Tight News24.com

Tight News24.com Tight News always stands for truth and justice. Delivering objective news first. Let's collaborate.

13/05/2025

হলদিয়াপালং ৬নং ওয়ার্ডের মৌলভীপাড়ায় দুই দিন ব্যাপী তফসির মাহফিল (ভন্ডামির) নামে বার্ষিক সভার চাঁদাবাজির মাইকিং এর অতিরিক্ত শব্দ দুষণে এক অসুস্থ বৃদ্ধা মায়ের মৃত্যু! শোকে কাতরাচ্ছে এলাকাবাসী!

ধোকা মাহফিল! একটি বার্ষিক ধর্মীয় সভায় এইগুলো কিসের আলামত! ভেবে চিন্তে বিশ্লেষণ করুন।মতামত দিন!!!
22/04/2025

ধোকা মাহফিল! একটি বার্ষিক ধর্মীয় সভায় এইগুলো কিসের আলামত! ভেবে চিন্তে বিশ্লেষণ করুন।
মতামত দিন!!!

ভন্ডামি, ধোকাবাজি ও আন্ডাবাজের দিন শেষ। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বাংলাদেশ।শেষমেশ মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা ধোকা দ...
29/01/2025

ভন্ডামি, ধোকাবাজি ও আন্ডাবাজের দিন শেষ। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বাংলাদেশ।

শেষমেশ মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা ধোকা দিয়ে জাতিকে বোকা বানিয়ে আস্তে আস্তে ইবলিশ শয়তানের রূপ ধারন করতে যাচ্ছে। আপনারা ইবলিশ থেকে সতর্কতা অবলম্বন করুন।

ইবলিশ শয়তানদের চিহ্নিত করে রিপোর্ট প্রদান করুন।উপজেলা শিক্ষা অফিস এই রিপোর্ট এর অপেক্ষায় আছে।

কেন্দ্র এবং অধিদপ্তরের সাথে সংযুক্তি থেকে শয়তানদের শয়তানির রিপোর্ট প্রদান করার জন্য যে ওয়েবসাইট দিয়েছে সেখানে রিপোর্ট প্রদান করুন। অটোমেটিক কট হয়ে যাবে।

সদ্য ঘোষিত জাতীয়করন প্রস্তাবনার গৃহীত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবিত হলে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় দাখিল শ্রেনী সংযুক্ত করা যাব...
29/01/2025

সদ্য ঘোষিত জাতীয়করন প্রস্তাবনার গৃহীত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবিত হলে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় দাখিল শ্রেনী সংযুক্ত করা যাবে কিনা? মতামত দিন।

ইতি মধ্যে কোন কোন বৈধ স্বতন্ত্রে মাদ্রাসার নাম পরিবর্তন করে কারা অবৈধভাবে দাখিল সংযুক্ত করেছে তথ্য দিন কাজে আসবে!

একটি পাওয়া গেছে!!!

#মৌলভীপাড়া_ইসলামিয়া_স্বতন্ত্র_ইবতেদায়ী পরিবর্তন করে #মৌলভীপাড়া_ইসলামিয়া_দাখিল আবেদন করেছে।

মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ওরফে বাপপুতুল উলুম ক-মী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ ও ...
28/01/2025

মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ওরফে বাপপুতুল উলুম ক-মী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ ও নানা অনিয়ম দূর্ণীতির অভিযোগ!!!

অভিযুক্ত ব্যক্তির নামঃ মৌলভী সুরত আলম, পিতাঃ-মৃত গোলাম হোসাইন,মাতাঃ-মৃত আজু মেহের, সাং-মৌলভীপাড়া,ডাকঘরঃ-মরিচ্যা-৪৭৫০, ৬নং ওয়ার্ড, ইউনিয়নঃ-হলদিয়াপালং,প্রধান শিক্ষক, মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা, উপজেলাঃ-উখিয়া, জেলাঃ-কক্সবাজার।

প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারী, ২০২৫ ইং
বৃহস্পতিবার
শওকত আলম দিপু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

