Needhood.com

Needhood.com Solution for needs.

একাকীত্ব নয়, হোক সুখের আবাসবিবাহিত রূপে হোক দুনিয়ায় বসবাস।সেরা বইগুলো আমাদের ওয়েবসাইটে পাচ্ছেন সেরা মূল্যে।বিয়ে করার আগে...
07/07/2024

একাকীত্ব নয়, হোক সুখের আবাস
বিবাহিত রূপে হোক দুনিয়ায় বসবাস।
সেরা বইগুলো আমাদের ওয়েবসাইটে পাচ্ছেন সেরা মূল্যে।

বিয়ে করার আগে বিয়ের ইলম(ইসলামিক জ্ঞান) অর্জন করা ফরজ।

💝 অল্প সময়ের দুনিয়ার জীবনে আল্লাহ তা’য়ালা বিয়ের বিধান দিয়েছেন প্রশান্তি স্বরূপ। আর আল্লাহ আমাদের নবীজি হযরত মুহাম্মাদ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা দিয়ে ইসলামে বিবাহকে করেছেন একদম সহজ।

🎯 বিবাহিত জীবন হচ্ছে একটি অপার সম্ভাবনাময় নতুন জীবনের নাম। কুরআন ও হাদীসের আলোকে ইসলামিক পদ্ধতিতে সহজেই কিভাবে আমরা এই বিবাহিত জীবনকে উপভোগ করতে পারি, সে সম্পর্কেই সৌদি আরবের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন শাইখ আব্দুল্লাহ ইবনে জারুল্লাহ রহিমাহুল্লাহ এর বিখ্যাত বই “ইসলামে বিয়ে সহজ”।

বইটির সূচি ও কিছু অংশ পড়তে শর্ট পিডিএফ কমেন্টে দেখুন।
🎯 অর্ডার করুন এখনই।

বই : ইসলামে বিয়ে সহজ
লেখক : শাইখ আব্দুল্লাহ ইবনে জারুল্লাহ রহিমাহুলাহ
অনুবাদক : মুফতি শরিফুল ইসলাম নাঈম
পৃষ্ঠা : ১৭৬
কভার : হার্ডকভার

29/06/2024

ফ্রি ফ্রি ফ্রি !!!
৯৯৯ টাকার অর্ডারে একটি ডিজিটাল হাতঘড়ি একদম ফ্রি।

নামাজে মনযোগ তখনই আসে যখন কেউ নামাজের জন্য তারঁ মনকে খালি করে নেয়, সবকিছুকে সরিয়ে নামাজকেই তারঁ চিন্তার কেন্দ্রবিন্দুতে ...
28/06/2024

নামাজে মনযোগ তখনই আসে যখন কেউ নামাজের জন্য তারঁ মনকে খালি করে নেয়, সবকিছুকে সরিয়ে নামাজকেই তারঁ চিন্তার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে, এবং সব কিছুর উপরে নামাজকে প্রাধান্য দেয়। একমাত্র তখনই নামাজরত ব্যক্তি নামাজে স্বস্তি ও আনন্দ খুঁজে পায়, যেমনটি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন______ 'সালাতেই আমার চোখের শান্তি রাখা হয়েছে '

