Yusra

Yusra Motivation is temporary. But Discipline is permanent.
(2)

স্বার্থপর মানুষের মন জেতা যায় না। হিংসুক মানুষের মন জেতা যায় না। সন্দেহপ্রবণ মানুষের মন কখনো জেতা যায় না। সব বিষয়ে খুঁত...
21/09/2026

স্বার্থপর মানুষের মন জেতা যায় না। হিংসুক মানুষের মন জেতা যায় না। সন্দেহপ্রবণ মানুষের মন কখনো জেতা যায় না। সব বিষয়ে খুঁত ধরা মানুষের মন জেতা যায় না। অহংকারে অন্ধ মানুষের মন জেতা যায় না।

লোকের মন জেতার প্রয়োজনটাই বা কি, নিজের মনই জিততে পারিনা, একবার এইটা মন চাই আর একটু পর অন্যটা 😁🤢🫣

21/09/2026

অবিবাহিত মেয়েদের একটা লাইফ সেভিং বুদ্ধি দেই শোনো

তুমি যদি হও দেশের প্রথম শ্রেনীর স্কুল কলেজ ও ভার্সিটিতে পড়া উচ্চ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে,বিয়ে করবা বাহিরের দেশে বাপ মা চৌদ্দ গুষ্টি নিয়ে সেটেল্ড এমন ছেলের সাথে।সেখানে গিয়ে তুমি কাজ থেকে ফিরে যদি ক্যান থেকে বের করা ফিস জাস্ট বেকড করে হাজবেন্ডের সামনে ধরো বা সকালে একটা বয়েল এগ ও ফ্রুটস স্যালাদ তো ঐ হাজবেন্ড মহাখুশি কারন ওর মা ও ওদের এই লাইফেই অভ্যস্ত করেছে।এতে তোমার লেবেল অনুযায়ী কাজও হবে কম,প্রশংসাও পাবা মাইন্ড রিফ্রেশিং।কারন সে তোমার কাজের কদর করবে।

আর যে মেয়ে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বা পাবলিক যেখানেই পড়ো,বড় হয়েছো সকালে উঠে ভাত বা আলুভাজি রুটি খেয়ে।সে বিয়ে করবা দেশের বিভাগীয় বা সিটি শহরে বসবাসরত পরিবারে।গিয়ে দেখবা এদের সকালে এসে বুয়া রুটি,ভাজি,সবজি কেটে অর্ধেক কাজ গুছায় রাখে।তুমি উঠে জাস্ট চা এবং ডিমের অমলেট করলেই তুমি বেশ সংসারী মেয়ে বলে গন্য হবা।এইখানে তুমি একটা পুডিং বা সেমাই বানালেও তোমার শ্রম সবার কাছে মূল্যায়িত হবে।

এরপর যারা মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে, লেখাপড়ায় এভারেজ, টার্গেট সংসার।এরা বিয়ে করবা শহরের ব্যবসায়ী বা প্রবাসী ছেলে।মিনিমাম ওয়ার্কলোডে ম্যাক্সিমাম মূল্যায়ন পাবা।

আর যারা নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়ে যাদের বাবার আছে ধান পাটের ব্যবসা, এরা বিয়ে করবা গরুর ফার্ম ও মাছের হ্যাচারি আছে এমন পরিবারে।কারন সব ফার্মে কাজ করার জন্য হাফ ডজন লোকই থাকে।এরা হরহামেশাই তোমারে সংসারের কাজে সাহায্য করবে।সেই জায়গায়ও তোমার কাজের মূল্যায়ন হবে।

মোট কথা তুমি যে লেবেলে বড় হয়েছো তার চেয়ে উপরের দিকে সাঁতরাতে হবে,তবেই তোমার কাজের মূল্যায়ন হবে।

কিন্তু শিক্ষায়,পরিবেশে, অবস্থানে এ গ্রেড থেকে ডিগ্রেডে নামলেই ফেসে যাবা।তখন তুমি চাকরি করে,বাচ্চা পেলে, দুই বেলা তিন তরকারি দিয়ে ভাত দিয়েও কাজের মূল্যায়ন বা প্রশংসা পাবা না।কারন তোমার তুলনা হবে গরু ছাগল হাঁস মুরগী পালা,ঝাকায় ঝাকায় মাছ কাটা,মাটির চুলায় পাতা পুড়িয়ে রান্না করা,ফজরের ওয়াক্তে উঠে উঠান ঝাড়ু দেওয়া নারীর সাথে।যেখানে তোমার শ্রম সারাজীবনই উপেক্ষিত থাকবে,কারন তাদের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী নারী মানে এই লেবেলে নেমে শ্রম দেওয়া।কিন্তু তুমি যে জীবনে বাসায় মাছটাও কাটো নাই,কাপড়টাও হেল্পিং হ্যান্ড পরিষ্কার করা লেবেল থেকে এসে একহাতে ফ্রিজ ম্যানেজ থেকে খাওয়ার টেবিল ম্যানেজ করে চলছো,এর মূল্যায়ন পাবা না কোনোদিনই।

তাই বস যা বলি শুনো,বিয়ে করার আগে ছেলের মায়ের রান্নাঘর আগে দেখবা, ঐখানে গিয়ে তুমি অন্তত এক কাপ চা বানিয়ে খাওয়ার উপযোগি কিনা।যদি দেখো না,তাহলে ঐ বিষ গেলার আগেই কেটে পরো।না হলে আজীবন তোমার স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী হাইয়েস্ট লেবেলে গিয়ে শ্রম দিলেও এক ফোঁটা মূল্যায়ন পাবা না...…

