Mohima's Dairy

Mohima's Dairy Welcome my page.❤️
(3)

জন্মের পর প্রথম এক বছরে শিশুর শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশে প্রতি মাসে যেসব পরিবর্তন আসে - ​১ম মাস: আলো বা শব্দের দিক...
26/09/2026

জন্মের পর প্রথম এক বছরে শিশুর শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশে প্রতি মাসে যেসব পরিবর্তন আসে -

​১ম মাস: আলো বা শব্দের দিকে সাড়া দেওয়া, কেবল বুকের দুধ পান করা এবং পরিচিত কণ্ঠ শুনলে মাথা ঘোরানো।

​২য় মাস: সামাজিক হাসি (Social Smile) দেওয়া, পেটে শুয়ে মাথা সামান্য ওপরে তোলার চেষ্টা করা এবং আওয়াজ লক্ষ্য করা।

​৩য় মাস: রঙিন জিনিসের দিকে নজর দেওয়া, হাতের মুঠি খোলা-বন্ধ করা এবং কনুইয়ে ভর দিয়ে বুক একটু ওপরে তোলা।

​৪র্থ মাস: স্পষ্ট হেসে ওঠা, খেলনা ধরার চেষ্টা করা এবং একা একা কাৎ বা উপুড় হওয়ার চেষ্টা শুরু করা।

​৫ম মাস: পিঠ থেকে পেটে বা পেট থেকে পিঠে গড়ায় (Rolling over), নিজের নাম শুনলে তাকায় এবং স্বরবর্ণের মতো আওয়াজ (Oo, Aa) তৈরি করে।

​৬ষ্ঠ মাস: কারো সাহায্য নিয়ে বা হেলান দিয়ে বসতে পারা, আয়নায় নিজের ছবি দেখে হাসা এবং শক্ত খাবার (Solid foods) গ্রহণ শুরু করা।

​৭ম মাস: সাহায্য ছাড়াই কিছু সময় বসে থাকা, জিনিসপত্র এক হাত থেকে অন্য হাতে নেওয়া এবং 'বাবা' বা 'মামা'র মতো শব্দের পুনরাবৃত্তি করা।

​৮ম মাস: উপুড় হয়ে হামাগুড়ি দেওয়ার চেষ্টা করা (Creeping), পরিচিত ও অপরিচিত মানুষের পার্থক্য বুঝতে পারা এবং পছন্দ-অপছন্দ প্রকাশ করা।

​৯ম মাস: ভালোভাবেই হামাগুড়ি দেওয়া (Crawling), ধরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা এবং বুড়ো আঙ্গুল ও তর্জনী দিয়ে ছোট জিনিস ধরা (Pincer grasp)।

​১০ম মাস: কোনো কিছু ধরে নিজে নিজে দাঁড়িয়ে যাওয়া, ইশারা বুঝে প্রতিক্রিয়া দেওয়া (যেমন: টা-টা দেওয়া) এবং কিছু শব্দ বুঝে সাড়া দেওয়া।

​১১তম মাস: ধরে ধরে হাঁটার চেষ্টা করা (Cruising), অন্যদের অনুকরণ করা এবং অতি পরিচিতত্তয়তবস্তুর নাম বুঝতে পারা।
​১২তম মাস (১ বছর): কোনো সাহায্য ছাড়াই কয়েক সেকেন্ড দাঁড়াতে পারা বা প্রথম স্বাধীন পদক্ষেপ ফেলা, ১-২টি স্পষ্ট শব্দ বলা এবং পরিচিতদের সাথে সামাজিক মিথস্ক্রিয়া বাড়ায়।

তবে প্রত্যেক বাচ্চা বেড়ে ওঠা বা বিকাশ এক থাকে না, কোনো বাচ্চা সামাজিক বিকাশে সময় নিতে পারে।
তাই চিন্তিত না হয়ে বাচ্চাকে সময় দেওয়া উচিত।

25/09/2026

কারণ শেষ কথা মানুষের না.............

