Cuckold Fantasy Husband & Wife

Cuckold Fantasy Husband & Wife Gaming is one of people’s favorite pastimes.

""হাসবেন্ড জোন"" গ্রুপেে হোয়াটসঅ্যাপে পোলাইট ডিসেন্ট স্বামিরা-বউরা এড হতে চাইলে নক দিন তবে  অবশ্যই ছেলেদের বয়স 26 এর উপর...
27/07/2025

""হাসবেন্ড জোন"" গ্রুপেে হোয়াটসঅ্যাপে পোলাইট ডিসেন্ট স্বামিরা-বউরা এড হতে চাইলে নক দিন তবে অবশ্যই ছেলেদের বয়স 26 এর উপরে হতে হবে।

বিশেষ করে আপনারা যারা বউকে রাজি করাতে পারছেন না বা ভাবি রাজি আছেন কিন্তু সময় সুযোগ ও দায়িত্ব পরিস্থিতির স্বীকার কিছু করতে পারছেন না।
তারাই এড হবেন।
এখানে কেউ কল দিয়ে বিরক্ত করলে ব্লক করা হবে।

অতি সংবেদনশীল ডার্ক ফেন্টাসী গ্রুপ।

বাংলাদেশে হাই রেঞ্জের প-তি-তা ভার্সিটির।অর্থাৎ বাংলাদেশের এলিট শ্রেণীতে সবচেয়ে চড়া মূল্যে বাসায় আনতে হয় ভার্সিটির সুন্দর...
26/07/2025

বাংলাদেশে হাই রেঞ্জের প-তি-তা ভার্সিটির।
অর্থাৎ বাংলাদেশের এলিট শ্রেণীতে সবচেয়ে চড়া মূল্যে বাসায় আনতে হয় ভার্সিটির সুন্দরী মেয়েদের।

বিশেষ করে ভার্সিটির শিক্ষক,ব্যাংকার,ব্যবসায়ী,নেতা ইত্যাদি ধরণের ক্যাটাগরির মানুষের প্রথম পছন্দ ভার্সিটির মেয়ে।

একেকজন এর রেট ১০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা হতে পারে৷।
বিশেষ করে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মেয়েদের চাহিদা বেশি।

আমি যখন ভার্সিটিতে পড়ি। তখন আমাদের ভার্সিটির একটা লোকেশনে এসব কার্যকলাপ ছিলো।
ভার্সিটির মেয়েরা এসব করে এগুলা অনেকে বিশ্বাস ই করবে না।

কিন্তু আপনারা জানলে অবাক হবেন যে অভিজাত শ্রেনীর মানুষরা এখন ভার্সিটির মেয়ে ছাড়া ভোগ করে না।

আর সাধারণ আবাসিক হোটেল ত লেবার,ড্রাইভার, দিনমজুরদের।

একটা ভার্সিটির মেয়ে যদি মাসে ৩/৪ লাখ টাকা আর্ন করে। সে কিভাবে টাকার লোভ সামলাবে।
চট্টগ্রামে হালিশহরে একটা পতি/-তালয়ের সন্ধান পেয়েছি।
যা ভার্সিটির মেয়েদের দ্বারা পরিচালিত।

আর তাদের সেবা গুলো ভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে।
যেমন নির্দিষ্ট পতি/'তা কে ২/৪ দিনের জন্য কন্টাক্ট করে কক্সবাজার বা নিজেদের বাসায় নিয়ে যায়।

বেশিরভাগ কক্সবাজারে নিয়ে যায় সবাই।
কক্সবাজারে ট্রেন সেবা চালু হয়েছে।
এটার একটা হিডেন ম্যাসেজ আছে।

এই দেশটা কে সমূলে ধ্বংস করতে কক্সবাজারের বিকল্প নাই।
ট্যুরিস্ট স্পট গুলো সহজলভ্য করা মানে। আর্থিক ব্যানিফেশিয়াল এর পাশাপাশি অবাধ যৌ/নতা দিয়ে দেশ কে ডুবিয়ে দেওয়া।

কক্সবাজারে অধিকাংশ যায় এসব হোটেলে প্রাইভেট এনজয় করার জন্য৷
আর ঢাকার কথা কি বলব।

ঢাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো অবস্থা ভয়াবহ।
ঢাকা এখন স্মার্ট পতি-/তা নগর৷

