03/09/2026
কয়েল বা ব্যাটের দিন শেষ ! লেজারেই মশা শেষ !!
বাজারে আসছে চীনের portable laser মশা নিধন যন্ত্র। spray কিংবা electric bat-এ মশা মারার দিন কি তবে শেষ হতে চলেছে? একটু কল্পনা করুন তো, ঘরের ভেতরে উড়ছে মশা আর চোখের পলকে এক অদৃশ্য laser beam সেটিকে বাতাসে গুড়িয়ে দিচ্ছে। কোন শব্দ নেই, কোন ধোঁয়া নেই এই ডিভাইসগুলোতে ব্যবহার করা হচ্ছে শক্তিশালী এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং লিডার সেন্সর। ঘরের চারপাশে স্ক্যান করে একটি অদৃশ্য নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে এই মেশিন। চীনের তৈরি লেজার ভিত্তিক মশা মারার একটি যন্ত্রের বড় পরিসরে উৎপাদন শুরু হয়েছে। এর প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ফোটন ম্যাট্রিক্স ল্যাব, ক্রাউড ফান্ডিং সাইট ইন্ডিগোগোতে জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষের দিকেই ক্রেতাদের কাছে এর প্রথম চালান পাঠানো শুরু হবে। কোম্পানিটির দাবি, ছোট্ট এই বহনযোগ্য যন্ত্রটিতে মশা ও অন্যান্য ছোট উড়ন্ত পোকা শনাক্ত করে সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে লিডার মিলিমিটার ওয়েভ রাডার, এআই চালিত ক্যামেরা এবং নিখুঁত লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ফোটন ম্যাট্রিক্স তাদের সবশেষ হালনাগাদ তথ্যে জানায়, আগস্ট মাসেই এর উৎপাদন শুরু হয়েছে। পাশাপাশি তারা অফিশিয়াল অনলাইন স্টোরও চালু করেছে। গ্রাহকেরা সরাসরি যেখান থেকে ইনফ্রারেড ও ব্লু লেজার ভার্সনের যন্ত্র দুটি কিনতে পারবেন। চীনা মশা নিধন পণ্যের বাজার যখন দ্রুত বড় হচ্ছে, ঠিক তখনই যন্ত্রটি বাজারে এলো। চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার তথ্যমতে, 2025 সালের প্রথম ছয় মাসে দেশটির ঝুজিয়াং প্রদেশে জিনহুয়া শহর থেকেই প্রায় পঁয়তাল্লিশ মিলিয়ন ইউয়ান বা ছয় দশমিক সাত মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের মশারোধক পণ্য বিদেশে পাঠানো হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় পঁয়ষট্টি দশমিক এক শতাংশ বেশি। সিনহুয়া শিল্প বিশেষজ্ঞদের বরাতে আরও জানায়, চীনের মশা নিধন বাজারের আকার 2025 সালের সাত দশমিক ছিয়াসি বিলিয়ন ইউয়ান থেকে বেড়ে 2030 সালের মধ্যে বার দশমিক তেতাল্লিশ বিলিয়ন ইউয়ানে পৌঁছাতে পারে। এই চাহিদা কেবল মশার কয়েল, ইলেকট্রিক ভেপোরাইজার কিংবা প্রচলিত মশার ফ্যানের মতো সাধারণ পণ্যের সীমাবদ্ধ নেই। চীনা উদ্ভাবকেরা এখন আরও আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার পরীক্ষানিরীক্ষা করছেন। চায়না ডেইলির তথ্য অনুযায়ী, 2023 সালের হাঙ্গঝৌ এশিয়ান গেমস এর সময় এশিয়ান গেমস ভিলেজে একটি স্বয়ংক্রিয় মশা মারার রোবট মোতায়েন করা হয়েছিল।
রোবটটি মানবদেহের তাপমাত্রা ও শ্বাসের অনুকরণ করে মশাকে আকৃষ্ট করত এবং তারপর সেগুলোকে মেরে ফেলত। এশিয়ান গেমস সংক্রান্ত অন্য এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সেখানকার স্মার্ট মশা নিধন রোবটগুলো মশাকে আকৃষ্ট করতে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং অতিবেগুনি রশ্মি ব্যবহার করেছিল। এটি মূলত পুরনো সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে প্রযুক্তি বহুমুখী ব্যবহারের চিত্র। প্রথাগত তথ্যগুলো সাধারণত রাসায়নিক আলো বা সাধারণ ফ্যানের উপর নির্ভর করে। নতুন প্রযুক্তির যন্ত্রগুলোতে সেন্সর, কম্পিউটার ভিশন, রোবোটিক্স এবং অন্যান্য স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে।
#মশার #মশামারারলেজারমেশিন
#খবর #ব্রেকিং