🤲

24/09/2026

আমি একজন নারী

😅

বয়স অনুযায়ী বাচ্চার খাবারের ধরন- 👉 ৭ মাস বয়স​এই বয়সে শিশুর খাবার হবে কিছুটা ঘন নরম চালের খিচুড়ি, সুজি বা পিউরি জাতীয়।​সক...
24/09/2026

বয়স অনুযায়ী বাচ্চার খাবারের ধরন-
👉 ৭ মাস বয়স
​এই বয়সে শিশুর খাবার হবে কিছুটা ঘন নরম চালের খিচুড়ি, সুজি বা পিউরি জাতীয়।
​সকাল (৭:০০ - ৮:০০): বুকের দুধ / ফর্মুলা দুধ।
​সকালের নাশতা (৯:০০ - ১০:০০): নরম চাল-ডালের খিচুড়ি অথবা চটকানো কলা/সিদ্ধ ডিমের কুসুম।
​দুপুর (১২:৩০ - ১:৩০): নরম খিচুড়ি (সঙ্গে একটু ঘি, গাজর বা মিষ্টি কুমড়ার পিউরি)।
​বিকাল (৪:০০ - ৫:০০): বুকের দুধ / ফলের পিউরি (আপেল বা পেপে সিদ্ধ করে চটকানো)।
​রাত (৭:৩০ - ৮:৩০): হালকা নরম খিচুড়ি।
​রাতে ঘুমানোর আগে ও রাতে: চাহিদা অনুযায়ী বুকের দুধ।

​👉৮ - ৯ মাস বয়স
​এই বয়সে খাবারে ছোট ছোট নরম টুকরো (Finger food) বা আধ-ভাঙ্গা নরম খাবার অভ্যস্ত করুন।
​সকাল (৭:০০): বুকের দুধ।
​সকালের নাশতা (৮:৩০ - ৯:০০): ওটস/সাজানো নরম খিচুড়ি বা নরম রুটি দুধে ভিজিয়ে।
​মিড-মর্নিং (১১:০০): ফলের টুকরো (পাকা কলা, পাকা পেঁপে বা সিদ্ধ গাজর)।
​দুপুর (১:০০ - ১:৩০): খিচুড়ি (সবজি, চাল, ডাল ও ছোট ছোট মাছ/মুরগির মাংসের কিমা বা ডিমের কুসুম)।
​বিকাল (৫:০০): বুকের দুধ নরম পায়েস (চিনি ছাড়া)।
​রাত (৮:০০): খিচুড়ি বা নরম ভাত চটকানো।
​রাতে: চাহিদা অনুযায়ী বুকের দুধ।
​
👉 ১০ - ১১ মাস বয়স
​এ সময় শিশু নিজেই হাত দিয়ে খাবার তুলে খাওয়ার চেষ্টা করে। তাকে পারিবারিক খাবারের সাথে পরিচিত করানো শুরু করুন (ঝাল ও অতিরিক্ত মসলা ছাড়া)।
​সকাল (৭:০০): বুকের দুধ।
​সকালের নাশতা (৮:৩০): নরম পরোটা/রুটি ভিজিয়ে বা খিচুড়ি + ১টি পুরো ডিম (সিদ্ধ/স্ক্র্যাম্বল্ড)।
​মিড-মর্নিং (১০:৩০ - ১১:০০): মৌসুমি ফল (পাকা আম, কলা, বা আপেলের টুকরো)।
​দুপুর (১:৩০): ভাত (সামান্য চটানো) + পাতলা ডাল + নরম মাছ/মুরগি ও সবজি।
​বিকাল (৫:০০): সাগু/ পায়েস/ হোমমেড পুডিং/ বুকের দুধ।
​রাত (৮:৩০): ভাত বা খিচুড়ি।
​রাতে: চাহিদা অনুযায়ী বুকের দুধ।

