it’s nisschup

it’s nisschup Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from it’s nisschup, Dhaka.

আমরা প্রশ্ন করি,
বাংলাদেশের আলোচিত, ভাইরাল এবং গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ইস্যুগুলো নিয়ে সচেতনতা তৈরি, গঠনমূলক আলোচনা ও সভ্য প্রতিবাদের একটি প্ল্যাটফর্ম।
আমরা নীরব না থেকে — আমরা বলি, যুক্তি দেই, ও পরিবর্তনের কথা ভাবি।

"কোন সমস্যা নাই, আবার চেষ্টা  করেন, ইনশাআল্লাহ।এই বয়সে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে যে সাহস ও উদ্যম দেখিয়েছেন,তা নিঃসন্দেহে প্রশং...
10/07/2025

"কোন সমস্যা নাই, আবার চেষ্টা করেন, ইনশাআল্লাহ।
এই বয়সে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে যে সাহস ও উদ্যম দেখিয়েছেন,
তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য।
আজকের তরুণ প্রজন্মের উচিত আপনার এই অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাস থেকে শিক্ষা নেওয়া।
বয়স কোনো বাধা নয়—ইচ্ছা আর চেষ্টাই আসল শক্তি।
আপনাকে স্যালুট!"**

#বয়সনয়সাহস
#ইচ্ছাইশক্তি
#পরীক্ষারজয়
#অদম্যমনোবল
#এসএসসিপরীক্ষা২০২৫
#অনুপ্রেরণারগল্প
#নতুনশুরু
#সফলতারছোঁয়া
#শিক্ষারআলো
#জীবনেরলড়াই

বিস্তারিত জানতে https://www.facebook.com/share/p/19mdX6W2pz/

📢 অভিনন্দন!যারা এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছো, তোমাদেরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আজকের এই সাফল্য ভবিষ্যতের নতুন যা...
10/07/2025

📢 অভিনন্দন!
যারা এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছো, তোমাদেরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আজকের এই সাফল্য ভবিষ্যতের নতুন যাত্রার দরজা খুলে দিচ্ছে। তোমাদের স্বপ্ন আরও বড় হোক, এগিয়ে চলো সাহস নিয়ে!

💡 যারা চেয়েও পারেনি, তারা হেরে যায়নি।
ফেল করা মানেই তুমি ব্যর্থ নও — মানে তুমি শিখছো, প্রস্তুত হচ্ছো, আরেকটু সময় নিচ্ছো। হতাশ হওয়ার কিছু নেই। জীবন অনেক বড়, একটা পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়ে সবকিছু বিচার হয় না।

⏳ সময় আছে, সুযোগ আছে — এখন থেকেই শুরু করো।
নিজের ভুলগুলো চেনো, ঠিক করো, আর পরের চ্যালেঞ্জে ঝাঁপিয়ে পড়ো নতুন শক্তি নিয়ে!

---

🌟 মনে রাখো:

"সাফল্য কখনোই শেষ না,
আর ব্যর্থতা কখনোই চূড়ান্ত না —
যতক্ষণ তোমার চেষ্টা থেমে না যায়!"

---

❤️ শুভকামনা সকল শিক্ষার্থীর জন্য!

#সাফল্যেরপথে #পরীক্ষা_না_জীবনেরশেষ

"এই হালাইকে দেখলে তো মনে হয় গিয়ারেও ওঠে না, অথচ বাসায় কেমনে কি করে! এত গ্ল্যামারাস বউকে হ্যাপি রাখতে সে ঠিক কী করে… এটা ...
10/07/2025

"এই হালাইকে দেখলে তো মনে হয় গিয়ারেও ওঠে না, অথচ বাসায় কেমনে কি করে! এত গ্ল্যামারাস বউকে হ্যাপি রাখতে সে ঠিক কী করে… এটা এখন আমার জন্য একধরনের বেডরুম সায়েন্স!" 😏🔥


#রাতেররাজা
#হালাইএরহেকমত
#প্যারারপাওয়ার

#বেডরুমবস



#যা_দেখো_তা_সবসময়_না

📢 গুজব ছড়াবেন না — মানবিক হোন!সম্প্রতি ধামরাইয়ে এক তরুণীর নাচকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে একটি মিথ্যা সংবা...
10/07/2025

📢 গুজব ছড়াবেন না — মানবিক হোন!

