাটফর্মে তাই আমরা সেই সাহস দিই, সেই পথ দেখাই, যেন প্রতিটি নারী নিজের স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যেতে পারে, নিজের পরিচয় তৈরি করতে পারে। একা না একসাথে সামনের দিকে যাওয়াই আমার মিশন।

এটা শুধু একটা মুভমেন্ট না- এটা এমন এক ভিশন যেখানে লাখো নারী একদিন বলবে-
💪 “আমি পারি। আমি নিজের জায়গা তৈরি করেছি।”

তো আমরা কি চাই একসাথে ডানা মেলে উড়তে ? 🦋

আপনার সফল উদ্যোক্তা হওয়ার পথে নিচের কোনটিকে আপনি সবচেয়ে বড় বাধা বলে মনে করছেন? 🤔
31/01/2025

আপনার সফল উদ্যোক্তা হওয়ার পথে নিচের কোনটিকে আপনি সবচেয়ে বড় বাধা বলে মনে করছেন? 🤔

Address

Dhaka Division
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nayna Naima posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nayna Naima:

Share