Co- Relation

Co- Relation A Good Attitude Can Build Strong Relation & Place Healthy Society.
(2)

বাবা মায়ের দেওয়া নাম বদলে যে অভিনেতারা অন্য নামে বিখ্যাত....
26/08/2026

বাবা মায়ের দেওয়া নাম বদলে যে অভিনেতারা অন্য নামে বিখ্যাত....

বিয়ের প্রস্তাব-মোবাইলে রিচার্জ-জরুরি সেবা ৯৯৯, আসে আজব সব কল! “আপনার সাথে কি প্রেম করা যাবে?জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ বিয...
15/08/2026

বিয়ের প্রস্তাব-মোবাইলে রিচার্জ-জরুরি সেবা ৯৯৯, আসে আজব সব কল! “আপনার সাথে কি প্রেম করা যাবে?

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ বিয়ের প্রস্তাব, প্রেমের আহ্বান, মোবাইলে রিচার্জের আবদার থেকে শুরু করে সন্তানকে ভয় দেখিয়ে খাওয়ানোর অনুরোধও আসে। জরুরি মুহূর্তে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা পেতে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকা এই নম্বরে গত আট বছরে প্রায় ৮ কোটি কল এসেছে। এর মধ্যে প্রায় ৫৭ শতাংশ কলই অপ্রয়োজনীয়—কৌতূহল, মজা কিংবা নানা অদ্ভুত আবদারের। নারী কলগ্রহীতাদের অনেক সময় প্রশ্ন করা হয়, “আপনার সাথে কি প্রেম করা যাবে?” আবার কেউ কেউ বিয়ের প্রস্তাব কিংবা মোবাইল রিচার্জের আবদারও করেন। শিশুদের কান্না থামাতে বা খাওয়াতে কল করে কর্মকর্তাদের দিয়ে ভয় দেখানোর অনুরোধও আসে। এমনকি অবসর সময়ে অনেকেই কলগ্রহীতাদের গালিগালাজ করেন, যা তাদের কাজের ওপর অতিরিক্ত মানসিক চাপ তৈরি করে। অপ্রয়োজনীয় কলের ভিড় ঠেলে প্রায় ৪০০ কর্মী প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার কল গ্রহণ করেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে সহায়তার অনুরোধ পাঠান। ৮০টি ওয়ার্কস্টেশনে কল গ্রহণ করা হলেও অপ্রয়োজনীয় কলের কারণে জরুরি কলের অপেক্ষার সময় কখনো দুই থেকে তিন মিনিট পর্যন্ত বেড়ে যায়। এতে প্রকৃত বিপদগ্রস্ত মানুষের দ্রুত সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই ৯৯৯ কর্মকর্তারা নাগরিকদের দায়িত্বশীলভাবে এই সেবা ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন এবং অপ্রয়োজনীয় কল বন্ধে টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী শাস্তির বিধান আনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন।✅

তথ্যসূত্র: একাত্তর টিভি


#জাতীয়জরুরিসেবা #জরুরিসেবা #ডিজিটালসেবা

অফিসে ৮ ঘণ্টার বেতন নিচ্ছেন, কিন্তু কাজের সময়ের বড় অংশ ব্যক্তিগত কাজে চলে যাচ্ছে। পুরো বেতন কি হালাল?সকাল ৯টায় অফিসে ঢুক...
14/08/2026

অফিসে ৮ ঘণ্টার বেতন নিচ্ছেন, কিন্তু কাজের সময়ের বড় অংশ ব্যক্তিগত কাজে চলে যাচ্ছে। পুরো বেতন কি হালাল?

সকাল ৯টায় অফিসে ঢুকলেন। কাজ আছে, কিন্তু খুব বেশি চাপ নেই। একটু Facebook দেখলেন, তারপর Messenger, YouTube, ব্যক্তিগত ফোনকল, নিজের online business-এর দুটো কাজ। দেখতে দেখতে এক ঘণ্টা চলে গেল।

দুপুরের পর আবার একই অবস্থা। Boss কিছু বলেননি, কাজও মোটামুটি শেষ করেছেন। মাস শেষে পুরো বেতনও পেলেন।

হঠাৎ একদিন মনে প্রশ্ন জাগল,

“আমি যে সময়টার জন্য বেতন নিচ্ছি, সেই সময় যদি নিজের কাজে ব্যয় করি, তাহলে আমার বেতনের মধ্যে সমস্যা হচ্ছে না তো?”

