Hello Folks

Hello Folks Review | Preview | Reaction | Explanation | Entertainment

চিত্রার যাওয়ার কথা ছিলো একা। তার বান্ধবী লিলি, তার মামার মাধ্যমে একটা কেবিন পুরোটাই নিয়ে দেওয়ার কথা, কিন্তু ঐ কেবিনে আরও...
11/03/2026

চিত্রার যাওয়ার কথা ছিলো একা। তার বান্ধবী লিলি, তার মামার মাধ্যমে একটা কেবিন পুরোটাই নিয়ে দেওয়ার কথা, কিন্তু ঐ কেবিনে আরও একজন যাচ্ছেন চিত্রার সাথে, তিনি আবার ফেমাস গনিতবিদ, কিন্তু সিগারেটের পর সিগারেট তার পুরো জার্নিতে চলে।

চিত্রা বুড়োকে নিয়ে বিরক্ত, সে ক্যাফেতে কফি নিয়ে বসে আছে, কফি তার পছন্দ না তাই সে কফিতে চুমুক দিবে না। একটু পর চিত্রার সামনের সীটে এসে বসলো আশহাব, ডাক্তার আশহাব। বেচারা তার মা কে নিয়ে যাচ্ছে, মায়ের ভয়ে সে অনেককিছু করতে পারেন না। তার মা আবার ভীষন বিরক্ত এই ট্রেন জার্নিতে, কারন ট্রেনের তাদেরই কামড়ায় একটা লাশ যাচ্ছে, এটা কোনো কথা! তার মায়ের কথা হলো, লাশ যাবে একটা মাইক্রো ভাড়া করে, এতোগুলা মানুষকে কষ্ট দিবে, একটু পরই লাশের গন্ধ বের হবে।

এদিকে চিত্রার কেবিনটা কয়েক ঘন্টা পর বদলে দিবে, কারন এক কেবিনে মন্ত্রী সাহেব ও তার স্ত্রী যাচ্ছেন, তারা সামনের কয়েকটা স্টেশন পরেই নামবে। একই কামড়ায় আরও যাচ্ছে এক দল ইয়াং তরুন-তরুনী, একটা পরিবারের তিন সদস্য, স্বামী, স্ত্রী ও তাদের সন্তান। এই পরিবারের নারী সদস্য আবার হুইলচেয়ারে যাতায়েত করে, তার ভেতরে একটা কষ্ট!

এক এক অন্যরকম জার্নির গল্প, এক জার্নিতে আমাদের কত অজানা মানুষের সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে, আবার কেউ কেউ এসে মন-মেজাজ খারাপ করে দেয়।

কিছুক্ষন উপন্যাস পড়েছি অনেক আগে, গত শুক্রবার আবার পড়লাম এবং টিজার দেখে মুগ্ধ ও হলাম। হুমায়ুন আহমেদ স্যার চলে যাওয়ার পর আর কেউ তেমন সাহিত্য থেকে সিনেমা সেভাবে বানায়নি, তানিম নূর বানাচ্ছেন। টিজার দেখে মনে হইলো, তিনি একটা ফ্রেম এবং একটা চরিত্রেও ছাড় দেননি। গল্পের নায়ক-নায়িকা আশহাব-চিত্রা হলেও, প্রতিটা চরিত্রই এই জার্নিতে গুরুত্বপূর্ণ। একটা রিফ্রেসিং সিনেমা দেখতে হলে বনলতা এক্সপ্রেস অবশ্যই ঈদের জন্য গুড চয়েজ।

টিজারে মোশাররফ করিমকের মেকাপ নিয়ে আমার একটু আপত্তি আছে, বই পড়ার সময় যেভাবে কল্পনা করেছি সেভাবে লাগেনি। আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হলো, এই চরিত্র বই পড়ার সময় আমি জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়কেই বারবার চোখে দেখেছি।

এক সিনেমায় দেশের সেরা সব তারকারা, আর কি লাগে ভাই! শরীফুল রাজ, সাবিলা নূর, চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিম, মম, বাঁধন, শ্যামল মাওলা, ইনতেখাব দিনার আরও এক ঝাঁক নতুন মুখ। এতো বড় স্টার কাস্ট সিনেমা এর আগে বাংলাদেশে সম্ভবত হয়নি।

এই ঈদে বনলতা এক্সপ্রেস গুড চয়েজ হতে চলেছে।

কোটি টাকার গান?...সময়টা ২০০১, সদ্য রিলিজ পাওয়া ব্রান্ড নিউ ক্যাসেট ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, কন্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। গানটা রি...
17/02/2026

কোটি টাকার গান?...

