Newshunt Special

Newshunt Special News Hunt is a leading news site of Bangladesh. We broadcast/publish Bengali news, represent Bengali culture & applied standard Bengali language.

নিউজ হান্ট (newshunt.com.bd) বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল যার সম্পাদক এবং প্রকাশক একজন নারী-মৌসুমী সুলতানা। সাংবাদিকতায় দুই যুগের বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা তার। এর মধ্যে ১৪ বছরই কাজ করেছেন চ্যানেল আইতে। ২০২০ সালের শেষদিকে যাত্রা শুরু করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের ধারা অব্যাহত রেখে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে আমরা পাঠকের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। ফেসবুকের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিমাসে প্রায় ৫ কোটি মানুষ আম

াদের লাইভ অনুষ্ঠানগুলো দেখছেন। বাংলা সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ‘সত্যের খোঁজে অপ্রতিরোধ্য’ স্লোগান নিয়ে আমাদের এই যাত্রা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি আমরা নিয়মিত টকশো, গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে থাকি। অনুষ্ঠানগুলো নিউজ হান্টের ফেসবুক পেজে সম্প্রচার করা হয়। বিজ্ঞাপনদাতারা আমাদের আয়ের প্রধান উৎস। সংবাদ কিংবা যেকোনো জিজ্ঞাসার জন্য এই ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন: [email protected] ফোন নম্বর: 01721027882 প্রধান কার্যালয়:৫/বি, ১২/১৩,রাজিয়া সুলতানা রোড, মোহাম্মদপুর।

04/04/2024
04/04/2024

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে ডাকাতির চেষ্টা, আহত ৫, আটক ১১

বাগেরহাট থেকে রুহুল আমিন বাবু: বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ডাকাতি করতে আসা সংঘবদ্ধ অস্ত্রধারীদের হামলায় ২ আনসার সদস্যসহ ৫ নিরাপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন। বুধবার (৩ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের উত্তর-পশ্চিম কোনের মেটেরিয়াল ইয়ার্ডের ৩নং ডিউটি পোস্ট এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, নিরাপত্তা সুপারভাইজার আকরাম (৫৫), সাইদুল ইসলাম (৩৭), জাহিদুল ইসলাম (৪০), ব্রজেন মন্ডল (৩০) ও আনসার ব্যাটালিয়নের হাবিলদার কামাল পাশা (৩৮)। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বিদ্যুৎকেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় মিন্টু বৈরাগী ও আনসার সদস্য কামাল পাশাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অস্ত্রধারীদের হামলায় আহত ব্রজেন মন্ডল বলেন, রাতে হঠাৎ করে ৫০-৬০ জনের একটি অস্ত্রধারী দল কাটাতারের বেড়া কেটে মেটেরিয়াল ইয়ার্ডের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। আমরা বাঁধা দিলে নিরাপত্তাকর্মীদের উপর দল বেঁধে হামলা করে তারা। এ সময় তাদের আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করে কাছে থাকা মুঠোফোন ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। ডাকচিৎকার শুনে আনসার সদস্য এগিয়ে আসলে অস্ত্রধারীরা আনসার সদস্যদের উপরও হামলা করে। এক পর্যায়ে আনসার সদস্যরা গুলি ছুড়লে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।

আহতদের প্রত্যেকের শরীরের এলোপাতারি মারধরে জখম রয়েছে জানিয়ে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা রুহুল আমিন সজিব বলেন, রাত ১টার দিকে তাদের হাসপাতালে আনা হয়। এদের মধ্যে দুজনের মাথায় গভীর ক্ষত থাকায় খুলনায় রেফার্ড করা হয়েছে। অন্যদের এখানে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আনসার সদস্যদের দাবি, নিরাপত্তাকর্মীদের হামলা করলে আসার হাবিলদার মোঃ কামাল পাশা ও সিপাহি মোঃ জাহিদুল ইসলাম অস্ত্রধারীদের ধাওয়া করে। অস্ত্রধারীরাও উল্টো আনসার সদস্যদের উপর হামলা করে। এক পর্যায়ে কামাল পাশার মাথায় আঘাত করে। তখন আত্মরক্ষার্থে কামাল পাশা অস্ত্রধারীদের উপর গুলি ছোড়ে। ৩০ রাউন্ড গুলি ছোড়ার পরে অস্ত্র ধারীরা পালিয়ে যায়। কামাল পাশার গুলিতে সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য আশাবুল গাজী (২০) গুলিবিদ্ধ হয়। তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন খুলনার ৩ আনসার ব্যাটালিয়নের পরিচালক মোল্যা আবু সাইদ।