এই প্রশ্নটা শুধু অফিসে বসে social media দেখার নয়। Work from home, সরকারি চাকরি, দোকান, factory, private company, freelancing contract, এমনকি নিজের উপস্থিতির জন্য বেতন পাওয়া যেকোনো কাজেই বিষয়টি আসতে পারে।

সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো,

অফিসের সময় ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করলেই পুরো বেতন স্বয়ংক্রিয়ভাবে হারাম হয়ে যায় না। মূল প্রশ্ন হলো, আপনার চাকরির চুক্তি, দায়িত্ব, প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ও প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী আপনি যে সময় বা কাজ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন, সেটি ঠিকভাবে দিচ্ছেন কি না।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

“হে মুমিনগণ, তোমরা অঙ্গীকারসমূহ পূর্ণ করো।”
সূরা আল মায়িদাহ: ১।

চাকরিও একটি চুক্তি। আপনি যখন নির্দিষ্ট দায়িত্ব, সময় বা output-এর বিনিময়ে বেতন নিতে সম্মত হন, তখন সেই agreed responsibility রক্ষা করা আমানতের অংশ। হানাফি ফিকহের সমসাময়িক ব্যাখ্যাতেও employment agreement-কে binding contract ও trust হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

তাহলে অফিসে এক মিনিট ব্যক্তিগত কাজ করলেই গুনাহ?

না। বিষয়টাকে এত যান্ত্রিকভাবে বুঝলে ভুল হবে।

অফিসে পানি খাওয়া, washroom-এ যাওয়া, সহকর্মীর সঙ্গে কয়েক মিনিট কথা বলা, প্রয়োজনীয় ফোন ধরা, সামান্য বিশ্রাম নেওয়া এগুলো স্বাভাবিক মানবিক প্রয়োজন। প্রতিষ্ঠানের culture অনুযায়ী tea break, short personal call বা কিছুটা internet use যদি অনুমোদিত কিংবা প্রচলিতভাবে মেনে নেওয়া হয়, তাহলে সেটিকে সময় চুরি বলা হবে না। হানাফি ফিকহের একটি উত্তরে বলা হয়েছে, periodic break নেওয়া বৈধ হতে পারে যদি কাজ ঠিকভাবে সম্পন্ন হয় এবং তা customary allowance বা employer-এর প্রকাশ্য বা পরোক্ষ অনুমতির মধ্যে থাকে।

সমস্যা শুরু হয় যখন “একটু break” ধীরে ধীরে আপনার কাজের বড় অংশ হয়ে যায়।

ধরুন, কাজ সব শেষ হয়ে গেছে

আপনার দায়িত্ব ছিল কয়েকটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা। সব কাজ ঠিকভাবে করেছেন। এখন অফিসে আরও দুই ঘণ্টা থাকতে হবে, কিন্তু নতুন কোনো কাজ নেই।

এক্ষেত্রে company policy গুরুত্বপূর্ণ।

যদি আপনার চাকরিটি মূলত নির্দিষ্ট কাজ বা output-ভিত্তিক হয়, অথবা employer জানেন এবং মেনে নেন যে কাজ না থাকলে আপনি ব্যক্তিগত browsing করতে পারেন, তাহলে বিষয়টি সহজ। এমনকি Hanafi আলোচনায় workplace-এ উপস্থিত থাকা এবং assigned duty পূরণ করার পর customary personal activity-এর ক্ষেত্রে কঠোরভাবে প্রতিটি মিনিটের বেতন ফেরত দেওয়ার কথা বলা হয়নি।

