Miraj Hossain

Miraj Hossain Social Media Specialist

‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য রাসুলের জীবনে রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ' (সূরা আহযাব, আয়াত: ২১)
02/09/2026

‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য রাসুলের জীবনে রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ'

(সূরা আহযাব, আয়াত: ২১)

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।আজ ১৩ আগস্ট ২০২৬, বৃ...
13/08/2026

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ ১৩ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য জানান।
১৩ আগস্ট ২০২৬ | ঢাকা

12/08/2026

ইরানের ধারণার চাইতেও দুর্বল যুক্তরাষ্ট্র: দাবি করেছেন ইরানি জেনারেল মোহাম্মদ রেজা নাকদি।

তিনি বলেন,
এই যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, আমরা তত বেশি অভিজ্ঞতা অর্জন করছি।

আমেরিকার সাথে কীভাবে যুদ্ধ করতে হয়, তা শেখার জন্য বা প্রকৃত অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য আমরা এর আগে কখনো সত্যিকারের যুদ্ধ দেখিনি।

এই পাঁচ মাসে আমরা তা শিখেছি।

আমরা এটাও দেখেছি যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী আমাদের ধারণার চেয়েও কতটা দুর্বল।

সূত্র: পিবিএস নিউজ

12/08/2026

জাপানি চমৎকার একটি বাটি।

এটি মূলত থার্মোক্রোমিক পিগমেন্ট কালি দিয়ে তৈরি।

ফুটন্ত গরম পানির সংস্পর্শে এলে এর তলার সাকুরা ফুলটি ফুটে ওঠে।

12/08/2026

বিদ্যুতের ঘাটতির জন্য,
দোকান, শপিংমল খোলা থাকবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত ।

জ্বালানি বিভাগ

📌মক্কা জোটে মিশরের অন্তর্ভুক্তিতে বাঁধা দিয়েছে সৌদি আরব: মিডল ইস্ট আই  🇹🇷🇵🇰🇸🇦  তুরস্ক ও পাকিস্তানের  সঙ্গে সৌদি আরবের নত...
12/08/2026

📌মক্কা জোটে মিশরের অন্তর্ভুক্তিতে বাঁধা দিয়েছে সৌদি আরব: মিডল ইস্ট আই

🇹🇷🇵🇰🇸🇦 তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদি আরবের নতুন প্রতিরক্ষা জোট ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে মিসরকে 🇪🇬 অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিল আঙ্কারা। তবে এতে বাধা দিয়েছে রিয়াদ।

➡️ সৌদি সূত্রের বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট আই জানায়, প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির নেতৃত্বাধীন মিসরকে একটি অবিশ্বস্ত ও সাহায্য-নির্ভর অংশীদার হিসেবে দেখছে সৌদি আরব। কৌশলগত ও সামরিক দিক থেকেও মিসরের কার্যকারিতা এখন সীমিত বলে মনে করে তারা। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতের 🇦🇪 সঙ্গে কায়রোর নীতিগত ঘনিষ্ঠতা নিয়েও আপত্তি রয়েছে সৌদি আরবের।

➡️ তবে ভবিষ্যতে মিসরের এই জোটে যোগ দেওয়ার পথ একেবারে বন্ধ হয়ে যায়নি। সৌদি কর্মকর্তারা চাইছেন, জোটে নেওয়ার আগে কায়রো যেন আগে তাদের নির্ভরযোগ্যতা ও কৌশলগত অবস্থানের স্পষ্ট প্রমাণ দেয়।

07/08/2026

>>>ব্রেকিং নিউজ

সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পরও জীবদ্দশায় তা ভোগ-দখলের অধিকার বাবা-মায়ের হাতে রাখার বিধান যুক্ত করে ‘সম্পত্তি হস্তান্ত...
31/07/2026

সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পরও জীবদ্দশায় তা ভোগ-দখলের অধিকার বাবা-মায়ের হাতে রাখার বিধান যুক্ত করে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর আইন’ সংশোধনের পরিকল্পনা করছে সরকার।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এমন তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত এই আইনি পরিবর্তনের ফলে আদালতে দেওয়ানি বা সিভিল মামলার সংখ্যা অনেকটাই কমে আসবে, যার বড় অংশই মূলত সম্পত্তির বণ্টন ও হিসাব-নিকাশ নিয়ে তৈরি হয়।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের মুসলিম আইনে হেবা হয়, হিন্দু আইনে উইল হচ্ছে, আবার আমাদের মুসলিম আইনে ওয়াসিয়তনামা হচ্ছে।

বিদ্যমান হেবা ব্যবস্থার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বাবা-মা যদি হেবা করে দেন, সাথে সাথে তাদের হাত থেকে সম্পত্তি চলে যাচ্ছে। তারা নিজেদের সম্পত্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং পরবর্তী সময়ে সন্তানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। ছেলে-মেয়ে যদি তাদের না দেখে, তাহলে কিন্তু বাবা-মার আর কিছু করার থাকে না, তারা অসহায় হয়ে পড়ছেন।

আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, হেবার পাশাপাশি ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট’-এ (সম্পত্তি হস্তান্তর আইন) গিফটের একটা ধারা রয়েছে, যেখানে সাধারণভাবেই হেবার বাইরে গিয়ে যে কেউ গিফট করতে পারেন। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ১৯৬৩ সালের পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের আলোকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে ‘ইউসুফ্রাক্ট রাইট’ বা জীবনস্বত্বের বিধান যুক্ত করার চিন্তাভাবনা করছে সরকার।

প্রস্তাবিত এই নিয়ম অনুযায়ী, সন্তানকে সম্পত্তি গিফট করার পরও বাবা-মা তাদের জীবদ্দশায় সেটি ভোগদখল করার অধিকার নিজের কাছে রেখে দিতে পারবেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, বাবা-মায়ের জীবনদশায় দুই পক্ষের সম্মতি ছাড়া কেউই ওই সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবে না। সন্তান যেমন বিক্রি করতে পারবে না, তেমনি বাবা বা মা চাইলেও এককভাবে বিক্রি করতে পারবেন না।

তবে বিশেষ প্রয়োজনে ছাড়ের বিধান থাকছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে বাবার চিকিৎসার দরকার এবং এই সম্পত্তি বিক্রি ছাড়া চিকিৎসা সম্ভব নয়, কিন্তু সন্তান বিক্রিতে সম্মতি দিচ্ছে না, সেক্ষেত্রে জেলা জজকে একটা ক্ষমতা দেওয়া থাকছে। জেলা জজে আবেদন করা হলে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবেন।

এই সংশোধনের ফলে ভবিষ্যতে সিভিল মামলা ফাইলিং কমে আসবে এবং অনেক পারিবারিক সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, আমরা কাজ করতে চাই, আমরা পরিবর্তন করতে চাই জনগণের কল্যাণে। জনগণের কল্যাণে পরিবর্তন করতে আমাদের যেখানে যেভাবে সম্ভব আমরা করব।

৪৮ দলের বিশ্বকাপের পিছনে ফুটবলের এক্সপেনশন থেকেও বড় যেই কারণ ছিলো সেটি হচ্ছে পলিটিক্যাল। ফিফার অধীনে মোট ২১১ টি ফেডারেশন...
31/07/2026

