DCF News

DCF News তথ্য ও গবেষণা সমৃদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক প্রচার মাধ্যম
(1)

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিলে বাংলাদেশ কোনো ঝুঁকির মুখে পড়বে না এবং এর ...
30/08/2026

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিলে বাংলাদেশ কোনো ঝুঁকির মুখে পড়বে না এবং এর ফলে অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততাও সীমিত হবে না।

তিনি আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহ’র সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি অনন্য চুক্তি, যা নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে।’

হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ প্রস্তাবিত চুক্তিটিকে ‘ইতিবাচকভাবে’ দেখছে। ‘আমরা বর্তমানে এ বিষয়ে আলোচনা করছি এবং সব দ্বিপক্ষীয় অংশীদারের সঙ্গে এসব আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে,’ বলেন তিনি।

‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট’ বা ‘মক্কা চুক্তি’ ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়। এ পর্যন্ত সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক এ চুক্তির অংশীদার হয়েছে।

বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত প্রস্তাবিত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যোগ দিলে সম্ভাব্য কী ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রেখে ঢাকা সমন্বিত ও নমনীয় পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তানীতি অনুসরণ করবে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো একটি দেশকে বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার গতিশীলতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অত্যন্ত সমন্বিত ও নমনীয় পদ্ধতিতে পররাষ্ট্রনীতি ও নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়গুলো মোকাবিলা করতে হবে।’

হুমায়ুন কবির বলেন, এ দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ‘আমরা আমাদের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখব’ এবং বাংলাদেশের সম্ভাব্য এই প্রতিরক্ষা জোটে যোগদান কোনো ঝুঁকি তৈরি করবে না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান অস্থিতিশীল ও সংকটপূর্ণ আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোনো একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতায় যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির বিকল্পগুলো সীমিত করবে না কিংবা অন্য কোনো জোট বা অংশীদারের সঙ্গে সহযোগিতার পথও বন্ধ করবে না।

তিনি বলেন, ‘আজকের এই অস্থিতিশীল বা সংকটপূর্ণ আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যুক্ত হওয়ার অর্থ এই নয় যে আপনি অন্য কোনো জোট বা ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারবেন না। এটি আপনার পরিসর সীমিত করে না।’

হুমায়ুন কবির আন্তর্জাতিক শান্তির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা যেখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখতে পারে, সেখানেই ঢাকা কাজ করে যাবে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে এবং যেখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতাই প্রধান লক্ষ্য, সেখানে বাংলাদেশ সবসময় উপস্থিত থাকবে।’

প্রেস রিলিজ (শোক সংবাদ)ঢাকা, ৩০ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী সাবেক আইজিপি ড. এম. এনামুল হক আর নেই। তিনি আজ রব...
30/08/2026

প্রেস রিলিজ (শোক সংবাদ)

ঢাকা, ৩০ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.

বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী সাবেক আইজিপি ড. এম. এনামুল হক আর নেই। তিনি আজ রবিবার (৩০ আগস্ট) ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুমের জানাজা আজ বাদ জোহর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অতিরিক্ত আইজিগণ, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানগণ, পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যগণ এবং মরহুমের সহকর্মী ও আত্মীয়-স্বজন অংশগ্রহণ করেন।

জানাজা শেষে আইজিপি মোঃ আলী হোসেন ফকিরের পক্ষে অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন মরহুমের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এবং অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে ফুল দিয়ে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

মরহুমকে অফিসিয়াল ফিউনারেল প্রদান করা হয়।

ডক্টর এম এনামুল হক ১৬ অক্টোবর ১৯৯১ থেকে ৮ জুলাই ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী, সারদা, রাজশাহীর প্রিন্সিপালসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্মজীবনে তিনি অত্যন্ত দক্ষতা, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ পুলিশের সুনাম ও মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন।

তিনি ১৯৩৮ সালে রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

জ্ঞানপিপাসু ড. এম. এনামুল হক ১৯৫৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে। ১৯৬৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব নিউ অরলিয়েন্স থেকে লোক প্রশাসনে পিএইচ. ডি ডিগ্রিতে ভূষিত হন। এছাড়া, তিনি দেশ-বিদেশের বহু খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

