Somoy 24x7

Somoy 24x7 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Somoy 24x7, Media/News Company, Dhaka.

10/11/2020
আপনার কি মতামত??
09/11/2020

আপনার কি মতামত??

কোন পথে অাফগান এর ভবিষ্যৎ?
09/11/2020

কোন পথে অাফগান এর ভবিষ্যৎ?

আমেরিকার সাথে এক যুগান্তকারী চুক্তির পরে ট্রাম্প ঘোষনা দিয়েছিলো খুব ক্রিসমাস এর পরে আফগান থেকে আমেরিকার সৈন্য শ....

অনেকে মনে করেন এ কারণে আহমদ শফীর বাড়তি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছিল।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক মু...
19/09/2020

অনেকে মনে করেন এ কারণে আহমদ শফীর বাড়তি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছিল।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক মুহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার মনে করেন, আহমদ শফীর মৃত্যুর পরেও হেফাজতে ইসলাম তেমন কোন সংকটে পড়বে। এক্ষেত্রে তারা কতটা ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারে সেটি জরুরী বিষয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অধ্যাপক আখতার বলেন, " আহমদ শফী সাহেবের থাকা না থাকা এখানে বড় বিষয় নয়। বয়সগত কারণে গত কয়েকবছর ধরে সিদ্ধান্ত গ্রহণে আহমদ শফী সক্রিয় ছিলেন না বলেই মনে হয়েছে।"

"হেফাজতে ইসলাম দুর্বল হবে না। রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে তাদের গুরুত্ব সবসময় থাকবে। তবে সেটা ভাগ হবে নাকি ঐক্যবদ্ধ থাকবে - সেটাই হচ্ছে মূল প্রশ্ন।"

হাটহাজারী মাদ্রাসা: আহমদ শফীর নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে যে কারণেবাংলাদেশে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজতে...
18/09/2020

হাটহাজারী মাদ্রাসা: আহমদ শফীর নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে যে কারণে

বাংলাদেশে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামীর আমীর আহমদ শফীর ত্রিশ বছরেরও বেশি সময়ের একচ্ছত্র কর্তৃত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এই চ্যালেঞ্জ এসেছে তারই অনুসারী জুনায়েদ বাবুনগরীর পক্ষ থেকে।

মি: শফীর ছেলে আনাস মাদানী অভিযোগ করেছেন, গত দু'দিনে মি: বাবুনগরীর সমর্থক ছাত্ররা এবং কিছু বহিরাগত বিক্ষোভ করে মাদ্রাসাটির দখল নিয়েছিল।

মি: বাবুনগরীর পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়েছে।

তবে বিক্ষোভকারীরা মি: শফীকে মাদ্রাসার প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া এবং তার ছেলে আনাস মাদানীকে অব্যাহতি দেয়া সহ ছয় দফা দাবি সম্বলিত লিফলেট বিলি করেছিল।

বিক্ষোভ থেকে মি: শফী এবং তার সমর্থক শিক্ষকদের কক্ষে ভাঙচুর এবং একজনকে মারধোরের ঘটনাও ঘটে।

বিক্ষোভের মুখে মি: শফীকে হাজির করে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির বৈঠক করা হয় এবং সেই বৈঠকের পর আনাস মাদানীকে মাদ্রাসার শিক্ষকের পদ থেকে অব্যাহতিও দেয়ার কথা জানানো হয়।

শেষপর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দেয়।

একচ্ছত্র কর্তৃত্ব

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ১২৪ বছরের পুরনো এই মাদ্রাসার নাম হচ্ছে, জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম।

মি: শফী এই মাদ্রাসায় প্রিন্সিপাল এবং একইসাথে পরিচালকের দায়িত্ব পান ১৯৮৯ সালে। এর আগে ২০ বছরেরও বেশি সময় তিনি সেখানে শিক্ষকতা করেছেন।

মাদ্রাসাটির একজন সাবেক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, বেশ কয়েক বছর আগে তাকে অসম্মান করে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল।

তিনি বলেছেন, মি: শফী যখন প্রধানের দায়িত্ব পালন শুরু করেন, তখন মাদ্রাসার বেশিরভাগ শিক্ষকই তার ছাত্র ছিলেন। ফলে তারা মি: শফীর কোন সিদ্ধান্ত বা কর্মকাণ্ড কখনও চ্যালেঞ্জ করতেন না।