সম্প্রতি ধামরাইয়ে এক তরুণীর নাচকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে একটি মিথ্যা সংবাদ—যাতে দাবি করা হয়েছে, তার বিয়ে নাকি ভেঙে গেছে। আমরা স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি, এই খবরটি সত্য নয়।

এই ধরনের নেগেটিভ ও ভিত্তিহীন গুজব খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং একজন নির্দোষ মানুষকে সমাজের চোখে হেয় করে তোলে। শুধু সে নয়, তার পরিবারও নানা ভাবে মানসিক চাপে ও সামাজিক বিড়ম্বনায় পড়ে। কেউ কেউ এতটাই ভেঙে পড়ে যে, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে যায়।

আমরা এই পোস্টটি দিচ্ছি গুজব রোধে সচেতনতা ছড়াতে। এই মেয়ে কে, কী করেছে, ভালো না খারাপ—সেসব নিয়ে তর্ক করাটা উদ্দেশ্য নয়। বরং আমাদের লক্ষ্য, মিথ্যা খবর ও গুজব রুখে দাঁড়ানো।

✅ আসুন, দায়িত্বশীল হই।
✅ যাচাই ছাড়া কিছু শেয়ার না করি।
✅ অন্যের জীবন নিয়ে বিনোদন না বানাই।

বিস্তারিত সত্যতা জানতে ভিজিট করুন লিংকটিতে: https://www.facebook.com/share/p/19YbwZmerf/


#গুজব_না_ছড়াই



#নেগেটিভতা_প্রচার_বন্ধ_করুন




#মানুষ_হোন
#গুজবে_না_বিশ্বাস


বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও রাজনীতির সংকটবর্তমানে বাংলাদেশ একটি সংকটময় সময় পার করছে। যাঁরা নিয়মিত গণমাধ্যম অনুসরণ ...
23/05/2025

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও রাজনীতির সংকট

বর্তমানে বাংলাদেশ একটি সংকটময় সময় পার করছে। যাঁরা নিয়মিত গণমাধ্যম অনুসরণ করেন, তাঁরা নিশ্চয়ই উপলব্ধি করতে পারেন—দেশের পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়। সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমরা অনেক কিছু সরাসরি বুঝতে না পারলেও, কিছু বিষয় আমাদের চোখে পড়ে।

আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণে মনে হয়েছে, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার একটি বড় কারণ হলো—চিপা গলি থেকে উঠে আসা তথাকথিত "পাতি নেতা"দের দাপট। এসব নেতা বড় দলের নাম ভাঙিয়ে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করছেন। রাজনীতির আসল উদ্দেশ্য—জনগণের সেবা, উন্নয়নের পরিকল্পনা, এবং দেশের ভবিষ্যৎ গঠন—এটা ভুলে গিয়ে তারা ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে রাজনীতিকে ব্যবহার করছেন।

বড় মাপের নেতারা যখন জনস্বার্থ নিয়ে কথা বলেন, তখন এই পাতি নেতারা নিজেদের ক্ষমতা ও স্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে তার বিরুদ্ধাচরণ করেন। তাঁরা ভাবেন, রাজনীতি মানেই যেন ভবিষ্যতে সুযোগ পেলেই “হ্যাডাম দেখানো” বা প্রভাব খাটানোর মাধ্যম। এটাই দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যতদিন না এই গলিতে গলিতে থাকা পাতি নেতারা সংশোধন হবে, ততদিন দেশে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। গুজব, লুটপাট, সন্ত্রাস, এবং অস্থিতিশীলতা এভাবেই চলতে থাকবে।