বই: নামাজে মনযোগ ধরে রাখার উপায়
অর্ডার লিংক কমেন্টে।

15/06/2024

সাফিয়্যা (রা.) ছিলেন নবীজির স্ত্রী। তিনি কিছুটা খাটো ছিলেন, ফলে উটের পীঠে আরোহন করতে কষ্ট হতো। তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে সাহায্য করার জন্যে নিজের হাঁটু পেতে দিতেন। সাফিয়্যা (রা.) সেই হাঁটুতে পা রেখে উটের হাওদায় ওঠে বসতেন [সহিহ বুখারি: ৪২১১]
আম্মাজান সাফিয়্যা (রা.) বলেন, ‘একবার রাসূল ﷺ তাঁর স্ত্রীদের সাথে হজ্বে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আমার উট বসে পড়ল, কারণ ওটা ছিল সবচেয়ে দুর্বল উট, তাই আমি কেঁদে ফেললাম। নবী ﷺ আমার কাছে আসলেন আর আমার চোখের জল নিজের জামা ও হাত দিয়ে মুছে দিলেন।’ [মুসনাদে আহমাদ: ৬/৩৩৭]
সুবহানাল্লাহ! পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষটি তাঁর স্ত্রীর সাহায্যে নিজের হাঁটু বিছিয়ে দেন আর সেই হাঁটুতে পা দিয়ে ভর করে স্ত্রী উটের পীঠে চড়েন! কী অসাধারণ দৃশ্য! কী চমৎকার বিনয় ও ভালবাসা! আবার স্ত্রীর চোখের পানি নিজের জামা ও হাত দিয়ে পরম মমতায় মুছে দেন। অন্য হাদিসে এসেছে, তিনি উঠের পীঠে তন্দ্রালু হয়ে পড়তেন, তখন নবীজি তাঁর মাথা ধরে রাখতেন! একজন স্ত্রী তাঁর স্বামীর কাছ থেকে আর কী চায়?
একজন স্ত্রী হিসেবে সাফিয়্যা (রা.) নিজ স্বামী রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কীভাবে মূল্যায়ন করতেন? কতটুকু ভালবাসতেন? এটি বুঝতে একটি হাদিসই যথেষ্ট হতে পারে।
হাদিসে এসেছে, ‘রাসূল ﷺ যখন প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে মৃত্যুশয্যায় ছিলেন, তাঁর স্ত্রীরা তাঁর চারপাশে জড়ো হলেন। তখন সাফিয়্যা (রা.) বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আপনার জায়গায় যদি আমি থাকতে পারতাম!’ (অর্থাৎ, আপনার কষ্টটা আপনার না হয়ে যদি আমার হতো!) তাঁর কথা শুনে অন্য স্ত্রীগণ মুখটিপে হাসলেন। রাসূল ﷺ তাঁদের দেখে ফেললেন এবং বললেন, ‘তোমাদের মুখ ধুয়ে ফেল।’ তাঁরা বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! কেন?’ তিনি জবাবে বললেন,‘কারণ তোমরা তাঁকে বিদ্রুপ করেছ। আল্লাহর শপথ! সে সত্য বলছে।’ [তবাকাতে ইবনে সা'দ: ৮/১০১]
জ্বী, এটিই বাস্তবতা। জ্ঞানীরা বলেন, নারীকে আপনি যেটুকু ভালবাসা ও সম্মান দিবেন, সে বিনিময়ে তারচেয়ে বেশি ভালবাসা ও সম্মান ফিরিয়ে দেবে। আবার তাকে যতটুকু ঘৃণা দেখাবেন, বিনিময়ে সে তারচেয়েও বেশি ঘৃণা ফিরিয়ে দেবে।
(যাহোক, এটা কোনো চিরন্তন সত্য বা ওহির বাণী নয়, আপনারা এতে দ্বিমত করতেই পারেন। আমরা প্রাসঙ্গিক হিসেবে এটি উল্লেখ করলাম মাত্র।)
((সংগৃহীত))

Huge stock available
18/06/2023

Huge stock available

14/12/2022

ও+ রক্ত লাগবে, ঢাকায়।
একটি বাচ্চার জন্য, ইমারজেন্সি।
শিশু-মাতৃ স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, মাতুয়াইল, ঢাকা।
যোগাযোগ: 01674-924739

দাওয়াহ এর উদ্দেশ্যে ৫০০০ কপি বিতরণ করা হচ্ছে মাত্র ৫০ টাকা করে। বিতরণ কাজে আপনিও অংশগ্রহণ করুন এবং সংগ্রহ করুন আপনার কপ...
10/10/2022

দাওয়াহ এর উদ্দেশ্যে ৫০০০ কপি বিতরণ করা হচ্ছে মাত্র ৫০ টাকা করে। বিতরণ কাজে আপনিও অংশগ্রহণ করুন এবং সংগ্রহ করুন আপনার কপিগুলো।
বিস্তারিত "অশ্রু প্রকাশন" পেজে।