​👉 ১ বছর বয়স
​১ বছর পূর্ণ হলে শিশু ঘরের স্বাভাবিক পারিবারিক খাবার সবই খেতে পারবে। দিনে ৩ বার প্রধান খাবার ও ২ বার হালকা নাশতা দিন।
​সকাল (৮:০০): পারিবারিক নাশতা (রুটি, ডিম, ডাল বা পরোটা/খিচুড়ি)।
​মিড-মর্নিং (১০:৩০): ১ কাপ গরুর দুধ (অথবা বুকের দুধ) + ১টি ফল।
​দুপুর (১:৩০): পারিবারিক চালের ভাত + মাছ/মাংস + তরকারি ও ডাল।
​বিকাল (৫:৩০): ঘরের তৈরি নাশতা (নুডুলস, সুজি, বিস্কুট বা হোমমেড স্ন্যাকস)।
​রাত (৮:৩০): নরম ভাত বা রুটি-ডাল-সবজি।
​ঘুমানোর আগে: ১ কাপ দুধ।

​👉 ২ বছর বয়স
​এই বয়সে শিশুর খাদ্যাভ্যাস বড়দের মতোই হবে। খাবারের পুষ্টিমান ও রঙিন পরিবেশনার দিকে খেয়াল রাখুন।
​সকাল (৮:০০): ডিম, রুটি/পরোটা, সবজি বা খিচুড়ি।
​মিড-মর্নিং (১১:০০): ফল বা ১ গ্লাস ফ্রুট জুস/দুধ।
​দুপুর (২:০০): পর্যাপ্ত ভাত, মাছ/মাংস, ডাল, সবজি ও সালাদ।
​বিকাল (৫:৩০): ঘরে বানানো পিঠা, নুডুলস, পনির বা ডিমের তৈরি নাশতা।
​রাত (৯:০০): পারিবারিক রাতের খাবার (ভাত/রুটি, তরকারি)।
​ঘুমানোর আগে: ১ গ্লাস দুধ।

✅ প্রতিটি শিশুর রুচি ও হজমক্ষমতা আলাদা, তাই জোর করে না খাইয়ে শিশুর ক্ষুধা ও রুচির দিকে নজর দিন।
✅ ১ বছর বয়সের আগে খাবারে অতিরিক্ত লবণ ও চিনি যোগ করা থেকে বিরত থাকুন।
✅ খাবার তৈরিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।

আমি জীবনে প্রায় দশ হাজার খাতা দেখেছি। বাংলা পরীক্ষার খাতা। লাল কালির কলম দিয়ে নম্বর দিয়েছি। কোথাও আট। কোথাও বারো। কোথাও ...
23/09/2026

আমি জীবনে প্রায় দশ হাজার খাতা দেখেছি। বাংলা পরীক্ষার খাতা। লাল কালির কলম দিয়ে নম্বর দিয়েছি। কোথাও আট। কোথাও বারো।

কোথাও পঁচিশ। কোথাও শূন্য। মানুষের লেখা দেখে মানুষকে বিচার করা আমার পেশা ছিল। কখনো ভাবিনি, একদিন একটা খাতা আমার নিজের জীবনটাকেই বিচার করবে।

ঘটনাটা আজ থেকে প্রায় বাইশ বছর আগের।

তখন আমি মোহনগঞ্জ হাই স্কুলের শিক্ষক। নবম শ্রেণির খাতা দেখতাম। সেবার একটা রচনা ছিল, “আমার দেখা একটি বর্ষার দিন।”

বেশিরভাগ ছাত্র একই কথা লিখেছিল। বৃষ্টি। কাদামাটি। ছাতা। ভেজা রাস্তা। খিচুড়ি। নদী। কারও কারও লেখায় রবীন্দ্রনাথও এসেছিলেন।

কারও লেখায় নজরুল। কেউ লিখেছিল, “বর্ষা আমার প্রিয় ঋতু।” কেউ লিখেছিল, “বর্ষার সৌন্দর্য অপরূপ।” সবই পরিচিত কথা।