আমরা চাই, রাজনীতি হোক মানুষের জন্য। রাজনীতি হোক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দেশের উন্নয়নের মাধ্যম। আমরা সাধারণ মানুষ শান্তি চাই, উন্নয়ন চাই, এবং একটি সুশাসিত রাষ্ট্র চাই—যেখানে প্রতিটি রাজনৈতিক নেতা জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিবেন।
#বাংলাদেশের_রাজনীতি #রাজনৈতিক_সংকট #জনগণের_আওয়াজ #সুশাসন_চাই #দুর্নীতির_বিরুদ্ধে #গণতন্ত্র_বাঁচাও #নতুন_নেতৃত্ব #পরিবর্তনের_দাবি #সচেতন_নাগরিক #স্বচ্ছ_রাজনীতি #ভোটের_রাজনীতি #নির্বাচন_২০২৫ #জনগণের_নির্বাচন #ক্ষমতার_অপব্যবহার #রাজনীতি_না_দুর্নীতি #বাংলাদেশ_চায়_পরিবর্তন #নেতৃত্ব_হোক_জনগণের #দলীয়_রাজনীতি_না #চেতনার_রাজনীতি #বদলে_দাও_দেশ

আরজে কিবরিয়া সম্পর্কে কিছু ব্যক্তিগত ভাবনাআরজে কিবরিয়া বরাবরই আমার অত্যন্ত পছন্দের একজন উপস্থাপক ছিলেন। তাঁর শো-গুলো স...
22/05/2025

আরজে কিবরিয়া সম্পর্কে কিছু ব্যক্তিগত ভাবনা

আরজে কিবরিয়া বরাবরই আমার অত্যন্ত পছন্দের একজন উপস্থাপক ছিলেন। তাঁর শো-গুলো সব সময়ই ভিন্নধর্মী ও মানসম্মত লেগেছে, যেখানে একটা সামাজিক অবস্থান এবং দায়িত্ববোধের ছাপ থাকত। তবে সম্প্রতি একটি ভিডিওতে এমন একজন বিকৃত মানসিকতার, বিতর্কিত এবং আপত্তিকর ব্যক্তিকে শো-তে দেখে আমি সত্যিই হতাশ হয়েছি।

যে ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে ধর্ষণ সংস্কৃতি উস্কে দেয়, মানুষের মানসিক শান্তি বিনষ্ট করে এবং ব্যক্তিগত আক্রমণে লিপ্ত থাকে—তাকে শো-তে জায়গা দেওয়া আরজে কিবরিয়ার মতো একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে একদমই প্রত্যাশিত ছিল না। এ ধরনের একজন মানুষকে ‘প্রিন্স’ উপাধি দিয়ে উপস্থাপন করা এবং তাকে প্রচারের মাধ্যম বানানো কেবল শো-এর মানহানি করে না, বরং সমাজের জন্যও একটি নেতিবাচক বার্তা বহন করে।

মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা, সামাজিক মূল্যবোধ এবং ন্যূনতম ব্যক্তিত্ববোধ যার মধ্যে নেই, তাকে নিয়ে শো করার মাধ্যমে ব্যবসায়িক স্বার্থে সামাজিক দায়িত্বকে অবহেলা করা হয়েছে বলেই আমার মনে হয়েছে। একজন দর্শক হিসেবে এই শো-তে এমন একটি চরিত্র দেখে আমি সত্যিই হতাশ। এ ধরনের সিদ্ধান্ত আরজে কিবরিয়ার ভাবমূর্তি ও গ্রহণযোগ্যতাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলে।



















তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ!এ কেমন বর্বরতা! বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রিয়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নির্ভীক ও সৎ ...
21/05/2025

তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ!

এ কেমন বর্বরতা! বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রিয়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নির্ভীক ও সৎ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল জব্বার মুন্সির উপর বর্বরোচিত হামলা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও গভীরভাবে নিন্দনীয়। এই ঘটনাটি শুধু একজন কর্মকর্তার উপর হামলা নয়, এটি সৎ প্রশাসনিক কার্যক্রম, জনগণের ন্যায্য অধিকার রক্ষা এবং ন্যায়বিচারের উপর সরাসরি আঘাত।

বাংলাদেশে যদি সৎভাবে দায়িত্ব পালন করতে গেলে এর পরিণতি এমনই হয়, তাহলে কি আমরা ধরে নেব যে এখানে ভালো কাজ করাই অপরাধ? আমরা গভীর দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে প্রশ্ন তুলছি—একজন দায়িত্বশীল ম্যাজিস্ট্রেট যদি হামলার শিকার হন, তাহলে সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ? এদেশে কি তবে আইন-কানুন শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ?

