HK Creation

HK Creation ধন্যবাদ সবাইকে সাপোর্ট দেবার জন্য ��

রংপুরের ৪ জনকে হ***ত্যাকান্ডে গতকাল আদালতের জবানবন্দী ও তদন্তের পর কিছু তথ্য আপডেট হয়েছে । এই আপডেট তথ্যগুলোই ২৩ আগস্ট প...
27/08/2026

রংপুরের ৪ জনকে হ***ত্যাকান্ডে গতকাল আদালতের জবানবন্দী ও তদন্তের পর কিছু তথ্য আপডেট হয়েছে ।

এই আপডেট তথ্যগুলোই ২৩ আগস্ট পুলিশের দেওয়া কিছু তথ্যকে খন্ডন করে এবং আবার আমাদের কিছু প্রশ্নকে ক্লিয়ার করে ।
‎
এই হত্যা মামলার শুরু থেকে থেকে শেষ অবধি কিছু বিতর্কিত জিনিস আমি ক্লিয়ার করার চেষ্টা করি :

১। শার্ট ইস্যু : সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় ।

বিভিন্ন গ্রুপ থেকে খুব জোরালো প্রচারণা চালানো হয় , পুলিশ কর্মকর্তা যে শার্ট গায়ে পরে বাসায় তদন্ত করতে যায় , ঐ একই শার্ট আসামীর গায়ে কেনো ?

পরবর্তীতে ঐ শার্ট গায়ে দেওয়া তদন্ত কর্মকর্তা ভিডিও কল দিয়ে, শার্ট গায়ে সাক্ষাৎকার দিয়ে প্রমাণ করেন এটা কাকতালীয় বিষয় ছাড়া কিছুই না ।

একই ডিজাইনের শার্ট অনেকেই পরে ।

২। মুখ ঝ*লসে দেওয়া :

প্রথমে প্রীতি চক্রবর্তীর বোন এবং পরে সিআইডি কর্মকর্তা সুমিত চোধুরী বলেন ,

'নিহতদের মুখমন্ডল দেখে মনে হয়েছে তাদের মুখ ঝ**লসে দেওয়া হয়েছে । মনে হচ্ছে তাদের মুখে কোনো দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে । '

এই তথ্যের উপর বেজ করে পরবর্তীতে একদল অনলাইনে গু*জব রটিয়ে দেয় এটা জ**ঙ্গীদের কাজ ।

কারণ জ***ঙ্গীরাই এমন করে ।

কিন্তু পরবর্তীতে ফরেনসিক রিপোর্টে ডাক্তার বাবুল কুমার বিশ্বাস জানায় ,

"কারো মুখ ঝলসানো হয় নি । কারো মুখেই কোনো রাসায়নিক পাওয়া যায় নি ।

মৃতদেহ ২-৩ দিন থাকার পর পঁচন পক্রিয়া শুরু হয়ে গেলে মুখ প্রথমে ফ্যাকাসে হয় । তারপর ক্রমশ কালচে হয়ে যেতে থাকে । এই কারণের তাদের মুখ এমন হয়েছে । " (তথ্যসূত্র : ১)


পরে আমি পরে অনলাইনে সার্চ করেও একই তথ্য দেখতে পাই ।

৩। বৈদ্যুতিক লাইন কে এবং কেন বন্ধ করে ?

‎বাড়িতে সিসি ক্যামেরা রয়েছে এই ভয়েই নিচতলায় নেমে বৈদ্যুতিক মিটারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন সিদ্ধার্থ ।

( আদালতে দেওয়া জবানবন্দি)।

( তথ্যসূত্র :২)
‎
‎৪ । প্রিয়ামকে কেনো হ*ত্যা করা হয় ?
‎
‎আদালতের জবানবন্দিতে তারা জানিয়েছে ,
‎
‎"তারা নিচে নেমে এসে দেখে প্রিয়াম জেগে বিছানায় বসে আছে । প্রিয়াম সিদ্ধার্থকে চিনতো । সিদ্ধার্থের ছোটো ভাই প্রিয়ামের খেলার সাথী ।

এই থেকে সিদ্ধার্থ ভয় পেয়ে যায় তাকেও বালিশ চাপা দিয়ে হ**ত্যা করে । '

অথচ পুলিশ শুরুতে বলেছিলো, প্রিয়ামকে ঘুমন্ত অবস্থায় হ*ত্যা করা হয় । এই কারণেই প্রিয়ামকে হ**ত্যা করার লজিক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না ।

( তথ্যসূত্র: ২)

‎৫ । খু*ন করার সময় ভিক্টিম স্বভাবতই চিৎকার করার কথা । চিৎকার করলে কেউ শোনে নি ?

