17/09/2026
মেয়েটার নাম তানিয়া। মাত্র ১১ বছর।
অভাবের সংসারে একটু ভালো থাকার আশায় খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকায় গৃহকর্মীর কাজে এসেছিলো।
ঢাকায় এক শিক্ষিত দম্পতি, শিক্ষিকা মোর্শেদা আক্তার ছোটন আর তার স্বামী সাইফুদ্দিন রাসেলের বাসায় তানিয়া কাজ করতো।
এই ডা- ইনি আর পি-শাচ মিলে গত দেড় বছর ধরে এই মেয়েটার ওপর যে কি পরিমান নি'**'ত'ন চালাইছে, তা শুনলে গা শিউরে ওঠে।
গরম খুন্তির ছ্যাঁ*, ফুটন্ত গরম পানি ঢেলে শ**র ঝ*সে দেওয়া, মাথায় আ'**'ত, টয়লেটে আটকে রাখা;কী করা হয় নাই তার সাথে!
তানিয়ার পুরো শরীরে এখন পচন ধরা ক্ষত আর পোড়া দাগ।
গত দেড় বছর ধরে এই নর- পশুরা মেয়েটাকে তার বাবার সাথে একটা বারও ফোনে কথা বলতে দেয় নাই! যখনই তানিয়ার বাবা মেয়ের সাথে কথা বলতে চাইতো, এই কু* লাঙ্গার দম্পতি কোনো না কোনো বাহানা দিয়ে ফোন কেটে দিত। ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এরা যে চাল চালছে, সেটা শুনলে মাথা ঠিক থাকবে না।
কয়েকদিন আগে নি**তনে তানিয়ার মাথা আর থুতনি ফে** যায়। অবস্থা যখন একদম মরণাপন্ন, তখন আইনি ঝামেলা এড়াতে এই দম্পতি তানিয়াকে ঢাকা থেকে কৌশলে ফেনী সদর হাসপাতালে ফেলে রেখে আসে!
খবর পেয়ে তানিয়ার বাবা গত শুক্রবার রাত ৩টার দিকে ফেনী থেকে মেয়েকে প্রায় মৃ**'মুখ থেকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।
আর আমাদের সিস্টেমের অবস্থা দেখেন, এত গুরুতর অবস্থা হওয়া সত্ত্বেও খাগড়াছড়ি হাসপাতালে একটা বেড পর্যন্ত পায় নাই তানিয়া, মেঝেতে শুইয়েই তার চিকিৎসা চলছে! হাসপাতালের ডাক্তার জানাইছে, দীর্ঘদিন ধরে মা***ধর আর না খেয়ে থাকার কারণে বাচ্চাটা সোজা হয়ে দাঁড়াতেও পারছে না। তার পিঠ আর দুই পায়ের ক্ষ**গুলোতে অলরেডি পচন ধরে গেছে!
নিজের সন্তানকে ভালো রাখার জন্য মানুষ কত কী করে, আর অন্যের একটা বাচ্চার জীবন এই পিশাচরা জীবন্ত জাহান্নাম বানিয়ে দিল!
তানিয়ার বাবার তো কান্না করতে করতে তো বলেই দিছে, যত অভাবই হোক, দেশের আর কোনো বাবা-মা যেন তাদের ছোট সন্তানদের এভাবে ঢাকায় কাজে না পাঠান।
এই অপরাধীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যেন আর কোনো বাচ্চার সাথে এমন করার সাহস কেউ না পায়।
এই পাষণ্ড দম্পতিকে পুলিশ গ্রেফতার করছে আর তাদের জে'লে পাঠানো হইছে। কিন্তু শুধু জে'লে যাওয়াই কি যথেষ্ট?শিক্ষা আর টাকার গরম থাকলেই মানুষ হওয়া যায় না, এই ন* র পশুরা তার প্রমাণ।
এই জঘন্য নি'**'ত'নের সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তানিয়ার মতো আর কোনো বাচ্চার জীবন যেন এভাবে শেষ না হয়।🙂