Sahityo Darbar

Sahityo Darbar সাহিত্য দরবার প্রকাশন

17/11/2025

09/10/2025

06/10/2025
পাকিস্তানিরা তাকে ডাকতো পাপা টাইগার! তার নাম শুনলে ত্রাস সৃষ্টি হতো পাকিস্তানি ক্যান্টনমেন্টে। তিনি ছিলেন তিনটি দেশের সে...
01/09/2025

পাকিস্তানিরা তাকে ডাকতো পাপা টাইগার! তার নাম শুনলে ত্রাস সৃষ্টি হতো পাকিস্তানি ক্যান্টনমেন্টে। তিনি ছিলেন তিনটি দেশের সেনাবাহিনীর অফিসার। ১৯৪২ সালে তৎকালীন বৃটিশ সাম্রাজ্যের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ মেজর ছিলেন তিনি। মাত্র ২৩ বছর বয়সে তিনি হয়েছিলেন একটি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক। একটি দেশের স্বাধীনতার পথে মুক্তিযুদ্ধে তিনি ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান, একটি দেশকে স্বাধীনতা এনে দেয়ার রণাঙ্গনের অন্যতম মহারথী। তিনি মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী।

১৯১৮ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর এই বীরের জন্ম হয়। তাঁর বাড়ি সিলেটের বালাগঞ্জ থানায়। যার নাম এখন ওসমানী নগর।

১৯৩৪ সালে সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় তিনি পুরো ভারতবর্ষে প্রথম হয়েছিলেন। এই দারুণ ফলাফলের জন্য ব্রিটিশ সরকার ওসমানীকে প্রাইওটোরিয়া পুরস্কার দেয়।

১৯৩৮ সালে তৎকালীন সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন।

১৯৩৯ সালে রয়্যাল আর্মড ফোর্সে ক্যাডেট হিসেবে যোগ দিয়ে দেরাদুনে ব্রিটিশ-ভারতীয় মিলিটারি একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেন।

১৯৪০ সালে যোগ দিলেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর কমিশনড অফিসার হিসেবে।

১৯৪২ সালে মেজর পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন ওসমানী। ১৯৪২ সালে ওসমানী ছিলেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সর্বকনিষ্ঠ পদোন্নতি পাওয়া মেজর।

১৯৪৭ সালের ৭ অক্টোবর দেশবিভাগের পর ওসমানী যোগ দেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে। এসময় তার পদমর্যাদা ছিল লেফটেন্যান্ট কর্নেল।

১৯৫১ সালে তিনি যখন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক তখন তার হাতেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল চট্টগ্রাম সেনানিবাস।

১৯৬৭ সালে সেনাবাহিনীর চাকরি থেকে অবসর নেন তিনি।

১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সাংসদ নির্বাচিত‌ হয়েছিলেন।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ঢাকায় ছিলেন তিনি। পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে বছর চারেক আগে অবসর নেওয়া ওসমানীর সামরিক দক্ষতা ও দূরদর্শিতা সম্পর্কে পাকিস্তান সরকার অবগত ছিল। তাই ওই রাতেই ওসমানীকে হত্যার চেষ্টায় হন্যে হয়ে খোঁজে পাকবাহিনীর এক কমান্ডো। কিন্তু একেবারেই ভাগ্যগুণে অনেকটা অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে যান ওসমানী।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিবনগর সরকার, ওসমানীকে করা হয় মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি।

এম এ জি ওসমানীর নির্দেশনা অনুযায়ী সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। প্রতিটি সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে এক একজন সেনাবাহিনীর অফিসারকে নিয়োগ দেয়া হয়। বিভিন্ন সেক্টর ও বাহিনীর মাঝে সমন্বয় করা, রাজনৈতিক নেতৃত্বের সাথে যোগাযোগ রাখা, অস্ত্রের যোগান নিশ্চিত করা, গেরিলা বাহিনীর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা- প্রভৃতি কাজ সাফল্যের সাথে পালন করেন ওসমানী।

ব্রিটিশ গণতন্ত্রকে মডেল হিসেবে মনে করতেন ওসমানী। রাজনৈতিক শঠতা, কপটতার ধারেকাছেও তার অবস্থান ছিল না। চিরকুমার ও ছিলেন ওসমানী। শেষ জীবনে মেঝেতে চাদর বিছিয়ে ঘুমাতেন। নিজের সব সম্পত্তি মৃত্যুর আগেই বিলিয়ে দিয়েছেন ট্রাস্টের মাধ্যমে, যেন তা মানুষের কাজে লাগে।

আজ মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তিবাহিনী ও সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর জন্মদিন। বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করি তাকে।

কপি

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৭ আগস্ট। সাহিত্যাঙ্গনে শোকের ছায়া ফেলে ২০০৬ সা...
17/08/2025

