ILMAN Nafiyan

ILMAN Nafiyan আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে...

13/06/2025

আজকের আয়াত/হাদীস

"আবূ হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

مَنْ تَرَدَّى مِنْ جَبَلٍ فَقَتَلَ نَفْسَهُ فَهْوَ فِي نَارِ جَهَنَّمَ يَتَرَدَّى فِيهِ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيهَا أَبَدًا ، وَمَنْ تَحَسَّى سَمًّا فَقَتَلَ نَفْسَهُ فَسَمُّهُ فِي يَدِهِ يَتَحَسَّاهُ فِي نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيهَا أَبَدًا ، وَمَنْ قَتَلَ نَفْسَهُ بِحَدِيدَةٍ فَحَدِيدَتُهُ فِي يَدِهِ يَجَأُ بِهَا فِي بَطْنِهِ فِي نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيهَا أَبَدًا.

যে লোক পাহাড়ের উপর থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করে, সে জাহান্নামের আগুনে পুড়বে। চিরদিন সে জাহান্নামের মধ্যে অনুরূপভাবে লাফিয়ে পড়তে থাকবে। যে ব্যক্তি বিষপান করে আত্মহত্যা করবে, তার বিষ জাহান্নামের আগুনের মধ্যে তার হাতে থাকবে। চিরকাল সে জাহান্নামের মধ্যে তা পান করতে থাকবে। যে ব্যক্তি লোহার আঘাতে আত্মহত্যা করবে, জাহান্নামের আগুনের মধ্যে সে লোহা তার হাতে থাকবে। চিরকাল সে তা দ্বারা নিজের পেটে আঘাত করতে থাকবে।

সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৭৭৮ (ফুআদ আবদুল বাকী তাহকীককৃত) ৫৩৬৩(ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)"

This content is copied from Muslims Day Android App
Download Link: https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan

13/06/2025

নেতানিয়াহু ভাষণে বলে, ইরানের সাথে যুদ্ধ দীর্ঘ হবে
"প্রথম স্ট্রাইক সফল হয়েছে, কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘ হবে - আমাদের অভ্যস্ত হওয়ার চেয়ে বেশি দীর্ঘ।"

13/06/2025


ইসরায়েলি হামলার আগে রাশিয়ার সামরিক জোট প্রস্তাব ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে

দার্শনিক আলেকজান্ডার দুগিন বলেন,
ইরান পশ্চিমাদের সঙ্গে সমঝোতার স্বপ্নে ঘুমিয়ে থাকার কারণে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সামরিক জোটে যোগ দেয়নি
রাশিয়া-ইরান ইউনিয়ন স্টেট তৈরির ভাবনাও তেহরান গুরুত্ব দেয়নি

বছরের শুরুতে দু’দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব হয়েছে, তবে উত্তর কোরিয়ার মতো সামরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়নি
দুগিনের মতে, রাশিয়া বড় হামলার আশঙ্কায় ইরানকে আগেই সতর্ক করলেও তেহরানের ‘পশ্চিমপন্থী’ অংশ তা উপেক্ষা করেছে
ফলাফল: আঘাত এলো, কিন্তু প্রতিরক্ষার জন্য জোট হয়নি
সোর্স: জিওপলিটিক্স লাইভ

13/06/2025

ইরানের সাথে আকিদার দ্বন্দ্ব ছিল,আছে,থাকবেই! সে আল কুদস কে লিবারেট করার ফিকির করেনি, করেও না, করবেও না। বরং ইস্পাহান সব পুরো ইরানও যদি ইস্রাইলের দখলে চলে যায় এতে অবাক হওয়ারও কিছু নেই।

ইরাকের ইউফ্রেডিস থেকে মিশরের রিভার নাইল (নীলনদ) সবই হোলি ল্যান্ড, যেখান থেকে দাজ্জাল ও তার মিত্র অনুসারীরা ভবিষ্যতে কিছু সময়ের জন্য বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করবে। ঠিক যেমন থ্রোন অফ দাউদ ও সুলাইমান (আ) এর যুগে বানু ইসরাঈল করেছিল।

আর চলমান ইস্যু ইস্রাইলের একক প্ল্যান নয়।
বরং যাইওনিস্ট মাস্টার প্ল্যান। এর মাঝে আছে ইয়াহুদ,নাসারা,মুশরেক ও মুনাফেক সম্প্রদায়!
তাদের উদ্দেশ্য মালহামার মধ্য দিয়ে ওয়ার্ল্ড অর্ডারে পরিবর্তন আনা। নতুন রুলিং স্টেইট হিসেবে পশ্চিম
ও মেরিকান রেজিমকে রিপ্লেস করে হিস্রাইলকে নতুন রুলিং স্টেইট হিসেবে মঞ্চস্থ করা। এরপর দাজ্জাল।