৪৮ দলের বিশ্বকাপের পিছনে ফুটবলের এক্সপেনশন থেকেও বড় যেই কারণ ছিলো সেটি হচ্ছে পলিটিক্যাল। ফিফার অধীনে মোট ২১১ টি ফেডারেশন রয়েছে এবং প্রতিটি ফেডারেশনের ভোট সমান ভাবে গণনা করা হয়। অর্থাৎ ফিফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কিংবা কোনো ভোটের ক্ষেত্রে জার্মানি, ব্রাজিল, ইংল্যান্ড এর ভোট এর গুরুত্ব আর বাংলাদেশ, নেপাল ভুটানের ভোটের গুরুত্ব সমান। ইনফান্তিনোর ফিফা প্রেসিডেন্ট হবার পিছনে অন্যতম একটি কারণ ছিলো এশিয়া ও আফ্রিকান ফেডারেশনগুলোকে তিনি প্রমিজ করেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট হলে তিনি বিশ্বকাপে এই দুই মহাদেশ এর কোটা বাড়াবেন। বিশ্বকাপ যখন ৩২ দলের ছিলো তখন ইউরোপ থেকে কোয়ালিফাই করতো ১৩ টি দল অর্থাৎ প্রায় ৪০%, আর বিশ্বকাপ যখন ৪৮ দলের হলো সেখানে ইউরোপিয়ান দলের সংখ্যা বাড়লো মাত্র ৩ টি অর্থাৎ মোট টুর্নামেন্টের ৩৩%. তখন থেকেই ফিফা ও উয়েফার নীরব যুদ্ধ শুরু হয়েছিলো। কিন্তু সেই নীরব যুদ্ধ এখন প্রকট রূপ ধারণ করতে পারে যদি ফিফা প্রেসিডেন্ট জাননি ইনফান্তিনো তার নতুন প্রকল্পে অটুট থাকে।

⏺️কি হতে যাচ্ছে? আমরা সবাই জানি অফিসিয়ালি ফিফা হচ্ছে একটি নন প্রফিট অর্গানাইজেশন; কিন্তু তাদের অধীনেই আবার বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ইনকাম হয়ে থাকে। বিশেষ করে ২০২৬ আমেরিকান এই বিশ্বকাপ ফিফার ইনকাম কে নিয়ে গিয়েছে ভিন্ন এক স্তরে যা ইতিহাসে আর কখনো ঘটেনি। এই বিশ্বকাপে ফিফার রেভিনিউ ছিলো ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশাল অংকের এই রেভিনিউ ইনফান্তিনো কে নতুন আইডিয়া এনে দিয়েছে: ফিফার অধীনে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর আরেকটি প্যারালেল কোম্পানি ওপেন করে সেই কোম্পানির ২০% শেয়ার প্রাইভেট একটি কোম্পানির কাছে বিক্রয় করা। ২০% শেয়ারের দাম ধরা হয়েছে ৪ বিলিয়ন ইউরো। ইনফান্তিনোর আইডিয়া অনুযায়ী ফিফার স্পোর্টস রিলেটেড বিষয়বস্তু থাকবে ফিফার অধীনে, আর ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট বিষয়টি থাকবে প্রাইভেট কোম্পানির অধীনে। ইন্টারেস্টিং বিষয় হচ্ছে যেই প্রাইভেট কোম্পানি ফিফার এই শেয়ার কিনবে তারা আবার আর কেউ নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর মেয়ের জামাইর ভাই জোশ কুশনার এর ইনভেস্ট গ্রুপ থ্রাইভ এটার্নাল এবং জেপি মরগ্যান।

তাদের একটি প্রস্তাব হচ্ছে বিশ্বকাপ প্রতি ৪ বছর পর পর না করে ২ বছর অন্তরন্তর আয়োজন করা, যাতে করে ইনকাম এর পরিমাণও বৃদ্ধি করা যায়।