তারপর একটা খাতা পেলাম। খাতাটা অন্যগুলোর মতো ছিল না। ছেলেটা লিখেছিল,
“আমাদের বাড়িতে বৃষ্টি হলে মা হাঁড়ির নিচে আরেকটা হাঁড়ি বসায়। কারণ ছাদ দিয়ে পানি পড়ে।”
আমি পড়তে থাকলাম।

“আমার মা বলে, বৃষ্টি ভালো। কারণ বৃষ্টি হলে ধুলো কমে।”
তারপর,
“আমি বৃষ্টি পছন্দ করি না।”
পরের লাইনে কারণ লিখেছে,
“বৃষ্টির দিনে বাবার মেজাজ খারাপ থাকে।”
আমি একটু থেমে গেলাম।
ছেলেটা লিখেছে,

“বাবা রিকশা চালায়। বৃষ্টি হলে মানুষ রিকশায় কম ওঠে। তাই সেদিন আমাদের ভাত কম হয়।”

তারপর শেষ দিকে একটা লাইন,
“আমি বড় হয়ে এমন একটা কাজ করতে চাই, যেদিন বৃষ্টি হলে কারও ভাত কমবে না।”

আমি অবাক হয়ে দেখলাম, ছেলেটা সবগুলো প্রশ্নের উত্তর লেখেনি। মাত্র তিনটা প্রশ্নের উত্তর লিখেছে।

বাকী দুইটাতে তেরো পেয়েছে। অর্থাৎ রচনায় বিশের মধ্যে বিশ না পেলে ছেলেটা ফেইল করবে।

জানি না কেন, আমি আমার শিক্ষাগত জীবনে প্রথমবারের মতো নিয়ম ভাঙলাম।

আমি খাতাটা বন্ধ করলাম। উপরে নম্বর দিলাম, ৩৩।
৩৩ খুব বেশি নম্বর না। ছেলেটা ভালো লিখেছিল।

আমি খাতার উপর ছোট করে লিখে দিলাম,
“ভাষা ভালো। নিজের অভিজ্ঞতা ধরে রাখবে।”

সেদিন প্রায় একশো বিশটা খাতা দেখেছিলাম। রাতে বাসায় ফিরে খাতাটার কথা ভুলে গেলাম।

বারোদিন পর স্কুল থেকে একটা চিঠি এলো। কয়েকটা খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য পাঠানো হয়েছে।

একটা খাতায় অভিযোগ, নম্বর বেশি দেওয়া হয়েছে। খাতাটা আমার হাতে এলো। আমি নাম দেখে চিনতে পারলাম। সেই ছেলেটা। নাম,
সাইফুল ইসলাম।

তার নম্বর ৩৩ থেকে ২০ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
কারণ হিসেবে হেডস্যার লিখেছেন,
“অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ। প্রশ্নের বিষয়বস্তু যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়নি।”

আমি আবার খাতাটা পড়লাম। একই লেখা। একই বৃষ্টি। একই ভাঙা ছাদ। একই রিকশাওয়ালা বাবা। আমি ৩৩ ই রাখলাম।

হেডস্যার আমার উপর প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হলেন। এই কারণেই কি-না, মাসখানেক পর আমাকে রাঙামাটি সরকারি হাইস্কুলে বদলি করা হলো।

তারপর অনেক বছর কেটে গেল।

আমি অবসর নিলাম। আমার ছাত্ররা দেশের নানা জায়গায় ছড়িয়ে গেল। কেউ ডাক্তার। কেউ ব্যাংকার। কেউ শিক্ষক। কেউ বিদেশে।

কেউ আর কোনোদিন যোগাযোগ করেনি। এটাই স্বাভাবিক। শিক্ষকের জীবনে ছাত্ররা আসে। থাকে।তারপর চলে যায়। শুধু কিছু খাতা থেকে যায়। কিছু বাক্য থেকে যায়।

