Minar

Minar আসসালামু আলাইকুম
ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু,

হতে পারে এটাই আমার পেজে শেষ লেখা, অথবা হয়তো স্বাধীনতার এক নতুন জাগরণের সূচনা। আমরা এখন দখলদার শক্তি ও ফিলিস্তিন-এর মাঝে...
01/10/2025

হতে পারে এটাই আমার পেজে শেষ লেখা, অথবা হয়তো স্বাধীনতার এক নতুন জাগরণের সূচনা। আমরা এখন দখলদার শক্তি ও ফিলিস্তিন-এর মাঝে 'শূন্য দূরত্বে' আছি। শৈশবে দেখা যে স্বপ্নটি ছিল, আজ তা বাস্তবে ফুটে উঠছে। আমাদের ভয়ের কোনও সুযোগ নেই, যতক্ষণ আমরা গাজা-র সাহসে এবং দৃঢ়তায় অনুপ্রাণিত হতে পারি।

আমি সমস্ত স্বাধীন বিবেকের কাছে আহ্বান জানাই—রাস্তায় নেমে আসো, এই বহরের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠো, এবং চোখ, মন ও দৃষ্টি গাজার দিকে নিবদ্ধ রাখো। এই দখলদার সন্ত্রাসীদের শেষ করার সময় এসেছে; এখনই এসেছে ফিলিস্তিনের মুক্তির সময়।

আমরা আবার সবাই একসাথে আল-কুদসে নামাজ পড়ব, আল্লাহর সামনে সিজদায় অবনত করব আমাদের শির। আমরা বিশ্বের সামনে প্রমাণ করব: অধিকারের কোনো মৃত্যু নেই— ধৈর্য ও দৃঢ়তাই (সুমুদ) অবশেষে বিজয় আনবে।
***
গ্লোবাল সুমূদ ফ্লোটিলা'-র তরুণী কর্মী সিরিন ঘারিরি নিজের ফেসবুক পেইজ থেকে এই বার্তা পোস্ট করেছেন মাত্র বিশ মিনিট আগে। এবং তারা তাদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র, যেমন— মোবাইল ফোন এবং অবশিষ্ট অর্থ, সেই জাহাজগুলোতে হস্তান্তর করা হচ্ছে, যেগুলো ফিরে যাবে। কারণ, জায়নবাদী সেনাবাহিনীর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ এখন খুবই আসন্ন। এর অর্থ হলো, বহরের কর্মীরা মানসিক এবং লজিস্টিক্যালি প্রস্তুত যে কোনো সময় তাদের জাহাজগুলো আটক বা ডুবিয়ে দেওয়া হতে পারে।

আরেকটা নির্ঘুম রাত কাটবে মনে হচ্ছে। আল্লাহ রহম করেন।

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছবি: সিরিন ঘারিরি।

(অজপাড়াগাঁয়ের একজন গল্পটা বললেন, তার গল্প আপনাকে সংযুক্ত করবে কিনা, জানি না!)জাহাঙ্গীরনগরের বিজয়ে খবরে জীবনের নির্মম এক ...
14/09/2025

(অজপাড়াগাঁয়ের একজন গল্পটা বললেন, তার গল্প আপনাকে সংযুক্ত করবে কিনা, জানি না!)

জাহাঙ্গীরনগরের বিজয়ে খবরে জীবনের নির্মম এক ইতিহাসের কথা মনে পড়লো।

আমি ছিলাম আমার জেলার বাছাইকৃত সাথী। যাকে জাহাঙ্গীরনগর ভর্তি কোচিংয়ের জন্য মনোনীত করা হয়েছিল। ২০০৬ সালে আমি দাখিলে জিপিএ ৫ পেয়েছি। ২০০৮ সালে আলীম পরীক্ষা শেষ হতেই ডাক এলো সংগঠনের। গ্রাম ছাড়তে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কোচিং করতে হবে। কিন্তু নরমাল কোনো কোচিং নয়। স্পেশাল কোচিং।