এছাড়া ৯০ এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে মি: শফীর ছেলে আনাস মাদানী মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পান।

সাবেক ঐ শিক্ষক আরও জানিয়েছেন, একদিকে বেশিরভাগ শিক্ষকের পক্ষ থেকে কোন চ্যালেঞ্জ ছিল না, অন্যদিকে ৯০-এর দশকের শেষদিকে রাজনীতিতে ধর্মের প্রভাব বাড়তে থাকায় দেশের সবচেয়ে বড় মাদ্রাসার প্রধান হিসাবে মি: শফীর একটা গুরুত্ব এবং ভাবমূর্তি তৈরি হয়।

এ সবের সুযোগ নিয়ে পরিস্থিতির কারণে মাদ্রাসাটিতে মি: শফী এবং তার ছেলে মি: মাদানীর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব গড়ে ওঠে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই শিক্ষক অভিযোগ করেছেন, মাদ্রাসা পরিচালনার যে কমিটি রয়েছে, যাকে শূরা বলা হয়, ২০০০ সাল থেকে ১৬ বছর সেই কমিটির কোন বৈঠক করা হয়নি। একক নেতৃত্বে ছাত্র ভর্তি এবং শিক্ষক নিয়োগ ও অপসারণসহ সব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সে কারণে কর্তৃত্ব বা মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল দীর্ঘ সময় ধরে। এখন তারই প্রকাশ ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন।

রাজনীতি এবং ষড়যন্ত্র?

মি: মাদানী একচ্ছত্র কর্তৃত্ব বা স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তিনি বলেছেন, মাদ্রাসার কোন কাজ একক সিদ্ধান্তে হয়নি এবং কোন ক্ষেত্রে অনিয়ম নেই।

তিনি দাবি করেছেন, মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষকদের সাথে পরামর্শ করে স্বচ্ছতার সাথে সব কাজ হয়েছে।

তিনি এখনকার ঘটনার পিছনে রাজনীতি এবং ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

"১৯৮৫ সালে একটা অপশক্তি মাদ্রাসা দখল করার জন্য হামলা করেছিল এবং তখন একজন নিহতও হয়েছিল। সেই ঘটনায় তখনকার মুরব্বীরা সামাল দিয়েছিলেন।

''সেই পরাজিত শক্তি এখন আবার অনেকদিন ধরে হাটহাজারীর মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে দখল নেয়ার পরিকল্পনা করছিল। তারাই মাদ্রাসার একজন শিক্ষকের সমর্থনে বহিরাগতদের নিয়ে সহিংসতা চালিয়েছে," বলছেন মি. মাদানী।

মি: মাদানী রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন, "যখন আলেম ওলামাদের সাথে সরকারের একটা সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে, তখন তা নস্যাৎ করার জন্য দীর্ঘ দিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী এটা করা হয়েছে। কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাকে ধ্বংস করার জন্য আন্দোলনের নামে মাদ্রাসায় ভাঙচুর এবং অনেক শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল।"

তিনি অভিযোগ করেছেন, বিক্ষোভে তার বহিষ্কারের দাবি করা হলেও এর মূল টার্গেট মাদ্রাসাটির পরিবেশ নষ্ট করা।

তার একজন সমর্থক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, কিছু ছাত্রকে ক্ষেপিয়ে তোলা হয়েছে এবং মাদ্রাসায় আন্দোলনের পিছনে কোন উগ্রগোষ্ঠী এবং সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলের মদত রয়েছে বলে তারা মনে করছেন।

দ্বন্দ্ব কোথায়?

মাদ্রাসাটির একজন সিনিয়র শিক্ষক বলেছেন, আহমদ শফীর বয়স একশ'র বেশি হয়েছে। বয়সের ভারে তিনি এক দশকের বেশি সময় ধরে কোন কর্মকাণ্ড চালাতে পারছেন না। ফলে তার উত্তরসূরি কে হবেন- এই প্রশ্নে অনেকদিন ধরেই মাদ্রাসার শিক্ষকদের মধ্যে নানা আলোচনা ছিল।

তিনি জানিয়েছেন, মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক জুনায়েদ বাবুনগরীকে ২০১১ সালে সহকারী পরিচালক করা হয়েছিল। তিনিই উত্তরসূরি হতে পারেন-এমন একটা আলোচনা ছিল। কারণ তাকে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিবও করা হয়েছিল।