কিন্তু আপনাকে যদি ওই সময়টুকু employer-এর কাজের জন্য available থাকতে হয়, তাহলে এমন কোনো ব্যক্তিগত কাজে ডুবে যাওয়া ঠিক নয় যার কারণে customer, phone, email বা নতুন দায়িত্ব এলে আপনি সাড়া দিতে পারবেন না।

“Boss তো কিছু বলেন না”

Boss না বলা আর অনুমতি দেওয়া সবসময় এক নয়।

অনেক manager জানেন যে কর্মীরা মাঝে মাঝে ফোন দেখেন এবং এটিকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেন। সেখানে সমস্যা নেই। কিন্তু আপনি জানেন company policy অনুযায়ী personal work নিষিদ্ধ, তারপরও supervisor নেই দেখে নিয়মিত নিজের business, freelancing বা দীর্ঘ personal কাজ করছেন, তাহলে সেটা চুক্তির সীমা অতিক্রম করা হতে পারে। চাকরির সময় ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা employer-এর অনুমতি ছাড়া বৈধ নয় বলে সরকারি ইফতা সংস্থার ফতোয়াতেও উল্লেখ করা হয়েছে।

নিজের কাছে একটি প্রশ্ন করলেই অনেক কিছু পরিষ্কার হয়ে যায়,

Boss ঠিক আমার পাশে বসে থাকলেও কি আমি এই কাজটি করতাম?

যদি উত্তর হয়, “না, তখন লুকিয়ে ফেলতাম”, তাহলে বিষয়টি নতুন করে ভাবার দরকার আছে।

Work from home হলে?

এখানেই অনেকের পরীক্ষা আরও কঠিন।

Laptop open আছে, Teams বা Slack online দেখাচ্ছে। কিন্তু একদিকে রান্না, অন্যদিকে ঘুম, Netflix, personal business। কাজ এলে reply দিলেন, বাকিটা সময় নিজের মতো।

এখানেও একই নীতি। আপনার চুক্তি যদি বলে নির্দিষ্ট সময় employer-এর জন্য available থাকতে হবে, সেই সময় অন্য কাজে এমনভাবে ব্যস্ত হওয়া ঠিক নয় যাতে আপনার agreed availability বাস্তবে থাকে না। আর যদি কাজটি flexible, output-based এবং employer-ও সেটিই প্রত্যাশা করেন, তাহলে প্রতিটি মিনিট desk-এ বসে থাকা আবশ্যক হয়ে যায় না। Employment agreement-এর শর্তই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

সরকারি চাকরি হলে বিষয়টা কি আরও গুরুতর?

এখানে শুধু একজন boss-এর নয়, অনেক মানুষের অধিকার জড়িত হতে পারে।

আপনি যদি service counter-এ দায়িত্বে থাকেন আর মানুষ অপেক্ষা করছে, অথচ আপনি personal phone-এ ব্যস্ত, তাহলে শুধু office rule ভাঙা নয়, মানুষের প্রয়োজনও আটকে যাচ্ছে। দায়িত্বের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করা আমানতের প্রশ্ন তৈরি করে। রাসূলুল্লাহ ﷺ আমানতে খিয়ানতকে মুনাফিকসুলভ বৈশিষ্ট্যের একটি হিসেবে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন।

তাহলে আগের বেতনের কী হবে?

এখানে তাড়াহুড়া করে নিজের পুরো আয়কে “হারাম” ঘোষণা করবেন না।

যদি আপনার কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়ে থাকে, কর্মস্থলে উপস্থিত থেকেছেন এবং ব্যক্তিগত activity প্রতিষ্ঠানে সাধারণভাবে tolerated ছিল, তাহলে পুরো বেতন ফেরত দেওয়ার বিধান সরলভাবে প্রযোজ্য নয়। কিছু Hanafi ফিকহি উত্তরে এমন অবস্থায় সম্পূর্ণ salary ফেরত আবশ্যক নয় বলা হয়েছে।

কিন্তু যদি আপনি স্পষ্টভাবে দায়িত্ব ফাঁকি দিয়ে থাকেন, অনুমতি ছাড়া নিয়মিত সময় অন্য কাজে ব্যবহার করেছেন, কাজ অসম্পূর্ণ রেখেছেন বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করেছেন, তাহলে তওবা করুন এবং ভবিষ্যৎ আচরণ ঠিক করুন। ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হলে নিজের নির্দিষ্ট চাকরির contract ও পরিস্থিতি জানিয়ে নির্ভরযোগ্য মুফতির কাছে জেনে নেওয়া ভালো।

সবচেয়ে সহজ self-check

নিজেকে তিনটি প্রশ্ন করুন।

আমি কি যে কাজের জন্য টাকা নিচ্ছি, সেই কাজটি ঠিকভাবে করছি?