সময়টা ২০০১, সদ্য রিলিজ পাওয়া ব্রান্ড নিউ ক্যাসেট ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, কন্ঠশিল্পী আসিফ আকবর।

গানটা রিলিজের পরপরই সারাদেশের মানুষের মনে জায়গা করতে থাকে, কিন্তু আসল জাদুটা দেখানো শুরু হয় যখন পরের বছরই এই গানের টাইটেলেই সিনেমা বানানো হয়, এবং প্রিয়া’র ভূমিকায় বাংলা চলচ্চিত্রের ঢাকা টকিজে টাকা উড়ানো নায়িকা শাবনূর, বিপরীতে তখনকার হার্টথ্রব রিয়াজ এবং আলোচিত তারকা শাকিব খান। আসিফকে যখন বলা হয় গানটা সিনেমার এই সিকোয়েন্সে আসবে, তখন আসিফ গানটার পরিপূর্ণতা খুঁজে পেলো। বিভিন্ন সময়ে আসিফ আকবর তার ইন্টারভিউতে বলেছেন, ‘শাবনূরই আমার প্রিয়া, ও ছাড়া আর কাউকে ভাবতেই পারছিলাম না এই গানে। আমার খুব আদরের ছোট বোন, আমি মেয়েটার পাগলা ফ্যান, আমি তাকে অসম্ভব স্নেহ করি।’

গানটা পরবর্তীতে সিনেমায় রিলিজের পর দেশের আনাচে কানাচে প্রতিটা মানুষের মগজে গেঁথে গেছে। বাংলা মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি এই এক গানের ক্যাসেট বিক্রি করেছে কোটি কোটি টাকায়, এমন কোনো নব্বই দশকে জন্ম নেয়া মানুষ পাবেন না যে, এই গান শোনেনি। এমনকি তখনকার সময়ে কেউ প্রেমে ব্যর্থ হলেও বন্ধুরা এই গান বলেই খেপাতো।

সিনেমায় ব্যর্থ প্রেমিক রিয়াজ, প্রিয়া হারানোর বেদনায় সাদা চাদর গায়ে ভবঘুরে ঘুরছে আর যন্ত্রণা বয়ে এই গান গাইতেছে, অন্যদিকে প্রিয়া শাকিব খানের ফুলসজ্জায়, সবমিলিয়ে গানটা সিনেমার ক্লাইমেক্স কেমিস্ট্রিতেই পুলআপ করা হয়েছিলো। রিয়াজ, শাকিব এবং শাবনূর এই সিনেমা দিয়ে এতোটাই তাদের ত্রিভুজ প্রেমকে দর্শকের কাছে পৌঁছে দেয়, যে ব্যাক টু ব্যাক এই ধরনের অনেকগুলো ব্যবসা সফল সিনেমা তৈরী হয়। আর অন্যদিকে বাংলা মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি পেলো গানের যুবরাজ আসিফ আকবর কে।

বাংলা সংগীতে অনেক পুরুষ শিল্পী রয়েছেন, তবে আসিফের মতো এতো ভরাট, ম্যানলি টাফ টোনের ভয়েস একদমই রেয়ার। তিনি যখন প্লেব্যাকে কন্ঠ দেন তখন রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিব খানের মতো রোমান্টিক নায়কের কন্ঠেও যেমন ব্লেন্ড হয়ে যায়, তেমনি মান্নার মতো এ্যাকশন হিরোর কন্ঠেও।

আসিফের ক্যারিয়ারটা আরও ঝলমলে, আরও মডার্ন ক্ল্যাসিক সব গানে সমৃদ্ধ হতে পারতো, বাংলা সংগীত ও সিনেমাকে তার দেয়ার মতো অনেক কিছুই ছিলো, কিন্তু তখনকার সময়ে বিএনপির রাজনীতি করার কারনে মামলা, কোট কাসারি করতে করতেই ক্যারিয়ারে অনিয়মিত হয়ে পড়ে। এরপরে একটা সময় তো হাসিনা সরকার তখনকার সব বিএনপি বেসড বড় বড় তারকাদের ব্ল্যাকলিস্ট করেই রাখলো।

