KONKA

KONKA Dr. Israt Jahan Konka | Homeopathic Doctor | Social Media Marketing Expert |
Proud Mom sharing health tips and family moments.❤️

শিশুদের Bow Leg (জেনু ভেরাম): স্বাভাবিক না অস্বাভাবিক?শিশুর জন্মের পর পা দুটি যদি হাঁটুর নিচ থেকে বাইরে দিকে বাঁকা থাকে,...
25/05/2025

শিশুদের Bow Leg (জেনু ভেরাম): স্বাভাবিক না অস্বাভাবিক?

শিশুর জন্মের পর পা দুটি যদি হাঁটুর নিচ থেকে বাইরে দিকে বাঁকা থাকে, অনেক অভিভাবকই এটি দেখে ভয় পেয়ে যান। তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানা প্রয়োজন—শিশুদের ক্ষেত্রে Bow Leg অনেক সময় স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় (physiological) অবস্থাও হতে পারে।

কি এই Bow Leg বা Genu Varum?
Bow Leg হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে শিশু সোজা দাঁড়ালে হাঁটুর মাঝে ফাঁক থাকে, এবং পা দুটি বাইরের দিকে বাঁকানো থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় Genu Varum।

স্বাভাবিক অবস্থা কখন?
জন্মের পর থেকে প্রায় ১৮-২৪ মাস বয়স পর্যন্ত অনেক শিশুর পা বাঁকানো দেখা যায়। এটি গর্ভাবস্থায় সংকুচিত অবস্থায় থাকার কারণে হয়ে থাকে এবং এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে ২-৩ বছর বয়সের মধ্যে ঠিক হয়ে যায়।

কখন চিন্তার কারণ?
যদি—
শিশু ৩ বছরের পরেও bow leg অবস্থায় থাকে,
একটি পা অন্যটির চেয়ে বেশি বাঁকানো থাকে,
হাঁটার সময় ব্যথা বা ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়, তবে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

সম্ভাব্য কারণসমূহ:
Blount’s Disease: হাঁটুর কাছে হাড়ের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যাওয়া।
Rickets: ভিটামিন ডি বা ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত হাড় দুর্বলতা।
হাড়ের সংক্রমণ বা আঘাত।

সব Bow Leg-ই চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। অনেক ক্ষেত্রেই এটি স্বাভাবিক এবং সময়ের সঙ্গে নিজে নিজেই সেরে যায়। তবে যদি সন্দেহ থাকে, তাহলে শিশুকে পর্যবেক্ষণে রাখা ও প্রয়োজন মতো পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়ম চাই!🩺💜সুস্থ জীবনের প্রথম শর্ত হলো নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন। সময়মতো ঘুম, সঠিক খাবার, ব্যায়াম, আর মান...
22/05/2025

সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়ম চাই!🩺💜

সুস্থ জীবনের প্রথম শর্ত হলো নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন। সময়মতো ঘুম, সঠিক খাবার, ব্যায়াম, আর মানসিক শান্তি—এই সবকিছুই গড়ে তোলে আমাদের সুস্থতার ভিত্তি।
আজকের ব্যস্ত জীবনে নিয়ম মানা কঠিন হলেও, একটু সচেতন হলেই তা সম্ভব। নিয়মিত অভ্যাস গড়ে তুলুন, নিজের যত্ন নিন।
নিয়ম মানুন, সুস্থ থাকুন!

যেকোনো ধরনের স্বাস্থ‌্যবিষয়ক পরামর্শ বা সহায়তার জন্য আমাদের ইনবক্স করুন।🗨️

#স্বাস্থ্য_সচেতনতা #নিয়মিতজীবন #সুস্থথাকুন #হেলথটিপস #লাইফস্টাইল

শিশুর প্রথম দাঁত!🦷শিশুর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো তার প্রথম দাঁত ওঠা। সাধারণত, শিশুর ৬ মাস বয়স থেকে দাঁত ওঠা শুর...
19/05/2025

শিশুর প্রথম দাঁত!🦷
শিশুর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো তার প্রথম দাঁত ওঠা। সাধারণত, শিশুর ৬ মাস বয়স থেকে দাঁত ওঠা শুরু হয়, যদিও এটি ৩ মাস থেকে ১২ মাসের মধ্যে যেকোনো সময় শুরু হতে পারে।
💥প্রথম দাঁত ওঠার লক্ষণসমূহ:
👉অতিরিক্ত লালা ঝরানো
👉চিবোবার প্রবণতা (যেমন খেলনা বা আঙুল চোষা)
👉মুখে বা গাল ঘষা
👉ক্ষুধা কমে যাওয়া
👉অতিরিক্ত কান্নাকাটি বা বিরক্তি
👉হালকা জ্বর

💥কেন শিশু কাঁদে দাঁত ওঠার সময়?