এই জঘন্য হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং জোরালোভাবে দাবি করছি—এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকল অপরাধীকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। নইলে জনগণের মধ্যে এই বার্তাই যাবে যে, বাংলাদেশে আইন বলে কিছু নেই, অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে এবং সাধারণ জনগণের জীবন ও নিরাপত্তা তুচ্ছ।

আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি—সৎ কর্মকর্তা ও জনস্বার্থে কাজ করা ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সকল সচেতন নাগরিক, গণমাধ্যম ও সামাজিক শক্তিকে আহ্বান জানাচ্ছি—এই বর্বর ঘটনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন, প্রতিবাদে মুখর হোন।

ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান যেন অটল থাকে।
#বর্বরতারপ্রতিবাদ
#আব্দুলজব্বারমুন্সিরপক্ষে
#ভোক্তাঅধিকাররক্ষাচাই
#সৎকর্মকর্তারনিরাপত্তা
#আইনেরশাসনচাই
#দৃষ্টান্তমূলকশাস্তিচাই
#ভোক্তাঅধিকারনিপীড়িত
#ভয়কেজয়করো
#জনগণেরআওয়াজ
#দায়ীদেরশাস্তিচাই
#বাংলাদেশচাইন্যায়ের
#হামলাকারীদেরবিচারচাই

বাংলাদেশের স্বপ্ন ও বাস্তবতা: সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বনাম ক্ষমতার রাজনীতিবাংলাদেশ নিয়ে সাধারণ মানুষের এক চিরায়ত স্...
21/05/2025

বাংলাদেশের স্বপ্ন ও বাস্তবতা: সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বনাম ক্ষমতার রাজনীতি

বাংলাদেশ নিয়ে সাধারণ মানুষের এক চিরায়ত স্বপ্ন রয়েছে—একটি সুশৃঙ্খল, নিরাপদ, ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। এই সমাজে থাকবে না চুরি, ডাকাতি, ঘুষ, খুন, ধর্ষণ কিংবা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। থাকবে একটি কার্যকর বিচার ব্যবস্থা, যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে থাকবে জিরো টলারেন্স।

কিন্তু বাস্তবতা যেন ঠিক এর উল্টো। দেশের শাসনব্যবস্থা ও রাজনীতি আজ কিছু গোষ্ঠীর ক্ষমতার খেলায় পরিণত হয়েছে। কিছু মানুষ নিজেরাই নেতা, আবার নিজেরাই জনগণ ভেবে ক্ষমতা ভোগ করে যাচ্ছে। অথচ দেশের প্রকৃত জনগণ—যারা প্রতিদিন জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে, যাদের ঘাম ঝরে এই রাষ্ট্রব্যবস্থা টিকে আছে—তাদের কথা শোনার কেউ নেই।

ক্ষমতার মোহ, পারিবারিক বা বংশানুক্রমিক আধিপত্য, এবং রাজনৈতিক লুটপাটে যেন দেশটা আটকে গেছে। জনগণের নাম ভাঙিয়ে, তাদের দোহাই দিয়ে যারা ক্ষমতার মসনদে বসে, তারা প্রকৃতপক্ষে জনসাধারণের কল্যাণ নয়, নিজের স্বার্থকেই প্রাধান্য দেয়।

এমন একটি সমাজ ব্যবস্থার স্বপ্ন সাধারণ মানুষ দেখতেই পারে, কিন্তু প্রশ্ন হলো, তা কি কখনো বাস্তব রূপ নেবে? আমরা কি সত্যিই এমন একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে পারব যেখানে মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকবে?

