28/02/2026
যখন মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্র স্থান মসজিদুল আকসা রক্ষা করার জন্য ফিলিস্তিনি মুসলিমদের বিভীষিকাময় অবস্থা চলছিল, তখন একটিমাত্র রাষ্ট্রই বাঘের মতো গর্জন দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল—সেটি হলো ইরান। অথচ যাদের আমরা সবসময় আমাদের আইডল হিসেবে বিবেচনা করি, তারা তখন হাতে চুড়ি পরে লেজ গুটিয়ে বসে বসে সব দেখেছে; অথচ তারা সবসময় নিজেদের খাঁটি মুসলিম দাবি করে। আসলে স্বার্থ এবং লোভে পড়লে মানুষ নিজের সৃষ্টিকর্তাকেও ভুলে যায়, যার জ্বলন্ত উদাহরণ সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কের মতো কিছু দেশ। হয়তো কখনো যখন নিজের স্বার্থের ওপর আঘাত আসবে, তখন তাদের অনুশোচনা হবে—হায়! অতীতে আমরা কী ভুলের মধ্যে ছিলাম। কিন্তু তখন অনুশোচনা করেও কোনো লাভ হবে কি না, তার অবকাশ নেই।
শুধু শক্তি থাকলেই বীর হওয়া যায় না, বীর হতে গেলে সাহসের প্রয়োজন হয়। যা ইরানের আয়াতুল্লাহ খামেনী বারবার প্রমাণ করে গিয়েছেন।
একটি গল্প আছে—আশেপাশে অসংখ্য মহিষের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মহিষকে টার্গেট করে হায়েনারা যখন ঝাঁপিয়ে পড়ে, তখন বাকি মহিষগুলো তা প্রতিহত করে না। তারা ভয়ে পালায় এবং দূরে দাঁড়িয়ে সঙ্গীর মৃত্যু দেখে। কিন্তু নীরবতা কখনো সুরক্ষা দেয় না। এরপর হায়েনারা অন্য আরেকটি মহিষকে খুবলে খুবলে খায়, বাকিরা সেদিনও শুধু চেয়ে থাকে। যারা আজ ইরানের ধ্বংস চেয়ে চেয়ে দেখছে, একদিন তারাও ধ্বংস হবে। আমরা সবাই ধ্বংস হব। প্রতিবাদ করলে হয়তো শহীদ হব, কিন্তু নীরবে সহ্য করলে একদিন হায়েনার খাবারে পরিণত হতে হবে।
অসীম এই যুদ্ধে আল্লাহ ইরানের সহায় হোন।
#ফিলিস্তিন #মসজিদুল_আকসা #মুসলিম_উম্মাহ #ইরান #প্রতিবাদ #বীরত্ব #বিপ্লব