তিনি আইন কমিশন বাংলাদেশের সদস্যসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করেছেন। তিনি ১৯৮৮ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ইন্টারপোলের একমাত্র নির্বাচিত সদস্য ছিলেন।

একজন সুলেখক হিসেবে ড. এম. এনামুল হকের খ্যাতি ছিল। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় ১৪টি। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বহু খ্যাতনামা পত্রিকা ও জার্নালে নিয়মিত কলাম লিখতেন।

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির এবং বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ড. এম. এনামুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আইজিপি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

Bangladesh Police

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জননেতা এড. রুহুল কবির রিজভী। শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
20/08/2026

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জননেতা এড. রুহুল কবির রিজভী।

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

খালেদা জিয়ার লগের স্যার Mirza Fakhrul Islam Alamgir ২৫৫ ভোট পেয়ে বাংলাদেশের ২৩ তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। শুভেচ্ছা ...
20/08/2026

খালেদা জিয়ার লগের স্যার Mirza Fakhrul Islam Alamgir ২৫৫ ভোট পেয়ে বাংলাদেশের ২৩ তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

#বাংলাদেশ #রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশ প্রথম' এই নীতিতে পররাষ্ট্রনীতি অনুসৃত..।বাংলাদেশের নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সমতা ও ন্যা...
16/08/2026

বাংলাদেশ প্রথম' এই নীতিতে পররাষ্ট্রনীতি অনুসৃত..
।
বাংলাদেশের নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সম্পর্ক উন্নয়নে ভারতের সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে সরকার। এমন সিচুয়েশনে নাগরিক হিসেবে দলমত নির্বিশেষে সবার উচিত সরকারের সাহসী স্ট্যান্ডকে জোরালো সমর্থন জানানো।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে, সেটা আজকে আরেকটি বোল্ড স্টেটমেন্টের মাধ্যমে ক্লিয়ার করেছে সরকার।

কোন কোন বিষয়ে ভারতের অবস্থান পরিষ্কার হলে তারেক রহমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে ভারতে সফর করার জন্য সম্মত হবেন, তা-ও ক্লিয়ার করে জানিয়ে দিয়েছে।

বল এখন ভারতের কোর্টে তারা সিদ্ধান্ত নিক, কী করবে!

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টেটমেন্টের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো-

এক. ৫ আগস্ট ফাঁসির আসামি হাসিনাকে ভারতের মাটিতে উন্মুক্ত প্রেস মিটের সুযোগ করে দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর বাধাগ্রস্ত করেছে। এর দায়ী ভারত।

দুই. আমরা স্পষ্ট জানিয়েছি সফরের জন্য একটা উপযুক্ত পরিবেশ দরকার। সেই লক্ষ্যে হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ অন্যান্য পলাতক আসামিদেরকে প্রত্যর্পণের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

তিন. শহীদ ওসমান হাদীর খুনীদের দ্রুত বাংলাদেশের হাতে হস্তান্তর করার জন্য আমরা অবহিত করেছি ২০১৩ সালের বন্দি বিনিময় চুক্তি অনুসারে। আশা করছি ভারত এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে।

চার. আমরা পুনর্ব্যক্ত করছি, দেশের সার্বভৌমত্ব ঠিক রেখে
সমতা, জাতীয় মর্যাদা, এক রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে আমাদের প্রতিবেশীসহ অন্যান্য সব দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নে আমরা আমাদের "বাংলাদেশ প্রথম” নীতি অনুসরণ করতে থাকব।

‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতি অনুসরণ করে হাঁটব— এক লাইনই বলে দিচ্ছে তারেক রহমান সরকারের ফরেন পলিসি, এবং তিনি কোনো লাইনে হাঁটতেছেন!

