মি. সজীব ভাই

মি. সজীব ভাই আমার পেজে আপনাকে স্বাগতম 🌹 আশা করি আমার পেজটি আপনার ভালো লাগবে।পাশে থাকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ💝

নিথর পড়ে আছে বাংলাদেশের লাশ! আমরা মরবো তবু হবো না কারো দাস😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭দিল্লির দাসত্ব করার স্বপ্ন যারা দেখছো তোদের লাথি...
19/12/2025

নিথর পড়ে আছে বাংলাদেশের লাশ!
আমরা মরবো তবু হবো না কারো দাস
😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭
দিল্লির দাসত্ব করার স্বপ্ন যারা দেখছো তোদের লাথি মেরে হাসিনার মত দিল্লি পাঠানো হবে।
এক হাদি লোকান্তরে লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে।
হাদির রক্ত বিফলে যাবেনা ইনশাআল্লাহ।
😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭
হে আল্লাহ হাদিকে তুমি শহীদের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন, পরিবার পরিজনকে সবরে জামিল দান করুন। আমিন।।

19/12/2025

একদিন আমিও বৃষ্টিতে ভিজবো, শত শত লাশের সাথে কোনো এক গোরস্থানে 😭

কোনো মায়াকান্না নয় , কোনো হা-হুতাশ নয় , প্রতিরোধ গড়তে হবে , প্রতিরোধ ! ফোঁটা ফোঁটা চোখের জল যত বেয়ে পড়বে , তত তারা আমাদে...
18/12/2025

কোনো মায়াকান্না নয় , কোনো হা-হুতাশ নয় , প্রতিরোধ গড়তে হবে , প্রতিরোধ !
ফোঁটা ফোঁটা চোখের জল যত বেয়ে পড়বে , তত তারা আমাদের দূর্বল ভাববে। কাঁদা মানা , চোখে কেবল জ্বল জ্বল করবে ক্রোধের আগুন। অশ্রু নয় , স্রেফ ঝড়বে অগ্নি!

16/12/2025

মোস্তাফিজুর রহমান আইপিএলে - ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় খেলবে কলকাতার হয়ে 🔥❤️💥

15/12/2025

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা 🇧🇩🇧🇩🇧🇩

15/12/2025
★ বাবরি মসজিদ ★২০১৯ সালে যখন সুপ্রিমকোর্টের চূড়ান্ত রায়ে মসজিদের মালিকানা হিন্দুদের ন্যস্ত করা হয় তখন সুপ্রিমকোর্ট তাঁর ...
07/12/2025

★ বাবরি মসজিদ ★
২০১৯ সালে যখন সুপ্রিমকোর্টের চূড়ান্ত রায়ে মসজিদের মালিকানা হিন্দুদের ন্যস্ত করা হয় তখন সুপ্রিমকোর্ট তাঁর রায়ে স্বীকার করে নিয়েছে-

মসজিদটি সাড়ে চারশো বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং অন্তত ১৮৫৭ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত নামাজ আদায়ের প্রমাণ কোর্টের কাছে আছে।

১৮৫৭ সাল থেকে নিয়মিত নামাজ আদায়ের প্রমাণ থাকার মানে এর আগে কি নামাজ আদায় হত না? অবশ্যই হত। কারণ এটা মসজিদ হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

কোর্ট বলছে, ১৯৪৯ সালে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মুসলমানদের ইবাদত থেকে বঞ্চিত করতেই মূর্তি স্থাপন এবং হাঙ্গামা করা হয়েছে।

সুপ্রিমকোর্ট ১৯৪৯ সালে মসজিদকে অবমাননা করা এবং পরে ১৯৯২ সালে মসজিদকে ভেঙে ফেলা এই দুই-ই ছিল আইনের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন বলেও অভহিত করেছে।

দেশটিতে আইন করে বলা আছে ১৯৪৭ সালের ১৫ ই আগস্ট যে স্থাপনা যেই ধর্মের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ছিল, সেটা সেই ধর্মেরই প্রতিষ্ঠান হিসেবে থাকবে।

যা মসজিদ ছিল তা মসজিদই থাকবে, যা মন্দির ছিল তা মন্দিরই। কিন্তু সংখ্যাগুরুর হাতে আইন শুধু কাগজেই সীমাবদ্ধ।

মাদ্রাজ ও উড়িষ্যা হাইকোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিমকোর্টের সাবেক বিচারপতি অশোক কুমার গাঙ্গুলি রায়ের পর সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন,

'মসজিদ যদি আগেই ভাঙা না হত, আর হিন্দুরা সেটার দাবি নিয়ে আদালতে যেত, আদালত কি মসজিদ ভাঙার আদেশ দিতেন? সেটা তো সম্ভব ছিল না।'

তাঁর মতে, ন্যায় বিচার ছিল এখানে মসজিদকে পুনঃস্থাপিত করা। মসজিদ ধ্বংস করাকে যে আদালত মেজর ক্রাইম বলছে, সে আদালত যারা ধ্বংস করেছে তাদেরকেই মালিকানা দিয়েছে। সেটাও ধ্বংস করার ফলেই।

অর্থাৎ রায়টা ছিল বিচার মানছি কিন্তু তালগাছ আমার।

১৮৮৫ সালে মসজিদের পাশে মন্দির স্থাপনের জন্য মহন্ত রঘুবীর দাসের আর্জি খারিজ করে দিয়েছিল ফায়জাবাদ জেলা মেজিস্ট্রেট। পরে রাজ্য সচিবের কাছে সে আবেদন জানালে তাও নাকচ করা হয়।