গণপতি চক্রবর্তী চিৎকার করার সুযোগ পান । তবে তা খুব কম । পরে তার গলা পেঁ**চিয়ে ধরলে শব্দের নামে যা হয় তা কেবলই গোঙানি ।

তার ধস্তাধস্তিতে টিনেরও শব্দ হয় ।
‎
‎এসবের শব্দের পরই ছুটে আসে তার স্ত্রী প্রীতি চক্রবর্তী । তাকে গামছা পেঁচিয়ে ও রশি পেঁচিয়ে হ*ত্যা করা হয় ।
‎
‎আজ আদালতে জানিয়েছে , তাকে হ***ত্যা করতে সবচেয়ে বেশি সময় লেগেছে । ৪ মিনিটের মতো ।
‎
‎তারও শব্দ শোনার পরই আগামী চক্রবর্তী যখন আসে তখন তার মুখ ও গলা একই সাথে চেপে ধরে মুগ্ধ ।
‎
‎( তথ্যসূত্র: ২ )

৬। দুইজন মানুষ ৪ জনকে হ*ত্যা করেছিলো কিভাবে ?

আগের স্টেটমেন্টটা খেয়াল করুন । কাউকেই একসাথে হ**ত্যা করতে হয় নি ।

গণপতি বাবুকে হ**ত্যার পরই প্রীতি চক্রবর্তী ও আগামী চক্রবর্তী আসে ।

প্রীতি চক্রবর্তী ও আগামী চক্রবর্তীর আসা সময়ের ভেতর গ্যাপ কম ছিলো ।

তাও প্রীতিকে দুজনে মিলে হ**ত্যা করতে হলেও আগামীকে চক্রবর্তীকে মুগ্ধ একই হ*ত্যা করে ।

আর প্রীতম তো রীতিমত বাচ্চাই , রুমে একাই ছিলো...

‎৭ । ছাদে ফেলা রাখা লাশ কেউ দেখলো না কেনো এই ২-৩ দিনে ?
‎
‎আগামী চক্রবর্তী ও প্রীতি চক্রবর্তীকেও ছাদেই হ*ত্যা করা হয় ।

কিন্তু ছাদে থাকলে লা**শ কেউ দেখে ফেলতে পারে তার ভয়ে তাদের লা**শ সিঁড়িতে এনে রাখা হয় । গণপতি চক্রবর্তীর লাশ ছাদের এক কোণে রাখা হয় ।
‎
( তথ্যসূত্র :২ )
‎
‎৮ । পাশের ছাদের তৃতীয় তলা থেকে ২য় তলায় কিভাবে লাফিয়ে আসলো?

আবার কিভাবে ২য় তলা থেকে ৩য় তলায় কিভাবে লাফিয়ে গেলো ?
‎
‎আসলে পাশের তৃতীয় তলা ভবন নির্মাণাধীন । এর ২য় তলায় কোনো রুম নেই । সেখানে মানুষ থাকে না।
‎
‎আজ একজন সাংবাদিক কয়েকটা ছবি ও ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে এতটুকু এনশিওর করছে ,

বিল্ডিং দুইটা যে কেউ চাইলেই এই ভবন থেকে ঐ ভবনে অনায়সে আসতে যেতে পারবে ।

( ছবিতে সংযুক্ত)
‎
‎৯।

‎আজ সন্ধ্যায় ডোমের সাক্ষাৎকার নিয়ে ৭১ এর সাংবাদিক প্রচারণা করলো এই মেয়ের ভ্যাজাইনায় বীর্য পাওয়া গেছে ।
‎
‎কিন্তু একটু আগেই ইত্তেফাকে দেখলাম , ডাঃ বাবুল কুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন এই ধরনের কিছু পাওয়া যায় নি ।

‎আর যদি শেষমেষ এটাও প্রুভ হয় , ধর্ষ**ণ হয়েছে —

তাহলে দিনশেষে তার দায় খুনীদের কাঁধেই চলে যাবে । যেহেতু তারা ইতোমধ্যে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে হ*ত্যা করার ....