আসলে পরিবর্তন তখনই সম্ভব, যখন নেতৃত্বে থাকা মানুষগুলো নিজেদের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে, দেশ ও জনগণের কথা ভাববে। যখন ন্যায়বিচার শুধু মুখের বুলি না হয়ে বাস্তব পদক্ষেপে পরিণত হবে। তখনই বাংলাদেশ সত্যিকারের সোনার বাংলা হতে পারে—সেই বাংলা, যেটার স্বপ্ন দেখে প্রতিটি সাধারণ মানুষ।
#বাংলাদেশ #সোনারবাংলা #ভবিষ্যতেরবাংলাদেশ #জনগণেরস্বপ্ন
#দুর্নীতিমুক্তবাংলাদেশ #ন্যায়বিচার #রাজনীতিরপরিবর্তন
#জিরোটলারেন্স #সুশাসন #গণতন্ত্র #সাধারণমানুষেরকথা







লায়লা-মামুন অধ্যায় শেষের পথে—দেশজুড়ে আলহামদুলিল্লাহর ধ্বনি!বহুদিন পর একখণ্ড সুখবর—লায়লা ও মামুন নামক ভণ্ডতার চ্যাম্পিয়নদ...
17/05/2025

লায়লা-মামুন অধ্যায় শেষের পথে—দেশজুড়ে আলহামদুলিল্লাহর ধ্বনি!

বহুদিন পর একখণ্ড সুখবর—লায়লা ও মামুন নামক ভণ্ডতার চ্যাম্পিয়নদের নাটকীয় পরিণতি আসন্ন! দেশের জনতা তাতে খুশিতে আত্মহারা। কেউ বলছে, “আলহামদুলিল্লাহ!”—আবার কেউ সরাসরি দাবি তুলেছে, “এই দুইটারে আইন দিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে!”

কিন্তু নাটক এখানেই থামে না।
এখন উঠে আসছে কিছু নতুন প্রজন্ম—নারী উদ্যোক্তা নামের সোশ্যাল মিডিয়া গ্ল্যামার কুইনরা। উদ্দেশ্য ব্যবসা—পণ্য বিক্রি নয়, শরীর প্রদর্শন! ড্রেস দেখানোর নাম করে ক্যামেরার সামনে এমন ভঙ্গি—যা দেখে ফ্যাশন কম, ফেসবুকের কন্টেন্ট রিভিউ টিম বেশি নড়েচড়ে বসে।

গলায় হাত, বুকে ঝাঁকুনি, মাঝে মাঝে কাপড় খুলে পরে আবার পড়ে—সব কিছু “উদ্যোক্তা” তকমার নিরাপদ ছাতার নিচে। যেন লাইভে নয়, সরাসরি ফ্যাশন লজ্জার আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী চলছে!

এখন প্রশ্ন একটাই—নায়ক-নায়িকা বদলালেও, নাটক কি বদলাবে?

--- #লাইভেলজ্জারবন্যা
#উদ্যোক্তা_না_উলঙ্গতা
#লায়লা_মামুন_দুর্নাম_বন্ধ_হোক
#ক্যামেরায়_কাণ্ডকারখানা
#আলহামদুলিল্লাহ_ভণ্ডরা_ধরা
#ড্রেস_দেখাও_অশ্লীলতা_নয় #ভণ্ডত্ব_এক্সপোজড. #লাইভ_নাকি_লজ্জাহীনতা

#উদ্যোক্তার_নামে_উলঙ্গ_বাজার
#গলায়হাতবুকেঝাঁকি














নারীর স্বাধীনতা: বাস্তবতা, সীমা ও সামাজিক দায়িত্ব"নারীর স্বাধীনতা, চেয়েছিলাম হিস্যা হয়ে গেলাম বেশ্যা"—এই ধরনের উক্তি সমা...
17/05/2025

নারীর স্বাধীনতা: বাস্তবতা, সীমা ও সামাজিক দায়িত্ব

"নারীর স্বাধীনতা, চেয়েছিলাম হিস্যা হয়ে গেলাম বেশ্যা"—এই ধরনের উক্তি সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং নারীর অধিকারের প্রকৃত রূপকে আড়াল করে। বাস্তবতা হলো, নারী স্বাধীনতা মানে কোনো স্বেচ্ছাচারিতা নয়; এটি একজন নারীর মতপ্রকাশ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে সক্রিয় অংশগ্রহণের অধিকার—সম্মানজনকভাবে নিজের জীবন গড়ার সুযোগ।

