15/09/2025
১/ তোমাকে পাবার জন্য যা করেছি, তার অর্ধেক করলেও বোধ হয় বিধাতাকে এতদিনে পেতাম। কিন্তু তোমাকে পেলুম না।
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২/ কপালে যেখানটায় বসন্তের দাগ ছিল; সবাই চোখ ফিরিয়ে নিত ঘেন্নায়! সেখানটায় চুমো খেয়ে বুঝিয়ে দিতে হয় ভালোবাসা জিনিসটা সবার জন্য আসেনি। __শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩/ আমি ঠকিনি, কারণ আমি ভালোবাসতে পেরেছিলাম কিন্তু ঠকেছে সে, যে ভালোবাসতে পারেনি।
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৪/ আমি যাকে কেন্দ্র করে ঘুরি, না পেলাম তার কাছে আসার অধিকার না পেলাম তার থেকে দূরে যাবার অনুমতি!
__ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৫/ যে তোমায় অন্ধের মত বিশ্বাস করে , তাকে "অন্ধ" প্রমাণ করো না।
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৬/ বলতে পারি নে, তবে বেঁচে থাকতে তোমাকে কোনোদিন ভুলব না। তোমাকে দেখবার তৃষ্ণা আমার কখনো মিটবে না।
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৭/ চন্দ্রমুখী, তোমার নামটা মস্ত বড়, সর্বদা ডাকতে অসুবিধা হয়, একটু ছোট করে নিতে চাই। আজ থেকে তোমাকে বউ বলে ডাকব।
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৮/ যখন তুমি কাউকে ভালবাসবে তখন, বুঝবে ব্যথা কী!
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৯/ মনের মিলনই সত্যিকারের বিবাহ।
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১০/রাগ করে শোয়া যেতে পারে কিন্তু রাগ করে ঘুমনো যায় না। বিছানায় পড়ে ছটফট করার মত শাস্তি আর নেই।
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১১/ আমি ঠকিনি, কারণ আমি ভালবাসতে পেরেছিলাম। কিন্তু ঠকেছে সে, সে ভালবাসতে পারেনি...।
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১২/যে গোপনে আসিয়াছিল, তাহাকে গোপনেই যাইতে দিলাম। কিন্তু এই নির্জন নিশীথে সে যে তাহার কতোখানি আমার কাছে ফেলিয়া রাখিয়া গেল, তাহা কিছুই সে জানিতে পারিল না।
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৩/ যেদিন বুঝবে রূপটাও মানুষের ছায়া, মানুষ নয়। সেদিনই কেবল সত্যিকারের ভালোবাসার সন্ধান পাবে। __ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৪/এতকাল জীবনটা কাটিল উপগ্রহের মত। যাহাকে কেন্দ্র করিয়া ঘুরি, না পাইলাম তাহার কাছে আসিবার অধিকার, না পাইলাম দুরে যাইবার অনুমতি। __শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৫/ ক্ষমার ফল কি শুধু অপরাধীই পায়, যে ক্ষমা করে, সে কি কিছুই পায় না?
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৬/বড় দুঃখ ছাড়া কোনদিন কোনো বড় জিনিস লাভ করা যায় না। আমার বাড়িও আবার হবে, রোগও একদিন সারবে ; কিন্তু এর থেকেও যে অমূল্য বস্তুটি লাভ করলুম, সে তুমি। আজকাল আমার মনে হয়, তুমি ছাড়া আর বোধ হয় আমার একটা দিনও কাটবে না।
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৭/ অর্থের বিনিময়ে যাহারা একটি নারীকে বিবাহ করিতে সম্মত হয়।সে পুরুষ কোনোদিন তার স্ত্রীকে ভালোবাসিবে না।
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৮/ আমি ঠকিনি, কারণ আমি ভালবাসতে পেরেছিলাম, কিন্তু ঠকেছে সে, সে ভালবাসতে পারেনি। __ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৯/ একটা লোককে আজন্ম কাছে পেয়েও একতিল বিশ্বাস হয়না, আর একটা মানুষকে হয়ত মাত্র দু ঘন্টা কাছে পেয়েই মনে হয়, এর কাছে নিজের প্রাণটা পর্যন্ত সঁপে দিতে পারি মনে হয়, যেন জন্মজন্মান্তরের আলাপ, দু ঘন্টার নয়। এই যেমন তুমি।
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২০/ জন্মিলে মরিতে হয়, আকাশে প্রস্তর নিক্ষেপ করিলে, তাহাকে ভূমিতে পড়িতে হয়, খুন করিলে ফাঁসিতে যাইতে হয়, চুরি করিলে কারাগারে যাইতে হয়, তেমন ভালোবাসিলে কাঁদিতে হয়— অপরাপরের মতো ইহাও একটি জগতের নিয়ম।
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২১/ তুমি আমাকে উ'পে'ক্ষা করিলে আমিও উ'পে'ক্ষা করিতে জানি। আর এতো তোমাকে ভালোবাসি না যে তুমি মা'রা'ইয়া যাইবে আর আমি ধুলার মত তোমার চরণতলে জড়াইয়া থাকিব..
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২২/ বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না,দূরেও ঠেলে দেয়। ভালোবাসার মানুষ কে শুধু পাশে পেলেই ভালোবাসা হয়না, একাকিত্বের সময় কারোর স্মৃতি বয়ে বেড়ানোও ভালোবাসা ।
__ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২৩/ জীবনের পথে কেউ কাউকে টেনে নিতে পারেনা, শুধু পথ দেখিয়ে দিতে পারে।
__ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২৪/ আজ সে-ই তাহার সকলের বড় অবলম্বন।কাল রাত্রে যাহাকে অভিমানের স্পর্ধায় বলিয়াছিল
তুমি আমার কে!
__শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২৫/ যে সমাজ দুঃখীর দুঃখ বোঝে না,বিপদে সাহস দেয় না,শুধু চোখ রাঙায় আর গলা চে'পে ধরে, সে আমার সমাজ নয়,আমার মতো গরীবেরও নয়–এ সমাজ বড়োলোকের জন্যে!
__ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
শুভ জন্মদিন প্রিয় লেখক। আপনার এই ক্ষুদে পাঠকের তরফ থেকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা নিবেন।🖤