—সংগ্রহ পোস্ট

ফিঙ্গারিং হচ্ছে যৌন মিলন ব্যতীত আংগুলের মাধ্যমে তৃপ্তি দান ।যৌন মিলনের পাশা-পাশি স্ত্রীকে ফিঙ্গারিং করে তৃপ্তি দেওয়া যায়...
15/07/2025

ফিঙ্গারিং হচ্ছে যৌন মিলন ব্যতীত আংগুলের মাধ্যমে তৃপ্তি দান ।

যৌন মিলনের পাশা-পাশি স্ত্রীকে ফিঙ্গারিং করে তৃপ্তি দেওয়া যায়। ফিঙ্গারিং করা বেশ সহজ। খালি কিছু ব্যাপারের প্রতি দৃষ্টি রাখলে আপনার স্ত্রীকে পুরোপুরি মজা দিতে পারবেন, এবং আপনিও মজা পাবেন। যারা আগে ফিঙ্গারিং দিয়েছেন তাদেরও কিছু খুটি নাটি ব্যাপার জানা থাকা উচিত।
ফিঙ্গারিং যদি ও একটা ফোরপ্লে, তবুও আপনি হুট করে ফিঙ্গারিং শুরু করবেন না। বিশেষ করে মেয়েটির জন্য যদি এটা প্রথম হয়, তবে তাকে সময় দিন। দুইজন রিল্যাক্সড থাকুন। শুরুতে কিস করুন এবং ফ্রি হন। এবং অবশ্যই আপনার হাতের নখ কেটে ছোট রাখবেন এবং আংগুলগুলি মসৃন করে নিবেন , যেন ফিঙ্গারিঙ্গের সময় তার ভেতরের অঙ্গ গুলোর কোন ক্ষতি না হয় এবং সে ব্যথা না পায়।
ফিঙ্গারিঙ্গের আগে স্ত্রীর স্তন চাপতে পারেন। এতে সে টার্ন অন হবে, এবং তার যোনি ভিজে যাবে।
আস্তে আস্তে নিচে নামুন। স্ত্রীর গলায় কিস করুন, পেটে, নাভিতে কিস করুন। স্ত্রীর শরীরে হাত বুলান। পায়ে হাত ঘষুন। প্রথমেই খুব রাফ হবেন না। আদর করুন তাকে। স্ত্রীর যোনিতে হাত দেওয়ার আগে তাকে নরম ভাবে জিজ্ঞেস করুন। যোনির উপর হাত রেখে জিজ্ঞেস করুন কি চায়। এতে মেয়েরা চরম সেক্সুয়ালি টিজড হয়।
যোনির চারদিকে হাত ঘষুন। এরপর আস্তে আস্তে হাত যোনির উপরে নিন। সেখানে হাত বুলান, সুড়সুড়ি দিন। সে যদি পছন্দ করে তবে জোড়ে ঘষুন। ফিঙ্গারিং করার জন্য ভাল পজিশন বেছে নিন, যেন আপনি যখন তার ভিতরে হাত ঢুকান তখন যেন হাত ভিতর পর্যন্ত যায়। দুই জন পাশাপাশি শুয়ে, বা তাকে আড়আড়ি ভাবে কোলে নিয়ে বসে ফিঙ্গারিং দিতে পারেন। যেভাবে দুইজন কম্ফোর্টেবল হবেন সে পজিশনটি বেছে নিন।সে যখন চাইবে তখন একটি আঙ্গুল, যোনির ভেতরে প্রবেশ করান। প্রথমে আস্তে আস্তে এক দুইবার ঢুকান এবং সে যখন মজা পাওয়া শুরু করবে তখন জোরে দিন, এবং আস্তে আস্তে দুইটা আঙ্গুল দিয়ে চেষ্টা করুন, এবং তার ইচ্ছা অনুযায়ী আঙ্গুলের সংখ্যা বৃদ্ধি করুন।
তার যোনির ভেতরে সম্পূর্ণ আঙ্গুল ঢুকান, জি স্পট স্পর্শ করার চেষ্টা করুন। এছাড়া মুখেই থাকে ক্লিটরিস। এখানে আঙ্গুল ঘষলে সে মজা পাবে। যোনির ভিতর জোরে আঙ্গুল ঢুকান বের করুন, তাকে মজা দিয়ে, তার ভেজা যোনি ফিল করুন। ভেতরে আঙ্গুল ঘুড়ান। স্ত্রীর এক্সপ্রেশনের দিকে লক্ষ রাখুন। দেখবেন সে অনেক হর্নি হয়ে, গেছে। শুধু ফিঙ্গারিং করেও স্ত্রীকে তৃপ্তি দিতে পারেন, পেনিস ছাড়াই।
ফিঙ্গারিং করার সময় শুরুতে মেইক আউট না করাই ভাল, কারন তখন তার ঠিক জায়গায় আঙ্গুল নাও ঢুকতে পারে। যদি আপনি স্থানটা নিয়ে কনফিউজ থাকেন তবে তাকে জিজ্ঞেস করুন। সে ভুল জায়গায় আঙ্গুল ঢুকালে তা পছন্দ করবে না। বরং আপনাকে দেখিয়ে দিতেই মজা পাবে। ফিঙ্গারিং শুরু করার পর মেইক আউট করতে পারেন। মনে রাখবেন সে খালি একটা যোনি না।
ফিঙ্গারিং দেওয়ার সময় তার দিকে দৃষ্টি রাখুন। সে ব্যথা পাচ্ছে নাকি খেয়াল রাখুন। সে যেন জানে আপনি তার প্রতি কেয়ার করেন। স্ত্রীকে আদর করুন। ফিঙ্গারিং করে সেক্সের মজা দিন। দুধের স্বাধ ঘোলে মিটানোর চেষ্টা
👉👉সেক্স টিপস ও গোপন সমস্যার সমাধান জানতে আমার সাথেই থাকুন...

