Muhammad A. Hossain

Muhammad A. Hossain "Positive anything is better than negative nothing."

প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সরকারি বৃত্তির টাকার হার সম্পর্কিত নোটিশ:প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা- ২০২৫-এর ফলাফলের ভ...
30/08/2026

প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সরকারি বৃত্তির টাকার হার সম্পর্কিত নোটিশ:

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা- ২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য সরকার বৃত্তির অর্থ নির্ধারণ করেছে।

#বৃত্তির_মেয়াদ:
১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছর, অর্থাৎ ২০২৬, ২০২৭ ও ২০২৮ সাল পর্যন্ত বৃত্তির অর্থ প্রাপ্য হবে।

👉 যে শিক্ষার্থী এবার ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে, সে মাসে পাবে ৩০০ টাকা, বছরে পাবে ৩,৬০০ টাকা এবং ৩ বছরে পাবে ১০,৮০০ টাকা।

👉 যে শিক্ষার্থী এবার সাধারণ বৃত্তি লাভ করেছে, সে মাসে পাবে ২২৫ টাকা, বছরে পাবে ২,৭০০ টাকা এবং ৮,১০০ টাকা।

অর্থাৎ, ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত একজন শিক্ষার্থী ৩ বছরে মোট ১০,৮০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত একজন শিক্ষার্থী ৩ বছরে মোট ৮,১০০ টাকা বৃত্তি পাবে।

তবে বৃত্তির অর্থ পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি নোটিশে উল্লেখিত শর্তগুলো প্রযোজ্য হবে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি, অধ্যয়ন অব্যাহত রাখা এবং নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করা। বৃত্তির অর্থ প্রদানের জন্য শিক্ষার্থীর নামে ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যও দিতে হবে।

👉 আর হ্যাঁ, আগামী ৩ বছরে ঐ সকল শিক্ষার্থীর অনুমোদিত স্কুলের বেতন মওকুফ থাকবে। অর্থাৎ আগামী ৩ বছর সরকার তার অনুমোদিত স্কুলের বেতন দিতে হবে না বলে পরিপত্রে জানিয়েছে।

#সূত্র: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ২৫ আগস্ট ২০২৫ তারিখের প্রজ্ঞাপন।

"নিজের সন্তানকে বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা!"হায়রে বাপ! চেহারা দেখে তো তারেই বাচ্চা মনে হয়!! ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বেতাগ...
30/08/2026

"নিজের সন্তানকে বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা!"

হায়রে বাপ! চেহারা দেখে তো তারেই বাচ্চা মনে হয়!!

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের বড় গোপালদী গ্রামে। পটুয়াখালীর দশমিনায় দেড় বছরের শিশুকে বিক্রি করে সেই টাকায় আইফোন কেনার অভিযোগ উঠেছে এক বাবার বিরুদ্ধে।

​অভিযুক্ত ওই বাবার নাম মো. মারুফ মুন্সি। তিনি ওই গ্রামের মফিজ মুন্সির ছেলে এবং পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। এ ঘটনার পর শিশুটিকে উদ্ধারে মাঠে নেমেছে পুলিশ

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে মারুফ (বাবা) তার মা মাহফুজা বেগমকে বলেন শিশু মুসাকে ঘুরতে নিয়ে যাবেন। সরল বিশ্বাসে তিনি নাতিকে সাজিয়ে মারুফের সঙ্গে দেন। তবে সন্ধ্যা গড়ালেও তারা বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন

পরে শিশুর মামা বাহাদুর মিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে মারুফ স্বীকার করেন, তিনি তার ছেলে মুসাকে আলীপুর ইউনিয়নের রামনাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে এক লাখ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন। বিক্রি শেষেই ঢাকায় গিয়ে পুরোনো ফোন বদলে তিনি একটি নতুন আইফোন কিনেছেন।

​শিশুটিকে কিনে নেওয়া ইমরান বলেন, ‘তার শ্বশুরের কোনো ছেলেসন্তান না থাকায় আলোচনার মাধ্যমে লিখিত চুক্তি করে এক লাখ টাকায় ওই শিশুকে কেনা হয়। এরপর শিশুটিকে তার শ্বশুরের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।’

​মারুফের মা মাহফুজা বেগম বলেন, ‘পারিবারিক কলহের জেরে এক মাস আগে মারুফের স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে গেছে। এরপরই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটাল আমার ছেলে।’

​দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরপরই শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান শুরু করেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সম্পর্ক; বয়স চল্লিশের পর আপনার যা মনে হবে...
29/08/2026

সম্পর্ক; বয়স চল্লিশের পর আপনার যা মনে হবে...

29/08/2026

সন্ধ্যার কোলে ঢলে পড়া বিকেল! 💔

28/08/2026

আমার মন খা'রাপের মানে আকাশ কিছু জানে....

"মিডিয়া ফ্রেমিং: একই তথ্য, কিন্তু ভিন্ন perception!"শিরোনামই অনেক সময় perception তৈরি করে। “চীন থেকে ২৫ টাকা ইউনিটে বিদ্...
27/08/2026

"মিডিয়া ফ্রেমিং: একই তথ্য, কিন্তু ভিন্ন perception!"

