Shahabuddin Hridoy

Shahabuddin Hridoy Official page of Shahabuddin Hridoy, an Educational Blogger, Free Thinker and Believer. (www.youtube.com/) He works for the students.

Shahabuddin Hridoy is an educational blogger. He writes educational content on his blog sites and he makes videos on his YouTube channel. Currently He studies BSc (Honours) in Botany at University of Chittagong, Bangladesh. Shahabuddin Hridoy is also a learner. Learning is always interesting for him. He always want to learn new things and improve his personal skills. He personally believes that learning new things don't go in vain.

যখন আপনি নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখে যাবেন, তখন আপনার জীবন অনেক সহজ, নিজের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে নিজেকে একজন পরিপূ...
31/07/2026

যখন আপনি নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখে যাবেন, তখন আপনার জীবন অনেক সহজ, নিজের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে নিজেকে একজন পরিপূর্ণ ও শক্তিশালী মানুষ মনে হবে।

কেউ আপনার টেক্সটের রিপ্লাই দিচ্ছে না, আপনি চিন্তা, রাগ, insecurity, মাথায় নানান প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, আপনি ভাবছেন সে কি আমাকে ignore করছে?

নিজের আবেগকে নিজের কন্ট্রোলে রাখতে পারলে You stop chasing, আপনি আর কারো attention, ভালোবাসা বা approval পাওয়ার জন্য ছুটবেন না।যে আসতে চায়, সে নিজে থেকেই আসবে।

আপনি আর সবাইকে নিজেকে প্রমাণ করতে যাবেন না।
কেউ ভুল বুঝলে সেটাকে accept করতে পারবেন, সবাইকে convince করার দরকার নেই। অতিরিক্ত ব্যাখ্যা দেওয়া বন্ধ করবেন।

আপনি অন্য কারো জন্য নিজেকে ছোট ভাবা বন্ধ করে দিবেন, নিজের জায়গা, নিজের মূল্য নিয়ে confident থাকবেন।

আগে হয়তো অন্যের কথা বা আচরণে আপনার মন খারাপ হতো মুড টা পাল্টে যেত কিন্তু এখন আপনি নিজেই নিজের ইমোশনা কে কন্ট্রোল করতে পারেন। নিজেকে নিজেই নিয়ন্ত্রণ করুন এই চাবিটা অন্যের হাতে দেবেন না।

এটা আসলে অন্যের থেকে বা দূরে হয়ে যাওয়ার বিষয় না।
মানে আপনি insensitive বা রূঢ় বা কঠিন হয়ে যাচ্ছেন না।
আপনি শুধু ভিতর থেকে strong হচ্ছেন, সবকিছুই করবেন শুধু যেটাতে আপনার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে বা নিজেকে ছোট অনুভব করবেন, সেটা এড়িয়ে যাবেন।

যখন আপনার happiness আর compromise করার মতো কিছু থাকে না, তখন আপনি নিজের শান্তি, নিজের মূল্য কাউকে খুশি করার জন্য চেয়ে থাকেবেন না।

তখনই মানুষও আপনাকে respect করা শুরু করবে।

যেদিন আপনি নিজের শান্তিকে priority দেবেন, সেদিন থেকেই আপনার জীবনের game change হয়ে যাবে।

অপমানের সবচেয়ে মার্জিত জবাব হলো, নিজেকে অপমানিত স্থান থেকে নীরবে সরিয়ে নিয়ে এক শান্ত দূরত্ব বজায় রাখা।অযথা তর্কে জড়িয়ে ন...
30/07/2026

অপমানের সবচেয়ে মার্জিত জবাব হলো, নিজেকে অপমানিত স্থান থেকে নীরবে সরিয়ে নিয়ে এক শান্ত দূরত্ব বজায় রাখা।

অযথা তর্কে জড়িয়ে নিজের মান নামানোর চেয়ে নিঃশব্দে সরে আসাই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ আপনার এই নীরবতাই হবে তার জন্য সবচেয়ে কঠিন শাস্তি। তর্কে জিতে সাময়িক আনন্দ পাওয়া গেলেও, মর্যাদা বজায় রেখে সরে দাঁড়ালে নিজের ব্যক্তিত্ব রক্ষা পায়।

আপনি যখন শান্তভাবে নিজেকে সরিয়ে নেবেন, তখন সেই মানুষটি একদিন ঠিকই আপনার অভাব অনুভব করবে এবং বুঝতে পারবে আপনাকে হারানো তার জীবনের কত বড় ভুল ছিল।

👉মনে রাখবেন
সব অপমানের জবাব মুখে দিতে নেই। কিছু জবাব সময়ের হাতে ছেড়ে দিয়ে নিজের আত্মসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকাই হলো প্রকৃত বিজয়।🩶🌸

