Sewing idea's of ayat

Sewing idea's of ayat Assalamu walaikum.offers payers regularly, this thing will sent you to jannah.�
(1)

তুমি কি জানতে চাও, আল্লাহর কাছে তোমার সম্মান কতটকু? তাহলে দেখ, তিনি তোমাকে কোন অবস্থায় রেখেছেন...- যদি দেখ তিনি তোম...
20/08/2024

তুমি কি জানতে চাও, আল্লাহর কাছে তোমার সম্মান কতটকু? তাহলে দেখ, তিনি তোমাকে কোন অবস্থায় রেখেছেন...

- যদি দেখ তিনি তোমাকে তার যিকিরে মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিনি তোমাকে স্মরণ করতে চান।

- যদি দেখ তিনি তোমাকে কুরআন দ্বারা মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিনি তোমার সাথে কথা বলতে চান।

- যদি দেখ, তিনি তোমাকে ইবাদাত/আনুগত্যে ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিনি তোমাকে তার সান্নিধ্যে টেনে নিয়েছেন।

- যদি দেখ, তিনি তোমাকে দুনিয়া দিয়ে ব্যস্ত করে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিনি তোমাকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন।

- যদি দেখ, তিনি তোমাকে লোকজনের সাথে মশগুল বানিয়ে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিনি তোমাকে অপমানিত করেছেন।

- যদি দেখ, তিনি তোমাকে দুআর দ্বারা ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে নাও, তিনি তোমাকে কিছু দিতে চান।

অতএব, সবসময় নিজের অবস্থা দেখ। তুমি কোন কাজে মশগুল? আল্লাহ তোমাকে যে কাজে ব্যস্ত রেখেছেন, সেটাই তোমার অবস্থান তাঁর কাছে...

©

06/07/2024

ব্যক্তিত্ব হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে বড় গুণ।

24/06/2024

ছেলে বাবাকে বললো, আব্বু আমি বিয়ে করতে চাই। একজনকে আমার বেশ পছন্দ হয়েছে।

কোথায় চলো দেখি, সব ঠিক থাকলে আমার আপত্তি নেই।

মেয়েটিকে বাবা দেখে নিজেই মুগ্ধ হয়ে গেলেন। ছেলেকে বললেন, দেখ তুমি এই মেয়ের যোগ্য নও। আমার মতো অভিজ্ঞ একজন মানুষই এই মেয়ের স্বামী হওয়া দরকার।

পিতাপুত্রে তখন মস্ত বিবাদ। মীমাংসার জন্য তারা স্থানীয় বিচারকের কাছে গেলো।

বিচারক বললেন, তোমাদের কথা শুনে এবং মেয়েটিকে দেখে আমার যা মনে হলো, তোমাদের দুজনের কেউই এর নখের যোগ্যও নও। আমার মতো একজন পদস্থ ব্যক্তিই এই মেয়ের বর হওয়ার যোগ্যতা রাখে।

এভাবে বিচার গড়াতে গড়াতে দেশের প্রধান পর্যন্ত গিয়ে ঠেকলো। রাজা মেয়ে দেখে হুঙ্কার দিয়ে উঠে বললেন, খামোশ! এই মেয়ে রাজার ঘর ছাড়া আর কোথাও মানাবে না।

এই জটিল পরিস্থিতিতে মেয়েটি মুখ খুললো। আমার কাছে এই সমস্যার সমাধান আছে:

আমি দৌড় দেবো। যে আমাকে আগে ধরতে পারবে তার সাথেই আমার বিয়ে হবে।

মেয়েটি তীরবেগে দৌড় দিলো। তার পিছু পিছু বরবাহিনীও পড়িমরি করে ছুটলো। দৌড়াতে দৌড়াতে কিছুদূর গিয়ে বরবাহিনী হুড়মুড় করে এক অতল গহ্বরে পড়ে গেলো।

মেয়েটি গর্তের মুখে এসে বললো, তোমরা কি জানো, আমি কে? আমি হলাম দুনিয়া। আমার পেছনেই সমস্ত মানুষ দৌড়ায়। আমাকে পাওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমে সবাই নিজের দ্বীনকে ভুলে যায়। এভাবে এক সময় কবরে চলে যায়, কিন্তু আমার নাগাল পায় না।

জীবন জাগার গল্প '
আতিক উল্লাহ
সংগ্রহীত

21/06/2024

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা এই দোয়া তিনবার পড়বে, আল্লাহ তাআলা তাকে সমস্ত প্রাণী, বিশেষ করে সাপ, বিচ্ছু প্রভৃতি বিষাক্ত ও কষ্টদায়ক প্রাণীর অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবেন।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৩৬০৪)
দোয়াটি হলো (আরবি) :

