11/08/2025
বিএনপির বক্তব্য ও স্বাধীনতার প্রশ্ন: এক বিতর্কিত অবস্থান
কয়েক দিন আগে সিডাপ মিলনায়তনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ একটি বক্তব্য দিয়েছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি বলেছেন— “৫৪ বছর পর স্বাধীনতা বিরোধী বা রাজাকার বলে জাতিকে বিভক্ত দেখতে চাই না।”
প্রথমে শুনতে কথাটি আপাতদৃষ্টিতে ঐক্যের বার্তা মনে হলেও, এর অন্তর্নিহিত বার্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্বাধীনতা বিরোধী বা রাজাকারদের বিষয়ে কথা বললে জাতি বিভক্ত হয়—এই যুক্তি কি যৌক্তিক? ১৯৭১ সালে যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারা শুধু রাজনৈতিকভাবে ভিন্নমত পোষণ করেনি—তারা সরাসরি মুক্তিকামী মানুষদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল, এমনকি নিরীহ মানুষের উপর নৃশংসতা চালাতে সহযোগিতা করেছিল।
৫৪ বছর পর এসে যদি বলা হয়, এ নিয়ে আর আলোচনা করা যাবে না বা এসব পরিচয় স্মরণ করানো যাবে না, তবে কি ইতিহাস ভুলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে না? ইতিহাস ভুলে গেলে জাতি ভবিষ্যতে একই ভুল আবারও করতে পারে। তাই স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করার মানে হলো সেই ত্যাগ, রক্ত ও আত্মোৎসর্গকে অস্বীকার করা।
আমার মতে, এই বক্তব্য বিএনপির রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। একটি রাজনৈতিক দল যদি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মতো মৌলিক জাতীয় প্রশ্নে দ্ব্যর্থক অবস্থান নেয়, তবে তা কেবল বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং তাদের রাজনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করে দেয়।
জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার অর্থ অতীত ভুলে যাওয়া নয়, বরং অতীতের সত্য মেনে নিয়ে সঠিক শিক্ষাকে সামনে রাখা। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের ইতিহাসে যে জায়গায় আছে, সেখানেই থাকা উচিত—যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্য বুঝতে পারে। তেল আর পানি যেমন এক সাথে মিশেনা, স্বাধীনতা পক্ষ আর বিরোধী কখনও এক হতে পারেনা। বি এন পি যে ভাবে আপসকামিতার পথ বেছে নিয়েছে শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তাতে জাতী হতাশ হওয়া ছাড়া আর কি করার আছে ।
১০/৮ ২৫ মিজা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন উপদেষ্ঠা পরিষদের উপর আমাদের পণ আস্তা আছে। অথচ কিছুদিন আগে ও ৩ জন উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেছিল । সেই দাবি কি পুরণ হয়েছে ? আসলে।তারা কখন কি বলে নিজেরাই জানেনা । সমপক্ষিয় দল না থাকাতে ভুমিষ্ঠ হওয়া শিশুর মত দুলছে আর দুলছে