সেদিন ছিল, ভয়াবহ কালবৈশাখের রাত। থানা সভাপতি ফোন দিয়ে বললেন, এই মুহুর্তে আপনাকে থানা অফিসে অফিসে আসতে হবে। কিন্তু মা কোনোভাবেই ঘর থেকে বের হতে দিবেন না এই ঝড়ের রাতে। মায়ের অবাধ্য হয়ে দায়িত্বশীলের আনুগত্য রক্ষা করতে সাইকেল নিয়ে বের হয়ে গেলাম। ভারি তুফানের মধ্যে ৬ কিলোমিটার পথ সাইকেল চালিয়ে থানা অফিসে গিয়ে ভেজা শরীরে হাজির হলাম। গিয়ে দেখলাম- জাহাঙ্গীরনগর থেকে ৩ জন ভাই আগেই উপস্থিত। আমি খুব অবাক হলাম- শুধু আমার সাথে কথা বলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল এতো প্রত্যন্ত গ্রামে। আমাকে তারা বুজালেন জাহাঙ্গীরনগরে কেন ভর্তি হওয়া দরকার। একটা কোচিংয়ের কথা জানালেন। বললেন, ইসলামি আন্দোলনের জন্য আমাকে এই ময়দানে বাছাই করা হয়েছে।

আমিও সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম। কিন্তু, ভর্তি হতে যে টাকার প্রয়োজন, সেই টাকা আমার কাছে ছিল না।

মাকে নিয়ে ঢাকায় আসলাম। মা আমাকে নিয়ে মামার কাছে গেলেন। মামা বিরাট শিল্পপতি। কয়েকটা ফ্যাক্টরির মালিক। মামা কোনোভাবে আমাকে পড়াশোনা করানোর জন্য রাজি হলেন না।

তখন শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন আমার জেলার। আমি তার সাথে দেখা করলাম। উনি ইসলামি ব্যাংক থেকে ৫ হাজার টাকার অনুদান নিয়ে পাঠিয়ে দিলেন জাহাঙ্গীরনগরের কোচিংয়ে।

এক অন্যরকম পরিবেশ। সারাদিন শুধু পড়ালেখা, নামাজ, পরীক্ষা, ৩ বেলা খাওয়া আর ৫ ঘণ্টা ঘুমানো। জানালার পর্দাটাও সরানো নিষেধ ছিল। ফোনে কথা বলা নিষেধ। সারাদিন পড়াশোনার পর রাতে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ। হে আল্লাহ, তুমি জাহাঙ্গীরনগরের ময়দানকে ইসলামের জন্য কবুল করো। এবং আমাকে সেই ময়দানের জন্য কবুল করো।

মাস দুয়েক কোচিং করার পর মামা জানতে পেরে যায় আমি শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেলের সহায়তায় কোচিং করছি। মামা ছিলেন প্রচণ্ড শিবির বিদ্বেষী। মামা আমার মাকে হুমকি দিলেন। আমাকে কোচিং থেকে বের করে নিয়ে আসতে বললেন। মামার ফ্যাক্টরিতে চাকরিতে যেতে হবে বলে বাধ্য করলেন। না হলে আমাদের ফ্যামিলিতে আর এক টাকাও দিবেন না। আমার মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে আমাকে বলল, তুই আর পড়াশোনা করিস না বাবা। তোর মামার কথা শুন, আমাদের আর কোনো উপায় নেই। আমার বাবা একজন প্রতিবন্ধী। কোনোমতে সংসার চলছিল মামার সহযোগিতায়। তাই সেদিন পরিবারের জন্য নিজের স্বপ্নের কুরবানি দিয়ে দিই। বাধ্য হয়ে কোচিং ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিই। কোচিংয়ের হাউজ পরিচালককে জানিয়ে দিলাম, পরেরদিন সকালে চলে যাব।

সারারাত ঘুমাতে পারিনি। রাত ১২টার পর গোসল করে তাহাজ্জুতে দাড়ালাম। আল্লাহর কাছে উপায় চাইলাম। কান্নাকাটি করলাম। হে আল্লাহ, আমি পড়াশোনা করতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাই। আমাকে তুমি একটা উপায় দাও। উপায় দাও আল্লাহ। সকালে তো আমাকে চলে যেতে হবে।