‎
১০. যদিও একদল দাবি করেছে , গণপতির লাশ ছাদে পাওয়া যায় নি । রুমে পাওয়া গেছে ।

কিন্তু ফ্যাক্ট চেক করে The Dissent জানিয়েছে ,
লাশ ছাদেই পাওয়া গেছে ।

‎
‎এখন অবধি অমীমাংসিত বিষয় :
‎
‎১। সিদ্ধার্থের বাবা দাবি করছে তার ছেলে ঘিয়া রঙের গেঞ্জি পরেছে । তার গায়ে এই শার্ট কোত্থেকে আসলো ?
‎
‎২। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজগুলোর ভিডিও পাবলিশ করা । এগুলো করলেই ঘটনা অনেকাংশে ক্লিয়ার হয় ।
‎
‎৩। বাড়ির কাজ করার জন্য গণপতি বাবু ব্যাংক থেকে টাকা তুলেছিলেন ১৫ লাখ । সেই টাকা কোথায় কেউ জানে না ।
‎
‎৪। নির্মাণাধীন ভবনে সেবন না করে কেনো এই ভবনে আসলো?

আমার মনে হচ্ছে এটা সাইকোলজিক্যাল কমফোর্ট জোন ক্রিয়েটের জন্য ।
‎

*** ‎গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট :
‎
‎১। ভিডিও সাক্ষাৎকারে সিদ্ধার্থের পরিবার জানিয়েছে ,
‎
‎ঘটনার দিন রাত এগারোটার পর সিদ্ধার্থ ঘর থেকে বের হয়ে যায় । সে সারারাত সীমান্ত দাসের কাছে থাকার কথা , কারণ সকালে তাদের খেলা আছে ।

এবং...সে পরদিন ১২ টার কাছাকাছি সময়ে ঘরে ফেরে।
‎
‎কিন্তু সীমান্ত দাসের মা বলছে ,

"সিদ্ধার্থ রাত এগারোটার পর এসেছিলো । কিন্তু চলে গেছে সাথে সাথে । ‎সে এখানে থাকে নি । খামাকাই আমার ছেলেকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে । "
‎
‎আর পুলিশি রিপোর্ট বলছে ,
‎
‎সিদ্ধার্থ বাসা থেকে বের হওয়ার পর সীমান্ত নামের একজনের কাছে যায় । তার কাছ থেকেই ইয়াবা আনে । তারপর মুগ্ধকে ডেকে আনে একসাথে ইয়াবা সেবনের জন্য ।

এরপর সীমান্ত দাস নিজেই গতকাল আদালতে স্বীকার করে , "তার দুই বন্ধু তার কাছে ঐদিন রাতে ইয়াবার জন্য আসে । "

( তথ্যসূত্র : ৩ )

আমি একটু এড করি ।

ধরে নি সিদ্ধার্থ খুনী না । জাস্ট ইয়াবা সেবন করেছিলো। কিন্তু রাতে সে ঘরে ফেরে নি । সে সীমান্তের কাছেও থাকে নি ।

সে তাহলে কোথায় ছিলো ?

ঘটনার রাতে ১১ টা থেকে সিদ্ধার্থের ঘরে না থাকা , রাতে ইয়াবা সেবন করা , ইয়াবার আলামত ছাদে পাওয়া যাওয়া , বেলা বারোটায় সিদ্ধার্থের ঘরে ফেরা —

এতগুলা ঘটনা কাকতালীয় ?
‎

‎‎২। ‎সিদ্ধার্থ আর মুগ্ধ চোরাইকৃত স্বর্ণ পূর্ণিমা কাকির বাড়ির পাশে পু্ঁতে রাখে । পরে তাদের তথ্য অনুযায়ী পুলিশ তা উদ্ধার করে ।
‎
৩। যে বাড়ির সামনে থেকে মুগ্ধকে গ্রেফতার করা হয় , তিনি ঐ শ্মশানের ডোম মোহন্ত ।