আসিফের মতো যুবরাজরা, ক্যারিয়ারের শেষ সময়ে এসে আরেকবার স্টেজে উঠুক, ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘ও পাষানী বলে যাও কেনো ভালবাসোনি’,‘এই বুকে এতো জ্বালা ভেঙ্গে গেছে মন’, অথবা ‘বাঁচবো না মরে যাব, ওপারে চলে যাব, পৃথিবীকে জানিয়ে বিদায়’ বলে গানে গানে আমাদের নষ্টালজিক সময়গুলোকে আরেকবার রিকল করিয়ে দিক।

হোপফুললি, এইসব তুখোড় মেধাবী তারকাদের আরেকবার তাদের রাজনৈতিক ডেমো ছেড়ে, নিয়মিত সংস্কৃতি অঙ্গনে গান নিয়ে মহড়া দিবেন, আর আমরা আসিফের ভক্তরাও সেই অপেক্ষায় রইলাম।

একটা কামের কিৎসা শুনবেন?ইহুদি ধর্মের মিদ্রাশ ও তালমুদ মতে: ঈশ্বর একসঙ্গে আনা মাটি দিয়ে একসাথে আদম ও লিলিথ-কে তৈরি করেন! ...
16/02/2026

একটা কামের কিৎসা শুনবেন?

ইহুদি ধর্মের মিদ্রাশ ও তালমুদ মতে: ঈশ্বর একসঙ্গে আনা মাটি দিয়ে একসাথে আদম ও লিলিথ-কে তৈরি করেন! আদম লিলিথের সাথে সহবাস করার জন্য উপরে (মিশনারি পজিশন Missionary Position) উঠার আগ্রহ প্রকাশ করলে; লিলিথ বলে: তুমি আর আমি একই মাটি থেকে একই সময়ে তৈরি এবং সমানে সমান, তাই আমি তোমার উপরে উঠে সহবাস করার সমান সক্ষমতা রাখি! যদি তুমি উভয়ের সমান অধিকার মেনে না নিতে পারো, তবে আমি তোমার অধীনতা মানতে অস্বীকৃতি জানাই! কে কার অধিনস্থ থাকবে সেবিষয়ে একমত হতে না পারায়, লিলিথ ঈশ্বরের নাম উচ্চারণ করতে করতে এডেন-বেহেস্ত-স্বর্গ ত্যাগ করে চলে যায়!

মিদ্রাশ ও তালমুদ মতে -
লিলিথ সৃষ্টির প্রথম নারী এবং
মানুষের সমান অধিকারের প্রতীক!

আদম ঈশ্বরের কাছে আকুতি জানিয়ে বলে: হে প্রভু, আপনি আমার জন্য যে নারী তৈরি করেছিলেন, সে আমাকে ত্যাগ করে চলে গিয়েছে! অবশেষে ঈশ্বর নতুন করে পুরুষের অধিনস্থ হিসাবে আদমের পাঁজরের হাড় থেকে হাওয়া বা ঈভ-কে তৈরি করেন; এবং উভয়ের মধ্যে থেকে যৌনতার জ্ঞান তুলে নিয়ে যাপন-সঙ্গী হিসাবে স্বর্গে উন্মুক্ত উলঙ্গ বসবাসের অধিকার দেন! আব্রাহামিক ধর্মমতে: নারীর জন্ম পুরুষের হাড় থেকে তাই সে সর্বদাই পুরুষতান্ত্রিক (Patriarchy) ব্যবস্থায় পুরুষের অধিনস্থ থাকবে!

ঈশ্বর নির্দেশ দেন -
যা খুশী করো,
তবে ঐ 'গন্দম' বৃক্ষ থেকে দূরে থাকো!

স্বর্গের 'ঐ' গন্দম (আপেলের আদিনাম ধরা হয়) বৃক্ষের ফলের ভেতর রাখা হয় নিষিদ্ধ যৌনতার জ্ঞান, যা সাপ রূপী 'শয়তান' হাওয়া বা ঈভ-কে প্রলুব্ধ করে (আদম-সহ) খেতে বাধ্য করে! এই ফল ভক্ষণে আদম-হাওয়ার লজ্জা ও সহবাসের জ্ঞান উন্মুক্ত হয়, এবং উভয়ে লজ্জিত হয়ে স্বর্গের গাছের পাতা দিয়ে লজ্জাস্থান ঢাকতে বাধ্য হয়! ঈশ্বর তাঁর নির্দেশ অমান্যের অপরাধে আদম, হাওয়া ও শয়তান-কে স্বর্গ থেকে বিতারিত করে পৃথিবীতে নিক্ষিপ্ত করেন, এবং হাওয়া ও সাপ রুপি শয়তানকে বিচিত্র কিছু অতিরিক্ত অভিশাপে অভিশপ্ত করেন!