উখিয়া উপজেলা হলদিয়াপালং ইউনিয়ন এর মৌলভীপাড়া গ্রামে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দূর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে।জানা যায়, অত্র এলাকায় প্রাথমিক স্থরের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা নামে ২০০০সালে এলাকাবাসীর অক্লান্ত পরিশ্রম ও বিভিন্ন সহযোগিতার মাধ্যমে এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়।যার রেজিষ্ট্রেশন কোড-(৫৩১১৭) ইন নং-(৮০০৭৬৮) ই.এম.আই.এস কোড নং-(৪১২০১০৩১২)।প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, উপজেলা পি.আই ও অফিস থেকে মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন বরাদ্দ উত্তোলন করে।বরাদ্দকৃত খাত সমুহের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ, খেলাধুলা সরান্জাম সরবরাহ,সেফটি টাংকি নির্মান,মাটি ভরাট এবং বেঞ্চ সরবরাহের জন্য ৪০,০০০ হাজার টাকাসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজের জন্য গত ২০১৭-২০২০, অর্থ বছরে উপজেলা পি.আই ও অপিস থেকে বিভিন্ন বরাদ্দ দেওয়া হয়।এসব টাকা বরাদ্দ প্রাপ্তি এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সংশ্লিষ্টতার বিধান থাকলেও প্রতিষ্ঠান প্রধান গোপনে এসব প্রকল্প উত্তোলন করে কোন কাজ ছাড়া সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠে।পরবর্তীতে অত্র এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং মুসল্লীগন থেকে মসজিদ ভিত্তিক চাঁদা কালেকশন ও পারস্পরিক সার্বিক সহযোগিতায় সেফটি টাংকি নির্মান প্রক্রিয়া সমাপ্ত করা হয়।মাটি ভরাটের বরাদ্দকৃত টাকা কাউকে হিসাব না দিয়ে আত্মসাৎ করে চলতি বছরে কারিতাস বাংলাদেশ এনজিওর সাহায্য পূনরায় অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করেন। এছাড়াও প্রধান শিক্ষক, স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবকবৃন্দ ও প্রকৃত দাতা সদস্যদের কোন তোয়াক্কা না করে সরকারি বাজেটের অর্থ এবং মাদ্রাসার প্রতি বার্ষিক বিভিন্ন আয় দীর্ঘ ২৪ বছর যাবৎ একই পরিচালনা কমিটির সহযোগিতায় স্থানীয় জনগনকে হিসাব না দিয়ে ওপর মহলকে ম্যানেজ করছি বলে বহাল তবীয়তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।স্থানীয় শাহা আলম নামে এক প্রবীণ মুরব্বি এবং প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা দাতা সদস্য(দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাতা নামে পরিচিত) যিনি প্রধান শিক্ষকের সুঃখ-দুঃখের সাথী ছিলেন,কভিড-১৯ বিবেচনায় সরকার কর্তৃক গত লকডাউনে তার নামে মসজিদ ভিত্তিক মুয়াজ্জিন পদে ৫,০০০+৫,০০০=১০,০০০ (দশ হাজার) নগদ টাকাসহ বিভিন্ন অনুদান আসলে সেই অনুদান তাকে না শুনিয়ে প্রধান শিক্ষক ইমাম,খতীব,মুয়াজ্জিনের ৩টি পদ তার অনুকুলে দেখিয়ে অনুদান উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করে। পাশাপাশি একের পর এক সরকারী বিভিন্ন বরাদ্দের আবেদন মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা নামে দাখিল করিয়ে তা উত্তোলন করে শেয়ার হোল্ডারের মাধ্যমে ব্যবসা বানিজ্য এবং নিজ ও পুত্রের নামে অসংখ্য জমি ক্রয় করেছে বলে জানা গেছে। অত্র মাদ্রাসায় প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা অর্জনের জন্য ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন শ্রেনীতে ভর্তি হলে জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপির পরিবর্তে মূল কপি রেখে দিয়ে ফেরৎকালীন সময় জন প্রতি ৫০০-১০০০ টাকা ফিঃ আদায়সহ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভিন্ন বোঝা চাপিয়ে দেয়।সার্বিক অনুসন্ধানে দেখা যায়, অত্র মাদ্রাসার আবু জাফর নামে ৫ম শ্রেনীর সাবেক এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ছেলের ইউনিক আইডি করার জন্য জন্ম নিবন্ধন উত্তোলন করতে গেলে মূল জন্ম সনদ ফেরত চাইলে দাবিকৃত টাকা দিতে না পারায় কানের দুল বন্ধক রেখে জন্মনিবন্ধন উদ্ধার এর অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধান টিম ঐ অভিভাবক থেকে বিষয়টি জানতে গেলে তিনি বলেন,শুধু আমার ব্যাপারে নয় অন্যান্য যে সব অভিভাবক থেকে জন্ম নিবন্ধন সনদের মূল কপি জমা নিয়েছে তাদের প্রত্যেককে আমার মত হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।এতে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে অভিযোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলে আমার স্বামী আমাকে তিনি মৌলানাসাব বলে চিন্তা করে অভিযোগ না দেয়ার জন্য বারন করে দেয়।

