Bd.Smarttechno

Bd.Smarttechno computer and software related all kind of solution is provided by bd. smarttechno. computer and software

সারাজীবনের মত স্কুল ছুটি হয়ে গেছে ... আর কোনোদিন স্কুলে যেতে হবে না তাদের...😭💔😭আল্লাহ রহম করুন..,💔
21/07/2025

সারাজীবনের মত স্কুল ছুটি হয়ে গেছে ... আর কোনোদিন স্কুলে যেতে হবে না তাদের...😭💔😭

আল্লাহ রহম করুন..,💔

আজ ছিল ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকিরের সলো ফ্লাইট ট্রেনিং (Solo Flight Training)সলো ফ্লাইট ট্রেনিং হলো একজন পাইলটের ট্রেনিংয়...
21/07/2025

আজ ছিল ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকিরের সলো ফ্লাইট ট্রেনিং (Solo Flight Training)

সলো ফ্লাইট ট্রেনিং হলো একজন পাইলটের ট্রেনিংয়ের সর্বশেষ ধাপ। ফাইটার জেট অপারেট করার জন্য একজন পাইলট যে হাই স্কিল্ড, সেটি'ই প্রমাণিত হয় সোলো ফ্লাইটের মাধ্যমে। ট্রেনিং-এর এপর্যায়ে পাইলটকে নেভিগেটর বা কো-পাইলট বা কোনো প্রকার ইন্সট্রাক্টর ব্যতীত একাই ফ্লাইট অপারেট করতে হয়। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির আজ সেরকমই একটি ট্রেনিং ফ্লাইট অপারেট করছিলেন।

যেকোনো প্রকার ট্রেনিং ফ্লাইট সিভিলিয়ান এরিয়া থেকে দূরেই হয়ে থাকে, তবে সলো ফ্লাইট সাধারণত আর্বান এরিয়াতেই হয়ে থাকে৷ আর আর্বান এরিয়াতে এধরণের সেন্সিটিভ ফ্লাইট অপারেট করার জন্য পাইলটকে যথেষ্ট কোয়ালিফাইড হতে হয়। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির তেমনই একজন পাইলট। তো ট্রেনিংয়ের লক্ষ্যে তৌকির তার এফ-৭ বিমান নিয়ে কুর্মিটোলা পুরাতন এয়ারফোর্স বেস থেকে টেক অফ করেন। এরপর উত্তরা, দিয়াবাড়ি, বাড্ডা, হাতিরঝিল, রামপুরা'র আকাশজুড়ে তিনি উড়তে থাকেন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি বিমানে কিছু সমস্যা আঁচ করেন। কন্ট্রোল রুমে রিপোর্ট করে জানান যে তার বিমান আকাশে ভাসছে না, মনে হচ্ছে বিমান নিচের দিকে পড়ে যাচ্ছে। কন্ট্রোল রুম থেকে ইন্সট্যান্ট রেসপন্স করে ইজেক্ট করার জন্য জানানো হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে যতটুকু জানা সম্ভব হয়েছে: ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির শেষ মুহূর্ত অব্দি চেষ্টা করেছেন বিমান বাচানোর জন্য। তিনি বিমানটির সর্বোচ্চ ম্যাক স্পিড তুলে বেসের দিকে ছুটতে থাকেন। এর মধ্যেই কন্ট্রোল রুমের সাথে পাইলটের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার ঠিক এক থেকে দেড় মিনিটের মধ্যেই বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উত্তরা মাইলস্টোন স্কুলে বিধ্বস্ত হয়।

এখন পর্যন্ত এতটুকুই জানা গেছে। তবে বিমানের ঠিক কি ধরণের টেকনিক্যাল ফেইলিওরের জন্য এই দুর্ঘটনা ঘটলো, তা কেবলমাত্র ম্যাসিভ ইনভেস্টিগেশন হলেই জানা সম্ভব।

শিশুগুলো জানতো না, আজই তাদের জীবনের শেষ সকাল।বাবা-মায়েরাও বুঝতে পারেনি, শেষবারের মতো ব্যাগটা গুছিয়ে দিচ্ছে। আকাশে ছিল রো...
21/07/2025

শিশুগুলো জানতো না, আজই তাদের জীবনের শেষ সকাল।
বাবা-মায়েরাও বুঝতে পারেনি, শেষবারের মতো ব্যাগটা গুছিয়ে দিচ্ছে। আকাশে ছিল রোদের আড়ালে লুকানো অশ্রুবর্ষা—নেমে এলো এক চিরকালীন বিদায় নিয়ে..😥

একটা হরর স্টোরি বলি। সত্যিকারের হরর স্টোরি।এ লেখার বিষয়বস্তু নিয়ে কিংবা পোস্টে দেয়া লিঙ্ক ঘাঁটাঘাঁটি করলে নিজ দায়িত্ব কর...
06/06/2025