মেয়েরা সব সময় এমন কাউকে চায় যে অসাধারণ কিছু করুক,  যৌনতায় চরমতা, দারুন উত্তেজিত করে কাম উদ্দিপনাকে সর্বোচ্চো পর্যায়ে নিয়...
14/07/2025

মেয়েরা সব সময় এমন কাউকে চায় যে অসাধারণ কিছু করুক, যৌনতায় চরমতা, দারুন উত্তেজিত করে কাম উদ্দিপনাকে সর্বোচ্চো পর্যায়ে নিয়ে যাবে এমন পুরুষই নারীরা চায়।
আপনি যদি এভারেজ মানের পুরুষ হন তাহলে আপনার বউকে সেই পর্যায়ে নিয়ে তৃপ্তি দেওয়া সম্ভব না। আর কাম জ্বালায় মত্ত থাকলে ভালবাসার কোনো দাম নাই। কামের সময় যত পারো নোংরামি আর মহিলার উপর যত যৌন নির্যাতন করবে তত বেশি সে আনন্দিত হবে ভালবাসা ঠাপের সময় মূল্যহীন।

23/02/2025
Back Again...........😍আমি নীশীতা (৩২)_হাউজওয়াইফ আর ৬ বছরের এক ছেলে সন্তানের মা।ঈশিতা (৩৪)_ আমার বড় আপু।আপু হাউজওয়াইফ আর ...
11/11/2024