একদিন দুপুরে আমার বাসায় একজন যুবক এল। বয়স পয়ত্রিশের কাছাকাছি। পরনে খুব সাধারণ শার্ট। হাতে একটা ফাইল।

সে বলল,
“স্যার, আমাকে চিনেছেন?”
আমি বললাম,
“চেহারা পরিচিত লাগছে।”
সে হাসল।
“চিনবেন না।”
তারপর ফাইল খুলে একটা পুরোনো কাগজ বের করল।
আমার লেখা।
লাল কালিতে।
“ভাষা ভালো। নিজের অভিজ্ঞতা ধরে রাখবে।”
আমি অনেকক্ষণ কাগজটার দিকে তাকিয়ে থাকলাম।
তারপর বললাম,
“সাইফুল?”
সে মাথা নেড়ে হাসল।
“জি।”
আমি অবাক হয়ে বললাম,
“এত বছর পর?”
“আপনাকে একটা জিনিস দেখাতে আসছি।”

সে ফাইল থেকে একটা ছবি বের করল। ছবিতে একটা বড় ঘর। অনেকগুলো মেশিন।

দেয়ালে লেখা,
“বৃষ্টির দিনেও কাজ বন্ধ হবে না।”
আমি ছবিটার দিকে তাকিয়ে বললাম,
“এটা কী?”
সে বলল,
“আমার কারখানা।”
“তুমি কারখানা করেছ?”
“জি।”
“কী তৈরি করো?”
“রেইনকোট।”
আমি হেসে ফেললাম।

সে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল।
আমি তাকে চা দিলাম।
সে বলল,
“স্যার, আমি একটা কথা বলতে চাই।”
“বলো।”
“আপনি যদি ঐ খাতায় ৩৩ না দিতেন!”
সে থেমে গেল।
“তাহলে?”
“বাবা আমার লেখাপড়া বন্ধ করে দিতো।”
তারপর একটা লম্বা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো।
”হয়তো বাবার মতো আমাকেও রিকশা চালাতে হতো।”
আমি জিজ্ঞেস করলাম,
“তুমি সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দাওনি কেন?”

সে একটু নিচের দিকে তাকাল।
“আমার মা খুব অসুস্থ ছিল।”
আমি চুপ করে শুনছিলাম।

“নেত্রকোনা হাসপাতালে ভর্তি ছিল। পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময়ও জানতাম না মা বাঁচবে কি না। হলের মধ্যে বসে বারবার মনে হচ্ছিল, আমি এখানে কী করছি?”
সে একটু থামল।

“সেদিন আমার মাথায় পরীক্ষা ছিল না, স্যার। শুধু মনে হচ্ছিল, মা একা শুয়ে আছে।”
“তোমার মা?”
“একমাস পর মারা গেছেন।”
আমি কিছুক্ষণ চুপ করে রইলাম।
বললাম,
“কলেজে ভর্তি হয়েছিলে?”
“জি”
“বিশ্ববিদ্যালয়?”
“জি?”
“কী নিয়ে পড়েছো?
“টেক্সটাইল।”
আমি হেসে বললাম,
“তাহলে রেইনকোটের সঙ্গে সম্পর্ক আছে।”
সে বলল,
“আছে।”
তারপর কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল।
“কিন্তু আমার আসল কাজ অন্য।”
“কী?”