একটা হরর স্টোরি বলি। সত্যিকারের হরর স্টোরি।
এ লেখার বিষয়বস্তু নিয়ে কিংবা পোস্টে দেয়া লিঙ্ক ঘাঁটাঘাঁটি করলে নিজ দায়িত্ব করবেন। মজা করছি না, সিরিয়াসলি বললাম।
পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিতে দুই ধরণের মুরগীর প্রজনন করা হয়। ডিমের জন্য লেয়ার মুরগী, আর মাংসের জন্য ব্রয়লার। ব্রয়লার মুরগী ছয়-সাত সপ্তাহের মধ্যে বিশাল বড় হয়ে যায়। মাংশ হয় প্রচুর। আর লেয়ার মুরগীর স্পেশালিটি হল সাইযে বড় না হলেও এ জাতের মুরগী অনেক বেশি ডিম দেয়। তবে ডিম তো দেয় শুধু নারী মুরগী। পুরুষদের কী হয়?
মেরে ফেলা হয়।
জন্মের প্রথম দিনই ওদের মেরে ফেলা হয়। কারণ এ মুরগীগুলোর জীবন প্রফিটেবল না। পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রির কাছে এরা ‘সারপ্লাস’। পুরুষ হবার কারণে এদের কাছ থেকে ডিম পাওয়া যায় না। আর লেয়ার জাতের হবার কারণে পাওয়া যায় না ব্রয়লার মুরগীর মতো মাংসও তাই সবচেয়ে লাভজনক, সবচেয়ে ‘একোনমিক’ সমাধান হল এই বাচ্চাগুলোকে যতো দ্রুত সম্ভব মেরে ফেলা।
আর তাই প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে এক দিন বয়েসী ৭০০ কোটি পুরুষ শিশু মুরগী হত্যা করা হয়। হ্যাঁ, ৭০০ কোটি। ৭ বিলিয়ন।
এই মেরে ফেলার কাজটা কীভাবে করা হয় জানেন?
বিভিন্ন পদ্ধতি আছে।
১। শ্বাসরোধ করা: বাচ্চাগুলোকে বিশাল বিশাল প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে আটকে দেয়া হয়। বাতাসের জন্য হাঁসফাঁস করতে করতে দমবন্ধ হয়ে মারা যায় ওরা।
২। ইলেক্ট্রোকিউশান: ডিম ফুটে বের হওয়া বাচ্চাদের ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে হত্যা করা হয়।
৩। সারভিকাল ডিসলোকেশান: সোজা বাংলায়, হাত দিয়ে টেনে মাথা ছিড়ে ফেলা হয় শরীর থেকে।
৪। গ্যাসিং: গ্যাস চেইম্বারে চালু করে দেয়া হয় কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস। সদ্যজাত মুরগীগুলো একসময় জ্ঞান হারায় এবং মারা যায়।
৫। ম্যাসেরেইশান: পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে পছন্দের পদ্ধতি। বাচ্চাগুলোকে প্রথমে একটা কনভেয়ার বেল্টে ছুড়ে দেয়া হয়। কনভেয়ার বেল্ট জীবন্ত বাচ্চাগুলোকে নিয়ে ফেলে প্রচন্ড গতিতে ঘুরতে থাকা ধারালো ধাতব পাতের মধ্যে। মূহুর্তের মধ্যে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ওরা।

