Online information

Directions

Online information The platform will provide various news from home and abroad and preparation videos for various topics

মহেশখালী নৌপথে ঘাটভাড়ায় ‘বৈষম্য’স্থানীয়ের ৫ টাকা, পর্যটকের ১০০ টাকা—ক্ষুব্ধ পর্যটক ও সচেতন নাগরিকরা, প্রতিবাদকক্সবাজারের...
08/08/2026

মহেশখালী নৌপথে ঘাটভাড়ায় ‘বৈষম্য’
স্থানীয়ের ৫ টাকা, পর্যটকের ১০০ টাকা—ক্ষুব্ধ পর্যটক ও সচেতন নাগরিকরা, প্রতিবাদ

কক্সবাজারের মহেশখালী নৌপথে ঘাটভাড়া আদায়ে পর্যটক ও স্থানীয় যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় যাত্রীদের কাছ থেকে যেখানে মাত্র ৫ টাকা ঘাটভাড়া নেওয়া হচ্ছে, সেখানে পর্যটকদের কাছ থেকে যাওয়া-আসা মিলিয়ে আদায় করা হচ্ছে ১০০ টাকা। এ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মহেশখালীতে বেড়াতে আসা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটকরা।

পর্যটকদের অভিযোগ, তারা বাংলাদেশেরই নাগরিক। শুধু পর্যটক হিসেবে মহেশখালীতে আসার কারণে স্থানীয় যাত্রীদের তুলনায় তাদের কাছ থেকে কয়েকগুণ বেশি ঘাটভাড়া নেওয়া কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। এতে পর্যটকদের মধ্যে ক্ষোভের পাশাপাশি মহেশখালীর পর্যটন নিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে।

জানা গেছে, মহেশখালী নৌপথে পর্যটকদের কাছ থেকে একবারে ৫০ টাকা করে যাওয়া ও আসার জন্য মোট ১০০ টাকা ঘাটভাড়া নেওয়া হয়। অথচ একই নৌপথে প্রতিদিন যাতায়াতকারী স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে ঘাটভাড়া নেওয়া হয় মাত্র ৫ টাকা। ফলে একই নৌপথে যাত্রীভেদে ঘাটভাড়ার এমন বড় পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

আরও ক্ষোভের বিষয় হলো—পর্যটকদের ভাষ্য অনুযায়ী, যেখানে একটি বোটের ভাড়া প্রায় ৩০ টাকা, সেখানে শুধু ঘাটভাড়া বাবদই দিতে হচ্ছে ৫০ টাকা। অর্থাৎ নৌযানে যাতায়াতের মূল ভাড়ার চেয়েও ঘাটভাড়া বেশি। এতে পর্যটকদের অনেকেই বিষয়টিকে ‘অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক’ হিসেবে উল্লেখ করছেন।

পর্যটকদের একজন বলেন, “আমরা বিদেশি নই, আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। দেশের একটি পর্যটনকেন্দ্রে ঘুরতে এসে স্থানীয়দের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি ঘাটভাড়া কেন দিতে হবে? পর্যটনকে উৎসাহিত করার পরিবর্তে এ ধরনের বাড়তি খরচ পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করবে।”

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএর নির্ধারিত ঘাটভাড়া সংক্রান্ত বিধান নিয়ে যে ব্যাখ্যাই থাকুক না কেন, মহেশখালী নৌপথটি শুধু পর্যটকদের জন্য নয়; এটি স্থানীয় জনগণের প্রতিদিনের যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই পর্যটক ও স্থানীয়দের মধ্যে এত বড় ব্যবধান রেখে ঘাটভাড়া আদায়ের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

ঘাটভাড়া কমানোর দাবিতে প্রতিবাদ

এদিকে পর্যটক ও স্থানীয় যাত্রীদের ঘাটভাড়ায় বৈষম্যের প্রতিবাদে মহেশখালী ঘাটের গোলচত্বরে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও সাংবাদিকদের একাংশ।

প্রতিবাদকারীরা বলেন, মহেশখালী দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা। পর্যটকদের কাছ থেকে অযৌক্তিকভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসা ও মহেশখালীর ভাবমূর্তির ওপর। তাই বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন।

তারা আরও বলেন, পর্যটকদের কাছ থেকে নেওয়া ঘাটভাড়া যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় ও পর্যটক—উভয় শ্রেণির যাত্রীর জন্য ন্যায্য ও সহনীয় ঘাটভাড়া নির্ধারণ করা জরুরি।