সে জানালার দিকে তাকিয়ে বলল,
“আমি এমন কাপড় বানানোর চেষ্টা করি যেটা খুব সস্তায় মানুষের শরীর শুকনো রাখতে পারে।”
আমি বললাম,
“কেন?”
সে আমার দিকে তাকাল।
“কারণ আমি বৃষ্টিতে ভাত কম খেয়েছি।”

আমি আর কথা বললাম না। তারপর সে আমাকে কারখানায় নিয়ে গেল। বিশাল কারখানা। হাজারের উপর কর্মী। বেশিরভাগই নারী।

একটা মেশিনের সামনে দাঁড়িয়ে সাইফুল বলল,
“বৃষ্টি হলে এখানে কারো ভাতের অভাব হয় না।”
আমি বললাম,
“তুমি কি সব কর্মীকে বৃষ্টির দিনে বাড়তি টাকা দাও?”
সে বলল,
“না।”
“তাহলে?”
“বৃষ্টি হলে কাজ বেশি দিই।”
আমি বুঝলাম না।
সে বলল,
“বাইরে যারা রাস্তায় কাজ করতে পারে না, তাদের জন্য এই কারখানাটা খোলা থাকে।”

তারপর আরেকটা মেশিনের পাশে গিয়ে দাঁড়াল।
একজন মহিলা সেলাই করছিল।
সাইফুল তাকে বলল,
“খালা, আজ কয়টা?”
মহিলা বললো,
“বত্রিশ।”
সাইফুল হেসে বলল,
“ঠিক আছে।”
আমি জিজ্ঞেস করলাম,
“তার নাম?”
“শাহিদা।”
“কতদিন ধরে কাজ করে?”
“দুই বছর।”
শাহিদা আমাদের দিকে তাকিয়ে একটু হাসলো।
তারপর আবার কাজ করতে লাগলো।

বাড়ি ফেরার আগে সে আমাকে একটা ছোট প্যাকেট দিল।
আমি বললাম,
“এটা কী?”
“পড়ে খুলে দেখবেন।”
“কেন?”
“আমার সামনে খুললে আমি লজ্জা পাব।”
আমি হেসে প্যাকেটটা নিলাম।

বাড়ি ফেরার পথে খুলে দেখি, একটা রেইনকোট। খুব সুন্দর। ভেতরে ছোট একটা কাগজ। তাতে লেখা- “স্যার, আপনি আমাকে নম্বর দিয়েছিলেন। আমি শুধু চেষ্টা করেছি, নম্বরটার মান রাখতে।”

আমি অনেকক্ষণ কাগজটা হাতে নিয়ে বসে থাকলাম। সময়টা উদযাপন করতেই কি-না, বৃষ্টি পড়তে শুরু করলো।

আমি রেইনকোটটা ব্যাগ থেকে বের করে গায়ে দিলাম। রাস্তা ভিজে যাচ্ছিল। রিকশাগুলো ধীরে চলছিল। দোকানের টিনের চাল থেকে পানি পড়ছিল।

একটা বাচ্চা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে ছিল। তার হাতে ছাতা নেই। কিন্তু সে ভয় পাচ্ছিল না। আমি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে তাকে দেখলাম।

তারপর হঠাৎ মনে হলো, মাঝে মাঝে পৃথিবীর এক প্রান্তে নিয়ম ভাঙতে হয়, যেন পৃথিবীর আরেক প্রান্তে দারুণ কিছু গড়ে ওঠে।

আমি হয়তো সারা জীবন খাতায় নম্বর দিয়েছি। কিন্তু সেদিন প্রথমবারের মতো বুঝতে পেরেছি, কখনো কখনো একজন শিক্ষক শুধুমাত্র ছাত্রের খাতা দেখেন না।

তার সামনে পড়ে থাকে একজন মানুষের ভবিষ্যৎ। আর সেই ভবিষ্যৎকে পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য সামান্য কয়টা নম্বরই যথেষ্ট!