সাম্প্রতিক এক গবেষণায়, পিকিং ইউনিভার্সিটি এবং বেইজিং নরমাল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে ভার্চুয়াল রিয়েল...
30/07/2026

সাম্প্রতিক এক গবেষণায়, পিকিং ইউনিভার্সিটি এবং বেইজিং নরমাল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট এবং মোশন-ট্র্যাকিং ডিভাইস পরিয়ে দেন, যা একটি কৃত্রিম পরিবেশে তাদের হাতের জায়গায় বড়, পালকযুক্ত ডানা স্থাপন করে।

এক সপ্তাহ জুড়ে চারটি ৩০-মিনিটের সেশনে, অংশগ্রহণকারীরা তাদের আসল হাত ঝাপটিয়ে এই ডানাগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে। তারা একটি ভার্চুয়াল আয়নায় নিজেদের দেখতে দেখতে রিংয়ের মধ্যে দিয়ে পথ চলা এবং পড়তে থাকা বস্তু আটকানোর মতো কাজগুলো সম্পন্ন করে।

এর ফলে তাদের নড়াচড়া এবং উড়ান নিয়ন্ত্রণের মধ্যে একটি শক্তিশালী কার্যকরী সংযোগ তৈরি হয়। প্রশিক্ষণের আগে ও পরে, ফাংশনাল এমআরআই স্ক্যানে অক্সিপিটোটেম্পোরাল কর্টেক্স (ওটিসি)-এ উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়। ওটিসি হলো মস্তিষ্কের সেই অঞ্চল যা শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে দৃশ্যগতভাবে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিশেষভাবে কাজ করে।

প্রশিক্ষণ-পরবর্তী সময়ে, অংশগ্রহণকারীরা যখন ডানার ছবি দেখছিল, তখন এই অঞ্চলে বর্ধিত সক্রিয়তা দেখা যায় এবং স্নায়বিক প্রতিক্রিয়ার ধরণ মানুষের উপরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সাথে আরও বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে ওঠে, বিশেষ করে ডান গোলার্ধে।

এছাড়াও, নড়াচড়ার পরিকল্পনা এবং দেহসংবেদনের সাথে জড়িত ফ্রন্টোপ্যারাইটাল অঞ্চলের সাথে ওটিসি-র সংযোগ আরও শক্তিশালী হয়।

এই গবেষণালব্ধ ফলাফলগুলো মস্তিষ্কের অসাধারণ নমনীয়তা প্রদর্শন করে, যা একে সরাসরি স্পর্শজনিত প্রতিক্রিয়া বা আজীবন অভিযোজনের প্রয়োজন ছাড়াই, শুধুমাত্র অভিজ্ঞতার মাধ্যমেই অ-বিবর্তনীয় শারীরিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে অঙ্গের মতো কার্যকর অংশ হিসেবে গ্রহণ করতে সক্ষম করে।

এই পরিবর্তনগুলো ইঙ্গিত দেয় যে ভিআর (VR) শারীরিক ধারণার পুনর্গঠন করতে পারে, যার সম্ভাব্য প্রয়োগ পুনর্বাসন, কৃত্রিম অঙ্গ এবং দেহভিত্তিক জ্ঞানীয় প্রক্রিয়া বোঝার ক্ষেত্রে রয়েছে। যদিও ডানাগুলো স্বাভাবিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতো পুরোপুরি একীভূত হয়নি, পরিমাপযোগ্য এই পুনর্গঠন নতুন অভিজ্ঞতার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে মানব স্নায়ুতন্ত্রের নমনীয়তাকে তুলে ধরে।

সূত্র: Xiong et al., "Virtual flying experience changes neural responses to seeing wings," Cell Reports, 2026.

আপনার জীবনের পথটা কখনোই মসৃণ ছিল না। একের পর এক বাধা, প্রিয় মানুষদের অবহেলা, আর বারবার থমকে যাওয়ার পরিস্থিতি আপনাকে প্...
25/07/2026

আপনার জীবনের পথটা কখনোই মসৃণ ছিল না। একের পর এক বাধা, প্রিয় মানুষদের অবহেলা, আর বারবার থমকে যাওয়ার পরিস্থিতি আপনাকে প্রতিটা মুহূর্তে ভেঙে ফেলতে চেয়েছে। চারপাশের পরিস্থিতি এমন ছিল যে অন্য কেউ হলে হয়তো বহু আগেই হাল ছেড়ে দিয়ে ভাগ্যের দোহাই দিয়ে বসে থাকত। কিন্তু আপনি দমে যাননি, শত আঘাত আর ক্লান্তির পরেও আপনি প্রতিটা সকাল এক বুক নতুন জেদ নিয়ে শুরু করছেন।