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

উচ্চারণ : আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খলাক।

অর্থ : আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কলেমার দ্বারা প্রত্যেক শয়তান, বিষাক্ত প্রাণী এবং প্রত্যেক কুদৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাইছি।

20/06/2024

যারা আমাকে পাওয়ার জন্য
আমার রাস্তা তালাশ করে,
তারা আমার রাস্তা যদি খুঁজে নাও পায়,
আমি আল্লাহ স্বয়ং তাকে রাস্তা দেখিয়ে দেই।

___সূরাঃআনকাবুত: ৬৯

15/06/2024

একদিন নবী করিম (সাঃ)এর একজন সাহাবী মারা গেলেন
রাসূল পাক (সাঃ) উনার জানাজা পড়ালেন I তারপর একদল সাহাবী মৃতদেহ কবর দেয়ার জন্য কবরস্থানে নিয়ে আসলেন I সবার সাথে আমাদের নবী করিমও (সাঃ)হেঁটে হেঁটে আসলেন I

দুই জন সাহাবী কবর খুঁড়তে শুরু করলেন I
সবাই মৃত দেহকে ঘিরে বসে আছেন I
কবর খনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন I
সবাই চুপচাপ, নীরব ও শান্ত একটি পরিস্থিতি I

নবীজি গভীর মনোযোগ দিয়ে কবর খোঁড়া দেখছিলেন একটু পর সবার দিকে তাঁকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
"তোমরা কি জানো, মানুষ মারা যাওয়ার পর, তাঁর আত্মার কি হয় ?"

সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে নবীজি কে বললেন,
-ইয়া রাসূলুল্লাহ ! আমাদেরকে বলুন I

নবীজি একটু চুপ করে থাকলেন I সবাই উনার কাছে এসে ঘিরে বসলেন I মৃত্যুর পর আত্মার কি হয়, এই তথ্য তাঁদের জানা ছিল না I আজ সেটা নবীজির মুখে শুনবেন I কত বড় সৌভাগ্য I শুনার জন্য সবাই অধীর আগ্রহে নবীজির কাছে এসে বসলেন I

তিনি একবার কবরের দিকে তাকিয়ে মাথাটা তুলে আকাশের দিকে তাকালেন
তারপর তিনি গল্পের মত করে বলতে শুরু করলেনI

"শুনো, যখন মানুষ একেবারেই মৃত্যু শয্যায়, তখন সে মৃত্যুর ফেরেস্তাকে দেখে ভয় পেয়ে যায় I কিন্তু যে বিশ্বাসী ও ভালো মানুষ তাকে মৃত্যুর ফেরেস্তা হাসি মুখে সালাম দেন I তাকে অভয় দেন এবং মাথার পাশে এসে ধীরে ও যত্ন করে বসেন I তারপর মৃত প্রায় মানুষটির দিকে তাকিয়ে বলেন,
-হে পবিত্র আত্মা ! তুমি তোমার পালনকর্তার ক্ষমা ও ভালোবাসা গ্রহণ করো এবং এই দেহ থেকে বের হয়ে আসোI

মুমিনের আত্মা যখন বের হয়ে আসে তখন সে কোন ধরণের ব্যথা ও বেদনা অনুভব করে না I
নবী আরো একটু ভালো করে উদাহরণ দিয়ে বললেন,
-মনে করো একটা পানির জগ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর উপর থেকে এক ফোঁটা পানি যেমন নিঃশব্দে উপর থেকে নিচে নেমে আসে ঠিক তেমনি নীরবে ও কষ্ট ছাড়াই আত্মাটি তার দেহ থেকে বের হয়ে আসেI
সেই সময় দুই জন অন্য ফেরেস্তা বেহেস্ত থেকে খুব সুগন্ধি মাখানো একটা নরম সুতার সাদা চাদর নিয়ে আসেন এবং তারা আত্মাটিকে সেই চাদরে আবৃত করে আকাশের দিকে নিয়ে যান I

তারা যখন আকাশে পৌঁছেন তখন অন্য ফেরেস্তারা সেই আত্মাটিকে দেখার জন্য এগিয়ে আসেনI
কাছে এসে সবাই বলেন,
সুবহানাল্লাহ ! কত সুন্দর আত্মা, কি সুন্দর তার ঘ্রান !
তারপর সবাই জানতে চান,
-এই আত্মাটি কার ?
উত্তরে আত্মা বহন কারী ফেরেস্তারা বলেন,
-উনি হলেন, "ফুলান ইবনে ফুলান"
(নবী আরবিতে বলেছেন, বাংলায় হলো, "অমুকের সন্তান অমুক" )
বাকি ফেরেস্তা গন তখন আত্মাটিকে সালাম দেয়, তারপর আবার জিজ্ঞেস করে,
-উনি কি করেছেন ? উনার আত্মায় এতো সুঘ্রাণ কেন ?
আত্মা বহন কারী ফেরেস্তা গন তখন বলেন,
-আমরা শুনেছি মানুষজন নিচে বলা-বলি করছে, উনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন, আল্লাহর ভালো বান্দা, অনেক দয়ালু, মানুষের অনেক উপকার করেছেন I