Back Again...........😍

আমি নীশীতা (৩২)_
হাউজওয়াইফ আর ৬ বছরের এক ছেলে সন্তানের মা।
ঈশিতা (৩৪)_ আমার বড় আপু।
আপু হাউজওয়াইফ আর ১২ বছরের এক ছেলে সন্তানের মা। আপুর ছেলে অবশ্য হোস্টেলে থাকে।
মতিউর (৩৮)_ আমার দুলাভাই।
সরকারী চাকুরিজীবী।
আমার হাজব্যান্ড এর সাথে আমার সম্পর্ক ভালোই। ইনফ্যাক্ট খুব ভালোই। কদিনের জন্য অফিসের একটা প্রজেক্টের কাজে ঢাকার বাইরে যেতে হচ্ছে ওকে। ছেলের স্কুল বন্ধ, আর আমাকেও বাসায় একা থাকতে হবে বলে ভাবছি কটাদিন আপুর বাসায় থেকে আসবো। ও আপত্তি করে নি।
আমি আর আমার ছোটো ছেলে যাচ্ছি বলে আপু- দুলাভাই খুবই খুশি। বর আমাদেরকে আপুর বাসায় ড্রপ করে দিয়ে যায়।
আসার পর থেকেই মেহমানদারির শেষ নেই। দুলাভাইয়ের বারেবারে একটাই কথা, আমার ছোটো বউ আসছে ওর জানি কোনো অসুবিধা না হয়। দুলাভাই অনেক আগে থেকেই আমাকে দুষ্টুমি করে ছোটো বউ ডাকে। এটা অবশ্য আমার হাজব্যান্ডও জানে।
সন্ধ্যার পর অফিস থেকে এসে ছাদে ইজিচেয়ারে গা এলিয়ে দেয়া দুলাভাইয়ের প্রতিদিনের অভ্যাস। আজও ছাদে উনি। আজ ভাইয়ার জন্য আমিই চা করে নিয়ে যাই। চা দেয়ার সময় দুষ্টুমি করে আমার সাথে হাত টানাটানি করা ভাইয়ার বহুদিনের অভ্যাস। সাইড টেবিলে চা রাখতেই ভাইয়ার এক হ্যাচকা টানে আমি ভাইয়ার কোলে। ওঠার চেষ্টা না করে আমিও ভাইয়ার দুষ্টুমিতে তাল দিচ্ছিলাম।
ঠিক তখনি আপু আমার জন্যও চা নিয়ে আসে। আপু এসবে কিছু মনে করে না। আমাকে হাসতে হাসতে বলে তোর ছেলে এসব দেখলে তোর খবর আছে। আমিও দুষ্টুমি করে বলি ওরে তুমি সামলাও যাও। দুলাভাই আপুর সামনেই আমার আঁচলের ফাক দিয়ে পেটে হাত দেয়। আমার লজ্জা লাগছে এবার। আপু হাসতে হাসতে বলে খাটাস বেডা, বয়স হইছে শখ যায় না। আপু নীচে চলে যায়।
ছাদে আমরা আরো প্রায় দু ঘন্টা ছিলাম। দুলাভাই এর সাথে দুষ্টুমি গল্প করতে করতে ভাইয়া দুই তিনবার বুকে হাত দিতে চেয়েছিলো। আমি লজ্জা পাওয়ায় আর আগায়নি।
রাতে খাবার পর বাবু ঘুমিয়ে গেলে আমরা তিনজন টিভি দেখছিলাম। তখন হুট করে আপু হাসতে হাসতে বলে, তোমরা দুজন ছাদে এতক্ষন কি করলা। দেখলাম তো তোমাদের দুইটাই ই গতিবিধি ভালো না। ভাইয়াও হাসতে বলে, এইটা শালী দুলাভাই এর সিক্রেট, তুমি এর মাঝে আইসো না তো। আমি তো লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছি। দুলাভাই মাঝ থেকে আমাদের দুইজন কে জড়িয়ে ধরে বলে, বউ আমার দুইটা কিন্তু বাসর করছি একটা, আফসোস। আপু তাল দিতে দিতে বলে, বুড়া ব্যাডার বাসর করার শখ। লুইচ্ছামি গেলো না। ওর জামাই এগুলা জানলে তোমারে বাইন্ধা পিটাবে। আপু আর ভাইয়া হাসতেছে আমি কিছুটা লজ্জা পাচ্ছি। এর মাঝে কিছু বুঝে ওঠার আগেই আঁচলের ভেতর বুকে ভাইয়ার হাত। আমি হালকা শব্দ করে উঠি। আপু জিজ্ঞেস করে কি হইছে। ভাইয়া হাসতে হাসতে নিজে থেকেই বলে ঈশা তোমার থেকে নীশার পমপম ছোটো। আমি লজ্জায় মাটির সাথে মিশে যাচ্ছি।
