Books With Akash

Books With Akash Youtube
youtube.com/

Instagram
instagram.com/books.with.akash

All My Bookish Platform link
linktr.ee/bookwithakash

আপনার প্রিয় ৫টি উপন্যাস কী কী? কমেন্টে জানাতে পারেন। তাহলে আমরা অনেক ভালো বই সম্পর্কে জানতে পারব।
05/08/2026

আপনার প্রিয় ৫টি উপন্যাস কী কী?

কমেন্টে জানাতে পারেন। তাহলে আমরা অনেক ভালো বই সম্পর্কে জানতে পারব।

Why do nice people choose the wrong people to date?আমরা সবাই আসলে চার্লি। আমাদের চাইল্ডহুড ট্রমা, ড্রিপেশন, প্যানিক অ্যা...
02/08/2026

Why do nice people choose the wrong people to date?

আমরা সবাই আসলে চার্লি। আমাদের চাইল্ডহুড ট্রমা, ড্রিপেশন, প্যানিক অ্যাটাক, স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটির বুলিং, বিরহ, পারিবারিক অশান্তি, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশ আমাদের জীবন ভয়ানকভাবে নরক বানিয়ে ফেলে। মাঝেসাঝে মনে হয় আমরা সিসিফাসের চেয়েও অধিক যন্ত্রণাময় অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।

আমরা সবাই আসলে জীবনের প্রথমার্ধে এমন ভুল করে থাকি। ভুল মানুষকে ভালোবাসি। যে আমাদের যোগ্য নয় অথবা আমরা তার যোগ্য নই। যার জন্য আমরণ করুণ অসহ্য যন্ত্রণাময় যাত্রায় যেতে হয়। কিন্তু ভুল মানুষটাও আবার একই ভুল করে। সেও ভুল মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেয়। একে সিসিফাসের জীবন বলা যায় অর্থাৎ আমরা সবাই প্রকৃত অর্থে সিসিফাস।

অভিশপ্ত বলেই আমরা মানুষ হয়ে জন্ম নিয়েছি। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীবের মানে শ্রেষ্ঠ যন্তণাময় অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তোমাকে যেতে হবে। এ থেকেই রেহাই পাওয়ার জন্য যদি আত্ম/হ/ত্যা করতে চাও তো করতে পারো তবে সেটা তো জীবনের প্রতি প্রতারণা হবে। তারচেয়ে করুণ মিষ্টি যন্ত্রণাময় জীবন ঢের ভালো। অনেককিছুর অভিজ্ঞতা হবে, জীবনটাকে এক্সপ্লোর করা যাবে।

প্রতিটা মানুষই কী যে অসহ্য যন্ত্রণাময় অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায় তা কি সেই মানুষটা বাদে অন্যকেউ অনুভব করতে পারে! তার একান্ত ব্যক্তিগত আর্তনাদ, দীর্ঘশ্বাসের ক্ষতিপূরণ কি ইলন মাস্কও দিতে পারবে! আমরা শ্রেষ্ঠ জীব বলেই হয়তো আমরা সবচেয়ে বেশি অভিশপ্ত। যেকারণে বিধাতা আমাদের সাথে সিসিফাসের গেম খেলে বিনোদন নেয়।

আমাদের এই আর্তনাদ, না বলা কথা ঈশ্বরকেও বলতে পারব না। কারণ বিধাতাও আমাদের এই অসহ্য যন্ত্রণাময় অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে দেখে পুলকিত হয়। তাই আমরা সবাই চার্লি হয়েও ভালো থাকতে চাই। বিধাতার সাথে পাশা খেলায় জিততে না পারলেও খানিকটা লড়াই অন্তত করতে চাই। শ্রেষ্ঠ জীব বলে কথা।

কোনো বইয়ের এতো দারুণ মারাত্মক লেভেলের অ্যাডাপ্টেশন আমি দেখিনি। স্বয়ং লেখক পরিচালক ছিলেন বলেই সম্ভব হয়েছে। এই বই আর মুভিটা প্রতি বছর অন্তত একবার করে দেখতে চাই। চার্লি তো আমরা সবাই। তাই চার্লির সাথে ভ্রমণও হবে নিরন্তর।