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

প্রতিবাদকারীরা মহেশখালী ঘাটের ঘাটভাড়া পুনর্নির্ধারণে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের মতে, পর্যটকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ না দিয়ে ন্যায্য ও বৈষম্যহীন ঘাটভাড়া নির্ধারণ করা হলে একদিকে যেমন পর্যটকদের ভোগান্তি কমবে, অন্যদিকে মহেশখালীর পর্যটন খাত আরও বিকশিত হবে।

স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও সাংবাদিক মহলের দাবি, পর্যটকদের কাছ থেকে ১০০ টাকা ঘাটভাড়া এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে মাত্র ৫ টাকা নেওয়ার এই বৈষম্য অবিলম্বে বন্ধ করে ঘাটভাড়া যৌক্তিক পর্যায়ে কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে এবং মহেশখালী নৌপথে পর্যটক ও স্থানীয় যাত্রীদের জন্য একটি ন্যায়সংগত, সহনীয় ও বৈষম্যহীন ঘাটভাড়া ব্যবস্থা চালু করবে।

08/08/2026

মহেশখালীর শাপলাপুরে ভোগদখলীয় জমিতে চাষাবাদে বাধা দেওয়ার অভিযোগ:

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ঘোনারপাড়া এলাকায় ছড়ার পাশে ক্রয় সূত্রে দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় জমিতে চাষাবাদে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা সিরাজ মাষ্টারের ইন্ধনে একটি পক্ষ জমিতে চাষাবাদে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জমির মালিক আমির হোসেন আমু।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাপলাপুর ইউনিয়নের মৌলভীকাটা এলাকার মৃত ফরিদুল আলমের ছেলে আমির হোসেন আমু একই ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত হাবিব রহমানের ছেলে আবু তাহেরের কাছ থেকে ২০১৩ সালে ৭৫ কড়া জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর থেকে তিনি নিয়মিতভাবে ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন এবং দীর্ঘ এক যুগ ধরে সেখানে চাষাবাদ করে আসছেন বলে দাবি করেন তিনি।
তবে চলতি মৌসুমে হঠাৎ করে একটি পক্ষ তার জমিতে চাষাবাদে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন আমির হোসেন। তার দাবি, স্থানীয় বিএনপি নেতা সিরাজ মাষ্টারের ইন্ধনে কিছু লোক তার ক্রয়কৃত জমিতে অবৈধভাবে বাধা সৃষ্টি এবং দখলের চেষ্টা করছে।
অভিযোগের বিষয়ে সিরাজ মাষ্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “জমি আমার নয়, আমি কেন বাধা দেব। তবে এই জমি নিয়ে স্থানীয় একটি পক্ষের সঙ্গে বিরোধ চলছে। তারা আমার কাছে অভিযোগ করায় আমি আমির হোসেনকে জমির কাগজপত্র দেখাতে বলেছিলাম।”
তিনি আরও জানান, ২০১৩ সাল থেকে জমিটি আমির হোসেনের দখলে রয়েছে বলে তিনি জানেন। তবে একই জমি অন্য একটি পক্ষও দাবি করছে—এটুকুই তিনি জানেন বলে জানান সিরাজ মাষ্টার।
অন্যদিকে জমির মালিক আমির হোসেন আমু বলেন, “২০১৩ সাল থেকে আমি আমার ক্রয়কৃত জমিতে সুষ্ঠুভাবে চাষাবাদ করে আসছি। কিন্তু হঠাৎ করে কিছু লোক আমার জমিতে অবৈধভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তিনি পুলিশের চাকরিতে কর্মরত থাকায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের কাজে এলাকার বাইরে অবস্থান করছেন। এই সুযোগে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে তার ক্রয়কৃত জমি অবৈধভাবে দখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী আমির হোসেন আমু।
তবে জমিটির মালিকানা নিয়ে অপর পক্ষের দাবির বিষয়ে তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। জমির প্রকৃত মালিকানা ও দখল নিয়ে বিরোধ থাকায় বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

05/06/2026

“সময় যতই কঠিন হোক, পরিবর্তন আসে মানুষের ভেতর থেকে। সমাজ বদলাতে হলে আগে নিজের নৈতিকতা ঠিক করতে হয়।”💝

02/06/2026
30/05/2026

ইরান বনাম আমেরিকা যুদ্ধের নতুন মোড়।

29/05/2026

IRAN VS AMERICA WAR

27/05/2026

Eid mubarak ❤️

27/05/2026

ঐক্য, বন্ধনএবং ভ্রাতৃত্ব পরিবারের উন্নয়নের চাবিকাঠি ❤️ #প‌রিবার

Address

Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Online information posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share