আসসালামু আলাইকুম।
আপনাদের খেদমতে আমাদের নতুন বই "নামাজে মনোযোগ ধরে রাখার উপায়"।

লেখক : শাইখ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
অনুবাদক : ইবনে ইউসুফ
সম্পাদক : সাবেত চৌধুরী
পৃষ্ঠা : ৮৮
কভার : পেপারব্যাক
কাগজ : ৭০ গ্রাম ক্রিম কালার
মুদ্রিত মূল্য : ১০০ টাকা
বিক্রয় মূল্য : ৫০ টাকা (দাওয়াহ সংস্করণ)
বই প্রকাশের সম্ভাব্য দিন ১৮ অক্টোবর, ২০২২ ইনশা আল্লাহ।
এই অফার ১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ পর্যন্ত চলবে

* কমপক্ষে ৫ কপি "নামাজে মনোযোগ ধরে রাখার উপায়" বইটি নিতে হবে। কুরিয়ার ফি আলাদা যোগ হবে। এছাড়াও আমাদের অন্যান্য বইগুলো পাচ্ছেন অতিরিক্ত ছাড়ে !!!
মাসনূন দূআ ও যিকর স্টিকার (১২ টি) - ৪০ টাকা
রমাদান প্রিপারেশন - ৬০ টাকা
একমুঠো ভালোবাসা - ৮০ টাকা
ইনতিযার - ১১০ টাকা

* কুরিয়ার খরচ ৫০ টাকা ৫ কপির জন্য। ২০ কপিতে ৭০ টাকা। ৩০ কপিতে ৯০ টাকা। এর বেশি যা নেবেন, কুরিয়ার খরচ ১০০ টাকা যোগ করে পাঠাবেন।

* ৫ কপির কম হলে ৬০ টাকা দিয়ে যে কোন অনলাইন শপ বা নিকটস্থ বইয়ের দোকান হতে অর্ডার করুন।

আমরা প্রাথমিক টার্গেট নিয়েছি ৫ হাজার দাওয়াহ সংস্করণ বিতরণ করব। এই বিতরণে আপনি প্রিন্টিং খরচ দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন। আমরা সারা দেশেই গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বইগুলো ফ্রি বিতরণ করব। অথবা আপনি নিজেই কপিগুলো নিয়ে বিতরণ করতে পারবেন।

টাকা পাঠানোর মাধ্যম :

বিকাশ (পেমেন্ট) - 01789334148

বিকাশ (সেন্ড মানি) - 01521203767

নগদ (সেন্ড মানি) - 01521203767

রকেট (সেন্ড মানি) - 015212037676

ব্যাংক একাউন্ট -
PRIME BANK LIMITED
Account No : 2104214005605
Account Title : MD. YUSUF ALI
Branch Name : MOTIJHEEL BRANCH
Routing Number : 170274245
মোট টাকা হিসেব করে উপরের মাধ্যমগুলোতে টাকা পাঠিয়ে নিচের ফর্মটি পূরন করুন।
https://forms.gle/3urEhaC8dx4oWDVD7

আপনার অর্ডারটি কনফার্ম হয়েছে কিনা, কবে পাঠানো হয়েছে এসব জানতে নিচের ফাইলটিতে চোখ রাখুন। দয়াকরে সময় দিয়ে সাহায্য করবেন।
https://docs.google.com/spreadsheets/d/1BHIbififUVywfRB58md6IcGTgRE20nmc7Vm4e-nQwec/edit?usp=sharing

বই বিতরণ প্রজেক্টের প্রচারণায় আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। নিজেরা বিতরণে অংশ নিতে না পারলেও প্রচারণায় অংশ নেবেন ইনশাআল্লাহ। বন্ধুবান্ধবদের জানিয়ে দেবেন।

ভালোবাসা অবিরাম।

ঈদ-কুরবানির ছুটিতে সাধারণত আমরা অনেকেই গ্রামের বাড়ি বেড়াতে যাই, অনেক আত্মীয়স্বজনও আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসে থাকেন।চাচাতো-...
07/07/2022

ঈদ-কুরবানির ছুটিতে সাধারণত আমরা অনেকেই গ্রামের বাড়ি বেড়াতে যাই, অনেক আত্মীয়স্বজনও আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসে থাকেন।