অনুসন্ধানকালে আরোও দেখা যায়,সম্প্রতি মাধ্যমিক স্থরের শিক্ষার্থীদের জন্য ০৮/০৭/২০২০ খ্রিঃ তারিখে উখিয়া উপজেলার রাজস্ব তহবিল থেকে পার্শ্ববর্তী #মৌলভীপাড়া_আদর্শ_নুরানী_মাদ্রাসার জন্য ১০ জোড়া শ্রেনী বেঞ্চ তালিকায় আসলে অত্র মাদ্রাসার নাম কেটে দিয়ে প্রত্যয়ন পত্রে মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা ব্যবহার করে সাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে ১০ জোড়া প্লাস্টিক এর শ্রেণী বেঞ্চ উত্তোলন করে।পরবর্তীতে তা মৌলভীপাড়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শ্রেনী কক্ষে জব্দ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।উপজেলা পি.আই ও অফিস থেকে তথ্য প্রযুক্তির ক্লাস পরিচালনার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদেরকে একটি ল্যাপটপ উপহার দিলে তা নিজ পুত্রকে ফরইভার কোম্পানির কাজে ব্যবহারের জন্য দিয়ে দেয় বলে জানা যায়।

একদিকে মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক, অন্যদিকে মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার নাম ও সুপার ব্যবহার করে রশিদ বই চাপিয়ে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন স্থান থেকে চাঁদা আদায়সহ প্রতি বছর অনৈতিকভাবে বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করে আসছে।স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় সরকার প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি মাসে ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে মাসিক ফিঃ আদায় এর নিয়ম-নীতি না থকলেও মাসে প্রতিজন ছাত্র-ছাত্রী থেকে ৩০০-৫০০ টাকা জোরপূর্বক ফিঃ আদায় করে।