তার মতে , পুলিশ তাড়া করলে মুগ্ধ এসে তার কাছে আশ্রয় চায় । সে জল চায় আর চিৎকার করে।

'আমি তো ঘটনা একটা ঘটাই ফেলছি । আমি তো মার্ডার করে ফেলছি।"

পরে মোহন্ত বাবুই এই কথা শুনে অভিশাপ দিয়ে তাকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয় দরজা না খুলে।

( তথ্যসূত্র : ৪)

‎আসলে শুরুর দিকে এই জিনিসগুলো নিয়ে আমিও নিজে অনেক ধোঁয়াশায় ছিলাম । তথ্যগুলোর অপেক্ষা করছিলাম ।

কিন্তু যতোই জবানবন্দি ও তদন্ত করা হচ্ছে ,

ততোই এটা হ*ত্যার দায় মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ দাসের দিকে ঝুঁকতেছে....

উপসংহার :

অনলাইনে একটার পর একটা গুজব রটিয়ে বারবার এটা প্রুভ করার চেষ্টা করা হচ্ছিলো —

'এই কাজ জ***ঙ্গিদের । সিদ্ধার্থ আর মুগ্ধরা এই কাজ করতেই পারে না । '

কেনো ?

সনাতন ধর্ম পালনকারীরা মানুষ না ?
ওরা ইশ্বর ? ওরা পাপ কাজ করতে পারে না ?

শুধু এই বছরেই—

লক্ষ্মীপুরে একজন অন্তর মজুমদার ৪ জনকে কুপিয়ে হ*ত্যা করে নি ?

হাসপাতালে দুইজন সনাতনী একজন মুসলিম নারীকে ধর্ষ**ণ করে নি ?

দুইদিন আগে দেখলাম , চট্টগ্রামের ফিনলে সিনেমা কমপ্লেক্সে এক সনাতনী মেয়েদের ওয়াশরুমে ক্যামেরা বসিয়ে এডাল্ট ভিডিও করার ট্রাই করছে।

এসব পাপ না ?

আমি যা বলছি তা সনাতনী বি**দ্বেষ না বরং ফ্যাক্ট।

পাপী হিন্দু ধর্মেও আছে । মুসলিম ধর্মেও আছে ।

এটা মেনে নেন । এটাই ফ্যাক্ট ।

কিন্তু নিজেদের ইমেজ রক্ষা করতে , অন্যকে কাউন্টার করতে কেউই এসব মানতে চায় না....

আমি দেখলাম , গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের নৃ**শংস মৃত্যুতে অনেক সনাতনী এত দুঃখ পায় নি ,

যতো দুঃখ পেয়েছে যখন তারা দেখলো হ*ত্যাকারী দুইজন কোনো মুসলিম না , সনাতনী....

অথচ কেবল একজন সনাতনী না ,

একজন ভালো মানুষ হইলেই আপনার প্রথমে গণপতি বাবু ও তার পরিবারের জন্য দুঃখ পাওয়ার কথা যে ওয়েতে তাদের হ*ত্যা করা হয়েছে.....

অপরাধী হিন্দু মুসলিম যে'ই হোক , তার ফাঁসি চাওয়ারই কথা ।

দুইদিন আগে তো লক্ষ্মীপুরের ঘটনায় আমরা এমনটাই শুনেছিলাম - অপরাধী জাত ধর্ম হয় না।

যাইহোক , আপনাদের এই খেলায় ,

অলরেডি ভারতে " বাংলাদেশে জঙ্গী*দের হাতে চারজন সনাতনী হ*ত্যা " এই স্টেটমেন্ট এস্টাবলিশ করা শেষ ।

বিঃ দ্রঃ

১। খবরের সোর্সগুলা এড করে দিচ্ছি ।
আপনার পাল্টা যুক্তি দেওয়ার অপশন আছে ।

২। কিছু ইনফরমেশন ভিডিও সাক্ষাৎকার থেকে নেওয়া হয়েছে ।

৩০ মিনিটের ব‍্যবধানে লণ্ডভণ্ড!  যেকোনোভাবেই হোক এই দুর্যোগে নেপালের সাহায্যে এগিয়ে আসা উচিত!
26/08/2026

৩০ মিনিটের ব‍্যবধানে লণ্ডভণ্ড!
যেকোনোভাবেই হোক এই দুর্যোগে নেপালের সাহায্যে এগিয়ে আসা উচিত!

