BrandBuzzer

BrandBuzzer BrandsBuzzer is a new voice of brands. Both customers and marketers will get the update of brands from here.

Born to Infinity শহীদ ওসমান হাদীকে খুবই মানায়। এই ধরণে বেশ কিছু কাজ আমরা দেখেছি আগেও তবে হাদীকে নিয়ে RED Origin এর এই কা...
21/12/2025

Born to Infinity শহীদ ওসমান হাদীকে খুবই মানায়। এই ধরণে বেশ কিছু কাজ আমরা দেখেছি আগেও তবে হাদীকে নিয়ে RED Origin এর এই কাজটি বেশী রিলেভ্যান্ট।

30/11/2025

কন্টেন্ট ক্রিয়েট করতে গিয়ে এক ক্রিয়েটর ৩৫-৪০% অগ্নিদগ্ধ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন ট্রেন্ড “10 sec back to back” 💯মানে কী?👉 কেউ একটা পোস্টে কমেন্ট করলো, তারপর আবার ১০ সেকেন্ড পর আরেক...
19/09/2025

সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন ট্রেন্ড “10 sec back to back” 💯

মানে কী?
👉 কেউ একটা পোস্টে কমেন্ট করলো, তারপর আবার ১০ সেকেন্ড পর আরেকটা কমেন্ট দিলো… এভাবে বারবার, যেন একটার পর একটা ঢেউ।
👉 আবার অনেক সময় চুক্তি হয় “তুমি আমাকে ১০ সেকেন্ডে ফলো বা কমেন্ট কর, আমি তোমাকে ১০ সেকেন্ডে ব্যাক করব।”

কেন এমন করা হয়?
✅ ফেসবুক বা টিকটকের অ্যালগরিদম ট্রিগার হয়, এনগেজমেন্ট হঠাৎ বেড়ে যায়।
✅ ভাইরাল ট্রেন্ড ফলো করার মজা থাকে।
✅ “তুমি কর, আমি করব” টাইপ ইন্টারঅ্যাকশনে কমিউনিটি ফিল তৈরি হয়।

আসলে এটা তৃণমূল শ্রেণীর ব্যবহারকারীদের এক ধরনের ডিজিটাল খেলা।
আপনার ব্যাখ্যা কি?

18/09/2025

চ্যাটজিপিটে জিজ্ঞেস করেছিলাম,
কী হলে বাংলাদেশ সেমি ফাইনালে উঠবে। সেটার উত্তর-

শ্রীলঙ্কা জিতলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে
বাংলাদেশ সরাসরি সেমি ফাইনালে যাবে। আর কোনো হিসাব লাগবে না।
আফগানিস্তান জিতলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে
তিন দলই ৪ পয়েন্টে সমান হবে, তখন সিদ্ধান্ত হবে নেট রান রেটে। বাংলাদেশের NRR স্থির আছে −0.270 এ। তাই শ্রীলঙ্কার চূড়ান্ত NRR −0.270 এর নিচে নামলেই বাংলাদেশ টপ টুতে থাকবে। এটা হতে পারে দু’ভাবে:

কেস A: শ্রীলঙ্কা আগে ব্যাট করে, আফগানিস্তান তাড়া করে জেতে
আফগানিস্তানকে খুব দ্রুত তাড়া করে জিততে হবে। মোটামুটি নিয়মটা এমন হবে:

শ্রীলঙ্কা 140 করলে, আফগানিস্তানকে 11.1 ওভার এর মধ্যে 141 করতে হবে।

150 করলে, 11.2 ওভার এর মধ্যে 151।
160 করলে, 11.2 ওভার এর মধ্যে 161।
170 করলে, 11.2 ওভার এর মধ্যে 171।
180 করলে, 11.2 ওভার এর মধ্যে 181।
190 করলে, 11.3 ওভার এর মধ্যে 191।
200 থেকে 220 করলেও, প্রায় 11.3 ওভারের মধ্যে তাড়া শেষ করতে হবে।
অর্থাৎ মোটের উপর আফগানিস্তানকে প্রতি ওভারে প্রায় 13–14 রান হারে তাড়া করতে হবে।

কেস B: আফগানিস্তান আগে ব্যাট করে, শ্রীলঙ্কা তাড়া করতে নামে
এখানে আফগানিস্তান বড় স্কোর করবে এবং শ্রীলঙ্কাকে খুব কমে আটকে দিতে হবে। উদাহরণ:

আফগানিস্তান 150 করলে, শ্রীলঙ্কাকে 83 বা কমে থামাতে হবে।
160 করলে, 92 বা কমে।
170 করলে, 100 বা কমে।
180 করলে, 109 বা কমে।
190 করলে, 118 বা কমে।
200 করলে, 127 বা কমে।
210 করলে, 136 বা কমে।
220 করলে, 145 বা কমে।

এগুলো পূরণ হলেই শ্রীলঙ্কার NRR −0.270 এর নিচে নামবে এবং বাংলাদেশ সেমিতে যাবে।

ফ্যাশনের দুনিয়ায় যেখানে চারদিকে বড় বড় সেলিব্রেটি, চকচকে বিজ্ঞাপন, ইনফ্লুয়েন্সারদের রিল সেই জগতে একদিন চুপচাপ এসে হাজির ...
05/08/2025

ফ্যাশনের দুনিয়ায় যেখানে চারদিকে বড় বড় সেলিব্রেটি, চকচকে বিজ্ঞাপন, ইনফ্লুয়েন্সারদের রিল সেই জগতে একদিন চুপচাপ এসে হাজির হলো একটা ব্র্যান্ড, নাম Zudio।

না ওরা পোস্টার দিয়েছে , না কোনো মাধ্যমে বিজ্ঞাপনে করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও তেমন হইচই নেই। কিন্তু তাদের দোকানে গিয়ে মানুষ যা দেখলো, তাতে মন মা ভরে উপায় নেই। সুন্দর ছিমছাম, একেবারে সিম্পল দোকান আর সবচেয়ে বড় কথা ভীষণ কম দামে কাপড়!

একটা টি-শার্ট ১৯৯ রুপি , জিন্স ৭৯৯-এর নিচে? এমন দাম তো স্বপ্নের মতো!Zudio ও ঠিক করলো,আমরা অনলাইন নিয়ে মাথা ঘামাব না। আমরা চাই মানুষ সরাসরি দোকানে আসুক, দেখে-কিনে যাক, জিনিসটা ছুঁয়ে দেখুক, পরে দেখুক!

এভাবেই তারা শহর থেকে শহরতলি, মফস্বল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়লো। কাস্টমার যারা একবার কিনলো তারা বারবার ফিরে আসললো। কোয়লিটি মানানসই ,সাইজের ঝামেলা নেই, দাম কম, ডিজাইন ট্রেন্ডি। আর কি চাই!!

বড় বড় ব্র্যান্ড যখন ইন্টারনেট আর ইনফ্লুয়েন্সারদের পেছনে ছুটছে, তখন Zudio আপন গতিতে হেঁটে চলেছে। তারা প্রমাণ করেছে, কাস্টমারের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য ফ্ল্যাশি হওয়া লাগে না, লাগে সত্যি করে ভাবা আর বাজেটের ভেতরে সেরা জিনিস দেওয়ার মানসিকতা।

আপনার গাড়ি ও কি ভ্যানিলা আইসক্রিম অপছন্দ করে???ঘটনাটি ঘটেছিল General Motors এর এক কাস্টমার  এবং তাদের কাস্টমার কেয়ার এক...
16/07/2025

আপনার গাড়ি ও কি ভ্যানিলা আইসক্রিম অপছন্দ করে???

ঘটনাটি ঘটেছিল General Motors এর এক কাস্টমার এবং তাদের কাস্টমার কেয়ার এক্সিকিউটিভের মধ্যে।
একদিন Pontiac Division-এর কাছে একটি অদ্ভুত অভিযোগ মেইলে আসে।“আমি দ্বিতীয়বার আপনাদের কাছে লিখছি। প্রথম মেইল টি হয়তো আপনাদের পাগলামি লেগেছে, আমি আপনাদের দোষ দিই না!! তবে ঘটনাটা একদম সত্য। আমাদের পরিবারে রাতের খাবারের পর ডেজার্ট হিসেবে আইসক্রিম খাওয়ার রেওয়াজ আছে। প্রতিদিন রাতে পরিবারের সবাই মিলে ভোট দিয়ে ঠিক করি, কোন ফ্লেভারের আইসক্রিম খাব। এরপর আমি গাড়ি চালিয়ে আইসক্রিম কিনতে যাই। সমস্যা হলো, আমি সম্প্রতি একটি নতুন Pontiac গাড়ি কিনেছি। এই গাড়ি কিনার পর থেকে আমি যখনই ভ্যানিলা আইসক্রিম কিনি, গাড়িটি আর স্টার্ট নেয় না! অথচ অন্য যেকোনো ফ্লেভার কিনলে কোনো সমস্যা হয় না। আমি জানি ব্যাপারটা শুনতে অদ্ভুত লাগছে, কিন্তু আমি একদম সিরিয়াস।”