আমার personal activity কি employer জানলে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করবেন?

আমার কারণে customer, colleague বা প্রতিষ্ঠানের কোনো হক নষ্ট হচ্ছে?

তিনটির উত্তর পরিষ্কার হলে আপনার অবস্থাটাও অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

একজন মুসলিমের সততা শুধু cash counter-এ নয়। কখনো সততার পরীক্ষা হয় এমন একটি ঘণ্টায়, যার হিসাব কেউ নেয় না।

কেউ হয়তো দেখছে না আপনি office time-এ কী করছেন। Attendance system দেখাবে আপনি উপস্থিত ছিলেন। Salary sheet-এও কোনো সমস্যা থাকবে না।

কিন্তু আপনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হওয়া উচিত,

“যে সময়ের বিনিময়ে আমি টাকা নিচ্ছি, সেই সময়ের হক আমি সত্যিই আদায় করছি তো?”

আজকের মাসআলাটি এক লাইনে মনে রাখুন,

স্বাভাবিক break বা employer-এর অনুমোদিত personal use সমস্যা নয়। কিন্তু যে সময় বা দায়িত্ব দেওয়ার বিনিময়ে বেতন নিচ্ছেন, সেটি জেনে-শুনে ব্যক্তিগত কাজে নষ্ট করা আমানত ও চাকরির চুক্তির সঙ্গে অসঙ্গত হতে পারে।

হালাল আয় শুধু কাজের ধরন হালাল হলেই পূর্ণ হয় না। আয় অর্জনের পদ্ধতিতেও সততা প্রয়োজন।

আল্লাহ আমাদের কর্মক্ষেত্রে এমন আমানতদার বানান, যেন supervisor সামনে থাকুক বা না থাকুক, আমাদের কাজের মান একই থাকে।

আমিন।

আগামীকালের মাসআলা | #২৮

কারও জিনিস ব্যবহার করতে অনুমতি পেয়েছেন, কিন্তু সেটা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিলেন—মালিকের অনুমতি ছাড়া এটা কি বৈধ?

আপনাকে বিশ্বাস করে জিনিসটি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আপনি ভাবলেন, “একটু ব্যবহার করলে কীইবা হবে?”

অনুমতি কি শুধু আপনার জন্য ছিল, নাকি আপনি চাইলে অন্যকেও দিতে পারেন?

Collected.

14/08/2026

*Coffee E***a = কফি এনিমা*

এটা একটা বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি।

*কি এটা?*
সাধারণত মলদ্বার দিয়ে কফির লিকুইড শরীরে দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য হলো লিভারকে ডিটক্স করা এবং কোলন পরিষ্কার করা।

*কিভাবে করে?*
1. অর্গানিক কফি পানি দিয়ে বানিয়ে ঠান্ডা করা হয়
2. সেটা এনিমা কিট দিয়ে মলদ্বার দিয়ে শরীরে দেওয়া হয়
3. 10-15 মিনিট ধরে রাখার পর বের করে দেওয়া হয়

*যারা সাপোর্ট করে তারা বলে এর উপকারিতা:*
- লিভার ডিটক্সে সাহায্য করে
- কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
- এনার্জি বাড়ায়

*ডাক্তাররা কি বলে?*
বেশিরভাগ ডাক্তার এটার বিরোধিতা করেন। কারণ:
- পানিশূন্যতা, ইনফেকশন, ইলেক্ট্রোলাইটের সমস্যা হতে পারে
- এর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ খুবই কম
- ভুলভাবে করলে কোলন ছিদ্রও হয়ে যেতে পারে