© Sohel R Rana

সকালে ঘুম থেকে উঠলেই বাচ্চাকে এই কাজগুলো করতে অভ্যাস করুন।। 👉 ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে কুসুম গরম পানি খাওয়ান। 👉 সম্ভাব...
22/09/2026

সকালে ঘুম থেকে উঠলেই বাচ্চাকে এই কাজগুলো করতে অভ্যাস করুন।।

👉 ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে কুসুম গরম পানি খাওয়ান।

👉 সম্ভাব হলে বাইরে থেকে হেটে আসুন।

👉 বাচ্চাকে ভরপেট পুষ্টিকর নাস্তা করান।

👉 মোবাইল থেকে দূরে রাখুন।।

বাচ্চাদের চা / কফি খাওয়ালে যে ক্ষতি গুলো হতে পারে - 👉​ক্যাফেইনের প্রভাব: চা ও কফিতে থাকা ক্যাফেইন শিশুদের কেন্দ্রীয় স্না...
21/09/2026

বাচ্চাদের চা / কফি খাওয়ালে যে ক্ষতি গুলো হতে পারে -
👉​ক্যাফেইনের প্রভাব: চা ও কফিতে থাকা ক্যাফেইন শিশুদের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করে। এর ফলে শিশুদের ঘুম কম হওয়া, অতিরিক্ত চঞ্চলতা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, মনোযোগের অভাব এবং দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগ বাড়তে পারে।
👉​আয়রন শোষণে বাধা: চায়ের মধ্যে থাকা 'ট্যানিন' (Tannin) এবং কফিতে থাকা 'পলিমার' খাবার থেকে শরীরে আয়রন বা লৌহ শোষণে বাধা দেয়। এর ফলে শিশুদের রক্তস্বল্পতা (Anemia) হতে পারে।
👉​হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বৃদ্ধি: ছোট বাচ্চাদের শরীর ক্যাফেইন দ্রুত মেটাবোলাইজ করতে পারে না। ফলে সামান্য ক্যাফেইনও তাদের হৃদস্পন্দন (Heart rate) ও রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।
👉​ক্যালসিয়াম ক্ষয় ও হাড়ের ক্ষতি: অতিরিক্ত ক্যাফেইন প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে ক্যালসিয়াম বের করে দেয়। ফলে বাড়ন্ত বয়সে বাচ্চাদের হাড় ও দাঁতের গঠন দুর্বল হতে পারে।
👉​ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা: চা ও কফি মাইন্ড ডাইইউরেটিক (Diuretic) হিসেবে কাজ করে, অর্থাৎ এটি ঘন ঘন প্রস্রাবের উদ্রেক ঘটায়। এতে শিশুর শরীরে পানির ঘাটতি বা পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে।
👉​পাচনতন্ত্রে সমস্যা: ক্যাফেইন পাকস্থলীতে এসিডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, যা শিশুদের পেটে ব্যথা, অ্যাসিডিটি বা বদহজমের কারণ হতে পারে।

১২ থেকে ২৪ মাস বয়সী শিশুদের জন্য রাতে সহজে হজম হয় এবং গভীর ঘুমে সাহায্য করে—এমন  ৪টি পুষ্টিকর ও সহজ খাবারের রেসিপি - 👉 ​...
20/09/2026

১২ থেকে ২৪ মাস বয়সী শিশুদের জন্য রাতে সহজে হজম হয় এবং গভীর ঘুমে সাহায্য করে—এমন ৪টি পুষ্টিকর ও সহজ খাবারের রেসিপি -

👉 ​১. রঙিন সবজি-ডাল খিচুড়ি
​চাল ২ টেবিল চামচ, মুগ বা মসুর ডাল ১ টেবিল চামচ, কুচানো গাজর, পেঁপে ও মিষ্টি কুমড়া ২ টেবিল চামচ, ১/২ চা চামচ ঘি, সামান্য হলুদ ও জিরা গুঁড়া।
​চাল, ডাল ও সবজি ভালো করে ধুয়ে নিন।
​প্রেশার কুকার বা পাত্রে পর্যাপ্ত পানি, হলুদ ও জিরা গুঁড়া দিয়ে সব উপকরণ নরম হওয়া পর্যন্ত সেদ্ধ করুন।
​নামানোর পর ১/২ চা চামচ ঘি মিশিয়ে সামান্য চটকে নিয়ে কুসুম গরম অবস্থায় পরিবেশন করুন।