ব্লেন্ডার আছে না? একটা ঢাউস সাইযের ব্লেন্ডারের ভেতর একদিন বয়েসী মুরগীর বাচ্চাকে ছেড়ে দিলে কী হবে চিন্তা করুন। সেইম প্রসেস। তবে একটা না, শত শত কোটি মুরগীর বাচ্চাকে এভাবে হত্যা করা হয়। পুরো ব্যাপারটা পুঁজিবাদের ইউটিলিটারিয়ান সমীকরণ আর মডার্নিটির মনস্তত্ত্বের অসাধারণ এক দৃষ্টান্ত। আগাগোড়া পিওর মেশিন লজিক।
দুটা ভিডিও লিঙ্ক দিচ্ছি কমেন্টে, ভিডিগুলো দেখেন। না দেখলে ব্যাপারটার যান্ত্রিক নিষ্ঠুরতা বোঝা সম্ভব না।
এই ভয়ঙ্কর কাজটার একটা সুন্দর নাম আছে। Chick Culling বা Male Chick Culling। বাংলাদেশে কী হয় জানি না, কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ জায়গায় এটা পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রির স্ট্যান্ডার্ড প্র্যাকটিস। এবং আমরা সবাই এই প্রক্রিয়ার অংশীদার।
হ্যাঁ, এই নৃশংসতা বন্ধ করতে গেলে নিশ্চিতভাবেই পোল্ট্রি প্রডাকশন কমবে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে, ফ্রাইড চিকেন হয়তো পাওয়া যাবে না। চালানো যাবে না কেএফসির মতো মাল্টিবিলিয়ন ডলার ফ্র্যাঞ্চচাইয। ফাস্ট ফুডের নেশা উপভোগ করা যাবে না যখন তখন। কিন্তু অবিশ্বাস্য মাত্রার এ নিষ্ঠুরতাকে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার বানিয়ে ফেলার চেয়ে কি তা খুব একটা খারাপ হবে?
আলহামুদলিল্লাহ, মহান আল্লাহ আমাদের অনেক নিয়ামত দিয়েছেন। প্রানীজগত থেকে আমরা উপকৃত হতে পারি, এটাও একটা নিয়ামাহ। খাদ্যের জন্য হালালভাবে পশু হত্যা জায়েজ, এবং এটা মানবজাতির জন্য প্রয়োজন। কিন্তু এমন একটা প্রসেসকে কীভাবে সমর্থন করা যায়, যেটার অবশ্যাম্ভাবী সাইড ইফেক্ট হিসেবে বছরে ৭০০ কোটি সদ্যজাত মুরগীকে এতো বীভৎসভাবে হত্যা করা হয়? কীভাবে এখানে হুকুকুল ইবাদ (বান্দার হক) রক্ষিত হয়? কীভাবে রাহমাতুললি আলামীনের (ﷺ) এর শিক্ষার সাথে এমন আচরণকে মেলানো যায়?
মনে রাখবেন পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু এই ৭০০ কোটি শিশু মুরগীকে কোন কাজে লাগাচ্ছে না। এরা স্রেফ সারপ্লাস। বিক্রিয়ার অপদ্রব্য। এর সাথে কুরবানীর অবস্থা মিলিয়ে দেখুন।
কুরবানীর পশুর প্রায় প্রতিটি অংশ কাজে লাগে। শুধু একজন ব্যক্তি কিংবা পরিবার না, বরং পুরো সমাজ উপকৃত হয়। কুরবানীর পশুর মাংসের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ বিলিয়ে দেয়া হয়। কুরবানীর সময় এমন অনেক মানুষ মাংস খেতে পায় বছরের অন্য সময় মাংস খাবার সুযোগ যাদের হয়তো হয় না। কুরবানী কেন্দ্রিক বেচাকেনাতে গ্রামাঞ্চলের মানুষ এবং খামারীরা সুযোগ পায় অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবার।
এবং পুরো ব্যাপারটা করা হয় সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টির জন্য। আত্মকেন্দ্রিক ভোগের জন্যে না। আমরা সব কিছুর মালিকের নির্দেশে, তাঁরই দেয়া সম্পদ, তাঁর সন্তুষ্টির জন্য কুরবান করি। বছরে একদিন। আর এই এক ইবাদাহ থেকে উপকৃত হয় পুরো সমাজ।
ফাস্টফুডের নির্জীব আত্মকেন্দ্রিকতা, মাল্টিবিলিয়ন ডলার কর্পোরেইশানের নির্জলা প্রফিটমুখীর চিন্তা, আর সারপ্লাস হত্যার সাথে কতো আকাশপাতাল তফাৎ।
তবু বছর বছর ইসলামের বিধান কুরবানীর বিরোধিতা করে হাজার হাজার শব্দ লেখা হয়। কিন্তু পুঁজিবাদী পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ আমরা বিনা প্রশ্নে সয়ে যাই। এক বিচিত্র মনস্তত্ত্ব আধুনিকতা আর আধুনিক মানুষের। এক বিচিত্র দ্বিচারিতা সহনশীলতা আর উদারতার নামে।

Collected
ফেসবুক পোস্ট, ০৯ জুলাই, ২০২২
Follow: Bd.Smarttechno

আমরা প্রায়ই শুনি, “মেয়েরা বাবার আদরের ধন” — শুনতে আবেগময়, তবে এর পেছনে আছে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিও। মনোবিজ্ঞান, নিউরোসায়েন্স...
01/06/2025

আমরা প্রায়ই শুনি, “মেয়েরা বাবার আদরের ধন” — শুনতে আবেগময়, তবে এর পেছনে আছে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিও। মনোবিজ্ঞান, নিউরোসায়েন্স ও সমাজবিজ্ঞানের আলোকে দেখা যাচ্ছে, বাবা-মেয়ের সম্পর্ক শুধু আবেগ নয়, বরং গভীরভাবে প্রভাবিত বৈজ্ঞানিক বাস্তবতায়।

---

🧠 মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে:
Journal of Neuroscience (2017)-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যায়, বাবারা সাধারণত কন্যাদের মুখাবয়ব, বিশেষ করে তাদের হাসি ও আবেগপ্রকাশের প্রতি বেশি সাড়া দেন। তাদের মস্তিষ্কের amygdala ও prefrontal cortex অঞ্চলে মেয়ের প্রতি সাড়া দেওয়ার হার ছেলের তুলনায় বেশি — যা বাবাকে কন্যার প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তোলে।

---

👨‍👧 আত্ম-পরিচয় ও পিতৃত্বের বন্ধন:
Developmental Psychology জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, কন্যাসন্তানের সঙ্গে বাবাদের মাঝে গড়ে ওঠে এক ধরনের “protective instinct”। অনেক বাবা তাদের মেয়েকে দুর্বল ভাবেন এবং তাকে রক্ষা করা নিজের দায়িত্ব মনে করেন — এ থেকেই আসে অতিরিক্ত যত্ন ও আবেগ।