এই অনড় মানসিকতার জন্য আপনাকে কম মূল্য চুকাতে হয়নি। দিনের পর দিন একাকীত্ব সইতে হয়েছে, নিজের ভেতরের ঝড়গুলোকে একাই সামলাতে হয়েছে। অনেকেই ভেবেছিল আপনি হয়তো এই কঠিন পরিস্থিতির চাপে পিষ্ট হয়ে হারিয়ে যাবেন, চিরতরে শেষ হয়ে যাবেন। কিন্তু তারা আপনার ভেতরের সেই আগুনটাকে চিনতে ভুল করেছিল, যা প্রতিটা ধাক্কা খাওয়ার পর আরও তীব্রভাবে জ্বলে ওঠে। আপনি আসলে সেই ধাতুতে গড়া মানুষ, যাকে সাময়িকভাবে থামিয়ে দেওয়া যায়—কিন্তু কোনোদিন চিরতরে হারিয়ে দেওয়া যায় না।

মনে রাখবেন, যারা সহজে সবকিছু পেয়ে যায়, তাদের গল্প কেউ মনে রাখে না। ইতিহাস শুধু তাদেরই কুর্নিশ করে, যারা শত প্রতিকূলতার মুখেও বুক চিতিয়ে লড়াই চালিয়ে যায়। আপনার আজকের এই ক্লান্তি, এই বিনিদ্র রাত আর এই নীরব সংগ্রামগুলো আপনার পরাজয়ের লক্ষণ নয়—এগুলো আপনার আগামী দিনের এক রাজকীয় বিজয়ের প্রস্তুতি। আপনার স্বভাবে যে হার না মানার বীজ লুকিয়ে আছে, সেটাই আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ এবং এই পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার।

তাই নিজের ওপর বিশ্বাসটা আরেকটু শক্ত করুন। পেছনের সব ব্যর্থতা আর চারপাশের মানুষের নেতিবাচক কথাগুলোকে একপাশে সরিয়ে রেখে আপনার এই অদম্য লড়াইটা চালিয়ে যান। যতক্ষণ না আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাচ্ছেন, ততক্ষণ থামার কোনো প্রশ্নই আসে না। আপনার এই ক্লান্তিহীন জেদই একদিন চারপাশের পরিস্থিতিকে আপনার অনুকূলে আসতে বাধ্য করবে এবং সেদিন পুরো বিশ্ব দেখবে—হার না মানা একটা মানুষ কীভাবে শূন্য থেকে নিজের এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।

শত বাধা আর কষ্টের পরেও কি আপনার ভেতরের সেই লড়াকু মনটা আজও হাল ছাড়তে রাজি নয়? নিচে কমেন্টে 'Never Give Up' লিখে আপনার সেই ইস্পাতকঠিন জেদের জানান দিন এবং পোস্টটি শেয়ার করে সেইসব মানুষদের বুকে সাহসের আগুন জ্বালিয়ে দিন যারা আজ পরিস্থিতির চাপে পড়ে হাল ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছে। দেখি আজ কতজন সত্যিকারের অপরাজেয় যোদ্ধা আমাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে!

একসময় আপনিও হয়তো বড্ড আবেগপ্রবণ ছিলেন, খুব সহজেই মানুষকে বিশ্বাস করতেন, ছোটখাটো আঘাতেই কেঁদে বুক ভাসাতেন। কিন্তু এই নি...
24/07/2026

একসময় আপনিও হয়তো বড্ড আবেগপ্রবণ ছিলেন, খুব সহজেই মানুষকে বিশ্বাস করতেন, ছোটখাটো আঘাতেই কেঁদে বুক ভাসাতেন। কিন্তু এই নিষ্ঠুর পৃথিবীর কঠিন বাস্তবতা, বারবার প্রিয় মানুষদের দেওয়া ধোঁকা আর পরিস্থিতির নির্মম থাপ্পড় আপনাকে বাধ্য করেছে নিজের চারপাশ একটা পাথরের দেয়াল তুলে দিতে। আপনি শখ করে কঠোর হননি, চারপাশের পরিস্থিতি আপনাকে আজ এই পাথুরে মানুষে রূপান্তর করেছে।

যখন আপনার সবচেয়ে বেশি একটা ভরসার কাঁধ প্রয়োজন ছিল, যখন আপনার একটুখানি সহানুভূতির দরকার ছিল, তখন আপনি কাউকে পাশে পাননি। জীবনের প্রতিটি কঠিন মোড়ে আপনাকে একাই লড়তে হয়েছে, নিজের চোখের জল নিজেকেই মুছতে হয়েছে। নরম মনের মানুষগুলোকে এই স্বার্থপর দুনিয়া কীভাবে পায়ের তলায় পিষে ফেলে, তা আপনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তাই নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার তাগিদেই আপনি আজ নিজের আবেগ, অনুভূতি আর দুর্বলতাগুলোকে মনের গহীনে লক করে ফেলেছেন।