👉 ​২. নরম ডিম-ওটস খিচুড়ি- ওটস ৩ টেবিল চামচ, ১টি ডিমের কুসুম (বা পুরো ডিম), কুচানো পালং শাক বা গাজর ১ টেবিল চামচ, সামান্য ঘি ও এক চিমটি জিরা গুঁড়া।
​পাত্রে ঘি দিয়ে ওটস হালকা ভেজে নিন।
​এবার পানি ও সবজি দিয়ে ওটস সেদ্ধ হতে দিন।
​ওটস সেদ্ধ হয়ে ঘন হয়ে এলে ওপর থেকে ফেটানো ডিম ছেড়ে দিয়ে দ্রুত নাড়তে থাকুন যেন ডিম ওটসের সাথে ভালোভাবে মিশে যায়।
​আরও ১-২ মিনিট ফুটিয়ে নামিয়ে নিন।

👉 ​৩. মিষ্টি আলু ও মুরগির মাংসের স্যুপ বা পিউরি
​মিষ্টি আলু (ছোট) ১টি, মুরগির বুকের মাংস (ছোট টুকরো) ২-৩ টুকরো, ১/২ চা চামচ বাটার বা ঘি, এক চিমটি গোলমরিচ গুঁড়া।
​মিষ্টি আলুর খোসা ছাড়িয়ে ছোট টুকরো করুন।
​মিষ্টি আলু ও মুরগির মাংসের টুকরো পর্যাপ্ত পানি দিয়ে একদম নরম করে সেদ্ধ করে নিন।
​সেদ্ধ মাংস ও আলু চামচ বা ব্লেন্ডার দিয়ে নরম পিউরি বানিয়ে নিন।
​ওপরে বাটার মিশিয়ে খেতে দিন।

👉 ​৪. ফল ও সুজির পুডিং
​ সুজি ২ টেবিল চামচ, দুধ /পানি ১ কাপ, পাকা কলার পেস্ট বা আপেল সিদ্ধ করে চটকানো ১ টেবিল চামচ, ১/২ চা চামচ ঘি।
​কড়াইতে ঘি দিয়ে সুজি হালকা সুবাস বের হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন।
​এবার দুধ বা পানি দিয়ে সুজি ভালো করে নেড়ে সেদ্ধ হতে দিন যেন দলা না পাকায়।
​সুজি ঘন ও নরম হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন।
​হালকা গরম বা ঠান্ডা সুজির সাথে চটকানো কলা বা আপেলের পিউরি মিশিয়ে দিন।

20/09/2026

বুড়ী হইয়া গেলাম
।

🙃😑

সাইকোলজি অনুযায়ী মেধাবী বাচ্চাদের প্রধান কিছু লক্ষণ হলো- ​দ্রুত শেখার ক্ষমতা: যেকোনো নতুন বিষয় খুব দ্রুত বুঝে ফেলা এবং...
19/09/2026

সাইকোলজি অনুযায়ী মেধাবী বাচ্চাদের প্রধান কিছু লক্ষণ হলো-

​দ্রুত শেখার ক্ষমতা: যেকোনো নতুন বিষয় খুব দ্রুত বুঝে ফেলা এবং মনে রাখা।

​তীব্র কৌতূহল: চারপাশের জিনিস নিয়ে অবিরত 'কেন' এবং 'কীভাবে' জাতীয় প্রশ্ন করা।

​সমস্যা সমাধানের দক্ষতা: যেকোনো জটিল সমস্যা বা ধাঁধা নিজের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সমাধান করার প্রবণতা।

​সমৃদ্ধ শব্দভান্ডার: বয়সের তুলনায় অনেক বিস্তৃত শব্দ প্রয়োগ এবং চমৎকারভাবে ভাব প্রকাশ করা।

​দীর্ঘ মনোযোগ: পছন্দের যেকোনো কাজে টানা অনেকক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখার অসাধারণ ক্ষমতা।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohima's Dairy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share