গান গাও, ঘুমোও, পেট ভরে ভাল খাও-ভাল বই পড়, ভাল লোকের সঙ্গে মেশামিশি কর, ভাল গান শোনো। এই হবে তোমার ওষুধ এবং পথ্য।তোমার ম...
24/07/2026

গান গাও, ঘুমোও, পেট ভরে ভাল খাও-ভাল বই পড়, ভাল লোকের সঙ্গে মেশামিশি কর, ভাল গান শোনো। এই হবে তোমার ওষুধ এবং পথ্য।

তোমার মধ্যে বহুগুণ আছে। বিকাশের জন্য জায়গাও চাই। কাছাকাছি থাকলে দেখা হলে ভাল লাগত।

আমার পায়ে আরেকটি Operation হয়েছে।

এখন দাঁড়িয়ে হাঁটি। ভালবাসা নিও।

চিঠি নং-২
দীপা,

— শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়।

সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ৩৭টি দুর্লভ অপ্রকাশিত চিঠি ও শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা ৩৬টি চিঠির সংকলন। কবি প্রকাশনীর প্রিয় দুইটি বই সংগ্রহে রাখার মতো। বই দুটির প্রোডাকশন কোয়ালিটি টপ-নপ।

⏳ 10 Core Time Management Principles!সময় ব্যবস্থাপনার ১০টি দারুণ কার্যকরী কৌশল! আমাদের ইচ্ছা বা চাহিদার কোনো শেষ নেই, কি...
21/07/2026

⏳ 10 Core Time Management Principles!

সময় ব্যবস্থাপনার ১০টি দারুণ কার্যকরী কৌশল!

আমাদের ইচ্ছা বা চাহিদার কোনো শেষ নেই, কিন্তু আমাদের সময় সীমিত। আপনি যা জানেন বা শিখছেন, তা যদি বাস্তবে প্রয়োগ না করেন, তবে সেই জানার বা শেখার কোনো মূল্য নেই।

তাই আপনার জানা বা শেখা বিষয়গুলোকে কাজে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করুন। না হলে এত বই বা আর্টিকেল পড়ে কোনো লাভ নেই, বরং তা কেবল সময়ের অপচয় হবে। নিচে সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর ১০টি শক্তিশালী উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো:

❶ ৯০/৩০ নীতি (90/30 Principle)

প্রতিদিন এই নিয়মটি মেনে চলুন। টানা ৯০ মিনিট কাজ করুন, এরপর ৩০ মিনিট ছোট একটি বিরতি নিন। তবে এই বিরতিতে মাল্টিটাস্কিং (একাধিক কাজ একসাথে) করা যাবে না। সারাদিন এই সাইকেলটি পুনরাবৃত্তি করুন। এর মূল রহস্য হলো, ৯০ মিনিট কাজের পর আমাদের মস্তিষ্ক বিশ্রাম চায়। গবেষণায় দেখা গেছে, কাজের মাঝে এমন বিরতি কার্যক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

❷ প্যারোটো নীতি বা ৮০/২০ নিয়ম (Pareto’s 80/20 Principle)

আপনি হয়তো ৮০/২০ নিয়মের কথা শুনেছেন। এই নিয়ম অনুযায়ী, আপনার কাজের প্রায় ৮০% ফলাফল আসে মাত্র ২০% গুরুত্বপূর্ণ কাজ থেকে। তাই এমন কিছু কাজের ওপর ফোকাস করুন যা আপনাকে সবচেয়ে বেশি সুফল দেবে। প্রতিদিনের কাজের তালিকা থেকে সেরা ৩টি কাজ বেছে নিন এবং পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে তা শেষ করুন।

❸ ২ মিনিটের নিয়ম (2 Minute Principle)

জেমস ক্লিয়ারের বিখ্যাত ‘অ্যাটমিক হ্যাবিটস’ বইয়ে বলা হয়েছে, "আপনি যখন কোনো নতুন অভ্যাস গড়তে চান, তখন কাজটি শুরু করার জন্য মাত্র দুই মিনিট সময় নিন।" যখনই আপনার কোনো কাজ করতে ইচ্ছে করবে না বা অলসতা লাগবে, তখন মাত্র ২ মিনিটের জন্য টাইমার সেট করে কাজটি শুরু করে দিন। যা আপনার অলসতা ভেঙে কাজের গতি বাড়িয়ে দেবে।