বিয়ে করবা এমন যে শাশুড়ী সকাল ৮ টায় উঠে চোখ কচলাবে আর তুমি ৯ টায় উঠে হাই তুলবা।শাশুড়ী পার্লারে গিয়ে হার্বাল ফেসিয়াল করলে তুমি পার্লারে গিয়ে করবা হাইড্রা ফেসিয়াল

©অবিবাহিত মেয়েদের একটা লাইফ সেভিং বুদ্ধি দেই শোনো

তুমি যদি হও দেশের প্রথম শ্রেনীর স্কুল কলেজ ও ভার্সিটিতে পড়া উচ্চ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে,বিয়ে করবা বাহিরের দেশে বাপ মা চৌদ্দ গুষ্টি নিয়ে সেটেল্ড এমন ছেলের সাথে।সেখানে গিয়ে তুমি কাজ থেকে ফিরে যদি ক্যান থেকে বের করা ফিস জাস্ট বেকড করে হাজবেন্ডের সামনে ধরো বা সকালে একটা বয়েল এগ ও ফ্রুটস স্যালাদ তো ঐ হাজবেন্ড মহাখুশি কারন ওর মা ও ওদের এই লাইফেই অভ্যস্ত করেছে।এতে তোমার লেবেল অনুযায়ী কাজও হবে কম,প্রশংসাও পাবা মাইন্ড রিফ্রেশিং।কারন সে তোমার কাজের কদর করবে।

আর যে মেয়ে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বা পাবলিক যেখানেই পড়ো,বড় হয়েছো সকালে উঠে ভাত বা আলুভাজি রুটি খেয়ে।সে বিয়ে করবা দেশের বিভাগীয় বা সিটি শহরে বসবাসরত পরিবারে।গিয়ে দেখবা এদের সকালে এসে বুয়া রুটি,ভাজি,সবজি কেটে অর্ধেক কাজ গুছায় রাখে।তুমি উঠে জাস্ট চা এবং ডিমের অমলেট করলেই তুমি বেশ সংসারী মেয়ে বলে গন্য হবা।এইখানে তুমি একটা পুডিং বা সেমাই বানালেও তোমার শ্রম সবার কাছে মূল্যায়িত হবে।

এরপর যারা মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে, লেখাপড়ায় এভারেজ, টার্গেট সংসার।এরা বিয়ে করবা শহরের ব্যবসায়ী বা প্রবাসী ছেলে।মিনিমাম ওয়ার্কলোডে ম্যাক্সিমাম মূল্যায়ন পাবা।

আর যারা নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়ে যাদের বাবার আছে ধান পাটের ব্যবসা, এরা বিয়ে করবা গরুর ফার্ম ও মাছের হ্যাচারি আছে এমন পরিবারে।কারন সব ফার্মে কাজ করার জন্য হাফ ডজন লোকই থাকে।এরা হরহামেশাই তোমারে সংসারের কাজে সাহায্য করবে।সেই জায়গায়ও তোমার কাজের মূল্যায়ন হবে।

মোট কথা তুমি যে লেবেলে বড় হয়েছো তার চেয়ে উপরের দিকে সাঁতরাতে হবে,তবেই তোমার কাজের মূল্যায়ন হবে।

কিন্তু শিক্ষায়,পরিবেশে, অবস্থানে এ গ্রেড থেকে ডিগ্রেডে নামলেই ফেসে যাবা।তখন তুমি চাকরি করে,বাচ্চা পেলে, দুই বেলা তিন তরকারি দিয়ে ভাত দিয়েও কাজের মূল্যায়ন বা প্রশংসা পাবা না।কারন তোমার তুলনা হবে গরু ছাগল হাঁস মুরগী পালা,ঝাকায় ঝাকায় মাছ কাটা,মাটির চুলায় পাতা পুড়িয়ে রান্না করা,ফজরের ওয়াক্তে উঠে উঠান ঝাড়ু দেওয়া নারীর সাথে।যেখানে তোমার শ্রম সারাজীবনই উপেক্ষিত থাকবে,কারন তাদের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী নারী মানে এই লেবেলে নেমে শ্রম দেওয়া।কিন্তু তুমি যে জীবনে বাসায় মাছটাও কাটো নাই,কাপড়টাও হেল্পিং হ্যান্ড পরিষ্কার করা লেবেল থেকে এসে একহাতে ফ্রিজ ম্যানেজ থেকে খাওয়ার টেবিল ম্যানেজ করে চলছো,এর মূল্যায়ন পাবা না কোনোদিনই।

তাই বস যা বলি শুনো,বিয়ে করার আগে ছেলের মায়ের রান্নাঘর আগে দেখবা, ঐখানে গিয়ে তুমি অন্তত এক কাপ চা বানিয়ে খাওয়ার উপযোগি কিনা।যদি দেখো না,তাহলে ঐ বিষ গেলার আগেই কেটে পরো।না হলে আজীবন তোমার স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী হাইয়েস্ট লেবেলে গিয়ে শ্রম দিলেও এক ফোঁটা মূল্যায়ন পাবা না...…

বিয়ে করবা এমন যে শাশুড়ী সকাল ৮ টায় উঠে চোখ কচলাবে আর তুমি ৯ টায় উঠে হাই তুলবা।শাশুড়ী পার্লারে গিয়ে হার্বাল ফেসিয়াল করলে তুমি পার্লারে গিয়ে করবা হাইড্রা ফেসিয়াল

© SHIMU

20/09/2026

সব মেয়ের একটাই শখ

নিজে বানানো পুরি, আমার মতোই মোটামুটি 😇😊
20/09/2026

নিজে বানানো পুরি, আমার মতোই মোটামুটি 😇😊

20/09/2026
19/09/2026

যখন তুমি অন্যের ক্ষতি করার প্লান করছো, তখন তোমার জন্যও উপর থেকে প্লান হচ্ছে।

19/09/2026

Nice

19/09/2026

Right

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yusra posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share