তারপরই নবুয়্যাতের আদলে "গ্লোবাল খিলাফাহ" ইনশাআল্লাহ। আল আজিজ।

তবে কথা হল যদি আমরা দেখব যে হিস্রাইলের মত দাজ্জালের অনুসারীদের বিরুদ্ধে শিয়া কেন? একজন নাসারা, মুশরিক কিংবা মুরতাদও যুদ্ধে নেমেছে তখন আকিদার হিসেব মাথায় রেখেই আমাদের উচিৎ হবে হিস্রাইলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া। যদিও তার বিপক্ষে একজন শিয়া অবস্থান নেউক, কিংবা একজন মাজুসি।
(অগ্নি পুজারী)

এ বিশ্ব কিয়ামাতের পূর্বের সেই গৌরবময় খিলাফার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছে। এর বেশি কিছুই না।
তাই আসুন! নিজেরাও প্রস্তুত হই।

আল্লাহুম্মা ওয়াফফিক্বনা ইয়া রব্বা মুহাম্মাদ!

যাত্রী পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে গত ফেব্রুয়ারীতে উদ্যোগ নেয়া হয়। ২৬১০টি বাসের রং পরিবর্তন করে পিংক কালার করা হয় । এটি ...
30/05/2025

যাত্রী পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে গত ফেব্রুয়ারীতে উদ্যোগ নেয়া হয়। ২৬১০টি বাসের রং পরিবর্তন করে পিংক কালার করা হয় । এটি কি নিছক কাকতালীয় ঘটনা? বাসগুলো যদি শুধু মহিলা যাত্রীদের জন্য হতো তাহলেও একটা কথা ছিল। কারণ পিংক নারীদের রিপ্রেসেন্ট করে। কিন্তু সেটাতো না। তাহলে এতোগুলো বাসের রং কোন উদ্দেশ্য ছাড়া পিংক হয়ে গলো! পিংকের সাথে পাবলিক বাসের কি সম্পর্ক? বাসগুলো আলাদা করতে লাল সবুজ রং ব্যবহার হতে পারতো। অথবা অন্যকোন রং।

-

বাসগুলো শুধু মহিলা যাত্রীদের জন্য না। পিংক রংয়ের সাথে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কোন সম্পর্ক নাই। দেশীয় সংস্কৃতি বা কোন থিম কালার হিসেবে পিংকের কোন সংযোগ নাই। পিংক একটি বিশেষ কমিউনিটিকে রিপ্রেসেন্ট করে। পিংক এলজিকে রিপ্রেসেন্ট করে। পিংক কালারের সাথে মহাজনদের এ সময়ের একান্ত চাওয়া দুনিয়াজুড়ে এলজি মতবাদ ছড়িয়ে দেয়ার ক্যানেকশন আছে।

-

অবচেতন মনের উপর প্রভাব ফেলার জন্য রংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। সুপারশপে বাচ্চাদের কর্ণারে এক ধরনের রংয়ের প্রাধান্য খেয়াল করবেন। বাচ্চাদের খেলনা থেকে শুরু করে টিভি কার্টুন, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সবকিছুতে এলজি কালারের ছড়াছড়ি। কেনো? কারণ তারা আমাদের বাচ্চাদের টার্গেট করেছে। কারণ বাচ্চাদের কচি মস্তিস্কে এই রং গেঁথে দিতে চায়। সাবকনশাস মাইন্ডে বাচ্চারা এটিকে গ্রহণ করবে, বড় হয়েও যার আকর্ষণ রয়ে যাবে, আস্ত একটি জঘন্য মতবাদকেও তখন সে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নিবে।

-

কর্তৃপক্ষের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টাকে সাধুবাদ জানাতেই হয়। কিন্তু টিকেটিং সিস্টেম কতদিন টিকে ছিল? সার্বিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা কতদিন বহাল ছিল? এই পদক্ষেপগুলো যে টিকবে না সংশ্লিষ্টরা সেটা খুব ভালো করে জানার কথা। কিন্তু পিংক কালার টিকে আছে। নতুন নতুন বাসে এখনও এই কালার করা হচ্ছে যা রাস্তায় ভালো করে খেয়াল করলেই বুঝা যায়।