ফজর পড়ে কোচিং থেকে বের হলাম। যাওয়ার সময় আমার কোচিংমেটরা আমাকে চোখের পানিতে বিদায় দিলেন। আমার খুব কষ্ট হলো। জিপিএ ফাইভ পাওয়া স্টুডেন্ট হয়ে আমি ফ্যাক্টরির শ্রমিক হতে যাচ্ছি। আমি জিপিএ ফাইভ পেয়েছিলাম তখন, যখন সারা বাংলাদেশে মাত্র সাড়ে ১৯ হাজার জন এ+ পেয়েছিলাম। আমি তার মধ্যে একজন। শিবিরের পক্ষ থেকে যে এ+ সংবর্ধনা দেয়া হয়েছিল, সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন ততকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিবির সভাপতি শিশির মুহাম্মদ মুনির। তার বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি শিবিরের কর্মী থেকে সাথী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। সাথী হতে ৯ মাস লেগে যায়। এক ওয়াক্ত নামাজ কাজা হইলেই বাদ। যাইহোক শিবিরের সাথী শপথ নিলাম। এরমধ্যেই আলীম পরীক্ষা শেষ করে কোচিংয়ে গেলাম। আর এসব পরিস্থিতি মুখোমুখি হলাম।

যেদিন কোচিং থেকে বের হয়ে যাচ্ছি, ভাবতেছি- আল্লাহ বুঝি আমার দোয়া কবুল করবে না। কিন্তু আমি এটা বুজতেই পারিনি যে, আল্লাহ আমার দোয়া এভাবে কবুল করবেন। আমাকে একটা দুর্ঘটনার মুখোমুখি করে পড়ালেখায় ফেরাবেন।

মামার ফ্যাক্টরিতে যাওয়ার পথে আমি মারাত্মকভাবে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হই। আমার ডান হাত ভেঙ্গে যায়। আমাকে মানুষ ফুটপাতে শোয়াই রাখলেন। বাম হাত দিয়ে মোবাইল বের করে একজনকে বললাম, আমার কোচিংয়ের এক বন্ধুকে ফোন করতে৷ ফোন করা হলো। সেও আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

কিন্তু হঠাৎ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি শাকিল উদ্দিন ভাই কোচিংয়ে হাজির হলেন, সবাইকে হলরুমে ডাকলেন। পরে জানতে পারলাম, আমি বের হওয়ার কিছুক্ষণ পরে তিনি কোচিংয়ে গিয়েছেন। অফিসকক্ষে একটু ঘুমালেন। ঘুম থেকে উঠে অনেকটা খালি গায়ে সেন্টু গেঞ্জি পরা অবস্থায় হলরুমে দৌড়ে এলেন। দায়িত্বশীলদের বললেন, সবাইকে ডাকতে। এরমধ্যে যেই ছেলেটা আমাকে উদ্ধারের জন্য বের হচ্ছিল সেও আটকা পড়লো শাকিল ভাইয়ের কারণে।

সবাই অবাক সেন্টু গেঞ্জি পরা শাকিল ভাই, একজন শাখা সভাপতি- এই অবস্থায় কেন বৈঠক ডাকলেন। শাকিল ভাই তার বক্তব্য শুরু করলেন। বললেন, আমি একটা ছেলেকে খুজছি। পাচ্ছি না।।।

সবাই জিজ্ঞেস করলো কাকে?

শাকিল ভাই বললেন, "আমি ছেলেটার নাম জানিনা। তবে এখানে এসে অফিস রুমে ঘুমানোর পর স্বপ্নে দেখলাম, একটা ছেলে কোচিং থেকে পালিয়ে যাচ্ছে, আমাকে দেখে ডান হাত লুকিয়ে ফেললো। এরপর ঘুম ভেঙে যায়"

সবাই স্তব্ধ হয়ে গেলো। যে আমাকে উদ্ধারের জন্য রওনা হচ্ছিল- সে দাড়িয়ে বললো, ভাইয়া আমাদের এক কোচিংমেট পারিবারিক কারণে কোচিং থেকে সকালে বের হয়ে গেছে। যাওয়ার পথে এক্সিডেন্ট হয়ে তার ডান হাত ভেঙ্গে যায়। এটা শুনে শাকিল ভাই চিতকার দিয়ে উঠলো। হে আল্লাহ, আমার স্বপ্নের সাথে মিলে গেলো।

শাকিল ভাই হাউজ পরিচালককে বললেন, আপনি ওকে যেতে দিলেন কার অনুমতি নিয়ে, ওকে সেক্রেটারি জেনারেল পাঠিয়েছে।