কিন্তু ঐ সিনিয়র শিক্ষক মনে করেন, আনাস মাদানীর পরামর্শে মি: শফী মাদ্রাসার সাবেক একজন শিক্ষক শেখ আহমদকে আবার ফিরিয়ে আনেন। তখন এটা স্পষ্ট হয় যে মি: বাবুনগরীকে ঠেকানোর জন্য তাকে আনা হয়েছে। এনিয়ে মি: বাবুনগরী এবং তার সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছিল।

গত এপ্রিল মাসে মি: বাবুনগরীকে মাদ্রাসার সহকারী পরিচালকের পদ থেকে সরিয়ে শেখ আহমদকে সেই পদে বসানো হয়। সে সময়ও মাদ্রাসায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু তা তখন প্রকাশ হয়নি।

পরে রমযানের মধ্যেও একই ইস্যুতে উত্তেজনা দেখা দিলে তখন দুই পক্ষ আলোচনার পর মি: মাদানী এবং মি: বাবুনগরী ছাত্রদের সামনে একসাথে ঘোষণা করেছিলেন যে, তাদের মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব নেই।

কিন্তু এখন দ্বন্দ্ব দৃশ্যমান হয় ব্যাপকভাবে।

যদিও মি: বাবুনগরীর সমর্থক হিসাবে পরিচিত মাদ্রাসাটির একজন শিক্ষক আশরাফ আলী নিজামপুরী বলেছেন, ছাত্রদের বিক্ষোভের সাথে মি: বাবুনগরী বা তাদের কোন সম্পর্ক নেই। ভর্তিসহ নানা ক্ষেত্রে হয়রানির জন্য মি: মাদানীর প্রতি ক্ষোভ থেকে ছাত্ররা বিক্ষোভ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

মি: মাদানী এসব অভিযোগ মানতে রাজি নন। তিনি মনে করেন, উগ্র কোন গোষ্ঠী এবং বাইরের মদতে তার বাবার নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলা হচ্ছে এবং বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

রাজনীতি আছে কিনা?

মাদ্রাসাটির পরিচালনা কমিটির একজন সদস্য বলেছেন, হেফাজতে ইসলামের কর্মকাণ্ডের কারণে রাজনীতিও একটা বিষয় হয়েছে দ্বন্দ্বের পিছনে।

তিনি আরও বলেছেন, ২০০৯ সালে হেফাজতে ইসলাম যাত্রা শুরু করে চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পর্যায়ে। ২০১৩ সালে বিভিন্ন দাবি নিয়ে ঢাকার শাপলা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সহিংসতা হলো।

এরপর হেফাজতে ইসলাম এবং আহমদ শফী এবং আনাস মাদানীর সাথে আওয়ামী লীগ সরকারের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক অনেক ক্ষেত্রে দৃশ্যমান হয়।

সেই প্রেক্ষাপটে হেফাজতে ইসলামের কর্মকাণ্ড নিয়েও মি: শফীর সাথে জুনায়েদ বাবুনগরী এবং তার সমর্থকদের দ্বন্দ্ব আরও বাড়তে থাকে।

পরিচালনা কমিটির ঐ সদস্য মনে করেন, মি: বাবুনগরী সরকার বিরোধী অবস্থানের হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

মি: শফীর সমর্থকদের পক্ষ থেকে মি: বাবুনগরীর বিরুদ্ধে বিএনপি জামায়াতের সম্পৃক্ত রাখার অভিযোগ করা হয়। যদিও তিনি তা বিভিন্ন সময় অস্বীকার করেছেন।

তবে মাদ্রাসার একজন সাবেক শিক্ষক মনে করেন, মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ বিষয়ের সাথে বাইরের রাজনীতি এবং ব্যক্তিস্বার্থের কারণেও সেখানে দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছে এবং এখন পরিস্থিতি অস্থির হয়েছে।

মাদ্রাসাটির গুরুত্ব

দেশে সবচেয়ে বড় এই কওমি মাদ্রাসায় সাত হাজারের বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে।

অন্য কওমি মাদ্রাসাগুলোর বেশিরভাগই হাটহাজারীর এই মাদ্রাসার নির্দেশনা অনুসরণ করে থাকে।