শিরোনামই অনেক সময় perception তৈরি করে। “চীন থেকে ২৫ টাকা ইউনিটে বিদ্যুৎ কিনবে সরকার”- এই কথাটি শুনলেই মানুষের মাথায় প্রথমে আসে চীন + বেশি দাম + বিদ্যুৎ কেনা।

কিন্তু বাস্তব ঘটনাটি আসলে কী?
এটি চীন থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ঘটনা নয়। আমিনবাজারের বিশাল বর্জ্যভূমিকে কাজে লাগিয়ে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প।

প্রকল্পটির উৎপাদনক্ষমতা মাত্র ৪২ মেগাওয়াট! একটি চীনা কোম্পানি বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে এবং সরকার সেই বিদ্যুৎ কিনবে।

একই ঘটনাকে অন্যভাবেও বলা যায়- “আমিনবাজারের ময়লার ভাগাড়কে কাজে লাগিয়ে চীনা প্রযুক্তিতে বর্জ্য থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন; ১৮ মাসের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার প্রত্যাশা।”

এখানে খেয়াল করুন, তথ্য একই, কিন্তু perception সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রথমটি মানুষের মনে তৈরি করে ‘২৫ টাকা! এত দাম কেন?’ আর দ্বিতীয়টি তৈরি করে ‘ময়লা থেকে বিদ্যুৎ- কীভাবে?’

- জ্বি, এটাই হলো- মিডিয়া ফ্রেমিং। কোন তথ্যটি সামনে আনা হচ্ছে, কোন শব্দটি বারবার বলা হচ্ছে এবং কোন বিষয়টি আড়ালে থাকছে- এসবই মানুষের perception প্রভাবিত করে।

আজকের মিডিয়া শুধু সংবাদ প্রকাশ নয়। এটি narrative management + perception management + social media amplification- সবকিছুর সমন্বিত বাস্তবতা।

আর এখানেই সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ।
সরকার কোনো ভালো কাজ করলেই দায়িত্ব শেষ নয়। সেই কাজের গল্পটিও জনগণের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে হয়।

বর্তমান সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে বিষয়টি বুঝতে হবে। শুধু প্রেস রিলিজ, সংবাদ সম্মেলন আর বক্তব্য দিয়ে আধুনিক মিডিয়া মোকাবিলা করা যায় না। প্রয়োজন পরিকল্পিত media strategy।

আর এটাই বর্তমান নির্বোধ বিএনপির জন্যও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। আপনি কী করেছেন- এটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হলো মানুষ আপনার কাজটিকে কীভাবে দেখছে।

কারণ narrative-এর জায়গা কখনো খালি থাকে না। আপনি নিজের কাজের গল্প না বললে, অন্য কেউ এসে আপনার কাজের গল্প তার নিজের মতো করে বলবে। এটাই এই যুগের বাস্তবতা। আর তখন বাস্তবতা আপনার হাতে থাকলেও perception থাকবে অন্যের হাতে।

আর রাজনীতির সবচেয়ে কঠিন সত্য হলো- “আপনি কী করেছেন” মানুষ সবসময় সেটাই মনে রাখে না, বরং অনেক সময় মানুষ মনে রাখে- “আপনি কী করেছেন বলে তাকে বোঝানো হয়েছে।”

তাই আজকের রাজনীতিতে শুধু উন্নয়ন করলেই হবে না বস! বরং উন্নয়নের সঠিক narrative-ও তৈরি করতে হবে। কারণ বাস্তবতা শক্তিশালী, কিন্তু perception অনেক সময় তার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী!

#মিডিয়া_ফ্রেমিং

আপনার ছবি কতটা সুন্দর হবে, সেটা শুধু ক্যামেরা বা ফটোগ্রাফির দক্ষতার ওপর নির্ভর করে না, বরং অনেকটা নির্ভর করে ক্যামেরার ও...
27/08/2026

আপনার ছবি কতটা সুন্দর হবে, সেটা শুধু ক্যামেরা বা ফটোগ্রাফির দক্ষতার ওপর নির্ভর করে না, বরং অনেকটা নির্ভর করে ক্যামেরার ওপাশের মানুষটা আপনাকে কীভাবে দেখছে, তার ওপর। সে প্রেমিক-প্রেমিকা হোক কিংবা একজন বন্ধু।

ফ্রেমিং, গোল্ডেন রেশিও কিংবা ক্যামেরার সেটিংস- সবকিছু জানতেই হবে, এমন নয়। বরং “ছবিটা কেমন হয়েছে?”, “আরেকটা তুলব?”, “এই পোজটা দিয়ে দেখো”-এই ছোট ছোট কথার মধ্যেই থাকে আন্তরিকতা, ধৈর্য আর যত্ন। আর সেই অনুভূতিটাই অনেক সময় ছবিকে সুন্দর করে তোলে।

আপনি হয়তো কোনো জায়গায় গিয়ে ছবি তোলার জন্য আগ্রহ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। অথচ ক্যামেরার ওপাশের মানুষটি যদি অনাগ্রহ নিয়ে, দায়সারা ভাবে এক ক্লিক করেই ক্যামেরা আপনার হাতে ফিরিয়ে দেয়, তাহলে দামি ক্যামেরা থাকলেও ছবিতে সেই কাঙ্ক্ষিত সৌন্দর্যটা নাও আসতে পারে।

কারণ সুন্দর ছবি সবসময় শুধু ভালো ক্যামেরায় তোলা হয় না। কখনো কখনো একজন মানুষের আন্তরিক দৃষ্টি, একটু সময় দেওয়া, কয়েকবার চেষ্টা করা আর আপনাকে ভালোভাবে তুলে ধরার ইচ্ছাটাই ছবিকে সত্যিকারের সুন্দর করে তোলে।

শেষ পর্যন্ত, ছবির সৌন্দর্য শুধু লেন্সে নয়- কিছুটা থাকে ক্যামেরার ওপাশের মানুষটির যত্নেও।

(ফোন: Helio 100, স্থান- কোটচাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশন, ঝিনাইদহ)

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muhammad A. Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share