শাকিল ভাই আমাকে উদ্ধারের জন্য লোক পাঠালেন। আমার চিকিৎসা করালেন। আমাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন। আসার পথে কোচিংয়ে নিয়ে আসলেন। বললেন, তোমার কোনো টাকা পয়সা লাগবে না। সব ফ্রী। তুমি কোচিং করো।

আমি আবার কোচিং শুরু করলাম। আমার এক্সিডেন্টের খবর শুনে মামাও কিছুটা নরমাল হলেন। আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করলাম। আল্লাহ আমাকে ফিরিয়েছেন।

কোচিংয়ের সাপ্তাহিক পরীক্ষা সবাই লিখিত দিত। আমার যেহেতু ভাঙ্গা হাত, আমি মুখে পড়া বলতাম। আমার পরীক্ষা মৌখিক হতো।

কোচিংয়ে এমন অনেকেই ছিলেন। যাদের সিদ্ধান্ত ছিল, জাহাঙ্গীরনগর ছাড়া কোথাও ভর্তি পরীক্ষা দিবে না। কারণ, জাহাঙ্গীরনগরের ময়দান ছিল শিবিরের জন্য নিষিদ্ধ।

পরীক্ষার আগে আল্লাহর রহমতে আমার হাত ভালো হয়ে গেলো। আমি ফিলোসোফিতে ১৯তম হলাম। যথারীতি ভাইভাতে এটেন্ড করলাম।

কিন্তু, ভাইভা বোর্ড থেকে আমাকে বের করে দেয়া হলো। ভাইভা বোর্ডে বলা হলো মাদ্রাসা এবং কারিগরি মিলে একজন নেয়া হবে। আপনার আগে আরও ৪জন আছে।

যাইহোক আমি ভর্তি হতে পারলাম না। যুগের পর যুগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের প্রতি এই জুলুম করতো তারা।

সেই জাহাঙ্গীরনগরের জন্য সব সময় দোয়া করতাম। আল্লাহ তুমি এই ময়দানকে কবুল করো।

আল্লাহ আজকে বিজয় দিলেন। যেই ক্যাম্পাসে শিবিরকে অন্যায়ভাবে নিষিদ্ধ করা, সেখানে শিবিরের ভূমিধস বিজয় হলো। আল্লাহু আকবর।

আল্লাহর কাছে হাজার কোটি শুকরিয়া।
লেখাঃসিবগাতুল্লাহ ভাই।

কওমী আলেমদের ভিতরে চৌকস আলেম-মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মুফতী ইউসুফ মাহমুদী ভাই আজ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ...
27/08/2025

কওমী আলেমদের ভিতরে চৌকস আলেম-মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মুফতী ইউসুফ মাহমুদী ভাই আজ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের অফিসে সহযোগী ফরম পুরুন করেন।জামায়াতে যোগ দেন।

সেক্যুলারদের চিতকার-চেঁচামেচিতে হতাশ হওয়ার কিছু নাই। ইনসাফ ফাউন্ডেশনের এই আয়োজন যতটা ফোকাস আর গুরুত্ব পাওয়ার কথা, ততটা আ...
26/08/2025

সেক্যুলারদের চিতকার-চেঁচামেচিতে হতাশ হওয়ার কিছু নাই। ইনসাফ ফাউন্ডেশনের এই আয়োজন যতটা ফোকাস আর গুরুত্ব পাওয়ার কথা, ততটা আসলে পায় নি। সেক্যুলাররা একটু মজা নিতে গিয়ে মোটামুটি ইনসাফের উদ্যোগের ব্যাপারে সবাইকে আগ্রহী করে তুলেছে। ট্রলের এই তীর আসলে কাজে লাগে নাই। উল্টা ভাল ভাল কিছু আলাপ-আলোচনা উঠে আসছে। ইনসাফের আয়োজনেরও অনেক অনেক দিক সবাই জানতে পেরেছে। দিনশেষে এটাই ত দরকার ছিল।

স্বপ্নের ক্যাম্পাস গড়ার পথযাত্রীআমরা থামব না। ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট ✊ #ঐক্যবদ্ধশিক্ষার্থীজোট #ডাকসু২০২৫
26/08/2025