❹ ৫ সেকেন্ডের নিয়ম (5 Second Principle)

মেল রবিন্সের এই নিয়মটি খুব সহজ। কোনো লক্ষ্য অর্জনে আপনার ভেতরে যদি কিছু করার তাড়না বা তাগিদ আসে, তবে ঠিক ৫ সেকেন্ডের মধ্যে শারীরিকভাবে নড়েচড়ে কাজ শুরু করুন, নতুবা আপনার মস্তিষ্ক সেই আইডিয়াটিকে মেরে ফেলবে। কাজ শুরু করার আগে শুধু উল্টো করে মনে মনে গুনুন: ৫-৪-৩-২-১-গো! এই কাউন্টডাউন আপনাকে অজুহাত ও চিন্তা থেকে দূরে রেখে সরাসরি কাজে নামিয়ে দেবে।

❺ পারকিনসনের সূত্র (Parkinson’s Principle)

পারকিনসনের সূত্র অনুযায়ী, "কাজ করার জন্য যতটুকু সময় বরাদ্দ থাকে, কাজটি ঠিক ততটুকু সময় ধরেই বড় হতে থাকে।" যেমনঃ একটি বই লেখার জন্য যদি আপনি এক বছর সময় দেন, তবে পুরো এক বছরই লেগে যাবে। কিন্তু এর জায়গায় যদি মাত্র ৪ মাস সময় নির্ধারণ করেন, দেখবেন কাজটি ৪ মাসেই শেষ হয়ে গেছে। ইলন মাস্কের মতো বড় বড় ব্যক্তিত্বরা এই কৌশলটি ব্যবহার করে অবিশ্বাস্য কম সময়ে বড় প্রজেক্ট শেষ করেন।

❻ আইজেনহাওয়ারের নীতি (Eisenhower's Principle)

আপনার প্রতিদিনের কাজগুলোকে মূল্যায়ন করতে এবং কোন কাজগুলো আসলেই গুরুত্বপূর্ণ আর কোনগুলো distractions (বিঘ্ন) তা আলাদা করতে এই নীতিটি দারুণ কাজ করে। কাজগুলোকে জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ-এই দুই মাপকাঠিতে সাজিয়ে ফেলুন।

❼ এবিসিডিই নীতি (ABCDE Principle)

কাজ শুরুর আগে আপনার করণীয় কাজগুলোর একটি তালিকা তৈরি করুন। এরপর প্রতিটি কাজের পাশে নিচের অক্ষরগুলো বসান:

A: অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি কাজ (যা করতেই হবে)।
B: গুরুত্বপূর্ণ কাজ, তবে ‘A’ এর মতো অতটা জরুরি নয়।
C: করলে ভালো হয় এমন কাজ, তবে জরুরি বা গুরুত্বপূর্ণ কোনোটিই নয়।
D: অন্য কাউকে দিয়ে কাজটি করিয়ে নেওয়া (Delegate)।
E: সম্পূর্ণ বাদ বা বর্জন করার মতো কাজ।

❽ আইভি লি নীতি (The Ivy Lee Principle)

একশ বছরেরও বেশি পুরনো এই কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর। প্রতিদিন কাজ শেষ করার পর আগামীকালের জন্য ৬টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ লিখে রাখুন এবং সেগুলোকে গুরুত্বের ক্রমানুসারে সাজান। পরের দিন অফিসে গিয়ে প্রথম কাজটি দিয়ে শুরু করুন এবং সেটি পুরোপুরি শেষ না করে দ্বিতীয় কাজে হাত দেবেন না।

❾ জিটিডি নীতি (GTD Principle)

আমেরিকান লেখক ডেভিড অ্যালেনের তৈরি এই নিয়মের মূল কথা হলো, আপনার মাথায় যত কাজ ঘুরছে, তা একটি ডায়েরিতে লিখে ফেলুন যাতে কোনো কিছু ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা না থাকে। এটি মূলত ৫ ধরনের কাজের কথা বলে: ধারণ করা (Capture), পরিষ্কার করা (Clarify), গোছানো (Organize), মূল্যায়ন করা (Reflect) এবং যুক্ত হওয়া (Engage)। যা প্রোকাস্টিনেশন বা কাজ জমিয়ে রাখার বদ অভ্যাস দূর করার সেরা অস্ত্র।