Pontiac এর ম্যানেজমেন্ট বিষয়টা শুনে প্রথমে অবিশ্বাস করলেও, একজন ইঞ্জিনিয়ার পাঠান বিষয়টা যাচাই করতে । ইঞ্জিনিয়ার সাহেব গিয়ে দেখেন, অভিযোগকারী একজন শিক্ষিত, সফল ব্যক্তি। থাকেন ও একটি চমৎকার বাড়িতে। তিনি নির্ধারিত সময়ে এসে অভিযোগকারীকে নিয়ে যান আইসক্রিম কিনতে। সেদিন ছিল ভ্যানিলা রাত এবং সত্যি দোকান থেকে ফেরার পর গাড়ি স্টার্ট নেয়নি!
ইঞ্জিনিয়ার এরপর আরও তিনদিন পরপর যান। প্রথম দিন চকলেট আইসক্রিম ,গাড়ি ঠিকঠাক চলে। দ্বিতীয় দিন স্ট্রবেরি , কোনো সমস্যা নেই। তৃতীয় দিন ভ্যানিলা ,আবারও গাড়ি স্টার্ট নেয় না। তিনি ভাবেন, গাড়ি নিশ্চয় ভ্যানিলা-অ্যালার্জিক না! তখন থেকেই শুরু করেন ডেটা নেওয়া । কখন দোকানে যাওয়া হয়, কতক্ষণ সময় লাগে, কোন ফ্লেভার কতক্ষণে পাওয়া যায়, কোন পেট্রোল ব্যবহার হয় ইত্যাদি।

তাঁর চোখে পড়ে, ভ্যানিলা আইসক্রিম কিনতে সময় কম লাগে। কেন? কারণ ভ্যানিলা ছিল দোকানের সামনের কেইসে, যেখানে সহজে হাত দিলেই পাওয়া যায়। অন্য সব ফ্লেভার ছিল পেছনে , যেখানে কিনতে অপেক্ষা করতে হয়।তাহলে সমস্যা আসলে “ভ্যানিলা” না বরং সময়! অবশেষে ইঞ্জিনিয়ার বের করলেন আসল কারণ “Vapor Lock”।

গাড়ি চালিয়ে আইসক্রিম কিনতে যাওয়ার পর গাড়ির ইঞ্জিন খুব গরম থাকত। ভ্যানিলা কিনে দ্রুত ফিরে আসায় ইঞ্জিন ঠান্ডা হওয়ার সুযোগ পেত না তাই “Vapor Lock”এর কারণে স্টার্ট নিত না। কিন্তু চকলেট বা স্ট্রবেরি কিনতে বেশি সময় লাগত ততক্ষণে ইঞ্জিন ঠান্ডা হয়ে যেত, ফলে গাড়ি ঠিকঠাক স্টার্ট নিত!

বিজনেস এ, বা যেকোন স্টার্টাপ এ - ক্যাটেগরি ক্রিয়েশন হল সবচে রিস্কি, সবচে লসের আবার ভাল করলে সবচেয়ে লাভের।ক্যাটাগরি ক্রিয়...
07/07/2025