স্বপ্নের ক্যাম্পাস গড়ার পথযাত্রী
আমরা থামব না।

ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট ✊

#ঐক্যবদ্ধশিক্ষার্থীজোট
#ডাকসু২০২৫

৯ই আগস্ট, ২০২৩!ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সময় এদিন আমি জানতে পেরেছিলাম বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল আমার দ্ব...
26/08/2025

৯ই আগস্ট, ২০২৩!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সময় এদিন আমি জানতে পেরেছিলাম বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল আমার দ্বিতীয় বাসস্থান হতে যাচ্ছে। সেদিন রাতেই দেখলাম সবাই এই হল নিয়ে হাসাহাসি করছে। বলছে এডমিশনের কোনো এক পাপের শাস্তি স্বরূপ এই হল পেয়েছো। অন্য সবার মতো আমিও মজা হিসেবে নিলেও মনে একটা খটকা ছিল যে জাস্ট দূরত্বের কারণে এই কথা!? না আরও সমস্যা আছে হলের?

আমার মনের এই সন্দেহ আরও দৃঢ় হয় পরদিন ভর্তি হতে গিয়ে। আব্বু আর ভাইয়ার সাথে ভিসি চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ ভাইয়া বললো ওই যে একটা সাদা বাস আসছে এটা তোদের হলের জন্য। মনটা খুশি হলো। কিন্তু তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। সূক্ষ্মভাবে খেয়াল করলাম বাস আসতেই তাড়াহুড়ো করে মেয়েরা বাসে ওঠলো গাদাগাদি করে। আমি ভাবলাম এতোগুলো মেয়ে এই গরমে এভাবে বাসে ওঠছে কেন!? আর বাস নাই নাকি!!? সেদিনের সেই আশঙ্কাটাই যে সত্যি তা বুঝতে পেরেছিলাম কয়েকদিন পরই। আসলেই আমাদের একেকসময় একেকটা বাসে গাদাগাদি করেই উঠতে হয়!

সেই মাত্র ঢাবিতে আসার সময় থেকেই আমি আমার হল নিয়ে ভাবি। লেখালেখি করেছি হলের নানা সমস্যা নিয়ে। হলে এসে কর্মচারীদের বাজে ব্যবহারের সম্মুখীন হয়েছি, সেটার বিরুদ্ধেও কথা বলেছি সেই প্রথম বর্ষেই। জুলাইয়ের পর এক বছর হলেও যখন আমাদের সিট দিচ্ছিল না তখন বৃষ্টিতে ভিজে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসি স্যারের বাসার সামনে বসেছিলাম যে কয়েকজন তারমধ্যে আমিও একজন। নিজের সিট হয়ে যাওয়ার পরও আমার অনাবাসিক বান্ধবী,জুনিয়রদের সিট নিশ্চিত করতে বারবার আমি ভিসি স্যারের বাসার সামনে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছি ঢাবির প্রত্যেকটা মেয়ের সিট নিশ্চিত করার আশায়। হলের অনাবাসিক মেয়েদের প্রতিনিধিত্ব করে সিনেটে গিয়ে গলা উঁচু করে প্রশাসনের সামনে জিজ্ঞেস করে এসেছিলাম আমার হলের মেয়েদেরকে কেনো "দুর্ভাগা" বলা হবে!?

আমি হলে থাকি, হলের খাবার খাই, হলের বাসে ওঠি। তাই এই সংক্রান্ত প্রত্যেকটা সমস্যায় আমি এগিয়ে গিয়েছি বারবার৷

সিভি ভারী করার মতো অনেক অনেক পদ হয়তো আমার নেই। কিন্তু আমার কী আছে জানেন? শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলার মতো অসীম সাহস, আর সবার পাশে থাকার অঙ্গীকার দেওয়ার মতো দৃঢ় মনোবল। আর এটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি পুরো প্রশাসনের বিপক্ষে গিয়ে হিজাব ইস্যুতে আওয়াজ তুলেছিলাম এই কারণেই যে সমস্যাটাকে আমি আমার ব্যক্তিগত সমস্যা মনে না করে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটা হিজাবী-নিকাবী মেয়ের সমস্যা মনে করেছি। আজকে নিজেকে নিয়ে এতো বলার ইচ্ছে ছিল না। কিন্তু বুঝতে পারলাম এটার ভোটের মাঠ, না বললে এসব প্রকাশিত হবে না।