❿ পমোডোরো টেকনিক (Pomodoro Technique)

এই পদ্ধতিতে সময়কে নির্দিষ্ট বিরতিতে ভাগ করা হয়: টানা ২৫ মিনিট কাজ করুন, তারপর ৫ মিনিট বিশ্রাম নিন। এভাবে টানা ৪টি সাইকেল শেষ করার পর ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের একটি দীর্ঘ বিরতি নিন। যা আপনাকে মানসিক ক্লান্তি বা বার্নআউট (Burnout) থেকে বাঁচাবে এবং মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করবে।

🎁 বোনাস টিপ: নোশন (Notion) ব্যবহার করুন

আপনার প্রতিদিনের রুটিন, টু-ডু লিস্ট, হ্যাবিট ট্র্যাকার এবং প্রগ্রেস ট্র্যাক করার জন্য 'Notion'-এর মতো শক্তিশালী টুল ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার কাজের জগতকে ভীষণ গোছালো করে তুলবে।

শেষ কথা:

আশা করি এই নিয়মগুলো আপনার সময়কে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে এবং কাঙ্ক্ষিত প্রোডাক্টিভিটি অর্জনে সাহায্য করবে। অলসতা ঝেড়ে ফেলে কাজে নেমে পড়ুন এবং জীবনের লড়াইয়ে জয়ী হোন! 🚀✨


ইংরেজি শেখার ৫০ টিপস 💡সহজ ও সাবলীলভাবে ইংরেজি আয়ত্ত করার কার্যকরী উপায়:১: শুরুতেই অতিরিক্ত আশা করবেন নাইংরেজি শেখা মাত্র...
21/07/2026

ইংরেজি শেখার ৫০ টিপস 💡

সহজ ও সাবলীলভাবে ইংরেজি আয়ত্ত করার কার্যকরী উপায়:

১: শুরুতেই অতিরিক্ত আশা করবেন না

ইংরেজি শেখা মাত্রই নেটিভদের (যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি) মতো কথা বলতে পারবেন না। এতে সময় লাগে, তাই নিজেকে একটু সময় দিন।

২: শুধু পড়া ও শোনার মধ্যে আটকে থাকবেন না

পড়ে আর শুনে ভাষা বোঝা যায় ঠিকই, তবে মুখে না বললে কখনো ফ্লুয়েন্ট হতে পারবেন না। তাই বেশি বেশি বলুন।

৩: সুযোগ পেলেই ইংরেজিতে কথা বলুন

যখনই কারো সাথে একটু ইংরেজিতে কথা বলার সুযোগ পাবেন, সুযোগটা হাতছাড়া করবেন না।

৪: যারা ভালো ইংরেজি বলে তাদের সাথে মিশুন

পারলে এমন মানুষদের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন বা আড্ডা দিন, যারা ইংরেজিতে কথা বলে। তাদের সাথে চর্চাটা সহজ হবে।

৫: ভুল করতে একদম ভয় পাবেন না

ভুল হওয়াটাই শেখার প্রথম ধাপ। ভুল করলেই বুঝতে পারবেন আপনার কোথায় শুধরানো দরকার।

৬: ছোট ছোট সহজ বাক্য দিয়ে শুরু করুন

প্রথমেই কঠিন বা প্যাঁচানো বাক্য বলতে যাবেন না। আগে সহজ ছোট বাক্য দিয়ে কথা বলা শিখুন, তারপর কঠিনগুলোর দিকে যান।

৭: ভালো কোনো কোর্সের সাহায্য নিতে পারেন

একটা ভালো ইংরেজি শেখার কোর্স বা গাইডলাইন আপনার শেখার গতি অনেক বাড়িয়ে দেবে।

৮: উচ্চারণ শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করুন

ভুল উচ্চারণের কারণে অনেক সময় কথা শুনতে ভালো লাগে না বা অন্য কেউ বুঝতে পারে না। তাই কঠিন শব্দগুলোর সঠিক উচ্চারণ শিখে নিন।

৯: এক শব্দে উত্তর না দিয়ে একটু বাড়িয়ে বলুন

কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে শুধু 'হ্যাঁ' বা 'না' না বলে, পুরো একটা বাক্যে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করুন। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