বাসের রং পরিবর্তনে কি সাবকনশাস মাইন্ড গেইম থাকতে পারে? ভেবে দেখবেন।

25/05/2025

আপনারা আরো ঘুমিয়ে থাকেন হি'ন্দুরা মু'সলিম মেয়েদের প্রেমের ফাঁ|দে ফেলানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে নাটক পর্যন্ত তৈরি করছে
আয়শা আদিত্য নাটকের নাম শুনেই বুঝেছিলাম হিন্দু মুসলিম রিলেটেড এই নাটকের মাধ্যমে শত শত মু|সলিম মেয়েদের ব্রেনওয়াশ করা হবে হি|ন্দু ছেলেদের সাথে
মুস|লিম মেয়েদের প্রেম নরমালাইজ করা হবে

ভালো করে খেয়াল করুন ছেলেটার হাতে লাল ফিতা এমনকি মেয়ের মাথায় হিজাব পর্যন্ত লাগিয়েছে চিন্তা করুন কত ভয়ানক মিশন

আপনারা যারা হি|ন্দুদের ভয়ানক ষড়°যন্ত্র বিশ্বাস করেন না এই লিংকের ভিডিওগুলি দেখুন 👇
https://www.facebook.com/share/p/15VNo8zgiX/

এই নাটকের মাধ্যমে এমন একটি বার্তা ছড়ানো হয়েছে, যেন মু•সলিম মেয়ের হি•ন্দু ছেলের সঙ্গে প্রেম বা সম্পর্ক রাখা একটি “নরমাল” বিষয়। এটি কেবল ধর্মীয় অনুশাসন ভঙ্গের বার্তা নয়, বরং তরুণ প্রজন্মের জন্য এক বিপজ্জনক আদর্শ তৈরি করছে। আজকের এই মিডিয়া-নির্ভর সমাজে, একেকটি নাটক, সিনেমা বা ওয়েব সিরিজ যুবসমাজের চিন্তা ও মূল্যবোধকে প্রভাবিত করে। "আয়েশা আদিত্য" নাটকের মতো নাটক তরুণী মুস°লিম নারীদের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে, অনেকেই ধ°র্মীয় সীমা লঙ্ঘন করে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হবে হি|ন্দু হবে, এমনকি ইস|লাম ত্যা|গ করে হি|ন্দু ধর্মে চলে যাওয়ার পথেও এগিয়ে যাবে

এটা কেবল একটি ধর্মীয় ইস্যু নয়, বরং জাতির ভবিষ্যৎ ও নৈতিক ভিত্তির প্রশ্ন।
1. “আয়েশা আদিত্য” নাটকের সম্প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করা হোক।

2. এই নাটকের সঙ্গে জড়িত প্রযোজক, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও চ্যানেল কর্তৃপক্ষকে আইনি তদন্তের আওতায় আনা হোক।

3. ধ|র্মীয় অনুভূতির উপর আঘাতকারী কনটেন্ট নির্মাণের বিরুদ্ধে স্পষ্ট আইন প্রয়োগ ও উদাহরণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

4. ভবিষ্যতে যাতে কোনো গণমাধ্যম ইস|লামী আদর্শ ও পারিবারিক মূল্যবোধকে কলু°ষিত না করে, সে জন্য মিডিয়া মনিটরিংয়ের শক্তিশালী নীতিমালা গঠন করতে হবে।

বাংলাদেশের প্রত্যেকটা আলেম মুস|লিম সমাজের এই ব্যাপার নিয়ে অবশ্যই কথা বলতে হবে এখনই

জয়েন
Save BD Muslim Girls (official)
Save BD Muslim Girls (Private)

🛑নাটকের লিংক সবাই রিপোর্ট মেরে আসুন

এই নাটকের পরিচালক, অভিনীতা অভিনেত্রী সবগুলারে ধরে কঠিন শাস্তি দিতে হবে

https://youtu.be/nPf6pv8LoxU?si=-gr8XWkpFuwwy21l

জরুরী পোস্ট। শেয়ার করুন এবং নিজ দায়িত্ব কপি করে পোস্ট করুন। চট্রগ্রামের সুমাইয়া চৌধুরী নামে এক মেয়ে প্রথমে তন্ময় দাস নাম...
25/05/2025

জরুরী পোস্ট।
শেয়ার করুন এবং নিজ দায়িত্ব কপি করে পোস্ট করুন।

চট্রগ্রামের সুমাইয়া চৌধুরী নামে এক মেয়ে প্রথমে তন্ময় দাস নামে এক হি|ন্দু ছেলেকে বিয়ে করে, তার পেটে সম্ভবত হি|ন্দু ছেলের বাচ্চা।

একজন বোন তাকে নক করে জিজ্ঞেস করে যে আপনি নাকি হেদুকে বিয়ে করে হেদু হয়েছেন ?
এতেই রেগে যায়, এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গা*লি দেয়।

