27/08/2024
বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে এক ভয়াবহ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন সংসদে রেহানা আক্তার রানু এমপি ।
সেই সংসদ অধিবেশনে অবৈধ সরকারের প্রধান হাসিনাও ছিলেন , রানুর বক্তব্যে হাসিনা লজ্জায় গড়িমসি করে এদিক ওদিক তাকিয়ে ছিলেন , মুখ ফুটে কিছু বলতে পারেননি , কেন পারেননি আসলেই কি ঘটনা ছিলো সত্য ? যদি সত্য না হয়ে থাকে , তবে কেন বিজ্ঞ আওয়ামীলীগ রাজনীতিবিদের মুখে প্রতিবাদ শুনতে পাইনি , তবে কেন কোনও বিজ্ঞ আওয়ামীলীগ বুদ্ধিজীবিদের মুখে প্রতিবাদ শুনতে পাইনি ? তবে কি আওয়ামীলীগের বিজ্ঞ রাজনীতিবিদগণ , বিজ্ঞ বুদ্ধিজীবীগণ'রা ভারতের মিডিয়াদের অরুচি সংবাদ'কে গণ্য মনে করেন | আমরা এর তীব্র প্রতিবাদে জানাই |
২৫ শে জুন, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৪অরন্য কুমার চক্রবর্তী ও গৌরীবালা দাসের জারজ সন্তান ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।২ বছর বয়স পর্যন্ত শেখ মুজিবের নাম ছিলো দেবদাস চক্রবর্তী!
-------------------------------------
কলকাতা সিভিল কোর্টের উকিল মিঃ চন্ডিদাস। তার এক মেয়ে ছিল যার নাম গৌরিবালা দাস। চন্ডিদাসের সহকারী উকিল মিঃ অরন্য কুমার চক্রবর্তী চন্ডিদাসের কলকাতাস্থ বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতো। এই সুযোগে চন্ডিদাসের মেয়ে গৌরিবালার সাথে অরন্য কুমার চক্রবর্তীর অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠে। এভাবে চলতে থাকে দিনের পর দিন। তার ফলশ্রুতিতে এরই মধ্যে গৌরিবালা গর্ভবতী হয়ে পড়েন। গৌরিবালা যখন বুঝতে পারলেন তিনি গর্ভবতী হয়েছেন তখন গৌরিবালা অরন্য কুমার চক্রবর্তীকে তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেন। অরন্য কুমার চক্রবর্তী ইহাতে রাজি না হয়ে অবৈধ সম্পর্কের কথাও অস্বীকার করেন। এদিকে চন্ডিদাস বিষয়টি জানার পর চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরই মধ্যে গৌরিবালা ১২/১২/১৯২০ ইং তারিখে একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন। তার নাম রাখা হয় দেবদাস চক্রবর্তী। চন্ডিদাস অরন্য কুমার চক্রবর্তীকে গৌরিবালাকে উঠিয়ে নেয়ার জন্যচাপ দিতে থাকেন। কিন্তু অরন্য কুমার রাজি হন না। এরই মধ্যে গৌরিবালার ছেলে দেবদাস বয়স ২ বছরে উন্নিত হয়। চন্ডিদাস হতাশা গ্রস্থ হয়ে পড়েন এবংভীষণ অসুস্থতা বোধ করেন। চন্ডিদাসের বিশ্বস্ত মহুরী শেখ লুতফুর রহমান ছিলেন একজন নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। চন্ডিদাস মেয়েকে নিয়ে সমাজে মুখ দেখাতে পারছেন না এমন অবস্থায় গৌরীবালার ছেলে দেবদাসের বয়স যখন ৩ বছর, তখন চন্ডিদাসের মহুরী শেখ লুৎফর রহমান চন্ডিদাসের সমূহ সম্পত্তিসহ গৌরিবালাকে বিয়ে করেন। তখন এফিডেভিট করে গৌরিবালার নাম রাখা হয় ছাহেরা বেগম এবং ছেলের নাম রাখা হয় দেবদাস চক্রবর্তীর পরিবর্তে শেখ মজিবুর রহমান।
এফিডেভিট নং- ১১৮তারিখ- ১০/১১/১৯২৩ ইং সালকোলকাতা সিভিল কোর্ট, পচিমবঙ্গ, ভারত।
সাক্ষীঃ-
(১) জনাব আব্দুর রহমান সাফায়াত, কোর্ট দারোগা, কলিকাতা,
থানা+পোঃ- ভান্ডারিয়া, সাবেক জেলা- বরিশাল।
(২) শ্রী অনিল কুমার, কোর্ট দারোগা, সাবেক জেলা- বরিশাল।