
08/08/2024
আমরা বাংলাদেশের মানুষ ঠিক ততক্ষণই সৎ যতক্ষণ সুযোগ পাচ্ছি না। মুখে পরিবর্তনের বুলি বলতে ভালো লাগে আমাদের, কিন্তু নিজেকে পরিবর্তন করতে বড় অনিহা।
আমরা যে জায়গাতে বৈসম্যের শিকার হই সেই যায়গা সংস্কার চাই, আবার যে জায়গায় নিজেই বৈসম্য করতেছি সেখানে চাই না।
উদাহরণ: আমরা সবাই বলি পাসপোর্ট অফিস ঘুষ, দালাল মুক্ত হউক কিন্তু ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে ঠিকই দালাল খুজি।
কারন আমি ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাশ করবো না জানি। আর আমার যেহেতু পাসপোর্ট এর দরকার নাই তাই আমি পাসপোর্ট অফিসের ঘুষ/দুর্নীতি বন্ধ করতে চাই৷
অন্য একজন নিয়ম ভঙ্গ করলে খুব জ্বলে, আর নিজে নিয়ম ভাঙ্গতে খুব মজা লাগে, নিজেকে চলাক মনে হয়।
আরো একটা মহৎ গুন হচ্ছে আমরা দুইনম্বরি কাজে আরেকজনে সাহায্য করে মানবতার ফেরিওয়ালা হই ঠিকই কিন্তু একজন সততার সাথে কাজ করতে গিয়ে বা সেবা নিতে গেলে যখন ভোগান্তি পোহায় তখন তাকে নিয়ে উপহাস করি, ( "ধুরু মিয়া, আপনে বোকা নাকি") নিরুৎসাহিত করি।
এই সৈরাচারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে সরকার পতন করলাম ঠিকই, কিন্তু আবার নিজেই গনভবনে চুরি করে সাবাড় করে দিলাম।
আমরা আসলে কখনো কোন সৎ রাষ্ট্রনায়ক ডিজার্ভই করি না, আর কেউ আসলেও তার পরিনতি হয়েছে অকাল প্রয়ান।
কারন আমরা কেউই ডিসিপ্লিন পছন্দ করি না, সবাই শর্টকাট খুজি।