রংপুরের হত্যাকাণ্ডের দোষী পাওয়া গেছেঃআসামী দুজনঃ১) সিদ্ধার্ত ২) মুগ্ধ দাসরংপুরে পুলিশ অফিসিয়াল সংবাদ সম্মেলনে জানান, তা...
23/08/2026

রংপুরের হত্যাকাণ্ডের দোষী পাওয়া গেছেঃ

আসামী দুজনঃ
১) সিদ্ধার্ত
২) মুগ্ধ দাস

রংপুরে পুলিশ অফিসিয়াল সংবাদ সম্মেলনে জানান,

তারা সকলে একই এলাকার বাসিন্দা ও একে অপরের পরিচিতজন, আসামীরা স‍্যারকে কাকা ডাকে।

ঘটনা যেভাবে ঘটিয়েছেঃ

সেদিন ছিল বৃহস্পতিবার রাত

শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বিল্ডিং এর সাথেই লাগোয়া আরেকটি বিল্ডিং রয়েছে, আসামী দুজন ঐ বিল্ডিং এর ছাদে উঠে গণপতি স‍্যারের বিল্ডিং এর ছাদে নেমে ই**য়া*/বা নিতে থাকে।

এমন মুহূর্তে গণপতি স‍্যার ছাদে উঠলে ওদের দেখে ফেলে, এবং বকা ঝকা করে।

কিন্তু যেহেতু স‍্যারের অনেক সুনাম তাই তারা ভয় পায় যে, স‍্যার তাদের দেখে ফেলার কথা সবাইকে বলে দেবে, থানায়ও বলতে পারে, পাশাপশি তারা মাদকাসক্ত ছিল, তাৎক্ষনিক তারা স‍্যারকে স‍্যারের সাথে থাকা গামছা দিয়ে গলায় চেপে ধরে, মনিট পাঁচেক এভাবে ধস্তাধস্তি চলে, তখন শব্দ পেয়ে স‍্যারের স্ত্রী ছাদের দিকে আসে, এবং তাদের এই কাণ্ড দেখে ফেলে।

ফলে, স্ত্রীকেও একই কায়দায় সিড়িতে শেষ বিদায় করে দেয়।

তার সাথে এমন ধস্তাধস্তির শব্দে তাদের মেয়ে এগিয়ে আসলে মেয়েকেও একই কায়দায় বিদায় করে।

তখন ঘরে ছোট ছেলেটা একা।

তাকে কিছু করে না।

কিছুক্ষণ পর তাদের মাথায় আসে যে, এই ছেলে তো সিদ্ধার্থের ভাইয়ের সাথে খেলাধুলা করে, তাদের সবাইকে ভালো করে চিনে। আজ না হোক কাল, একদিন বলেই দেবে সব।

তখন তাকেও বালিশ চাপা ও গামছা দিয়ে বিদায় করে 😓

এরপর তারা ওদের ওয়াশরুমে গোসল করে

তাদের রুমে বসে আরেকটি ই/বাবা খায়….

শুক্রবার সকাল হয়ে যায়

সিদ্ধার্থ বাজারের একটি স্বর্ণের দোকানে কাজ করে…

তারা তখন ঐ বাসার সব আসবাবপত্র খুলে সব বের করে, সকল গহনা বের করে, সিদ্ধার্থ আগুন জ্বালিয়ে কোনটা আসল সোনা চিহ্নিত করে

এসব করতে করতে বেলা গড়িয়ে যেতে থাকে….