⏺️তবে ফিফার রুলস ও রেগুলেশনের কারণে প্রেসিডেন্ট ইনফান্তিনো চাইলেই একা একা এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেননা। এর জন্য তার প্রয়োজন ২১১ ফেডারেশনের ম্যাজোরিটি ভোট। এটাও ইনফান্তিনোর জন্য বড় ধরণের বাধা নাও হতে পারে। অভ্যন্তরীন তথ্য অনুযায়ী আফ্রিকান মহাদেশের ফেডারেশন গুলো অলরেডি ইনফান্তিনো কে ব্যাকআপ দিচ্ছে। কারণ ইনফান্তিনো প্রোমিজ করেছে এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে প্রতিটি ফেডারেশনকে ৪০ মিলিয়ন ইউরো বাজেট দেয়া হবে (২০ মিলিয়ন ইনস্ট্যান্ট এবং পরবর্তী ৪ বছর স্লটে আরো ২০ মিলিয়ন). আপনারা শুধুমাত্র বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজ ফেডারেশন দিয়েই চিন্তা করুন; বাংলাদেশ ফেডারেশন এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিবে নাকি বিপক্ষে? ফুটবল নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যাথাই নেই। তাদের একমাত্র মাথা ব্যাথা থাকবে কিভাবে ৪০ মিলিয়ন ইউরো পকেটে ঢুকানো যায় সেটা। ৪০ মিলিয়ন ইউরো বাজেট পেলে কি পরিমান টাকা ফেডারেশনের লোকজন নিজেদের পকেটে ঢুকানোর সুযোগ পাবে চিন্তা করে দেখুন। তাদের ব্যাক্তিগত স্বার্থের কারণেই তারা ইনফান্তিনোর প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিবে। বাংলাদেশের ফেডারেশনের মতোই তো বিশ্বের বেশির ভাগ দেশের ফেডারেশন, বিশেষ করে আফ্রিকান ফেডারেশন গুলো বাংলাদেশের মতোই দুর্নীতিগ্রস্ত।

এমতবস্থায় উয়েফা আশংকা করছে যে ফিফার এই প্রস্তাব পাশ হয়ে যেতে পারে এবং সেটি হলে সেটা অবশ্যই ফুটবলের জন্য পজিটিভ কিছু হবেনা। ম্যানেজমেন্টে যদি প্রাইভেট ইনভেস্ট কোম্পানি প্রবেশ করে তারা আজকে হয়তো শুধুমাত্র ম্যানেজমেন্টের বিষয়ে নাক গলাবে, কিন্তু ভবিষ্যতে যে খেলার বিষয়েও নাক গলাবেনা তার কি গ্যারান্টি রয়েছে?

⏺️উয়েফার অধীনে সবগুলো ফেডারেশন এই বিষয়ে ফিফা কে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ফিফা যদি এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে তাহলে উয়েফার কোনো দেশ ফিফার অধীনে কোনো টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবেনা। এবং আমি মনে করি এটাই হচ্ছে পারফেক্ট সিদ্ধান্ত। ইনফান্তিনো যদি সত্যিই এমন পরিকল্পনার দিকে আগায় তাহলে উয়েফার সবগুলো দেশের উচিত হবে বিশ্বকাপ বয়কট করা। ইউরোপিয়ান দেশের ভোট হয়তো ম্যাজোরিটি হবেনা, কিন্তু এটা বুঝা উচিত যে ইউরোপিয়ান দেশ গুলোই টপ ফুটবলকে রিপ্রেজেন্ট করে থাকে। জার্মানি, ইতালি, স্পেইন, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, পর্তুগাল ছাড়া বিশ্বকাপের কোনো মূল্যই থাকবেনা।

সাউথ আমেরিকা এবং নর্থ আমেরিকান ফেডারেশন থেকেও ইনফান্তিনো কে আবার নতুন করে তার পরিকল্পনা নিয়ে চিন্তা করতে আহ্বান দিয়েছে। আপাতত এশিয়া এবং আফ্রিকান মহাদেশের ফেডারেশন গুলোই মূলত এই পরিকল্পনার সহযোগী।

ফিফা প্রেসিডেন্ট ইনফান্তিনো যদি সত্যিই এমন কিছু বাস্তবায়ন করতে চায় তাহলে সেটি খুবই ন্যাক্কারজনক একটি ঘটনা ঘটবে। তেমন কিছু হলে আমি চাইবো উয়েফার সবগুলো দেশ একত্র হয়ে যেনো সেটি বয়কট করে।

FOOTBALL IS NOT FOR SALE !

