20/05/2026
কুরবানির চামড়া কালেকশন সম্পর্কে শায়খে যাত্রাবাড়ীর গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কথা …………
[এক] ছাত্রদেরকে কাজের ব্যাপারে সম্পূর্ণ এখতিয়ার দেওয়া। যে চায় কাজ করবে, যে চায় বাড়িতে যাবে। কাউকে কাজের ব্যাপারে বাধ্য করা যাবে না।
[দুই] যারা কাজ করবে, তারা শুধু মানুষের কুরবানি জবাই করে চলে আসবে। চামড়া টানাটানি করা তাদের কাজ নয়। যারা মাদরাসায় দিতে চায়,তারা নিজ দায়িত্বে মাদরাসায় পৌঁছে দিয়ে যাবে।
শায়েখ বলেন- আমার উস্তাদ ইউসুফ বিন্নুরি রহ. চামড়া কালেকশন পছন্দ করতেন না। একবার কোনো কারণে তিনি অনুমতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ঈদের দিন যখন দেখলেন, ছাত্ররা কাঁধে করে রক্ত- ময়লাযুক্ত চামড়া বহন করে আনছে, সঙ্গে-সঙ্গে মাদরাসায় এসে বললেন ❝আভী বন্দ করো। ইয়ে তালাবা ওয়ারাসায়ে আম্বিয়া হ্যাঁয়। উন সে ইয়ে গান্দেগি কা কাম লেনা মুনাসিব নেহিঁ ❞। (এখনই বন্ধ কর। ছাত্ররা নবীর ওয়ারিস, তাদেরকে দিয়ে এ ময়লা চামড়া বহন করানো উচিত নয়।)
[তিন] যারা বাড়িতে যাবে, তাদের উপর কোনো নির্ধারিত অংকের দান চাপিয়ে না দেওয়া। তাদেরকে কেবল উৎসাহিত করা। যাতে তারা মাদরাসার কল্যাণে স্বেচ্ছায় দান করে। কেউ দান করতে না পারলে তাকে কোনও প্রকার শাস্তি দেওয়া যাবে না।
আল্লাহ তায়ালা প্রিয় শায়েখ কে নেক হায়াত দান করুক আমীন।।