সত্যি বলতে কি আমি ভাইয়া আর আপুর সাথে অনেক বেশী ফ্রি। পুরোটা না জানলেও হাজব্যান্ড কিছুটা এ ব্যাপারে জানে। এ নিয়ে তার আপত্তি নেই। ছোটো থেকেই আপুর সাথে আমার অনেক মিল। আসলে আপু আমাকে এতটাই আদর করে যে অলয়েজ আমার সাত খুব মাফ।
সে রাতে তেমন কিছু না হলেও আবার অনেক কিছুই হয় আমাদের তিনজনের মাঝে।
এখন আমি শুধু ভাবছি হাজব্যান্ড জানলে কি হবে, আবার আপু- দুলাভায়ের দুষ্টুমিতেও অনেক দিন পর অন্যরকম এক মাদকতা- নেশা অনুভব করছি। রোজ রোজ বরের সাথে সেই নিয়মমাফিক ব্যাপারগুলোর চেয়ে হাজারগুন বেশী আকর্ষণ আমাকে গ্রাস করছে। এ নিষিদ্ধ উষ্ণতার ডাক উপেক্ষা করা অসম্ভব।
হুট করে কারেন্ট এর দফারফা।
রাত বাজে ৩ টা।
প্রায় দেড় ঘন্টা পর কারেন্ট আসছে। গরমে হাশফাশ অবস্থা। ভাবছি ঠান্ডা পানিতে এই মাঝরাতে একটা শাওয়ার নেবো। ওয়াশরুমে এসে শাড়ী ছেড়েছি মাত্র আর তখনি দরজায় নক। আপুর গলা, নীশা শাওয়ার নিচ্ছিস? দরজা খোল।
আমি দরজা খুলে দিতেই আপু ভেতরে আসে। কী গরম রে বাবা। ভালোই হলো তুই আছিস। পিঠে স্ক্র‍্যাব করে দিস তো। আমি আর আপু আগে একসাথে অনেক শাওয়ার নিয়েছি। এটা কমন মেয়েলী ব্যাপার। আমি আর আপু একসাথেই ভিজছি আর গল্প করছিলাম।
আবার নক। এতরাতে জরুরী কিছু না হলে দুজন মেয়ে ওয়াশরুমে শাওয়ার নিচ্ছে জেনে কেউ নক করার কথা না। আমি দরজার আড়ালে চলে যাই। আপু দরজা খুলে হালকা ফাক করে ভাইয়ার সাথে কথা বলে সবার দরজা লাগিয়ে দেয়। জিজ্ঞেস করি, কি হয়েছে? আমার ধারণা ভুল। আপু বলে ভাইয়া নাকি বলেছে দুই বাথরুম পরীর সাথে জলকেলী করতে চায়। আমি হাসতে হাসতে বলি আমরা পরী হলে ভাইয়া কি ভূত?
আপুও হাসে। আমি দুষ্টুমি করে বলি ভূত দেখার খুব শখ। আপু হুট করে দরজা খুলে ভাইয়াকে ভেতরে টেনে আনে। আমাকে বলে দেখ, ভূত দেখার না খুব শখ। আমি শুধুমাত্র পেটিকোট আর ব্লাউজ পড়ে ছিলাম, তার উপর পুরো ভেজা। লজ্জায় মিশে যাচ্ছি। আপু পেটিকোট টেনে বুকে বাঁধা আর ভাইয়া শুধু লুংগি। রাত তিনটায় বাথরুমে এক ঝর্ণা পানীর নীচে তিন তিনজন আদিম মানুষ।
এর পরের কাহিনী অনেক লম্বা আর টপ সিক্রেট। সে আর বলতে চাইছি না।
আমার হাজব্যান্ড এর সাথে আমি সবই শেয়ার করি। হয়তো এটাও করবো। কি হবে জানি না। তবে ওর সাথে আমি ফ্রি আর ও আমাকে বোঝে, আমাকে স্পেস দেয়। তাই ভুল বোঝাবুঝির ঝামেলা নেই। এটা আমার বিশ্বাস। মাঝে মাঝে আমরা দুজন অনেক স্পাইসি অ্যাডভেঞ্চার প্ল্যান করলেও তা আর ট্রাই করা হয়ে ওঠেনি।