দাঁত ওঠার সময় মাড়ির নিচে দাঁত চাপে থাকে, যা ব্যথা ও অস্বস্তির সৃষ্টি করে। এটি শিশুর জন্য এক নতুন এবং অস্বস্তিকর অনুভূতি, ফলে তারা অস্থির হয়ে যায় ও কান্নাকাটি করে।

💥করণীয়:

১. ঠাণ্ডা চিবানোর জিনিস দিন: রেফ্রিজারেটরে রাখা ঠাণ্ডা টীথার বা পরিষ্কার কাপড় শিশুর মাড়িতে চাপ দিলে অস্বস্তি কমে।
2. মাড়িতে হালকা ম্যাসাজ: পরিষ্কার আঙুল দিয়ে শিশুর মাড়িতে হালকা করে ঘষুন।
3. অতিরিক্ত লালা মুছিয়ে দিন: লালা মুখে জমে গেলে র‍্যাশ বা চুলকানি হতে পারে, তাই নিয়মিত পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।
4. জ্বর বা ব্যথা বেশি হলে: শিশু যদি অতিরিক্ত কান্না করে বা হালকা জ্বর থাকে, তাহলে শিশুর ওজন অনুযায়ী পেডিয়াট্রিক প্যারাসিটামল ডোজ পেডিয়াট্রিশিয়ানের পরামর্শ অনুযায়ী দেওয়া যেতে পারে।
5. নমনীয় খাবার দিন: যদি শিশু খাবার খাচ্ছে, তাহলে নরম ও ঠাণ্ডা খাবার যেমন কলা বা দই দেওয়া যেতে পারে।

🩺যখন ডাক্তারের কাছে যাবেন:

👉জ্বর বেশি হলে

👉শিশুর মুখ বা মাড়িতে ফুলে গেলে

👉ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা বারবার হলে

👉কান্না অস্বাভাবিক রকম বেশি হলে বা কিছুতেই থামছে না

🪥দাঁতের যত্ন শুরু হোক প্রথম দিন থেকেই:

দাঁত ওঠার সাথে সাথে দিনে ২বার নরম ব্রিসলযুক্ত বা ফিঙ্গার ব্রাশ দিয়ে পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে পারেন।

১৮ মাস বয়স পর্যন্ত টুথপেস্ট ব্যবহার না করাই ভালো, বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সামান্য পরিমাণ ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারেন।

#শিশুযত্ন #প্রথমদাঁত #দাঁতেরযত্ন #শিশুর_চিকিৎসা #সহজটিপস #শিশুর_সুরক্ষা

শিশু শরীরে সরিষার তেল??এই কথাটা আজকাল চিকিৎসকরা শুনতেই পারেন না!আবার দাদি-নানিরা এটা কিছুতেই মানতে পারেন না!"আমরা কি আমা...
18/05/2025

শিশু শরীরে সরিষার তেল??
এই কথাটা আজকাল চিকিৎসকরা শুনতেই পারেন না!
আবার দাদি-নানিরা এটা কিছুতেই মানতে পারেন না!

"আমরা কি আমাদের বাচ্চা পালি নাই?"
"আমরা তো সরিষার তেলেই মালিশ করেছি!"
"সরিষার তেলে মালিশ ছাড়া হাড় শক্ত হয় না!"
"ঠান্ডা লাগলে বুকে/শরিরে সরিষার তেল দিয়ে দিতেই হতো!"

এইসব কথা আমাদের প্রতিদিনই শুনতে হয়।
তবে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে কিছু ভিন্ন কথা।
চলুন জেনে নিই—কোনটা সঠিক, কোনটা সময়ের সঙ্গে বদলানো দরকার।
শিশুর জন্য সরিষার তেল – উপকারী না ক্ষতিকর??