১০: নিজের ভুল থেকে শিখুন

খেয়াল করুন কোন ভুলটা আপনি বারবার করছেন, তারপর সেটা শুধরে নিন। ধীরে ধীরে আপনার ইংরেজি অনেক উন্নত হবে।

১১: ইংরেজি গান শুনুন

ইংরেজি গান শোনার সময় লিরিক্স (কথা) দেখে গান গাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে ইংরেজি ভাষার ছন্দটা সহজে আয়ত্ত হবে।

১২: টাং টুইস্টার চর্চা করুন

ইংরেজি 'Tongue Twisters' বললে মুখের জড়তা কাটে এবং উচ্চারণ স্পষ্ট হয়।

১৩: ইংরেজির নিয়মগুলোকে মেনে নিন

ইংরেজি ভাষার কিছু অদ্ভুত নিয়ম আছে যা কোনো যুক্তিতে মেলে না। সেগুলো নিয়ে বেশি না ভেবে যেভাবে আছে সেভাবেই মেনে নিন।

১৪: প্রতিদিন অন্তত ১টি নতুন শব্দ শিখুন

রোজ অন্তত একটা নতুন শব্দ এবং তার উচ্চারণ শিখুন। এতে আপনার শব্দভাণ্ডার (Vocabulary) শক্ত হবে।

১৫: সবার সামনে কথা বলার সাহস করুন

কোনো অনুষ্ঠান বা বন্ধুদের মাঝে বলার চেষ্টা করুন। এতে মনের ভয় একবারে কেটে যাবে।

১৬: চারপাশের পরিবেশটাকে ইংরেজি দিয়ে ভরিয়ে তুলুন

যেখানে বেশি ইংরেজি চর্চা হয় বা ইংরেজি বলা হয়, সেখানে সময় কাটান। আপনার অবচেতনেই শিক্ষা হতে থাকবে।

১৭: স্পোকেন ইংলিশ আড্ডায় যোগ দিন

এমন কোনো গ্রুপে যুক্ত হন যেখানে সবাই ইংরেজিতে কথা বলার চর্চা করে। এতে আপনার জড়তা ভাঙবে।

১৮: পছন্দের বই জোরে জোরে পড়ুন

বই মনে মনে না পড়ে একটু শব্দ করে জোরে জোরে পড়ুন। এতে কথা বলার সময় মুখের আটকানো ভাবটা কেটে যাবে।

১৯: লিরিক্সসহ গানের ভিডিও দেখুন

ইউটিউবে গানের সাথে লিরিক্স বা সাবটাইটেল দেওয়া ভিডিও দেখুন। এতে শব্দ চেনা ও উচ্চারণ করা সহজ হয়।

২০: ইংরেজিতে চিন্তা করা শুরু করুন

আমরা সাধারণত বাংলায় ভেবে মনে মনে অনুবাদ করি। এটা না করে সরাসরি ইংরেজিতে চিন্তা করার চেষ্টা করুন।

২১: সহজ ভাষায় নিজের কথা ঘুরিয়ে বলুন

কোনো জটিল কথা সহজভাবে বা নিজের ভাষায় ঘুরিয়ে বলার চর্চা করুন।

২২: ছোটখাটো বিষয়ে ইংরেজিতে খবরাখবর নিন

কারো সাথে দেখা হলে "How are you?" বা "How was your day?" দিয়ে ছোটখাটো কথোপকথন শুরু করুন।

২৩: তোতাপাখির মতো না বানিয়ে নিজের ভাষায় বলুন

অন্যের উত্তর হুবহু নকল না করে, প্রশ্ন শুনে নিজের মতো উত্তর তৈরি করে বলুন।

২৪: আত্মবিশ্বাসের সাথে কথা বলুন

যতটুকুই জানেন, বুকে সাহস রেখে বলুন। আত্মবিশ্বাস থাকলে ভুল হলেও শুনতে ভালো লাগে।

২৫: অন্যের কথা মন দিয়ে শুনুন

নেটিভ স্পিকাররা কীভাবে কথা বলে, কোন শব্দ কীভাবে উচ্চারণ করে—তা ভালো করে শুনলে আপনিও দ্রুত শিখতে পারবেন।