তিনি বলেন, আহত আনসার সদস্যদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে তল্লাশী চালিয়ে এসএমজি পিস্তলের ২৬টি খালি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার সদস্যদের আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে নিরাপত্তাকর্মীদের উপর হামলা ও ডাকাতির চেষ্টায় এখন পর্যন্ত মামলা না হলেও, এই ঘটনার সাথে জড়িত ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। কৌশলগত কারণে নাম ঠিকানা জানায়নি পুলিশ।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমান বলেন, ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এটি কোন ডাকাতির ঘটনা নয়। চক্রের সদস্যরা মূলত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন ম্যাটেরিয়াল চুরি করতে এসেছিল। ঘটনার পর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ মামলা দিলে মামলা দায়ের করা হবে।

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক নিরাপত্তা ও প্রশাসন মোঃ অলিউল্লাহ বলেন, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে মাঝে মাঝে চুরি হয়। কিন্তু কখনও এক সাথে এত বেশি লোক আসেনি। এখানে শুধু মালামাল চুরি বা লুট নয়, অন্য কোন বিষয় আছে কিনা সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মানব সম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মঙ্গলা হরিন্দ্রান বলেন, অস্ত্রধারীদের হামলায় আমাদের ৫জন নিরাপত্তকর্মী আহত হয়েছে। তারা সবাই শঙ্কামুক্ত, তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ম্যাটারিয়াল ইয়ার্ডটি মূলত মূল কেন্দ্রের বাইরে। কাটাতার দিয়ে ঘেরা এই ইয়ার্ডে লোহার রড, তামার তার, তামার তারের বাক্স, লোহার এ্যাঙ্গেল, স্টিলের পাত, লোহার পাতসহ ব্যবহারযোগ্য ও ব্যবহার অযোগ্য বিভিন্ন মূল্যবান ধাতু রাখা হয়। মূলত এসব ধাতু লুট করতেই সংঘবদ্ধ চক্রটি ম্যাটারিয়াল ইয়ার্ডে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই এই কেন্দ্রে ছোট ছোট চুরির ঘটনা ঘটে আসছে।

22/05/2023

উন্নয়নের 'কিংবদন্তি’ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা

কাজী মশিউর রহমান জয়, সাবেক সহ -সম্পাদক ,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

দিনটি ছিল রোজ শনিবার ১৭ মে ১৯৮১। সকাল থেকেই মেঘাছন্ন আবহাওয়া ও ঝড়বৃষ্টি। তারই মধ্যে রয়েছে স্বৈরাচার মেজর জিয়ার পুলিশি বাধা। ঝড়বৃষ্টি আর স্বৈরতান্ত্রিকতার এ কালো ছায়া সেদিন লাখ লাখ গণতন্ত্রকামী নেতা কর্মীদের মিছিল গতিরোধ করতে পারেনি।

ভোররাতে নেতা কর্মীরা ছুটে গিয়েছিল কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে। সবারই অপেক্ষা কখন আসবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা।অপেক্ষার প্রহর প্রেরিয়ে বিকাল ৪ টা ২০ মিনিটে পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে ও বাঙালির জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের সদন নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশর মাটিতে আলো হয়ে ফিরে আসলেন বাংলার মা,মাটি ও মানুষের নেত্রী আমাদের আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তাকে একনজর দেখার জন্য কুর্মিটোলা বিমানবন্দর থেকে ধানমন্ডি ৩২ নং সড়ক পর্যন্ত রাস্তাগুলো রুপ নিয়েছিল জনসমুদ্রে। সেদিন প্রায় ১৮ লক্ষ নেতা কর্মী প্রিয় নেত্রীকে বরণ করে নিতে এক কাতারে সামিল হয়েছিল। তখন স্বাধীনতার অমর স্লোগান " জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু " ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয় বাংলার আকাশ বাতাস।