বিজনেস এ, বা যেকোন স্টার্টাপ এ - ক্যাটেগরি ক্রিয়েশন হল সবচে রিস্কি, সবচে লসের আবার ভাল করলে সবচেয়ে লাভের।
ক্যাটাগরি ক্রিয়েশন হল এমন একটা পন্য বা সার্ভিস বাজারে নিয়ে আসা - যা মার্কেট এ কারো কাছেই নাই।
একেবারেই ইউনিক আইডিয়া, যা কেউ পরিক্ষামূলকভাবেও করে নাই।
একারনে, পন্য বা সার্ভিস বাজারে চলবে কিনা, সবাই গ্রহণ করবে কিনা বা কি হতে পারে সেটা পুরোটাই অনিশ্চিত থাকে।
যদিও, মার্কেট রিসার্চ করে বা জরিপ করে এটা নিয়ে ব্যাবসা শুরুর আগে ধারনা করার চেস্টা করা হয়।
কিন্তু যে পন্য কেউই বাজারে আনে নাই, সেটা নিয়ে যথেস্ট ধারনা পাওয়া কঠিন।
ল্যাবে ডেভেলপ করা আর বাজারে সেটাকে টেস্ট করার মাঝে মাঝে যোজন যোজন তফাত।
//.\\
১৯৯৯ সালে পেপসিকো ইন্ডিয়া, ২১১ বার পরিক্ষা করে এরপর একটা স্নাকস ডেভেলপ করে!
কাস্টমারদের কাছে এটা খাবার জন্য টেস্ট করতে দেবার পরে সবাই বলতে থাকে যে এটা খেতে কুড়কুড়ে।
কোম্পানিও এই পন্যের নাম রেখে দেয় - কুড়কুড়ে।
অই সময়ে এই ধরনের কোন স্নাকস বাজারে ছিল না, পেপসিকো একটা নতুন ক্যাটাগরি নিয়ে আসে।
অই সময়ে বাজারে নাশতায় প্রচলন ছিল চানাচুর অথবা চিপসে।
কিন্তু পেপসিকো চায় নাই, চানাচুর বা চিপস এর সাথে কম্পিটিশন এ নামত, তারা নতুন পন্যই বাজারে নিয়ে আসে।
একই পন্য সেরাটা বাজারে না নিয়ে এসে একেবারে নিত ন পন্য বাজারে নিয়ে আসা - এমন ইনোভেশন খুব গুরুত্বপূর্ণ স্ট্রাটেজি।
সেরা না, নতুন পন্য নিয়ে এলে প্রতিযোগিতার কোন যায়গা থাকে না।
//.\\
FMCG মার্কেট এ, কুড়কুড়ে বেশ কিছু আলাদা আলাদা স্ট্রাটেজি নিয়ে আসে৷
চণ্ডিগড় এ যখন প্রথম এই পন্য বাজারে আসে, কালার ব্রান্ডিং এর বন্যা বইয়ে যায় পুরো ব্যাপারটা চেয়ে চন্ডীগড় এ। তারা কমলা কালারের ব্যানার, দোকানের সাইনবোর্ড, কমলা রং এর পিকাপও ডিজাইন করে ফেলে।
এবং পুরো চণ্ডিগড় তারা ১০ দিনে কাভার করে ফেলে ।
এর আগে ভারতে মুদি দোকানে সব কিছু দোকানের ভিতরে র‍্যাকে রাখা হত । কুড়কুড়েই প্রথম দোকানের বাইরে স্ট্যান্ডে তাদের প্যাক রাখার প্রচলন শুরু করে যা পরে অন্যসব কোম্পানি ফলো করা শুরু করে ।
একটা পন্য বাজারে আনতে যতবেশি সম্ভব ইনোভেশন তত বেশি সংখ্যক সম্ভাবনা তৈরি হয় ।
//.\\
কিন্তু বিক্রি না বাড়লে টাকা আসে না,
কাজেই বিক্রি কিভাবে বাড়ানো যায় ?
বিক্রি বাড়ানর ৩ টা উপায় আছে -
১/ কাস্টমার বাড়ানো
২/ কাস্টমারকে কিনতে উতসাহী করা ।
৩/ ভ্যারিয়েশন বাড়িয়ে বিক্রি বাড়ানো ।
কুড়কুড়ে -৩ টা কাজই করা শুরু করে ।
প্রথমে তারা টার্গেট মার্কেট অ্যানালাইসিস করে দেখে যে, চিপস খায় শুধু বাচ্চারা । কাজেই তারা চিন্তা করে শুধু বাচ্চাদের টার্গেট না করে যদি পুরো পরিবারকে টার্গেট করা যায় তাহলে কাস্টমার বেড়ে যায় ।
এই চিন্তা থেকে তারা তাদের সব টিভি কমার্শিয়াল এ পারিবারিক আবহ আনার চেস্টা করে ।