প্রিয় চট্রলার তৌহিদী জনতা, এবং তাওহিদবাদী স্প্যামার, সাইবার স্পেশালিষ্ট ভায়েরা, চট্রলার তৌহিদী জনতা এই শা*(তি)মের বেঁ (চে থাকার কোনো অধিকার নাই। জান্নাত আপনাদের দৌড় গুঁড়ায়
ওর টিকটক আইডিতে পাঁচ লাখ ফলোয়ার আইডি খে"য়ে দেন এবং ০রে ও খে"য়ে দেন
আইডি
https://www.facebook.com/share/19HCCsynLS/

25/05/2025

১৯২৪ সালের ৩ মার্চ, কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে শেষ উসমানি খিলাফাহ বিলুপ্ত করা হয়।
কিন্তু তুমি কি জানো, এর পেছনে কাজ করেছিল ব্রিটিশ গোয়েন্দা Lawrence of Arabia, MI6 এবং ফ্রিম্যাসনিক চক্রের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা?
তুমি কি জানো সাইকেস-পিকো চুক্তি (1916) ছিল মুসলিম ভূমিকে কৃত্রিমভাবে ভাঙার প্রথম মাপজোক?

তাদের লক্ষ্য ছিল: উম্মাহ নয়, টুকরো টুকরো “নেশন স্টেট”।
আর তোমাকে শেখানো হয়েছে — “দেশপ্রেম মানেই ইসলামপ্রেম!”

তুমি কি জানো...
NATO কখনোই মুসলিমদের রক্ষা করার জন্য গঠিত হয়নি।
UN-এর Human Rights শুধু তখনই কাজ করে, যখন সেটা পশ্চিমের Narrative-এর সঙ্গে মিলে যায়।
Rothschild গোষ্ঠী আজও IMF ও World Bank-এর মাধ্যমে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে ঋণের দাস বানিয়ে রেখেছে।

তারা খিলাফাহ ভাঙে শুধু মাটিতে নয়, মুসলমানের ‘মগজেও’।
তুমি আজ যা দেখো, যা বিশ্বাস করো — সব তৈরি করা হয়েছে ‘Thought Engineering’-এর মাধ্যমে।

Netflix, Marvel, TikTok, Spotify, Vogue, PornHub — এগুলো শুধু বিনোদনের নাম নয়,
এগুলো হলো “Digital Narcotics”।
ধীরে ধীরে ইসলামী পরিচয়, রুচি ও আত্মমর্যাদাকে ধ্বংস করার জন্য ডিজাইন করা সফটওয়্যার বো°মা।

তুমি কীভাবে বুঝবে খিলাফাহ ছাড়া মুসলমান অন্ধ?
— ১০০ টির বেশি মুসলিম দেশের একটিও “Sharia-based System” অনুসরণ করে না।
— আল কুরআনের আইন আজ ‘এক্সট্রিমিজম’ নামে চিহ্নিত।
— মুসলিম দেশগুলোর “ইসলামী ইউনিটি” কাগজে আছে, বাস্তবে নয়।
— মুসলিম শিশু ম°র°ছে গাজায়, আর মুসলিম যুবক নাচছে TikTok-এ।

23/05/2025

A. Ralph Epperson তার আলোচিত বই “The New World Order” প্রকাশ করেন ১৯৯০ সালে ।

এই বইয়ের মূল বিষয়সমূহ:- ছোট্ট করে পয়েন্ট আকারে করে তুলে ধরছি. এগুলো একেকটা বিশাল চ্যাপ্টার। আপনাকে অনেক বেশি পড়াশোনা করতে হবে, তাহলেই বর্তমান মিলিয়ে নিতে পারবেন। অথবা বইটা পড়তে দেখতে পারেন (বাংলায় অনুবাদ নেই)। আপনার থার্ড আই খোলা থাকলে বিষয়গুলো অবশ্যই অনুধাবন করতে পারবেন।

জনসংখ্যা হ্রাস (Depopulation) হবে একটি বড় লক্ষ্য।
লেখক দাবি করেন, পৃথিবীর জনসংখ্যা ইচ্ছাকৃতভাবে কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে ।
এর মাধ্যমে বিশ্ববাসীর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও সহজ হবে ।
(তারা আমাদের মধ্যে জনসংখ্যার হ্রাস করার পদ্ধতি পুশ করেছে কিন্তু ‍নিজেরা তার উল্টো পথে হাঁটছে)।