সরেজমিনে, পরিদর্শনকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমানে,২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনি পরিক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীরা মেধা ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি লাভ করিলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি রেজিস্টারে নকল নাম ব্যবহার করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রধান শিক্ষক নিজ দস্তকে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। বৃত্তি প্রাপ্তদের মধ্যে মদিনা মনোয়ারা,পিতা-ওবাইদুল হক,মাতা-সাজেদা বেগম, প্রাপ্ত ভাতা=১০৮০০ টাকা (৩বছর),ইয়াছমিন আকতার,পিতাঃনুরুল ইসলাম,মাতা-আয়েশা বেগম,প্রাপ্ত ভাতা=৩৬০০টাকা(১বছর),তাহেরা বেগম,পিতা-জাফর আলম,মাতা-রহিমা খাতুন, প্রাপ্ত ভাতা=২৭০০ টাকা(১বছর), এহসান মুহতাব তামিম,পিতা-রশিদ আহমদ, মাতা-আনজুমান আরা,প্রাপ্ত ভাতা=২৭০০ টাকা(১বছর),সর্বসাং- মৌলভীপাড়া, সর্বমোট=২২,৫০০ টাকা আত্মসাৎ করে।এসব ভাতা অভিভাবকরা জানার পর তা খুঁজ নিতে গেলে প্রধান শিক্ষক তাদেরকে প্রতি মাসে মাসিক ফিঃ দিয়েছি বলে তাড়িয়ে দেয়।এমনকি টাকা আদায়ের এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটি করতে গিয়ে দফা দফা জগড়া বিবাদেও লিপ্ত হয়।সরেজমিনে পরিদর্শন পূর্বক এক অভিভাবক থেকে বিষয়টি জানতে গেলে তিনি প্রধান শিক্ষকের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর প্রাপ্ত ভাতা আদায় ও দূর্নীতির আগ্রাসন জানিয়ে দেয়ার জন্য অভিযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।অভিযোগ দায়ের করারা জন্য মহোদয় বরাবর চলে গেলে এতে স্থানীয় (পি.আই ও অফিস) এক চাকরিজীবি নির্যাতিত ঐ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীকে বিষয়টি তিনি সমাধান করবে বলে ধামা চাপা দিয়ে অভিযোগ না দেয়ার পরামর্শ দিয়ে সেখান থেকে অর্থাৎ উপজেলা থেকে তাড়িয়ে দেয়।পরবর্তী বছরে ঐসব শিক্ষার্থীদের ১বছর ব্যতীত ২ বছেরর ভাতা ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে ফিরে পায় বলে অভিভাবক থেকে জানা যায়।এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে বিতর্কিত ঐ প্রধান শিক্ষকের প্রতি আর কোন অভিযোগ দায়ের করেননি।নীতিমালা অনু্যায়ী প্রতি দুই বছর পর পর নির্বাচন এর মাধ্যমে কমিটি পরিবর্তন ও নতুন কমিটি গঠনের নিয়ম থাকলেও প্রধান শিক্ষক নীতিমালা তোয়াক্কা না করে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে একই কমিটি বার বার নবায়ন করে ২০২২ সালে এসে তোফায়েল আহমদকে সভাপতি নির্বাচন করে তা গোপনে বিলোপ্ত করে দেয়।একটি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় পাঁচ জন শিক্ষক রেজিস্ট্রারভুক্ত থাকলেও মাদ্রাসার প্রধানসহ নিয়মিত ২জন শিক্ষক ব্যতীত অবশিষ্ট ৩জন শিক্ষক প্রতিদিন অনুপস্থিত থাকে এমন অভিযোগ উঠে।রেজিস্ট্রারভুক্ত পাঁচ জনের মধ্যে ১|প্রধান শিক্ষক (নিয়মিত) ২| হোসাইন আহমদ বাদশা (নিয়মিত) ৩|রাজিয়া আকতার বকুল (অনিয়মিত) ৪|ইয়াছমিন আকতার (অনিয়মিত) ৫|নাম না জানা----------(অনিয়মিত)। আবার অনেকেই ৫নং এ প্রধান শিক্ষকের ছেলে এহাশুনাল করিম কষর ওরফে গাধা কষর আছে বলে মন্তব্য করেছেন। ৩জন শিক্ষক নিয়মিত উপস্থিত না থাকায় মাদ্রাসার প্রায় কচিকাঁচা ১০০-১৫০জন শিক্ষার্থী যথাযথ পাঠ না পেয়ে জীবনের মূল্যবান সময় অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।যেখানে শিক্ষক বিহীন একটি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় পাঠদান পেতে প্রতিদিন শিক্ষার্থীরা হিমশিম খাচ্ছে সেখানে একইসাথে ৬ষ্ট,৭ম ও ৮ম শ্রেনীর ক্লাস সংযুক্ত করে শিক্ষক বিহীন নিয়মিত দাখিল শাখাও ব্যবসার উদ্দেশ্য পরিচালনা করে আসছে।উপজেলা প্রশাসন অর্থাৎ প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে যেদিন পরিদর্শনে আসার ইশারা পেলে অনিয়মিত শিক্ষকগুলো আগের দিন এসে মাদ্রাসায় হাজিরা দেয়।পরবর্তী দিন আবার নির্দিষ্ট স্থানে চলে যায়।এভাবে প্রধান শিক্ষক জাতিকে ধোকা দিয়ে বোকা বানিয়ে একের পর এক শিক্ষক বানিজ্য করে আসছেন বলে অভিযোগ উঠে।

এতে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ,অভিভাবকবৃন্দ ও দাতা সদস্যরা এইসব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ইতিবাচক পরামর্শ প্রদান করিলে প্রধান শিক্ষক তাদেরকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা-হামলাসহ প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। যার কারনে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে অনিয়ম-দূর্নীতির সাতে জড়িত প্রধান শিক্ষককে অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শাস্তিমূলক অপসারণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে।

06/09/2024
মধ্যযোগীয় কায়দায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হলদিয়ার শাহা আলম প্রকাশ জঙ্গি শালম!প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর, ২০২৩ ২২:৫৫সোমবারনিজস্ব প্...
31/10/2023

মধ্যযোগীয় কায়দায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হলদিয়ার শাহা আলম প্রকাশ জঙ্গি শালম!

