Human Beings

Human Beings We are Homo sapiens, a species of bipedal primates that have dominated this planet for millennia.

We're complex creatures, driven by a mix of emotions, logic, and creativity.

21/09/2024

মহিউদ্দিন ভাই আপনি সিলেবাসের বাহির থেকে প্রশ্ন করে ফেলেছেন তার জন্য উত্তর দেওয়াটা সম্ভব হয় নিহ 😁😁😁

অং সান সুচি এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসদুজনেই শান্তিতে নোবেল জয়ী।এখন দুই দেশই অশান্তিতে ভোগতাছে। হতাশ!
21/09/2024

অং সান সুচি এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূস
দুজনেই শান্তিতে নোবেল জয়ী।
এখন দুই দেশই অশান্তিতে ভোগতাছে।
হতাশ!

21/09/2024

মাইকে কি বলে.?
এটা কোথায় আমি জানি না, কেউ জানলে জানাবেন প্লিজ

যমুনা টিভি পাহারে ঝামেলা দেখে না,তারা গরু পালন করে
20/09/2024

যমুনা টিভি পাহারে ঝামেলা দেখে না,তারা গরু পালন করে

20/09/2024

বায়তুল মোকাররম মসজিদ এ হামলা 👇

মন্দির থেকে মসজিদে, পাহাড় থেকে সমতলেশুধু প্রাণের অস্তিত্ব মেলে, মানুষ মেলে নারে...
19/09/2024

মন্দির থেকে মসজিদে, পাহাড় থেকে সমতলে
শুধু প্রাণের অস্তিত্ব মেলে, মানুষ মেলে নারে...

📍আমি কি দোষ করেছি ভাই ??? #খাগড়াছড়ি দিঘীনালার অবস্থা ভালো নয়।গতকাল খাগড়াছড়ি সদরে একজন বাঙালি মটরসাইকেল চুরি করতে গিয...
19/09/2024

📍আমি কি দোষ করেছি ভাই ???

#খাগড়াছড়ি দিঘীনালার অবস্থা ভালো নয়।
গতকাল খাগড়াছড়ি সদরে একজন বাঙালি মটরসাইকেল চুরি করতে গিয়ে নিজে বিদুৎতের পিলারে বাড়ি খেয়ে হাসপাতালে মা*রা যায়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিঘীনালায় সেটলারা পাহাড়িদের ঘর বাড়ি পুরিয়ে দিচ্ছে। 🥺

১৮ সেপ্টেম্বার ঢাবির এফ এইচ এম হলে খুন করা হয় মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে কে। মৃত ওই ব্যক্তির নাম তোফাজ্জল। তাঁর বাড়ি বর...
19/09/2024