রইদ-এর গল্প এগিয়েছে লিলিথ পরবর্তী আখ্যান থেকে, যেখানে জ্ঞানবৃক্ষ আছে, যৌনতা আছে আর আছে, হাওয়া ও সাপ রুপি শয়তানকে দেওয়া ঈশ্বরের বিচিত্র অভিশাপের অংশও; সেসব না হয় পর্দায় রইদ দেখার পর বলবো!

🎬 বনলতা এক্সপ্রেস  | Coming Soon...
10/02/2026

🎬 বনলতা এক্সপ্রেস | Coming Soon...

21/01/2026

🎭 Character Review | Max Mayfiled
— Sadie Sink From The Show‘Stranger Things’

‘It turns out that the whole time, I didn't even need it. I just needed you. Just you!’—MAX

Max Mayfield, Character Review | Max Mayfiled
— Sadie Sink From The Show‘Stranger Things’

‘It turns out that the whole time, I didn't even need it. I just needed you. Just you!’—MAX

Max Mayfield‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ সিরিজের অন্যতম লীড ক্যারেক্টর। Sadie Sink বর্তমান সময়ে হলিউডের ইয়াং স্টার, যিনিই মূলত এই চরিত্রটি প্রোট্রে করেছেন এবং ইয়াং জেনারেশনের কাছে ‘ ক্রাশ অব দ্য সিরিজ ’ হয়ে ছিলো পুরোটা সময়। তার ন্যাচরাল এক্টিং, স্ট্রেইট ফরওয়ার্ড ফিচারস, এন্ড বোল্ডনেস পুরো সিরিজে তাকে আলাদা এটেনশন দিয়েছে দর্শক। রাফ এন্ড টাফ টোনের ম্যাক্স মূলত কাইন্ড, ট্যালেন্টেড এন্ড ব্রেইভ। ম্যাক্সের আশেপাশের মানুষ তাকে যতটা রুড ভেবেছে তিনি তা নন, গল্প যতই এগিয়েছে দর্শক তার সফট হৃদয়ের প্রেমে পড়েছেন এবং সিজন থ্রিতে এসে দর্শককে কাঁদিয়েছেন। স্পেশাললি আমার মতো ম্যাক্স মেহফিল চরিত্রের বিগ ফ্যানরা একটা মিনি হার্ট এ্যাটাক খাইছিলো।

‘ম্যাক্স’ মূলত ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা ছিলেন এবং ছোটবেলা থেকেই স্কেটবোর্ডিংয়ে তার আগ্রহ ছিল। ১৯৮৪ সালে মায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ এবং নীল হারগ্রোভের সাথে পুনর্বিবাহের পর, ম্যাক্স এবং তার সৎ ভাই বিলি ইন্ডিয়ানার হকিনসে চলে যান।
স্কুলের প্লেগ্রাউন্ডে, খেলার ক্লাসে যোগদানের পর, ম্যাক্স দ্রুত প্যালেস আর্কেডে খ্যাতি অর্জন করে, গেম লিডার বোর্ডে শীর্ষে থাকার জন্য মাইক, ডাস্টিন, লুকাস এবং উইলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, যারা মূলত শুরুতেই তাকে ভুল ভাবতে শুরু করে। ম্যাক্সিন হকিনস মিডল স্কুলে ছেলেদের ক্লাসে যোগদানের পর, তারা বুঝতে পারে যে নতুন এই মেয়ে এবং রহস্যময় MADMAX নামে Talk Of The Playgroud একজনই।

ম্যাক্স সিরিজে এন্টি নেয় সেকেন্ড সিজনে, পর্দায় চরিত্রটি শুরুতেই একটা রয়েল এন্টি পায়, যে এন্টি শুধু স্কুলের সহপাঠীদেরই নয়, দর্শকদেরও এটেনশন ক্যাচ করেছিলো। ডাস্টিন, ও লুকাস রীতিমতো তার পাত্তা পেতে এক্সাইটেড কিন্তু মাইক তার সাথে বন্ধুত্ব করতে আগ্রহী নয়। উইলের রহস্যময় ঘটনা, এবং ম্যাক্সের কৌতূহল, এবং বাকিদের সাথে উইলকে ক্রাইসিস টাইমে সাহসের সাথে হেল্প করে যাওয়া সিরিজের গল্পের সাথে নতুন এই চরিত্রটি স্ট্রংলি ব্লেন্ডেড হতে থাকে। সিরিজের গল্প যতই এগিয়েছে, ম্যাক্স মেহফিল চরিত্রটি চমক দেখিয়েছে। অন্যসব চরিত্রের থেকেও এই চরিত্রটি বিশেষভাবে লেখা, এবং Ranway Max উপন্যাসও এই চরিত্রকে ঘিরে।