© Farid Uddin Rony

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি (পলায়ন) ও অসদাচরণের অভিযোগে বাংলাদেশ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে ...
14/08/2026

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি (পলায়ন) ও অসদাচরণের অভিযোগে বাংলাদেশ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার। বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ ও শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন— ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম, সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন, ৮ এপিবিএন উখিয়ার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস এবং ডিএমপির সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. গোলাম রুহানী।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিপ্লব কুমার সরকার ৬ আগস্ট ২০২৪, সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ২২ আগস্ট ২০২৪, কাজী আশরাফুল আজীম ১৪ আগস্ট ২০২৪, মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ২৮ আগস্ট ২০২৪, রাজন কুমার দাস ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ এবং গোলাম রুহানী ১১ আগস্ট ২০২৪ থেকে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’ এবং কয়েকজনের ক্ষেত্রে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগও আনা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তদন্ত শেষে অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুদণ্ড হিসেবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বরখাস্তের আগে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামত নেওয়া হলে কমিশনও এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হয়। পরে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে রাষ্ট্রপতি গত ১০ আগস্ট ২০২৬ বরখাস্তের প্রস্তাবে অনুমোদন দেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়টা পড়লাম।  আবু সাইদের হত্যা মামলার রায়টা দাঁড়িয়ে আছে প্রায় নিখুঁত একটা প্রমাণ-কাঠামোর ওপর।...
08/08/2026

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়টা পড়লাম। আবু সাইদের হত্যা মামলার রায়টা দাঁড়িয়ে আছে প্রায় নিখুঁত একটা প্রমাণ-কাঠামোর ওপর। তদন্ত কর্মকর্তারা দুর্দান্ত কাজ করেছেন মামলার হত্যাকাণ্ড প্রমাণে। তদন্তকারীরা NTV-র লাইভ ফুটেজ আর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ পাশাপাশি রেখে দেখেন যে ক্যাম্পাসের ফুটেজে টাইমস্ট্যাম্প বিকৃত বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।

ফরেনসিক করে বের করেন যে NTV-র রেকর্ডিংটা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টাইমফ্রেমের সাথে মিলে যায়। এই টাইমস্ট্যাম্প-ভিত্তিক পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করেই ট্রাইব্যুনাল প্রায় সেকেন্ডের হিসাবে নির্ধারণ করে কে কখন গুলি চালিয়েছিল। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের ওপর মৃত্যুর কারণ পরিবর্তনের চাপ আর তাঁর সেই চাপ প্রত্যাখ্যান করার সাক্ষ্যও পরবর্তীতে একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হয়ে ওঠে। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী ও চাক্ষুষ সাক্ষীর সাক্ষ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন, এবং তাদের বক্তব্যকে স্পষ্ট, সংগতিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য বলে বিবেচনা করেন। অর্থাৎ পুরো বিচারিক শক্তিটাই কেন্দ্রীভূত হয় "কে গুলি চালিয়েছে", এই হত্যাকাণ্ড নিপীড়ন উসকিয়েছে এই প্রশ্নের ফরেনসিক আর অকাট্য এভিডেনশিয়ারি প্রমাণের উত্তর দেওয়ার দিকে।

কিন্তু রায়ের ৩০ জন আসামির তালিকাটা দেখলেই বোঝা যায় ট্রাইব্যুনাল আসলে একটা প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতার মুখোমুখি হয়েছিল, যেটা কেবল "কে গুলি করেছে" প্রশ্নে সীমাবদ্ধ ছিল না। এই তালিকায় আছেন সরাসরি গুলিকারী দুইজন পুলিশ কনস্টেবল (৮, ৯ নং), তাদের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা রংপুরের পুলিশ কমিশনারসহ (২-৭ নং), বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সাবেক উপাচার্য (১, ১০, ১৩-১৫ নং), শিক্ষক (১১, ১২ নং), বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী-নিরাপত্তারক্ষী (২৫-২৯ নং), আর ছাত্রলীগের নেতৃত্ব (১৬-২৪ নং)। এই বিন্যাসটাই বলে দেয় যে ট্রাইব্যুনাল নিজেই স্বীকার করে নিয়েছিল এই হত্যাকাণ্ড একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, বরং প্রশাসনিক, রাজনৈতিক আর পুলিশি কাঠামোর সমন্বিত একটা প্রকল্প ছিল। অথচ সাজার বণ্টনে এই কাঠামোগত স্বীকৃতি প্রতিফলিত হয়নি।