১৮ সেপ্টেম্বার ঢাবির এফ এইচ এম হলে খুন করা হয় মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে কে। মৃত ওই ব্যক্তির নাম তোফাজ্জল। তাঁর বাড়ি বরিশালের বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠাল তলি ইউনিয়নে। তার ভাই-বোন, বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই। প্রেমে ব্যর্থ হয়ে দীর্ঘদিন যাবত মানষিক ভারসাম্যহীন ভাবে ঘুরে বেড়ায়। উচ্ছিষ্ট খেয়েই বেচে ছিল।
মূলত মোবাইল চুরিকে কেন্দ্র করে ঘটে এ ঘটনা। খেলা চলাকালীন ৮টার দিকে তোফাজ্জল হলে ঢুকলে তাঁকে আটক করেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের ধারণা, তোফাজ্জলই মোবাইল চুরি করছে। তোফাজ্জল মানসিক ভারসাম্যহীন জানার পরেও তাঁকে ছাড়েননি অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম, সিনিয়র শিক্ষার্থীরা তাদের নানাভাবে বোঝানোর চেস্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন।
# তোফাজ্জলকে সবচেয়ে বেশি মারধর করেছে বর্তমান হলের সমন্বয়য়ক পরিচয়ধারী মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সুমন, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের ফিরোজ, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের আব্দুস সামাদ, ফার্মেসি বিভাগের মোহাম্মদ ইয়ামুজ জামান এবং পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনিস্টিউটের মোত্তাকিন সাকিন। এরা সবাই ফজলুল হক মুসলিম হলের শিক্ষার্থী।
# মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের ২০-২১ সেশনের মোহাম্মদ সুমন, ওয়াজিবুল, ফিরোজ ও জালাল। এদের মধ্যে সুমন, ফিরোজ এবং জালাল সবচেয়ে বেশি মেরেছে। গেস্ট রুমে চোরের হাত বেঁধেছে জালাল। সুমন চোখ বন্ধ করে মেরেছে তাঁকে, মারতে মারতে ও (তোফাজ্জল) পড়ে গেছে। এরপরে পানি এনে তাঁকে পানি খাওয়ানো হলে সে উঠে বসে। এসময় সবাই হাততালি দেয়।’
# পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ১৮-১৯ সেশনের জালাল এসে আরও মারতে উৎসাহ দেয়; বলে— ‘মার, ইচ্ছামতো মার; মাইরা ফেলিস না একবারে’
# এসময় গ্যাস লাইট দিয়ে পায়ে আগুনও ধরিয়ে দেয়।
# পরে সুমন এসে তোফাজ্জলের ভ্রু ও চুল কেটে দেয়।
# মারধরে তোফাজ্জলের ডান পা এবং বাম পায়ের মাংস খুলে পড়ে গেছে তখন। অনেকে তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছে। একজন শিক্ষার্থী বলেন " কাপড় আনো, ওর পা বেঁধে দেই "।
কারণ ব্লিডিং হইলে তো সেন্সলেস হয়ে যাবে। পরে কাপড় এনে একটা জুনিয়র পা বেঁধে দেয়।
# পরে তোফাজ্জলকে হলের মেইন বিল্ডিংয়ের গেস্টরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পরে জালাল প্রচুর মারে তাঁকে। বুট জুতা পরে এসে তোফাজ্জলের আঙ্গুল মাড়িয়ে ছেঁচে ফেলেন।
# তারপরও জালাল বারবার তোফাজ্জলের হাতের আঙুল মাটিতে বিছিয়ে মাড়িয়েছে। তাঁর গোপনাঙ্গে লাঠি দিয়া জোরে জোরে আঘাত করছে জালাল।
# পরে প্রক্টরিয়াল টিম বুঝতে পারে তোফাজ্জলের অবস্থা খুবই খারাপ। এত মারলে কেউ বাঁচতে পারে না। তার মাংসগুলো খসে পড়ে গেছে। তাঁর গোপনাঙ্গে প্রচুর আঘাত করা হয়েছে। আঙুলগুলো পুরো ছেঁচে ফেলা হয়েছে। ওই জালাল ছেলেটা করেছে। সবার সামনেই এগুলা করছে।
# পরে অবস্থা খারাপ দেখে এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের পাঁচ-ছয় জনের একটি দল তাঁকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে রাত ১২টার দিকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় চিকিৎসক তোফাজ্জলকে মৃত ঘোষণা করলে সটকে পড়েন ওই শিক্ষার্থীরা।
মূল হোতাঃ
১. পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জালাল আহমেদ
২. মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সুমন,
৩. উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের ফিরোজ,
৪. পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের আব্দুস সামাদ,
৫. ফার্মেসি বিভাগের মোহাম্মদ ইয়ামুজ জামান এবং
৬. পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনিস্টিউটের মোত্তাকিন সাকিন।
বি:দ্র: বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এখন সমন্বয়ক ও তার চ্যালাদের বসবাস। ছাত্রলীগের কেউ ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে না। নিজের পরিচয় দিতে যেখানে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে ছাত্রলীগের পদধারী নেতা হলে অবস্থান করছে এটা বললে ক্যাম্পাসের কুত্তাগুলিও হাসবে । এই হত্যার দায় সমন্বয়কদের।

Address

Dhaka, Dhaka
Dhaka
1204

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Human Beings posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share