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর, ২০২৩ ২২:৫৫
সোমবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
উপজেলা হলদিয়াপালং ইউনিয়নের মৌলভীপাড়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা শাহা আলম প্রকাশ জঙ্গি শালম নামের এক প্রবীন মুরব্বি এক মাদ্রাসা পরিচালকের হাতে মধ্যযোগীয় কায়দায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নামঃ মৌলভী ছুরুত আলম, পিতাঃ-মৃত গোলাম হোসাইন, সাং-মৌলভীপাড়া,ডাকঘরঃ-মরিচ্যা-৪৭৫০,ওয়ার্ড নং ০৬, ইউনিয়নঃ-হলদিয়াপালং,প্যারা প্রধান শিক্ষক, মৌলভীপাড়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ও পরিচালক,মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া ফাউন্ডেশন উপজেলাঃ-উখিয়া, জেলাঃ-কক্সবাজার।

জানাযায়, প্রবীন মুরব্বি শাহা আলম ২০১৬ সালে জায়তুন নামক ঘুর্ণিঝড়ের কারনে পাহাড়ি ঢলের কবলে বাড়িতে পানি উঠলে দলিল পত্রের অরিজিনাল কপিগুলো মৌলভী ছুরুত আলমের নিকট জমা দেয়।এতে ছুরুত আলম দলিলাদি মাদ্রাসার অফিসে রাখার কথা বললেও হেফাজতের বাহনা দিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়।পরবর্তীতে দলিলাদি প্রয়োজন সাফেক্ষে খোঁজ নিলে মৌলভী ছুরুত আলম মূল দলিলাদি জমা দেইনি বলে অস্বীকার করে।এক পর্যায়ে তিনি ভিকটিম শাহা আলমের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে।পরবর্তীতে শাহা আলম দলিলগুলো পূনরায় খোঁজ নিলে মৌলভী ছুরুত আলম তাকে অকাট্য ভাষায় গালা-গালি করে। পরবর্তীতে মৌলভী ছুরুত আলম তার ছেলে এহসানুল করিম ওরফে গাধা করিমসহ শুক্কর বাহিনির ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী নিয়ে দা,কোদাল,রামদা,ক্রিস ও ছুরি নিয়ে মধ্যযোগীয় কায়দায় বেধড়ক মারধরসহ সন্ত্রাসী হামলা চালায়। তিনি বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উখিয়ায় ভর্তিরত আছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি জানায়,আমি রাস্তা দিয়ে চলে যাওয়ার মাঝখানে শাহা আলমকে কতগুলো মানুষ মারধর করেছে উপলদ্ধি করেছি। এগিয়ে গিয়ে বাধাঁ দেওয়ার সুপারিশ করলে এখানে এসে লম্বা কথা বললে মেরে ফেলবে বলে ধমক দেয়।আমি সেখান থেকে প্রাণের ভয়ে কোন মতে চলে এসেছি।উপলদ্ধির এক পর্যায়ে যা অনুভব করেছি,মৌলভী ছুরুত আলমের হাতে একটি কোদাল (পডা) দেখেছি।এটি নিয়ে বার বার শাহা আলমকে তাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।ফলে আশ-পাশের মানুষ বাধা দিলেও থামাতে না পেরে এক পর্যায়ে মাদ্রার শিক্ষক আবুল কালাম নামের এক ব্যক্তি এসে তাকে নিয়ে যায়।

শাহা আলম নামের ঐ ব্যক্তি মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রকৃত একজন প্রতিষ্ঠাতা দাতা সদস্য ( যিনি দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাতা নামে পরিচিত) এবং প্রধান শিক্ষকের একমাত্র সুঃখ-দুঃখের গোপনীয় সাথী ছিলেন।স্থানীয়রা জানান,শাহা আলম না হলে ২০০৪ সালে মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা মৌলভী ছুরুত আলমের পক্ষে মোটেও সম্ভব হতনা। অত্র মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করার জন্য তিনি যাবতীয় সহযোগিতার পাশাপাশি নিজের জান-মাল কুরবানীসহ ও অসংখ্য জমি দান করেছেন।