এতটুকু বলার পর নবী একটু থামলেন I

তারপর সবার দিকে ভালো করে দৃষ্টি দিয়ে, উনার কণ্ঠটা একটু বাড়িয়ে বললেন,
এই কারণেই বলছি, সাবধান ! তোমরা কিন্তু মানুষের সাথে কখনো খারাপ ব্যবহার করবে না I
তুমি মারা যাওয়ার পর মানুষ তোমার সম্পর্কে যা যা বলবে, এই আত্মা বহন কারী ফেরেস্তারাও আকাশে গিয়ে ঠিক একই কথা অন্যদেরকে বলবেI

এই কথা বলে তিনি আবার একটু চুপ করলেন, কবরটার দিকে দৃষ্টি দিলেন I

আবার বলতে শুরু করলেন I

এই সময় মানুষ যখন পৃথিবীতে মৃত দেহকে কবর দেয়ার জন্য গোসল দিয়ে প্রস্তুত করবে তখন আল্লাহ তা'আলা আত্মা বহন কারী ফেরেশতাদেরকে বলবেন, "যাও , এখন তোমরা আবার এই আত্মাকে তার শরীরে দিয়ে আসো, মানুষকে আমি মাটি থেকে বানিয়েছি, মাটির দেহেই তার আত্মাকে আবার রেখে আসো I সময় হলে তাকে আমি আবার পুনরায় জীবন দিবো I"

তারপর মৃতদেহকে কবরে রেখে যাওয়ার পর দুই জন ফেরেস্তা আসবেন I তাদের নাম মুনকার ও নাকির I
তারা মৃতের সৃষ্টিকর্তা, তার ধর্ম ও নবী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন I

মুনকার নাকির চলে যাওয়ার পর,
আত্মাটি আবার অন্ধকার কবরে একাকী হয়ে যাবে I
সে এক ধরণের অজানা আশংকায় অপেক্ষা করবে I কোথায় আছে ? কি করবে ? এক অনিশ্চয়তা এসে তাকে ঘিরে ধরবে I

এমন সময় সে দেখবে, খুব সুন্দর একজন তার কবরে তার সাথে দেখা করতে এসেছেন I
তাঁকে দেখার পর আত্মাটি ভীষণ মুগ্ধ হবে I এতো মায়াবী ও সুন্দর তার চেহারা, সে জীবনে কোন দিন দেখেনি I
আত্মাটি তাকে দেখে জিজ্ঞেস করবে,
-তুমি কে ?
সেই লোকটি বলবে,
-আমি তোমার জন্য অনেক বড় সু- সংবাদ নিয়ে এসেছি, তুমি দুনিয়ার পরীক্ষায় উর্তীর্ণ হয়েছো, তোমার জন্য আল্লাহ তা'আলা জান্নাতের ব্যবস্থা করেছেন, তুমি কি সেটা একটু দেখতে চাও?
আত্মাটি ভীষণ খুশি হয়ে বলবে,
-অবশ্যই আমি দেখতে চাই, আমাকে একটু জান্নাত দেখাও I
লোকটি বলবে,
-তোমার ডান দিকে তাকাও I
আত্মাটি ডানে তাকিয়ে দেখবে কবরের দেয়ালটি সেখানে আর নেই I সেই দেয়ালের দরজা দিয়ে অনেক দূরে সুন্দর বেহেস্ত দেখা যাচ্ছে I
বেহেস্তের এই রূপ দেখে আত্মাটি অনেক মুগ্ধ হবে ও প্রশান্তি লাভ করবে I
এবং সেখানে যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে লোকটিকে জিজ্ঞেস করবে,
-আমি সেখানে কখন যাবো ? কিভাবে যাবো ?
লোকটি মৃদু হেসে বলবেন,
- যখন সময় হবে, তখনই তুমি সেখানে যাবে ও থাকবেI আপাততঃ শেষ দিবস পর্যন্ত তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে I ভয় পেও নাI আমি তোমার সাথেই আছি I তোমাকে আমি সেই দিন পর্যন্ত সঙ্গ দিবো I
আত্মাটি তখন তাকে আবারো জিজ্ঞেস করবে,
-কিন্তু তুমি কে ?
তখন লোকটি বলবে,
-আমি তোমার এতদিনের আমল, পৃথিবীতে তোমার সব ভালো কাজের, তোমার সব পুণ্যের রূপ আমি, আজ তুমি আমাকে একজন সঙ্গীর মত করে দেখছো I আমাকে আল্লাহ তা'আলা তোমাকে সঙ্গ দেয়ার জন্যই এখানে পাঠিয়েছেন I
এই কথা বলে, লোকটি আত্মাটির উপর যত্ন করে হাত বুলিয়ে দিবেন
এবং বলবেন,
-হে পবিত্র আত্মা ! এখন তুমি শান্তিতে ঘুমাও I নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নাও I