চাচাতো-মামাতো-ফুফাতো-খালাতো ভাইবোনেরা একত্রিত হন। এ ছাড়াও নানারকম নিকট-দূরের অনেক আত্মীয়স্বজন আমাদের বাসায় বেড়াতে আসেন, আমরাও যাই। এ-সময় ঘুমানোর জায়গা নিয়েও অনেক পরিবারে সংকট দেখা যায়। স্থান সংকুলান না করতে পেরে ছেলেমেয়েদেরকে অনেক সময় আমরা এমন মানুষদের সাথে ঘুমাতে দিয়ে থাকি, যেটা ইসলামি মূল্যবোধের সাথে যায় না। মেহমানদের আপ্যায়ন, নানারকম ব্যস্ততার কারণে ছেলেমেয়েরা কোথায় থাকে, তার খোঁজ রাখতে মায়েরা ভুলে যান। আর এই সুযোগেই অনেক সময় আমাদের ছেলেমেয়েদের জীবনে ঘটে যায় অনেক ভয়াবহ ঘটনা।

দাম্পত্য ও পারিবারিক কাউন্সেলিংয়ের কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আছে আমার। আমি প্রফেশনাল কাউন্সেলর নই, নিজের জানাশোনা লোকদের মধ্যে অনেক সময় অনেকে এসেছেন কাউন্সেলিংয়ের জন্য। আমার যতটুকু জ্ঞানবুদ্ধি আল্লাহ দিয়েছেন, সে অনুযায়ী সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি।

আজ তেমনই একটা কাউন্সেলিংয়ের ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করব।

বেশ অনেক বছর আগের কথা। এক ভদ্রলোক আমাকে ইনবক্স করেছেন, তিনি আমার সাথে দেখা করতে চান। পারিবারিক বিষয়ে তার পরামর্শ প্রয়োজন। আমি ব্যক্তিগতভাবে না-চেনার কারণে সাক্ষাতে আগ্রহবোধ করছিলাম না। তিনি জানালেন—বিষয়টি খুবই মানবিক এবং তাকে একজন নির্ভরযোগ্য লোক আমার সাথে এ নিয়ে পরামর্শ করতে বলেছে।

পারিপার্শ্বিক নানা পরিস্থিতির কারণে আমি তারপরও সাক্ষাতের ব্যাপারে অনাগ্রহ দেখালে তিনি সমস্যার কথা ইনবক্সেই বললেন। সমস্যা হলো তিনি তার স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে চান। মোটামুটি সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন। শেষবারের মতো তিনি একটু বুঝতে চান; আর এজন্যই আমার শরণাপন্ন হয়েছেন। একটি সংসার রক্ষা করার কথা চিন্তা করে অবশেষে তাকে অফিসে আসতে বললাম।

ডিভোর্সের মতো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, বিছানায় যেতে চাইলেই তার স্ত্রী রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। কিছুতেই তাকে শান্ত করা যায় না। এরপর এক পর্যায়ে অপ্রকৃতস্থ হয়ে পড়েন। তখন কাউকে সহ্য করতে পারেন না—বিশেষ করে পুরুষ কাউকে। মারাত্মকরকম অস্বাভাবিক আচরণ করেন।

আমি তার কাছে জানতে চাইলাম—এর পেছনে কী কারণ থাকতে পারে বলে মনে করেন। তিনি খুব নির্দিষ্টভাবে কিছু বলতে পারলেন না। তবে পরিবারের অন্যান্যরা বলে—তার স্ত্রীর নাকি অন্য কারও সাথে রিলেশন আছে, তার কাছ থেকে ডিভোর্স নেওয়ার জন্য এসব অভিনয় করে। আর স্ত্রীর পরিবার থেকে কে নাকি বলেছে তার ‘উপরি ভাব’; অর্থাৎ জিনের আছর আছে। কারণ যা-ই হোক, বেচারা স্বামীর প্রাণ ওষ্ঠাগত। নতুন বিয়ে করে কোথায় একটু সুখ-আনন্দ করবে, তার তো উপায় নাই-ই, উলটো ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা। তবে ভদ্রলোক নিজে এর কোনোটায় বিশ্বাস করেন বলে মনে হলো না; বরং স্ত্রীর প্রতি তিনি যথেষ্ট আন্তরিক, তবে পরিস্থিতি এতটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে যে, তিনি একরকম অসহায় বোধ করছেন।