১৯৭৮ সালে চীনের মাথাপিছু আয় ছিল ১৫৭ ডলার, বাংলাদেশের ছিল ১৫৮ ডলার 🔥তারপর…..১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে চীন সরকার জনগণের কমি...
31/07/2026

১৯৭৮ সালে চীনের মাথাপিছু আয় ছিল ১৫৭ ডলার, বাংলাদেশের ছিল ১৫৮ ডলার 🔥

তারপর…..

১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে চীন সরকার জনগণের কমিউন ব্যবস্থা ধীরে ধীরে বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়।

কমিউন ব্যবস্থা ছিল মাও সেতুং-এর সময় চালু করা একটি সমষ্টিগত কৃষি ও সামাজিক ব্যবস্থা, যেখানে সব কৃষক মিলে একই জমিতে কাজ করত।

সব জমি ছিল সরকার বা কমিউনের, কারো ব্যক্তিগত জমি ছিল না।

কে কোন জমিতে কাজ করবে, কী ফসল হবে—এসব সিদ্ধান্ত কমিউনের নেতারা নিতেন।

উৎপাদিত ফসল কমিউনের গুদামে জমা হতো, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কৃষকদের মাঝে খাদ্য ও আয় বণ্টন করা হতো।

এ পদ্ধতি চালুর কারণ ছিল, মাও সেতুং বিশ্বাস করতেন—ব্যক্তিগত লাভের চিন্তা না করে সবাই দেশের জন্য কাজ করবে। একসাথে উৎপাদন করলে মোট উৎপাদন বাড়াবে।

কিন্তু, বাস্তবে দেখা গেল—

❌ কৃষকদের বেশি উৎপাদনের ব্যক্তিগত উৎসাহ ছিল না।

❌ সবাই একই রকম সুবিধা পাওয়ায় কৃষকদের মাঝে পরিশ্রমের আগ্রহ কমে যায়।

❌ অনেক স্থানীয় কর্মকর্তা উৎপাদনের তথ্য অতিরঞ্জিত করে সরকারের কাছে পাঠাতেন।

❌ সরকার সেই ভুল তথ্যের ভিত্তিতে অতিরিক্ত খাদ্য সংগ্রহ করত।

ফলে গ্রামে গ্রামে খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দেয়।

১৯৫৯–১৯৬১ সালে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। সেই দুর্ভিক্ষে ১.৫–৪.৫ কোটি মানুষ মারা যায়।

এ ঘটনার পর ১৯৭৮ সালে দেং শিয়াওপিং উপলব্ধি করেন, যে কৃষক নিজের পরিশ্রমের ফল ভোগ করতে পারে না, তার উৎপাদন বাড়ানোর আগ্রহও কম থাকে।

তাই তিনি Household Responsibility System চালু করেন।

এর ফলে—জমির মালিক রাষ্ট্রই থাকে, কিন্তু কৃষক পরিবারকে দীর্ঘমেয়াদে জমি চাষের অধিকার দেওয়া হয়।

সরকারকে নির্ধারিত অংশ দেওয়ার পর অতিরিক্ত উৎপাদিত ফসল কৃষক নিজে বাজারে বিক্রি করতে পারে।

অর্থাৎ, যত বেশি উৎপাদন, তত বেশি আয়—এই চিন্তা কৃষকদের মাথায় ঢুকে ।

ফলে, মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই কৃষি উৎপাদন প্রায় ৫০% বৃদ্ধি পায়, যা চীনের অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রথম বড় সাফল্য হিসেবে ধরা হয়।

এভাবে কমিউন ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়….