আর সাহিত্যের সাথে আমার সম্পর্ক যদি বলেন তবে তা একদম ছোট থেকেই। ছোট থেকেই আমি বই পড়ি, লেখালেখি করি৷ এ সংক্রান্ত অসংখ্য পুরস্কার আমার আছে। স্কুল জীবন থেকেই গল্প লিখি। বড় হয়ে বিভিন্ন সংকটে আমি সাহিত্যকে মাধ্যম বানিয়েছি। বন্যা, সড়ক দুর্ঘটনা, জুলাই আন্দোলন, ফিলস্তিন ইস্যুতে গল্পের পাশাপাশি পত্রিকায় নানারকম কলামও লিখেছি। সাহিত্যের পথে থাকতে, সাহিত্যকে আরও ভালো করে জানতে বাংলা বিভাগকেই নিয়েছি আপন করে৷

নির্বাচনে কী হবে জানিনা, তবে এটার নিশ্চয়তা দিব যদি আমি নির্বাচিত না-ও হই, তবুও হলের যেকোন সমস্যায় আমাকে প্রয়োজন হলেই ইন শা আল্লাহ আগের মতোই চলে আসবো।

আমি তাহমিনা আক্তার।
সেশন: ২০২২-২৩, বাংলা বিভাগ। জেলা: ময়মনসিংহ।
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল সংসদ নির্বাচন-২০২৫ এ প্রার্থীতা করছি "সাহিত্য সম্পাদক" পদে।

ধন্যবাদ সবাইকে🌸

২০১২ সালের ১৭ ই ডিসেম্বর। গ্রীনভ্যালি এপার্টমেন্ট থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার কেন্দ্রীয়, মহান...
25/08/2025

২০১২ সালের ১৭ ই ডিসেম্বর।
গ্রীনভ্যালি এপার্টমেন্ট থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার কেন্দ্রীয়, মহানগরীর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ২১ জন বোনকে।তার মধ্যে একজন বোন-হাবীবা নাসরিন কান্তা ছিলেন ৬ মাসের সন্তান সম্ভবা।
পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের সবাই জানতো সবাই নির্দোষ। এমনকি মহিলা পুলিশ না থাকায় যখন দরজা খোলা হচ্ছিল না,তখন তারা নিজেরাই আমাদের সবার প্রিয় অভিভাবক মিসেস আব্দুল কাদের মোল্লা-খালাম্মার সহযোগিতা নিলো।খালাম্মা তার নিজের পরিবারকে আল্লাহর হাওলায় দিয়ে আমাদের অভিভাবক হয়ে আসলেন।আমরা দরজা খুলে দিলাম।তারা এসে অনেক কথা শেষে যখন কিছুই পেলোনা তখন খালাম্মাকে বললো তাহলে আপনি এই স্কুল কলেজের মেয়েদের নিয়ে ষড়যন্ত্র পাকাচ্ছেন!
আমরা হতভম্ব হয়ে গেলাম!! এভাবেও মিথ্যা বানানো যায় আগে জানা ছিল না! ওরা নিজেরাই খালাম্মাকে সাথে নিয়ে দরজা দিয়ে একসাথে আসলো আর এসে এইভাবে দোষারোপ করলো!
যাই হোক,ফিরে আসি কান্তার কথায়।
৬ মাসের সন্তান সম্ভবা কান্তাকে আদালতের ৮ তলায় হেটে উঠানো হল।আমরা সবাই রিকোয়েস্ট করেছিলাম মহিলা পুলিশকে। তারা কেউ শোনেনি।শুধু তাই নয়,এই অবস্থায় তাকে প্রায় ১ সপ্তাহ আমদানি রুমে রাখা হয়েছিল।পরবর্তীতে খালাম্মা অনেক চেষ্টা করে তাকে ভিয়াইপি রুমের ব্যবস্থা করেন।খাবারে কষ্ট দেয়া হয়েছে, হাজিরায় যাওয়ার সময় জঘন্য রকম প্রিজন ভ্যানে করে বাজে রাস্তা দিয়ে নেয়া হয়েছে, খাবার পানির কষ্ট দেয়া হয়েছে, বৈধ সুযোগ সুবিধা থেকে ও বঞ্চিত করা হয়েছে। এমনকি,কান্তাকে তার স্বামীর সাথে,আমাদেরকে আমাদের ভাইবোনের সাথে দেখা করতেও দেয়া হতোনা ঠিকমতো! শুধু আবছা চেহারা দেখতাম, কথাও শুনতে পেতাম না!কান্তা সারারাত ফ্লোরে ঘুমাতে পারতোনা।এপাশ ওপাশ করতো! এতো ধৈর্য শীল ছিল! কোন অভিযোগ ও করতে পারতোনা!”প্রায়ই দিনের পর দিন ও না খেয়ে থাকতো।কারণ শুনেছিল জেলখানার খাবারে বিষাক্ত কেমিক্যাল থাকে।