আমি তাকে আরেকটু ধৈর্য ধরতে বললাম। বললাম আপনি ডিভোর্স দিলে তো যেকোনো সময়েই দিতে পারবেন, তবে তার এ-আচরণের কারণ উদ্‌ঘাটন না করে যদি ডিভোর্স দেন, তা বোকামি হবে। কারণ উদঘাটন করে যদি দেখেন তা সমাধান সম্ভব, তাহলে সমাধানের চেষ্টা করেন আর যদি সমাধানের অযোগ্য হয়, তাহলে আপনি তখন যা খুশি, সিদ্ধান্ত নিয়েন। পরামর্শ দিলাম স্ত্রীর বাবা-মা, ভাইবোন কারও সাথে একান্তে বসে তাদের থেকে জানতে চেষ্টা করুন এর পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ আছে কি না!

কিছুদিন পর ভদ্রলোক আবার এলেন। তিনি জানালেন যে এবার তিনি কারণ উদ্ধার করতে পেরেছেন। কারণটা হলো, তার স্ত্রী কিশোরী বয়সে তাদের বাসায় বেড়াতে আসা এক দূর সম্পর্কের মামা বা চাচা টাইপের এক আত্মীয়ের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। তাদের বাসার লোকজন তেমন ধর্ম-কর্ম করতেন না, পর্দা-পুশিদার ধার ধারতেন না। দশ-এগারো বছর বয়স। বাচ্চা মেয়ে। ‘আরে উনি তো তোমার মামা লাগেন, এখানেই ঘুমাও, কী হবে!’ এভাবে নাকি একই রুমে ঘুমাতে দিয়েছিলেন বাবা মা।

সেই দুর্ঘটনা তার কিশোরী মনে এত গভীর রেখাপাত করেছিল যে, এখন তার জীবনটাই ধ্বংসের মুখে। যখন তার স্বামী তার কাছে আসতে চায়, তখন তার মানসপটে কৈশোরের সেই ভয়ংকর দৃশ্য ভেসে ওঠে। তার স্বামীকে সে তখন চিনতে পারে না, মনে হয় সেই ধর্ষক তার দিকে এগিয়ে আসছে। সে প্রাণপণ চেষ্টা করে বাঁচতে। সে চিৎকার করে ওঠে। দৌড় দেয়। ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর প্রলাপ বকতে থাকে।

একটু অসচেতনতা, একটু অসতর্কতা, একটি ঘটনা। আজ একজন পুরুষের, একজন নারীর ও দুটি পরিবারের জীবন এমন সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে, যা থেকে কোনো দিন উত্তরণ হবে কিনা, কেউ জানে না।

আহ! বাবা, মা! কেন মহান স্রষ্টা মানুষকে বাবা-মা বানিয়েছেন! কেন মানবপ্রজন্ম রক্ষার জন্য এই নিয়ম দিয়েছেন? তিনি চাইলে তো আকাশ থেকে মানুষ বৃষ্টি করতে পারতেন। তিনি চাইলে মাটি থেকে গাছের মতো মানুষ গজাতে পারতেন। তিনি চাইলে নদী থেকে মাছের মতো জলজ্যান্ত মানুষ উঠে আসত; কিন্তু মানুষ তো মানুষ। সৃষ্টির সেরা জীব। তার জন্ম, প্রতিপালন, আচার-ব্যবহার, আদব-কায়দা, নিরাপত্তা, আবাসন তো সৃষ্টির সেরা জীবের মতই হওয়া চাই।

আপনি কেমন বাবা-মা হলেন, আপনার যে সন্তানের জীবনের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দেওয়া ছিল আপনার দায়িত্ব, আপনি তাকে ধর্ষিতা হওয়ার জন্য তুলে দিলেন অন্যের বিছানায়!

আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষও আছেন; যারা নিজেরা নামাজ-কালাম করেন, অনেক মহিলা আছেন; যারা বাইরে যাওয়ার সময় যথারীতি মুখ-ঢাকা বোরকা পরে যান; কিন্তু ঘর-বাড়িতে পর্দার ব্যাপারে মোটেই সচেতন নন। চাচাত, মামাত আর পাড়াত ভাই-বোনদের সাথে এমনভাবে চলেন, যেন তারা পর্দার হুকুমের বাইরে।

মনে রাখবেন, রাস্তার একজন মানুষ হঠাৎ এসে আপনার মেয়ের ওপর, আপনার ছেলের ওপর চড়াও হবে না। যারা আপনার বাড়িতে থাকে কিংবা আসা-যাওয়া করে, তাদের দ্বারাই এ-ধরণের অঘটন ঘটার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি; অথচ বাইরে বেরোবার সময় সাতপাট্টা পরে বের হলেও বাড়ি-ঘরে নারী-পুরুষদের পৃথকীকরণ ও পর্দার ব্যাপারে আমরা সবচে বেশি উদাসীন।

প্রত্যেক মানুষের একটি পাবলিক চেহারা আছে, যেটা সবাই প্রকাশ করে। এখানে কেউই নিজেকে খারাপভাবে প্রকাশ করে না। নিজের চারিত্রিক, নৈতিক যত খারাপ দোষ আছে, তার ওপর অনেকগুলো পর্দা ঝুলিয়ে তা ঢেকে রাখে। নিজে যতটুকু ভালো, তার চেয়ে অনেক বেশি ভালো সাজিয়ে নিজেকে প্রকাশ করে। এ-কারণে আমাদের মনে আমাদের চারপাশের মানুষদের সম্পর্কে একটা সাধারণ নিষ্পাপ ধারণা থাকে। আরে ও আমাদের অমুক, আরে এ তো আমাদের...।

বিশেষত ভাইবোনের ছেলেমেয়েদের ব্যাপারে। তাদের প্রতি যেহেতু একটা সন্তানসুলভ দৃষ্টিভঙ্গি থাকে, তাই তাদেরকে আমরা স্বতন্ত্র একটি ছেলে বা মেয়ে, একজন নারী বা পুরুষ হিসেবে মূল্যায়ন করে উঠতে পারি না। এভাবে আমরা বিষয়টিকে হালকাভাবে নিই। আসলে আমরা মানুষদেরকে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গভাবে চিনি না। সঠিকভাবে কেবল তিনিই চেনেন; যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। তাই তিনি তাদের জীবন পরিচালনার জন্য যে নিয়ম দিয়েছেন, তা হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। আর আমরা যে এভাবে হালকাভাবে দেখিয়ে নিজেদেরকে ভালো মানুষ সাজাতে চাই, এটাও আসলে ভালো মানুষ সাজানো নয়।

আমরা মনে করি—আহ! আমার বোনের ছেলেকে, ভাইয়ের ছেলেকে যদি ভেতরঘরে ঢুকতে নিষেধ করি, ড্রয়িংরুমে বসিয়ে রাখি, তাহলে তারা মাইন্ড করবে, আমার ভাইবোনেরা মনে কষ্ট পাবে। পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে যদি ঘরে অবাধে প্রবেশ করতে না-দেওয়া হয়, তারা মনে মনে ক্ষিপ্ত হবে।

আমাদের মেয়েদের ক্ষতি হবার চিন্তা করে আমরা তাদেরকে পর্দার মধ্যে না লুকালেও সেই একই লোকেরা যখন আমাদের বাড়িতে আসে, আমরা আমাদের টাকাপয়সা, সোনাদানা ও মূল্যবান জিনিসপত্র কিন্তু ঠিকই লুকিয়ে রাখি। তখন আমরা ঈমান রক্ষার ব্যাপারে সচেতন হয়ে যাই। বলি, মাল যায় যার ঈমান যায় তার। কিন্তু আমাদের ইজ্জত, আমাদের মেয়েদের ইজ্জত লুণ্ঠিত হলে আমাদের ঈমান যায় না!