সেই সময় জুহি চাওলা জনপ্রিয় ছিলেন সব পরিবারের কাছেই তার কমেডি ইমেজ এর কারনে । তারা জুহি চাওলাকে নিয়ে আসে, তাকে দিয়ে প্রায় সব টিভি কমার্শিয়ালেই পুরো পরিবারকে দেখানো শুরু করে এবং - সেখানের সবার হাতেই কুড়কুড়ে দেখানো শুরু করে ।
এরপরে তারা সারা ভারতে এটাকে লাউঞ্জ করা শুরু করে কিন্তু আলাদা আলাদা প্রদেশ এ আলাদা আলাদা ফ্লেভার বাজারে নিয়ে আসে । পাঞ্জাবী, বাঙ্গালী, তামিল যেখানে যে ফ্লেভার চলে ভাল সেখানে সেই ফ্লেভার নিয়ে এসে তাদের টার্গেট কাস্টোমার বাড়িয়ে ফেলে ।
আঞ্চলিক এইসব ফ্লেভার বাজারে আলাদা কাস্টমার তৈরির কাজ করতে থাকে ।
এভাবে নতুন নতুন এলাকায় তাদের নতুন নতুন ফ্লেভার কাজ করা শুরু করে ।
আরেকটা নতুন অ্যানালাইসিস তাদেরকে আরো এগিয়ে দেয় - তারা দেখে ভারতে মানুশ ১ টায় খাবার খায়, আবার খায় রাত ৮ টার পর । মাঝের বিকেলে খায় চা - এই সময়ে তারা আরেক টিভি কমার্শিয়াল বানায় যেখানে বিকেলের চা এর সাথে তার কুড়কুড়ে দেখানো শুরু করে নতুন ট্রেন্ড নিয়ে আসে বাজারে ।
এই আলাদা আলাদা সময়ে প্রতিদিনের নাশতায় কুড়কুড়ে দেখিয়ে তারা এটাকে প্রতিদিনের স্নাকস এ ।
স্লোগান নিয়ে আসে - “চায়ে টাইম মাস্তি বোলে ত, কুড়কুড়ে ।”
এভাবে নতুন প্রোডাক্ট, নতুন ফ্লেভার, নতুন সময়ে খাওয়ার ট্রেন্ড চালু করে অপ্রতিদ্বন্দ্বী একটা নতুন পন্য বাজারে নিয়ে আসে ।
এই ক্যাটেগরিতে বর্তমানে তাদের মার্কেট শেয়ার ২৮% তাদের বিক্রি বছরে ১৯৫০ কোটি ।
//.\\
সার্ভিস বা পন্যে, নতুন নতুন ইনোভেশন - মার্কেটিং স্ট্রাটেজি এভাবেই মার্কেট শেয়ার দখলে, নতুন মার্কেট তৈরিতে কাজ করে ।
ডাটা অ্যানালাসিস, সেই ডাটাকে সঠিকভাবে ব্যাবহার এজন্য খুবই গুরুত্বপুর্ন ।
আমাদের প্রজেক্ট বর্গার গরুর মাংসের কোয়ালিটি নিয়ে এবার কোরবানি ঈদে আমরা জানতে চাইছিলাম আমাদের গোশত এর কোয়ালিটি ছিল ।
কিন্তু যেসব চমৎকার রিভিউ এসেছে, তাতে আমরা এখন আত্নবিস্বাসী ।
সামনে আমাদের ফার্ম বড় হতে যাচ্ছে, এবারের ব্যাচে ৪০০ গরু হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ, দেখা যাক ।
আমরা কি কি পন্য বাজারে নিয়ে আসতে পারি ?
- Mujahidul Islam Jahid

মাগুরায় রাইস কুকারে রান্নার সময় মা-মেয়ের মৃত্যুতে বেশিরভাগ সংবাদমাধ্যম এমনভাবে শিরোনাম করেছে, যেন রাইস কুকারই হত্যাকারী।...
26/06/2025

মাগুরায় রাইস কুকারে রান্নার সময় মা-মেয়ের মৃত্যুতে বেশিরভাগ সংবাদমাধ্যম এমনভাবে শিরোনাম করেছে, যেন রাইস কুকারই হত্যাকারী। অথচ কোথাও নেই-বিদ্যুতের লাইন কেমন ছিল, প্লাগ বা তারে ত্রুটি ছিল কিনা, ভিজা মেঝে ছিল কি না।

যেকোনো মৃত্যুই দু:খজনক। তবে ভুল হেডলাইন শুধু বিভ্রান্ত করে না, বরং ভবিষ্যতের দুর্ঘটনার পথ খুলে দেয়।

মৃত্যুকে ট্যাবলোয়েড বানাবেন না।
সচেতনতা ছড়ান, দায়টা সঠিক জায়গায় ঠেলুন।

Address

Niketon, Gulshan 1
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BrandBuzzer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category