---

🧬 জিন ও হরমোনের ভূমিকা:
সন্তান জন্মের সময় পুরুষদের শরীরে oxytocin (ভালোবাসার হরমোন) বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, কন্যাসন্তান জন্মালে এই হরমোনের মাত্রা আরও বেশি বৃদ্ধি পায়, যা বাবার মধ্যে গভীর আবেগ, স্নেহ ও সংযুক্তি তৈরি করে।

---

💬 সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব:
বাংলাদেশসহ বহু সংস্কৃতিতে কন্যাসন্তানকে একটি দায়িত্ব, গর্ব ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। বাবারা মেয়ের ভবিষ্যৎ, সুরক্ষা ও সম্মানের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব দেন — যা থেকে সম্পর্কটি হয় আরও গভীর ও মমতাময়।

---

🧪 সংক্ষেপে:
বাবা-মেয়ের সম্পর্ক কেবল আবেগের নয় — এটি নিউরোসায়েন্স, হরমোনাল পরিবর্তন ও সামাজিক মানসিকতার সম্মিলিত প্রতিফলন। এ সম্পর্ক মানুষের হৃদয় ও মস্তিষ্কের এক অসাধারণ যুগলবন্দি।

---

➡️ তাই, যখন কেউ বলে “বাবার চোখের মণি”, সেটি কেবল কবিতা বা অনুভূতি নয় — সেটি বলে বিজ্ঞানও।
Bd.Smarttechno

#মনোবিজ্ঞান #বাবা_মেয়ে

যে স্ত্রী তার স্বামীকে সম্মান করতে জানেনা তার জীবনের সবকিছুই অপূর্ণ। 👉 স্বামী সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব কথা আপনা...
24/05/2025

যে স্ত্রী তার স্বামীকে সম্মান করতে জানেনা তার জীবনের সবকিছুই অপূর্ণ।

👉 স্বামী সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব কথা আপনারা মন দিয়ে পড়বেন শেষ পর্যন্ত পড়বেন ভালো লাগবে

- স্বামী!সে যেই হোক যেমনই হোক সে আমার স্বামী। আমার জীবনে এই একটা মানুষ ছাড়া কাউকে নিয়ে আমার বিন্দু পরিমান মাথা ব্যথা নেই থাকাটা দরকার ও মনে করিনা আমি।

- আমার কারো ভালোবাসা বা হিংসা বা রাগ কিছুই গায়ে লাগেনা আমার স্বামীর সামান্য উচু গলায় ও আমি কান্না করি সামান্য মন খারাপ দেখলেও আমার চিন্তা হয়,কিন্তু এই অনুভূতি আমার পরিবারের অন্য কোনো সদস্যর জন্যে আসেনা।এতে আমি অন্যায় কিছু মনে করিনা আমার কবুল বলার পর থেকে সেই আমার দুনিয়া সে ব্যতিত কারো পরোয়া করার সময় আমার নেই।

- আমার স্বামীকে ঘিরেই আমার সবকিছু এতে আমি কাউকে কৈফিয়ত দেয়ার প্রয়োজন মনে করিনা।আমি আমাদের সম্পর্কের ভিতর যাই হোক অন্য কারো হস্তক্ষেপ একদমই পছন্দ করিনা।

- আমি কখনো আমার স্বামীর কাছে স্বাধীনতা চাই না কারণ এখনকার যুগে স্বাধীনতা মানে অশ্লীলতা তাছাড়া আর কিছুনা।আমি চাই সে আমাকে ফলো করুক আমার সোশাল সাইড এর সব পাসওয়ার্ড তার কাছে থাকুক সে দেখুক তার স্ত্রী ভুল পথে চলে যায় কিনা।আমি কোথাও গেলে খোজ নিক কার সাথে গেছি কই গেছি। স্বামী তো আমার চরিত্রের রক্ষাকারী তার অধিকার সে আমাকে শয়তানের ফিতনা থেকে রক্ষা করুক। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রাইভেসি আবার কি জিনিস ভাই!

- আমার বোঝার দরকার ও নাই। স্বামী আমার স্বাধীনতা স্বামী ই আমার ঘর বাড়ি এতে আমার সন্মানে আঘাত লাগবেনা একটুও।আমার ইনডিপেনডেন্ট নারী হওয়ার কোন শখ নাই স্বামীর যথেষ্ট সামর্থ থাকলে আমার দরকার নাই সন্মান বাড়াইতে ইনডিপেনডেন্ট হওয়া। আমার স্বামীর যা সবই আমার সর্বপ্রথম হক আমার তার সবকিছুর উপর তাহলে আমার স্বামীর উপর নির্ভর করতে আমার সন্মানে কেন লাগবে।সরি ব্রো আমি এই নারীবাদী আজাইরা মনোভাবের কপালে ঝাড়ু মারি। আমার স্বামী আছে আমার কোনরকম আকাইম্মা স্বাধীনতা দরকার পড়েনা আকাইম্মা সেল্ফ ডিপেন্ডেন্ট হওয়ার দরকার পড়েনা।