বাংলা পরিবারে শিশুর যত্নে সরিষার তেল ব্যবহারের প্রচলন বহু পুরনো। শীতকালে মালিশের জন্য এটা যেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু আধুনিক শিশু-স্বাস্থ্য গবেষণাগুলো কি বলে?

“প্রাকৃতিক মানেই নিরাপদ” – এই ধারণা সব সময় ঠিক নয়। তাই সরিষার তেল ব্যবহারের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তথ্য জেনে নেওয়া জরুরি।

বিজ্ঞান কী বলছে?
১. ত্বকের প্রাকৃতিক বাধা নষ্ট করতে পারে
Journal of Pediatric Dermatology (2012) বলছে – সরিষার তেল শিশুর ত্বকের প্রাকৃতিক লিপিড স্তর দুর্বল করে, যার ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
২. অ্যালার্জি ও র‍্যাশের ঝুঁকি
একাধিক গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে, নবজাতকের ত্বকে সরিষার তেল ব্যবহারে কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস, র‍্যাশ বা চুলকানি দেখা দিতে পারে।
৩. উচ্চ মাত্রায় ত্বকে জ্বালাভাব তৈরির উপাদান
সরিষার তেলে থাকে, এটি শিশুদের সংবেদনশীল ত্বকে জ্বালাভাব ও লালচে ভাব তৈরি করতে পারে।
৪. WHO ও UNICEF-এর সতর্কতা
তারা পরামর্শ দেয় – নবজাতকের ত্বকে ঘন বা শক্তিশালী তেল ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করতে।

আমার পেশাদার পরামর্শ:
০-৬ মাস বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে সরিষার তেল এড়িয়ে চলুন।

বিকল্প হিসেবে নারকেল তেল, অলিভ অয়েল বা মেডিকেল গ্রেড বেবি অয়েল ব্যবহার করুন।
শিশুর ত্বকে যদি পূর্বে একজিমা, অ্যালার্জি বা সংবেদনশীলতা দেখা যায় – সরিষার তেল একেবারে নয়।
ভালোবাসা মানেই শুধু অভ্যাস নয় – নিরাপদ সিদ্ধান্তও।
যত্ন হোক বিজ্ঞানের আলোকে, শিশুর সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য।

#শিশুর_সুরক্ষা #সরিষার_তেল #শিশুর_চিকিৎসা #হোমিওপ্যাথিক_পরামর্শ #শিশুর_ত্বকের_যত্ন

আসসালামু আলাইকুম ,আশা করছি, সবাই ভালো আছেন। আমি আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, এখন থেকে আমি আবারও নিয়মিতভাবে অনলাইনে রোগী দেখ...
14/05/2025

আসসালামু আলাইকুম ,
আশা করছি, সবাই ভালো আছেন। আমি আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, এখন থেকে আমি আবারও নিয়মিতভাবে অনলাইনে রোগী দেখা শুরু করতে যাচ্ছি, ইনশাল্লাহ।
আমি বিশেষভাবে নারী এবং শিশুদের জন্য এই সেবা প্রদান করবো। তবে, রোগীর সমস্যা অনুযায়ী কিছু ক্ষেত্রে চেম্বারে আসা লাগতে পারে। কারণ, সব চিকিৎসা অনলাইনে করা সম্ভব নয়।
সমস্যা বিস্তারিত লিখে ইনবক্সে নক করুন অথবা 01799004049 (IMO/WhatsApp) যোগাযোগ করুন।ধন্যবাদ!

Dr. Israt Jahan Konka
DHMS (BHB)
Reg. No - 38617

 #গরমে_সুস্থ_থাকার_সহজ_টিপস! গরমে হিট স্ট্রোক, ডিহাইড্রেশন বা অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ে। নিজে ও পরিবারকে সুস্থ রাখতে মেনে চলু...
14/05/2025

