
22/08/2025
চাকরি পাওয়ার প্রথম ধাপ নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান একটি সুন্দর সিভি পাঠানো । সিভিতে দেয়া তথ্যগুলো যদি নিয়োগকর্তাদের পছন্দ হয়। তবেই আপনাকে ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য ডাকতে পারে। নিয়োগকর্তাদের সাথে প্রথম ধাপে আপনার সরাসরি সাক্ষাতের কোনো সুযোগ নেই। তাই সিভির মাধ্যমে আপনার নিজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা ভালোভাবে তুলে ধরতে হবে । সিভি বাছাই করার ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তারা গড়ে একটি সিভি এক মিনিটেরও কম সময়ে দেখে থাকে। তাই আপনার নিজের সম্পর্কে মূল বিষয়টা সংক্ষেপে সিভির প্রথম অংশে লিখতে হবে। যাতে তারা সহজেই আপনার সম্পর্কে সবকিছু জানতে পারে। সিভি সব সময় এক থেকে দুই পৃষ্ঠার মধ্যে তৈরি করবেন।
গড়পড়তা একয় সিভি প্রত্যেক জায়গায় পাঠাবেন না। যে কাজের জন্য লোক নিয়োগ দেওয়া হবে সেই কাজকে প্রাধান্য দিয়ে সিভি তৈরি করবেন।
ধরুন আপনি একটি প্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রিশিয়ান পদে চাকরির জন্য সিভি পাঠাবেন। তো প্রথমে জানতে হবে কি ধরনের কাজ তারা করাবে। ইলেকট্রিশিয়ান পদে তো অনেক রকমের কাজ রয়েছে। যেমন হাউজ ওয়ারিং, কনস্ট্রাকশন সাইটের কাজ, গার্মেন্টসের কাজ, কন্ট্রোলিং এর কাজ, ওয়াশ প্লান্টের কাজ,ইয়ং ডাইং স্পিনিং মিলের কাজ, মটরের কয়েল বাধার কাজ আরও বিভিন্ন রকমের কাজ রয়েছে। তো যে কাজের জন্য লোক নিয়োগ দেওয়া হবে সেই কাজের উপর আপনার নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা প্রধানন দিয়ে সিভি তৈরি করবেন।
আর যদি, তা না করে এই রকম জাতীয় সিভি সব জায়গায় পাঠান তাহলে কখনই আপনাকে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকবে না।
এখানে জাতীয় সিভি বলতে আমি বুঝিয়েছি আমাদের আশপাশে কম্পিউটার দোকানগুলো যে সিভি পাওয়া যায় তাকে। এই সিভিগুলো একটি কমন ফরমেট তৈরি করা থাকে যেটাতে শুধু নাম ঠিকানা পরিবর্তন করে যেকোনো চাকরির জন্য পাঠানো হয়। এটার কোনো প্রফেশনাল লুক থাকেনা। এই সিভির প্রথম অংশে থাকে বিশাল পরিসরে একটি পার্সোনাল ইনফরমেশন। তারপরে থাকে শিক্ষাগত যোগ্যতা। তারপর থাকে অন্য আরও অনেক কিছু।
অথচ যে কাজের জন্য আপনি সিভি পাঠাবেন সেই কাজের যোগ্যতা দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা ভালোভাবে সিভির মধ্যে তুলে ধরা হয় না | আর এই কারণে নিয়োগকর্তারা আপনার সিভি দেখে মনে করে আপনি তাদের কাজের জন্য যোগ্য না।