মানুষ এখন আপনাকে অহংকারী বলে, ভাবে আপনার বুকে কোনো দয়া-মায়া নেই, আপনি বড্ড বেশি বাস্তববাদী। কিন্তু কেউ আপনার এই শক্ত খোলসের ভেতরের ক্ষতবিক্ষত অতীতটাকে দেখতে যায় না। কেউ জানে না যে, এই ইস্পাতকঠিন মানুষটার জন্ম হতে কতটা চোখের জল আর কতটা ভাঙচুরের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তবে মনে রাখবেন, জীবন আপনাকে নরম থাকার সুযোগ না দিয়ে আসলে আপনার ওপর একটা মস্ত বড় উপকার করেছে। কারণ এই শক্ত রূপটাই এখন আপনার সবচেয়ে বড় বর্ম।

তাই নিজের এই পরিবর্তন নিয়ে একটুও আফসোস করবেন না। যারা আপনাকে ভাঙতে চেয়েছিল, তারা আজ আপনার এই অদম্য রূপ দেখে ভয় পায়। আপনি নরম মাটি ছিলেন না যে কেউ আপনাকে যা ইচ্ছা তাই বানিয়ে যাবে, আপনি এখন এক টুকরো জ্বলন্ত কয়লা। নিজের এই কঠিন আত্মবিশ্বাস আর জেদকে এবার নিজের ক্যারিয়ার ও সাফল্যের পেছনে ঢেলে দিন। নিজেকে এমন এক চূড়ায় নিয়ে যান, যেখানে পরিস্থিতির কোনো ঝড়ই আপনাকে আর একচুলও নাড়াতে না পারে।

জীবনের কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে আপনিও কি আজ নিজের ভেতরের সেই সরল মানুষটাকে বদলে এক লড়াকু শক্ত মানুষে পরিণত করেছেন? নিচে কমেন্ট বক্সে 'Warrior' লিখে আপনার সেই ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প জানান এবং পোস্টটি শেয়ার করে সেইসব মানুষদের সাহস যোগান যারা আজ পরিস্থিতির চাপে পিষ্ট হয়েও টিকে থাকার লড়াই করছে। দেখি আজ কতজন সত্যিকারের শক্ত মনের মানুষ আমাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে!

যখন বুকের ভেতরটা যন্ত্রণায় ফেটে যেতে চায়, যখন চোখের কোণে এক ফোঁটা জল চলে আসে, ঠিক তখনই আপনি এক অদ্ভুত কৌশলে একটা কৃত্রিম...
22/07/2026

যখন বুকের ভেতরটা যন্ত্রণায় ফেটে যেতে চায়, যখন চোখের কোণে এক ফোঁটা জল চলে আসে, ঠিক তখনই আপনি এক অদ্ভুত কৌশলে একটা কৃত্রিম হাসি দিয়ে চারপাশের মানুষকে আড়াল করে ফেলেন। কেউ জানতেও পারে না যে, আপনার ওই এক চিলতে হাসির পেছনে লুকিয়ে আছে এক সমুদ্র সমান কষ্ট। আপনি প্রতিটা দিন এক বুক কান্না চেপে ধরে সবার সামনে এমনভাবে ঘুরে বেড়ান, যেন আপনার চেয়ে সুখী মানুষ এই পৃথিবীতে আর দ্বিতীয়টি নেই।

সবচেয়ে কঠিন বিষয় হলো, এই কান্নার কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ আপনি কাউকে বুঝিয়ে বলতে পারেন না। অবহেলা, একাকীত্ব, ক্যারিয়ারের টানাপোড়েন আর প্রিয় মানুষের দেওয়া আঘাতগুলো আপনার মনের ভেতর এক বিশাল পাথরের মতো চেপে বসে আছে। আপনি রাতে ঘুমানোর আগে বালিশ ভিজিয়ে কাঁদেন, অথচ পরদিন সকালে ঠিকই এক বুক আত্মবিশ্বাস আর হাসিমুখ নিয়ে আবার চেনা পৃথিবীতে পা রাখেন। এই যে নিজের সাথে নিজের প্রতিদিনের এই নীরব যুদ্ধ, এটা যে কতটা ক্লান্তিকর তা কেবল আপনিই জানেন।