একাডেমিক দিক থেকে এর গুরুত্ব রয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, দুই দশক ধরে বিভিন্ন সরকার বা বড় রাজনৈতিক দলগুলোও হাটহাজারীর এই মাদ্রাসাকে গুরুত্ব দিয়েছে। ফলে এর একটা রাজনৈতিক গুরুত্বও অনেক সময় দৃশ্যমান হয়েছে।

বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম ২০১৩ সালে লংমার্চ এবং ঢাকা অবরোধের মতো কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছিল।

সংগঠনটি তখন কয়েকজন ব্লগারের বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ সহ ১৩ দফা দাবি তুলেছিল।

সেই হেফাজতে ইসলামের আমীর হচ্ছেন আহমদ শফী এবং মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী।

২০১৩ সালের ৫ই মে অবরোধ কর্মসূচি থেকে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের ঢাকার শাপলা চত্বরে অবস্থান নেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সহিংসতা হয়েছিল।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, হাটহাজারীর মাদ্রাসাটি যেমন রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে, তেমনি তাদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার হওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

তবে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার পাশাপাশি রাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্ব- সবমিলিয়ে মাদ্রাসাটির নিয়ন্ত্রণ বা কর্তৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব অনেক বছর ধরে রয়েছে।

তবে এই মাদ্রাসায় প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত হওয়ায় বড় কোন ঘটনা না ঘটলে তা প্রকাশ হয়নি বা সংবাদমাধ্যমে আসেনি।

পেঁয়াজ: দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য এক মাস সময় চান     বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।'একমাস সময় পেলেই' বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়া...
17/09/2020

পেঁয়াজ: দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য এক মাস সময় চান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

'একমাস সময় পেলেই' বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা এবং পেঁয়াজের দামের নিয়ন্ত্রণ পাওয়া সম্ভব, বললেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ার পর নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়ার প্রেক্ষাপটে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলন করে একথা বলেন মি. মুনশি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন যেই পরিমাণ পেঁয়াজের মজুদ আছে সেই হিসেবে একমাস সময় পেলে 'বিকল্প' বাজার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে বাজারে চাহিদা-যোগানের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

"এক মাস সময় পেলেই মিয়ানমার, তুরস্ক, মিশর, চীন এমনকি নেদারল্যান্ডস বা নিউজিল্যান্ড থেকেও পেঁয়াজ আমদানি করা সম্ভব"।

সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন যে, ব্যবসায়ীদের একটি অংশ সুযোগ নেয়ায় এবং সাধারণ ক্রেতারা 'প্যানিক বায়িং' করায় পেঁয়াজের বাজারে ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে প্রতি বছর যে পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করা হয় তার সিংহভাগই আসে সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত। সে কারণে এই সময়েই সাধারণত বাজারে ভারসাম্যের ব্যাঘাত ঘটে। বছরের শুরুর দিকে দেশীয় পেঁয়াজের যোগান অব্যাহত থাকা থাকায় বাজারে ভারসাম্য থাকে।

এ বছর বর্ষায় অপেক্ষাকৃত বেশি বৃষ্টিপাতের কারণেও কিছুদিন পেঁয়াজের দাম উর্ধ্বমুখী ছিল বলে মন্তব্য করেন মি. মুনশি।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে পেঁয়াজের ঘাটতির ৮০ থেকে ৯০ ভাগই আসে ভারত থেকে।

তাই ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের পেঁয়াজের বাজারের ভারসাম্য স্বাভাবিকভাবেই ব্যাহত হয়।

দেশের বাজারের ঘাটতি মেটাতে আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৪ লক্ষ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে বলে মন্তব্য করেন মি. মুনশি।

তিনি বলেন, "গত বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে ভারত রপ্তানি বন্ধ করার সাথে সাথেই আমরা বিকল্প বাজার খোঁজার চেষ্টা করছি। একমাস সময় পেলেই আমরা বিকল্প বাজার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবো।"

রিফাত হত্যা মামলার রায় ৩০ সেপ্টেম্বরবরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির রায় আগামী ৩০ সেপ্টেম...
16/09/2020