২৬: Phrasal Verbs ব্যবহার করতে শিখুন

একঘেয়ে শব্দের বদলে Phrasal Verb ব্যবহার করলে ইংরেজি শুনতে অনেক স্মার্ট লাগে।

২৭: শেখার প্রতি নিজের আগ্রহ তৈরি করুন

জোর করে না শিখে শেখাটাকে উপভোগ করুন। আগ্রহ থাকলে খুব দ্রুত ভাষাটা শিখে ফেলতে পারবেন।

২৮: ভুল-সঠিক সবার কাছ থেকেই শিখুন

যারা ভালো ইংরেজি বলে তাদের দেখে শিখুন, আর যারা ভুল করে তাদের ভুল থেকে শিক্ষা নিন যেন আপনি তা না করেন।

২৯: প্রিয় কোনো বক্তাকে অনুসরণ করুন

আপনার পছন্দের কোনো ইংরেজি বক্তা বা অভিনেতার কথা বলার ধরন খেয়াল করুন এবং তাদের অনুকরণ করার চেষ্টা করুন।

৩০: বাচ্চাদের ইংরেজি কার্টুন দেখুন

বাচ্চাদের কার্টুনে খুব সহজ ইংরেজি ব্যবহার করা হয়। ভাষা শেখার শুরুতে কার্টুন দেখা সত্যিই খুব কাজে দেয়।

৩১: শুধু স্পোকেন নয়, ব্যাকরণ আর শব্দে জোর দিন

শুধু বানিয়ে কথা বললেই হয় না, ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডার ঠিক থাকলে আপনার কথা হবে অনেক সুন্দর ও মার্জিত।

৩২: আপনার ফোন বা ল্যাপটপের ভাষা 'English' করুন

ডিভাইসের ভাষা ইংরেজিতে রাখলে রোজ অনেক নতুন নতুন শব্দের সাথে পরিচিত হবেন।

৩৩: ছোট ছোট কিছু ঝটপট উত্তর শিখে রাখুন

কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে তক্ষণি কী বলতে হয় (যেমন: "Exactly!", "No way!")—এমন ছোট ফ্রেজ শিখে রাখুন।

৩৪: নিয়মিত ইংরেজি খবর শুনুন

সংবাদ পাঠকদের উচ্চারণ খুব সুন্দর ও স্পষ্ট হয়। প্রতিদিন ইংরেজি খবর শুনলে আপনার উচ্চারণেও পরিবর্তন আসবে।

৩৫: নিজের কথা রেকর্ড করে শুনুন

ফোনে নিজের কথা রেকর্ড করে শুনুন অথবা ভালো কোনো বন্ধুকে শোনান। এতে নিজের ভুলগুলো নিজেই ধরতে পারবেন।

৩৬: বিশেষ বিশেষ মুহূর্তের ইংরেজি শিখে রাখুন

রেস্তোরাঁয় খাবার অর্ডার করা বা দোকানে দরদাম করার মতো দরকারি মুহূর্তগুলোর ইংরেজি আগে থেকেই শিখে রাখুন।

৩৭: ইংরেজি শেখাকে মজার বানিয়ে তুলুন

বোরিং নিয়ম না পড়ে গেম খেলে, সিনেমা দেখে বা আড্ডা দিয়ে মজা করে ইংরেজি শিখুন।

৩৮: আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অনুশীলন করুন

আয়নার সামনে নিজের চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। এতে আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ আর আত্মবিশ্বাস দুটোই বাড়বে।

৩৯: নিজের মতো গুছিয়ে কথা বলুন

কঠিন বা মুখস্থ কথা না বলে, নিজের মনের ভাব যেভাবে সহজ হয় সেভাবে প্রকাশ করুন।

৪০: দরকারী কিছু Idioms & Phrases শিখুন

প্রচলিত কিছু ফ্রেজ বা বাগধারা ব্যবহারে আপনার ইংরেজি হবে অনেক মানসম্মত ও প্রাঞ্জল।

৪১: নতুন যা শিখছেন তা লিখে ফেলুন

নতুন শব্দ দিয়ে বাক্য লিখে চর্চা করুন। লিখলে মাথা থেকে জিনিসটা সহজে মুছে যায় না।