জাতীয় সরকার বিলুপ্ত করে একটি বৈশ্বিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।
দেশীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ধ্বংস করা হবে ।
জাতিসংঘের মতো প্রতিষ্ঠান এই বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সূচনা করবে ।
(তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অযুহাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে UN প্রেরণ করেছে । এখন তারা আমাদের দেশেও প্রবেশ করেছে । আর চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে কী চলছে সবাই তো তা দেখতেই পাচ্ছেন )।

সরকারি চাকরি ও সেবাখাতের পরিবর্তে সব কিছু কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণে যাবে।
শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আইন-শৃঙ্খলা ইত্যাদি বেসরকারি মালিকানায় চলে যাবে ।
কর্পোরেশনগুলোই শাসন করবে — নির্বাচিত সরকার নয় ।
(এই বিষয়টা মিলিয়ে দেখতে পারেন)।

মানবাধিকার হ্রাস ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অবসান ঘটবে।
মানুষকে ডিজিটালি ট্র্যাক ও নিয়ন্ত্রণ করা হবে (উদাহরণ: জাতীয় পরিচয়পত্র, ডিজিটাল মুদ্রা,ডিজিটাল আইডি দেওয়া হবে)। সামনের মহামারীতে RFId দেওয়া হবে !
ব্যক্তি স্বাধীনতা বা free speech সীমিত করা হবে ।
(বর্তমানে আপনি আমি কেউই স্বাধীন নয় । আমরা সবাই কোন না কোন ভাবে তাদের ট্রাকিং এর মধ্যে আছি )।

একক মুদ্রা ব্যবস্থা গঠন করা হবে (One Global Currency)।
জাতীয় মুদ্রাগুলো বিলুপ্ত হবে এবং একটি একক ডিজিটাল মুদ্রা চালু করা হবে ।

ধর্ম ও পারিবারিক কাঠামো দূর্বল করা হবে।
ধর্মীয় মূল্যবোধকে ধ্বংস করা হবে যাতে মানুষ রাষ্ট্র বা গোপন শক্তির প্রতি বেশি অনুগত হয় ।
পরিবারব্যবস্থাও দূর্বল করে সমাজে ‘ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা’ প্রতিষ্ঠা করা হবে ।

বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে মানুষকে “প্রোগ্রাম” করা হবে।
শিক্ষার মাধ্যমে গোপনে নির্দিষ্ট মতাদর্শ মানুষের মাঝে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে ।
স্বাধীন চিন্তা ও বিশ্লেষণ শক্তিকে ধ্বংস করা হবে ।
(আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের চোখে এখন এমন ভাবে পর্দা তৈরি করে দিয়েছে যে আমরা আমাদের সামনে যা হয় শুধু তাই দেখতে পাই । কিন্তু এর পিছনে কী প্রগ্রাম কাজ করছে সেটা বুঝে উঠতে পারি না । আর প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদের থেকে আমাদের চিন্তা করার সময়ও কেড়ে নেওয়া হয়েছে ।)

প্রযুক্তি ও নজরদারির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হবে,
CCTV, মোবাইল, ইন্টারনেট — সবকিছু ব্যবহার করে নাগরিকদের উপর নজরদারি করা হবে ।
AI ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে মানুষকে সর্বদা নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে ।
(তিনি তার বইতে সরাসরি CCTV বা AI প্রযুক্তির কথা বলেননি । তবে তিনি নজরদারি ব্যাপারে যা বলেছেন তার সাথে এই গুলি মিলে যায় । তিনি বলেন- “They will know where you go, who you meet, what you believe, and even what you think.” যা CCTV- এর সাথে মিলে যায় । এবং তার এই কথাটা- “Technology will be used not just to monitor but to influence thinking patterns — through media, education, and devices.” কে AI এবং Machine learning এর সাথে যুক্ত করা যায় ।)

নতুন প্রজন্মকে উদার, ধর্মহীন ও ভোক্তাভিত্তিক মানসিকতা শেখানো হবে।
পরবর্তী প্রজন্মকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যাতে তারা প্রশ্ন না তোলে ।
(আমরা এখন জানিনা আমাদের কখন, কোন বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা উচিত )।

বিশ্বব্যাপী সংঘর্ষ সৃষ্টি করে জনগণকে ভয় দেখানো হবে।
যুদ্ধ, মহামারি, আর্থিক সংকট ইচ্ছাকৃতভাবে সৃষ্টি করা হবে ।
এই ভয় থেকেই মানুষ স্বেচ্ছায় তাদের স্বাধীনতা ত্যাগ করবে ।

এই হল বর্তমান মূর্খ বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষিতদের চিন্তার নমুনার আসল চাবি কাঠি ।
25/04/2025

এই হল বর্তমান মূর্খ বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষিতদের চিন্তার নমুনার আসল চাবি কাঠি ।

16/04/2025

আমি অনুধাবন করছি.....
আরাকানের অবস্থা ভয়াবহ, কাশ্মীরের অবস্থা আরো শোচনীয়, গাজ্জার অবস্থা তো আমাদের সবারই জানা আছে। এখন মার্চ করতে পারছি, প্রতিবাদ জানাতে পারছি। কিছুদিন পর এমন অবস্থা তৈরী হবে, যখন আমরা নিজেরাই গাজ্জায় পরিণত হবো, আর এটা আবেগ নির্ভর কোন কথা নয়, হাদিসে এমন ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে!