এ বিষয়ে শাহা আলম থেকে জানতে চাইলে তিনি দুর্লভ নিউজকে জানায়, ২০১৬ সালে জায়তুন নামক ঘুর্ণিঝড়ের কারনে বাড়িতে পানি উঠলে ছুরুত আলম মলইকে অরিজিনাল ৩টি দলিলসহ কাগজ পত্রের যাবতীয় ফাইল জমা দি। উক্ত কাগজগুলো প্রয়োজন সাফেক্ষে খোঁজ নিলে তিনি আমাকে তার সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্নের কারণ দেখিয়ে দলিলগুলো লুকিয়ে রাখে।এ বিষয়ে বার বার দলিলগুলো খুজলে তিনি আমার সাথে ঝগড়া ও অকাট্য ভাষায় গালা-গালি করে।তা আমি পাশ কাঠিয়ে চলে আসার চেষ্টা করি।অদ্য ৩১/১০/২০২৩ খ্রি: তারিখে দলিলগুলো আবারোও খুঁজলে তিনি আমাকে কোদাল নিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করে।এক পর্যায়ে আমাকে তাড়িয়ে নেয়।কিছুক্ষণ পরে তার ছেলে এহসানুল করিমসহ শুক্কুর বাহিনির ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী এসে আমাকে বেদড়ক মারধর করে। এতে আমি মাঠিতে লুঠিয়ে পড়ি।ফলে তারা আমাকে প্রাণ নাশের চেষ্টা করে। আবুল হোছন,আনসারুল্লাহ্,গফুর এবং ছলিম উল্লাহ না হলে তারা আমাকে একেবারে মেরে ফেলত। এ বিষয়ে আমি উখিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করছি।

স্থানীয়রা আরোও জানায়,মৌলভী ছুরুত আলম অবৈধভাবে একজনের জমি আরেক জনকে মেপে দেয়া এবং ঝগড়া লাগিয়ে দেয়ার পাশাপাশি মানুষের বাড়ির পিছে ফিতা ধরে জমির দলিল জালিয়াতির অনেক কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে উপলদ্ধি করেছি।সাম্প্রতিক, তার ভাইয়ের একটি জমিনের দলিল নিজ নামে জালিয়াতি করার কারনে তার সাথে বর্তামানে সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে। তার ভাতিজা জয়নাল উদ্দিন জানায়,আমার চাচা জমির বিষয় নিয়ে মাথা না ঘামালে স্বর্ণের মত দাম হতো। তুচ্ছ এই সব বিষয় নিয়ে মাথা ঘামার ফলে এক পর্যায়ে দাম কমে গেছে।

জামানতের দলিলপত্র ফেরৎ না দেওয়া এবং অনুদানের টাকা আত্মসাৎ করায় মাদ্রাসা পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ!প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর, ২০...
27/10/2023

জামানতের দলিলপত্র ফেরৎ না দেওয়া এবং অনুদানের টাকা আত্মসাৎ করায় মাদ্রাসা পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ!

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর, ২০২৩ ২২:৪৩
শুক্রবার
শওকত আলম দিপু

নিজস্ব প্রতিবেদক

উপজেলা হলদিয়াপালং ইউনিয়নের মৌলভীপাড়া এলাকার এক মাদ্রাসা পরিচালকের বিরুদ্ধে জায়গা-জমিনের মূল দলিলপত্র ফেরৎ না দেওয়া এবং অনুদানের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে।অভিযুক্ত ব্যক্তির নামঃ মৌলভী ছুরুত আলম, পিতাঃ-মৃত গোলাম হোসাইন,মাতাঃ-মৃত আজুমেহের,সাং-মৌলভীপাড়া,ডাকঘরঃ-মরিচ্যা-৪৭৫০,ওয়ার্ড নং ০৬, ইউনিয়নঃ-হলদিয়াপালং,প্যারা প্রধান শিক্ষক, মৌলভীপাড়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ও পরিচালক মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া ফাউন্ডেশন উপজেলাঃ-উখিয়া, জেলাঃ-কক্সবাজার।