বর্তমান বাংলাদেশে নারীরা অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। তারা শিক্ষিত হচ্ছে, কর্মজীবনে প্রবেশ করছে, নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং সমাজের নানা স্তরে নিজেদের প্রমাণ করছে। গ্রাম থেকে শহর—সবখানে নারীর অবদান দৃশ্যমান। এটি আমাদের জাতীয় উন্নয়নের অংশ।

তবে দুঃখজনকভাবে, এই অগ্রগতির পাশাপাশি কিছু ভ্রান্ত ধারণাও গড়ে উঠেছে। কেউ কেউ নারীর স্বাধীনতাকে অশালীনতা, উগ্রতা বা সামাজিক বিশৃঙ্খলার সমার্থক হিসেবে ভাবছে। এটি এক ধরনের ভুল ব্যাখ্যা। নারী স্বাধীনতা মানে অশ্লীল পোশাক নয়, অসামাজিক ভাষা নয়, কিংবা ‘যা খুশি তা করা’র নাম নয়। স্বাধীনতা মানেই দায়িত্বশীলতা, শালীনতা এবং সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাঁচার অধিকার।

নারী মানেই আমাদের মা, বোন, প্রিয়জন ও আত্মীয়স্বজন। তাদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে নয়, বরং তাদের অধিকার রক্ষা করে আমরা একটি সুস্থ সমাজ গড়তে পারি। আমাদের মনে রাখা উচিত—একটি সুস্থ সমাজে নারী কখনোই পরাধীন নয়, বরং তিনি স্বাধীন, সম্মানিত ও নিরাপদ।

অসামাজিকতা, অশ্লীলতা কিংবা নৈতিক বিচ্যুতি—এসব কেবল নারীর নয়, বরং পুরো সমাজের জন্যই ক্ষতিকর। নারী ও পুরুষ উভয়কে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল হতে হবে। কারণ আজকের সমাজে যা ঘটছে, সেটি আগামীর প্রজন্ম শিখছে আমাদের কাছ থেকেই।

#নারীর_স্বাধীনতা

#স্বাধীনতা_মানে_দায়িত্ব

#নারীর_সম্মান

#সমতা_আর_শালীনতা

#নারী_পুরুষ_সমান



#স্বাধীনতা_নয়_স্বেচ্ছাচারিতা

#স্বাধীন_নারী_সম্মানিত_নারী

#শালীনতাই_আত্মমর্যাদা

#অধিকার_মানে_অসামাজিকতা_নয়





#সচেতন_সমাজ_সুস্থ_প্রজন্ম

#সমাজ_গড়ি_নারীর_অধিকার_রেখে

#নারীর_সামাজিক_দায়িত্ব

একটি আসিয়ার অব্যক্ত কান্না, একটি জাতির জাগরণের আহ্বানসম্প্রতি বহুল আলোচিত শিশু আসিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ে আদালত যে ...
17/05/2025

একটি আসিয়ার অব্যক্ত কান্না, একটি জাতির জাগরণের আহ্বান

সম্প্রতি বহুল আলোচিত শিশু আসিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ে আদালত যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়েছেন—মৃত্যুদণ্ড—তা আমাদের বিবেককে নাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। এটি শুধু একজন অপরাধীর বিচার নয়, এটি আমাদের সামাজিক ও নৈতিক অবস্থানের প্রতিচ্ছবি। এই রায় আমাদের মনে করিয়ে দেয়, অন্যায় যিনি করেন, শুধু তিনিই অপরাধী নন—যিনি চুপ থাকেন, যিনি প্রশ্রয় দেন, যিনি প্রতিবাদ না করে মুখ ফিরিয়ে নেন, তিনিও অপরাধী ।

আসিয়া আর নেই। একটি নিষ্পাপ প্রাণের নির্মম পরিণতি আমাদের চোখে জল আনে, মনকে ক্ষোভে-দুঃখে ভরে দেয়। তবে এই কান্না শুধু শোকের নয়, এই কান্না আমাদের জাগিয়ে তোলার আহ্বান। আর কোনো আসিয়া যেন হারিয়ে না যায়, আর কোনো শিশু যেন এই নির্মমতার শিকার না হয়—এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