কিন্তু একটা কথা কি জানেন? যারা প্রতিদিন নিজের ভেতরের কান্না লুকিয়ে হাসিমুখে বাঁচতে পারে, তারা সাধারণ কোনো মানুষ নয়; তারা একেকটা জ্যান্ত ইতিহাস। আপনার এই আড়ালে কাঁদা আর সবার সামনে শক্ত থাকাটা প্রমাণ করে, আপনি কতটা ধৈর্যশীল এবং কতটা দায়িত্ববান। আপনি চান না আপনার কষ্টের কারণে আপনার পরিবার বা ভালোবাসার মানুষগুলো একটুও চিন্তিত হোক। এই ত্যাগ, এই সহ্যক্ষমতা আপনাকে আর দশটা মানুষের চেয়ে হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী করে তুলেছে।

তাই নিজের এই চোখের জলকে আর কখনো আপনার দুর্বলতা ভাববেন না। এই কান্নাই আপনার ভেতরের সমস্ত কলুষতা ধুয়ে মুছে আপনাকে পবিত্র করে তোলে। যে মানুষটা প্রতিদিন নিজের কান্নার ওপর জয়লাভ করে নতুন করে হাসতে পারে, তাকে এই পৃথিবীর কোনো বিপর্যয়ই কোনোদিন ধ্বংস করতে পারবে না। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন, আজ যে চোখের জল আপনি লোকচক্ষুর আড়ালে ফেলছেন, একদিন এই ত্যাগই আপনাকে সাফল্যের এমন এক চূড়ায় নিয়ে যাবে যেখানে কেবলই আনন্দের হাসি থাকবে।

আপনিও কি প্রতিদিন নিজের ভেতরের কান্না লুকিয়ে সবার সামনে ভালো থাকার এক কঠিন অভিনয় করে যাচ্ছেন? নিচে কমেন্ট বক্সে 'Pain' লিখে আপনার সেই নীরব কষ্টের কথা জানান এবং পোস্টটি শেয়ার করে সেইসব আড়ালে থাকা লড়াকু মানুষদের সম্মান জানান যারা প্রতিদিন এক বুক কান্না চেপে হাসিমুখে বেঁচে থাকার যুদ্ধ করছে। দেখি আজ কতজন মানুষ তাদের এই নীরব শক্তির জানান দেয়!

22/07/2026

এক লোককে চিনি, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পেয়েও সব জায়গায় নিজেকে 'ঢাবিয়ান' হিসেবে পরিচয় দিয়ে বেড়াতেন। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই পরিচয়ের আড়ালেই তিনি ঢাবির এডমিশন কোচিং করানো শুরু করেন!

​আবার আরেকজনকে দেখেছি, যিনি বিসিএস ক্যাডার না হয়েও ফেসবুকে বড় করে 'Recommended' পোস্ট দিয়ে রেখেছেন। শত শত মানুষ তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছে, প্রোফাইলেও বিসিএস রিকমেন্ডেশনের ফ্রেম শোভা পাচ্ছে। আর এই পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করেই তিনি বিসিএস কোর্সও চালু করে দিয়েছেন।

​অথচ বাস্তবতা হলো, এডমিশন কোচিং করানোর জন্য ঢাবিতে পড়া যেমন বাধ্যতামূলক নয়, তেমনি বিসিএস কোর্স করানোর জন্যও বিসিএস ক্যাডার হওয়া অপরিহার্য নয়।

​বাংলাদেশের বড় বড় কোচিং মালিক, ইন্সট্রাক্টর এবং মেন্টরদের দিকে তাকালে একটি বিষয় খুব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যারা এই সেক্টরে সফলতার একেবারে শীর্ষে অবস্থান করছেন, তাদের অনেকেই নিজে ঢাবিতে পড়েননি কিংবা বিসিএস ক্যাডারও নন। এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ আমাদের চোখের সামনেই আছে:

​১. খাইরুল স্যার (খাইরুল বেসিক ম্যাথ):
বাংলাদেশের জব মার্কেটে গণিতের অপ্রতিদ্বন্দ্বী বই 'খাইরুল বেসিক ম্যাথ'-এর লেখক তিনি। তিনি নিজে বিসিএস ক্যাডার না হলেও, এমন কোনো বিসিএস পরীক্ষার্থী খুঁজে পাওয়া কঠিন, যার পড়ার টেবিলে তার বইটি নেই। স্যার নিজে ক্যাডার হননি ঠিকই, কিন্তু তার কোর্সে ভর্তি হয়ে এবং বই পড়ে হাজার হাজার মানুষ আজ সরকারি চাকরি পাচ্ছেন, ক্যাডার হচ্ছেন।