লাখো জনতার কন্ঠে বজ্রধ্বনি ঘোষিত হয়েছিল ' পিতৃহত্যার বদলা নিতে / লক্ষ ভাই বেঁচে আছে, শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই। বিমানবন্দর থেকে ধানমন্ডি ৩২নং পর্যন্ত মানবঢাল তৈরি করে প্রিয় নেত্রীকে সাদরে গ্রহণ করেছিল নেতা কর্মীরা। পিতার গড়া স্বাধীন দেশে আসার পর তার পৈত্রিক বাড়ি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসায় প্রবেশ করতে দেয়নি স্বৈরশাসক মেজর জিয়া। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও বাড়িতে প্রবেশ না করতে পেরে প্রিয় নেত্রী ফিরে যান সুধাসদনে। তারপর স্বৈরশাসক মেজর জিয়া প্রিয় নেত্রীকে পদে পদে সকল কার্যক্রমে বাধা দিতে থাকে। তখন দূরদিনে প্রিয় নেত্রীর একমাত্র সম্বল ছিল দলের নিবেদিত নেতা কর্মীরা।

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের (১৭ মে ১৯৮১ সালের) আগে ৫ মে বিশ্ববিখ্যাত পত্রিকা 'নিউজউইক' এ সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়, জীবনের ঝুঁকি আছে তা জেনেও তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন। ১৯৮৩ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে সামরিক শাসন জারি থাকা অবস্থায় একমাত্র শেখ হাসিনাই সাভার স্মৃতিসৌধ গিয়েছিলেন। তখন প্রিয় নেত্রী বলেন, 'আমি সামরিক শাসন মানি না, মানবো না। বাংলাদেশে সংসদীয় ধারার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করবোই করবো। তাই তো কবি ত্রিদিব দস্তিদার শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে লিখেছেন " আপনিই তো বাংলাদেশ "। এক দিকে সামরিক স্বৈরশাসক সরকারের মৃত্যুর হুমকি অন্য দিকে মৌলবাদী জামায়াত গোষ্ঠীর দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র। তবে এ ষড়যন্ত্রকে পেছনে ফেলে বিরামহীন বিস্ময়কর ছুটে চলার নামই শেখ হাসিনা।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য ছিলঃ ১৯৯৬ সালের নভেম্বর মাসে ভারতের সাথে স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি, ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর মাসে পার্বত্য শান্তি চুক্তি,খাদ্যশস্য উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি, প্রতিবেশী রাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং ১৯৯৮ সালে যমুনা সেতুর(বঙ্গবন্ধু সেতু) নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা।

এরপর ২০০৯ সালে ২৯ ডিসেম্বর থেকে বর্তমান পর্যন্ত সরকার গঠন করে বর্তমানে দেশের জিডিপি ৭.২৫ শতাংশ। বৈদেশিক মুদ্রার মজুতে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পূর্বে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে বিশ্বে বাংলাদেশর অবস্থান ৪৪তম। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকে রিজার্ভের পরিমাণ ৪৬০০ কোটি ডলার। অন্যদিকে মৌলবাদী জঙ্গি দমন, করোনা মহামারি পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়েছে। বাংলাদেশের সলক পেশার মানুষকে বিনামূল্যে করোনার প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছে এটা বিশ্বে বিরল উদাহরণ। করোনা মহামারিতে যখন সারা বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থা করুণ, তখনও ডিজিটাইজেশন করে অর্থনৈতিক চাকা সচল রেখেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নারী ক্ষমতায়নের বার্তা নিয়ে সুদক্ষ্য যে নেতৃত্বে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে সুউচ্চ স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন। এখানে ঘর সামলে নারীরা এখন বিমানের ককপিটে। যে মেয়েদের পড়াশুনা এ সমাজে নিষিদ্ধ ছিল,খেলাধুলা তো দূরের ব্যাপার সেই দেশে সালমা বাহিনীদের ক্রিকেট বিজয় আজ বাংলাদেশে গর্ব করার মতো। তাই তো সবসময় সামাজিক বাধা ভেঙে নারীদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কিছু বাধা আসে, আসবে। সেই বাধা অতিক্রম করেই এগিয়ে যেতে হবে। ইসলাম ধর্মে নারীর অধিকারের কথা স্বরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারী- পুরুষের পাশাপাশি কাজ করার সব বন্দোবস্ত করেছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন,বিশ্বাসটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় জিনিস। নারীরা ভোগের বস্তু না, নারীরা সহযোদ্ধা, সহযোগী। সহযাত্রায় চলতে হবে।নারীদের সমান অধিকার দিতে হবে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে চিন্তা -চেতনা পরিবর্তনে কাজ করেছেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, 'ধর্ষণের বিরুদ্ধে আইন করেছি, নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু আইন করলে হবে না, মানসিকতা ও বদলাতে হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানের জন্য দিন রাত পরিশ্রম সততা ও আদর্শের সাথে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে বাংলাদেশ ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতুর কাজ সম্পন্ন করে গত বছর ২৫ জুন ২০২২ পদ্মা শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। তারপর রাজধানী ঢাকায় মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনসহ সারা দেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে রাস্তাঘাট ও বড় বড় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে যা ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ উন্নয়নের পথে প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ। বাংলাদেশ মানুষের মাথাপিছু আয় ২৮১৪ মার্কিন ডলার।