🔥 এরপর ১৯৮০ সালে দেশটিতে শেনজেনসহ ৪টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হয়।

এখানে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কর ছাড়, সহজ ব্যবসার পরিবেশ এবং উন্নত অবকাঠামো দেওয়া হয়।

ফলে হাজার হাজার বিদেশি প্রতিষ্ঠান চীনে কারখানা স্থাপন করে।

খেলনা, পোশাক, ইলেকট্রনিক্স থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে উচ্চপ্রযুক্তি পণ্য উৎপাদন শুরু হয়।

এভাবেই চীন হয়ে উঠে বিশ্বের কারখানা 🔥

১৯৯০ এর দশকে দেশটিতে হাজার হাজার কিমি মহাসড়ক নির্মাণ, গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি, বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক বিনিয়োগ, শিল্পাঞ্চল ও নতুন শহর গড়ে তোলা হয়।

ফলে Apple, Samsung, Dell, HP, Sony-সহ বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি চীনে উৎপাদন শুরু করে।

রপ্তানি দ্রুত বাড়তে থাকে এবং কোটি কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। দেশের অর্থনীতির লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে।

চীন বুঝেছিল, শিল্পায়নের জন্য শুধু কারখানা নয়—রাস্তা, রেল, বন্দর ও বিদ্যুৎ সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে দেশটিতে ৪৮,০০০ কিমির বেশি উচ্চগতির রেলপথ রয়েছে। রয়েছে ১,৮০,০০০ কিমির বেশি এক্সপ্রেসওয়ে। আর বিশ্বের ব্যস্ততম ১০টি কনটেইনার বন্দরের মধ্যে ৭টি রয়েছে চীনে।

২০১২ সালে শি জিনপিং ক্ষমতায় এসে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করেন 🔥

তিনি Tiger and Flies নীতি গ্রহণ করেন।

এ নীতি অনুযায়ী শুধু ছোট কর্মকর্তা নয়; দূর্নীতি করলে মন্ত্রী, জেনারেল, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এক দশকে লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মকর্তা শাস্তি, বরখাস্ত বা তদন্তের আওতায় এসেছে; এর মধ্যে হাজার হাজার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও ছিলেন।

সরকারি ক্রয়, কর আদায়, কাস্টমস ও প্রশাসনের অনেক সেবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা হয়, ফলে ঘুষ ও অনিয়মের সুযোগ কমে।

বড় ধরনের দুর্নীতির মামলায় অনেক কর্মকর্তাকে আজীবন কারাদণ্ড, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে, যা অন্য কর্মকর্তাদের জন্য শক্ত বার্তা হিসেবে কাজ করেছে।

ফলে, ব্যবসায়ীদের আস্থা বৃদ্ধি পায়। বড় সরকারি প্রকল্পে অর্থ অপচয় ও অনিয়ম কমে আসে। বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়ে।

🔥 আজকের চীন…

✅ বিশ্বের ২য় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। GDP প্রায় ২০ ট্রিলিয়ন ডলার। মাথাপিছু আয় প্রায় ১৩,৫০০ ডলার। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি।

✅ অর্থনৈতিক ও সামরিক দিক দিয়ে আমেরিকা যদি কাউকে পরোয়া করে সেটা হলো চীন।

✅ দেশটিতে প্রতিবছর শত শত কিলোমিটার নতুন রেলপথ ও মহাসড়ক যুক্ত হচ্ছে।

✅ ১৯৭৮ সালে যেখানে শহরে বাস করত মাত্র ১৮% মানুষ, বর্তমানে ৬৭% এরও বেশি মানুষ শহরে বাস করছে।

✅ ১৯৮১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ৮০ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে।

✅ সাক্ষরতার হার এখন ৯৭% এর বেশি।

✅ গবেষণা ও উন্নয়নে (R&D) বার্ষিক ব্যয় প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার যা বাংলাদেশের জিডিপির সমান।

✅ বৈদ্যুতিক গাড়ি (EV) উৎপাদনে বিশ্বের ১ নম্বর দেশ।

মাত্র ৪০–৪৫ বছর লেগেছে….

আজকে চীন কোথায় আর বাংলাদেশ কোথায়! বাংলাদেশের গল্প না-ই-বা বল্লাম, আপনারা সবই জানেন 🤷‍♂️🇧🇩

Address

Dhaka

Telephone

+8801763460713

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Miraj Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Miraj Hossain:

Shortcuts

Share