​২. মোত্তাসিন পাহলভি স্যার:
বেসিক থেকে অ্যাডভান্স লেভেলে যারা বিস্তারিত বুঝে গণিত শিখতে চান, তাদের কাছে মোত্তাসিন পাহলভি স্যারের দ্বিতীয় কোনো বিকল্প নেই। বিসিএস, বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার্থীদের কাছে তিনি দারুণ জনপ্রিয়। জব মার্কেটে গণিতের জন্য খাইরুল স্যারের ঠিক পরেই তাকে রাখা যায়। তিনিও কিন্তু বিসিএস ক্যাডার নন, তবুও তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে 'গণিতের বস'।

​৩. জাহাঙ্গীর আলম স্যার (মাস্টার ইংলিশ):
বাংলাদেশে চাকরি ও এডমিশন প্রস্তুতির জন্য ইংরেজির 'বাইবেল' খ্যাত বই হলো 'মাস্টার' (Master)। দেশে এমন চাকরিপ্রার্থী মেলা ভার, যার সংগ্রহে এই বইটি নেই। সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, এই বইয়ের লেখক জাহাঙ্গীর আলম স্যার নিজে ইংরেজিতে অনার্স করেননি বা ইংরেজি বিষয়ে তার কোনো উচ্চতর ডিগ্রিও নেই, এমনকি তিনি বিসিএস ক্যাডারও নন। অথচ সবার পছন্দের শীর্ষে তার বই। কেবল এই একটি বইয়ের অভাবনীয় সাফল্যের মাধ্যমে তিনি বাড়ি-গাড়ির মালিক হয়েছেন এবং প্রতি বছর লাখ লাখ টাকা আয়কর দিচ্ছেন।

​তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়, এডমিশন কোচিং করানো কিংবা বিসিএস কোর্স সেল করার জন্য নিজের ভুয়া পরিচয় দেওয়ার আদৌ কি কোনো প্রয়োজন আছে? যোগ্যতা থাকলে সফল হওয়ার জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয় না। যোগ্যদের মানুষই খুঁজে নেয়।

প্রতিবার যখন আপনার স্বপ্নগুলো ভেঙে চুরমার হয়ে যায়, যখন কাছের মানুষগুলো আপনার বিশ্বাস নিয়ে ছিনিমিনি খেলে, আপনি প্রতিজ্ঞা ...
21/07/2026

প্রতিবার যখন আপনার স্বপ্নগুলো ভেঙে চুরমার হয়ে যায়, যখন কাছের মানুষগুলো আপনার বিশ্বাস নিয়ে ছিনিমিনি খেলে, আপনি প্রতিজ্ঞা করেন আর কাউকে বিশ্বাস করবেন না, আর কোনো নতুন স্বপ্ন দেখবেন না। কিন্তু দিনশেষে এক অদ্ভুত মায়ায় আপনি আবার বুক বাঁধেন, আবার একটা নতুন ভোরের অপেক্ষা করেন। আপনার এই মনটা বড্ড অবুঝ, হাজারটা আঘাত পাওয়ার পরও সে সহজে হাল ছাড়তে রাজি হয় না।

চারপাশের মানুষ আপনাকে বোকা ভাবে, ভাবে আপনার কোনো আত্মসম্মান নেই। তারা ভাবে আপনাকে যতবার ইচ্ছা ঠকানো যায়, কারণ আপনি তো আবার সেই আগের মতোই সহজ-সরল হয়ে যাবেন। কিন্তু কেউ জানে না, এই বারবার আশা জাগিয়ে রাখার পেছনে কতটা মানসিক যুদ্ধ আপনাকে লড়তে হয়। প্রতিটা হতাশার রাত যখন আপনাকে গ্রাস করতে আসে, আপনি নিজের ভেতরের ভাঙা টুকরোগুলোকে কুড়িয়ে নিয়ে নিজেই নিজেকে সান্ত্বনা দেন এবং আবার বেঁচে থাকার একটা উছিলা খোঁজেন।

মনে রাখবেন, বারবার হতাশ হওয়ার পরও যে মানুষটা আবার আশা করতে জানে, এই পৃথিবীর কোনো শক্তিই তাকে চিরতরে হারিয়ে দিতে পারে না। আপনার এই আশাবাদী মন কোনো দুর্বলতা নয়, এটা আপনার ভেতরের এক অদম্য জীবন্ত শক্তির প্রমাণ। ইতিহাস সাক্ষী আছে, পৃথিবীতে যত বড় বড় জয় এসেছে, তার প্রতিটার পেছনে ছিল বারবার হতাশ হয়েও আশা না হারানো একদল পাগলাটে মানুষের জেদ। আপনিও সেই দলেরই একজন অপরাজেয় যোদ্ধা।