যারা সরাসরি গুলি চালিয়েছে তাদের মৃত্যুদণ্ড, অথচ পোমেল বড়ুয়ার মতো যিনি স্থানীয়ভাবে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে মাঠপর্যায়ের সহিংসতা কো-অর্ডিনেট করেছেন বলে অভিযোগ, তাঁর সাজা মাত্র ১০ বছর। ফলে বিচার প্রক্রিয়ার প্রশ্নটা তাই সাজার পরিমাণ নিয়ে না, বরং প্রশ্নটা তৈরি হয়েছে হলো কোন ধরনের প্রমাণকে ট্রাইব্যুনাল "নিষ্পত্তিযোগ্য" (adjudicable) মনে করেছে, আর কোনটাকে করেনি।

জাতিসংঘের ফ্যাক্টফাইন্ডিং রিপোর্টের দোহাই দিয়ে গতকাল বার্গম্যান তর্ক করছিলেন যে, জাতিসংঘের তদন্ত আবু সাইদের হত্যাকে একটা ডেলিভারেট কিলিং হিসাবে দেখেছে । ওয়াইডস্প্রিড আকারে দেখেনি । এটা ঠিক , টাইম হিসাবে করে জাতিসংঘের ফ্যাক্টফাইন্ডিং রিপোর্ট যখন তৈরি করেছে তখন এটাকে রংপুরে ডেলিবারেট পুলিশি কিলিং মনে হতেই পারে। কারণ জাতিসংঘের ফ্যাক্টফাইন্ডিং যেসব তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এই উপসংহারে এসেছিল সেখানে তারা কেন্দ্রীয় কোন নির্দেশনার তথ্য দেখেনি, তারা যেটা পেয়েছিল ১৮জুলাই থেকে । স্বভাবতই স্বল্প টাইম ফ্রেমে সকল এভিডেন্স উদ্ধার করা তাদের পক্ষে সম্ভবও ছিল না। কিন্তু ট্রাইবুনাল নিজেই গতকাল ওবায়দুল কাদেরের মামলায় শক্ত এভিডেন্স হাজির করেছে।

ওবায়দুল কাদের মামলায় এন্টিএমসি থেকে উদ্ধার করা অডিও বার্তায় ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন সরাসরি প্রমাণ হাজির করে যে, ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের সাদ্দামকে ছাত্রদের পেটানোর জন্য এবং মারার জন্য সরাসরি নির্দেশ দিচ্ছেন। সেটা ঠিক এই সিস্টেমিসিটির প্রমাণ। দেশজুড়ে ছাত্রদের উপর একযোগে হামলায় । ছাত্রলীগকে ব্যবহার , এবং তারা ছাত্রদের প্রতিরোধের মুখে পিছিয়ে পড়ার পর একে একে পুলিস, বিজিবি, রয়াব, মিলিটারি নামায় সেইসময়ের সরকার। সবচাইতে গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হচ্ছে, মৃত লাশের তথ্য হত্যার কারণে রাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপ।

ফলে আবু সাইদের আবু সাঈদ মামলার রায়ে এই ধরনের কেন্দ্রীয়-কমান্ড উপাদানকে গুরুত্ব না দিয়ে, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তা অনেকাংশে নির্ভর করতে থাকেন ফরেনসিক এবং হত্যার স্বাক্ষ্য প্রমাণের উপর। ফলে দেশজুড়ে ছাত্রদের উপর একযোগে হামলার জন্য যেটা ছিল কেন্দ্রীয় নির্দেশনার অংশ, বিচারিক প্র্যাকটিসে সেটা কার্যত রূপান্তরিত হয়ে যায় একটা ব্যক্তিগত হত্যা মামলার (individual homicide) মতো এভিডেনশিয়ারি স্ট্যান্ডার্ডে।