তথাপি আমাদের মধ্যে নির্লিপ্ততা কেন? কোন সজাগ বা সাড়া শব্দ নেই কেন? কারণ হচ্ছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ ঘনিয়ে আসছে। অচিরেই সেই সময় এসে যাবে। হাদীসের প্রতিশ্রুত সেই সময় খুবই কাছে। আর তার পূর্ব মুহুর্তে মানুষ থাকবে প্রমোদে লিপ্ত।

অবশ্য এর একটা কারণ আছে। তা হলো : কঠিন মালহামার সময় দরকার দক্ষ, অটল, দৃঢ় মনোবলের মুজাHid, যারা সচেতন। তাই এই স্রোতে গা ভাসানোর সময়েও যারা হিন্দের যু*দ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, মুলত তারাই হবে সেই মহা বিজয়ের স্বপ্নরথী।

হে আমার প্রিয় ভাই: আপনি কি প্রস্তুত?

মহাযুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য করণীয়:
(১) সর্বপ্রথম বিশুদ্ধ আক্বিদা লালন করতে হবে, মুসলিম পরিচয়ের জন্য এটা জরুরী। ঈমান কুফরের মৌলিক পার্থক্যের বুঝ থাকা খুবই জরুরী।
(২) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাবন্দি করতে হবে। এটা ছাড়া কোন বিজয়ের চিন্তা অলিক কল্পনা।
(৩) কুরআন অনুধাবনের চেস্টা করা। কিছু তরজমা, কিছু জরুরী ব্যাখ্যা অবশ্যই জেনে নেয়ার চেস্টা করা।
(৪) অন্তরে মুসলিম উম্মাহর ব্যাপারে সর্বচ্চো ভালোবাসা রাখা,তাদের ব্যাথায় ব্যাথিত হওয়া,উম্মাহর মুক্তির জন্য কুরবানি পেশ করার মানসিকতা রাখা।
(৫) আজ থেকেই মহাযুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করা। অলস সময় না কাটানো। হক্বপন্থী আলিমদের সোহবতে থেকে এই পথে অগ্রসর হওয়া।

আল্লাহ তৌফিক দান করুন।আমিন।

16/04/2025

স্বর্ণের পাহাড়-

ইসলাম শুধু আবেগ দিয়ে নয় কুরআনের সঠিক ব্যাখা , সুন্নাহ গবেষণা দিয়ে ব্যাখা করলে উম্মতের জন্য কল্যাণকর হয়।

ঈমাম মাহদী আসার পূর্বে একটি আলামত হল ফোরাত নদীতে স্বর্ণের পাহাড় উঠা। এখন মূল সমস্যা হলো- এগুলো নিয়ে এমন বিভ্রান্তি ছড়িয়ে গেছে সহজ জিনিসটা যেন জটিল মনে হবে।

আগে বুঝতে হবে,কেয়ামতের আলামত ও ফেতনার মধ্যে পার্থক্য কি!? কেয়ামতের পূর্ব পর্যন্ত যত লক্ষন হাদীসে বর্ণিত আছে সবগুলোই আলামত তারমধ্যে ফেতনাও পড়ে। কিন্তু সব আলামত ফেতনা (বিপদ, বিশৃঙ্খলা, পরীক্ষা) নয় বরং রহমত। যেমন ঈসা (আঃ) ও মাহাদীর (হাফিঃ) আগমন। আবার কিছু আলামত এমন মুমিনের জন্য রহমত আর কাফের, মুনাফেকের জন্য ফেতনা তার মধ্যে স্বর্ণের পাহাড় উঠা অন্যতম।

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “অদূর ভবিষ্যতে ফোরাত সোনার ভাণ্ডার উন্মুক্ত করে দেবে। সে সময়ে যে ওখানে উপস্থিত থাকবে, সে যেন তার থেকে কিছুই গ্রহণ না করে”। (সহিহ বুখারি, খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ২৬০৫; সুনানে তিরমিজি, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৬৯৮)

** হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “সেই পর্যন্ত কেয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না ফোরাত থেকে সোনার পাহাড় বের হবে। তার জন্য মানুষ যুদ্ধ করবে এবং প্রতি একশ জনে নিরানব্বই জন লোক মারা যাবে। যে কজন জীবনে রক্ষা পাবে, তারা প্রত্যেকে মনে করবে, বোধ হয় একা আমিই জীবিত আছি”। (সহিহ মুসলিম, ৭০০৮-৭০১০)।

এখন প্রশ্ন আসে স্বর্ণের পাহাড় কবে উঠবে বা প্রকৃত স্বর্ণের পাহাড় না অন্যকিছু।

১. রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর হাদীসে তৈল সংক্রান্ত কিছু বোঝাতে তিনি “কাফিসু”(قفيز) শব্দটি ব্যবহার করেছেন। টাকা পয়সার জন্য “দিরহাম” (درهم) শব্দটি ব্যবহার করেছেন। আর স্বর্ণের জন্য “জাহাবুন” (ذهبن من جبل) শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

সুতরাং এটা তেল, গ্যাস হবে না স্বাভাবিক। কারণ রসুলুল্লাহ (সাঃ) সহজভাবে বর্ণনা করতেন যেন উম্মত বুঝতে পারে। আর অপেক্ষা করুন ইউক্রেনের যুদ্ধ ও দ্বন্দ্ব শামে স্হানাতরিত হবে এবং এটা আরও বড় হবে।

আর আরবে ছোট টিলাযুক্ত পাহাড়কেও জাবাল বলে, তাদের পাহাড়গুলো ভারতবর্ষের মতো বিশালও হয় না। তাই এভারেস্টের মত পাহাড় উঠবে এই ধারণা ভুল হবে, আর পাহাড়ের বেশিরভাগ অংশই থাকে জমিনে। সুতরাং উপরে যতটুকু স্বর্ণ দেখা যাবে হয়তো ভূ-অভ্যন্তরে আরও বেশি থাকবে।

বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, চতূর্থ ফিৎনা হচ্ছে, অন্ধকার অন্ধত্বপূর্ন ফিৎনা। যা সমুদ্রের ঢেউয়ের ন্যায় উত্তাল হয়ে উঠবে, আরব অনারবের কোনো ঘর বাকি থাকবেনা, যেখানে উক্ত ফিৎনা প্রবেশ করবেনা? এই ফিতনা দ্বারা মুসলমানেরা লাঞ্ছিত অপদস্ত হতে থাকবে।

ফিৎনাটি শাম দেশে (সিরিয়ায়) চক্কর দিতে থাকলেও রাত্রিযাপন করবে ইরাকে। তার হাত পা দ্বারা আরব ভুখন্ডের ভিতরে বিচরন করতে থাকবে।

উক্ত ফিৎনা এ উম্মতের সাথে চামড়ার সাথে চামড়া মিশ্রিত হওয়ার ন্যায় মিশে যাবে, তখন বালা মুসিবত এত ব্যাপক ও মারাত্নক আকার ধারন করবে যা দ্বারা মানুষ ভালো খারাপ নির্ণয় করতে পারবেনা।

ঐ মুহুর্তে কেউ উক্ত ফিৎনা থামানোর সাহসও রাখবেনা। একদিকে একটু শান্তির সুবাতাস বইলেও অন্যদিকে ফিৎনা তীব্র আকার ধারন করবে। সকালবেলা কেউ মুসলমান থাকলেও সন্ধ্যা হতে হতে সে কাফের হয়ে যাবে। উক্ত ফিৎনা থেকে কেউ বাঁচতে পারবেনা।।

কিন্তু শুধু ঐ লোক বাঁচতে পারে, যে সমুদ্রে ডুবন্ত ব্যক্তির ন্যায় করুন সুরে আকুতি জানাতে থাকে। সেটা প্রায় ১২ বৎসর পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে এবং এক পর্যায়ে সকলের কাছে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

ইতোমধ্যে ফুরাত নদীতে স্বর্ণের একটি ব্রিজ (পাহাড়) প্রকাশ পাবে। যা দখল করার জন্য সকলে যুদ্ধে জড়িয়ে যাবে এবং প্রতি নয় জনের সাতজন মারা পড়বে।

[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ – ৬৭৬ ]

** হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন চতূর্থ ফিতনা ১২ বছর স্থায়ী হবে। যখন অবসান হবে তখন অবসান হবে। ( অর্থাৎ ১২ বছর সময় শেষ হবে তারপর) স্বর্ণের পাহাড় থেকে ফুরাতকে খুলে দেওয়া হবে। অতপর তার উপর প্রত্যেক নয় জনের সাত জনকে হত্যা করা হবে।