এতকিছুর পরও দেশ ও স্বাধীনতা বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বিএনপি - জামাতের কেউ কেউ মানুষের মধ্যে গুজব ছড়িয়ে বলতে চাইছে, বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মতো দেউলিয়া হবে। তবে এর সঠিক জবাবটা বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় সমালোচক ডা.জাফরুল্লাহ চৌধুরী দিয়েছেন। তিনি বলেছেন 'যদি শেখ হাসিনা না থেকে বিএনপি ক্ষমতায় থাকতো তাহলে শ্রীলঙ্কার আগেই বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে যেত। তিনি বর্তমান সরকারের ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন।

আজ সরকারের সমালোচকেরাও এ কথা স্বীকার করতে বাধ্য যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গুনের কারনে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ আজ অনন্য উচ্চতায় চলে গেছে। বঙ্গবন্ধু না হলে যেমন বাংলার মানুষ আরও হাজার বছর পরাধীনতায় থাকতো ঠিক তেমনি ১৭ মে যদি শেখ হাসিনা বাংলার মাটিতে না ফিরতেন তবে বাংলাদেশ পাকিস্তানে ফিরে যেত। প্রিয় নেত্রী আকাশ সমান কষ্ট বুকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকে। একজন শেখ হাসিনা আছেন বলেই আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারি। আমরা গর্ব করে বলতে পারি আমরা বাঙালি, আমরা বাংলাদেশি। পরিশেষে একটা কবিতা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মননের কবি, বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক কবি, শেখ হাসিনা উন্নয়ন ও সততার কবি। মহান আল্লাহ দরবারে একটাই ফরিযাদ যেন প্রিয় অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সুস্থ রেখে প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যান আরও উচ্চতায়।ল

খুলনার ইতিহাস গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনবাগেরহাট থেকে রুহুল আমিন বাবুঃবাগেরহাটে বৃহত্তর খুলনার ইতিহাস নামে মৌলিক গ্রন্থের মোড়...
22/05/2023

খুলনার ইতিহাস গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

বাগেরহাট থেকে রুহুল আমিন বাবুঃ

বাগেরহাটে বৃহত্তর খুলনার ইতিহাস নামে মৌলিক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। রবিবার (২১ মে) বিকেলে বাগেরহাট শহরের এসিলাহা মিলনায়তনে গ্রন্থের লেখক বাগেরহাটের প্রথম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজওয়ানউল হক এই গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাড. মীর শওকত আলী বাদশা, ইতিহাসবিদ অধ্যক্ষ মাজহারুল মান্নান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ, অধ্যাপক বুলবুল কবিরসহ জেলার গন্যমান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন। মোড়ক উন্মোচন শেষে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মাঝে বিনামূল্যে “বৃহত্তর খুলনার ইতিহাস” বইটি প্রদান করা হয়। এর আগে বাগেরহাট ফাউন্ডেশন, বাগেরহাট সাহিত্য পরিষদ, কবি সাহিত্যিক সংসদসহ স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন লেখককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