অনেকে বলবেন লাভ ম্যারেজ হইছে এজন্যএতো কথা।ভাই আমার যদি সজ্ঞানে আমার শত্রুর সাথেও বিয়া হইতো তাইলেও এই একই বলতাম। স্বামীর উপরে দুনিয়ায় কিছু নাই। এখন বলতে পারেন স্বামীর এতো ভক্ত তাইলে ঝগড়া কেমনে হয়!ঝগড়া বা রাগ অভিমান এগুলো কি তাহলে রাস্তার পুরুষের সাথে করব। সেটা করা যায় না নিজের স্বামী ছাড়া অন্য কারো সাথে।

স্বামী ভালো পাওয়া অনেক বিশাল বড় ব্যাপার

প্রতিটি মেয়ে যদি এইভাবে ভাবতো তাহলে আমাদের সমাজে কোন পরকীয়া থাকত না ,সংসারে কোন ঝগড়া ঝামেলা এগুলো কিছুই থাকত না,তাহলে তাদের সংসার হতো সুখের এবং আনন্দের ,আল্লাহ যেন প্রতিটি মেয়ের মনে এরকম চিন্তা ভাবনা দিয়ে দেন।

লেখা সংগ্রহীত
Bd.Smarttechno
゚ ゚

১.৪২ কেজি ধান থেকে সর্বনিম্ন ৩০ কেজি চাল হয়। চাতাল মালিকের কাছে কৃষক ৪২ কেজি ধান বিক্রি করতে বাধ্য হয় ৬০০/৭০০ টাকায়। আপন...
24/05/2025

১.
৪২ কেজি ধান থেকে সর্বনিম্ন ৩০ কেজি চাল হয়। চাতাল মালিকের কাছে কৃষক ৪২ কেজি ধান বিক্রি করতে বাধ্য হয় ৬০০/৭০০ টাকায়। আপনি ৩০ কেজি চাল কিনেন ১৮০০ টাকায়। মাঝখানে কোন পরিশ্রম ছাড়াই চাতাল মালিকের লাভ ৭০০/৮০০ টাকা। অর্থাৎ কৃষকের বিক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি মুনাফা করছে চাতাল মালিক এবং উৎপাদন যন্ত্রে কোন প্রকার অবদান না রেখেই। এখন এক একজন কৃষক যদি ২০ মন ধান বিক্রি করে আর এমন কৃষক যদি ১০০ জন হয় তবে চাতাল মালিকের বিনা শ্রমে মুনাফা এক মৌসুমে ১৪ লক্ষ টাকা। এখন এই চাতাল মালিক যদি ৩ লাখ টাকা দিয়ে গরু কিনে কুরবানি দেয় আর তখন যদি আপনি বলেন যে সে নিজের টাকা দিয়ে দামী গরু কিনেছে তাতে কার কি বলার আছে তাহলে আপনার বুদ্ধি, জ্ঞান, শিক্ষা নিয়ে সন্দেহ আছে। যেই কৃষক ছাড়া খাদ্য উৎপাদন অচল সেই কৃষক কেন ১৫০০ টাকায় এক মন ধান বিক্রি করতে পারছে না, কেন কৃষক এক মন ধান বিক্রি করে এক কেজি গরুর মাংসও কিনতে পারছে না অথচ কৃষকের উৎপাদিত ধান বিক্রি করে চাতাল মালিক ৩ লাখ টাকার গরু কিভাবে কিনে সেই প্রশ্ন যদি না করতে পারেন তবে আপনি কি শিখলেন আর কি শিক্ষিত হলেন?

২.
গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে পোশাক শ্রমিক ৭০০০/৮০০০ টাকা মজুরি পায়। অথচ তাদের পরিশ্রম অনুযায়ী মজুরি হওয়া উচিৎ ২০,০০০ টাকা তাও প্রফিট শেয়ার ছাড়াই। ফলে ৩০০ শ্রমিকের শ্রমে চলা ফ্যাক্টরির মালিক উৎপাদিত পণ্যের মুনাফার বাইরেই শুধুমাত্র শ্রম ঠকিয়ে বাড়তি টাকা পকেটে ভরছে প্রতিমাসে ১২০০০ x ৩০০ = ৩৬ লক্ষ টাকা। আর শ্রমিকের মজুরি মেরে দিতে পারলে তো কথাই নেই। এখন এই ফ্যাক্টরি মালিকের ছেলে বছর শেষে যদি বাপকে ২ কোটি টাকা দামের গাড়ি উপহার দেয় আর আপনি যদি ভাবেন- নিজের টাকায় গাড়ি কিনে গিফট করতেই পারে, তাহলে আপনার জ্ঞান, বুদ্ধি, শিক্ষা নিয়ে সন্দেহ করাটা কি দোষ হবে? স্রেফ শ্রমের মূল্য ঠকিয়ে যেই টাকা পাওয়া যায় সেটারে মুনাফা বলে না, বলে ডাকাতি। চোখের সামনে শত সহস্র মানুষের প্রাপ্য হক ডাকাতি করে বড়লোকি ফুটানি মারাচ্ছে অথচ সেটা যদি আপনার চোখে স্বাভাবিক লাগে তবে পড়াশুনা করে কি শিখলেন? কি নৈতিকতা শিখলেন?