[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ – ৯৭০ ]

সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্ণিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এতে বর্ধিত বর্ণনা করেছেন যে, আমার পিতা বলেছেন, যদি তোমরা ঐ পাহাড় দেখো তবে তোমরা এর নিকটেও যেও না। (ই.ফা. ৭০০৯, ই.সে. ৭০৬৬)

সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭১৬৫

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

তারমানে বুঝা যায়,স্বর্ণের পাহাড় উঠবে সিরিয়া যুদ্ধের ১২/১৮,(আরেক হাদীসে ১৮) বছর পর এর আগে নয়। আর এই স্বর্ণের পাহাড়ের নিকট যেতে মুমিনদের মানা করা হয়েছে, ফলে এই যুদ্ধে কোন মুমিনরা অংশ্রগ্রহণ করবে না। প্রকৃতপক্ষে এই পাহাড় কাফের, মুনাফেকের জন্য ফেতনা। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাদের দুর্বল করে মুসলিমদের সাহায্য করবেন। মুনাফেক ও মুমিন চেনা তখন সহজ হবে।

যেমন – খলিফা মাহাদী আসার পূর্বে সিরিয়ার হারাস্তায় ১ লাখ খাসাফ জাতির (রাশিয়া) বাহিনী ও মদীনার বায়দা নামক স্হানে ৭০ হাজার সুফিয়ানীর বাহিনী ধসিয়ে মুসলিমদের রক্ষা করবেন।

হাফসাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, একটি বাহিনী এ কা’বা গৃহের বিপক্ষে যুদ্ধ করার ইচ্ছা করবে। তারপর তারা যখন “বাইদা” নামক এক ময়দানে পদার্পণ করবে তখন তাদের মাঝের অংশটি ভূমিতে ধ্বসে যাবে। এ সময় অগ্রভাগের সৈন্যরা পশ্চাতের সৈন্যদেরকে উচ্চৈঃস্বরে ডাকতে থাকবে। অতঃপর প্রত্যেকেই ভূমিতে ধ্বসে যাবে। বেঁচে যাওয়া একটি ব্যক্তি ছাড়া তাদের কেউ আর বাকী থাকবে না। সে-ই তাদের সম্বন্ধে অন্যদেরকে খবর দিবে। এ কথা শুনে এক লোক বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, তুমি হাফসাহ্ (রাঃ)-এর উপর মিথ্যারোপ করনি এবং হাফসাহ্ (রাঃ)-এর সম্বন্ধেও আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনিও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর মিথ্যারোপ করেননি। (ই.ফা. ৬৯৭৮, ই.সে. ৭০৩৫)

সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭১৩৪

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

ততদিন পর্যন্ত ইমাম মাহদীর আবির্ভাব হবে না, যতদিন না দামেস্কের নিকটবর্তী হারাস্তা নামক জায়গা ভূমিধ্বসের কারণে ধ্বংস না হয়।

হযরত আবু জাফর আল বাকের (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমিরুল মুমিনীন (হযরত আলী রাঃ) বলেছেন, যখন শামে (সিরিয়াতে) দুটি বৃহৎ দলের মধ্যে মতানৈক্য দেবে এবং এটি শেষ হবে না যতক্ষণ না আল্লাহ তায়ালা একটি নিদর্শন না প্রকাশ করেন?

তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হল, হে আমিরুল মুমিনীন সেই নিদর্শন টা কি?

উত্তরে তিনি বলেন, শামে (সিরিয়াতে) একটি ভূমিকম্প দেখা দিবে যার কারণে এক লক্ষ লোক ধ্বংস হবে। যার (হারাস্তা ভূমিধ্বসের) মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের উপর রহমত বর্ষন করবেন, আর কাফেরদের উপর আযাব প্রদান করবেন।

যখন এটি ঘটবে, তখন পশ্চিম দিক থেকে ধূসর বর্নের ঘোড়া সহকারে হলুদ পতাকাবাহী দল এগিয়ে আসবে। তারা ভয়ংকর হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসলীলা চালাবে।

তখন তুমি দেখবে দামেস্কের একটি গ্রাম যাকে হারাস্তা বলা হয়, সেটি ধ্বসে পরবে। তারপর দামেস্কের পার্শ্ববর্তী শুষ্ক উপত্যকা ওয়াদিউল ইয়াবেস থেকে ওয়াকিলাতুল আকবাদ (সুফিয়ানী) বেরিয়ে আসবে। তারপর তুমি মাহদীর আবির্ভাবের জন্য অপেক্ষা কর। (আল ফিতান)

Address

Keraniganj
Dhaka
1310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ILMAN Nafiyan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share