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৭ আগস্ট। সাহিত্যাঙ্গনে শোকের ছায়া ফেলে ২০০৬ সালের এই দিনে তিনি না-ফেরার দেশে পাড়ি জমান।
‘তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা’ কিংবা ‘স্বাধীনতা তুমি’র মতো বহু কালজয়ী কবিতার স্রষ্টা শামসুর রাহমান। তাঁকে বলা হয় স্বাধীনতার কবি, কবিতার বরপুত্র।
তাঁর কবিতার পঙক্তির পর পঙক্তি মিশে আছে বাঙালির নানা আন্দোলন-সংগ্রামে।
আধুনিক বাংলা কবিতার প্রাণপুরুষ শামসুর রাহমানের কবিতার শিল্পিত উচ্চারণে প্রস্ফুটিত হয়েছে দেশ ও মানুষের কথা-আর্তি, মূর্ত হয়েছে বাঙালির গৌরবগাথা, স্বাধীনচেতা মানুষের দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা। আপন কাব্যশৈলীর গুণে তিনি আবির্ভূত হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশের পর বাংলা কবিতার ভুবনে সবচেয়ে আলোচিত কবির পরিচয়ে। সমকালীনতা ধারণকারী অনন্য প্রতিভায় উজ্জ্বল এই নাগরিক কবি।
১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ মাহুতটুলীর বাড়িতে জন্ম শামসুর রাহমানের। ২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তবে আজীবন কবিতায় সমর্পিত এ কবি চির উজ্জ্বল হয়ে বেঁচে আছেন বাঙালির সত্তায়। #

সম্প্রতি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কবিতা সংকলন নিয়ে তুমুল সমালোচনা হয়। এখানে ফ্যাসিস্ট এর সহযোগী...
25/07/2025

সম্প্রতি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কবিতা সংকলন নিয়ে তুমুল সমালোচনা হয়। এখানে ফ্যাসিস্ট এর সহযোগী কবিদের কবিতা দিয়ে প্রকাশ করা হয় এই সংকলন। এতে লেখক সমাজ ক্ষুব্ধ হন।

24/07/2025

11/07/2025

আমরা মানুষ বাহিরে ভাই
ভিতর পশুর কারখানা
ক্ষমতার অকপটে এসে
মানুষ মারতে নাই'মানা।

©ফারুক ফরায়েজি

এই হত্যার বিচার চাই

কত জন প্রিয় অভিনেতার জন্য পোস্ট শেয়ার করে।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হুমায়ুন ফরীদি প্রচুর বাকী খেতেন। তার সময়কার দোকানদ...
10/07/2025

কত জন প্রিয় অভিনেতার জন্য পোস্ট শেয়ার করে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হুমায়ুন ফরীদি প্রচুর বাকী খেতেন। তার সময়কার দোকানদাররা এখনো ওইসব বাকী নিয়ে অভিযোগ নয়, বরং তারা গর্ব করেন! কথিত আছে যে, ফরীদিকে একবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে সুমন নামে একজন ঠাট্টাচ্ছলে বলেছিলেন আপনি আলবেরুনীর ক্যান্টিনে ৩১৯ টাকা বাকী রেখেছেন, শোধ করে যাবেন! জবাবে তিনি উত্তর দেন, ‘আমি এইটা শোধ করব না।’ সবাই বলে উঠল, "কেন কেন?" উনি তখন উত্তরে বলেন, "আমি এই ক্যান্টিন, হল, ক্যাম্পাস, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মানুষগুলোর কাছে
আজীবন ঋণী থাকতে চাই। "........................

অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদী তখন হুতাপাড়ায় ছিলেন। পরিবার থেকে জরুরী কল পেয়ে রাত দুইটার পর ঢাকায় রওনা হন। নিজেই চালাচ্ছিলেন গাড়ি। সারাপথে অঝোরে বৃষ্টি। তার মাঝেই রওনা হয়েছিলেন ফরিদী।

বহুদূর চলে আসার পর খেয়াল হলো প্রোডাকশন বয় ইসমাইলকে কিছু টিপস দেয়ার কথা ছিলো। অপেক্ষা করতে বলেছিলেন। ছেলেটা টাকার আশায় বসে থাকবে।

হুমায়ুন ফরিদী সেই বৃষ্টির রাতেই গাড়ি ব্যাক করিয়ে ফিরে এলেন হুতাপাড়া। ইসমাইলকে টিপস দিয়ে তারপর আবার গাড়ি চালিয়ে ফিরেছিলেন ঢাকা। সেই ঝুম বৃষ্টির মাঝেই..
কথা খেলাপ করার মানুষ ফরিদী ছিলেননা...! ........
লেখক হুমায়ুন আহমেদ তার এক লেখায় একবার লিখেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বহু লোক একজনকে ঘিরে আছে, সবাই তার কথা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনছে, হাসছে, হাত তালি দিচ্ছে... দেখে মনে হলো শব্দের জাদুকর! কাছে গিয়ে দেখি ঝাকড়া চুলের এক তাগড়া যুবক! কথা বলার মাঝেই একটা আর্ট ছিলো! অন্য যেকোনো দশটা মানুষ থেকে সহজেই তাকে আলাদা চেনা যেতো! মানুষ টা হুমায়ুন ফরীদি! ..............

তিনি ছিলেন একাধারে শিল্পী, কবি, অভিনেতা, নাট্যশিল্পী, আবৃত্তিকার এবং মুক্তিযোদ্ধা।

CP

আজ ৮ জুলাই, প্রিয় কবি ও সাংবাদিক, "সাহিত্য দরবার প্রকাশন" এর মাননীয় উপদেষ্টা এস এম সাথী বেগম এর জন্মদিন। সাহিত্য দরবার প...
08/07/2025

আজ ৮ জুলাই, প্রিয় কবি ও সাংবাদিক, "সাহিত্য দরবার প্রকাশন" এর মাননীয় উপদেষ্টা এস এম সাথী বেগম এর জন্মদিন। সাহিত্য দরবার প্রকাশন এর পক্ষ থেকে নিরন্তর শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। মসৃণ হোক আগামীর পথচলা।
www.sahityodarbar.com

Address

56, Chankarpul Lane, Nazimuddin Road, Bangshal
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sahityo Darbar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sahityo Darbar:

Share