৪২: ইংরেজিতে ছোট গল্প বা জোকস বলুন

আপনার জানা যেকোনো মজার গল্প বা জোকস ইংরেজিতে বন্ধুদের বলার চেষ্টা করুন।

৪৩: ইংরেজি কোনো ইভেন্ট বা ক্লাবে অংশ নিন

যেসব জায়গায় বা অনুষ্ঠানে ইংরেজি চর্চা করা বাধ্যতামূলক, সেখানে নিয়মিত যোগ দিন।

৪৪: বন্ধুদের সাথে ইংরেজিতে বিতর্ক করুন

যেকোনো সাধারণ বিষয় নিয়ে বন্ধুদের সাথে ইংরেজিতে তর্ক বা বিতর্ক করুন। এতে খুব দ্রুত যুক্তি দিয়ে কথা বলা শিখবেন।

৪৫: কথা বলার সময় তাড়াহুড়ো করবেন না

দ্রুত কথা বলার দরকার নেই। ধীরে বলুন, কিন্তু স্পষ্ট ও সঠিকভাবে বলুন।

৪৬: র‍্যাপ গানের সাথে তাল মিলিয়ে গাওয়ার চেষ্টা করুন

ইংরেজি র‍্যাপ গান গাইলে জিভের জড়তা দ্রুত কাটে এবং দ্রুত শব্দ উচ্চারণে সুবিধা হয়।

৪৭: মাঝপথে ভদ্রভাবে কথা বলার নিয়ম শিখুন

কারো আলোচনার মাঝে সুন্দর ও ভদ্রভাবে কীভাবে নিজের পয়েন্ট তুলে ধরতে হয় তা শিখে নিন।

৪৮: সবসময় শেখার জন্য উন্মুক্ত থাকুন

ইংরেজি শেখা একদিনের কাজ নয়। একটা কোর্স শেষ হলেও সবসময় নতুন কিছু শেখার আগ্রহ ধরে রাখুন।

৪৯: যতটুকু সহজভাবে জানেন, ততটুকুই বলুন

না বুঝে কঠিন শব্দ ব্যবহার করে আটকে যাওয়ার চেয়ে সাধারণ সহজ ইংরেজি সাবলীলভাবে বলাই ভালো।

৫০: নিজের আঞ্চলিক টান (Accent) নিয়ে লজ্জা পাবেন না

কথা বলার সময় একটু দেশের বা অঞ্চলের টান থাকা একদম স্বাভাবিক। এটা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব না রেখে নির্দ্বিধায় বলে যান!

নিয়মিত অনুশীলন ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে ইংরেজি বলা সহজ করে তুলুন।

পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষ জন্মের পর মুহূর্তে নতুন একটা জগতের জন্ম হয়। তেমনি প্রতিটি মানুষের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে সে পৃথিবী ব্ল্...
12/07/2026

পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষ জন্মের পর মুহূর্তে নতুন একটা জগতের জন্ম হয়। তেমনি প্রতিটি মানুষের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে সে পৃথিবী ব্ল্যাক হোলে হারিয়ে যায় চিরতরে। তার সকল অনুভূতি, অভিজ্ঞতা, কল্পনা, চিন্তাভাবনা, স্বপ্ন সবকিছু বিলীন হয়ে যায়।

তবে সে যদি তার যাপিত জীবনের সবকিছু লিপিবদ্ধ করে রেখে যায় তবে আমাদের সেই পৃথিবীতে ভ্রমণের সৌভাগ্য হয়। আমরা তখন অন্যের জীবন যাপনের অভিজ্ঞতা অর্জন করে সমৃদ্ধ হতে পারি।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় জীবনের শেষপ্রান্তে এসে আনন্দবাজার পত্রিকায় নিয়মিত কলাম লিখতেন। সেই নিবন্ধগুলোর সংকলন এই চমৎকার বইটি।

একজন ইন্টেলেকচুয়াল মানুষ হিসেবে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর জীবনে কী দেখবেন আর কী শুনবেন তা আগে থেকেই ডিসাইড করতেন। তাঁর পারিপার্শ্বিক জগতের সমস্ত খুঁটিনাটি সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ভাবে পর্যবেক্ষণ করে নির্দ্ধিধায় সমস্তকিছু এই নিবন্ধগুলোয় ব্যক্ত করেছেন নির্ভয়ে। তাঁর সমস্ত স্বপ্ন, কল্পনা, অভিজ্ঞতা, অনুভূতি নিঃসংকোচে প্রকাশ করেছেন।