জানাযায়, একই এলাকার তোফাইল আহমদ মন্ত্রী(বেসামালীগ মন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার) নামের প্রবীণ মুরব্বী ২০১৯ সালে মোরা নামক ঘুর্ণিঝড়ের কারনে পাহাড়ি ঢলের কবলে বাড়িতে পানি উঠলে দলিল পত্রের অরিজিনাল কপিগুলো মৌলভী ছুরুত আলমের নিকট জমা দেয়।এতে ছুরুত আলম দলিলাদি মাদ্রাসার অফিসে রাখার কথা বললেও হেফাজতের বাহনা দিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়।পরবর্তীতে দলিলাদি প্রয়োজন সাফেক্ষে খোঁজ নিলে মৌলভী ছুরুত আলম মূল দলিলাদি জমা দেইনি বলে অস্বীকার করে।এতে তোফাইল আহমদ মন্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে সেখান থেকে ফিরে এসে স্থানীয় গ্রাম আদালতে অভিযোগ দায়ের করে।গ্রাম আদালতের ৩৩৪ নং স্মারকে মৌলভী ছুরুত আলমকে উল্লেখিত তারিখের ০৭ (সাত) কার্য দিবসের মধ্যে কাঠগড়ায় হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ প্রেরণ করে।মৌলভী ছুরুত আলম প্রেরিত নোটিশ অমান্য করে প্রতিবারের মত ঘাড় ত্যাড়া করে আদালতকে ফাঁকি দেয় বলে অভিযোগ উঠে।এতে আদালত ক্ষুব্ধ হয়ে পরবর্তী নির্দেশনায় হাজির হওয়ার জন্য লিগ্যাল নোটিশ জারি করে।অনেকই দাবি করেছেন,জামানতের দলিল আমানত খেয়ানত করে মৌলভী ছুরুত আলম এলাকার মানুষের মান ক্ষুন্ন করেছে।দুর্লভ নিউজকে তারা জানায়,তিনি এলাকার প্রায় মানুষের জায়গা-জমিনের দলিল জালিয়াতি করে অবৈধভাবে অনেক টাকা উপার্জন করেছে।সাম্প্রতিক নিজ ভাইয়ের পারিবারিক একটি জমি নিয়েও অনেক দাঙ্গা-হাঙ্গামা করেছে।এক পর্যায়ে ভাইয়ের সাথে বর্তমানে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে।এমন হীন দুর্ধর্ষ পরিস্থিতি মোকাবেলা করে প্রতিবাদ প্রতিরোধ গড়ে তুলে প্রমান করা এলাকার মানুষের সময়ের দাবি বলে মনে করেছেন বিশ্লেষকরা ।

প্রবীন মুরব্বি তোফাইল আহমদ মন্ত্রী নামের ঐ ব্যক্তি মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা দাতা সদস্য ( যিনি দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাতা নামে পরিচিত) এবং প্রধান শিক্ষকের একমাত্র সুঃখ-দুঃখের গোপনীয় সাথী ছিলেন।স্থানীয়রা জানান,তৌফাইল আহমদ না হলে ২০০৪ সালে মৌলভীপাড়া ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা মৌলভী ছুরুত আলমের পক্ষে মোটেও সম্ভব হতনা।অত্র মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করার জন্য তিনি যাবতীয় সহযোগিতার পাশাপাশি নিজের জান-মাল কুরবানীসহ ও অসংখ্য জমিও দান করেছেন।

কভিড-১৯ বিবেচনায় সরকার কর্তৃক গত লকডাউনে মসজিদ ভিত্তিক মুয়াজ্জিন পদে (৫,০০০+৫,০০০)=১০,০০০ (দশ হাজার) নগদ টাকাসহ বিভিন্ন সরকারি অনুদান তোফাইল আহমদ নিজ নামে আসলেই সেই অনুদান তাকে না শুনিয়ে না দেখিয়ে প্রধান শিক্ষক ইমাম,খতীব,মুয়াজ্জিনের ৩টি পদ তার অনুকুলে দেখিয়ে অনুদান নগদ একাউন্ট থেকে উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করে।