তাই নিজের এই আশাবাদী স্বভাবটাকে কখনো হারিয়ে যেতে দেবেন না। আপনি যাদের ওপর আশা রেখেছিলেন তারা ভুল ছিল, কিন্তু আশা রাখাটা ভুল ছিল না। এবার সব হতাশার কালো মেঘকে পেছনে ফেলে, নিজের ভেতরের এই অসীম বিশ্বাসকে নিজের ক্যারিয়ার আর সাফল্যের পেছনে কাজে লাগান। এমন এক উচ্চতায় নিজেকে নিয়ে যান, যেন আজ যারা আপনাকে হতাশ করে হাসছে, তারা একদিন আপনার এই রূপ দেখে আফসোসে পুড়ে খাক হয়ে যায়।

হাজারো হতাশা আর আঘাতের পরও কি আপনার মন আজও কোনো এক মিরাকেলের আশা করে, আজও নতুন করে স্বপ্ন দেখে? নিচে কমেন্ট বক্সে 'Hope' লিখে আপনার সেই কখনো না ফুরিয়ে যাওয়া ইচ্ছাশক্তির জানান দিন এবং পোস্টটি শেয়ার করে সেইসব হতাশ মানুষদের বুকে সাহসের আলো জ্বালিয়ে দিন যারা আজ বেঁচে থাকার আশা হারিয়ে ফেলছে। দেখি আজ কতজন মানুষ আশার এই নতুন আলোয় আমাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে!

বুকের ভেতর যখন তীব্র ক্ষোভ, অভিমান কিংবা কান্নার সুনামি বয়ে যায়, তখনও আপনি সবার সামনে এক অদ্ভুত শান্ত মুখোশ পরে বসে থাকে...
20/07/2026

বুকের ভেতর যখন তীব্র ক্ষোভ, অভিমান কিংবা কান্নার সুনামি বয়ে যায়, তখনও আপনি সবার সামনে এক অদ্ভুত শান্ত মুখোশ পরে বসে থাকেন। কেউ এসে জিজ্ঞেস করলে খুব সহজে এক চিলতে হাসি দিয়ে বলেন, "হ্যাঁ, আমি একদম ঠিক আছি।" অথচ আপনার এই "ঠিক থাকা" শব্দটার পেছনে যে কতটা দীর্ঘশ্বাস আর একাকীত্ব লুকিয়ে আছে, তা চারপাশের মানুষ তো দূর, আপনার খুব কাছের মানুষগুলোও কোনোদিন টের পায় না।

চারপাশের এই জটিল পৃথিবীতে সবাই যখন নিজের স্বার্থ আর ব্যস্ততা নিয়ে মত্ত, তখন আপনি নিজের কষ্টের কথা বলে কাউকে বিরক্ত করতে চান না। আপনি খুব ভালো করেই জানেন, আপনার অনুভূতির গভীরতা বোঝার মতো মানুষ এই ভিড়ে বড্ড কম। তাই নিজের ভালো না লাগাগুলোকে প্রতিদিন সযতনে লুকিয়ে ফেলেন, নিজের চোখের জল সবার আড়ালে মুছে নেন, যেন আপনার কারণে চারপাশের চেনা পরিবেশটা একটুও অশান্ত না হয়, যেন সবকিছু একদম স্বাভাবিক লাগে।

কিন্তু এভাবে নিজের অনুভূতিগুলোকে প্রতিদিন তিলে তিলে কবর দিতে দিতে আপনি ভেতর থেকে বড্ড বেশি একা আর ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। মানুষ ভাবছে আপনার কোনো কষ্ট নেই, আপনার বুকে কোনো ক্ষত নেই। আপনার এই সহ্যক্ষমতাকে তারা আপনার স্বাভাবিকতা ভেবে ভুল করছে। কিন্তু মনে রাখবেন, অনুভূতি চাপা দেওয়া কোনো দুর্বলতা নয়, এটা আপনার ভেতরের এক অবিশ্বাস্য মানসিক শক্তির পরিচয়। আপনি যে অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি দায়িত্বশীল এবং পরিপক্ক, এটাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

তবে নিজের মনকে এত বেশি কষ্ট দিয়ে আর কতদিন? এবার এই চাপা পড়া অনুভূতিগুলোকেই আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় জেদ আর শক্তিতে রূপান্তর করুন। নিজের জন্য বাঁচতে শিখুন, নিজের স্বপ্নগুলোকে জয় করতে শিখুন। যারা আপনার নীরবতার গভীরতা বুঝল না, তাদের সামনে নিজের সাফল্য দিয়ে এমন এক ইতিহাস তৈরি করুন যেন আপনার এই শান্ত স্বভাবটাই একদিন তাদের অহংকার ভেঙে চুরমার করে দেয়।

আপনিও কি প্রতিদিন এক বুক কষ্ট আর অনুভূতি চেপে রেখে সবার সামনে ভালো থাকার এই কঠিন অভিনয়টা করে যাচ্ছেন? নিচে কমেন্ট বক্সে 'True' লিখে আপনার সেই নীরব কষ্টের কথা জানান এবং পোস্টটি শেয়ার করে সেইসব আড়ালে থাকা লড়াকু মানুষদের পাশে দাঁড়ান যারা প্রতিনিয়ত নিজের অনুভূতির সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে। দেখি আজ কতজন মানুষ তাদের এই নীরব শক্তির জানান দেয়!