সুনীলের যেকোন লেখা আমার বরাবরই প্রিয়। আমার নিজের মধ্যে সুনীলের অনেকটা ছাপ আছে। বলা যায় সুনীল দ্বারা প্রভাবিত একজন পাঠক। রেকমেন্ডেড।

প্রতি মাসে নিজেকে অন্তত কিছু একটা গিফট করা উচিত।
11/07/2026

প্রতি মাসে নিজেকে অন্তত কিছু একটা গিফট করা উচিত।

I am both happy and sad and I'm still trying to figure out how that could be.Good morning 😊
11/07/2026

I am both happy and sad and I'm still trying to figure out how that could be.

Good morning 😊

10/07/2026

Late in the winter of my seventeenth year, my mother decided I was depressed, presumably because I rarely left the house, spent quite a lot of time in bed, read the same book over and over, ate infrequently, and devoted quite a bit of my abundant free time to thinking about death.

আমার প্রিয় তিনটা অভ্যাস: বই পড়া, কন্টেন্ট ক্রিয়েট করা এবং নতুন স্কিল শেখা।অভ্যাস আমাদের জীবন আনন্দময় করে। অভ্যাসের পাওয়া...
10/07/2026

আমার প্রিয় তিনটা অভ্যাস: বই পড়া, কন্টেন্ট ক্রিয়েট করা এবং নতুন স্কিল শেখা।

অভ্যাস আমাদের জীবন আনন্দময় করে। অভ্যাসের পাওয়ার সবচেয়ে বেশি। এর থেকে ভালো কিছু বোধহয় নেই। আপনি প্রতিদিন যা করেন তাই আপনি। আপনি প্রতিদিন যা ভাবেন তাই আপনার আচরণে প্রকাশ পায়৷ অভ্যাসই আপনার ভবিষ্যত নির্দিষ্ট করে দেয়।

১। বই পড়া

প্রতিদিন অন্তত ৩০ পৃষ্ঠা বই পড়ি৷ আমি মুড রিডার তাই যখন যা ইচ্ছে হয় তা পড়ি৷ এভাবে বছর শেষে দেখা যায় আমি প্রায় ১০০-২০০ বই পড়ে ফেলছি৷ আমি ফিকশন পড়তে বেশি পছন্দ করি। পাশাপাশি কবিতা, গান, চিত্রকলা আমার আগ্রহের বিষয়।

২। কন্টেন্ট ক্রিয়েট করা

সপ্তাহের সাত দিনই আমি কন্টেন্ট ক্রিয়েট করি। কোনোদিন হয়তো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর আর্টিকেল লিখি, অথাবা সদ্য পড়া কোনো বইয়ের জন্য ভিডিও রিভিউ করি, কিংবা গুডরিডস এবং কোরার জন্য বুক রিভিউ লিখি। তবে প্রতিদিনই করি৷ একদিনও মিস হয় না।

৩। নতুন স্কিল শেখা

কোর্সেরা আমার বিশ্ববিদ্যালয়। কোর্সেরা হলো বিশ্বের সেরা লার্নিং প্ল্যাটফর্ম। যেখানে বিশ্বের সেরা এক্সপার্টদের থেকে নতুন স্কিল অর্জন করতে পারবেন। কোর্সেরা থেকে আমি প্রতি মাসে অন্তত একটা কোর্স করি, যার মাধ্যমে নতুন কোনো স্কিল শিখতে পারি। এখন করছি Think Outside the Inbox: Email Marketing কোর্সটি। নতুন স্কিল আমার প্রফেশনাল লাইফকে আরও আপগ্রেড করে।

আপদি যদি আমার মতো এমন তিনটা অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন তবে আপনি অলয়েজ কনটেন্ট অর্থাৎ সুখী থাকবেন। আপনার জীবন হবে পরিপূর্ণ। তবে অভ্যাসের সংজ্ঞাটা আপনার অবশ্যই মনে রাখতে হবে।

আমার কাছে অভ্যাস হলো যা আমি প্রতিদিন করি তাই।

অভ্যাসের সংজ্ঞা এক লাইনে বলুন তো?
আপনার প্রিয় তিনটা অভ্যাস কী?

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Books With Akash posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share