বৃহত্তর খুলনার ইতিহাস নামক এই গ্রন্থে ১৮টি অধ্যায় এবং ৮৪৮টি পৃষ্ঠা রয়েছে। এক হাজার ৭‘শ টাকা মূল্যের এই বইয়ে বৃহত্তর খুলনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইতহাস রয়েছে।

খুব শীঘ্রই পে-পাল চালু করা হবে, বাগেরহাটে পলকখুব অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে পে-পাল চালু কর...
12/05/2023

খুব শীঘ্রই পে-পাল চালু করা হবে, বাগেরহাটে পলক

খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে পে-পাল চালু করা হবে বলে আবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

শুক্রবার (১২ মে) দুপুরে বাগেরহাট জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত স্মার্ট কর্মসংস্থান মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, 'স্মার্ট বাগেরহাট গড়ার জন্য যা যা প্রয়োজন প্রধানমন্ত্রী তা করবেন। বাগেরহাটের শিক্ষিত যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য জেলা সদরে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হবে। সেই সাথে প্রতিটি উপজেলায়ও তথ্য প্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ সেন্টার করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি বছর কয়েক হাজার দক্ষ ফ্রিল্যান্সার বের হবে। যারা নিজেরা আয় করার পাশাপাশি অন্যদেরও কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করতে পারবেন।'

এর আগে বাগেরহাট-২ (কচুয়া-সদর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময় দিনব্যাপি এই স্মার্ট কর্মসংস্থান মেলার উদ্বোধন করেন। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে স্মার্ট মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন, পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল ইসলাম, ব্রাক-কুমন-এর প্রধান নেহাল বিন হাসান প্রমুখ।

আইসিটি ডিভিশন, ডিজিটাল বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর, এটুআই, আইডিয়া, ইডিজিই আয়োজিত দিনব্যাপি ৩৫টি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তাদের স্টল রয়েছে। শিক্ষিত ও দক্ষ তরুণ-তরুণীরা চাকরির জন্য নিবন্ধন করেছেন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টলে তাদের জীবন বৃত্তান্ত দিয়েছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের চাহিদা অনুযায়ী অনেক প্রার্থীকে চাকরি দিয়েছে।

এছাড়া মেলা উপলক্ষে আইসিটি ডিভিশনের পক্ষ থেকে ২০ জন ফ্রিল্যান্সারকে ২০টি ল্যাপটপ এবং ৪০ জন উদ্যোক্তাকে নগদ ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়।

10/05/2023

বাগেরহাটে হত্যা মামলার মূলহোতাসহ ৩ জন গ্রেফতার

বাগেরহাট থেকে রুহুল আমিন বাবু

বা‌গেরহা‌টের চিতলমা‌রি‌তে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় নৃশংসভাবে জব্বারকে কুপিয়ে হত্যা মামলার মূলহোতাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ৬।

জেলার চিতলমারী উপজেলার এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে উত্যক্ত ও শ্লীলতাহানীসহ চড় থাপ্পড় মারার প্রতিবাদ করায় আব্দুর জব্বার শেখ (২৫) নামে এক যুবককে গত ৫ মে শুক্রবার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে দোলোয়ার মুন্সী (৩০)ও তার ভাই দীন ইসলাম মুন্সী (২৫) কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। আহত আব্দুর জব্বার শেখকে হাসপাতালে আনার পর ৫ মে রাতে মারা যায়। এ ঘটনায় হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবিতে ৮ মে সোমবার সকাল ১০টায় ত্রিপল্লী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে প্রধান সড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টির হয়, বিষয়ে জানতে পারে র‌্যাব-৬।

নৃশংস হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর জেলার কোতয়ালী থানার সাখারিগাতী এলাকা থেকে ৮ মে হত্যাকান্ডের মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হত্যা মামলার পলাতক ৩ আসামী দেলোয়ার হোসেন ওরফে সবুজ মুন্সি(৩০), দ্বীন ইসলাম ওরফে আকাশ মুন্সি (২৬) ও ছত্তার ওরফে ডাবলু মুন্সি(৫৫)কে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Address

Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Newshunt Special posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Newshunt Special:

Share