*গুরুত্বপূর্ণ:* ডোন্ট ট্রাই এট হোম।

রেকর্ড গরমে মাটির নিচেই ‘সিদ্ধ’ হয়ে যাচ্ছে আলু; দিশেহারা দক্ষিণ কোরিয়ার কৃষকরা!কৃষকেরা জানিয়েছেন, শুধু শাকসবজিই নয়, ফলও...
14/08/2026

রেকর্ড গরমে মাটির নিচেই ‘সিদ্ধ’ হয়ে যাচ্ছে আলু; দিশেহারা দক্ষিণ কোরিয়ার কৃষকরা!

কৃষকেরা জানিয়েছেন, শুধু শাকসবজিই নয়, ফলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আপেল অতিরিক্ত রোদে পুড়ে গেছে। অন্যদিকে, পিচফল ফেটে যাচ্ছে। বাঁধাকপিও মাটিতে মিশে গেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা তীব্র দাবদাহের পর দেশটির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এরই মধ্যে মাটি থেকে তোলার আগেই কিছু এলাকায় আলু পচে যাচ্ছে। আলু এতটাই নরম হয়ে গেছে যে সেগুলোকে সেদ্ধ করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকা গ্যাংওন প্রদেশের কৃষকেরা জানিয়েছেন, এক সপ্তাহ আগেও যেসব জমিকে সুস্থ ও স্বাভাবিক দেখাচ্ছিল, সেসব জমিতে আলু তুলতে গিয়ে তারা দেখছেন—তোলার মতো কোনো আলুই নেই। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার সীমান্তের কাছে ইয়াংগু কাউন্টির হেয়ান এলাকায় আলু চাষ করেন লি সাং-হিয়ক। স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম এসবিএসকে তিনি বলেন, 'এটা শুধু একটি-দুটি জমির ঘটনা নয়। বিষয়টি কীভাবে ভাষায় প্রকাশ করব, সেটাই বুঝতে পারছি না। আমি ভীষণ কষ্ট পেয়েছি।'

তিনি বলেন, ৪০ বছর ধরে কৃষিকাজ করছেন, কিন্তু এর আগে কখনো এমন পরিস্থিতি দেখেননি।

কাছাকাছি এলাকায় কয়েক হাজার পিয়ং জমিতে চাষ করা বাঁধাকপিও মাটিতে মিশে গেছে। এক পিয়ং কোরিয়ার একটি জমির পরিমাপের একক, যা প্রায় ৩ দশমিক ৩ বর্গমিটারের সমান। বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশায় কৃষকেরা বাঁধাকপি তুলতে দেরি করেছিলেন। এর মধ্যেই প্রচণ্ড গরমে জমিতেই ফসল পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়। নষ্ট হওয়া বাঁধাকপির মূল্য কয়েক কোটি কোরীয় ওন, অর্থাৎ কয়েক হাজার পাউন্ডের সমপরিমাণ হতে পারত।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকা গ্যাংওন প্রদেশে চলতি মাসে প্রথমবারের মতো চুনচন, হংচন ও হোয়ংসেং শহরে তীব্র দাবদাহের সতর্কতা জারি করা হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ায় তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ মানুষ।
কৃষকেরা জানিয়েছেন, শুধু শাকসবজিই নয়, ফলের ফসলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আপেলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রোদের কারণে রোদে পোড়ার সমস্যা দেখা দিয়েছে। সরাসরি সূর্যের আলোয় থাকা আপেলের খোসা পুড়ে গিয়ে বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, পিচফল ফেটে যাচ্ছে।

আপেলচাষি চন জং-থে এসবিএসকে বলেন, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে চুসক উৎসবের সময় ফল সংগ্রহের জন্য যেসব গাছে আপেল রং ধরার কথা, সেসব গাছের বৃদ্ধি থেমে গেছে। শুধু সূর্যের দিকে থাকা অংশ লাল হচ্ছে। দাবদাহ অব্যাহত থাকলে সেই অংশও বিবর্ণ হয়ে সাদা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কোরিয়া রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, তীব্র গরমের কারণে দক্ষিণ কোরিয়াজুড়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে ৯ লাখের বেশি গবাদিপশু এবং খামারে পালন করা ১৪ লাখ মাছ মারা গেছে।