৩.
এলপি গ্যাস কোথা থেকে আসে? এলপি গ্যাসে প্রধানত আসে খনিজ পেট্রোলিয়াম রিফাইনারিতে শোধন করার সময় বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে। ১২ কেজির এলপি গ্যাস আপনি কিনছেন ১৫০০ টাকায় অথচ এই ১২ কেজি এলপি গ্যাস বসুন্ধরাওয়ালারা ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে নিচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। অর্থাৎ সিলিন্ডার প্রতি বসুন্ধরাগ্রুপের মালিকের মুনাফা সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা যা তার ক্রয়মূল্যের থেকেও বেশি। এটারে কি মুনাফা বলে নাকি ডাকাতি? এখন মাসে যদি ১০ লাখ সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি হয় তবে বসুন্ধরাগ্রুপের মালিকের স্রেফ ফাওএর উপর মুনাফা একশো কোটি টাকা। বসুন্ধরার মালিক পুত্র সায়েম সোবহানের এমন একটা রোলস রয়েস আছে যেটা দুনিয়াতে মাত্র ২০ পিস আছে। এখন আপনি যদি বলেন তার টাকা আছে তাই সে কিনেছে তাহলে আপনার জ্ঞান, বুদ্ধি, শিক্ষা নিয়ে সন্দেহ হলে সেটা কি দোষ?
আপনার কি উচিৎ না সরকারকে চাপ দেয়া যেন বসুন্ধরাওয়ালারা ৫০০ টাকার গ্যাস ৮০০ টাকার চেয়ে বেশি দামে না বিক্রি করতে পারে? অথচ সেটা না করে বসুন্ধরা গ্রুপের টাকার গরম দেখে আহা উহু করছেন, লিবারেলিজমের বটিকা খেয়ে বলছেন যার টাকা আছে সে খরচ করতেই পারে। অথচ এটা ভাবছেন না যে সরকারকে যদি বাধ্য করানো যায় সিলিন্ডার গ্যাসের দাম ৮০০ টাকায় নির্ধারণ করতে তাহলে বছর শেষে যেই দশটা হাজার টাকা সাশ্রয় হবে সেটা আপনারই হবে।

৪.
খুব সহজ অংক হচ্ছে- শোষণ, শ্রম ডাকাতি, দামে ঠকানো ছাড়া দুনিয়াতে উচ্চমাত্রার বড়লোক হওয়া সম্ভব না। অসম্ভব কোনভাবেই। সেটা বুঝানোর জন্যই উপরে ৩টা অংক দিলাম। আরো বুঝতে চাইলে কার্ল মার্ক্সের শ্রমের উদবৃত্ত মূল্যতত্ত্ব নিয়ে একটু পড়াশুনা করেন। আর কিছু না হোক, নিজে ঠকছেন কিনা এবং নিজের নৈতিক অবস্থান ঠিক আছে কিনা সেই অবস্থানটা সঠিক রাখতে এই জ্ঞান দরকার।

অতএব, নিজের জ্ঞানবুদ্ধি দিয়ে বিচার করেন যে কেউ বড়লোকি ফুটানি দেখালে সেটারে বাহবা দিবেন নাকি স্রেফ জবাবদিহিতায় আনবেন যে কোন আকাম করে এই ফুটানি মারাতে পারছে?

৫.
আল্লামা ইকবাল বলেছেন- যে দেশের বুকে পায় না চাষীরা পেটের ক্ষুধার অন্ন, সে মাটির প্রতিটি শষ্যকণায় আগুন ধরিয়ে দাও।

নৈতিকতা, মার্ক্সবাদী জ্ঞান এবং সচেতনতার আগুন জ্বলে উঠুক আপনাদের সবার ভিতরে, যেই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাক লিবারেলিজমের বিষাক্ততা, সাম্প্রদায়িকতা ও শোষকের সকল কৌশল। সামনের দিন হোক সাম্যের।
(Post Courtesy :- Mehedi Minto)
Bd.Smarttechno
゚ ゚

চুল*কানি বা স্ক্যাবিস থেকে মুক্তি পেতে ভালো ভাবে পোস্টটি পড়ুন।স্ক্যাবিস এখন মহা*মারি আকার ধারন করেছে, সচেতন হবার অনুরোধ।...
20/05/2025

চুল*কানি বা স্ক্যাবিস থেকে মুক্তি পেতে ভালো ভাবে পোস্টটি পড়ুন।
স্ক্যাবিস এখন মহা*মারি আকার ধারন করেছে, সচেতন হবার অনুরোধ। 🙏
স্ক্যাবিস একটি তীব্র চর্মরোগ, যা Sarcoptes scabiei নামক এক ধরনের ক্ষুদ্র পরজীবী মাইট (mite) দ্বারা হয়। এটি খুবই সংক্রামক এবং চুলকানির মাধ্যমে এর প্রধান উপসর্গ প্রকাশ পায়।

