22/08/2026
মামুন: ডিবি হারুন সাহেব, ওনারা বলতেছিল যে, এখন কি ওরে উঠায় নিয়ে আসবো? বল, ওরে চিলের মতো উঠায় নিয়ে আসবো। তার সাথে বসে মদও খাইছে সে গুলশানের একটা বাসায়---
এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে টিকটকার মামুন প্রকাশ করেছেন ডিবি কর্মকর্তা হারুণের বিরুদ্ধে ভয়াবহ দুর্নীতি ও প্রতারণার অভিযোগ। সেখানে তিনি জানান, ডিবি হারুণ তার প্রভাব খাটিয়ে যাদের পছন্দ করতেন, তাদের ব্যবস্থা করে দিতেন লায়লা। মামুনের ভাষ্য মতে, "লায়লা ছিল তার বিশ্বাসভাজন, কিন্তু সে-ই আমাকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলেছে।"
মামুন অভিযোগ করে বলেন, "ডিবি হারুণ আমাকে ডেকে নিয়ে বলেছিল, ‘তুমি ডিবি অফিসে আসো, তোমার সাথে গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে।’ এরপর বুঝতে পারি, আমি একটা পরিকল্পিত ফাঁদে পড়েছি।" তিনি আরও জানান, গুলশানের একটি বাড়িতে লায়লা ও হারুণ একাধিকবার দেখা করতেন এবং সেখানে মদপানের ঘটনাও ঘটেছে।
মামুন বলেন, “ডিবি হারুণের যে মেয়েটি ভালো লাগত, লায়লা সেটা ম্যানেজ করে দিত। এসবই ছিল প্রভাব-প্রতিপত্তি এবং ব্যক্তিস্বার্থে গড়া একটি চক্রের অংশ।”
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “আমি এখন ভয় পাচ্ছি। বুঝতে পারছি না, কীভাবে এই ফাঁদ থেকে বের হবো। আপনারা সবাই দয়া করে আমাকে সাহায্য করুন।”
সম্প্রতি আলোচিত টিকটক তারকা মামুনকে নিয়ে চারিদিকে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। নারী পাচার, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগ তুলেছেন লায়লা। আর সেই অভিযোগের মাঝেই আবারো সামনে এল মামুনের পুরনো এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার, যেখানে মামুন বলেন, ডিবির সাবেক কর্মকর্তা হারুন তার প্রভাব খাটিয়ে যাদের পছন্দ করতেন তাদের বিভিন্ন সুবিধা দিতেন। আর সেই পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গেই নাকি যুক্ত ছিলেন লায়লা।
মামুনের অভিযোগ অনুযায়ী, লায়লা ছিল আমার বিশ্বাসভাজন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে-ই আমাকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলেছে। মামুন আরো দাবি করেন, ডিবি হারুন একদিন তাকে ডেকে বলেন, 'তুমি অফিসে এসো জরুরি কথা আছে।' কিন্তু সেখানে গিয়ে বুঝতে পারেন তিনি এক পরিকল্পিত ফাঁদে পড়েছেন।
মামুনের কথায়, গুলশানের এক বাড়িতে একাধিকবার লায়লা ও হারুনের দেখা হতো। সেখানে নাকি মদপানের ঘটনাও ঘটেছে। মামুন বলেন, ডিবি হারুনের যেই মেয়েটি ভালো লাগতো, লায়লা তাকে ম্যানেজ করে দিত। সবকিছুই ছিল প্রভাব-প্রতিপত্তি আর ব্যক্তিস্বার্থে গড়া এক চক্রের অংশ।
সাক্ষাৎকারে নিজের ভয়ও প্রকাশ করেন মামুন। তিনি বলেন, আমি এখন ভয় পাচ্ছি, বুঝতে পারছি না কীভাবে এই ফাঁদ থেকে বের হবো। সবাই আমাকে দয়া করে সাহায্য করুন।
এই পুরনো সাক্ষাৎকার আবারো প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। নেটিজেনরা বলছেন, লায়লার সাম্প্রতিক অভিযোগ আর মামুনের পুরনো এই বক্তব্যকে পাশাপাশি রাখলে অনেক অজানা প্রশ্ন সামনে আসে। কেউ বলছেন, এটা দুই পক্ষের লড়াই, আসল সত্য লুকানো আছে ভেতরে। আবার কেউ সরাসরি মামুনের কথাকে বিশ্বাস করছেন না, কারণ তার বিরুদ্ধেই সম্প্রতি ভয়ঙ্কর সব অভিযোগ উঠেছে।
সত্য-মিথ্যা প্রমাণ করার দায়িত্ব আদালত আর তদন্ত সংস্থার, কিন্তু একের পর এক অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগে এটাই স্পষ্ট, সমাজের অন্ধকার দিকগুলো এখনো ঢেকে আছে রহস্যের পর্দায়।
মামুন-লায়লা বিতর্ককে আপনারা কীভাবে দেখছেন? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।