Sadie Sink এর পারফরম্যান্স, বেজ অব দীজ ক্যারেক্টর, এন্ড আদারস ফিচার অব দীজ ক্যারেক্টর, সবমিলিয়ে এই সিরিজের টপনোচ ওয়েল পারফর্মিং ক্যারেক্টর।

Out of 10, 8+ মার্ক চোখ বুঝেই দেয়া যায়, But Genuinely to me she is my favourite artist now.❤️

05/01/2026

মুস্তাফিজে ভারতের সমস্যা, অথচ জয়া আহসানে ভারতের সমস্যা না! কারন জয়া আহসান, চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিম, আশফাক নিপুনদের দিয়ে ভারতের ওটিটি প্লাটফর্মগুলো রমরমা ব্যবসা করে। আমাদের দেশের তারকাদের স্বল্প রেমুনারেশনে হায়ার করা যায়। ভারতের ওটিটি প্লাটফর্ম 'হইচই' আরও কয়েক বছর আগে থেকেই ঢাকায় তাদের অফিস খুলেছে। এবং হইচইয়ের সবথেকে সিগনেচার কাজগুলো আমাদের দেশের মেকারদের, সেখানে তারকাও আমাদের দেশের। সেদিন সোহানী সরকার বলতেছিলো, 'বাংলাদেশী কনটেন্ট আমরা চেটেপুটে খাই।' হইচইয়ের অনেক প্রোজেক্ট আমি দেখেছি, কিন্তু আমাদের দেশের মহানগর, তাকদীর, কাইজার এসব কাজ বাদ দিলে হইচইয়ের ওভারহাইপড কলকাতার কাজ নাই বললেই চলে।

এইখানে দেশের মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির তারকাদের নিজ দেশের প্রতি সেনসিটিভ হওয়া উচিত আরও। কিন্তু সমস্যা আমাদের দেশের তারকারা ইন্ডিয়া শুনলেই এক লাফে দৌড় মারে। একটা সময় ছিল যখন কলকাতার নাম্বার ওয়ান দুই নায়িকা ঋতুপর্ণা, রচনা ব্যানার্জিরা আমাদের দেশের সুপারস্টার শাবনূরের সাথে সাইড রোল করে গেছে। কলকাতা থেকে এদেশে এসে বসে থাকতো কাজ পাওয়ার জন্য। শাবনূর এক চুলও ছাড় দেননি এসব নায়িকাদের। 'নসিমন' সিনেমায় ঋতুপর্ণার প্লেন থেকে নেমে যেতে হয়েছিল জাস্ট শাবনূরের ঐ সিনেমা করতে রাজি হওয়াতে। আর এখনকার তারকারা কলকাতা শুনলেই বেহুশ!

মোস্তাফিজের ইস্যুটা সত্যিই একদম গায়ে লাগার মতো। কি চিপ, ভাবতেই অরুচি লাগে!

দেশের শিল্পীদের উচিত এখন ভারতীয় প্লাটফর্মগুলোর সাথে কাজ বন্ধ করে দেয়া। আমাদের দেশে প্রডিউসার না থাকলে করার দরকার নাই, তবুও গা ঝাড়া দিয়ে ওদের বুঝিয়ে দেন আমরাও 'না' বলতে পারি, রিজেক্ট করতে পারি। ভারতকে খালি মুখে বয়কট করলেই হবেনা, যতক্ষন না ওরা হাসিনার দালালী বাদ দিয়া, একটা সফট ফ্রেন্ডলি, হেলথি অর্থনৈতিক রিলেশন আমাদের সাথে না মেইনটেইন করে ততক্ষন ওদের সাথে আমাদের এই রিজেকশন চলা উচিত। আমি জাস্ট একটা উদাহরণ দিলাম, অন্য সব সেক্টর যেগুলোতে ভারতের সাথে আমাদের দেনা-পাওনা হয়, সেসব জায়গাগুলোতেও ভারতের বিকল্প ভাবার এখনই সময়। ভারতের মতো চিপ সিস্টেমিক দেশ আমার আর একটাও লাগেনি। এরা উদার সিনেমাতেই। একবারে সো বিউটিফুল, সো লীভারেল সোদায়!