স্ক্যাবিসের ভয়াবহতা:😰

1. চরম চুলকানি: বিশেষ করে রাতে বেশি হয়, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। অনেক বাচ্চারা চুলকাতে চুলকাতে ঘুম ভেঙে যায়, যন্ত্র*নায় কান্নাকাটি করে।

2. চামড়ায় ফুসকুড়ি ও ক্ষত: ঘর্ষণ এবং চুলকানোর ফলে চামড়ায় ঘা ও ইনফেকশন হতে পারে। পুঁ*জ জমে যায়।

3. পরিবারে দ্রুত ছড়ায়: সংস্পর্শে এলে পুরো পরিবার আক্রান্ত হতে পারে। মা*রাত্মক ছোঁয়াচে রোগ এটি।

4. দীর্ঘমেয়াদে হলে সেকেন্ডারি ইনফেকশন: ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, সেলুলাইটিস, এমনকি কিডনি সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে শিশুদের ক্ষেত্রে। তাই সচেতনতা ভীষন ভাবে প্রয়োজন।

5. মানসিক অস্বস্তি: অতিরিক্ত চুলকানি ও অস্বস্তির কারণে মানসিক চাপ ও অস্থিরতা তৈরি হয়।

স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায়:🤷‍♀️

১. চিকিৎসা:💁‍♀️

পারমেথ্রিন (Permethrin) ৫% ক্রিম: এটি সবচেয়ে কার্যকর। শরীরের গলা থেকে পা পর্যন্ত মেখে রাতভর রেখে সকালে (১০-১২ঘন্টা) ধুয়ে ফেলতে হয়। এই নিয়মে একটু ভু*ল হলে কোনেভাবেই এউ স্ক্যাবিস যাবেনা। মাসের পর মাস এই অ*সহ্য যন্ত্র*ণা ভোগ করতে হবে, হাজার হাজার টাকা, ১০-১২টা ডাক্তার যাই করেন, কাজ হবেনা। শরীরের এক ইঞ্চি ও বাদ রাখবেন না, রাতে ওয়াসরুমে গেলে, ওষুধ ধুয়ে গেলে, আবার প্রয়োগ করুন। ভীষণ জরুরি। না কমলে ৭ দিন পরপর একই নিয়মে ব্যবহার করুন। আর অবশ্যই পরদিন সকালে গায়ে থাকা পোষাক, বিছানার চাদর, বালিশের কাভার সব কিছু গরম পানিতে ধুয়ে দেবেন, নিজের ও শিশুর শরীর গরম পানি ও বডি ওয়াস দিয়ে ভালো ভাবে রগরে গোসল করুন ও করান।
✅Elimate plus✅ ব্যাবহার করতে পারেন।

আইভারমেকটিন (Ivermectin) ওষুধ: কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তার খাওয়ার ওষুধ দেন, বিশেষ করে জটিল ও পুনঃসংক্রমণের ক্ষেত্রে।

অ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট: চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। শিশুদের ক্ষেত্রে Billi syrup বড়দের ক্ষেত্রে ট্যাবলেট।

২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:

আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানার চাদর, তোয়ালে গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে।

৩ দিন ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকে দূরে রাখতে হবে (মাইট ২–৩ দিন বেঁচে থাকে)।

৩. একসাথে চিকিৎসা:

পরিবারের সব সদস্যকে একসাথে চিকিৎসা করা জরুরি, এমনকি উপসর্গ না থাকলেও। এটা খুবি জরুরি।

৪. নিয়মিত হাত ধোয়া ও শরীর পরিষ্কার রাখা। বাইরে থেকে বাসায় ফিরে সবার আগে ভালো ভাবে হাত ধোঁয়ার অভ্যাস করুন।

বিশেষ সতর্কতা:

শিশু ও গর্ভবতীদের জন্য ওষুধ ব্যবহারে ডাক্তারি পরামর্শ প্রয়োজন।

মিথ্যা ধারনা নয়, নিশ্চিতভাবে ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শে চিকিৎসা নিতে হবে।
বিদ্র:
এই স্ক্যাবিসকে সাধারন ভাবে দেখবেন না। এর ভয়াবহতা অনেক। তাই সচেতন হবেন। যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ তারাও প্রতি মাসে একবার করে পরিবারের সবাই একসাথে পারমিথ্রিন ৫% ব্যবহার করুন ও পোষাক, বিছানার চাদর গরম পানিতে ধুয়ে নিন।
নিজে জানুন অন্যকে জানান
ধন্যবাদ।
Bd.Smarttechno
゚ ゚

এগুলা কি চলছে🤔🤔   ゚    ゚
13/05/2025

এগুলা কি চলছে🤔🤔

゚ ゚

সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমকে ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আও...
13/05/2025

সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমকে ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান #মমতাজ বেগম

বস্তুটির নাম— ভ্যানভেরা (vanvera). ১৯-শতকের ইতালিতে তুমুল জনপ্রিয় মেশিন ছিল এটি, বিশেষ করে ভেনিস শহরের সম্ভ্রান্ত পরিবার...
13/05/2025

