29/07/2026
দাঁত ও মাড়ির সুস্থতার জন্য ব্রাশ আর টুথপেস্টের উপর বেশি জোর না দিয়ে ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবারের উপর বেশি জোর দিতে হবে।
দাঁত ভালো রাখতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-ডি এবং ভিটামিন-কে
ভিটামিন-এ মাড়ির স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। খেজুর, গাজর, শাকসবজি, আম, মিষ্টিআলু, মাছের তেল ইত্যাদিতে ভিটামিন-এ পাওয়া যায়।
ভিটামিন-বি জিহ্বার প্রদাহ এবং ঘা প্রতিরোধে সাহায্য করে। মটরশুটি, মাংস, সবুজ শাকসবজি, শিম ইত্যাদিতে ভিটামিন-বি পাওয়া যায়।
ভিটামিন-সি মাড়িকে মজবুত করে এবং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। এর অভাবে মাড়িতে প্রদাহ এবং রক্তপাত হয়। পেয়ারা, লেবু, কমলা, আমলকী, কাঁচামরিচ ইত্যাদিতে ভিটামিন-সি পাওয়া যায়।
ভিটামিন-ডি মজবুত হাড় ও দাঁতের জন্য উপকারী। সূর্যের আলো ভিটামিন-ডির ভালো উৎস। এ ছাড়া ডিম, মাছ ইত্যাদিতে ভিটামিন-ডি পাওয়া যায়।
ভিটামিন-কে শরীরের রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। ভিটামিন-কের অভাবে মাড়িতে রক্তপাত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সয়াবিন, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি ভিটামিন-কের ভালো উৎস।
দাঁত ভালো রাখতে যা যা করবেন:
ব্রাশের স্থলে মিসওয়াক ব্যবহার করতে পারলে ভালো।
ব্রাশ হিসেবে আমার কাছে মেডিপ্লাসের ব্রাশ ভালো লাগে।
প্রতিদিন দুই বেলা দাঁত মাজুন। সকালে খাবারের পর এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে।
ব্রাশ করার সময় হবে ২ মিনিট। এই সময়ের কম বা বেশি করা যাবে না। দাঁত ও মাড়ি ভালোভাবে পরিষ্কার করতে, ব্যাকটেরিয়া ও দাঁতের প্লাক দূর করতে এ সময়টা দরকার।
আলতো করে দাঁত মাজুন।
যা যা করবেন না:
একটি ব্রাশ ২ মাসের বেশি ব্যবহার করবেন না।
জোরে ব্রাশ করবেন না।
দাঁত দিয়ে বোতলের মুখ খুলবেন না।
দাঁত দিয়ে চিপসের প্যাকেট ছিঁড়বেন না।
মাংসের শক্ত হাড় কামড়াবেন না।
এতে দাঁতের বাইরের আবরণ বা এনামেল নষ্ট হতে পারে, দাঁতে সূক্ষ্ম ফাটল দেখা দিতে পারে।
ধূমপান, অ্যালকোহল এবং পান চিবানোর বদঅভ্যাস পরিহার করুন।
চকলেট, তেল-মসলাযুক্ত ভারী খাবার, অতিরিক্ত চা-কফি, কোমল পানীয় যতটা সম্ভব কমিয়ে আনুন।
এগুলো দাঁতের এনামেল নষ্ট করে দাঁত ক্ষয় করে ফেলে।