যাদের একটুখানি খুশি দেখার জন্য, যাদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য আপনি নিজের ভেতরের আসল মানুষটাকে বিসর্জন দিয়েছিলেন, আজ তারাই...
19/07/2026

যাদের একটুখানি খুশি দেখার জন্য, যাদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য আপনি নিজের ভেতরের আসল মানুষটাকে বিসর্জন দিয়েছিলেন, আজ তারাই আপনাকে পর করে দিয়েছে। আপনি আপনার অভ্যাস, আপনার পছন্দ, আপনার ভালোলাগা—এমনকি নিজের আত্মসম্মানটুকু পর্যন্ত বিসর্জন দিয়েছিলেন শুধু তাদের পাশে থাকার জন্য। অথচ দিনশেষে তারা খুব সহজেই বলে দিল, "তুমি বড্ড বদলে গেছ, তোমাকে ঠিক চেনা যায় না!"

এই চরম অবহেলা আর উদাসীনতা আপনার বুকটাকে এক নিমেষে ঝাঁজরা করে দিয়েছে। আপনি নিজেকে প্রতিনিয়ত তিলে তিলে শেষ করেছেন যাদের অবাস্তব চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে, আজ তারাই আপনার দিকে অচেনার মতো করে তাকায়। মানুষ যখন নিজের সবটুকু উজাড় করে দেওয়ার পরও প্রিয় মানুষের চোখে "অপরিচিত" হয়ে যায়, সেই কষ্টের চেয়ে বড় কোনো দীর্ঘশ্বাস এই পৃথিবীতে আর হতে পারে না। আপনি তাদের আপন করতে গিয়ে নিজের কাছেই নিজে আজ বড্ড বেশি পর হয়ে গেছেন।

তবে এবার একটু থামুন আর নিজের দিকে তাকান। এই আঘাতটা আপনাকে একটা মস্ত বড় শিক্ষা দিয়ে গেল যে, কারও জন্য নিজেকে কখনো বিলিয়ে দিতে নেই। যারা আপনার ভেতরের আসল মানুষটাকে ভালোবাসতে পারেনি, আপনি খোলস পাল্টালেও তারা কোনোদিন আপনার মূল্যের মর্যাদা দেবে না। আপনি যাদের জন্য বদলেছিলেন, তারা আপনাকে চিনতে না পারলেও এখন সময় এসেছে নিজের আসল রূপটাকে আবার খুঁজে পাওয়ার। আপনার সেই হারিয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাস আর জেদকে আবার ফিরিয়ে আনুন।

কাউকে খুশি করার জন্য আর একটা দিনও নিজেকে ছোট করবেন না। এবার এমনভাবে বদলান, যেন সেটা কারও করুণা পাওয়ার জন্য না হয়, বরং নিজের জীবনের খোলস পাল্টানোর জন্য হয়। নিজের ক্যারিয়ার, নিজের যোগ্যতা আর নিজের ব্যক্তিত্বকে এমন এক চূড়ায় নিয়ে যান, যেন যারা আজ আপনাকে চিনতে অস্বীকার করেছে, তারা একদিন আপনার দিকে তাকানোর যোগ্যতাটুকুও হারিয়ে ফেলে। আপনার এই নতুন রূপ যেন তাদের জন্য আফসোসের সবচেয়ে বড় কারণ হয়।

কারও ভালোবাসার মানুষ হওয়ার জন্য নিজেকে বদলে কি আপনিও দিনশেষে শুধু অবহেলা আর একাকীত্ব উপহার পেয়েছেন? নিচে 'Real' লিখে কমেন্ট করে আপনার মনের সেই ক্ষোভ প্রকাশ করুন এবং পোস্টটি শেয়ার করে আপনার মতো সেইসব সরল মানুষদের চোখ খুলে দিন যারা আজও ভুল মানুষের জন্য নিজেকে শেষ করে দিচ্ছে। দেখি আজ কতজন মানুষ নিজের হারিয়ে যাওয়া আত্মসম্মান ফিরে পাওয়ার এই মিছিলে শামিল হয়!

Address

Uttara Division, Bangladesh
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shahabuddin Hridoy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shahabuddin Hridoy:

Shortcuts

Share