তখন তারা চিন্তা করে, এখন বের হলে মানুষ দেখে ফেলবে, তাই তারা জুমার নামাজ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে থাকে

এসময় তারা ডাউনিং এ বসে বয়মারে খেজুর খায়, মাদকের ভাব কমাতে ফ্রিজ থেকে শসা বের করে খায়

জুমার নামাজের সময় হলে সবাই যখন মসজিদে যায় তখন তারা একই উপায়ে ছাদ দিয়ে পাশের বাসার ছাদ ঘুরে বেরিয়ে যায়।

পুলিশ এসব কিভাবে জানলোঃ
পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে আলামত হিসেবে অনেক কিছু জব্দ করে, তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল

১) ইবাবার আলামত।
২) আগুন দিয়ে কিছু অলংকার পরীক্ষা করার আলামত

অর্থাৎ, এই দুইটি পয়েন্ট এক করলে পাওয়া যায়, অপরাধীরা ইবাববা সেবন করে, এবং তাদের কেউ আসল স্বর্ণ চেনার বিষয়ে অভিজ্ঞ।

এই সুত্র ধরে এলাকায় তদন্ত চালায় এবং এই সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসকে খুঁজে পায়।

তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা এই বিস্তারিত ঘটনা জানায় এবং বাকি মালামালের সন্ধান দেয়।

এখন, আরো বিশেষ তদন্তের আলামত পুলিশের কাছে রয়েছে, যেমনঃ

- খেজুর খেয়ে খেজুরের বিচি টেবিলে রাখা ছিল, সেখানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট রয়েছে
- শসা খেয়ে কিছু অংশ ফ্লোরে ফেলে রেখেছিল, সেখানে ফিঙ্গার প্রিন্ট রয়েছে

এগুলোর সাথে এই দুইজনের ফিঙ্গার প্রিন্ট মিলে গেলেই পুলিশ কোর্টে রিপোর্ট প্রকাশ করবে।

আসামী দুজন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

এই হচ্ছে গতরাতের নির্মম ঘটনার আপডেট, আশাকরি কেউ গুজব ছড়াবেন না।

অপরাধীদের বাংলাদেশের আইননুযায়ী বিচার চাই।


আহ্ মানুষ এর জীবন কতই না সস্তা হয়ে গেছে 🥺
23/08/2026

আহ্ মানুষ এর জীবন কতই না সস্তা হয়ে গেছে 🥺

ছবিতে হাতে হ্যান্ডকাপ পরিহিত অবস্হায় লাশ কাঁধে 😭লোকটাকে চিনতে পারছেন না বুঝি!আমিও প্রথমে চিনতে পারছিলাম না।নিচের ছবিটিতে...
22/08/2026

ছবিতে হাতে হ্যান্ডকাপ পরিহিত অবস্হায় লাশ কাঁধে 😭লোকটাকে চিনতে পারছেন না বুঝি!
আমিও প্রথমে চিনতে পারছিলাম না।
নিচের ছবিটিতে দেখেন,উনি হচ্ছেন সেই ব্যক্তি,
(সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী সাকিল)।

যিনি তার নেতা নেত্রীদেরকে খুশি করতে কিংবা দু'পয়সার মোহে পড়ে, ২০১২ সালে বিশ্বজিৎ নামের হিন্দু দর্জি ভাইকে,শিবির ভেবে খুন করেছিলেন।

১৪ বছর পরেও তিনি কোন মুক্তি পাননি।
আজ তার মায়ের মৃত্যুতে কয়েক ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি নিয়ে হ্যান্ডকাপ পরিহিত অবস্হায় মায়ের লাশ বহন করছেন😭।
আসুন এখান থেকে আমরা শিক্ষা গ্রহণ করি✅।
১৪ বছরেও তার কোন মুক্তির বয়বস্হা হলো না😭।
যাদের কথায় তিনি উঠতেন বসতেন,তারা আজ আছে মহাসুখে অথচ তিনি আছেন মহাবিপদে।
তাই সাবধান বন্ধু!!!
সাবধান হোন আপনার জন্য,
আপনার পরিবারের জন্য ।
কান্না ও লজ্জার পাত্র হয়েন না ।

🫢🤪🤪🤪✌️
19/08/2026

🫢🤪🤪🤪✌️

আপন খালার স্বামীকে 'বিয়ে' করলেন মাদ্রাসাছাত্রী জাহেদা!​নি*খোঁ*জ ১৫ বছরের ছাত্রীকে খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে এলো অবিশ্বাস্য ঘটন...
19/08/2026