#গরমে_সুস্থ_থাকার_সহজ_টিপস!
গরমে হিট স্ট্রোক, ডিহাইড্রেশন বা অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ে। নিজে ও পরিবারকে সুস্থ রাখতে মেনে চলুন এই সহজ নিয়মগুলো:
#কী_করবেন:
১. পানি_পান – দিনে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।
২. রোদ_এড়ান – দুপুর ১২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বাইরে কম যান।
৩. হালকা_পোশাক – হালকা রঙের, ঢিলেঢালা সুতি কাপড় পরুন।
৪. সুরক্ষা_নিন – ছাতা, টুপি বা সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
৫. হালকা_খাবার – সহজপাচ্য খাবার খান, ঠান্ডা খাবার হঠাৎ খাবেন না।
#বিশেষ_যত্ন: শিশু, বয়স্কব্যক্তিদের ও গর্ভবতী মহিলাদের বেশি খেয়াল রাখুন।
#কী_এড়াবেন:
✘ বেশি চা, কফি বা কোমল পানীয়।
✘ বাইরের খোলা খাবার।
✘ অনেকক্ষণ রোদে থাকা।
#মনে_রাখুন:
সচেতন থাকলেই গরমে সুস্থ থাকা সহজ। নিজে জানুন, অন্যকেও বলুন!
#গরমে_সুস্থ_থাকুন #সচেতনতা_জরুরি 🌿

এই গরমে আপনার আদরের সোনামনির স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে। তাদের সুস্থ রাখতে আপনাকে হতে হবে অনেক বেশি সতর্ক। গরমের কারণে  শিশুদ...
13/05/2025

এই গরমে আপনার আদরের সোনামনির স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে। তাদের সুস্থ রাখতে আপনাকে হতে হবে অনেক বেশি সতর্ক। গরমের কারণে শিশুদের ঠান্ডা, জ্বর, কাশি, ডায়রিয়া এবং কলেরার মতো নানা স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। তাই, এসব সমস্যা থেকে রক্ষা করতে প্রয়োজন অধিক সচেতনতা। সঠিক যত্ন এবং সচেতনতা নিয়ে চলুন, আমাদের সোনামনিদের সুস্থ রাখি!

গরমে বাচ্চাদের জন্য স্বাস্থ্যকর টিপস
১. পর্যাপ্ত পানি পান:
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান নিশ্চিত করুন।
এছাড়া, ফলের রস বা ডাবের পানিও দিতে পারেন।
২. শীতল পরিবেশে বিশ্রাম:
বাচ্চাদের ঠান্ডা ও শীতল জায়গায় বিশ্রাম করতে দিন। প্রয়োজনে এয়ার কন্ডিশনার বা পাখা ব্যবহার করুন।
৩. হালকা রঙের পোশাক: হালকা ও শ্বাসপ্রশ্বাসে সহায়ক কাপড় পরান, যেমন কটন বা লিনেন। উজ্জ্বল রঙের বদলে হালকা রঙের পোশাক বেছে নিন।
৪. নিয়মিত গোসল: দিনে অন্তত একবার গোসল করান। এতে শরীরের তাপমাত্রা কম থাকবে এবং তাজা অনুভূতি হবে।
৫. শরীর মুছে দেওয়া:
গরমের সময় শরীরের ঘাম মুছে দেওয়ার জন্য ভেজা তোয়ালে ব্যবহার করুন। এটি তাজা রাখতে সাহায্য করবে।
৬. কম মশলার খাবার: সহজ ও হালকা খাবার যেমন ভাপা সবজি, সেদ্ধ ডাল এবং ভাত দিন। মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন।
দই খাওয়ানো অত্যন্ত উপকারী। এটি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং পাচন শক্তি বাড়ায়।
৭. ফ্রিজের খাবার এড়ানো:ফ্রিজের খাবার কম খাওয়ান। বরং তাজা খাবার ও ফলমূল দিন, যা স্বাস্থ্যকর এবং তাজা।
৮. সহজ পাচ্য খাবার:বাচ্চাদের জন্য সহজ পাচ্য খাবার যেমন স্যুপ এবং ভাপা খাবার দিন। এগুলো হজমে সহায়ক।

#সতর্কতাঃ স্যালাইন ব্যবহারের সর্তক হতে হবে গরমের কারণে অনেকেই বাচ্চাদের স্যালাইন খাওয়ানোর দিকে ঝুঁকছেন। তবে, অতিরিক্ত গরমের কারণে স্যালাইন খাওয়ানো ক্ষতিকর হতে পারে, বিশেষ করে যদি ডায়রিয়া বা অন্য কোনো সমস্যা না থাকে। স্যালাইন ব্যবহারের আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে এটি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী হচ্ছে।ডায়রিয়া ছাড়া স্যালাইন খাওয়ানো শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বিঘ্নিত করতে পারে এবং অন্য স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই স্যালাইন ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন এবং প্রয়োজন হলে সঠিক নিয়মে ব্যবহার করুন।