২ আগস্ট দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ইয়াংসান শহরের তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। ১৯০৪ সালে আধুনিক পদ্ধতিতে তাপমাত্রা পরিমাপ শুরু হওয়ার পর এটিই দক্ষিণ কোরিয়ায় রেকর্ড করা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০২২ সালের জুলাইয়ে লিংকনশায়ারের কনিংসবিতে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।

তীব্র গরমে শুধু ফসল নয়, কৃষকেরাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অতিরিক্ত গরমে শারীরিক চাপ তৈরি হওয়ায় তাদের কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সময়ে ফসল পচে যাওয়ার কারণে দিনের সবচেয়ে গরম সময়ে ঘরের ভেতরে থাকার সরকারি পরামর্শও তারা মেনে চলতে পারছেন না।

পিচচাষি পার্ক ওয়ান-সন বলেন, 'তারা আমাদের দিনের বেলা বাইরে গিয়ে কাজ না করতে বলছে। কিন্তু এই পিচগুলো তো পচে যাচ্ছে।'

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং মন্ত্রিসভার সদস্যদের বলেছেন, দেশের মানুষ আগে কখনো এমন আবহাওয়ার মুখোমুখি হয়নি। তিনি জাতীয় সংকট মোকাবিলা ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, এ ধরনের চরম আবহাওয়া ক্রমেই নতুন স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে পরিণত হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব মূলত মানুষের মৃত্যু ও গবাদিপশুর ক্ষয়ক্ষতির ওপর কেন্দ্রীভূত রয়েছে। ফসলের ক্ষয়ক্ষতির মোট পরিমাণ এখনো কর্মকর্তারা নিরূপণ করতে পারেননি।

কৃষকেরা আশঙ্কা করছেন, এর ফলে আগে থেকেই চড়া থাকা খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়বে। বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ার তিন দিনের শরৎকালীন ফসল উৎসব চুসকের আগে খাদ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই উৎসব উপলক্ষে পরিবারগুলো ছুটির দিনের খাবারের জন্য বিপুল পরিমাণ খাদ্যপণ্য কিনে থাকে।

আলু এমন একটি ফসল, যেটিকে গবেষকেরা ইতিমধ্যে তীব্র গরমের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছেন।

২০২৪ সালে 'পটেটো রিসার্চ' সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় লাইবনিজ সেন্টার ফর অ্যাগ্রিকালচারাল ল্যান্ডস্কেপ রিসার্চ এবং ব্র্যান্ডেনবুর্গ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন, ভবিষ্যতে জলবায়ুর যে পরিস্থিতিই তৈরি হোক না কেন, দক্ষিণ কোরিয়ার গ্রীষ্মকালীন আলু চাষের জন্য তাপসহনশীল জাতের প্রয়োজন হবে। তবে বসন্তকালীন আলু আরও আগে রোপণ করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় এর আগেও তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি উঠেছে। পরে ঝড় এসে দেশটিতে চলা ভয়াবহ তাপপ্রবাহ থেকে সাময়িক স্বস্তি এনে দেয়।

জাপানের কয়েকটি এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও বেশি রেকর্ড হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটিতে এ বছর প্রথমবারের মতো সরকারি স্বীকৃত 'অত্যন্ত ভয়াবহ গরমের দিন' রেকর্ড করা হয়েছে। জাপানের আবহাওয়া সংস্থা এ বছর এই শ্রেণিবিন্যাস চালু করেছে।

হংকংয়ে তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা ১৮৮৪ সালে রেকর্ড সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

চীনের শিনচিয়াং অঞ্চলের একটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রে জুলাই মাসে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সর্বশেষ 'এশিয়ার জলবায়ুর অবস্থা' প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩৫ বছরে এশিয়ায় তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার এর আগের তিন দশকের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
©