আপন খালার স্বামীকে 'বিয়ে' করলেন মাদ্রাসাছাত্রী জাহেদা!
​নি*খোঁ*জ ১৫ বছরের ছাত্রীকে খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে এলো অবিশ্বাস্য ঘটনা
​টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিখোঁজ হওয়া ১৫ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে খুঁজে বের করতে গিয়ে প্রকাশ্যে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
​মেয়েটিকে খুঁ*জে পেতে তার অসহায় বাবা-মা সম্প্রতি জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর জিয়াউল ভাইয়ের শরণাপন্ন হন। ভিডিও প্রচারের পর সন্ধান মিলতেই জানা যায়—মেয়েটি আসলে হারিয়ে যায়নি, বরং আপন খালার স্বামীর সঙ্গে চলে গিয়েছিল।
​অভিযোগ উঠেছে, গত প্রায় পাঁচ মাস ধরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক চলছিল। কোনো আনুষ্ঠানিক বা আইনি রেজিস্ট্রি ছাড়াই শুধু মুখে ‘কবুল’ বলে তারা একসঙ্গে অবস্থান করছিলেন।
​ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে। ১৫ বছরের নাবালিকা মেয়েটির বাবা-মা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে দৃষ্টান্তমূলক ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

এর থেকে কষ্ট আর কি হতে পারে যে মানুষটা প্রবাসে টাকা ইনকাম করছে স্ত্রী সন্তানের জন্য সেই স্ত্রী সন্তান আজ নেই। মানুষের চা...
18/08/2026

এর থেকে কষ্ট আর কি হতে পারে যে মানুষটা প্রবাসে টাকা ইনকাম করছে স্ত্রী সন্তানের জন্য সেই স্ত্রী সন্তান আজ নেই। মানুষের চাদার টাকায় দাফন করতে হয় এই জন্য বলি নিজের একাউন্ট এ নিজের নামে টাকা রাখেন টাকা থাকলে দাম থাকে।

টাকার মেশিন চলে গেছে এক বুক কষ্ট নিয়ে😪আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করেন আমিন।
18/08/2026

টাকার মেশিন চলে গেছে এক বুক কষ্ট নিয়ে😪আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করেন আমিন।

মোহনপুরে স্ত্রীর কা/টা হাত নিয়ে থানায় স্বামীপারিবারিক বিরোধেন জেরে রাজশাহীর মোহনপুরে ফাহিমা (৪২) নামের এক গৃহবধূর ডান হা...
15/08/2026

মোহনপুরে স্ত্রীর কা/টা হাত নিয়ে থানায় স্বামী

পারিবারিক বিরোধেন জেরে রাজশাহীর মোহনপুরে ফাহিমা (৪২) নামের এক গৃহবধূর ডান হাতের কব্জি ধা/রা/লো অ/স্ত্র দিয়ে কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ননদের স্বামী জালাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর এই হাম/লার অভিযোগ উঠেছে।

নৃ/শং/স এই ঘটনার পর অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিরে স্ত্রীর বি/চ্ছি/ন্ন কব্জি হাতে নিয়ে থানায় হাজির হন শরিফুল ইসলাম। গত ​শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় বাকশিমইল ইউনিয়নের করিশা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিষয়াদি নিয়ে শরিফুল ইসলামের পরিবারের সাথে তার দুলাভাই জালাল উদ্দিনের বিরোধ চলছিল। শনিবার সন্ধ্যায় জালাল চা/পা/তি নিয়ে শরিফুলের স্ত্রী ফাহিমার ওপর চড়াও হয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। একপর্যায়ে চা/পা/তির কোপে ফাহিমার ডান হাতের কব্জি শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে পড়ে যায়।

মারাত্মক আ/শঙ্কা/জনক অবস্থায় উদ্ধার করে ফাহিমাকে তাৎক্ষণিকভাবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

​পরদিন রবিবার শরিফুল ইসলাম স্ত্রীর বি/চ্ছি/ন্ন হওয়া কব্জিটি একটি পাত্রে নিয়ে মোহনপুর থানায় হাজির হয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রে/প্তা/রের আকুতি জানান।

রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেলেনা আকতার জানান, পুলিশের একটি বিশেষ দল তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জালাল উদ্দিন ও তার সহযোগী রবিউলকে গ্রে/প্তা/র করেছে।

তথ্য ও ছবি : সংগৃহীত।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HK Creation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share