এমতাবস্থায় জামানতে রাখা দলিলাদি ও আত্মসাতকৃত টাকাগুলো ফেরৎ দেয়ার জন্য স্থানীয় গ্রাম আদালতকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অভিযোগ দায়ের করেছেন।

পরকিয়ায় আসক্তে স্বামীকে প্রবাসে রেখে উধাও হয়েছে স্ত্রী!প্রকাশ: ১২ আগস্ট, ২০২৩ ১৮:০০শনিবারনিজস্ব প্রতিবেদক:উখিয়া রত্নাপাল...
12/08/2023

পরকিয়ায় আসক্তে স্বামীকে প্রবাসে রেখে উধাও হয়েছে স্ত্রী!

প্রকাশ: ১২ আগস্ট, ২০২৩ ১৮:০০
শনিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

উখিয়া রত্নাপালং ইউনিয়নের অন্তর্গত ভালুকিয়া তুলাতুলী গ্রামের মোহাম্মদ ইউনুসের স্ত্রী পরকিয়ায় আসক্তে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।অভিযুক্ত ব্যক্তি একই এলাকার বাসিন্দা।স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে নাদিয়া সুলতানা রেশমি নামের এই মেয়েটি দীর্ঘদিন পরকিয়ায় লিপ্ত হয়ে গত ৫ আগষ্ট পার্শ্ববর্তী একই ইউনিয়নের ৪ নাম্বার ওয়ার্ডের পশুর ডাক্তার আবু তাহের এর ছেলে আমজাদের সাথে পালিয়ে যায়।যাওয়ার সময় ফুটফুটে একটি ছোট্ট মেয়ে, মা ও ভাবীর সাত ভরির অধিক স্বর্ণ,বাবা ও বড় ভাইয়ের জমানো নগদ তিন লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা, প্রবাস থেকে পাঠানো ৯০ হাজার টাকাসহ নিয়ে যায়।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,ইউনুস বিদেশে থাকার সুযোগে আমজাদ রেশমির সাথে অবৈধ সম্পর্ক সৃষ্টি করে তাকে নিয়ে যায়।এতে আমরা খুবই দুঃখ প্রকাশ করছি।

বিশেষজ্ঞরা বলেন,প্রবাসীরা পরিবারকে সুখ দেয়ার জন্য বিদেশে পাড়ি জমালেও কিন্তু স্ত্রীরা তাদের বিপরীত জীবনে চলাফেরা করে। তারা স্বামী থেকে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা নিয়ে পরকিয়া প্রেমিককে খাবায় মন্তব্য করেছেন।নিরহ স্বশুর-শ্বাশুড়ী ও অবুঝ সন্তান-সন্তুতিকে আলাদা রুমে রেখে তারা পরকিয়া প্রেমিকের সাথে রাত যাপন করে এমন মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা।ঈদ মৌসুমে কেনাকাটা করার জন্য পরকিয়া প্রেমিকের সাথে মার্কেটে গিয়ে কেনাকাটা করে।পরবর্তীতে তা স্বামীকে ভিডিও কলে দেখিয়ে টাকা সংকুলন হয়নি এমন অভিযোগ এনে পরকিয়া প্রেমিককে মার্কেটিং করে দেয়।বিদেশী স্বামীকে এমন ধোকা দিয়ে প্রতি মাসে পার্কে ঘুরতে যাওয়ার কথা উঠে এসেছে।স্বামী না থাকার সুবাধে পরকিয়া প্রেমিক রাত জেগে আলাপ-আলোচনার কথাও উঠে।মোবাইলে ভিন্ন নাম দিয়ে ফোন নাম্বার সেটিং করে।

স্ত্রীরা চরিত্রহীন জগন্য কার্যকলাপে লিপ্ত হয়ে প্রবাসীর ঘর ভেঙ্গে যাচ্ছে মন্তব্য,গন্তব্যে পৌছানোর পর অনেক প্রবাসী বিদেশে আত্মহত্যা করছে।কিন্তু স্ত্রীরা এসব বিষয়ে মাথা না ঘামিয়ে পরকিয়ায় আসক্তে মজা নিচ্ছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

08/08/2023

বিক্ষোভকারীদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ বন্ধের আহ্বান অ্যামনেস্টির

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tight News24.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tight News24.com:

Share