যে লোকদের ওপর আপনি সামান্য টাকাপয়সার ব্যাপারে আস্থা রাখলেন না, আপনার অমূল্য সম্পদ কন্যাটির ব্যাপারে তাদেরকে কীভাবে ফেরেশতা ভাবলেন? অথচ অর্থের প্রতি লোভের চেয়ে নারীর প্রতি পুরুষের আকর্ষণের মাত্রা অনেক বেশিই থাকে।

পর্দার ব্যাপারে শক্ত অবস্থান নিলে যে বহিরাগতদের সাথে পরিবারের লোকদের অবাধ মেলামেশা বাধাগ্রস্ত হয়, তারা অনেক সময় এমন কথা নিয়ে উপস্থিত হন যে, এর দ্বারা তাদেরকে অপমান করা হয়েছে। তারা বোঝাতে চান যে, তাদেরকে এর দ্বারা চরিত্রহীন সাব্যস্ত করা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, তাহলে একই ব্যক্তি যখন তার টাকাপয়সা সোনাদানা সুরক্ষিত স্থানে লুকিয়ে রাখেন, তখন কি আপনারা আপনাদেরকে চোর সাব্যস্ত করা হয়েছে বলে অপমান বোধ করেন? করেন না; অথচ ওটা করলে এটা মনে করাও যৌক্তিক ছিল!

আসলে সুরক্ষা দেওয়ার ব্যাপারে যেসব সাবধানতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তার উদ্দেশ্য প্রত্যেক ব্যক্তিকে অপরাধী মনে করা নয়। আপনি বাইরে গেলে আপনার ঘরে তালা দিয়ে যান—এর অর্থ আপনার প্রতিবেশীরা সব চোর তা নয়। আপনার বাড়িতে ঘরের টাকাপয়সা, সোনাদানা বিশেষভাবে আলমারি সিন্দুকে লুকিয়ে রাখেন—এর অর্থ এই নয় যে, আপনার বাড়িতে আগত মেহমানরা সবাই চোর!

যে-কারণে তারপরও আমরা এসব সতর্ক থাকি তা হলো, আমরা তো সবাইকে নিশ্চিতভাবে চিনি না, কারও একটু হাতটানের স্বভাব থাকতে পারে। কারও চুরির স্বভাব থাকতেও পারে। আর এ-ধরনের লোকেরা যদি অরক্ষিত কিছু পায়, তা নিয়ে যেতেও পারে। একইভাবে পর্দা-ব্যবস্থা গ্রহণ করা দ্বারা সবাইকে চরিত্রহীন সাব্যস্ত করা হয় না। তবে অবাধ মেলামেশা হলে নারী-পুরুষের কারও সাথে কারও অনৈতিক কিছু হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল হয়ে ওঠে।

তাই আপনার প্রাণপ্রিয় কন্যাটির ব্যাপারে, ছেলেটির ব্যাপারে আরও একটু সচেতন হোন। আপনি তার অভিভাবক। তার নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনার। আপনার সামান্য অবহেলা তার গোটা জীবনটাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে পারে।

আপনি কি তা চান?

লিখেছেন : আবু তাসমিয়া আহমদ রফিক
প্রধান সম্পাদক, সিয়ান পাবলিকেশন

শেয়ার করে সকলকে সতর্ক করে দিন।

Lenovo Bluetooth earphoneব্লুটুথ এয়ারফোন (এক কানের)৬ মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি।৩৬০ ডিগ্রি ঘুরানো যায়।২ কানেই ব্যবহার...
21/06/2022

Lenovo Bluetooth earphone
ব্লুটুথ এয়ারফোন (এক কানের)
৬ মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি।
৩৬০ ডিগ্রি ঘুরানো যায়।
২ কানেই ব্যবহার করা যায়।

কাজ করতে করতে কথা বলার দরকার?
আঁকাবাঁকা পথ চলতে চলতে পছন্দের নাসিদটি শুনতে মন চাচ্ছে?

এক্ষেত্রে পারফেক্ট সলিউশন হচ্ছে আমাদের এই ব্লুটুথ ইয়ারফোনটি।
অর্ডার করতে নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর ইনবক্স করুন।
অফার মুল্যঃ ১৫৯৯ টাকা মাত্র

21/06/2022

বাবা থেকে পাওয়া সেরা শিক্ষা কী?

17/06/2022

জান্নাতে বিচ্ছেদ নেই। মৃত্যু নেই। ঘুম নেই।

হিংসা বিদ্বেষ নেই। ক্লান্তি নেই। কান্না নেই।

রোগবালাই নেই। জান্নাতে নবীজি সা. কে দেখা যাবে। রব্বে কারীমকে দেখা যাবে।

©Atik Ullah

Address

Outer Circular Road
Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Needhood.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Needhood.com:

Share