রিফাত হত্যা মামলার রায় ৩০ সেপ্টেম্বর

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির রায় আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। বুধবার দুপুরে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান এই তারিখ ঘোষণা করেন। রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর এই দিন ধার্য করা হয়।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে ৭৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এক আসামির পক্ষে সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। এরপর সব আসামির পক্ষে-বিপক্ষে আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

রিফাতের স্ত্রী আয়শার জামিন

নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকার আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, ‘আদালত উভয় পক্ষের যুক্তি খণ্ডন শেষে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির রায়ের দিন ধার্য করেছেন। আদালত আমার জিম্মায় আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আয়শা সিদ্দিকাকে জামিন দিয়েছেন।’
বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি ভুবন চন্দ্র হালদার বলেন, মামলার ৭ নম্বর আসামি নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকার জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তবে আদালত আইনজীবীর জিম্মায় আয়শাকে জামিন দিয়েছেন।

গত বছরের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুভাগে বিভক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক আসামি মো. মুসা এখনো পলাতক।
গত ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন আদালত। মোট ৭৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে এই মামলায়।
রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিরা হলেন রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মুসা, আয়শা সিদ্দিকা, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর ও কামরুল ইসলাম সাইমুন।

ইসরায়েলের সাথে বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের চুক্তিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেন 'নতুন মধ্যপ্রাচ্যের সকাল' দুই উপসাগরীয় দে...
16/09/2020

ইসরায়েলের সাথে বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের চুক্তিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেন 'নতুন মধ্যপ্রাচ্যের সকাল'

দুই উপসাগরীয় দেশ আরব আমিরাত ও ইসরায়েল নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখার চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মি. ট্রাম্প।

আরব আমিরাত, ইসরায়েল ও বাহরাইন তিন দেশের মত মি. ট্রাম্পও এই চুক্তিকে ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতাতেই এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়।

১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্ম হওয়ার পর বাহরাইন ও আরব আমিরাত তৃতীয় ও চতুর্থ উপসাগরীয় দেশ হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিল।

মি. ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন যে অন্যান্য দেশও তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে, তবে ইসরায়েলের সাথে দ্বন্দ্বের সমাধান হওয়ার আগ পর্যন্ত সেরকমটা যেন না হয় সেই আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিন।

বছরের পর বছর ধরে সিংহভাগ আরব দেশ ইসরায়েলকে বয়কট করে এসেছে। আরব দেশগুলোর বক্তব্য ছিল ফিলিস্তিনের সাথে ইসরায়েলের বহু বছর ধরে চলা দ্বন্দ্বের সমাধান হলেই কেবল তারা ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করবে।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জড়ো হওয়া কয়েক'শো মানুষের উদ্দেশ্যে মি. ট্রাম্প বলেন, "কয়েক দশকের বিভক্তি এবং সংঘাতের পর আমরা নতুন এক মধ্য প্রাচ্যের উত্থানের সূচনা করছি।"

তিনি বলেন, "আজ আমরা এখানে জড়ো হয়েছি ইতিহাস বদলে দিতে।"

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, "এই দিনটি ইতিহাস পরিবর্তনের ক্ষণ, শান্তির নতুন দিগন্তের সূচনা।"

তবে ফিলিস্তিনের নেতা মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, অধিকৃত অঞ্চল থেকে ইসরায়েল সরে গেলেই কেবলমাত্র মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

সংবাদ সংস্থা এএফপি'র খবর অনুযায়ী, চুক্তি স্বাক্ষরের পর মাহমুদ আব্বাস এক বিবৃতিতে বলেন: "ইসরায়েলের অধিগ্রহণের সমাপ্তি না হলে ঐ অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা ফিরবে না।"

ওদিকে যখন চুক্তি স্বাক্ষর হচ্ছিল, সেসময়ও ইসরায়েল থেকে গাজা উপত্যকা থেকে দু'টি রকেট ইসরায়েলের দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

এই চুক্তিকে কেন ঐতিহাসিক বলা হচ্ছে?