উপনিবেশিক কালেও যখন মসজিদের প্রাঙ্গণে মন্দির স্থাপনের চেষ্টাকে প্রশ্রয় দেওয়া হয় নি, তখন আধুনিককালে এসে সেই মসজিদের মালিকানাই দিয়ে দেওয়া হলো- যারা মসজিদ ভেঙেছিল, সেই তাদেরই হাতে।

সুপ্রিমকোর্টের এই মামলা প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৫ বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি হয়। তাঁদের সবাই লাভ করেন উচ্চ পদ অথবা চাকরির পর নতুন চাকরি।

প্রধান বিচারপতি ব্যতীত বাকি চার বিচারপতির দুজনকে পরবর্তীতে করা হয় প্রধান বিচারপতি। অবসরের পর একজনকে করা হয় ন্যাশনাল কোম্পানি ল আপিলাত ট্র‍্যাইবুনালের চেয়ারম্যান।

মামলায় একমাত্র মুসলিম বিচারপতি ছিলেন আব্দুল নাজের। তাঁকে দেশটির ৭০ বছরের ইতিহাসে মাত্র তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে কোনও প্রাদেশিক হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব ছাড়াই সুপ্রিম কোর্টে নিয়োগ দেওয়া হয়। অবসরের পর তাঁকে অন্ধ্রপ্রদেশের গভর্নর করে নিয়োগ দেওয়া হয়।

যে দেশের সুপ্রিমকোর্ট এমন অন্যায়ের বৈধতা দেয়, অন্ধের মত অন্যায্য পক্ষপাতমূলক বিচার প্রদান করে- সেদেশের গণমাধ্যম সভ্য আচরণ করবে এমন প্রত্যাশার কারণ নেই।

মসজিদ ভাঙার ক্রিমিনাল কেইসে আদালতে ১০০ এর বেশি ভিডিও টেপ উপস্থাপন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করে নি।

৩৫১ জন সাক্ষী এবং ৮০০ ডকুমেন্টস উপস্থাপনের পরও আদালত সেদিনের মসজিদ ভাঙার সব অভিযুক্তকে মুক্তি দিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ এমনভাবে প্রমাণ উপস্থাপন করেছে যাতে কেউই সাজা না পায়।

এই মসজিদ ভাঙাকে কেন্দ্র করে সংঘাতে প্রায় ২ হাজার মুসলমান প্রাণ হারায়। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর দেশটির রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাজার হাজার সদস্য নীরবে দাঁড়িয়ে এই উন্মত্ত হিন্দু জনতা কর্তৃক মসজিদ ভাঙাকে প্রত্যক্ষ করেছে।

দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে কোন মসজিদ নিয়ে কথা বলছি, আমাদের অনেকেই হয়ত সেটুকুও বলতে পারব না।

মি. সজীব ভাই

বাবরি মসজিদ তৈরী ঘিরে আশান্তি নয় শুরু হয়েছে উৎসব। স্বপ্রণোদীত হয়ে এগিয়ে এসেছে এলাকাবাসীর পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকে সাধারণ...
07/12/2025

বাবরি মসজিদ তৈরী ঘিরে আশান্তি নয় শুরু হয়েছে উৎসব। স্বপ্রণোদীত হয়ে এগিয়ে এসেছে এলাকাবাসীর পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকে সাধারণ মুসলিম। সবাই যার যার সাধ‍্য অনুযায়ী সাহায‍্য করছে।

সবাই ইতিমধ‍্যে জেনে গেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের আদলে নতুন করে মসজিদ তৈরীর ঘোষণা নিয়ে চলছে রাজনৈতিক তুলপার। আমার আগের পোস্টে পাবেন সেই তথ‍্য। এই পোস্টে জানাবো কেমন করে অশান্তির জায়গায় শুরু হয়েছে উতসবঃ

- সকালেই মদীনা শরীফ থেকে দুইজন ইমাম এসেছেন উদ্বোধন করতে
- ৬০ হাজার প‍্যাকেট বিরিয়ানির ব‍্যবস্থা করা হয়েছে
- স্বপ্রনোদিত হয়ে মুসলিমরা এগিয়ে এসেছে।
- কেউ মাটির ব‍্যংকে জমানো টাকা নিয়ে এসেছে
- কেউ নিজ বাড়ি থেকে পুরাতন ইট মাথায় করে নিয়ে হাটা শুরু করেছে
- কেউ সিমেন্টের বস্তা
- কেউ বালির বস্তা নিয়ে হাটা ধরেছে
- আশে পাশের ইটভাটা থেকে অনেকে যার যার সামর্থ অনুযায়ী ৫টা ১০টা করে ইট কিনে নিজেরাই মাথায় করে হাটা শুরু করেছে।
- যাদের সামর্থ একটু বেশি তারা অটাবাইক বুঝাই করে ইট নিয়ে রওনা হয়েছে
- মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় স্টেশন থেকে বাবরি মসজিদের স্থলে যাওয়ার জন‍্য সমস্ত মুসলিমরা তাদের অটো সবার জন‍্য ফ্রি করে দিছে
- অটো ইউনিয়ন তাদের ৬০টি অটোরিক্সা সবার জন‍্য ফ্রি করে দিছে।

এভাবেই মুর্শিদাবাদের রাস্তায় মানুষকে উতসব মুখর অবস্থায় বাবরি মসজিদ তৈরীর স্থলে যেতে দেখা যাচ্ছে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মি. সজীব ভাই posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share