আজ দেখছি তৌহিদ আফ্রিদির স্ত্রীকে নিয়ে অনেকেই সমবেদনা জানাচ্ছে।৬ মাসের প্রেগন্যান্ট। আমিও সমবেদনা জানাই।কিন্তু কর্মফল তো মানুষ কে ভোগ করতেই হবে। এরা তরুন গডফাদার। কত কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে সে রিমান্ডে নিয়ে মাইর খাইয়েছে,কত মানুষের সম্পদ মেরে খেয়েছে তার সীমা নাই! চোখের সামনে যখন জুলাই যোদ্ধারা শহীদ হয়েছে, আহত হয়েছে ও তখন শত্রুর সাথে হাত মিলিয়েছে এবং সকল কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে টাকা দিয়ে কেনার চেষ্টা করেছে।
যে শাসকের হাত রঞ্জিত হয়েছে আলেমদের রক্তে,যে অত্যাচারী শুধু ইসলাম মেনে চলার জন্য সন্তান সম্ভবা মেয়েদের কে ও নির্যাতন করতে ছাড়েনি,সেই শাসকের সাথে হাত মিলানো একটা গডফাদার এর জন্য কোন সমবেদনা নেই! অমানুষের জন্য কিসের কান্না!!
লেখাঃফারহানা মিতু আপু।

আমরা প্রায়ই বলি—আরবরা কেন ফিলিস্তিনিদের সাহায্য করছে না?কিন্তু নিজেদের দিকে তাকালে প্রশ্ন জাগে—আমরা এত কাছে থেকেও আরাকা...
25/08/2025

আমরা প্রায়ই বলি—আরবরা কেন ফিলিস্তিনিদের সাহায্য করছে না?
কিন্তু নিজেদের দিকে তাকালে প্রশ্ন জাগে—আমরা এত কাছে থেকেও আরাকানের জন্য কী করছি?

আজ আরাকানের মুসলিমরা হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ, নারী ধর্ষণ আর অমানবিক নির্যাতনের শিকার। এই দৃশ্য একজন প্রকৃত মুসলিম কখনো সহ্য করতে পারে না।

এক্ষেত্রে শুধু দুঃখপ্রকাশ বা নিন্দা যথেষ্ট নয়। রাষ্ট্রীয়ভাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া আমাদের কর্তব্য। কারণ একটি মুসলিম দেশ কখনোই চুপচাপ বসে থাকতে পারে না, যখন তার ভাইবোনদের উপর এভাবে হত্যা, ধর্ষণ ও নিপীড়নের আগুন জ্বলছে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “মুমিনরা এক দেহের ন্যায়।” তাই আরাকানের মুসলিমদের রক্ত মানে আমাদের রক্ত, তাদের ব্যথা মানে আমাদের ব্যথা। তাদের সাহায্য করা শুধু মানবিক কর্তব্য নয়—বরং ঈমানের দাবী, ফরযে আইন।

তবে বাস্তবতা হলো—শক্তি ছাড়া কোনো জাতি টিকে থাকতে পারে না। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের পাশাপাশি আমাদের জিহাদের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ অপরিহার্য।

আল্লাহ ﷻ বলেন:
“তাদের মোকাবিলার জন্য তোমরা যতটুকু পার শক্তি সঞ্চয় কর।” (সূরা আনফাল: ৬০)

অতএব, আরাকানের রক্তস্রোত বন্ধ করতে আমাদের কেবল শোকাহত হওয়া নয়, বরং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। রাষ্ট্রীয়ভাবে শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি, মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং একইসাথে জিহাদের জন্য জাতিকে প্রস্তুত করা—এই পথেই আমাদের ঈমানের সত্যিকার পরিচয় প্রতিফলিত হবে।