স্ট্রেস ও অ্যানজাইটি বর্তমান জীবনের সাধারণ সমস্যা। হোমিওপ্যাথি এক প্রাকৃতিক ও নিরাপদ উপায় যা আপনার মানসিক শান্তি ফিরিয়ে ...
17/04/2025

স্ট্রেস ও অ্যানজাইটি বর্তমান জীবনের সাধারণ সমস্যা। হোমিওপ্যাথি এক প্রাকৃতিক ও নিরাপদ উপায় যা আপনার মানসিক শান্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করতে পারে। এটি শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখে এবং কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই কাজ করে।

যারা দীর্ঘদিন ধরে স্ট্রেস বা অ্যানজাইটির সমস্যায় ভুগছেন, তারা হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে সুস্থ থাকতে পারেন।

👉হোমিওপ্যাথি কিভাবে কাজ করে:
হোমিওপ্যাথি মানসিক চাপের মূল কারণটি চিহ্নিত করে, শারীরিক এবং মানসিক দিক থেকে পূর্ণ নিরাময় প্রদান করে।

#হোমিওপ্যাথি #স্ট্রেসরিলিফ #অ্যানজাইটি #মানসিকস্বাস্থ্য

🌿 হোমিওপ্যাথি নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা 🌿অনেকে মনে করেন হোমিওপ্যাথি শুধু প্লাসিবো বা শুধু ধীরে কাজ করে — এটা সত্য নয়। সঠি...
16/04/2025

🌿 হোমিওপ্যাথি নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা 🌿

অনেকে মনে করেন হোমিওপ্যাথি শুধু প্লাসিবো বা শুধু ধীরে কাজ করে — এটা সত্য নয়। সঠিক ওষুধ ব্যবহারে এটি তাড়াতাড়ি কাজ করতে পারে, এমনকি শিশুদের ক্ষেত্রেও কার্যকর। অনেকেই একে হারবাল মেডিসিন ভাবেন, কিন্তু হোমিওপ্যাথির নিজস্ব প্রস্তুত প্রণালী আছে। এটি সাধারণত নিরাপদ হলেও ভুলভাবে ব্যবহারে উপসর্গ বাড়তে পারে, তাই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এটি রোগী অনুযায়ী ব্যক্তিগতভাবে ওষুধ নির্বাচন করে। হোমিওপ্যাথি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলেই এর প্রকৃত উপকারিতা বোঝা যায়।🙂

#হোমিওপ্যাথি #সদৃশ_বিধানে_আরোগ্য

হোমিওপ্যাথি পুরো ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে চিকিৎসা করে, শুধু রোগ নয়। এটি "সদৃশ বিধানে আরোগ্য সাধন" নীতির উপর ভিত্তি করে—অর্...
14/04/2025

হোমিওপ্যাথি পুরো ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে চিকিৎসা করে, শুধু রোগ নয়। এটি "সদৃশ বিধানে আরোগ্য সাধন" নীতির উপর ভিত্তি করে—অর্থাৎ, যে উপাদান সুস্থ ব্যক্তির মধ্যে যে উপসর্গ সৃষ্টি করে, সেই উপাদানকেই অতিক্ষুদ্র মাত্রায় ব্যবহার করে একই ধরনের উপসর্গে আরোগ্য সাধন করা হয়।
চিকিৎসা নির্ধারণে রোগীর শারীরিক উপসর্গের পাশাপাশি মানসিক ও আবেগগত গঠন বিবেচনা করা হয়। এই নিখুঁতভাবে নির্বাচিত ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসা দেহের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সক্রিয় করে, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও নিরাপদ উপায়ে।
#হোমিওপ্যাথি #প্রাকৃতিকচিকিৎসা #সদৃশ_বিধানে_আরোগ্য
#হোলিস্টিক_চিকিৎসা

Address

Kadamtali, Rayerbag
Dhaka
1236

Telephone

+8801609863846

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KONKA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to KONKA:

Share