বস্তুটির নাম— ভ্যানভেরা (vanvera). ১৯-শতকের ইতালিতে তুমুল জনপ্রিয় মেশিন ছিল এটি, বিশেষ করে ভেনিস শহরের সম্ভ্রান্ত পরিবারগুলোয়।

ভ্যানভেরা ব্যবহৃত হতো একটি সভ্য-উদ্দেশ্যে— জৈব-বায়ুত্যাগ, খাঁটি বাংলায় 'পাদ'-এর সুললিত শব্দ ও বিমোহিত ঘ্রাণ থেকে পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে মুক্ত রাখতে।

এই বস্তুর উৎপত্তি মূলত প্রাচীন মিশর এবং রোমে, প্রায় একইসাথে, সুপ্রাচীন কালে। তখন এর নাম ছিল— প্রাল্লো (prallo). ফেরাউন ও সম্রাটদের দীর্ঘসময় ধরে চলমান উৎসবগুলোয় প্রাল্লো ব্যবহৃত হতো পাদের ধ্বনি ও গন্ধ লুকিয়ে পরিবেশকে স্বচ্ছন্দ রাখার দায়িত্বে।

প্রাল্লোর গঠন ছিল এরকম— ডিম্বাকৃতির সিরামিক বা কাঠের ফাঁপা গোলক, একপ্রান্তে মাউথপিসের মতো অংশ যেটা নিতম্বগুহার মুখে চাপা থাকতো, অপরপ্রান্ত উন্মুক্ত যেখানটা দিয়ে শব্দ ও ঘ্রাণ বেরিয়ে যেতো 'প্রক্রিয়াজাত' হয়ে। প্রক্রিয়াজাত বলতে— বিকট শব্দটি বেরুতো পথপরিক্রমার ফলস্বরূপ দুর্বল-ধ্বনি হয়ে, এবং দুর্গন্ধ বেরুতো সুঘ্রাণ হয়ে, কারণ গোলকটির ভিতরে রাখা হতো সুঘ্রাণযুক্ত ভেষজ লতাপাতা।

মিশর ও রোমের বাইরে প্রাল্লো জনপ্রিয় হতে পারেনি, ফলে একসময় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিলো বস্তুটি। কিন্তু ১৬-শতকের দিকে এসে, এটি ভ্যানভেরা নাম নিয়ে ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় হতে শুরু করলো ভেনিসের সম্ভ্রান্তশ্রেণিতে। ২-ধরণের ভ্যানভেরা ছিল ভেনিসেঃ

একটির নাম— ভ্যানভেরা দা পাসেজ্জিয়ো, যেটা তৈরি হতো লেদার দিয়ে। এটি বহনযোগ্য ভ্যানভেরা। এর একপ্রান্ত নিতম্বদেশের সাথে আরামসে আটকে থাকতো, এবং এটায় একটি নাতিদীর্ঘ টিউব লাগানো ছিল যেটির শেষপ্রান্তে একটি ব্লাডার যুক্ত ছিল পাদবায়ু সংরক্ষিত হওয়ার জন্য। ব্লাডারটায় একটি ছোট্ট ছিদ্র থাকতো, ছিদ্রটিকে খোলা-বাঁধার জন্য ছিল একটি সুতা। সুতায় টান দিয়ে ছিদ্রটি উন্মুক্ত করে পাদটুকু দূরে গিয়ে ফেলে আসা হতো সুযোগ এলেই। এই ভ্যানভেরা স্কার্ট বা প্যান্টের ভিতরে পরা হতো, থিয়েটার বা সামাজিক অনুষ্ঠানাদিতে যাওয়ার সময়।

দ্বিতীয় বায়ুত্যাগী-মেশিনটার নাম ছিল— ভ্যানভেরা দা অ্যালকোভা। অ্যালকোভার টিউবটি ছিল লম্বা এবং এর প্রান্তে ব্লাডার থাকতো না। এটি ঘরে ব্যবহার করা হতো, বহনযোগ্য ছিল না। দীর্ঘ টিউবটির শেষপ্রান্ত জানালা দিয়ে বাইরের দিকে বের করে রাখা হতো ঘ্রাণ চলে যাওয়ার জন্য। এই ভার্সনটি প্রধানত পুরুষেরা ব্যবহার করতেন, বিয়ের প্রথম রাতে টেনশনে-অস্থিরতায় পেদেটেদে দেওয়ার পরে অস্বস্তিকর ঘ্রাণ-শব্দ এড়িয়ে চলার জন্য।

২০-শতকের শুরুর দিক থেকে ভ্যানভেরার ব্যবহার কমে গেলো, সম্ভ্রান্ত-শ্রেণির পোশাকের ধরণ পাল্টে যাওয়ার ফলস্বরূপ; এবং পারফিউমের উন্নতির ফলে। কিন্তু, পাদ-শিল্পের মোহময়তাকে আমরা ছেড়ে থাকতে পারলাম কই!

তথ্যসূত্রঃ উইয়ার্ড, স্ট্রেঞ্জ, এণ্ড ইন্টারেস্টিং থিংস।

Follow Bd.Smarttechno
゚ ゚

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bd.Smarttechno posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bd.Smarttechno:

Share