✍️আশিক ইবনে বিল্লাল

আসসালামুয়ালাইকুম। আমি মাহরিনা জান্নাত। (২৩-২৪)সদস্য পদপ্রার্থী (কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদ)। আমি হলের আসার প্রথম সপ্তাহেই ...
25/08/2025

আসসালামুয়ালাইকুম।
আমি মাহরিনা জান্নাত।
(২৩-২৪)
সদস্য পদপ্রার্থী (কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদ)।

আমি হলের আসার প্রথম সপ্তাহেই প্রতিক্ষার(প্রশাসনিক ভবন ও পূর্বের গণরুম) ফ্লোর প্রতিনিধির দায়িত্ব গ্রহণ করি।সেই দীর্ঘ ৯ মাসের পথচলার আমার প্রতিক্ষার নানা পরিবর্তনের সাক্ষী হওয়ার সুযোগ হয়েছে।প্রতিক্ষা যেহেতু পূর্বের ফ্যাসিস্ট আমলের গণরুম হিসেবে ছিলো। সে কারনে ফ্লোরটি একজন শিক্ষার্থী বসবাস ও জীবনযাপনের জন্য উপযোগী ছিলো না।ছিলো না উপযুক্ত ওয়াশরুম,না ছিলো অন্য ব্লকের মতো রান্নাঘর ও তাক/লকার সুবিধা। দায়িত্ব গ্রহণের পর আমার প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠে।এখান থেকে বিদায় নেওয়ার আগে নিজ জায়গা থেকে যতোটুকু পারি কিছু সামান্য হলেও অবদান রাখা।সেটার পরিপ্রেক্ষিতে প্রোভোস্ট ম্যামের কাছে আবেদন জমা, সাধারণ সভায় সমস্যা তুলে ধরা ও হাউস টিউটরের ম্যাম সাথে এ ব্যাপারে কাজে আমি কখনো গড়িমসি করিনি। ফ্লোরে নানা নিয়ম নীতি নির্ধারণে সকল রুমের সিদ্ধান্ত ও গণতান্ত্রিকতাকে প্রাধান্য দিয়েছি সবসময়। আমি একক ইচ্ছায় কখনো কোনো নিয়ম নির্ধারণ করিনি। সকলের সম্মিলিত প্রয়াস ও অবদানে এখন প্রতিক্ষায় অতিরিক্ত ওয়াশরুম, রান্নাঘর ও লকারের ব্যবস্থা হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।
এছাড়াও ক্যান্টিন কমিটির অংশ হওয়ার সুযোগ হয়েছে আমার।সেই প্রত্যয়ে ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করে বৃহত্তর ভাবে পুরো হলের জন্য কাজ করতে চাই।আবাসিক অনাবাসিক সকলের সমস্যা একজন ডাকসু হল সদস্য হিসেবে নিবারনের নিজেকে যুক্ত ও আন্তরিক ভাবে বিলিনই আমার অঙ্গীকার

❤️
25/08/2025

❤️

ফিলিস্তিনি শিশু আমির তার ক্ষুধার্ত পরিবারের জন্য কিছু খাবার আনতে খালি পায়ে হেঁটে ১২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এসেছেন। আমির...
23/08/2025

ফিলিস্তিনি শিশু আমির তার ক্ষুধার্ত পরিবারের জন্য কিছু খাবার আনতে খালি পায়ে হেঁটে ১২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এসেছেন। আমিরকে দেখে এক আমেরিকান সৈন্য তাকে সামান্য ত্রাণ সাহায্য দেয়। আমির বয়সে এখনো ৭ এ পৌঁছায়নি। সে ঐটুকু সাহায্য পেয়েই আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়ে এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ঐ সৈনিকের হাতে চুমু খেয়ে ইংরেজিতে বলে, থ্যাংকস।

কিন্তু ঠিক এর মাত্র কয়েক মিনিট পরেই, ইহুদিবাদী ইসরাইলি স্নাইপার তাকে গুলি করে হত্যা করে। বলা যায় এগুলো ত্রাণ সাহায্য বিতরণের স্থান নয় বরং পদ্ধতিগত মৃত্যু ফাঁদ!

ডাকসুতে মানিকজোড়া।❤️
23/08/2025

ডাকসুতে মানিকজোড়া।
❤️

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Minar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share