এবং এই কারণেই হত্যার যাবতীয় দায় এসে দাঁড়িয়েছে, পুলিশ কনস্টেবল আমির বা সুজন চন্দ্র রায়ের উপর, যারা গুলি চালিয়েছিল। সহিংসতার এক্সিকিউটর। কিন্তু তারা এমন একটা প্রাতিষ্ঠানিক চেইনের অংশ ছিল, যারা ছিল একটা মেশিনের মত, যেখানে আদেশ এসেছিল উপর থেকে সেটা অনেকটা চাপা পড়ে যায়। হানা আরেনড অবশ্য ব্যানালিটি অব ইভিলে বলেছিলেন, এই এক্সিকিউটররা নিজেরা আসলে এক ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক যন্ত্রাংশ, যাদের সিদ্ধান্ত-ক্ষমতা সীমিত। অথচ বাংলাদেশের আইসিটি ট্রাইবুনালের বিচার যখন প্রমাণের প্রশ্নে সবচেয়ে বেশি জোর দেয় ঠিক এই যন্ত্রাংশের ওপর (কারণ এই যন্ট্রাংশের কাজ ক্যামেরায় ধরা পড়ে, টাইমস্ট্যাম্প-যোগ্য, ফরেনসিকভাবে অকাট্য), তখন এই বিচার ব্যবস্থাটা নিজেই একটা selective visibility তৈরি করে। যে কমান্ড স্ট্রাকচার এই সহিংসতাকে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছে সেটা থেকে যায় মৌখিক, অপ্রত্যক্ষ, রাজনৈতিকভাবে সুরক্ষিত। আর তাই আইনি দৃষ্টির বাইরে।

এমবেম্বে নেক্রোপলিটিক্সের প্রশ্নে ঠিক একথাটাই বলেছিলেন যে, কে মরবে সেটা নির্ধারণের সার্বভৌম ক্ষমতা আসলে বসেছিল টেলিফোন লাইনের ওপারে, ট্রিগারে না।

আবু সাইদের হত্যাকাণ্ড ছাড়াও হাসানুল হক ইনুসহ সাম্প্রতিক আরও কিছু মামলাতেও একই প্যাটার্ন দেখলাম। যেখানে ছোট, বিচ্ছিন্ন হত্যাকাণ্ডের এভিডেনশিয়ারি বিস্তারে ট্রাইব্যুনাল যতটা মনোযোগী, কেন্দ্রীয় নির্দেশনার প্রশ্নে, এবং কেন্স্রীয়ভাবে এইসব হত্যাকাণ্ড ঘটানোর ক্ষেত্রে যাদের অতি গুরুত্বপুর্ণ দায় ছিল সেটাকে ছোট করার মধ্য দিয়ে । এই প্যাটার্নটা একটা পদ্ধতিগত প্রবণতাও নির্দেশ করে। বিচার প্রক্রিয়া বারবার সেই প্রমাণকেই প্রাধান্য দিচ্ছে যা টেকনিক্যালি সহজে "বন্ধ" (closed) করা যায়। যেমন ফরেনসিক, ভিডিও, টাইমস্ট্যাম্প। আর এড়িয়ে যাচ্ছে সেই প্রমাণ যা রাজনৈতিকভাবে জটিল, দীর্ঘ তদন্তসাপেক্ষ, এবং ক্ষমতার কেন্দ্রকে সরাসরি প্রশ্নবিদ্ধ করে।

এভাবে বিচার নিজেই একটা কাঠামোগত ন্যারোয়িং (narrowing) তৈরি করছে, যেখানে অপরাধের ব্যাপ্তি প্রশ্নের বদলে অপরাধের প্রত্যক্ষতা প্রশ্নে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।

আবু সাঈদের বাবা দেখলাম এই রায় সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন, শহীদ আনাসের পিতার মত। ইত্তেফাককে আবু সাইদের বাবা বলেন,"‘যাদের আদেশে আমার ছেলেকে হত্যা করা হলো তারাই তো বেঁচে গেল। এ হত্যায় জড়িত আরও বড় বড় অপরাধীদের কোনো সাজা দেয়া হয়নি। আমার দাবি, কঠোরভাবে এর বিচার হোক।" আবু সাইদের বাবা মকবুল বারবার পোমেল বড়ুয়ার কথা বলছেন। তার এই রায় প্রত্যাখ্যানকে নিছক ব্যক্তিগত অসন্তোষ আকারে দেখার সুযোগ নেই ।

এটা একটা কাউন্টার-টেস্টিমনি, যা আসলে আইনিভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া (juridical closure) এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের অনুভূতির (lived sense of justice) মধ্যেকার একটা দীর্ঘ ফাটল নির্দেশ করে। মকবুলের কাছে বিচার তখনই সম্পূর্ণ হবে যখন যাদের নির্দেশে তাঁর ছেলে নিহত হয়েছে তাদেরও জবাবদিহি করা হবে।