স্ত্রীকে_ভালবাসতে_শিখুন:গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যৌন উত্তেজনায় জোড় করে স্ত্রী ব্রা খুললেই স্বামী হওয়া যায় না। আমরা স্বামীর দ...
31/10/2024

স্ত্রীকে_ভালবাসতে_শিখুন:

গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যৌন উত্তেজনায় জোড় করে স্ত্রী ব্রা খুললেই স্বামী হওয়া যায় না। আমরা স্বামীর দাবি নিয়ে ব্রা খুলতে শিখেছি।
কিন্তু কখনো কি স্ত্রীকে বলেছি, আজ তোমার শরীরটা কেমন? সারা দিন প্রচুর খাটাখাটনি হয়েছে তাই না? আজ তোমার শরীরটা একটু টিপে দেই? শরীর ব্যর্থা কমে যাবে।

যখনই যৌন উত্তেজনা উঠে, তখনই মনে পড়ে, আমার তো একটা স্ত্রী আছে! এর আগে কখনো স্ত্রী নামক মানুষটা কথা মনে পড়েছে?
অফিসে কাজের নামে অন্যের স্ত্রীর সাথে কর্পোরেট ঘষাঘষি করি। কখনো কি মনে পড়ে কেউ একজন দিন শেষে বেলকুনির গ্রিল ধরে পথ চেয়ে আছে আমার অপেক্ষায়। অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত শরীরলে, মেজাজ গরমে স্ত্রীকে বলি দুধ চিনি ভাল করে দিয়ে, তারাতারি এক কাপ চা দাও।
তখন একবারের জন্য কি মনে হয় না, এই মানুষটাও তো সারাদিন আমার মতো কামলা দিয়েছে, তার আমার মধ্যে পার্থক্য, সে ঘরে দিয়েছে আর আপনি বাহিরে দিয়েছেন।

রাতে ঘুমের ভ্যান ধরে কম্বলের নিচে মেসেঞ্জারে ডিজিটাল পরকীয়া করার সময়, ঘুমন্ত স্ত্রীর কথা একবারও মনে পরেনা। আপনি তার বিশ্বাস ও আস্থার জায়গাটা নষ্ট করে তাকে ঠকাচ্ছেন?
বাকি রইলো বিয়ে! দেনমোহর আর কবুল বলেই স্বামী হওয়া যায় না। স্বামী একটি অন্ধ বিশ্বাস, ভরসাময় অস্থা।
শুধু যৌনতায়ই স্ত্রী সুখ না, ভালবাসায়ই স্ত্রী অফুরন্ত সুখ, শান্তি।
অতৃপ্তির কারনে কনডমবিহীন সঙ্গম করেন। কখন কি বলেছেন আচ্ছা তোমার প্রতিদিন একই ট্যাবলেট খেতে ভাল লাগে? আজ থেকে বেশ কিছু দিন সঙ্গম বন্ধ রাখবো, তুমি আর এই ট্যাবলেট খেও না প্লিজ! তোমার কষ্ট আমার সহ্য হয় না।

স্ত্রী মানেই রোবট না, স্ত্রীও আপনার মতো রক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ। তাকে বুঝোন, বোঝার চেষ্ঠা করুন, বোঝা উচিৎ। স্ত্রী আপনার, দায়িত্ব ও কর্তব্যের পাশাপাশি তাকে ভালবাসাটাও আপনার মহা দায়িত্ব।
আমরা স্ত্রী যৌন উত্তেজনা বাড়াতে শিখেছে! কখনো কি তাকে জিজ্ঞাস করেছে, মাসের প্রথমে অথবা শেষ তার শরীর থেকে যেই বিষাক্ত রক্তপাত হয়, তা কতটা কষ্টের ও যন্ত্রনাদায়ক? যৌনতায় ভালবাসা থাকেনা, ভালবাসা থাকে গভীর রাতে যৌন মিলন না করে স্ত্রীকে বুকে জড়িয়ে নিজের হৃদপিন্ডে ঢুকেয়ে তার কষ্টের কথা গুলো শুনার মাঝে, তাকে শান্তনার মাঝে।

ঠোটে চুম্বন করে যৌন উত্তেজনা করতে শিখেছি! কখন কি বাসার থেকে বাহির হওয়ার বা ফেরার পর স্ত্রী কপালে চুম্বন করে বলেছি এই নেও তোমার সারাদিনে আদর।

স্ত্রীর যোনীতে দুই ফোঁটা বীর্জ দিলেই সন্তান আপনার দাবী করা যায় না। সন্তান প্রস্রব চলাকালীন ঘন্টার পর ঘন্টা যন্ত্রনাদায়ক সেটা উপলব্ধি করতে মাত্র দুই মিনিট মরিচের গুড়া আপনার লিঙ্গে লাগিয়ে দেখুন সন্তান প্রসব কতটা কষ্টদায়ক।

দশমাস নয়, মাত্র দশদিন, দশ কেজি ওজনের একটি পাথর আপনার পেটে বেধে দেওয়া হবে। তা নিয়ে এই দশদিন আপনি সমস্ত কাজ করতে পারলেই আপনার সন্ত্রান সেটা স্বীকৃতি পাবেন।
স্ত্রী কে ভোগ করতে না ভালোবাসতে শিখুন। দেখবেন জীবন কত সুন্দর 🥰

Promise🤣🤣🤣
06/09/2024

Promise🤣🤣🤣

Address

Dhanmondi
Dhaka
1209

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cuckold Fantasy Husband & Wife posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share