ঢাকায় লক্কর-ঝক্কর বাসের দিন শেষ, ৯০ দিনের মধ্যে নামছে ২০০ ইলেকট্রিক বাস✅ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব ...
14/08/2026

ঢাকায় লক্কর-ঝক্কর বাসের দিন শেষ, ৯০ দিনের মধ্যে নামছে ২০০ ইলেকট্রিক বাস✅

ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে রাস্তায় ২০০টি নতুন ইলেকট্রিক বাস (ই-বাস) নামানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো নগরবাসীকে পুরোনো ও জরাজীর্ণ বাসের ভোগান্তি থেকে মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ঢাকার বায়ুদূষণ কমানো। প্রাথমিকভাবে তিন মাসের মধ্যে ২০০টি ই-বাস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকার রাস্তায় মোট ৪০০টি ইলেকট্রিক বাস নামানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। একই সঙ্গে ২০ বছরের বেশি পুরোনো ও ফিটনেসবিহীন বাস পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ই-বাস পরিচালনার জন্য আধুনিক চার্জিং ডিপো ও স্টেশন নির্মাণের কাজও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে চালক ও টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণ, পর্যাপ্ত চার্জিং অবকাঠামো তৈরি এবং পরিবহন ব্যবস্থাপনা উন্নত করার মতো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু নতুন বাস নামালেই হবে না; ই-বাসের জন্য প্রয়োজনীয় পুরো অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনাও সমানভাবে নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি এলোমেলো রুট ব্যবস্থা ও ট্রাফিক শৃঙ্খলা ঠিক করা না হলে এই উদ্যোগের কাঙ্ক্ষিত সুফল পুরোপুরি পাওয়া কঠিন হতে পারে।


#বাংলাদেশঅর্থনীতি

সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্রচুর কেয়া গাছ আছে। বর্ষার শুরুতে কেয়াফল পাকে৷ যদিও দেখতে ও নাম শুনে খাওয়ার ফল মনে হয়। বাস্তবে এটা ...
23/07/2026

সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্রচুর কেয়া গাছ আছে। বর্ষার শুরুতে কেয়াফল পাকে৷ যদিও দেখতে ও নাম শুনে খাওয়ার ফল মনে হয়। বাস্তবে এটা খাওয়া যায় না।

কেয়াফলকে স্থানীয় ভাষায় কিয়াগুলা বলি। গুলা অর্থ ফল। পাকা ফল লাল হয়ে ঝরে পড়ে। লাল কেয়ার মিষ্টি গন্ধ নাকে আসলে মনে হবে সুমিষ্ট কোন ফল পেকেছে। এর বিচি খাওয়া যায়। তবে কষ্ট আর বিচির আকার মিলে এটা খাওয়ার চেয়ে না খাওয়া ভালো!

বর্ষাকালে পুরুষ কেয়া গাছে আবার থোকায় থোকায় ফুল ফুটে। বাদামি আসা ফুলের সৌরভ অনেক তীব্র হয়। সপ্তাখানেক সৌরভ ছড়ায়।

ভাঙ্গন রোধের পাশাপাশি কেয়াবন উপকূলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। এখন কেয়া গাছ রোপণের সময়।

04/07/2026
নিজের শ্বশুরকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখালো মেয়ের জামাই !
04/07/2026

নিজের শ্বশুরকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখালো মেয়ের জামাই !

04/07/2026

তোমার নেত্রী ফিরে আসবে না আর

তোমার জন্য কোন সুখবর নেই
কষ্টে-সৃষ্টে সময়টা করো পার
কোন একদিন আশা করি তুমি বুঝবে
তোমার নেত্রী ফিরে আসবে না আর

কোন একদিন মানতে শিখবে তুমি
মানতে শেখাটা সকলেরই দরকার
ফিরে আসবে না সোনালী সেসব দিন
তোমার নেত্রী ফিরে আসবে না আর

©Shayan Ahmed

Address

Ispahani Road
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Co- Relation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share