আমরা মানুষ, সৃষ্টির সেরা জীব। আমাদের আচরণে, মনুষ্যত্বে, বিবেকে, আর ন্যায়ের প্রতি দায়বদ্ধতায়ই সে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে হবে। একজন ধর্ষক শুধু একজন শিশুকে প্রাণে মারে না, সে সমাজের উপর বিশ্বাস, নিরাপত্তা আর মানবতার প্রতিও আঘাত হানে। তাই শুধু বিচারই যথেষ্ট নয়—প্রতিটি মানুষকে সচেতন হতে হবে, প্রতিবাদ করতে শিখতে হবে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

আসিয়ারা হারিয়ে যাবে না, যদি আমরা সবাই এক হয়ে তাদের রক্ষা করি। তারা যেন আমাদের সমাজে নিরাপদে বেড়ে ওঠে, হাসে, খেলে, স্বপ্ন দেখে—এটাই হোক আমাদের ভবিষ্যৎ সমাজের চিত্র।

আসুন, আমরা একসাথে প্রতিজ্ঞা করি—একজনের অপরাধ যেন আরেকজনের নীরবতায় লুকিয়ে না থাকে। ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও সচেতনতার পথে সবাই মিলে এগিয়ে চলি।














এক রাতে দুই খুন—ধানমন্ডি ও জিগাতলা ও মোহাম্মদপুর। রাতের শহর আর নীরব না, সে আজ রক্তাক্ত। মোহাম্মদপুরে সন্ধ্যা আটটার দিকে ...
17/05/2025

এক রাতে দুই খুন—ধানমন্ডি ও জিগাতলা ও মোহাম্মদপুর। রাতের শহর আর নীরব না, সে আজ রক্তাক্ত। মোহাম্মদপুরে সন্ধ্যা আটটার দিকে খুন হয় এক যুবক, আর জিগাতলায় ১০ টার দিকে ডক্টর মল্লিকা মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী খুন হয়।

এ যেন নতুন কিছু না—ধানমন্ডি, জিগাতলা, হাজারীবাগ, রায়েরবাজার, মোহাম্মদপুর, আদাবর, বসিলা—সব জায়গায় একই গল্প বারবার ঘুরেফিরে আসছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, পাইকারি ডাকাতি, আর খুন—যেন দিনশেষে সাধারণ মানুষের জীবনই সবচেয়ে সস্তা।

—সব মিলে শহরের প্রতিটি কোণ রক্তে রঞ্জিত।
প্রতিদিন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ধরা পড়ে, চাঁদাবাজি চক্র ভাঙার ঘোষণা আসে, যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়—তবুও অপরাধ থেমে থাকে না। তাহলে প্রশ্ন জাগে—সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব আসলে কে নেবে?

আমরা কবে নিশ্চিত হতে পারব যে আমাদের জীবন এখন নিরাপদ?
কবে আমরা নিশ্চিন্তে রাস্তায় হাঁটতে পারব, মনে হবে কেউ পেছন থেকে ছুরি মারবে না, ছিনতাই করবে না?
কবে মনে হবে আমার প্রিয়জনরা, যারা বাসায় অপেক্ষা করছে, তারা নিরাপদ?
কবে শহরের প্রতিটি আলো নিভে গেলেও ভয় থাকবে না মৃত্যু অথবা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ?
কবে এ শহরের আকাশ শুধুই মেঘে ঢাকা থাকবে, রক্তে নয়?

এই প্রশ্নগুলো শুধু রক্তাক্ত শহরের দেয়ালে নয়, আমাদের বিবেকের দেয়ালেও লেখা হোক। কারণ যতদিন না সাধারণ মানুষ নিরাপদ, ততদিন এই শহরের উন্নয়ন এক বড় আত্মপ্রবঞ্চনা ছাড়া কিছু নয়।

#নিরাপত্তা_চাই





#আমারঢাকা_নিরাপদঢাকা



#ধানমন্ডি_জিগাতলা_রক্তাক্ত



#খুনচাঁদাবাজির_শেষকবে













#সন্ত্রাসমুক্ত_শহর_চাই

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when it’s nisschup posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share