আরব আমিরাত ও বাহরাইনের আগে মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়া দেশ ছিল শুধুমাত্র মিশর ও জর্ডান, যারা ১৯৭৮ ও ১৯৯৪ সালে ইসরায়েলের সাথে শান্তি চুক্তি করেছিল।

উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকায় আরব লিগের সদস্য মৌরিতানিয়া ১৯৯৯ সালে ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করলেও ২০১০ সালে সম্পর্কচ্ছেদ করে।

এখন দেখার বিষয় উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশ, বিশেষ করে সৌদি আরব, আরব আমিরাত ও বাহরাইনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে কি না। এখন পর্যন্ত সৌদি আরব ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা এ ধরণের কোনো চুক্তি করতে প্রস্তুত নয়।

এই চুক্তির ফলে মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে হওয়া পারস্পরিক সম্পর্কের জের ধরে ঐ অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ভারসাম্যেও পরিবর্তন আসতে পারে। ইসরায়েলের পাশাপাশি বেশকিছু আরব রাষ্ট্রেরও ইরানের সাথে শত্রুভাবাপন্ন সম্পর্ক রয়েছে।

ফিলিস্তিনিরা কেন এই চুক্তির নিন্দা করছে?

ফিলিস্তিনিরা মনে করছে এই চুক্তি করে তাদের সাথে ভয়াবহ বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।

আরব দেশগুলোর মধ্যে বহু বছরের একটা ঐকমত্য ছিল। সেটি হচ্ছে, ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক একমাত্র ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার মাধ্যমেই হতে পারে।

ফিলিস্তিনিরা বলছে এই চুক্তি করে উপসাগরীয় দেশগুলো ঐ প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছে।

আরব আমিরাত অবশ্য বলছে, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়টি চুক্তির অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ এবং এই চুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলকে রাজি হতে হবে যে পশ্চিম তীরের এক বিরাট ফিলিস্তিনি এলাকা তারা নিজেদের সীমানা ভুক্ত করবে না।

জানুয়ারি মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের 'বিতর্কিত' প্রস্তাবিত মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী পশ্চিম তীরের বড় একটি অংশ ইসরায়েলের সীমানাভুক্ত করার কথা ছিল।

ফিলিস্তিনিরা মি. ট্রাম্পের প্রস্তাবকে ইসরায়েলের প্রতি পক্ষপাত বলে অভিযোগ করেছিল এবং সতর্ক করেছিল যে ঐ সংযুক্তির ফলে ভবিষ্যতে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনা নষ্ট হবে এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হবে।

'চুক্তি নিয়ে বিতর্কের পেছনের কারণ'

মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব ও ইরানের একে অপরের বিরুদ্ধে নেয়া কূটনৈতিক পদক্ষেপের পেছনের কারণ মূলত ধর্মীয়।

দুই দেশের মধ্যে বহু বছর ধরে চলতে থাকা দ্বন্দ্বের মূল ভিত্তি ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিন্নতা। দুই দেশ ইসলাম ধর্মের প্রধান দুই শাখার অনুসারী - ইরান মূলত শিয়া মুসলিম এবং সৌদি আরব নিজেদের বিশ্বের শীর্ষ সুন্নি মুসলিম শক্তি হিসেবে মনে করে।

আরব আমিরাত ও বাহরাইন দুই দেশই সৌদি আরবের মিত্র।

এই চুক্তির পর সৌদি আরবের প্রতিক্রিয়ার দিকে নজর থাকবে পুরো বিশ্বের। এখন পর্যন্ত এমন কোনো ইঙ্গিত আসেনি যে তারা বাহরাইন বা আরব আমিরাতের পদক্ষেপ অনুসরণ করবে।

ক্ষমতাবহির্ভূত ইলেক্ট্রনিক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করায় র‍্যারের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন এ...
10/09/2020

ক্ষমতাবহির্ভূত ইলেক্ট্রনিক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করায় র‍্যারের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন এক ব্যবসায়ী। এবং জরিমানা করা ১৫ লাখ টাকাও ফেরত দেয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী এম এম ইন্টারপ্রাইজের মালিক মাকসুদুল আলম মাসুদের পক্ষে নোটিশটি পাঠান আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

আইনজীবী বলেন, র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম বিভিন্ন জায়গায় ভেজাল খাদ্য দ্রব্য, ভেজাল ওষুধ, ভেজাল প্রসাধনী এবং ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন। প্রশ্ন হচ্ছে এসব অভিযান পরিচালনা করার এখতিয়ার উনার আছে কি-না। এসব প্রশ্ন তুলে অভিযান পরিচালনার সময় ১৫ লাখ টাকাও ফেরত দেয়ার আর্জি জানানো হয়েছে৷

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Somoy 24x7 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share