রায় আইনগতভাবে "শেষ" হলেও পরিবারের কাছে এটা অসম্পূর্ণ, কারণ তাদের অভিজ্ঞতায় হত্যাকাণ্ডটা কখনোই একটা বিচ্ছিন্ন পুলিশি অ্যাকশন ছিল না, এটা ছিল একটা সমন্বিত রাজনৈতিক প্রকল্পের অংশ, যেখানে পোমেল বড়ুয়াদের মত নির্দেশ দাতাদের আইনের জবাবদিহিতার কাঠামোতে প্রাধান্য দ্ব্যার চাইতে ট্রাইব্যুনাল জোর দিয়েছে সুজন চন্দ্র আর আমির আলিদের বিষয়ে হাজির থাকা এভিডেনশিয়ারি কাঠামোর উপর।

-খন্দকার রাকিব

পলাতক গণহত্যাকারী হাসিনাকে নিয়ে মোদি সরকারকে বাংলাদেশের কড়া বার্তা....।জানতে পারলাম, গতকাল বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়...
06/08/2026

পলাতক গণহত্যাকারী হাসিনাকে নিয়ে মোদি সরকারকে বাংলাদেশের কড়া বার্তা....
।
জানতে পারলাম, গতকাল বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির ড্রাফট পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিজেই করেন। এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথন শেষে চুড়ান্ত করেছেন।

আমলাদের দিয়ে না-লেখিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগে সমন্বয়ের মাধ্যমে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই কাজটি ডিল করাতে বিবৃতির ভাষা মৃদু-মিষ্টি ভাষা না হয়ে জনগণের ভাষা হইছে।

বাংলাদেশের স্টেটমেন্টের ইম্পর্ট্যান্ট পয়েন্টগুলো হইতেছে-

এক. হাসিনাকে ‘পলাতক এবং গণহত্যাকারী’ বলে সম্বোধন করা হয়েছে।

দুই. ভারতের ভূখণ্ডে থেকে হাসিনাকে পলিটিক্যাল কার্যক্রম করবার অনুমতি দেওয়াটা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

তিন. জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে ‘বিপ্লব’ বলে চিত্রিত করেছে।

চার. বাংলাদেশের মানুষের দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ যে, আর কখনো ফ্যাসিবাদ কায়েম হতে দিবে না এ বলে জনগণের অভিপ্রায় ক্লিয়ারলি তুলে ধরা হয়েছে।

পাঁচ. বাংলাদেশ কখনোই কারো গোলামি রাষ্ট্র হবে না, এই ধরনের সেন্স মেইক করে একটা ক্লিয়ার বার্তা দেওয়া হলো ভবিষ্যত বাংলাদেশের ফরেন পলিসি হবে মাই কান্ট্রি ফার্স্ট এই নীতির আলোকে।

ছয়. বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থায় হাসিনা এবং তার মাফিয়া চক্রের কোনো স্থান হবে না ক্লিয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।

সাত. ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে বাংলাদেশ তার সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, এক রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না-করা এবং ন্যাশনাল মর্যাদার ওপর ভিত্তি করে।

আট. ১৩ সালের বন্দি বিনিময় চুক্তি লঙ্ঘন করছে ভারত।

নয়. গণহত্যাকারী হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে না দিয়ে উলটো তাকে প্রকাশ্যে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় অংশ নেয়ার সুযোগ করে দেওয়া বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে এবং এটি প্রতারণার শামিল।

দশ. বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন বাঁধা ভারত নিজে সৃষ্টি করছে, বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতি বিরুদ্ধে গিয়ে কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে।

Farid Uddin Rony
রাজনৈতিক বিশ্লেষক, কলামিস্ট।

01/08/2026

রাজধানীর আবদুল গনি রোডের শিক্ষা ভবনটিকে এক সময় সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা- এনএসআই “দুর্নীতির ভবন” বলে আখ্যায়িত করে....

01/08/2026

অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। যিনি শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) ছিলেন। বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণা...

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DCF News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share