এই কথা বলার পর, আত্মাটি এক নজরে বেহেস্তের দিকে তাঁকিয়ে থাকবে এবং একসময় এই তাকানো অবস্থায় গভীর প্রশান্তিতে ঘুমিয়ে পড়বে I

নবীজি এতটুকু বলে আবার একটু থামলেনI
সাহাবীরা তখন গায়ের কাপড় দিয়ে ভেজা চোখ মুছলেন I

(বুখারী ও মুসনাদের দুইটি হাদিস অবলম্বনে)

আল্লাহ আমাদের পবিত্র আত্মা হওয়ার তাওফিক দান করুন..........…...আমীন।।

সংগৃহীত পোস্ট

15/06/2024

সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের ফজিলতঃ

কোন একদিন হযরত জিবরাঈল (আঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বসে ছিলেন।
হঠাৎ প্রচন্ড একটি শব্দ শোনা গেলো ।
হযরত জিবরাঈল (আঃ) নিজের মাথা উঁচু করে বললেন, এটা আকাশের সেই দরজা খোলার শব্দ,
যা আজকের পূর্বে আর কখনও খোলা হয়নি!
উক্ত দরজা দিয়ে একজন ফিরিশতা পৃথিবীতে
অবতরণ করেছেন,
যিনি ইতোপূর্বে আর কখনো পৃথিবীতে আগমন করেননি ।

সে ফিরিশতা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললেন,
❝আপনার জন্যে দুটো নূরের সুসংবাদ রয়েছে।
সূরাতুল ফাতিহা এবং
সূরাতুল বাকারার শেষ দুটো আয়াত উক্ত দুটো নূর ।
যা আপনার পূর্বে অন্য কোন নবীকে প্রদান করা হয়নি।
সূরা ফাতিহা এবং সূরাতুল বাকারার শেষ দুটো আয়াত থেকে একটি অক্ষরও পড়ে আল্লাহ তা'য়ালার কাছে আপনি
যা কিছু প্রার্থনা করবেন আপনাকে তা প্রদান করা হবে! ❞

[ মুসলিম ; হাদীস নাম্বার - ৮০৬ ]

নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত;
নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

❝আল্লাহ তা‘আলা আসমান-যামীন সৃষ্টির
দুই হাজার বছর পূর্বে একটি কিতাব লিখেছেন।
সেই কিতাব হতে তিনি দু‘টি আয়াত নাযিল করছেন। সেই দু‘টি আয়াতের মাধ্যমেই সূরা আল-বাক্বারা সমাপ্ত করেছেন। যে ঘরে তিন রাত এ দু‘টি আয়াত তিলাওয়াত করা হয় শয়তান সেই ঘরের নিকট আসতে পারে না!❞

[ তিরমিজি ; হাদীস নাম্বার - ২৮৮২ ]

আয়ফা' ইবনু ‘আবদিল কালা‘ঈ (রাঃ) থেকে বর্ণিত;
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আরয করলেন,
হে আল্লাহর নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! কুরআনের কোন্ আয়াত এমন, যার বরকত আপনার ও আপনার উম্মাতের কাছে পৌঁছতে আপনি ভালোবাসেন? তিনি সাঃ বললেন, সূরা আল বাকারাহ্’র শেষাংশ। কেননা আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ‘আরশের নীচের ভাণ্ডার হতে
তা এ উম্মতকে দান করেছেন। দুনিয়া ও আখিরাতের
এমন কোন কল্যাণ নেই যা এতে নেই!

[ মিশকাত ; হাদীস নাম্বার - ২১৬৯ ]

জুবায়র ইবনু নুফায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

❝সূরা আল বাকারাকে আল্লাহ তা‘আলা
এমন দু’টি আয়াত দ্বারা শেষ করেছেন, যা আমাকে
আল্লাহর ‘আরশের নীচের ভাণ্ডার হতে দান করা হয়েছে।
তাই তোমরা এ আয়াতগুলোকে শিখবে!
তোমাদের রমণীকুলকেও শিখাবে! কারণ এ আয়াতগুলো হচ্ছে রহমত, (আল্লাহর) নৈকট্য লাভের উপায়।
(দীন দুনিয়ার সকল) কল্যাণ লাভের দু‘আ!❞

[ মিশকাত ; হাদীস ]

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sewing idea's of ayat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category