04/01/2026

Weekend Hangout!




‘দাইয়া দাইয়া’ গানে ঐশ্বরিয়া রায়।নব্বই দশকে বেড়ে ওঠা কিশোর ও যুবকরা যখন হিন্দি গান বুঝতে, শুনতে শুরু করে, তখনকার সময়ের অন...
16/10/2025

‘দাইয়া দাইয়া’ গানে ঐশ্বরিয়া রায়।

নব্বই দশকে বেড়ে ওঠা কিশোর ও যুবকরা যখন হিন্দি গান বুঝতে, শুনতে শুরু করে, তখনকার সময়ের অন্যতম ফার্স্ট চয়েজ ছিলো দাইয়া দাইয়া নামের এই গান। ভিসিডি, ডিবিডির যুগের আকাশছোঁয়া সাফল্য পাওয়া গান। এই গানে ঐশ্বরিয়া রায়কে অনেকগুলো কস্টিউমসে দেখা গেছে, একইসাথে বিভিন্ন প্যাটার্নের ডান্সে এবং তিনি তার ফ্লোলেস পারফরম্যান্স দিয়ে গানটিকে নিয়ে গিয়েছিলো অন্য এক নেক্সট লেভেলে।

এই গান দেখে ঐশ্বরিয়ার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়নি এমন যুবক থেকে কিশোর খুঁজে পাওয়া মুশকিল।

অগ্নি থ্রি সিনেমার নাম পরিবর্তন? মাহিয়া মাহি বাংলাদেশের ডিজিটাল সিনেমার প্রথম ডিজিটাল নায়িকা। যখন বাংলা চলচ্চিত্র থার্টি...
16/10/2025

অগ্নি থ্রি সিনেমার নাম পরিবর্তন?

মাহিয়া মাহি বাংলাদেশের ডিজিটাল সিনেমার প্রথম ডিজিটাল নায়িকা। যখন বাংলা চলচ্চিত্র থার্টি সিক্স থেকে রেড ক্যামেরা ও ডলবি সাউন্ডে ট্রান্সফর্ম হলো, সেই রেড ক্যামেরায় নির্মিত প্রথম সিনেমা জাজ মাল্টিমিডিয়ার 'ভালোবাসার রং'। এই সিনেমার গল্প ইউনিক কিছু নয়, তবে টেকনিক্যাল চেঞ্জেস বাংলা সিনেমাপ্রেমীদের চোখের একটা শান্তি দিয়েছিলো, সিনেমা হলগুলোতেও বেশ সাড়া ফেলেছিলো। বাপ্পি-মাহি জুটিও সফল হতে থাকে, বাপ্পি হারিয়ে গেলেও মাহিয়া মাহিই ডিজিটাল সিনেমার একমাত্র নায়িকা যিনি শাবনূরের পর নিজের নামে সিনেমা হিট করার প্রভাব কিছুটা হলেও তৈরী করেছিলো। অগ্নি এবং অগ্নি টু তার দারুন প্রোজেক্ট।

মাহির অভিনয় খুব ন্যাচরাল বলবো না, তবে এ্যাকশনে তিনি বাংলা চলচ্চিত্রে আনপ্যারালাল। অগ্নি সিনেমার এ্যাকশন দৃশ্যগুলো এখনও সিগনেচার মার্ক হয়ে আছে।

লম্বা সময় পর জাজের হাত ধরেই ফিরছেন মাহি। তবে সিনেমার নাম পরিবর্তন, যতদূর জানি গল্পটা অগ্নি টুয়ের সাথে ব্রীজলাইন থাকবে, কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা গল্প। প্রথম দুইটি সিনেমা ছিলো প্রতিশোধের গল্প, এবারের টা সার্ভাইল এ্যাকশন থ্রিলার। এবং স্ট্রং রিউমার আগের সব বাংলা সিনেমাকে এ্যাকশনে ছাড়িয়ে যাবে, সিনেমায় কোনো নায়ক নেই, লীড দুই রোলে অভিনয় করবেন মাহিয়া মাহি এবং একজন শিশুশিল্পী।

ওয়েলকাম ব্যাক মাহিয়া মাহি দ্য এ্যাকশন লেডি অব বাংলা সিনেমা। ❤️

11/10/2025

Address

Dhaka

Telephone

+8801949468528

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hello Folks posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category